20/05/2026
আম উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
(বছরব্যাপী কার্যক্রম)
#আম
We are a community dedicated to promote agricultural education. Please stay with our page to get update about agriculture in Bangladesh.
20/05/2026
আম উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
(বছরব্যাপী কার্যক্রম)
#আম
19/05/2026
◀️◀️স্টীপিং পদ্ধতিতে কাঁচা আম সংরক্ষণ ▶️▶️
#আম #ফল #সংরক্ষণ
18/05/2026
⏬⏬ধান ক্ষেতে পার্চিং এর উপকারিতা⏬⏬
17/05/2026
রাজশাহী জেলায় আম পাড়ার বিজ্ঞপ্তি (২০২৬)
২০২৬ সালের জন্য কৃষক ও ভোক্তার সুবিধার্থে জেলা প্রশাসন রাজশাহী হতে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন জাতের আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আম পাড়ার সময়সূচী:
১৫ মে থেকে: সকল প্রকার গুটি আম পাড়া যাবে।
২২ মে থেকে: গোপালভোগ আম পাড়া যাবে।
২৫ মে থেকে: রাণীপছন্দ আম পাড়া যাবে।
২৫ মে থেকে: লক্ষণভোগ বা লখনা আম পাড়া যাবে।
৩০ মে থেকে: হিমসাগর বা খিরসাপাত আম পাড়া যাবে।
১০ জুন থেকে: ল্যাংড়া বা ব্যানানা ম্যাংগো আম পাড়া যাবে।
১৫ জুন থেকে: আম্রপালি আম পাড়া যাবে।
১৫ জুন থেকে: ফজলি আম পাড়া যাবে।
০৫ জুলাই থেকে: বারি আম-৪ আম পাড়া যাবে।
১০ জুলাই থেকে: আশ্বিনা আম পাড়া যাবে।
১৫ জুলাই থেকে: গৌড়মতি আম পাড়া যাবে।
সারা বছর: কাটিমন ও বারিআম-১১ সংগ্রহ করা যাবে।
সচেতনতামূলক বার্তা:
রাসায়নিকের কুফল: আম ফলকে ক্ষতিকর ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে পাকানো হলে, পাকানো ফলের ত্বক সুষম রঙ ধারণ করে। পরিপক্ব ছাড়া ফল সংগ্রহ করা ঠিক নয়। আম পাকানোর জন্য কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা যাবে না।
পুষ্টি ও স্বাদ: পরিপক্ব ছাড়া ফলের পুষ্টিমান কম হয়, অন্য দিকে কেমিক্যাল দিয়ে পাকালে ফল খেতে বিস্বাদ, পানসা, শক্ত ও তেতো এবং স্বাদযুক্ত মনে হয় না।
স্বাস্থ্য ঝুঁকি: কেমিক্যাল মেশানো ফল খেলে মানুষের দীর্ঘ মেয়াদী নানা রকম রোগে বিশেষ করে বদহজম, পাতলা পায়খানা, জন্ডিস, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, লিভার ও কিডনি নষ্ট হওয়াসহ ক্যান্সারের মত জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মহিলারা এর প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিতে থাকে। শিশুরা বিষাক্ত পদার্থের বিষক্রিয়ার প্রভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
ওয়েবসাইট: www.ais.gov.bd, www.dae.gov.bd, www.bari.gov.bd সহ অন্যান্য কৃষি বিভাগের ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।
কৃষি কল সেন্টার: ১৬১২৩ নম্বরে (সকাল ৮ টা হতে রাত ৮ টা)।
কৃষি তথ্য পেতে কৃষি প্রযুক্তি ভান্ডার অ্যাপস ব্যবহার করুন।
সৌজন্যে: কৃষি তথ্য সার্ভিস, রাজশাহী
ওয়েবসাইট: www.ais.rajshahi.gov.bd
04/04/2026
🌾 SRI পদ্ধতিতে ধান চাষ: কম খরচে দ্বিগুণ ফলন! 🌾
খুবই সাধারণ কিন্তু বৈজ্ঞানিক কিছু নিয়ম মেনে ধানের ফলন ২০-৫০% পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। জেনে নিন System of Rice Intensification (SRI) পদ্ধতির মূল ৬টি স্তম্ভ:
🌱 কচি চারা: মাত্র ৮-১২ দিন বয়সের (২ পাতা অবস্থা) চারা রোপণ করুন।
☝️ একটি করে চারা: প্রতি গর্তে গুচ্ছ নয়, মাত্র ১টি সবল চারা লাগান।
📏 সঠিক দূরত্ব: ২৫x২৫ সেমি দূরত্বে বর্গাকার পদ্ধতিতে চারা রোপণ করুন।
💧 পরিমিত পানি: ক্ষেতে পানি জমিয়ে না রেখে মাটি শুধু ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে রাখুন।
🚜 আগাছা দমন: ১০-১২ দিন পর পর উইডার মেশিন দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করুন।
💩 জৈব সার: রাসায়নিক সারের বদলে অধিক পরিমাণে গোবর বা কম্পোস্ট ব্যবহার করুন।
✅ সুফল: বীজ ও পানি সাশ্রয় হয়, কুশির সংখ্যা বাড়ে এবং ধানের দানাও পুষ্ট হয়।
#আধুনিক_কৃষি #ধান_চাষ #কৃষি_টিপস #উন্নত_ফলন #জৈব_কৃষি
04/04/2026
ধান উৎপাদনে সেচের পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি
ধান চাষে পানি সবচেয়ে বড় খরচের একটি উপাদান। সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে ৩০–৫০% পর্যন্ত পানি সাশ্রয় করা সম্ভব, পাশাপাশি ফলনও ভালো রাখা যায়। নিচে ধান উৎপাদনে পানি সাশ্রয়ী AWD প্রযুক্তি সহজভাবে তুলে ধরা হলো—
🌾 Alternate Wetting and Drying (AWD) পদ্ধতি
💠কীভাবে কাজ করে:
জমিতে সবসময় পানি জমিয়ে রাখা হয় না
৫–৭ দিন পর পানি শুকিয়ে গেলে আবার সেচ দেওয়া হয়
একটি পাইপ (AWD pipe) দিয়ে মাটির পানির স্তর মাপা হয়
💠সুবিধা:
৩০–৪০% পানি সাশ্রয়
বিদ্যুৎ/ডিজেল খরচ কম
মিথেন গ্যাস নির্গমন কমে
02/04/2026
আলু চাষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো 'হাম পুলিং' (Haulm Pulling)। বিশেষ করে যারা বীজ আলু উৎপাদন করতে চান, তাদের জন্য এটি অপরিহার্য।
🥔 আলুর ফলন ও মান বাড়াতে 'হাম পুলিং' কেন জরুরি?
আলু চাষে আমরা অনেকেই অনেক যত্ন করি, কিন্তু সঠিক সময়ে 'হাম পুলিং' বা আলুর গাছ টেনে উপড়ে ফেলা বা কেটে ফেলার গুরুত্ব বুঝি না। বিশেষ করে বীজ আলুর মান ধরে রাখতে এবং আলুকে রোগমুক্ত রাখতে এটি একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
হাম পুলিং কী?
আলু পরিপক্ক হওয়ার পর কিন্তু সংগ্রহের (Harvesting) অন্তত ১০-১৫ দিন আগে আলুর গাছ গোড়া থেকে টেনে উপড়ে ফেলা বা ধারালো কাঁচি দিয়ে কেটে মাটির ওপরের অংশ সরিয়ে ফেলাকেই হাম পুলিং বলা হয়।
🌟 হাম পুলিং করার প্রধান কারণসমূহ:
* বীজ আলুর মান নিয়ন্ত্রণ: আলুর আকার খুব বেশি বড় হয়ে গেলে তা বীজের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। হাম পুলিং করলে আলুর আকার আর বাড়ে না, ফলে আদর্শ মাপের বীজ আলু পাওয়া যায়।
* ভাইরাস ও রোগবালাই প্রতিরোধ: শেষ সময়ে জাব পোকা বা হোয়াইট ফ্লাই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। গাছ কেটে ফেললে ভাইরাস পাতা থেকে কন্দ বা আলুতে নামতে পারে না।
* খোসা শক্ত করা: গাছ কেটে ফেলার পর আলু মাটির নিচে ১০-১২ দিন থাকলে এর খোসা (Skin) বেশ শক্ত হয়। এতে আলু তোলার সময় ছিলে যায় না এবং গুদামে দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে।
* লেট ব্লাইট প্রতিরোধ: আলুর মড়ক বা লেট ব্লাইট রোগ যেন কন্দে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হাম পুলিং একটি কার্যকর ঢাল।
⏰ কখন করবেন?
সাধারণত আলু রোপণের ৮০ থেকে ৯০ দিন পর হাম পুলিং করা হয়। তবে যদি দেখেন আলুর আকার বীজের উপযোগী হয়ে গেছে বা জাব পোকার আক্রমণ বাড়ছে, তবে সাথে সাথেই এটি করা উচিত।
🛠️ সঠিক পদ্ধতি:
১. আলুর গাছের গোড়া শক্ত করে ধরে সাবধানে টেনে তুলুন যাতে আলু মাটির নিচেই থাকে।
২. বড় পরিসরে চাষ করলে ধারালো কাঁচি বা সিকোটিয়ার দিয়ে মাটির সমান্তরালে গাছ কেটে ফেলতে পারেন।
৩. গাছ কাটার পর অন্তত ১০-১৪ দিন আলু মাটির নিচেই থাকতে দিন (এটিকে কিউরিং বলা হয়)।
> 💡 প্রো-টিপ: হাম পুলিং করার পর কাটা গাছগুলো জমি থেকে সরিয়ে ফেলুন এবং পুড়িয়ে ফেলুন বা দূরে সরিয়ে দিন, যাতে কোনো রোগবালাই জমিতে ছড়াতে না পারে।
আপনার আলুর ফলন হোক দ্বিগুণ এবং রোগমুক্ত! আরও কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। 🌱
#কৃষিবিচিত্রা #আলুচাষ #হামপুলিং
01/04/2026
ফসল পঞ্জিকাঃ আদা
29/03/2026
❇❇❇আমের গুচ্ছ জটা' বা Mango Malformation❇❇❇
#আমের_রোগ #গুচ্ছ_জটা #বাগান_ব্যবস্থাপনা
28/03/2026
আমের জায়ান্ট মিলিবাগ: দমন ও প্রতিকার
মিলিবাগ বা দই পোকা দেখতে সাদা তুলোর মতো হলেও এটি গাছের মারাত্মক ক্ষতি করে। এর আক্রমণে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফল ঝরে পড়ে।
🔍 পোকা চেনার উপায় ও লক্ষণ
পোকাগুলো দেখতে সাদা, চ্যাপ্টা এবং অনেকটা দইয়ের মতো মনে হয়।
এরা সাধারণত গাছের কচি পাতা, ডগা এবং আমের বোঁটা থেকে রস চুষে খায়।
আক্রান্ত স্থান থেকে এক ধরণের আঠালো মিষ্টি রস (Honeydew) নিঃসৃত হয়, যার ফলে পাতায় কালো ছাতা বা 'সুলি মোল্ড' রোগ দেখা দেয়।
🛡️ দমন পদ্ধতি
মিলিবাগ দমনে কেবল রাসায়নিক নয়, যান্ত্রিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিও বেশ কার্যকর:
১. যান্ত্রিক পদ্ধতি (Mechanical Control)
গাছের গোড়ায় প্লাস্টিক ব্যান্ডিং: নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে গাছের গোড়া থেকে ১-২ ফুট উপরে ১০ ইঞ্চি চওড়া পিচ্ছিল পলিথিন বা প্লাস্টিক শক্ত করে বেঁধে দিন। এতে মাটির নিচে থাকা ডিম ফুটে পোকাগুলো গাছে উঠতে পারবে না।
আঠালো ফাঁদ: প্লাস্টিকের ওপর গ্রিজ বা আঠালো কিছু লাগিয়ে দিলে পোকাগুলো সেখানেই আটকে যাবে।
২. প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া সমাধান
পানির ঝাপটা: আক্রমণ কম হলে জোরে পানির স্প্রে করে পোকাগুলোকে গাছ থেকে ফেলে দেওয়া যায়।
সাবান পানি: ১ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম ডিটারজেন্ট বা সাবান গুলে আক্রান্ত স্থানে স্প্রে করলে পোকার উপরের সাদা মোমের মতো আবরণ নষ্ট হয়ে যায় এবং পোকা মারা যায়।
৩. রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ (Chemical Control)
যদি আক্রমণ বেশি হয়, তবে ইমিডাক্লোপ্রিড (Imidacloprid) গ্রুপের কীটনাশক (যেমন: এডমায়ার বা টিডো) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ভালো করে স্প্রে করুন।
স্প্রে করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন গাছের ডগা এবং পাতার নিচের অংশ ভালো করে ভিজে যায়।
✅ কিছু জরুরি পরামর্শ
বাগান সবসময় আগাছামুক্ত রাখুন, কারণ আগাছা এই পোকার প্রজননস্থল হিসেবে কাজ করে।
মিলিবাগ সাধারণত পিঁপড়ার মাধ্যমে ছড়ায়, তাই বাগানে পিঁপড়া দেখলে তা দমনের ব্যবস্থা নিন।
27/03/2026
💠লাল বিটল পোকা💠
❇❇❇Red Pumpkin Beetle in Cucurbits❇❇❇
#ফসল #বাংলাদেশের #কৃষি #কৃষক #পোকা