স্কুল দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত করে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগ দিলে শিক্ষার মান বাড়বে
অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন
প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৫৫ PM , আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৫৯ PM
অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন © সম্পাদিত
সারাবিশ্বে স্কুল হলো দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। এমনকি ভারতেও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। বাংলাদেশের সব সরকারি স্কুল দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে সেখানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারদের নিয়োগ দিলে স্কুলের শিক্ষার মান অনেক বৃদ্ধি পাবে। ছোটোখাটো কলেজগুলোর কিছু কলেজকে শুধু ডিগ্রি পাস কোর্স এবং বাকিগুলোকে কারিগরি বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হোক। বড় বড় কলেজকে শুধু অনার্স পড়ানোর অনুমতি দেওয়া হোক।
বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটগুলোয় যেখানে গবেষণা করানো হয়, কেবল সেসব প্রতিষ্ঠানকে মাস্টার্স পড়ানোর অনুমতি দেওয়া হোক। ভারতে কলেজগুলোর শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় ইউজিসির মাধ্যমে। সেখানে তাদেরকে National Eligibility Test (NET) পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ হয়। Assistant professor পদের জন্য মাস্টার্সে ৫৫ শতাংশ পেতে হয়। তার সঙ্গে NET qualified হতে হয়। তারা কলেজগুলোতে অনার্স এবং পাস কোর্স পড়ান। শুরুতে বেতন assistant professor - মূল বেতন ৫৭ হাজার। DA, house rent allowance সহ সবমিলিয়ে এটা হয় ৭৩ হাজার রুপি বেতন পান, যা বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখ ২ হাজার টাকা হয়।
আমার এক ছাত্র সাত বছর হয় বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দিয়ে প্রভাষক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছে। বেতন ৩৫ হাজার টাকা। তার সহপাঠীরা যারা বিসিএস প্রশাসন বা অন্যান্য ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছে, তাদের বেশ আগেই একটি প্রমোশন হয়ে গেছে। আমার ছাত্র হয়তো আগামী বছর সহকারী অধ্যাপক হবে, যখন তার বেতন হবে ৫০ হাজার টাকার মতো- যেখানে ভারতের সহকারী অধ্যাপক বেতন পাবে তার দ্বিগুনের বেশি।
আরো পড়ুন: দেশে শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও নেই কোনো এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম
আর ভারতের কলেজের একজন Associate professor সবমিলিয়ে বেতন পান ৯৪ হাজার রুপি, যা বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখ ৩১ হাজার টাকা হয়। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকও ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পান না। যাই হোক কলেজ শিক্ষক নিয়োগের জন্য আমাদের একটা আলাদা বডি থাকা উচিত। শিক্ষকদের জন্য একটা স্বতন্ত্র বেতন স্কেল থাকা উচিত।
কলেজের শিক্ষক হওয়ার জন্য ন্যূনতম মাস্টার্স পাশ থাকা আবশ্যকতো বটেই। নিয়োগ প্রক্রিয়া এমন হওয়া উচিত যে, কারো পিএইচডি থাকলে সরাসরি সহকারী অধ্যাপক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া। তুলনাটা পাশের কলকাতা শহরের কলেজের শিক্ষকদের সাথেই করলাম, যেখানে বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম বাংলাদেশ থেকে কম।
লেখক: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
Begunhati Fazil degree Madrasah
This is an institution of Islamic Education under the Bangladesh Madrasah education Board, Ministry of Education, Peoples Republic of Bangladesh.
মাওলানা মোঃ নুরুজ্জামান মোল্লা, অধ্যক্ষ
মোঃ গোলাম মোস্তফা, সহকারী অধ্যাপক (জীববিজ্ঞান)
18/12/2024
14/11/2024
ইএফটি সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা
দৈনিক শিক্ষাডটকম প্রতিবেদক | ১৪ নভেম্বর, ২০২৪
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস++ এর মাধ্যমে ইএফটিতে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। বিস্তারিত নিচে দেখুন—
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়
৩০ জুনের মধ্যে ‘আরবি ও ইংরেজি ভাষা ক্লাব’ চালুর নির্দেশ
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৭ PM , আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২২ PM
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসায় ‘এ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স’ এবং ‘আরবি ও ইংরেজি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’ চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
সোমবার (২২ এপ্রিল) জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও গবেষনা কেন্দ্র থেকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে জারিকৃত পৃথক দুটি নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ৩০ জুন এর মধ্যে অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিজ অর্থায়নে ‘এ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স’ এবং ৩০ মে এর মধ্যে ‘আরবি ও ইংরেজি ভাষা ক্লাব’ চালু করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট ও মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সামঞ্জস্যতার ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব চালু করা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।
তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ক্লাব চালু হলে শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে ভাষা চর্চায় দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘এ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স’ চালুকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আরবি ‘পবিত্র কোরআন ও হাদিসের’ ভাষা এবং ইসলামিক শিক্ষার জ্ঞান আহরনের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হওয়ায় অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি আরবি ভাষা জানা ও চর্চা করা একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর জন্য আবশ্যক।
তিনি বলেন, পশ্চিমাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের সাথে সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। যেখানে ইংরেজী ও আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে এ সকল মেধাবী শিক্ষার্থী দেশ ও দেশের বাহিরে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবে।
এ বিষয়ে অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাকে কার্যকর ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে এ সংক্রান্ত সার্বিক সহায়তা করার আশ্বাস প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ।
২০২৬ সালের এসএসসিতে ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা
অনলাইন ডেস্ক
২০২৬ সালের এসএসসিতে ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা
পাল্টে যাচ্ছে পরীক্ষার নম্বর বণ্টন। নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে এবার যারা নবম শ্রেণিতে আছে তারা প্রথমবারের মতো নতুন কারিকুলামে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
নতুন কারিকুলামে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ওপর ভিত্তি করে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে ৫০ শতাংশ নম্বরবিহীন লিখিত পরীক্ষা রাখা হয়েছে। বাকি অর্ধেক অংশের মূল্যায়ন হবে হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে। তবে সেই পরীক্ষার নাম এসএসসি থাকবে নাকি অন্য কোনো নাম হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
গতকাল সোমবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে গঠিত কমিটির দ্বিতীয় সভায় পরীক্ষা পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়।
এর আগে গত ২৪ মার্চ শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির খসড়া নিয়ে প্রথম বৈঠক হয়। বৈঠকের খসড়া অনুযায়ী, শ্রেণিভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হবে বছরে দুটি। প্রতি বিষয়ে ৫ ঘণ্টার লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগের পদ্ধতিতে আর পরীক্ষা হবে না। পরীক্ষাকে এখানে ‘মূল্যায়ন’ বলা হবে।
এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সোমবার দ্বিতীয় সভা হয়েছে। সেখানে এসএসসির নম্বর বিভাজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে ৫০ শতাংশ নম্বরবিহীন লিখিত পরীক্ষা রাখা হয়েছে। বাকি অর্ধেক অংশের মূল্যায়ন হবে হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে। তবে সেই পরীক্ষার নাম এসএসসি থাকবে নাকি অন্য কোনো নতুন নাম হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়নের রূপরেখা অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরীক্ষার মতো পাবলিক পরীক্ষা বা মূল্যায়নে হাতে-কলমে কাজের পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও থাকবে। তবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তর দেওয়ার ধরন এখনকার মতো মুখস্থনির্ভর হবে না। একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাক্রম অনুযায়ী যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, সেগুলোই মূলত সৃজনশীল উপায়ে লিখতে হবে। আর অনুসন্ধান, প্রদর্শন, মডেল তৈরি, উপস্থাপন, পরীক্ষণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি বিষয়ের মাধ্যমে হাতে-কলমে মূল্যায়ন হবে।
মূল্যায়ন পদ্ধতির খসড়া অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন হবে এক কর্মদিবসের সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টায়। বিরতি দিয়ে হবে এ মূল্যায়ন। লিখিত পরীক্ষা বিষয়ভেদে এক ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টাও হতে পারে।
এখন থেকে ঘরে বসেই ট্রেনের লোকেশন জানতে পারবেন মোবাইলের মাধ্যমে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে প্লে স্টোর গিয়ে BR Explorar নামের অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে, এবং যাবতীয় তথ্য দিয়ে লগইন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, এবং রেফার কোড এর অপশনে FZBC626022 এই নম্বরটি বসিয়ে দিন। প্রথম দশবার বিনামূল্যের ট্রেনের সর্বশেষ লোকেশন দেখতে পারবেন, পরবর্তীতে প্রতিবার ট্রেকিংয়ের জন্য দুই টাকা করে চার্জ কাটা হবে, যেটা বর্তমানে মোবাইলের মেসেজে ৫ টাকা করে চার্জ করে।
নতুন শিক্ষাক্রম: যেভাবে তৈরি হবে প্রশ্নপত্র
২৭ মার্চ, ২০২৪
শিক্ষাক্রম অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার মূল্যায়নে হাতে–কলমে কাজের পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও থাকছে। তবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তর দেওয়ার ধরন মুখস্থনির্ভর হবে না। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাক্রম অনুযায়ী যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, সেগুলো মূলত সৃজনশীল উপায়ে লিখতে হবে। প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ প্রশ্নপত্র তৈরি করবে শিক্ষা বোর্ড। পাবলিক পরীক্ষার সঙ্গে মিল রেখে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণির মূল্যায়ন করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণিতে বছরজুড়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন থাকবে। এর পাশাপাশি বছরে দুটি সামগ্রিক মূল্যায়ন হবে।
অভিভাবকদের একটি অংশ মূল্যায়নে লিখিত পরীক্ষা রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন। এমন অবস্থায় নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নপদ্ধতি চূড়ান্ত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি করে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্যায়নপদ্ধতির খসড়া তৈরি করেছে এনসিটিবি।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এই খসড়ার ভিত্তিতে মূল্যায়ন কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। এখন যারা নবম শ্রেণিতে পড়ছে, তারা নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রথমবারের মতো পাবলিক পরীক্ষা দেবে বছর দুয়েক পরে। এর আগে চলতি বছরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে পাবলিক পরীক্ষার আদলে নবম শ্রেণির বার্ষিক মূল্যায়ন করা হবে।
এনসিটিবির খসড়া মূল্যায়ন কাঠামো অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। একটি অংশে হাতে–কলমের কাজে (উপস্থাপন, প্রদর্শনী ইত্যাদি) পরীক্ষার্থীদের পারদর্শিতা কতটা অর্জিত হয়েছে, তা দায়িত্বরত শিক্ষক নির্ধারিত ছকে তা পূরণ করবেন। আরেকটি অংশ পরীক্ষার্থীর লিখিত মূল্যায়ন করে পরীক্ষক নির্ধারিত ছকে পূরণ করবেন।
বিষয়ের ভিন্নতা অনুযায়ী কাগজ, পরীক্ষণ, মডেল, নকশা, গ্রাফ ইত্যাদি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা থাকবে পরীক্ষার কেন্দ্রে। শিক্ষার্থীদের নিজ প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্র হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শিক্ষার্থীর বৈচিত্র্য ও সক্ষমতা বিবেচনা করে মূল্যায়ন বা পরীক্ষা কার্যক্রমের কৌশলে বিকল্প উপায়ও রাখা হবে।
গত বছর প্রথমবারের মতো নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রথম থেকে তৃতীয় এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমে অধ্যয়ন করছে।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, মূল্যায়নপদ্ধতি চূড়ান্ত করতে আলাপ–আলোচনা চলছে।
জানতে চাইলে এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান জানান, তাঁরা মূল্যায়ন কাঠামোর খসড়াটি সংশ্লিষ্ট কমিটির সামনে ইতিমধ্যে উপস্থাপন করেছেন। আশা করছেন, শিগগিরই সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে এটি চূড়ান্ত হবে।
02/03/2024
২৪০ মিলিয়ন বছরের পুরনো চীনা ড্রাগনের জীবাশ্ম আবিষ্কার করলেন স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। জানা গেছে, ১৬ ফুট লম্বা এই জীবাশ্মটি ট্রায়াসিক যুগের একটি দীর্ঘ জলজ সরীসৃপের। বিজ্ঞানের ভাষায় প্রজাতিটির নাম ডাইনোসেফালোসরাস ওরিয়েন্টালিস।
অতি দীর্ঘ ঘাড়ের কারণে এই জীবাশ্মটি ড্রাগনের বলেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। স্কটল্যান্ডের জাতীয় মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে জীবাশ্মটি। জানা গেছে, জীবাশ্মটি পাওয়া গেছে দক্ষিণ চীনের গুইঝৌ প্রদেশে। গবেষক দলের সদস্য ড. নিক ফ্রেজার জানিয়েছেন, ‘জীবাশ্মটি অদ্ভুত একটি প্রাণীর। এটির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফ্লিপারের মত। প্রাণীটির ঘাড় বাকি শরীর এবং লেজের মিলিত অংশের চেয়ে লম্বা’।
তথ্য সূত্র: লাইভ সাইন্স।
19/02/2024
গতবারের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই আগামী বছরের এইচএসসি
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
গত বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হলেও সব বিষয়ে, পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।
সোমবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কলেজগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, শিখন ঘাটতিতে থাকা ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের পরীক্ষার্থীদের ওপর যাতে বাড়তি চাপ না সৃষ্টি হয় তা নিশ্চিত করতেই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তাদের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন : শিখন ঘাটতি পূরণে এইচএসসির সিলেবাসে কাটছাঁট
প্রসঙ্গত, ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিষয়ে পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে আরো বলা হয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, করোনা মহামারির কারণে চার বছর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা নেয়ার পর আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে স্বাভাবিক সিলেবাসে এ পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা ছিলো শিক্ষা প্রশাসনের। তবে, মহামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শিখন ঘাটতি নিয়ে মাধ্যমিকের (এসএসসি ও সমমান) গণ্ডি পাড় হয়ে আসা ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের পরীক্ষার্থীদের আরো একবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বাসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। গত বছর বা চলতি বছরের মতো একই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আগামী বছরের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে সব বিষয়ে, পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরের পরীক্ষায় বসতে হবে শিক্ষার্থীদের। করোনা মহামারির থাবায় এ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অষ্টম শ্রেণি থেকে শিখন ঘাটতিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
https://www.facebook.com/sharer.php?t=%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%20%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%20-%20%E0%A6%A6%E0%A7%88%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE&u=https%3A%2F%2Fwww.dainikshiksha.com%2F%25E0%25A6%258F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%258F-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A4-%25E0%25A6%25B6%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%2595%25E0%25
এনটিআরসিএ নির্বাচিত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ
বিস্তারিতঃ linkA6%25A6%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25AF%25E0%25A7%258B%25E0%25A6%2597%2F269073%2F
02/02/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Vill: BEGUNHATI
Gazipur