Iqra Kindergarten & High School

Iqra Kindergarten & High School

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqra Kindergarten & High School, Tutor/Teacher, North Loshkorchala, Kaliakair, Gazipur.

30/03/2019

সফলতার গল্প পড়ো না, কারণ তা থেকে তুমি শুধু গল্পটাই পাবে। ব্যর্থতার গল্প পড়ো, তাহলে সফল হওয়ার কিছু উপায় পাবে।

29/12/2018

Today is National Mathematics Day
(Birth Day of Ramanujam),
See this Absolutely amazing Mathematics given by great Mathematician *रामानुजम*
1 x 8 + 1 = 9
12 x 8 + 2 = 98
123 x 8 + 3 = 987
1234 x 8 + 4 = 9876
12345 x 8 + 5 = 98765
123456 x 8 + 6 = 987654
1234567 x 8 + 7 = 9876543
12345678 x 8 + 8 = 98765432
123456789 x 8 + 9 = 987654321
1 x 9 + 2 = 11
12 x 9 + 3 = 111
123 x 9 + 4 = 1111
1234 x 9 + 5 = 11111
12345 x 9 + 6 = 111111
123456 x 9 + 7 = 1111111
1234567 x 9 + 8 = 11111111
12345678 x 9 + 9 = 111111111
123456789 x 9 +10= 1111111111
9 x 9 + 7 = 88
98 x 9 + 6 = 888
987 x 9 + 5 = 8888
9876 x 9 + 4 = 88888
98765 x 9 + 3 = 888888
987654 x 9 + 2 = 8888888
9876543 x 9 + 1 = 88888888
98765432 x 9 + 0 = 888888888
And look at this symmetry :
1 x 1 = 1
11 x 11 = 121
111 x 111 = 12321
1111 x 1111 = 1234321
11111 x 11111 = 123454321
111111 x 111111 = 12345654321
1111111 x 1111111 = 1234567654321
11111111 x 11111111 = 123456787654321
111111111 x 111111111 = 12345678987654321
Brilliant isn't it?
Please Share This Wonderful Number Game

14/11/2018

আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ
মোস্তফা (সাঃ) থেকে একেবারে হযরত আদম
(আঃ) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের তালিকাঃ
---------++-++-+++++----------------------
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ)
তাঁহার পিতা আব্দুল্লাহ,
তাঁহার পিতা আব্দুল মোত্তালিব,
তাঁহার পিতা হাসিম,
তাঁহার পিতা আব্দ মানাফ,
তাঁহার পিতা কুছাই,
তাঁহার পিতা কিলাব,
তাঁহার পিতা মুরাহ,
তাঁহার পিতা কা'ব
তাঁহার পিতা লুই,
তাঁহার পিতা গালিব,
তাঁহার পিতা ফাহর,
তাঁহার পিতা মালিক,
তাঁহার পিতা আননাদর,
তাঁহার পিতা কিনান,
তাঁহার পিতা খুজাইমা,
তাঁহার পিতা মুদরাইকা,
তাঁহার পিতা ইলাস,
তাঁহার পিতা মুদার,
তাঁহার পিতা নিজার,
তাঁহার পিতা মা'দ,
তাঁহার পিতা আদনান,
তাঁহার পিতা আওয়াদ,
তাঁহার পিতা হুমাইসা,
তাঁহার পিতা সালামান,
তাঁহার পিতা আওয,
তাঁহার পিতা বুয,
তাঁহার পিতা কামওয়াল,
তাঁহার পিতা ওবাই,
তাঁহার পিতা আওয়ান,
তাঁহার পিতা নাসিদ,
তাঁহার পিতা হিযা,
তাঁহার পিতা বালদাস,
তাঁহার পিতা ইয়াদলাফ,
তাঁহার পিতা তাবিখ,
তাঁহার পিতা জাহিম,
তাঁহার পিতা নাহিস,
তাঁহার পিতা মাখি,
তাঁহার পিতা আ'য়েফ
তাঁহার পিতা আবকার,
তাঁহার পিতা উবাইদ,
তাঁহার পিতা আদ দাহা,
তাঁহার পিতা হামদান,
তাঁহার পিতা সানবার,
তাঁহার পিতা ইয়াসরিবি,
তাঁহার পিতা ইয়াহজিন,
তাঁহার পিতা ইয়ালহান,
তাঁহার পিতা ইরাওয়া,
তাঁহার পিতা আইযি,
তাঁহার পিতা যিশান,
তাঁহার পিতা আইছার,
তাঁহার পিতা আফনাদ,
তাঁহার পিতা আইহাম,
তাঁহার পিতা মুকাসির,
তাঁহার পিতা নাহিস,
তাঁহার পিতা যারিহ,
তাঁহার পিতা সামি,
তাঁহার পিতা মায্যি,
তাঁহার পিতা ইওয়াদ,
তাঁহার পিতা ইরাম,
তাঁহার পিতা হিদার,
তাঁহার পিতা হযরত ইসমাইল (আঃ),
তাঁহার পিতা হযরত ইবরাহিম (আঃ),
তাঁহার পিতা তারক
তাঁহার পিতা নাহুর,
তাঁহার পিতা সারুয,
তাঁহার পিতা রা'উ,
তাঁহার পিতা ফাহিয,
তাঁহার পিতা আবীর,
তাঁহার পিতা আফরাহশাদ,
তাঁহার পিতা সা'ম,
তাঁহার পিতা হযরত নূহ (আঃ),
তাঁহার পিতা লামিক,
তাঁহার পিতা মাতু সালিখ,
তাঁহার পিতা হযরত ঈদ্রীস (আঃ),
তাঁহার পিতা ইয়ারিদ,
তাঁহার পিতা মালহালিল,
তাঁহার পিতা কিনান,
তাঁহার পিতা আনস,
তাঁহার পিতা হযরত শীস (আঃ),
তাঁহার পিতা হযরত আদম (আঃ)।।

07/11/2017

বাগধারার প্রাণীগুলোর সাথে অন্যভাবে পরিচয় হলে কেমন হতো?—
সেদিন ‘ব্যাঙের সর্দি’ হলো বৃষ্টিমাথায় ভিজে
ভর্তি হলো হাসপাতালে বাপ-মা ছাড়াই নিজে!
পেঁচা তারে দেখতে গেল নিজের বাড়ি থেকে,
‘পেঁচার মতো মুখ’ হলো হায়—ব্যাঙের বিপদ দেখে!
আদ্যিকালের বদ্যিবুড়ো সান্ত্বনা দেয় তারে—
“এসব ব্যাধি রয় না বেশি—দু-এক দিনেই সারে!”
বৃষ্টিমাথায় ‘ভিজে বেড়াল’ আসল ভিজে ভিজে
বলল—“ব্যাটা ঠাণ্ডা লাগাস—বিপদ বাঁধাস কি যে!”
‘কাজীর গরু’, ‘বক ধার্মিক’—এরাও এল সবাই
চোখ রাঙিয়ে বলল—“ব্যাটা, করব তোরে জবাই!
বৃষ্টিমাথায় বাইরে বেরোস! থাকিস নে ক্যান বাড়ি?”
“আর বোকো না!”—বলল এসে ‘অকর্মার এক ধাড়ি’!
কোত্থেকে এক ‘দুমুখো সাপ’ ফোঁসফোঁসিয়ে বলে—
“ঠিক বলেছ,ঠিক বলেছ, বকলে কি আর চলে?”
একটু পরেই দুমুখো সাপ বলল নিজের ঝোঁকে—
“কিন্তু, বাপু, না বকলেও ব্যাঙ যাবে যে বখে!”
‘রুই-কাতলা’, ‘রাঘব বোয়াল’— ‘গভীর জলের মাছ’ও
সবাই এসে বলল—“খোকা এখন কেমন আছো?”
ব্যাঙ বলল—“ভালোই আছি! একটু কেবল কাশি!”
“অল্প দিনেই সারবে ওসব”—বলল ‘খোদার খাসি’!
একটু বাদেই দেখতে এসে বলল ‘চুনোপুঁটি’—
“এখন কেবল বেড-রেস্টে কাটবে তোমার ছুটি!”
‘অহি-নকুল’ আসল ছুটে, ‘ইঁদুর-কপাল’ ইঁদুর
বলল এসে—“কোমর গেছে! হাসপাতালটা কী দূর!”
গিফট-ভরা এক ডাব্বা নিয়ে আসল ‘টাকার কুমির’!
‘তীর্থের কাক’ আসল উড়ে —সুদূর জলাভূমির!
আসল ‘বিড়াল তপস্বী’ এক জপের মালা হাতে
বলল—“জলে ভিজলে কি আর সয় রে ব্যাঙের ধাতে?
এখন থেকে থাবড়া খাবি ভিজলে আবার জলে,
কিংবা যদি পড়িস আবার হুদাই গ্যাঁড়াকলে!”
‘দুধের মাছি’ ভনভনিয়ে বসল এসে কাছে
বলল—“ইয়ে, হাসপাতালে খাওয়ার কিছু আছে?”
‘বসন্তের ওই কোকিল’ এসে ঠুকল সবায় সেলাম!
বলল—“আরে! এ যে দেখি ভুল সময়েই এলাম!
কি আর করার! রেস্ট নিয়ে যাই—হলোই যখন গলদ!”
“কয়েক লিটার তেল এনেছি” বলল ‘কলুর বলদ’!
এমনি করে হরেক প্রাণীর বিদঘুটে সয়লাবে
ধমক খেয়ে, আদর পেয়ে ব্যাঙ বাবাজি ভাবে—
“ভিজতে গেছি বেশ করেছি—ভিজব আরও শতো!
‘কূপ-মণ্ডুক’ থাকলে পরে এমন কি আর হতো?”
—বাগধারার প্রাণীরা
আহমদ মুসা।

07/11/2017

একদিন টমাস আলভা এডিসন ঘরে এসে তাঁর মাকে একটি কাগজ দিলেন । তিনি তাঁকে বললেন, "আমার শিক্ষক আমাকে কাগজটি দিয়েছেন এবং শুধুমাত্র আমার মাকে দিতে বলেছেন ।" যখন তাঁর মা চিঠিটি জোরে পড়া শুরু করলেন, তখন তার চোখ দিয়ে জল পড়তেই লাগলঃ "আপনার পুত্র মেধাবী । এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মত যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই । দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন ।" তাঁর মা মারা যাওয়ার অনেক বছর পরের কথা । তখন তিনি শতাব্দীর সেরা আবিষ্কারক। একদিন তিনি তাঁর পারিবারিক পুরনো জিনিসপত্র দেখছিলেন । একটি ডেস্কের ড্রয়্যারের কোণায় হঠাৎ তিনি একটি ভাঁজ করা কাগজ পেলেন । তিনি সেটা হাতে নিয়ে খুলে দেখলেন । কাগজে লেখা ছিলঃ "আপনার সন্তান স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন । আমরা তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না ।" এডিসন কয়েক ঘণ্টা ধরে কাঁদলেন এবং ডায়েরীতে লিখলেনঃ "টমাস আলভা এডিসন একজন স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন । একজন আদর্শ মায়ের দ্বারা তিনি শতাব্দীর সেরা মেধাবী

06/11/2017

মানুষের চাওয়া:
*****************
❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।
❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।
❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ
করুন।
❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার
বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।
❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন
জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।
❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে
যাক।
❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন
নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।
❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার
সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।
**শুধুমাত্র চোর চায় আপনি ধনী
হোন আর মহাসুখে নাক ডেকে ঘুমান।
এতএব, চোরই আপনার প্রকৃত বন্ধু।
--------------প্রমানিত
😃😃😃😃😃😃
৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।
১| নদীর পাড়ের বাড়ি
২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩। ঘর ছাড়া নারী।
তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
তিনটি জিনিস
ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
(১)সু-সন্তান
(২)ভাল কাজ
(৩) ইলম।
তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১)চুরি
(২)চোগলখুরী
(৩)মিথ্যা।
তিনটি জিনিস
পিছনেতে রাখোঃ
(১)হিংসা
(২)অভাব
(৩)সন্দেহ।
তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) মন।
তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) সততা
(২) ভক্তি
(৩) ভালোবাসা
তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ
(১) কলম
(২) কথা
(৩) কদম
‘দয়া করে মূল্যবান পোষ্টটা পড়া শেষ হলে
শেয়ার করুন’
এবং সকল কে জানার ও শিক্ষার সুযোগ করে
দিন ।
নুপুরের দাম হাজার টাকা,,
কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,
টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,
তার স্থান কপালে। "যে নুনের মতো
তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।
ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,
আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,
আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।
মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,
আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই
আগ্রহ বেশী।
এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,
আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।
আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, "জল মেশাননি তো?",,
আর মদে নিজেরাই জল মিশিয়ে খাই।
আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,
যে "তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,
কিন্তু সিংহ বললে খুশি হয় !!
*মানুষ বড় আজব প্রাণী*
(সংগৃহীত)

23/10/2017

কোন মাসে কোন দিবস দেখে নিন
জানুয়ারি মাস
--------
১ লা জানুয়ারি-->বিশ্ব পরিবার দিবস
৬ জানুয়ারি-->বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ শিশু দিস (World Day --> War Orphans )
১০ জানুয়ারি-->শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
১৯ জানুয়ারি-->জাতীয় শিক্ষক দিবস
২০ জানুয়ারি-->শহীদ আসাদ দিবস
২৪ জানুয়ারি-->গণ অভ্যুত্থান দিবস
২৫ জানুয়ারি-->কম্পিউটারে বাংলা প্রচলন দিবস
২৬ জানুয়ারি-->আন্তর্জাতিক শুল্ক দিবস
২৭ জানুয়ারি-->আন্তর্জাতিক হলোকস্ট স্মরণ দিবস
২৮ জানুয়ারি-->তথ্য সুরক্ষা দিবস (Data Protection Day), সলঙ্গা দিবস
জানুয়ারির শেষ রবিবার আন্তর্জাতিক কুষ্ঠ দিবস
ফেব্রুয়ারি মাস
--------
২রা ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব জলাভূমি দিবস
৪ ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব ক্যান্সার দিবস
৫ ফেব্রুয়ারি-->কাশ্মীর দিবস
৬ ফেব্রুয়ারি-->International Day against Female Ge***al Mutilation
১২ ফেব্রিুয়ারি-->ডারউইন দিবস এবং বিশ্ব রোগী দিবস (World Day of the Sick)
১৪ ফেব্রুয়ারি-->ভ্যালেন্টাইন’স ডে, সুন্দরবন দিবস
১৫ ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস
২০ ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব সামাজিক বিচার দিবস (World Day of Social Justice)
২১ ফেব্রুয়ারি-->আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
২২ ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব স্কাউট দিবস
২৩ ফেব্রুয়ারি-->বিশ্ব শান্তি ও সমঝোতা দিবস
২৪ ফেব্রুয়ারি-->আল কুদস দিবস
২৮ ফেব্রুয়ারি-->ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস
মার্চ মাস
--------
২ মার্চ-->জাতীয় পতাকা দিবস
৩ মার্চ-->বিশ্ব বই দিবস
৪ মার্চ-->বিশ্ব যৌন নিপীড়ন বিরোধী দিবস
৮ মার্চ-->আন্তর্জাতিক নারী দিবস
১১ মার্চ-->রাষ্ট্রভাষা দিবস
১৩ মার্চ-->আন্তর্জাতিক রোটারী দিবস
১৪ মার্চ-->আন্তর্জাতিক নদী রক্ষা দিবস, বিশ্ব পাই (π) দিবস
১৫ মার্চ-->বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস, পঙ্গু দিবস
১৭ মার্চ-->বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, জাতীয় শিশু দিবস
২০ মার্চ-->বিশ্ব শিশু ও যুব থিয়েটার দিবস
২১ মার্চ-->বিশ্ব নিদ্রা দিবস (World Sleep Day), বিশ্ব বনায়ন দিবস, আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ দিবস
২২ মার্চ-->বিশ্ব পানি দিবস
২৩ মার্চ-->বিশ্ব আবহাওয়া দিবস, পতাকা উত্তোলন দিবস
২৪ মার্চ-->বিশ্ব যক্ষা দিবস, আন্তর্জাতিক আর্কাইভ দিবস
২৫ মার্চ-->দাসপ্রথার শিকার এবং ট্রান্সআটলান্টিক দাস বাণিজ্যের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস
২৬ মার্চ-->বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস
২৭ মার্চ-->বিশ্ব নাটক দিবস
৩১ মার্চ-->জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দিবস
মার্চের ২য় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনী দিবস, ২য় সোমবার কমনওয়েলথ দিবস
এপ্রিল মাস
--------
২ এপ্রিল-->বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, ঢাকার কেরানীগঞ্জ গণহত্যা দিবস, জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস, বিশ্ব শিশু বই দিবস
৩ এপ্রিল-->জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস
৪ এপ্রিল-->আন্তর্জাতিক খনি নিরাপত্তা দিবস
৫ এপ্রিল-->প্রতিবন্ধী দিবস
৭ এপ্রিল-->বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, রোয়ান্ডার গণহত্যা স্মরণ দিবস
৮ এপ্রিল-->ইস্টার সানডে
১০ এপ্রিল-->স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন দিবস
১২ এপ্রিল-->বিশ্ব মহাকাশ ও বিমান চলাচল দিবস
১৪ এপ্রিল-->১লা বৈশাখ, বাংলা বছরের প্রথম দিন
১৬ এপ্রিল-->বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
১৭ এপ্রিল-->বিশ্ব হিমোফিলিয়া (Haemophilia) দিবস, মুজিবনগর দিবস
১৮ এপ্রিল-->বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস
২০ এপ্রিল-->চীনা ভাষা দিবস
২১ এপ্রিল-->বিশ্ব সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন দিবস
২২ এপ্রিল-->বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, ইংরেজী ভাষা দিবস
২৩ এপ্রিল-->বিশ্ব পুস্তক এবং কপিরাইট দিবস
২৪ এপ্রিল-->ওয়ার্ল্ড ল্যাব এনিমেলস ডে
২৫ এপ্রিল-->বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
২৬ এপ্রিল-->বিশ্ব মেধাসত্ত্ব দিবস
২৭ এপ্রিল-->এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস, বিশ্ব নকশা দিবস
২৮ এপ্রিল-->আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মরণ দিবস (International Worker’s Memorial Day), পেশাগত স্বাস্থ্য ও শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস
২৯ এপ্রিল-->বিশ্ব নৃত্য দিবস, বিশ্ব ইচ্ছাপূরণ দিবস
এছাড়া এপ্রিলের শেষ মঙ্গলবার শব্দ সচেতনতা দিবস,
মে মাস
--------
১ মে-->আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
৩ মে-->সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস, বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস, আন্তর্জাতিক সূর্য দিবস, বিশ্ব অ্যাজমা দিবস
৪ মে-->কয়লা খনি শ্রমিক দিবস
৫ মে-->বিশ্ব এথলেটিকস দিবস, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামী নেতা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এই দিন জন্মগ্রহণ করেন
৮ মে-->বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস, ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহতদের স্মরণ দিবস, রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী (২৫ বৈশাখ)
১২ মে-->আন্তর্জাতিক নার্স দিবস, বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস (World migratory bird day) (১২ ও ১৩ মে)
১৩ মে-->আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত দিবস, বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস (World migratory bird day) (১২ ও ১৩ মে)
১৫ মে-->পরিবার দিবস
১৬ মে-->ফারাক্কা লং মার্চ দিবস বা ফারাক্কা দিবস
১৭ মে-->ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন সোসাইটি ডে, বিশ্ব টেলি যোগাযোগ দিবস, বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস
১৮ মে-->বিশ্ব জাদুঘর দিবস
১৯ মে-->বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
২০ মে-->বিশ্ব পরিমাপবিদ্যা দিবস (World Metrology Day), চা শ্রমিক হত্যা দিবস
২১ মে-->বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র সংলাপ দিবস
২২ মে-->আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র দিবস
২৩ মে-->বিশ্ব কচ্ছপ দিবস
২৫ মে-->নজরুল জন্মজয়ন্তী (১১ জ্যৈষ্ঠ)
২৮ মে-->বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের মৃত্যুবার্ষিকী
২৯ মে-->জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস
৩০ মে-->প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী
৩১ মে-->বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
এছাড়া মে মাসের প্রথম রবিবার বিশ্ব হাসি দিবস, মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস
জুন মাস
--------
৪ জুন-->আগ্রাসনের শিকার শিশু দিবস (International Day of Innocent Children Victims of Aggression)
৫ জুন-->বিশ্ব পরিবেশ দিবস
৭ জুন-->ছয় দফা দিবস
৮ জুন-->বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস, বিশ্ব মহাসাগর দিবস
১২ জুন-->বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস
১৩ জুন-->নারী উত্যক্তকরণ প্রতিরোধ দিবস
১৪ জুন-->বিশ্ব রক্তদাতা দিবস
১৬ জুন-->সংবাদপত্রের কালো দিবস
১৭ জুন-->বিশ্ব খরা ও মরুকরণরোধী দিবস, ভাষা সৈনিক গাজীউল হকের মৃত্যুবার্ষিকী
১৮ জুন-->আন্তর্জাতিক পিকনিক দিবস
২০ জুন-->বিশ্ব শরণার্থী দিবস, সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী
২১ জুন-->বিশ্ব সংগীত দিবস, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস, কবি নির্মলেন্দু গুণের জন্মবার্ষিকী
২৩ জুন-->আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস, জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস, পলাশী দিবস, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
২৬ জুন-->ওষুধের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস, নির্যাতনের শিকারদের সহায়তা দিবস
৩০ জুন--> এছাড়া, জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্ব বাবা দিবস
জুলাই মাস
--------
১ জুলাই-->আন্তর্জাতিক কৌতুক দিবস, চিকিৎসক দিবস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
২ জুলাই-->বিশ্ব ক্রিড়া সাংবাদিক দিবস
১১ জুলাই-->বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
২৮ জুলাই-->বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস
২৯ জুলাই-->বিশ্ব বাঘ দিবস
এছাড়া জুলাইয়ের প্রথম শনিবার বিশ্ব সমবায় দিবস
আগস্ট মাস
-----------
১ আগস্ট-->বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ/স্তন্যদান(Breast-->feeding) সপ্তাহ/দিবস
৬ আগস্ট-->পরমাণু বোমা বিরোধী দিবস, হিরোশিমা দিবস
৯ আগস্ট-->নাগাসাকি দিবস, বিশ্ব আদিবাসী দিবস
১২ আগস্ট-->আন্তর্জাতিক যুব দিবস
১৩ আগস্ট-->আন্তর্জাতিক বাহাতি দিবস
১৫ আগস্ট-->জাতীয় শোক দিবস
১৯ আগস্ট-->বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস
২০ আগস্ট-->বিশ্ব মশক দিবস
২৩ আগস্ট-->দাস বাণিজ্য স্মরণ এবং রদ দিবস
২৭ আগস্ট-->দিঘলিয়ার দেয়াড়া গণহত্যা দিবস
এছাড়া আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস
সেপ্টেম্বর মাস
--------
৮ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস
১০ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব আত্নহত্যা বিরোধী দিবস
১১ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব প্রাথমিক চিকিৎসা দিবস
১৫ সেপ্টেম্বর-->আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস, আন্তর্জাতিক প্রকৌশলী দিবস, জাতীয় আয়কর দিবস
১৬ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব ওজন দিবস
১৭ সেপ্টেম্বর-->মহান শিক্ষা দিবস
১৮ সেপ্টেম্বর-->কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস, বিশ্ব নৌ দিবস
২১ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব শান্তি দিবস, বিশ্ব আলঝাইমার দিবস
২২ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস
২৩ সেপ্টেম্বর-->প্রীতিলতার আত্নাহুতি দিবস
২৪ সেপ্টেম্বর-->ওয়ার্ল্ড ক্লিন আপ ডে, মীনা দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব পর্যটন দিবস
২৮ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর-->ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে
২৯ সেপ্টেম্বর-->মাহমুদপুর গণহত্যা দিবস
৩০ সেপ্টেম্বর-->বিশ্ব কন্যাশিশু দিবস
অক্টোবর মাস
--------
১ অক্টোবর-->বিশ্ব নিরামিষাশী দিবস, বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ দিবস, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
২ অক্টোবর-->বিশ্ব প্রাণী দিবস, আন্তর্জাতিক সহিংসতা বিরোধী দিবস, পথশিশু দিবস
৪ অক্টোবর-->ওয়ার্ল্ড এনিমেল ওয়েলফেয়ার ডে
৫ অক্টোবর-->বিশ্ব শিক্ষক দিবস
৮ অক্টোবর-->বিশ্ব মানবিক তৎপরতা দিবস
৯ অক্টোবর-->বিশ্ব ডাক দিবস
১০ অক্টোবর-->বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
১২ আক্টোবর-->বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
১৩ অক্টোবর-->আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হ্রাসকরণ দিবস
১৪ অক্টোবর-->বিশ্ব মান দিবস, বিশ্ব দৃষ্টি দিবস
১৫ অক্টোবর-->বিশ্ব হাতধোয়া দিবস, বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস, আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস
১৬ অক্টোবর-->বিশ্ব খাদ্য দিবস
১৭ অক্টোবর-->বিশ্ব ট্রমা দিবস
২০ অক্টোবর-->বিশ্ব অস্টেঅপরোসিস দিবস
২৪ অক্টোবর-->জাতিসংঘ দিবস, বিশ্ব উন্নয়ন তথ্য দিবস, বিশ্ব পোলিও দিবস
৩০ অক্টোবর-->বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস
নভেম্বর মাস
--------
১ নভেম্বর-->বিশ্ব নিরামিষাশী দিবস
৩ নভেম্বর-->জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর-->সংবিধান দিবস
৬ নভেম্বর-->যুদ্ধ এবং সশস্ত্র সংঘাতে পরিবেশের ক্ষতি দূরীকরণ দিবস
৭ নভেম্বর-->জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
৮ নভেম্বর-->বিশ্ব রেডিগ্রাফার দিবস
১০ নভেম্বর-->নূর হোসেন দিবস
১২ নভেম্বর-->বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস
১৪ নভেম্বর-->বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস
২০ নভেম্বর-->আফ্রিকার শিল্পায়ন দিবস
২১ নভেম্বর-->বিশ্ব টেলিভিশন দিবস, সশস্ত্র বাহিনী দিবস
২৫ নভেম্বর-->নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ দিবস
২৯ নভেম্বর-->ফিলিস্তিনদের প্রতি সংহতি দিবস
নভেম্বরের প্রথম শনিবার জাতীয় সমবায় দিবস
ডিসেম্বর মাস
--------
১ ডিসেম্বর-->বিশ্ব এইডস দিবস, জাতীয় যুব দিবস, মুক্তিযোদ্ধা দিবস
২ ডিসেম্বর-->বিশ্ব কম্পিউটার সাক্ষরতা দিবস, প্রতিবন্ধী দিবস
৬ ডিসেম্বর-->সংবিধান সংরক্ষণ দিবস
৭ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস
৯ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবস, রোকেয়া দিবস
১০ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক সম্প্রচার দিবস, মানবাধিকার দিবস
১১ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক পাহাড় দিবস
১৪ ডিসেম্বর-->বিশ্ব জ্বালানি দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস
১৬ ডিসেম্বর-->বিজয় দিবস
১৮ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস
১৯ ডিসেম্বর-->বাংলা ব্লগ দিবস
২৯ ডিসেম্বর-->আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র দিবস.

26/09/2017

গাদ্দাফির শেষ ভাষন, সময় নিয়ে পড়তে পারেন,,,
------------------------------------------------------------
পরম করুনাময় ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নামে শুরু করছি…
গত ৪০ বছর…হয়তো আরো বেশি সময়…আমি সঠিক মনে করতে পারি না…লিবিয়ার জন্য আমার সম্ভাব্য সকল কিছুই করেছি। বাড়ি,হাসপাতাল,স্কুল করেছি। যখন তারা ক্ষুধার্ত ছিল মুখে খাবার তুলে দিয়েছি।এমনকি মরুময় বেনগাজীকে (একটি যায়গা) সবুজ ফার্মল্যান্ড বানিয়েছি।আমি দেশকে রক্ষা করেছি কাউবয় রোনাল্ড রিগ্যানের হাত থেকে।যখন আমার দত্তক নেওয়া এতীম কন্যাকে সে হত্যা করেছিল তখন আমাকে হত্যার চেষ্টা চালাচ্ছিল।ব্যার্থ হয়ে অনাথ মেয়েটিকে হত্যা করল…
এরপর আমি আফ্রিকান ইউনিয়নে ব্যাপক পরিমান অর্থ সাহায্য করলাম আফ্রিকান দরিদ্র ভাই-বোনদের সাহায্যের জন্য।
আমি সারাজীবন খেটে গেছি মানুষকে গনতন্ত্রের আসল উদ্দেশ্য বোঝাতে এবং আমাদের দেশে গনকমিটি গঠন করা হয়েছিল সুশাসন নিশ্চিত করতে।
হয়তো এটা যথেষ্ট ছিল না…কারন আমি দেখতে পারছি একদল জনতা যাদের কিনা ১০ তলা বাড়ি আছে,ঘরভরা জিনিসপত্র আছে,রয়্যাল স্যুট আছে তারা সন্তুষ্ট নয়।তারা স্বার্থপর এবং আরো চায়…
তারা আমেরিকাকে বলেছে তারা এই দেশে গনতন্ত্র আর বাকস্বাধীনতা চায়।
তারা কখনও বুঝতে চায় না,এই “গনতন্ত্র আর বাকস্বাধীনতা” একটা গলাকাটা ব্যাবস্থা যেখানে সবচেয়ে বড় ইঁদুরটা বেশি খায় আর বাকীরা অভুক্ত থাকে।
তারা বুঝতে চায় না আমেরিকায় ওষুধ ফ্রি নয়,হাসপাতাল ফ্রি নয়,শিক্ষা ফ্রি নয়, খাদ্য ফ্রি নয়,তেলের দাম কম নয়,বেকারত্বের হারও কম নয়। (লিবিয়াতে এসব ফ্রী ছিল) ! আমি কি করেছি তা নিয়ে অনুতপ্ত নই।হয়তোবা কারো কারো জন্যে খুব বেশি কিছু করতে পারিনি।কিন্তু বাকীদেরকে আমি ঠিকই সেবা করে গেছি।তারা তো জানে আমি গামাল আবদেল নাসেরের পুত্র,যিনি সালাহ-আল-দীন আইয়ুবীর পরের ইসলাম ও আধুনিক আরবের একমাত্র সত্যিকারের নেতা।
তিনি সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণভার নিয়েছিলেন তার জনগনের জন্যে।আমি লিবিয়ার নিয়ন্ত্রন নিয়েছিলাম আমার জনগনের জন্যে।আমি কেবল তার পদাঙ্কই অনুসরন করেছিলাম আমার জনগনকে ঔপনিবেশিক চোরদের হাত থেকে মুক্ত রাখতে যে চোরেরা আমাদের সম্পদ চুরি করতে মুখিয়ে আছে।
আজ আমি আর্মি ইতিহাসের সর্বসেরা আক্রমনের মুখে।আফ্রিকার ক্ষুদে শিশু ওবামা আজ আমাকে হত্যা করতে চায় আমার দেশের স্বাধীনতা হরন করতে,আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে,আমাদের ফ্রি হাউজিং,ফ্রি মেডিসিন,ফ্রি এডুকেশন, ফ্রি ফুড কর্মসূচি বাতিল করতে এবং রিপ্লেস করতে চায় চুরির আমেরিকান ফর্মুলা যেটাকে তারা “পুঁজিবাদ” নামে ডেকে থাকে কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের মানুষ এর সম্বন্ধে ভালোই জানে।পুঁজিবাদ হচ্ছে সেই জিনিস যেখানে কর্পোরেশন জনগনের উপর চলে,রাষ্ট্রের উপর চলে শেষে জনতার শক্তি দুর্বল করে দেয়।
সুতরাং আমার সামনে কোনো বিকল্প নেই।আমি আপস করবো না এবং আল্লাহ চাইলে আল্লাহর পথেই মৃত্যুবরণ করব
যে পথ আমার দেশকে ধনী বানিয়েছে,কৃষিতে সমৃদ্ধ করেছে,খাদ্য-স্বাস্থ্য উন্নত করেছে আর আমাদের আরব-আফ্রিকার অসহায় ভাই-বোনদের সাহায্য করার সুযোগ দিয়েছে সেই পথ ত্যাগ করে আপস করার কোনো মানে হয় না।
আমি মরতে চাই না।কিন্তু সত্যিই যদি সেদিন আসে,তাহলে আমার কথাগুলু ছড়িয়ে দাও সারাবিশ্বে।আমার আজকের বক্তৃতাকেই আমার উইল হিসেবে ধরে নাও।
জানিয়ে দাও সারাবিশ্বকে যে আমি ন্যাটোর ক্রুসেডার হামলার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম,অমানবিকতা,বিশ্বাসঘাকতা,পশ্চিমা ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিলাম।
আর ছিলাম আফ্রিকান,আরবদের পাশে আলোর রেখা হয়ে।
কখনো বোকার মতো সম্পদ ব্যাবহার করিনি।
আর আমাদের মহান মুসলিম নেতা সালাহউদ্দিনের মতো আমিও জেরুজালেমের দিকে নজর দিয়েছিলাম। পারিনি মুক্ত করতে,কিন্তু সব ধরনের সাহায্য করে গেছি এই নগর মুক্ত করতে।
পশ্চিমারা আমাকে উন্মাদ-পাগল বলে অভিহিত করে।কিন্তু তারা ঠিকই জানে,সত্যি কোনোদিন চাপা থাকে না।তারা এটাও জানে,আমরা স্বাধীন জাতি।আমি এই স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার শপথ করলাম।আমি শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে স্বাধীনতা আর দেশ রক্ষা করে যাবো।
ভাই ও বোনেরা,একে অপরকে ভালোবাসতে শিখুন।রক্তপাত বন্ধ করুন।কারন আমেরিকা,ইউরোপ আর তাদের মিত্ররা কখনো আফ্রিকার বুকে সুর্যের আলো দেখতে চায় না।
(এই ভাষনটি লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছিল।)
অনুবাদ করতে করতে ৬ টি বছর লেগে গেলো!
অনুবাদক:Nafis Sa

18/09/2017

নিজের ভুলটা বুঝতে পারলে
ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত
Because
একটা ছোট্ট "Sorry" বললে
কখনো কেউ ছোট হয় না।

27/07/2017

কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ২৮,০০০
গুণ বেশি ।,
:
▬►প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই সবচেয়ে বেশি
ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা) ।
:
▬►একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।
:
▬►মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে
পারে ।
:
▬►পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে,আর তা শুনে
কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ ।
:
▬►হামিং বার্ড পাখি পিছনের দিকে
উড়তে পারে ।
:
▬►গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ দুটি দুই
দিকেই নাড়তে পারে ।
:
▬►টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম পাড়ে ।
:
▬►মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায় ।
:
▬►একমাএ পিঁপড়েই কোনদিন ঘুমায় না
:
▬► সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর মাটির
নিচে ঘুমায় । তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে
এসে চিতকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায়
মারা যায় ।
:
▬►সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও শোনা
যায়।
:
▬►অনেকের ধারণা হাঙ্গর মানুষকে হাতের
কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের
হাতেই বেশী হাংগর মারা পড়েছে।
:
▬►কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।
:
▬►আপনি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে ৪৮০০টি
শব্দ ব্যবহার করেন। বিশ্বাস না হলে
পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
:
▬►আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা
চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে
তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে বানানো
যাবে।
:
▬►একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ
ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।
:
▬►আপনার যদি একটা তারকা গুনতে ১
সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি
গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে
প্রায় ৩ হাজার বছর।
:
▬►অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ
শামুকের ২৫ হাজার দাঁত আছে।

▬►চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব না।
:
▬►বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ
কুকুর পারে ১০ রকম।
:
▬►পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই
পোকামাকড়।
:
▬►একটি তেলাপোকা তার মাথা ছাড়া ৯
দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর
তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়|
ভালো লাগলে শুধু একটা thx...........

26/07/2017

চাষীর চালাক মেয়ে - জার্মানের রূপকথা
-------------------------★----------------------------
এক সময় এক গরিব চাষীর কোনো জমিজমা ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল ছোট্টো একটি কুঁড়েঘর আর এক মেয়ে। মেয়েটি তাই একদিন তার বাবাকে বলল, “আমাদের কিছুটা জমি দিতে রাজাকে বলা দরকার।”
তাদের অভাবের কথা শুনে রাজা দিলেন বিঘে থানেক জমি। সেখানে বীজ বোনার জন্য চাষী আর তার মেয়ে জমিতে লাঙল দিতে শুরু করল। কাজ যখন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে তারা দেখে মাটির মধ্যে রয়েছে খাটি সোনার একটা খল।
চাষী তার মেয়েকে বলল, “রাজা দয়া করে জমিটা দিয়েছেন। তাই এই খলটা তাকে দিয়ে দেওয়া দরকার।”
তার মেয়ে কিন্তু চাষীর কথায় রাজি না হয়ে বলল, “বাবা, আমরা শুধু খলটাই পেয়েছি। নুড়িটা পাই নি। সেটা খুজে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের চুপচাপ থাকাই ভালো।”
কিন্তু মেয়ের কথায় কান না দিয়ে সোনার খল নিয়ে রাজার কাছে গিয়ে চাষী বলল, “মহারাজ, আপনি যে জমি দিয়েছিলেন এটা সেখানে, পেয়েছি। তাই দিতে এলাম।”
সোনার খল নিয়ে রাজা প্রশ্ন করলেন, “আর কিছু পাও নি?”
চাষী বলল, “না, মহারাজ।”
রাজা বললেন, “এবার তোমাকে সোনার নুড়িটা এনে দিতে হবে।”
চাষী জানাল, সোনার নুড়ি সে পায় নি। কিন্তু রাজা তার কথা বিশ্বাস করলেন না। তাকে হাজতে ভরে বললেন, “ষত দিন না সোনার নুড়িটা বার করে দিচ্ছ ততদিন হাজতে বন্দী থাকবে।” হাজতের দৈনিক বরাদ্দ খাদ্য ছিল শুধু জল আর রুটি। যে-সব শাস্ত্রী সেই জল-রুটি দিয়ে যেত তারা শুনত চাষীকে সব সময় বিড়বিড় করে বলতে, “হায় হায়, মেয়ের কথাগুলো যদি শুনতাম! হায় হায়, মেয়ের কথাগুলো যদি শুনতাম।”
শাস্ত্রীরা একদিন রাজাকে গিয়ে বলল, “মহারাজ, চাষী ক্ৰমাগত বলে—হায় হায়, মেয়ের কথাগুলো যদি শুনতাম! সে না খায় রুটি, না খায় জল ৷”
রাজা তাদের বললেন চাষীকে তার কাছে হাজির করতে। চাষীকে - হাজির করা হলে তিনি জানতে চাইলেন, ক্ৰমাগত কেন সে বলে চলে— হায় হায়, মেয়ের কথাগুলো যদি শুনতাম!”
“মেয়ে তোমাকে কী কথা বলেছিল?”
“মহারাজ, মেয়ে বলেছিল—খলটা নিয়ে যেয়ো না। নিয়ে গেলে রাজা বলবেন সোনার নুড়ি এনে দিতে।”
“তোমার মেয়ের যদি অতই বুদ্ধি, তা হলে তাকে এখানে ডেকে পাঠাই।”
চাষীর মেয়ে রাজসভায় হাজির হলে রাজা বললেন, “তোমার কত বুদ্ধি যাচাই করে দেখছি। একটা ধাঁধা বলি। সেটার উত্তর দিতে পারলে তোমায় আমি বিয়ে করব।”
চাষীর মেয়ে সঙ্গে সঙ্গে জানাল ধাঁধার উত্তর সে দেবে।
রাজা বললেন, “আমার কাছে তোমায় আসতে হবে পোশাক না পরে, উলঙ্গ না হয়ে, গাড়িতে না চড়ে, না পথ দিয়ে, না পথের বাইরে দিয়ে।—এটা পারলে তোমায় বিয়ে করব।”
চাষীর মেয়ে তখন বাড়ি ফিরে তার সমস্ত পোশাক খুলে ফেলল। অতএব তার পরনে কোনো সাজসজা রইল না। তার পর একটা মাছধরা জালে সর্বাঙ্গ নিল ঢেকে-তাই সে রইল না উলঙ্গ অবস্থায়। তার পর একটা গাধা ভাড়া করে মাছ ধরার জালটা তার লেজের সঙ্গে বেঁধে দিলে আর গাধা তাকে টেনে নিয়ে চলল গোরুর গাড়ির চাকার দাগের মধ্যে দিয়ে। তাই সে জন্তুর পিঠে বা গাড়িতে করে গেল না? আর গোরুর গাড়ির দাগকে তো আর পথ বলা যায় না। কিন্তু সেট আবার পথের বাইরেও না। তাই রাজার কাছে সে হাজির হল—না, পথ দিয়ে, না পথের বাইরে দিয়ে।
রাজা তার বুদ্ধি দেখে মুগ্ধ হলেন। তার পর চাষীকে দিলেন মুক্তি . আর চাষীর মেয়েকে বিয়ে করে রাজত্বের সমস্ত সম্পত্তির ভার তুলে দিলেন তার হাতে।
কয়েক বছর পরে রাজা একদিন চলেছেন কুচকাওয়াজ দেখতে। কয়েকজন চাষী তখন রাজপ্রাসাদের সামনে তাদের মাল গাড়ি থামিয়ে। কাঠ বিক্রি করছিল। গাড়িগুলোর কয়েকটা টানছিল বলদ, কয়েকটা ঘোড়া। এক চাষীর ছিল তিনটে ঘোড়া আর একটা ঘোড়ার ছিল একটা বাচ্চা। ঘোড়ার বাচ্চাটা ছুটে গিয়ে একটা মালগাড়ির সামনেকার দুটো বলদের মাঝখানে শুয়ে পড়ল। বলদগুলোর যে মালিক সেই চাষী বলল ঘোড়ার বাচ্ছাটা তার! ঘোড়াগুলোর যে মালিক সেই চাষী বলল—তার ঘোড়ার বাচ্চা, অতএব সেটা তার। এই নিয়ে তাদের মধ্যে তুমুল লাঠালাঠি বেঁধে গেল। শেষটায় বিচারের জন্য গেল তারা রাজার কাছে। রাজা বললেন, “ঘোড়ার বাচ্চা যেখানে শুয়ে সেখানেই সেটা থাকবে।” অতএব বলদগুলোর মালিক পেয়ে গেল ঘোড়ার বাচ্চাটা, যদিও আসলে সেটা তার নয়। অন্য চাষী তার ঘোড়ার বাচ্চার শোকে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল।
এই চাষী শুনেছিল রানী খুব দয়ালু। কারণ চাষীর বংশে তার জন্ম। তাই রানীর কাছে গিয়ে মিনতি করে বলল, ঘোড়ার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা করতে।
রানী বলল, “সাহায্য করব। কিন্তু কথা দাও মতলবটা যে আমি দিয়েছি সে কথা কাউকে বলবে না। কাল ভোরে রাজা যখন কুচকাওয়াজ দেখতে বেরুবেন যে রাস্তা দিয়ে তিনি যাবেন সেটার মাঝখানে বড়ো একটা মাছধরা জাল নিয়ে বসে এমনভাবে সেটা ছুড়তে থাকবে যেন নদীতে মাছ ধরছ।” তার পর তাকে শিখিয়ে দিল রাজা প্রশ্ন করলে কী উত্তর দিতে হবে।
রানীর কথামতো পরদিন ভোরে শুকনো জায়গায় বসে-বসে চাষী করতে লাগল মাছ ধরার ভান। সেখান দিয়ে যাবার সময় সেদিকে তাকিয়ে রাজা তার দূতকে বললেন, “দেখে এসো তো বোকা লোকটা অমন করছে কেন?”
চাষী তাকে বলল, “আমি মাছ ধরছি।”
দূত প্রশ্ন করল, “যেখানে জল নেই সেখানে মাছ ধরবে কী করে?”
চাষী বলল, “দুটো বলদের একটা ঘোড়ার বাচ্চা হতে পারলে এই শুকনো ডাঙায় আমিও পারব মাছ ধরতে।”
দূত ফিরে গিয়ে রাজাকে জানাল চাষীর উত্তর। চাষীকে তখন ডেকে পাঠিয়ে রাজা বললেন, “এই মতলবটা তোমার মাথায় আসতেই পারে না। কেউ নিশ্চয়ই তোমায় শিখিয়ে দিয়েছে। কে সে—এক্ষুনি বল।” চাষী কিন্তু রাজাকে আসল কথাটা কিছুতেই জানাল না। বার বার বলতে লাগল উত্তরটা তার নিজের। কিন্তু তাকে খড়ের গাদায় ফেলে বেদম প্রহার দেবার পর শেষটায় চাষী কবুল করল, উত্তরটা রানী তাকে শিখিয়ে দিয়েছে।
রাজা বাড়ি ফিরে তার বউকে বললেন, “তুমি আমাকে ভীষণ ঠকিয়েছ। তাই আর আমার বউ হয়ে এখানে তুমি থাকতে পারবে না। যে-কুঁড়েঘর থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও। ষাবার সময় তোমার যেটা সব চেয়ে প্রিয় জিনিস, নিয়ে যেতে পার।”
রানী বলল, “আদেশ দিলে নিশ্চয়ই আমি ফিরে যাব।” তার পর কড়া ঘুমের ওষুধ দিয়ে সরবত বানিয়ে এনে রাজাকে বলল, শেষ বিদায় নেবার আগে একসঙ্গে সেটা তারা পান করবে। রাজা চক চক করে অনেকটা সরবত খেলেন। রানী কিন্তু সেটা শুধুই ঠোঁটে ঠেকাল। তার পর রাজা ঘুমে ঢলে পড়লে রানী তাকে সুন্দর সাদা একটা কাপড়ে জড়িয়ে, ভৃত্যদের সাহায্যে তাকে ধরাধরি করে ওঠাল জুড়িগাড়িতে। তার পর তাকে নিজেদের ছোট্টো কড়েঘরে এনে শোয়াল নিজের ছোট্টো বিছানায়। সেখানে তিনি ঘুমোলেন পুরো এক দিন আর পুরো এক রাত। ঘুম ভাঙতে অবাক হয়ে তাকিয়ে রাজা বলে উঠলেন, "কী কাণ্ড! কোথায় আমি?” তার পর তিনি ডাকাডাকি করতে লাগলেন তার খাস ভৃত্যদের নাম ধরে। কিন্তু কেউই সাড়া দিল না।
শেষটায় তার বউ বিছানার পাশে এসে বলল, “আমার রাজা। তুমি বলেছিলে রাজপ্রাসাদ থেকে আমার সব চেয়ে প্রিয় জিনিস নিয়ে আসতে পারি। তোমার চেয়ে প্রিয় আমার কিছুই নেই। তাই তোমাকে নিয়ে এসেছি।”
তার কথা শুনে রাজার চোখ জলে ভরে উঠল। তিনি বললেন, “রানী, চিরকাল তুমি আমার আর চিরকাল আমি তোমার থাকব।” তার পর তাকে নিয়ে রাজা ফিরলেন তার প্রাসাদে।
সম্ভবত আজও তাঁরা সেখানে সুখে শান্তিতে বেঁচে আছেন

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


North Loshkorchala, Kaliakair
Gazipur