Freedom technical training center

Freedom technical training center

Share

Aminship short course Training raining Institute

31/08/2021

রেকর্ড তঞ্চকতা সংশোধন
রেকর্ড তঞ্চকতা সংশোধন

চূড়ান্ত প্রকাশনার পূর্বে রেকর্ডের যে কোন জালিয়াতি সেটেলমেন্ট অফিসারের নজরে এলে তা ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৪২(ক) ও ৪২(খ) বিধিতে সংশোধনযোগ্য হতে পারে।

জালিয়াতি সমূহ নিম্নরুপ হতে পারে:

Ø ক)ভলিউমে অবৈধভাবে ঘষামাজা ও কাটাকাটি করে নাম ও দাগ পরিবর্তন।

Ø খ)নামের হিস্যা পরিবর্তন।

Ø গ)নতুন নাম সংযোজন।

Ø ঘ)দাগের এরিয়া পরিবর্তন।

Ø ঙ)আপত্তি/ আপীল স্তরে নোটিশ গোপন করে একতরফভাবে রায় হাসিল।

Ø চ)ভূয়া ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে শুনানি সম্পাদন এবং তঞ্চকতাপূর্ণ রায় হাসিল।

Ø ছ)আপত্তি/ আপীল কেসের রায়ের পর কাটাকটি করে রায় পরিবর্তন এবং তদানুয়ায়ি রায় তামিল।

Ø জ)রায় তামিল না হওয়ায় সঠিক রেকর্ড প্রস্তুত না হওয়া।

31/08/2021

করণিক ত্রুটি সংশোধন
রেকর্ডে করণিক ত্রুটি:

Ø নামের করণিক ভুল

Ø দাগের হিস্যার করণিক ভুল

Ø গাণিতিক ভুল

নকশা ত্রুটি :

Ø দাগের অস্তিত্ব বিদ্যমান এবং ভলিউমে রেকর্ড হওয়া সত্ত্বেও নকশায় ভুলক্রমে দাগ নম্বর না বসা।

Ø কমনবাউন্ডারী ভুক্ত খাল, নদী, রাস্তা ইত্যাদি সঠিকভাবে চিহ্নিত না করা।

Ø খাল, নদী, রাস্তা ইত্যাদির এরিয়ার সাথে সামণ্জস্য রেখে নকশায় ডট লাইনে চিহ্নিত করা।

Ø বদর অনুযায়ি দাগ নম্বর, বাটা দাগ, ছুট দাগ, দাগের এরিয়া ইত্যাদি সংশোধন করা।

Ø দাগ নম্বর, দাগের এরিয়ার আউট লাইন, আলামত ইত্যাদির অস্পষ্টতা দুর করা।

Ø পাশ্ববর্তী মৌজার নাম, সিট নম্বর, থোকা লাইন, নকশা শিরোনাম, জরিপের স্কেল ইত্যাদি সঠিকভাবে লেখা না থাকলে তা স্পষ্ট করে লেখা

31/08/2021

ডিপি,আপত্তি কেস গ্রহণ ও নিষ্পত্তি
Ø আপিল ফরম ও প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর ৩১ বিধিমতে আপীল শুনানীর নোটিশ-এর নমুনা
Ø আপত্তির ফরম ও প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর ৩০ বিধিমতে আপীল শুনানীর নোটিশ-এর নমুনা

Ø তসদিক কাজ সম্পাদনের পর ৩০ দিন নকশা ও রেকর্ড দেখার সুযোগ থাকে।

Ø ডিপি চলাকালীন তসদিক কৃত পর্চা মিলিয়ে ডিপি নম্বর বসানো এবং ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধিতে আপত্তি কেস দায়ের করা যায়।

Ø ডিপি সমাপ্ত হলে মৌজা ওয়ারী আপত্তি কেস শুনানী শুরু হয়।

Ø আপত্তি কেসের নোটিশ পেলে আপত্তি অফিসারের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে কাগজ-পত্র ও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকে।

Ø প্রতিটি আপত্তি কেসের রায়ের নকল কপি উঠানো যায়।

31/08/2021

জরিপকালে করনীয়
জরিপকালে ভূমি মালিকের করনীয়
মাঠজরিপ:
মাঠজরিপে মূলত: ০২ টি কাজ করা হয় যথাঃ নক্সা/ ম্যাপ প্রস্তত ও রেকর্ড প্রণয়ন।

ম্যাপ/ নকশা প্রস্ততের স্তরগুলো নিম্নরুপ :

বিজ্ঞপ্তি প্রচার:
জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/ জমির সীমানা চিহ্নিত করে রাখার জন্য এবং জমির মালিকানার কাগজ দলিল পত্রাদি হালনাগাদ অবস্থায় কাছে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়
ট্রাভার্স সার্ভে:

কোন মৌজার নক্সা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তত করার জন্য যে কাঠামো স্থাপন করা হয় তাহাই ট্রাভার্স সার্ভে। এ স্তরে মৌজা সীমানা বরাবর অনেকগুলো ট্রাভার্স ও সাব ট্রাভার্স পয়েন্ট বসানো হয় যা জিএনএসএস যন্ত্রের মাধ্যমে পৃথিবীর কোন স্থায়ী পয়েন্টের সাপেক্ষে নতুন স্থাপিত পয়েন্টের অবস্থান নির্মিত হয়।



কিস্তোয়ার:
এ স্তরে আমিনগণের সহায়তায় ট্রাভার্স পয়েন্টের সাহায্যে সরেজমিন মোতাবেক প্রতিটি ভূমিখন্ডের পরিমাপক্রমে তার প্রতিচ্ছবি পি-70 সিটে অংকন করা হয় যা ম্যাপ/নক্সা হিসেবেও পরিচিত। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ (এ) বিধি মোতাবেক কিস্তোয়ার কাজ করা হয়।

খানাপুরী:
এ পর্যায়ে আমিনগণ নকশায় কিস্তোয়ারকৃত প্রতিটি ভূমিখন্ডের উপর অবস্থানক্রমে পৃথক পৃথক দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাঁচাই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন এবং কাগজ-পত্রানুযায়ী রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিনদলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৬ বিধি মোতাবেক খানাপুরির কাজ করা হয়।


বুঝারত:
বুঝারত অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে খানাপুরী স্তরে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড আমিনদল কর্তৃক সরেজমিন যেয়ে ভূমিমালিকদের এরিয়াসহ খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয় যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত। পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/ এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরিবর্তনের আবশ্যক হলে নির্দ্দিষ্ট ডিসপুট ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিস্পত্তি করবেন। বুঝিয়ে দেয়া হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ বিধি মোতাবেক বুঝারত কাজ করা হয়।


তসদিক/ এটেস্টেশন:
ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ/ ডিসপুট দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের ৩০ দিন দেখার সুযোগ থাকে। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৮ বিধি মোতাবেক তসদিক/ এটেস্টেশন কাজ করা হয়।


খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দয়ের:

তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের দেখার জন্য ৩০ দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এই সময়কাল উল্লেখ করে ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যাখ্যর অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণনাক্রমিক ক্রমবিকাশ করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্যও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার কোর্ট ফি লাগিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধিতে আপত্তি কেস দায়ের করা যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনার (ডিপি) কাজ করা হয়।



আপত্তি কেস শুনানী:

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিস্পত্তি করা হয়। আপত্তি কেসের নোটিশ পেলে আপত্তি অফিসারের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে কাগজ-পত্র ও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকে। পক্ষগণ নিজ নিজ দাবী আপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে রায়/ আদেশ কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন। সমাপ্ত হলে মৌজা ওয়ারী আপত্তি কেস শুনানী শুরু হয়। প্রতিটি আপত্তি কেসের রায়ের নকল কপি উঠানো যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস শুনানীর কাজ করা হয়।


আপীল শুনানী:
আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্ধপক্ষ আপীল দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ঠ আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দ্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ঠ পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিস্পত্তি করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩১ বিধি মোতাবেক আপীল শুনানী করা হয়।


চুড়ান্ত যাঁচ:
আপীল শুনানী সমাপ্ত হওয়ার পর মৌজার খতিয়ান ও নক্সা/ ম্যাপ চুড়ান্তভাবে পরীক্ষা করে খতিয়ানের ফেয়ার কপি ও ম্যাপ শীটের কালিকরণের কাজ সমাপ্ত করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩২ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত যাঁচ করা হয়।

চুড়ান্ত প্রকাশনা:
খতিয়ান ও ম্যাপ মুদ্রণের পর রেকর্ডের চুড়ান্ত প্রকাশনা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত ম্যাপ ৩৫০ টাকা জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে। প্রকাশনা ক্যাম্পে মৌজার রেকর্ড সর্বসাধারণের অবগতি ও পরিদর্শনের জন্য ৩০ কার্যদিবস উন্মুক্ত রাখা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩৩ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত প্রকাশনা করা হয়।

চুড়ান্ত প্রকাশনার পর খতিয়ান ও ম্যাপ সংশোধন:
চুড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ান ও ম্যাপের করণিক ভুল/ তঞ্চকতা পরিলক্ষিত হলে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট ম্যানুয়াল ১৯৩৫ এর ৫৩৩ ও ৫৩৪ বিধিতে খতিয়ান সংশোধন এবং ৫৩৭ বিধিতে ম্যাপ সংশোধন করা হয়।
করণিক ত্রুটি সংশোধন: প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৪২ (বি) বিধি মোতাবেক করণিক ত্রুটি সংশোধন কাজ করা হয়।


জরুরি জ্ঞাতব্য:

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও ম্যাপ প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তর ভিত্তিক।
নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।
মাঠ পর্চা সরকারীভাবে বুঝারত-তসদিক স্তরে বিনামুল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে স্বাক্ষরে সংশোধিত পর্চা বিনামুল্যে সরবরাহ করবেন।
জোনাল/ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও ম্যাপের সার্টিফাইড কপি/ অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।
অধিদপ্তর হতে নির্ধারিত মুল্যে পূর্ববর্তী জরিপ যথা সিএস/ এসএ/ আরএস জরিপের ম্যাপ বা পর্চা (মজুদ থাকা সাপেক্ষে) সরবরাহ করা হয়।
জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও ম্যাপ মুল্য ডিসিআর এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভুত লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা দুর্নিতীর পর্যায়ভুক্ত অপরাধ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। জরিপ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট উপ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার ও মহাপরিচালককে জানাতে হবে।

31/08/2021

মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তি স্থান

Ø চূড়ান্ত প্রকাশনাকালীন সরকার নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে চূড়ান্ত উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের আওতাধীন প্রকাশনা ক্যাম্প হতে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়;

Ø চূড়ান্ত প্রকাশনা সমাপনান্তে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে রেকর্ড ভলিউমের সাথে মৌজা ম্যাপ হস্তান্তর করা হয়।

Ø স্টক থাকা সাপেক্ষে মৌজা ম্যাপের প্রিন্টেড কপি জেলা প্রশাসকের রেকর্ডরুম থেকে সংগ্রহ করা যায়।

Ø মৌজা ম্যাপের কাস্টডিয়ান পরিচালক(জরিপ), ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর,তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।

Ø ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে মৌজা ম্যাপের স্ক্যান কপি দেয়ার ব্যবস্থা আছে।

Ø দরখাস্তের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে মৌজা ম্যাপের স্ক্যান কপি সংগ্রহ করা যায।

Ø মৌজা ম্যাপ ছাড়া ও অন্যান্য ম্যাপ যেমন, থানা ম্যাপ, জেলা ম্যাপ ও বাংলাদেশ ম্যাপ ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অদিদপ্তর হতে সংগ্রহের সুযোগ আছে।

অন্যান্য ম্যাপ :

Ø মৌজা ম্যাপ ছাড়াও নিম্নবর্ণিত ম্যাপসমূহ পরিচালক(জরিপ), ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, হতে সংগ্রহ করা যায়।

Ø থানা ম্যাপ(মুদ্রিত)।

Ø জেলা ম্যাপ (মুদিত), সাদা-কালো।

Ø জেলা ম্যাপ (মুদ্রিত), রঙিন।

Ø বাংলাদেশ ম্যাপ, (মুদ্রিত)।

প্রয়োজনীয় ফি:

Ø বিভিন্ন রকমের ম্যাপ ও খতিয়ানের বিক্রয়মূল্য নিম্নে প্রদত্ত হলো:



ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৯/০৮/২০১৫খ্রিঃ তারিখে, ৩১.০০.০০০০.০০৪৯.০০৭.০০৫.১৩-৩০৪ নং স্মারক-এর পরিপত্র অনুযায়ী।



ক্রমিক নং আইটেমের নাম সরকার নির্ধারিত মূল্য
০১ মৌজা ম্যাপ (মুদ্রিত) ৫০০/-
০২ থানা ম্যাপ(মুদ্রিত) ৭০০/-
০৩ জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), সাদা-কালো ৮০০/-
০৪ জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), রঙিন ১,০০০/-
০৫ বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত) ১,৫০০/-
০৬ খতিয়ান (মুদ্রিত) ১০০/

24/07/2021

Online
RS, SA.CS খতিয়ান বের করা যায়।
আমি বের করে দিব
সম্পুর্ন ফ্রি

Photos from Freedom technical training center's post 13/07/2021

all application formats to easier land services for general people.

09/07/2021

মুসলিম ফারায়েজ আইন অনুসারে সম্পত্তি বন্টন

মুসলিম ফারায়েজ নীতি অনুসরণে নিচে দেওয়া হল
১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।
৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।
৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী
বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা
মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ
পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট
সকল অংশ পাইবে।
৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে
১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা
ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে ,
মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ
দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।
৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে
বঞ্ছিত হইবে।
৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে
পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে
পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে
অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন
বঞ্ছিত হইবে।
৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে
আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী
থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে।
একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন
ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে
সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও
একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে
তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে
তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে
এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে
একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য
কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট
অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয়
বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক
১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে।
তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে। ( কপিপোস্ট)

07/07/2021

জাল দলিল চেনার উপায়:

১. ভলিউডেমর তথ্য:
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।

২. স্বাক্ষর যাচাই:
অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।
খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৩. মূল মালিক শনাক্ত:
এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৪. নামজারি:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।

৫. আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৬. তারিখ যাচাই:
কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

৭. লেখক যাচাই:
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেয়া দরকার।

৮. মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

৯. সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।
শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ দিন।
(সংগৃহীত)

06/07/2021

জরিপকালে করনীয়
জরিপকালে ভূমি মালিকের করনীয়
মাঠজরিপ:
মাঠজরিপে মূলত: ০২ টি কাজ করা হয় যথাঃ নক্সা/ ম্যাপ প্রস্তত ও রেকর্ড প্রণয়ন।

ম্যাপ/ নকশা প্রস্ততের স্তরগুলো নিম্নরুপ :

বিজ্ঞপ্তি প্রচার:
জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/ জমির সীমানা চিহ্নিত করে রাখার জন্য এবং জমির মালিকানার কাগজ দলিল পত্রাদি হালনাগাদ অবস্থায় কাছে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়
ট্রাভার্স সার্ভে:

কোন মৌজার নক্সা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তত করার জন্য যে কাঠামো স্থাপন করা হয় তাহাই ট্রাভার্স সার্ভে। এ স্তরে মৌজা সীমানা বরাবর অনেকগুলো ট্রাভার্স ও সাব ট্রাভার্স পয়েন্ট বসানো হয় যা জিএনএসএস যন্ত্রের মাধ্যমে পৃথিবীর কোন স্থায়ী পয়েন্টের সাপেক্ষে নতুন স্থাপিত পয়েন্টের অবস্থান নির্মিত হয়।



কিস্তোয়ার:
এ স্তরে আমিনগণের সহায়তায় ট্রাভার্স পয়েন্টের সাহায্যে সরেজমিন মোতাবেক প্রতিটি ভূমিখন্ডের পরিমাপক্রমে তার প্রতিচ্ছবি পি-70 সিটে অংকন করা হয় যা ম্যাপ/নক্সা হিসেবেও পরিচিত। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ (এ) বিধি মোতাবেক কিস্তোয়ার কাজ করা হয়।

খানাপুরী:
এ পর্যায়ে আমিনগণ নকশায় কিস্তোয়ারকৃত প্রতিটি ভূমিখন্ডের উপর অবস্থানক্রমে পৃথক পৃথক দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাঁচাই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন এবং কাগজ-পত্রানুযায়ী রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিনদলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৬ বিধি মোতাবেক খানাপুরির কাজ করা হয়।


বুঝারত:
বুঝারত অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে খানাপুরী স্তরে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড আমিনদল কর্তৃক সরেজমিন যেয়ে ভূমিমালিকদের এরিয়াসহ খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয় যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত। পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/ এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরিবর্তনের আবশ্যক হলে নির্দ্দিষ্ট ডিসপুট ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিস্পত্তি করবেন। বুঝিয়ে দেয়া হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৭ বিধি মোতাবেক বুঝারত কাজ করা হয়।


তসদিক/ এটেস্টেশন:
ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ/ ডিসপুট দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের ৩০ দিন দেখার সুযোগ থাকে। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৮ বিধি মোতাবেক তসদিক/ এটেস্টেশন কাজ করা হয়।


খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দয়ের:

তসদিক কাজ সম্পাদনের পর নকশা ও রেকর্ড প্রজাসাধারণের/ ভূমি মালিকগণের দেখার জন্য ৩০ দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এই সময়কাল উল্লেখ করে ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যাখ্যর অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণনাক্রমিক ক্রমবিকাশ করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্যও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার কোর্ট ফি লাগিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধিতে আপত্তি কেস দায়ের করা যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনার (ডিপি) কাজ করা হয়।



আপত্তি কেস শুনানী:

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিস্পত্তি করা হয়। আপত্তি কেসের নোটিশ পেলে আপত্তি অফিসারের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে কাগজ-পত্র ও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকে। পক্ষগণ নিজ নিজ দাবী আপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে রায়/ আদেশ কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন করবেন। সমাপ্ত হলে মৌজা ওয়ারী আপত্তি কেস শুনানী শুরু হয়। প্রতিটি আপত্তি কেসের রায়ের নকল কপি উঠানো যায়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস শুনানীর কাজ করা হয়।


আপীল শুনানী:
আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্ধপক্ষ আপীল দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ঠ আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দ্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ঠ পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দ্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিস্পত্তি করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩১ বিধি মোতাবেক আপীল শুনানী করা হয়।


চুড়ান্ত যাঁচ:
আপীল শুনানী সমাপ্ত হওয়ার পর মৌজার খতিয়ান ও নক্সা/ ম্যাপ চুড়ান্তভাবে পরীক্ষা করে খতিয়ানের ফেয়ার কপি ও ম্যাপ শীটের কালিকরণের কাজ সমাপ্ত করা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩২ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত যাঁচ করা হয়।

চুড়ান্ত প্রকাশনা:
খতিয়ান ও ম্যাপ মুদ্রণের পর রেকর্ডের চুড়ান্ত প্রকাশনা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত ম্যাপ ৩৫০ টাকা জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে। প্রকাশনা ক্যাম্পে মৌজার রেকর্ড সর্বসাধারণের অবগতি ও পরিদর্শনের জন্য ৩০ কার্যদিবস উন্মুক্ত রাখা হয়। প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৩৩ বিধি মোতাবেক চুড়ান্ত প্রকাশনা করা হয়।

চুড়ান্ত প্রকাশনার পর খতিয়ান ও ম্যাপ সংশোধন:
চুড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ান ও ম্যাপের করণিক ভুল/ তঞ্চকতা পরিলক্ষিত হলে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট ম্যানুয়াল ১৯৩৫ এর ৫৩৩ ও ৫৩৪ বিধিতে খতিয়ান সংশোধন এবং ৫৩৭ বিধিতে ম্যাপ সংশোধন করা হয়।
করণিক ত্রুটি সংশোধন: প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ সনের ৪২ (বি) বিধি মোতাবেক করণিক ত্রুটি সংশোধন কাজ করা হয়।


জরুরি জ্ঞাতব্য:

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও ম্যাপ প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তর ভিত্তিক।
নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।
মাঠ পর্চা সরকারীভাবে বুঝারত-তসদিক স্তরে বিনামুল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে স্বাক্ষরে সংশোধিত পর্চা বিনামুল্যে সরবরাহ করবেন।
জোনাল/ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও ম্যাপের সার্টিফাইড কপি/ অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।
অধিদপ্তর হতে নির্ধারিত মুল্যে পূর্ববর্তী জরিপ যথা সিএস/ এসএ/ আরএস জরিপের ম্যাপ বা পর্চা (মজুদ থাকা সাপেক্ষে) সরবরাহ করা হয়।
জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও ম্যাপ মুল্য ডিসিআর এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভুত লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা দুর্নিতীর পর্যায়ভুক্ত অপরাধ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। জরিপ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট উপ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার ও মহাপরিচালককে জানাতে হবে।
বিস্তারিত জানার জন্য www.dlrs.portal.gov.bd ওয়েব সাইটে ভিজিট করার জন্য অনুরোধ করা হল।

www.dlrs.portal.gov.bd পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি ও বেসিস।

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


C-103, Harinhati, Safipur, Kaliakoir, Gazipur
Gazipur
1751

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00