22/05/2026
আধুনিক ও কর্মমুখী কারিকুলামের মাধ্যমে দক্ষ কৃষি মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে : বাউবি উপাচার্য
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এর কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল (সার্ড) পরিচালিত অন্যতম যুগোপযোগী একাডেমিক প্রোগ্রাম ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচারাল এডুকেশন (বিএজিএড)-এর কারিকুলাম কমিটির যৌথ সভা শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরস্থ মূল ক্যাম্পাসের শিক্ষক সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাউবির কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি খাত আজ প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষিশিক্ষাকেও আধুনিক, গবেষণাভিত্তিক এবং বাস্তবমুখী করতে হবে। শিক্ষার্থীদের কেবল সনদধারী নয়, বরং দক্ষ, উদ্ভাবনী ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।তিনি বলেন বাউবির শিক্ষার্থীরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করে নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সময়োপযোগী ও কর্মমুখী কারিকুলাম প্রণয়ন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি শিক্ষার সমন্বয়ে এমন একটি আধুনিক সিলেবাস প্রণয়ন করতে হবে, যা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা মোকাবিলা এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”
উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন যে, "জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কৃষিশিক্ষার গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে একটি মানসম্মত, যুগোপযোগী ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক কারিকুলাম প্রণয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন"।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, যিনি বর্তমানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর মাননীয় উপাচার্য এবং সার্ডের সাবেক ডিন।
সভায় বিএজিএড প্রোগ্রামের কৃষি, মৎস্য, পশুপালন এবং ভাষা শিক্ষা ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত চারটি সমন্বিত কারিকুলাম কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বহিঃসদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কামরুন্নাহার মনিরা। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিমসহ বিভিন্ন কারিকুলাম কমিটির সদস্যবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বিএজিএড প্রোগ্রামের মানোন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিশিক্ষার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন। তাঁরা ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা, উদ্ভাবনী কৃষি প্রযুক্তি এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রোগ্রামটিকে আরও কার্যকর, যুগোপযোগী ও টেকসই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী সকলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রস্তাবিত কারিকুলাম দেশের কৃষিশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং জাতীয় কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ২২ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity
20/05/2026
"শিক্ষাসেবার মানোন্নয়নে খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রে বাউবি উপাচার্যের মতবিনিময়"
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কেন্দ্রাধীন উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চলমান বিভিন্ন প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী এবং টিউটরদের অংশগ্রহণে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে প্রমোশনাল কার্যক্রম বিষয়ক এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। আজ ২০ মে ২০২৬ বুধবার বেলা ২:০০টায় খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, "বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের প্রান্তিক, শ্রমজীবী ও প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬৩টির বেশি সক্রিয় উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং দেশের বাইরে সাতটি দেশেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও সরকারের আর্থিক সহায়তা সীমিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি মূলত নিজস্ব আয়ের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট নিরসনে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে অটোমেশন, অনলাইন সেবা ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। পরীক্ষাব্যবস্থা, অভিযোগ নিষ্পত্তি ও শিক্ষার্থীসেবা দ্রুততর করতে নতুন সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে হাজারো শিক্ষার্থীর অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তিনি অংশীজন, সমন্বয়কারী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সম্মানীর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে তিনি আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয় জোরদার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান। শেষে তিনি উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, স্টেকহোল্ডাররাই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণশক্তি এবং তাদের সম্মান ও প্রত্যাশা রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি তিনি আগাম পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান"।
এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান আঞ্চলিক কেন্দ্রে মিষ্টি জলপাই জাতের একটি ফলজ গাছের চারা রোপণ করেন। এছাড়া রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইনও আঞ্চলিক কেন্দ্রে নিম গাছের একটি চারা রোপণ করেন।
বাউবির খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইন। তিনি "বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সেবার মানোন্নয়নে স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার আহ্বান জানান"।
সভায় বক্তারা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী, গতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবর রহমান। সভায় আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-করমচারীবৃন্দ এবং চলমান প্রোগ্রামসমূহের স্টাডি সেন্টারের সমন্বয়কারী ও টিউটরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ২০ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity
20/05/2026
"বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘OBE কারিকুলাম উন্নয়ন’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত"
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) "Hands on Training on OBE Curriculum Development: Implementation and Challenges" শীর্ষক দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC)-এর উদ্যোগে আজ বুধবার (২০ মে ২০২৬) সকাল ৮:৩০টায় বাউবি’র শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ উদ্বোধনী প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস পিএইচডি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষকতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের ঘাটতি দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। অধিকাংশ শিক্ষক কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়াই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু করেন, যা শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে শিক্ষকতা ও টিচিং-লার্নিং প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও আমাদের দেশে এ বিষয়ে এখনো অনীহা ও মানসিক বাধা রয়েছে। Outcome Based Education (OBE) পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এটি শিক্ষাকে পরিকল্পিত ও জবাবদিহিমূলক করতে সহায়ক বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ করে পাঠদান ও মূল্যায়নে শৃঙ্খলা, নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও শিক্ষার্থীর অর্জন নিশ্চিত করতে OBE কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক শিক্ষার ক্ষেত্রে জ্ঞানের সৃজনশীলতা ও বিমূর্ততার দিকটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষকদের নতুন ধারণা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণ কেবল ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সামগ্রিক শিক্ষা উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে”।
অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। তিনি বলেন, “Outcome Based Education (OBE) পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম প্রণয়নে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা পাঠদান ও কারিকুলাম উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান”।
প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের ডিন অধ্যাপক তানভীর আহসান এবং স্কুল অব ‘ল’ এর ডিন অধ্যাপক ড. নাহিদ ফেরদৌসি। বক্তারা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে এবং আধুনিক যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে যুগোপযোগী OBE কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে রিসোর্স পারসন (Resource Person) হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB)-এর অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. রহমাতুল্লাহ্। বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ/প্রশিক্ষণ সহায়ক হিসেবে প্রশিক্ষণে আউটকাম বেইজড এডুকেশন (OBE) বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়, OBE-এর ধারণা ও বিভিন্ন মডেল, OBE-এর উপাদানসমূহ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক (BNQF) বিষয়ক আলোচনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া তিনি কারিগরি অধিবেশনে OBE কারিকুলাম ডিজাইন এবং PEOs, PLCs ও CLOs ম্যাপিং বিষয়েও অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে “OBE কারিকুলাম উন্নয়ন: বাস্তবায়ন ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ক হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ” প্রদান করেন।
আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ও এসএসএইচএল এর সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) ড. মোঃ জাকির হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুল এবং স্কুল অব ‘ল’ এর ৩৯ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ২০ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity
18/05/2026
"বাউবিতে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ৫ম ব্যাচের গবেষকদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত"
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এ এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ৫ম ব্যাচের গবেষকদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের রিসার্চ ডিগ্রি ইউনিটের উদ্যোগে আজ (১৮ মে ২০২৬ তারিখ) সোমবার সকাল ১০:০০টায় কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের লেকচার গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের প্রান্তিক, শ্রমজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা বিস্তারের মহান লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দূরশিক্ষণের মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে যাচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি গবেষণাকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমফিল ও পিএইচডি কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির পথে অগ্রসর হয়েছে। তিনি বলেন, গবেষণা কেবল ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যম নয়; বরং জ্ঞানভান্ডারে নতুন সংযোজন, মানবকল্যাণ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখাই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য। গবেষকদের নিষ্ঠা, সৃজনশীলতা ও নৈতিকতার সঙ্গে গবেষণা পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্লেজিয়ারিজম ও গবেষণায় অনৈতিক চর্চা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন”।
উপাচার্য আরও বলেন, ‘গবেষণার মানোন্নয়নে গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ে নিয়মিত কর্মশালা, গবেষক ফেলোশিপ, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ এবং আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিকে আরও সমৃদ্ধ ও গবেষকবান্ধব করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাউবিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে গবেষণার বিকল্প নেই। এজন্য শিক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক ও গবেষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণানির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি গবেষকদের মানসম্পন্ন গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশের আহ্বান জানান এবং গবেষকদের বাউবির “ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর” হিসেবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন’।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সাঈদ ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি তাঁর বক্তব্যে গবেষণাকে শুধু ডিগ্রি বা পদোন্নতির মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি মানসম্মত গবেষণার জন্য গবেষক ও সুপারভাইজারদের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং পরিশ্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাউবিতে গবেষণার মানোন্নয়নে শক্তিশালী গবেষণা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাননীয় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বাউবিকে গবেষণার জন্য একটি অনন্য বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষার্থীবান্ধব গবেষণা পরিবেশ, সুপারভাইজারদের আন্তরিক সহযোগিতা, প্লেজারিজম চেক ব্যবস্থা চালু এবং সহজ নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সফলভাবে ডিগ্রি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্কুল অব বিজনেস এর ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ মঈনুল ইসলাম, সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুল এর ডিন অধ্যাপক তানভীর আহসান, ওপেন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মোছাঃ শিরিন সুলতানা, স্কুল অব এডুকেশ এর ডিন অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল এর ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, স্কুল অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও স্কুল অব ল এর ডিন অধ্যাপক ড. নাহিদ ফেরদৌসী। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলের ৫ম ব্যাচের পিএইচডি গবেষকদের মধ্য থেকে ৩ জন গবেষক বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা গবেষণার গুণগত মান উন্নয়ন, মৌলিক গবেষণা পরিচালনা এবং উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে গবেষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা গবেষকদের নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাউবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইন।
ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ৫ম ব্যাচের এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ৪১ জন গবেষক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন প্রশাসন বিভাগের রিসার্চ ডিগ্রি ইউনিটের যুগ্ম-পরিচালক এমএস তাসলিমা খানম।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ১৮ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity/
17/05/2026
ঘিওর সরকারি কলেজে “বাংলাদেশের জন্মকথা : ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা” শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত:
ভাষা আন্দোলনের চেতনায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে : বাউবি উপাচার্য
মানিকগঞ্জের ঘিওর সরকারি কলেজ আয়োজিত “বাংলাদেশের জন্মকথা : ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা” শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ১৭ মে ২০২৬, রবিবার সকাল ১১:০০ টায় ঘিওর সরকারি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। উপাচার্য বলেন, “ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের জাতিসত্তা ও আত্মপরিচয়ের প্রথম জাগরণ। মাতৃভাষার মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই সংগ্রামই পরবর্তীকালে বাঙালির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। নতুন প্রজন্মকে শুধু ইতিহাস জানলেই হবে না, ইতিহাসের অন্তর্নিহিত শিক্ষা, মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও ধারণ করতে হবে। দেশপ্রেম, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। প্রযুক্তি ও জ্ঞানের এই যুগে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, ইতিহাসচেতনা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে, যাতে তারা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”
ঘিওর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রধান এবং আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক প্রফেসর কাজী হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফকির ফারুক আহম্মেদ। প্রধান আলোচক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম দায়িত্ব। ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা তরুণ সমাজকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং জাতীয় মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ঘিওর সরকারি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ১৭ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity/
17/05/2026
"বাউবির মানিকগঞ্জ উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত"
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানিকগঞ্জ উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চলমান বিভিন্ন প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী ও টিউটরদের অংশগ্রহণে সার্বিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা আজ বেলা ৩:৩০টায় উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শ্রমজীবী, প্রান্তিক ও প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ৬৬টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র ও হাজারো স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ক্লাস নাইন থেকে পিএইচডি পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে বাউবি একটি মানবিক ও ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমের গুণগত মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানিকগঞ্জ উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ আশরাফুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী ও টিউটরগণ বক্তব্য রাখেন।
সভায় বক্তারা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী, গতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক মতামত ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ১৭ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity/
16/05/2026
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি: বিএজিএড প্রোগ্রাম, ১ম সিমেস্টার, ২৬১ টার্ম (জানুয়ারি-জুন, ২০২৬)
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity/
15/05/2026
"পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম-কে বাউবি পরিবারের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন"
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় বাউবি পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল দুপুরে বাউবির পক্ষ থেকে এক সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম-কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং বর্তমান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম-এর মতো একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও সৎ শিক্ষাবিদের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ লাভ বাউবি পরিবারের জন্য অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের বিষয়। তাঁর দীর্ঘ একাডেমিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নতুন কর্মস্থলে শিক্ষা, গবেষণা ও সুশাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”
তিনি আরও বলেন, “অধ্যাপক ড. শামীম-এর নেতৃত্বে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। আমরা তাঁর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং গৌরবোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।”
এ সময় বাউবির প্রো-উপাচার্য ( শিক্ষা), প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন), রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইন,ভিন্ন স্কুলের ডিন , শিক্ষক, বিভাগের পরিচালক , কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস রিলিজ
তারিখ: ১৫ মে ২০২৬
তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাউবি।
#বাউবি bou.ac.bd https://www.facebook.com/Bdopenuniversity/