Dhaka University of Engineering & Technology, Gazipur - DUET

Dhaka University of Engineering & Technology, Gazipur - DUET Till today, it has produced around 6,300 graduates.

DUET has ultimately turned into an Institution, which can now boost its commitment to quality engineering education and has earned a good reputation all over the world for the quality of its graduates.

ডুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)...
17/09/2026

ডুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) বিভাগের "নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বেলুন উড্ডয়ন, পায়রা অবমুক্তকরণ, কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে "অঙ্কুরের অন্তিমে দিগন্তের সূচনা" প্রতিপাদ্যে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল। উপাচার্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, "মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে থার্মোডায়নামিক্স, ফ্লুইড মেকানিক্স, মেশিন ডিজাইন, ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস, রোবোটিক্স ও অটোমেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পড়ানো হয়, যা একজন শিক্ষার্থীকে বর্তমান বিশ্বের শিল্পখাতের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে তোলে। তোমরা যারা আজ বিদায় নিচ্ছো, বিশ্ব তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তোমরা প্রত্যকে একেকজন অ্যাম্বাসেডর। এখন থেকে তোমাদের কাজ হবে প্রফেশনালদের সাথে নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলা এবং ইন্ডাস্ট্রি লিঙ্কেজ বাড়ানো।"

তিনি বলেন, "বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অটোমোবাইল, গ্রীন এনার্জি, ম্যানুফ্যাকচারিং, অ্যারোস্পেস ও রোবোটিক্স খাতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং অটোমেশনকেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ জব মার্কেটে স্কিলড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা অবারিত। তবে তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের জ্ঞান, যোগ্যতা ও দক্ষতা আপডেট না রাখলে এই খাতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, কেননা বর্তমানে একাডেমিক মেকানিক্যাল জ্ঞানের সাথে কম্পিউটেশনাল স্কিলও অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে শিল্পখাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, স্মার্ট ম্যানুফেকচারিং, স্মার্ট ও ন্যানো ম্যাটেরিয়ালস-এর ব্যবহার বেড়েছে, ফলে ঐতিহ্যবাহী উৎপাদন পদ্ধতি আজ স্বয়ংক্রিয় ও বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত হচ্ছে। বর্তমান ইন্ডাস্ট্রিসমূহের বাস্তবতা হচ্ছে, দক্ষতা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ হ্রাস ও নির্ভুলতা অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও স্মার্ট সেন্সরনির্ভর প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে।" ডুয়েটের শিক্ষার্থীগণ যাতে আগামীদিনের শিল্পবিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে পারে সেজন্য ট্র্যাডিশনাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার পাশাপাশি এই আধুনিক প্রযুক্তিগুলো রপ্ত করে নিজেদেরকে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করে তুলতেও তিনি পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের মিশন ও ভিশনের সাথে মিল রেখে ডুয়েটেও গ্লোবাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন। ডুয়েটের মডার্নাইজেশনে তিনি সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রুমা নবীনদের শুভেচ্ছা ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানানোর পর বলেন, "মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিজ্ঞানের একটি ক্ল্যাসিক ও মাল্টিডাইমেনশনাল শাখা হলেও বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় এ বিভাগের কারিকুলামকে যুগোপযোগী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি, যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা কেবল দেশে নয়, আন্তর্জাতিক জব মার্কেটেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।" তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানের ভিত্তিতে বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় উদ্ভাবনী চিন্তা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমান। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জি. জানে আলম মোহাম্মদ সেলিম, অপটিমাম ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেডের চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইঞ্জি. মো. ফজলুল বারী, ইকো হোমস বিল্ডার্সের চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইঞ্জি. মো. রায়হান সরকার এবং এলিট গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনার পর সন্ধ্যায় জমকালো সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি এবং বিএমটিএফ ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা...
17/09/2026

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি এবং বিএমটিএফ ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জি. জানে আলম মোহাম্মদ সেলিম এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির প্রোডাকশন বিভাগের ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নুরুল আজিজ। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতকালে কুশল বিনিময়ের পর তাদের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। অতিথিগণ ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রের জব মার্কেট এবং ইন্ডাস্ট্রির লেটেস্ট ট্রেন্ড এন্ড ডিমান্ড সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। তারা ডুয়েটের মডার্নাইজেশনে তাদের স্ব স্ব সংস্থার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত থাকবে বলে উপাচার্যকে আশ্বাস দেন। ডুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ফায়ার ও ইলেকট্রিক্যাল সেফটি বিষয়ে উপাচার্যের লেকচার প্রদানঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ব...
17/09/2026

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ফায়ার ও ইলেকট্রিক্যাল সেফটি বিষয়ে উপাচার্যের লেকচার প্রদান

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ফায়ার ও ইলেকট্রিক্যাল সেফটি বিষয়ে তথ্যবহুল লেকচার প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিভাগের তৃতীয় ও সমাপনী বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত এই লেকচারে তিনি শিল্পক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে Fire Triangle, Fire Classification (Class A–E), Risk Management, Fire Drill, Evacuation Procedure, Fire Precaution ও Prevention বিষয়ে বিস্তারিত আলোচকপাত করেন। পাশাপাশি লেকচারে তিনি অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে Fire Escape Plan, Smoke Detector, Good Housekeeping ও Emergency Exit-এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি Circuit Overloading ও Unauthorized Electrical Devices-এর বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেন এবং প্রয়োজনীয় Fire Fighting Equipment, যেমন- Sprinkler System, Fire Extinguisher, Fire Pump, Fire Blanket, Fire Alarm System ও Fire Safety Signage যথাযথভাবে স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সবশেষে তিনি Evacuation Route ও Smoke Surviving কৌশল (Stop, Drop and Crawl) নিয়ে আলোচনা করে Training ও Awareness-কে সর্বোচ্চ সুরক্ষা কবচ হিসেবে আখ্যা দেন এবং অগ্নি নিরাপত্তাকে আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং প্রাত্যহিক অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানান। ফায়ার ও ইলেক্ট্রিক্যাল সেফটির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপাচার্যের আজকের লেকচারটি শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও পেশাগত দায়িত্ববোধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজী...
16/09/2026

ডুয়েটে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং (এফই) বিভাগের "নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, "একদিকে নতুন মুখ- নতুন স্বপ্ন নিয়ে যারা এই বিভাগে পা রেখেছ; অন্যদিকে যারা দীর্ঘ চার বছর পরিশ্রম করে আজ বিদায় নিচ্ছো- তোমাদের দুই প্রজন্মের মিলনমেলা সত্যিই অর্থবহ। আজকের এমন মুহূর্তে তোমাদের সাথে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, "তোমাদের পড়াশোনার ক্ষেত্র ফুড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিসর খুবই ব্যাপক। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি এবং মানবকল্যাণ এখানে একইসূত্রে গাঁথা। তোমরা এখানে শিখেছ খাদ্য রসায়ন, মাইক্রোবায়োলজি, তাপ ও ভর স্থানান্তরের মতো মৌলিক বিষয়। অর্জন করেছ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, প্যাকেজিং প্রযুক্তি এবং মান নিয়ন্ত্রণের মতো ব্যবহারিক দক্ষতা। তোমাদের অর্জিত এই জ্ঞান ও দক্ষতা শুধু একাডেমিক নয়- এটি সরাসরি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। তোমরা জানো, খাদ্য নিরাপত্তা বর্তমান বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে ভেজাল খাদ্য, নিম্নমানের প্রক্রিয়াকরণ এবং খাদ্য সংরক্ষণে অব্যবস্থাপনার কারণে জনস্বাস্থ্য প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে তোমরা যারা ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছো, তোমাদের কাঁধে একটি বিশেষ দায়িত্ব বর্তায়- সকলের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত এবং মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করা। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, সাপ্লাই চেইনের অনিশ্চয়তা, টেকসই প্যাকেজিংয়ের চাহিদা এবং বিকল্প প্রোটিনের মতো নতুন প্রযুক্তির উত্থান তোমাদের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ তৈরি করছে। তাই শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব শিল্পের চাহিদার সাথে নিজেদের দক্ষতাকে সবসময় হালনাগাদ রাখতে হবে। তোমরা যে জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ নিয়ে এই বিভাগ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছ, তা দিয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখবে। কর্মজীবনে পদার্পণের লক্ষ্যে বিদায়ের এই ক্ষণে তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করছি।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে চাকুরিদাতারা স্কিল খুঁজে, স্কিল হায়ার করে; মানুষ নিয়োগ দেয় না। মডার্ন টেকনোলজি নির্ভর ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে কাজে লাগছে কোয়ালিটি কন্ট্রোল, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবনির্ভর ইন্ডাস্ট্রিগুলোর ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয়ে নিজেদের মধ্যে স্কিল গড়ে তুলতে পারলে বিশ্বের সর্বত্রই এ সেক্টরে তোমাদের কাজের সুযোগ অবারিত। আমি আশা করছি, তোমরা একদিন বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির কর্ণধার হবে, সিইও হবে, লিড রিসার্চার হবে, শিক্ষকও হবে।"

নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তোমাদের এই যাত্রা শুধু ডিগ্রি অর্জনের যাত্রা নয়; বরং একটি সামাজিক দায়িত্ব গ্রহণের যাত্রা। আধুনিক ল্যাবগুলোর সুবিধা গ্রহণ করে মনোযোগ দিয়ে শেখো, ক্রিটিক্যালি প্রশ্ন করতে শেখো এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরি করো। একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটির মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ হিসেবে গড়তে পারলে তোমাদের জন্য ফুড ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ ও বিদেশে প্রচুর সুযোগ অপেক্ষা করছে। সৃজনশীল এ বিভাগে পড়াশোনা শেষে গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ রয়েছে। তোমরা অধ্যবসায়ী হয়ে নিয়মানুবর্তিতার সাথে এ সুযোগকে কাজে লাগাও।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রুমা বলেন, "বর্তমান বিশ্বে আজকের দিনে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট- এটি সরাসরি মানবজাতির স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের সাথে সম্পৃক্ত। দুঃখের ব্যাপার হলো, খাদ্যে ভেজাল বাংলাদেশের প্রধান সমস্যাগুলোর একটি। এ বিভাগ থেকে তোমাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা খাদ্যে ভেজাল ও এ খাতে অব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমস্যা থেকে আমাদের উত্তরণের লক্ষ্যে কাজে আসবে। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বলবো, তোমরা যে জ্ঞান ও মূল্যবোধ নিয়ে আজ বিদায় নিচ্ছ, তা কর্মক্ষেত্রে সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে প্রয়োগ করে দেশ ও ডুয়েটের সুনাম বৃদ্ধি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তোমাদের সকলের জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা।"

ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিম দেওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনার পর সন্ধ্যায় জমকালো সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি বিষয়ক টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর...
16/09/2026

ডুয়েটে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি বিষয়ক টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের আয়োজনে টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিভাগের স্নাতক সমাপনী বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিল্পকারখানায় কর্মীদের নিরাপত্তা, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক ঝুঁকি এবং কার্যকর হেলথ, সেফটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (HSE) ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়। সেমিনারে একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের দুইজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ দুটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেন।

ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল “Fire and Electrical Safety in Industrial Facilities: Risks, Prevention and Best Practices” শিরোনামে সেমিনারের প্রথম সেশন পরিচালনা করেন। আলোচনায় তিনি শিল্পকারখানায় ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড ও বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার পেছনে থাকা সাধারণ কারণগুলো তুলে ধরেন, যেমন- ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, ওভারলোডিং, নিম্নমানের তার ও যন্ত্রাংশের ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলা এবং দাহ্য পদার্থের অনিরাপদ সংরক্ষণ। এসব দুর্ঘটনার ফলে অঙ্গহানি, জীবনহানি, আর্থিক ক্ষতি, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের সুনামের ক্ষতির মতো সম্ভাব্য পরিণতির কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এরপর তিনি ঝুঁকি প্রতিরোধের কার্যকর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে নিয়মিত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন, মানসম্পন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার, সঠিক আর্থিং ব্যবস্থা এবং সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজের যথাযথ ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। নিরাপদ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত জনবল দ্বারা বৈদ্যুতিক কাজ সম্পাদন এবং লক-আউট/ট্যাগ-আউট (LOTO) পদ্ধতির অনুসরণ দুর্ঘটনা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অগ্নিঝুঁকি হ্রাসের কৌশল হিসেবে তিনি ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেম, স্মোক ডিটেক্টর, স্প্রিংকলার ও অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র যথাস্থানে স্থাপনের পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত তদারকির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ইভ্যাকুয়েশন প্ল্যান তৈরি, নিয়মিত ফায়ার ড্রিল আয়োজন এবং কর্মীদের প্রাথমিক সাড়াদানের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর জোর দেন। সবশেষে তিনি বলেন, শুধু নিয়ম-কানুন মেনে চলাই যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে একটি স্থায়ী নিরাপত্তা-সচেতন সংস্কৃতি গড়ে তোলাই দীর্ঘমেয়াদে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

“Fundamentals of Health, Safety and Environment (HSE) Management in Industry” শিরোনামে সেমিনারের দ্বিতীয় সেশন পরিচালনা করেন সিনজেনটা বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ইঞ্জি. মো. মাজহারুল ইসলাম। তিনি শিল্পক্ষেত্রে HSE ব্যবস্থাপনার মৌলিক ধারণা ও বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করেন, যেখানে কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এবং নিরাপদ ও টেকসই শিল্প পরিচালনায় সুসংগঠিত HSE ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ হলো যেকোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ, যেখানে সম্ভাব্য বিপদজনক উৎস, যেমন- যান্ত্রিক ঝুঁকি, রাসায়নিক এক্সপোজার, শব্দদূষণ বা এরগোনমিক সমস্যা শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি ঝুঁকি মূল্যায়নের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেন, যেখানে প্রতিটি ঝুঁকির সম্ভাব্যতা ও তীব্রতা বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়, যাতে সীমিত সম্পদ দিয়েও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিগুলো আগে মোকাবিলা করা যায়। দুর্ঘটনা প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি প্রকৌশলগত নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহারের কথা তুলে ধরেন। পরিবেশগত দায়বদ্ধতার আলোচনায় তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি অনুসরণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন, যা শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের জন্যও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন। সবশেষে তিনি বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নেওয়া পদক্ষেপের পরিবর্তে একটি সুসংগঠিত, নথিভুক্ত ও নিয়মিত পর্যালোচনাযোগ্য HSE ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিই একটি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ, টেকসই ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে সেমিনারটি ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক শিল্পনিরাপত্তা ও HSE ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা অর্জনের পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়ার সুযোগ লাভ করে। সেমিনারে একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ শিল্পনিরাপত্তার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং বাস্তবসম্মত সমাধান সম্পর্কে মূল্যবান দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার পাশাপাশি শিল্প ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা, পরিবেশগত দায়বদ্ধতা ও অপারেশনাল উৎকর্ষতাকে সমন্বিত করার গুরুত্বও বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ...
15/09/2026

ডুয়েটে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএইচই) বিভাগের "বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বেলুন উড্ডয়ন, কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, "আজকের এই বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তোমাদের মাঝে উপস্থিত থেকে কিছু কথা বলতে পেরে খুবই আনন্দিত। দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের এই অধ্যায় শেষ করে তোমরা আজ বাস্তব জগতের দিকে পা বাড়াচ্ছ, যেখানে তোমাদের অর্জিত একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি ম্যানেজমেন্ট স্কিল, প্রেজেন্টেশন স্কিল, লিডারশিপ স্কিল, এক্সট্রা-কারিকুলার স্কিলগুলো কাজে লাগানোর সময় এসেছে। এই বিভাগে তোমরা যে গবেষণা দক্ষতা, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি, প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক শিক্ষা অর্জন করেছ, তা তোমাদের জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম শোধনাগার, সার কারখানা, ওষুধ শিল্প, টেক্সটাইল ও ডাইং, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সিমেন্ট ও কাগজ শিল্প, পেট্রোকেমিক্যাল, পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সাফল্যের সাথে কাজ করার পথ সুগম করবে।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুবিশাল কর্মক্ষেত্রে সম্ভাবনা যেমন অপার, তেমনি চ্যালেঞ্জও কম নয়। রেডিমেইড গার্মেন্টসশিল্পের হাত ধরে দেশের শিল্পায়ন যত দ্রুত এগিয়ে চলছে- জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও নতুন প্রযুক্তি স্থাপনে দক্ষ কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদাও ততোই বাড়ছে। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি, পরিবেশগত জটিলতা ও উপযুক্ত শিল্প-অবকাঠামোর ঘাটতি দেশে এ খাতের টেকসই বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তোমাদের প্রয়োজন হবে আজীবন শেখার মানসিকতা, আন্তর্জাতিকমানের প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন অর্জন, গবেষণা ও উদ্ভাবনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে জ্ঞান বিনিময়ের অভ্যাস গড়ে তোলা। আমি আশা রাখি, তোমরা এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এবং চ্যালেঞ্জগুলো সাহসের সাথে মোকাবিলা করে নৈতিকতা ও পেশাদারত্বের সাথে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে এবং দেশের শিল্প উন্নয়ন, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা ও টেকসই পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখবে। ডুয়েটের নাম যেন তোমাদের কর্মে ও সাফল্যে উজ্জ্বল হয়, বিদায় বেলায় তোমাদের প্রতি এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রুমা এবং পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে জমকালো কালচারাল নাইট ইভেন্টের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে আন্তঃহল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরুঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ সোমবার (১৪ই সেপ্টেম্...
14/09/2026

ডুয়েটে আন্তঃহল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ সোমবার (১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) আন্তঃহল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ট্রফি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, "পড়াশোনার জন্য সবল দেহ ও সতেজ মন আবশ্যক। আর সুস্থ জীবনধারা নিশ্চিত করার জন্য একান্তভাবে প্রয়োজন নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটি হিসেবে খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রম। একাডেমিক লাইফে উৎকর্ষ অর্জনের জন্যই খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মন-মানসিকতার উন্নয়নের মাধ্যমে কমিউনিকেশন স্কিল বাড়িয়ে তোমাদেরকে জীবন মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রুমা, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, অফিস প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর মো. আল মাসুদ খাঁনের পরিচালনায় এবারের টুর্নামেন্টে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং বিজয়-২৪ হলের মোট ৭টি দল অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী ম্যাচে বিজয়-২৪ দুর্বার বনাম কেএনআই ধূমকেতুর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে এমএমই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ম্...
14/09/2026

ডুয়েটে এমএমই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ম্যাটেরিয়ালস এন্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএমই) বিভাগের আয়োজনে "অণুরণনে উদয়, অন্তরীক্ষে রূপান্তর" প্রতিপাদ্যে "নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বেলুন উড্ডয়ন, কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি নবীনদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করে বলেন, "তোমরাই আমাদের আগামী। যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে জীবনের বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তোমরা ডুয়েটে এসেছ তা থেকে কখনোই বিচ্যুত হওয়া যাবে না। যে কোনো মূল্যে তোমাদের সফল হতেই হবে। ক্লাস বর্জন, পরীক্ষা পেছানোসহ শৃঙ্খলা বিরোধী যে কোনো ধরনের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। কোনো ধরনের দাবি-দাওয়া থাকলে ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের সাথে কথা বলে সমাধান করতে হবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে তোমাদের বিভাগ স্থানান্তরের পর সেখানে মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সেখানেও একটি ক্যান্টিন স্থাপন পরিকল্পনাধীন আছে। উভয় ক্যাম্পাসের মধ্যে সহজ যাতায়াতের লক্ষ্যে নতুন একটি সংযোগ সড়ক স্থাপন এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আমরা কাজ করছি। তোমাদের উচিত হবে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটির মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলা।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, "তোমাদের আজকের বিদায় হচ্ছে জীবনের এক অধ্যায় থেকে অন্য অধ্যায়ে পদার্পণ; ডুয়েটের সাথে সম্পর্কের ইতি নয়, সম্পর্ককে আরও প্রগাঢ় করার জন্য উচ্চতর ধাপে আরোহণ। তোমরা বিভাগের বর্তমানদের গাইড- পথপ্রদর্শক, পথ নির্মাতা। তোমরা চাকুরিক্ষেত্রে ডুয়েটকে প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং, আজকের প্রতিযোগিতাময় বিশ্বে সতর্কতার সাথে কর্মক্ষেত্র বাছাই করে নিজেদের উৎকর্ষ প্রমাণ করতে হবে।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "তোমাদের কর্মক্ষেত্র বিশাল। সোলার এনার্জি থেকে শুরু করে ফ্লুইড মেকানিক্স, এভিওনিক্স, সুপারসনিক ও স্টেলথ টেকনোলজি সর্বত্রই তোমাদের কাজের সুযোগ রয়েছে। সুতরাং, হতাশ না হয়ে তোমাদেরকে কমপক্ষে তিনটি প্ল্যান নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সর্বোত্তম প্ল্যানটির সাথে মিলিয়ে সম্মানজনক কর্মক্ষেত্রে নিজেকে যুক্ত করতে পারাই হবে তোমাদের সফলতার সিঁড়ি।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রুমা বলেন, "আজকের এই নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। যেসব নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করতে আজকের এই আয়োজন, তাদের সবাইকে আন্তরিক স্বাগত জানাচ্ছি। একাডেমিক লাইফ শেষ করা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভকামনা। নবীনদের উদ্দেশ্যে বলবো, নিয়মিত ক্লাস, ল্যাব ও গবেষণায় মনোযোগী হয়ে সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদেরকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মনোযোগ ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে জ্ঞানার্জন করে সংক্ষিপ্ত জীবনে তোমরা অনেকদূর এগিয়ে যাবে বলে আমার প্রত্যাশা। আর বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বলবো, ডুয়েটের শ্রেণিকক্ষ থেকে অর্জিত তোমাদের জ্ঞানকে কর্মক্ষেত্রে ও সমাজে কাজে লাগিয়ে দেশের গৌরব বৃদ্ধি করতে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। যেখানেই যাও না কেন, এই বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল রাখবে। তোমাদের সবার জীবন আলোকিত ও সাফল্যমণ্ডিত হোক।তোমাদের সকলের সফলতার জন্য রইলো অফুরন্ত শুভকামনা।"

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমান। অনুষ্ঠানে এমএমই বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকালে উদ্বোধনের পর দুপুরে নবীনদের বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার পর অতিথিদের বক্তব্য শেষে সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে জমকালো সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

ডুয়েটে ইইই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ইলেক...
13/09/2026

ডুয়েটে ইইই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের আয়োজনে "নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বেলুন উড্ডয়ন, কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, "নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায়ের উদ্দেশ্যে আজকের এই সম্মিলন আমাদের জন্য এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করেছে। একদিকে নবাগত শিক্ষার্থীরা ডুয়েট পরিবারের অংশ হচ্ছে, অপরদিকে দীর্ঘ চার বছরের একাডেমিক পড়াশোনা শেষে কর্মক্ষেত্রের সন্ধানে বিদায় নিচ্ছে আমাদের সুযোগ্য শিক্ষার্থীরা। আসা-যাওয়ার এই ধারাবাহিকতাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণশক্তি।"

উপাচার্য নবীনদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করে বলেন, "আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লাইফ হচ্ছে তোমাদের পরবর্তী জীবনে সফলতার মূল ভিত্তি। এ ভিত্তিকে সুদৃঢ় করতে তোমাদের করণীয় হলো সময়ানুবর্তিতার সাথে পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করা এবং উৎকর্ষে তাদেরকেও ছাড়িয়ে যাওয়া। এজন্য সবসময় পড়াশুনার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির লেটেস্ট জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটির মাধ্যমে কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপ করে নিজেদের সর্বদা আপডেট রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠানের আইন-কানুন ও বিধিবিধান মেনে চলে নিজেদেরকে দেশের জন্য যোগ্য সম্পদ ও সুনাগরিক গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তৈরি করতে হবে। আর সবকিছুর আগে তোমাদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে অধ্যবসায়ের সাথে পড়াশোনা করা।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, "তোমরা হচ্ছো জুনিয়রদের জন্য গাইডিং স্টার। কর্মক্ষেত্রে তোমাদের মেধা, দক্ষতা, প্রবলেম সলভিং স্কিল ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতি তাদের মধ্যে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগাবে। গ্র্যাজুয়েশন শেষ হলেও তোমাদের উচিত হবে অর্জিত জ্ঞানকে ব্যবহারিক জ্ঞানের সাথে মিলিয়ে নিয়মিত মোডিফাই করা। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, বিগ ডাটা, সাইবার ক্রাইম, সাইবার সিকিউরিটির মতো বিষয়ে দিনে দিনে নিজেদের দক্ষ করে তোলা। পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল, প্রেজেন্টেশন স্কিল, ওয়ে অব থিংকিং, ডিফারেন্ট সফট স্কিল বাড়ানো। তোমাদের জেনে রাখা উচিত, চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল কর্মী নয়, তাদের ব্রেইন আর স্কিল হায়ার করে। সুতরাং, যুগের চাহিদার পূরণের কথা মাথায় রেখে সেভাবেই তোমাদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।"

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "আজকের এ বিদায় মানে চির প্রস্থান নয়, জীবনের এক ধাপ থেকে আরেক ধাপে আরোহণ। তোমরাও এক সময় নবীন হিসেবে এ ক্যাম্পাসে এসেছিলে, সময়ের প্রয়োজনে আজ কর্মক্ষেত্রের টানে বেরিয়ে যাচ্ছো। তোমাদের যে যেখানেই যাও, প্রত্যেকে ডুয়েটের একেকজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রুমা বলেন, "ইইই বিভাগের আজকের এই আয়োজনে আমি নবীন শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে স্বাগতম জানাচ্ছি এবং বিদায়ী প্রকৌশলীদের জানাচ্ছি আমার অশেষ শুভকামনা। প্রিয় নবীনরা, আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে তোমরা নিজেদের দক্ষ ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব বৃদ্ধি করবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। বিদায়ী শিক্ষার্থীগণের প্রতি প্রত্যাশা, কর্মক্ষেত্রে তোমাদের মেধা ও সততার মাধ্যমে তোমরা দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখবে। তোমরা সবাই নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাও, তোমাদের সকলের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর ও সাফল্যমণ্ডিত হোক- এই কামনা করছি।"

ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমান। অনুষ্ঠানে ইইই বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকালে উদ্বোধনের পর দুপুরে নবীনদের বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার পর অতিথিদের বক্তব্য শেষে সন্ধ্যায় জমকালো "কালচারাল নাইট" ইভেন্টের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
/
বার্তা প্রেরক,
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে তিন উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নিয়ে ডুয়েটের অংশগ্রহণদেশের উদ্ভাবন, গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা কার্যক্র...
13/09/2026

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে তিন উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নিয়ে ডুয়েটের অংশগ্রহণ

দেশের উদ্ভাবন, গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত জাতীয় প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপন এবং সরকারি-বেসরকারি খাত, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর। ঢাকার নভোথিয়েটারে "ইনোভেট টু মার্কেট" প্রতিপাদ্যে ১২-১৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ফেয়ারটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট দুটি এবং এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট একটিসহ মোট তিনটি প্রজেক্ট উপস্থাপন করছে ডুয়েটের প্রতিনিধিদল। প্রজেক্টগুলো হলো- কাশফুল ও তুলার সমন্বয়ে টেকসই সুতা তৈরি, গার্মেন্টস শিল্পে লবণ-ক্ষার ব্যতীত কাপড় রংকরণ এবং জৈব বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের জন্য ব্রিকুয়েট মেশিনের উন্নয়ন।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহজালাল খন্দকারের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষক ইয়াসিন আরাফাতের গবেষণায় গ্রামবাংলায় সহজলভ্য কাশফুলের আঁশকে তুলার আংশিক বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে সুতা তৈরির সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছে। এ গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল- কাশফুলের আঁশ শিল্প পর্যায়ে সুতা তৈরিতে কতটা ব্যবহারযোগ্য, কোন অনুপাতে কাশফুল ও তুলা মেশালে ভালো মানের সুতা পাওয়া যায় এবং এর মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কতটা কমানো সম্ভব তা নির্ধারণ করা। গবেষণায় সুতার শক্তি, প্রসারণ, সমতা, হেইরিনেস এবং বিভিন্ন ত্রুটিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। শিল্প পর্যায়ের ওপেন-এন্ড রোটর স্পিনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অনুপাতে কাশফুল ও তুলার মিশ্রণে সুতা তৈরি করে পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, তুলার সাথে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কাশফুল মিশিয়ে তৈরি সুতা কাপড় তৈরির জন্য উপযোগী; তবে ৪০ শতাংশ কাশফুলের মিশ্রণেও বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানের সুতা পাওয়া গেছে। পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণে ২৭.৭ শতাংশ কাশফুল ও ৭২.৩ শতাংশ তুলার মিশ্রণকে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ অনুপাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা সুতার মান ও খরচ- উভয়দিক থেকেই উপযোগী। এই পদ্ধতিতে তৈরি সুতার উৎপাদন খরচ প্রায় ১১.৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব, অর্থাৎ, প্রতি কেজি সুতার খরচ প্রায় ২.৯৮ ডলার থেকে কমে ২.৬৩ ডলারে আসতে পারে। যেহেতু কাশফুল সেচ, সার বা কীটনাশক ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে জন্মে, তাই পানিনির্ভর তুলা চাষের ওপর চাপ কমিয়ে একটি পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী কাঁচামালের নতুন উৎস হিসেবে এ ধরনের সুতার ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নানের তত্ত্বাবধানে নুসরাত জাহান খানমের করা প্রজেক্টটি কাপড় ডাইং প্রক্রিয়া সংক্রান্ত। কাপড় রঙ করার প্রচলিত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত লবণ ও ক্ষারের বিকল্প হিসেবে গবেষকগণ একটি কেমিক্যালহীন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যেখানে শুধু গরম পানি দিয়েই তুলা রঙ করা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে কেমিক্যাল খরচ সম্পূর্ণ বেঁচে যাওয়ার পাশাপাশি ৬৬% পানির অপচয় রোধ হয় এবং ৭৩% পর্যন্ত দূষিত বর্জ্য পানি কমে। তাছাড়া একই রঙের পানি টানা ১০ বার পর্যন্ত পুনঃব্যবহার করা যায়, যা দেশের টেক্সটাইল শিল্পে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় বয়ে আনতে পারে।

ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে সহযোগী হিসেবে শেখ রেজওয়ানুল হকের করা প্রজেক্টটি খোলা জায়গায় ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনার পরিবেশগত সমস্যা সমাধান সংক্রান্ত। এ প্রজেক্টের গবেষকেগণ তৈরি করেছেন 'ব্রিকুয়েট মেশিন', যা পচনশীল ও দাহ্য আবর্জনাকে সহজ তিনটি ধাপে জ্বালানির উপযোগী কয়লায় রূপান্তরিত করে। মেশিনটির ব্যবহার একদিকে শহরের বায়ুদূষণ ও বর্জ্য কমাবে, অন্যদিকে স্বল্পমূল্যে এনার্জি সরবরাহ করে গ্রামীণ ও ক্ষুদ্র শিল্পে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ইনোভেশন ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল। তিনি ডুয়েটের স্টল পনরদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, "বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ ডুয়েটের তিনটি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করার সুযোগ পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল সুতা তৈরিতে কাশফুলের ব্যবহার উপযোগিতা, লবণ-ক্ষারমুক্ত কাপড় রঙকরণ এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের এই গবেষণাগুলো প্রমাণ করে যে, আমাদের গবেষকগণ দেশীয় সমস্যার সমাধানে পরিবেশবান্ধব ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম। 'ইনোভেট টু মার্কেট' প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডুয়েট সবসময় একাডেমিক গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের পথে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। আমি বিশ্বাস করি, এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই অর্জনের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করি।"

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন। মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। এতে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে।

# # #
বার্তা প্রেরক,
/
মো. রায়হান হোসেন
পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার
পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) এর দপ্তর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর।

Address

Dhaka University Of Engineering & Technology
Gazipur
1707

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00

Telephone

88-02-49274003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka University of Engineering & Technology, Gazipur - DUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Dhaka University of Engineering & Technology, Gazipur - DUET:

Shortcuts

Share