23/11/2024
প্রিয় বশেমুরকৃবি,
২২ নভেম্বর, ২০২৪ সাল।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আসবে বারবার, কিন্তু সবাই পাবেনা। এ বছর হয়তো কারো শেষ আবার হয়তো কারো শুরু। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াকালীন বুঝতাম না আমরা বশেমুরকৃবিকে কতটা ভালোবাসি। যেখানে আপনি সবচেয়ে বেশি প্যারা খাবেন সেই জায়গাটা আপনি সবচেয়ে বেশি মিস করবেন।
আমাদের ক্যাম্পাসটা এতোটা বড় না হলেও আমাদের বন্ডিংটা অনেক বড়। ভবিষ্যতেও থাকবে আশা করি। বিশ্ববিদ্যালয় এমন সাজানো গোছানো দেখে মন চায় সবার সাথে ছবি তুলি, একটু ঘুরে বেড়াই। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য উপভোগ করি। সেই দিনটা এখন আর আমাদের নেই।
ভালো থাকুক বশেমুরকৃবি।
ভালো থাকুক সবাই।
ইতি,
বশেমুরকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী।
22/11/2024
২৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস!🎓
21/11/2024
মেঘে ঢাকা আকাশে বশেমুরকৃবি...🌥️
20/11/2024
ভার্সিটি ডে উপলক্ষে রঙিন ক্যাম্পাস...♥️
20/11/2024
আমি চাই সব কলেজই বিশ্ববিদ্যালয় হোক। শুধু কারিকুলাম হবে আমাদের BSMRAU এর মতো।
৩ মাসের টার্ম। ৫টা সাবজেক্ট প্রতি টার্মে। ৩ মাসে প্রতি সাবজেক্টে ৩টা কুইজ, ২টা মিড, ১টা ফাইনাল, ১টা প্রাক্টিক্যাল এক্সাম। মানে ৯০ দিনে মিনিমাম ৩৫টা পরীক্ষা। সাথে এসাইনমেন্ট, টার্ম পেপার, প্রেজেন্টেশন। এরপর কোর্স ইন্সট্রাকটর ভালোবেসে যদি এক্সট্রা কিছু নিতে চায় তো...
18/08/2021
না, আমি আমার সেশনজট বা চাকরির বয়স পার হয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত না। ইউনিভার্সিটি খোলা থাকলে অ্যাকাডেমিক পড়াশোনায় হাতি-ঘোড়া মাইরা দিতাম, এই দাবিও আমি করি না।
আমার আফসোস, যে বয়সে আমার মাসে একবার ট্যুর দেওয়ার কথা, রিসার্চ এর জন্য প্রফেসরের পিছে পিছে ঘুর ঘুর করার কথা, রাতজেগে টং দোকানে বসে চা খাওয়ার কথা, ক্যাম্পাসের আম-কাঁঠাল চুরি করার কথা, উইকেন্ড এ দল বেঁধে খাইতে যাওয়ার কথা, রাত জেগে কার্ড খেলার কথা, সেই বয়সে আমার পৃথিবী আটকে গেছে জুম আর গুগলের পর্দায়। এই দুঃখ আমি কোথায় রাখি?
হল লাইফ, ক্যাম্পাস লাইফ মানে তো পড়াশোনা না। হল লাইফ মানেই হৈচৈ, আনন্দ আর উৎসবের স্মৃতি, ডিপ্রেশনের মন খারাপ করা মুহূর্ত, তুমুল ব্যস্ততায় কেটে যাওয়া একেকটা দিন মিলিয়ে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব গল্প, সুন্দর কিছু স্মৃতি। দূরপ্রবাসে নিঃসঙ্গ একটা জীবনে এই স্মৃতিগুলোই হতো আমার সঙ্গী।
অথচ কিছুই হইলো না। জুম, গুগল মিট আর গুগল ডকের ক্লাসরুমে পড়া হয়তো হয়, গল্প তো আর তৈরি হয় না!
অনলাইনে সেমিস্টারের পর সেমিস্টার ঝড়ের গতিতে শেষ হচ্ছে। সেশনজটে পড়তে হয়তো হবে না আমার। আমেরিকার আপকামিং সেশনটাও হয়তো আমি ঠিকঠাকমতোই ধরে ফেলতে পারবো। বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে যারা বিসিএস দেবে, তারাও হয়তো ঠিক সময়েই বিসিএস দিতে বসে যাবে।
সবকিছু ঠিক থাকলো। ক্যারিয়ার ঠিক থাকলো। হায়ার স্টাডিজ ঠিক থাকলো। জিআরই, টোফেল, বিসিএস... সবকিছুই ঠিক থাকলো।
শুধু আমাদের জীবনের সেরা ৪ টা বছরের যে সুন্দর স্মৃতিগুলো তৈরি হওয়ার কথা ছিলো, ঐ স্মৃতিগুলো আর কখনও তৈরি হইলো না। সিগারেটের ধোঁয়া উঠা আসরগুলো আর জমলো না, হেড লজে গানের আসরেও আর বসা হইলো না। মিডের পর মিড গেলো, বাট পরীক্ষার পর চিল করতে আমাদের আর সালনা যাওয়া হইলো না... এই দুঃখ আমরা কেমনে ভুলবো?
সময়ের ক্ষতিপূরণ আমরা অনলাইনে পেয়েছি। কিন্তু চার বছরের রঙিন ক্যাম্পাস লাইফের ক্ষতিপূরণ আমাদের কে দেবে? আমাদের জীবন ঠিক থাকলো, কিন্তু সেই জীবনে যথেষ্ট গল্প তৈরি হইলো না, এই আফসোস আমরা কেমনে ভুলি?
গ্র্যাজুয়েশন এর সার্টিফিকেট আমরা যথাসময়ে ঠিকই পাবো, কিন্তু গল্পগুলা? গল্পগুলা তো আর পাইলাম না...
লেখাঃ সাদিকুর রহমান খান
17/03/2021
Faculty of Agriculture, BSMRAU♥