জেলার অবস্থানঃ ২৩-৫৩ হতে ২৪-২৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০-৯ থেকে ৯০-৪২ পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত।
আয়তনঃ ১৭৪১.৫৩ বর্গ কিলোমিটার । জেলা শহর ৯টি ওয়ার্ড এবং ৩১টি মহলনারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা , পশ্চিমে ঢাকা ও টাংগাইল জেলা ।
ভূপ্রকৃতিঃ টারশিয়ার
ী যুগে গাজীপুর উত্তর-পূর্ব ভারতের অংশ বিশেষের যে পরিবর্তন সূচিত হয়তার ফলে চ্যুতির আকারে অবনমিত হয়ে রাজমহল গারো ছেদের সৃষ্টি হয় ।এর ফলশ্রষ্ঠতিতে নদ-নদীর গতি পরিবর্তিত হয় ।(গাজীপুর জেলা) বাদিকে কালিয়াকৈর এ অবসিহত টিলার উচ্চতা ৩০ মিটারের মত । পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ঢাল বিশিষ্ট এবং পশ্চিমেব্রহ্মপুত্র পঅবনমিত সোপান দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত যা খাড়া কিনার সম্পন্ন । জেলার উত্তরের বনভূমির মধ্যবর্তী এলাকায় উত্তর-দক্ষিণ বরাবর শিরার ন্যায় একটি উচ্চভূমি বিদ্যমান, যা তুরাগ ও বানার নদীর জল বিভাজিকা হিসেবে কাজ করে । সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে বনভূমি এলাকায় গড় উচ্চতা ১৮ মিটার । বনভূমির কিছু কিছু এলাকার উচ্চতা আবার ৫০ মিটারেরও অধিক । সহানীয়ভাবে অধিক উঁচু ভূমিকে বলে ‘ পাহাইড়া ’ এলাকা ।
প্রধান নদ-নদীঃ পুরাতনব্রহ্মপুত্র ,শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বংশী, বালু, বানার, গারগারা ও চিলাই।
প্রধান প্রধান বিলঃ বেলাই বিল, মকেশ্বর বিল, লবলং বিল, ডাকুরাই বিল ।
জলবায়ুঃ গাজীপুর জেলারজলবায়ুসমভাবাপন্ন ওনাতিশীতোষ্ণ।বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রী সেঃ এবং সর্বনিম্ন ১২.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস ।
বার্ষিক বৃষ্টিপাতঃ ২৩৭৬ মিলিমিটার ।
জলবায়ুর ধরণঃ
আবহাওয়ার কাল মাস ( বাংলা ও ইংরেজী ) বৈশিষ্ট্য
শীতকাল অগ্রহায়ণ-ফাল্গুন ( ডিসেঃ-ফেবষ্ঠ্রু) উষ্ণতা সর্বনিম্ন ও শুষ্ক
প্রাক-মৌসুমী কাল ফাল্গুন-জ্যেষ্ঠ ( মার্চ-মে ) উষ্ণতা ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি
মৌসুমী কাল জ্যেষ্ঠ-আশ্বিন ( জুন-সেপ্টেঃ) উষ্ণতা, আদ্র,সর্বাধিক, বৃষ্টিপাত
মৌসুমোত্তর কাল আশ্বিন-অগ্রহায়ণ ( অক্টো- নভেঃ) উষ্ণতা,আর্দ্রতা হ্রাস
উপজেলার তথ্য
গাজীপুর জেলার আয়তন প্রায় ১৭৪১.৫৩বর্গকিলোমিটার। এর চারপাশের জেলাগুলোর মধ্যে আছে উত্তরে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ এবং দক্ষিনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, পূর্বে নরসিংদি এবং পশ্চিমে ঢাকা ও টাঙ্গাইল । ইতিহাস অনুযায়ী গাজীপুর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। গাজীপুরের আছে ৫টি উপজেলা, ৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৭১০টি মৌজা, 8টি পৌরসভা, ১১৬৩টি গ্রাম।
গাজীপুর এর উপজেলা গুলো হলোঃ গাজীপুর সদর উপজেলা, কালিয়াকৈর উপজেলা, কালিগঞ্জ উপজেলা, কাপাসিয়া উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা । গাজীপুর সদর উপজেলা জয়দেবপুর নামেও পরিচিত ।
গাজীপুর জেলা ঢাকা বিভাগ এর অন্তর্গত। ঢাকা বিভাগ এর অন্যতম জেলা গুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, নেত্রকোনা, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, শেরপুর এবং টাঙ্গাইল।
গাজীপুর এর উপজেলা গুলো হলো:
১। গাজীপুর সদর উপজেলা,
২। কালিয়াকৈর উপজেলা,
৩। কালিগঞ্জ উপজেলা,
৪। কাপাসিয়া উপজেলা,
৫। শ্রীপুর উপজেলা ।
সংসদ সদস্যগণ
গাজীপুর - ১ (কালিয়াকৈর)
আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
সাংসদঃ আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এল এল বি
ঠিকানাঃ হোল্ডিং ডি-১৫১/২. মধ্যপাড়া উপজেলা- গাজীপুর সদর, গাজীপুর ।
"গভীর গহণ অরণ্য মাঝারে বৃদ্ধ বিটপী মূলে, প্রাচীন ভাওয়াল ইতিহাস হয়ে সহসাই কথা বলে মূর্তিমান এই মহাবর্তমানে আরেক প্রভাব বেলা, শুভ জনমের প্রতিষ্ঠায় খুশি নব গাজীপুর জেলা।" গাজীপুর জেলা শতবর্ষের নানা ঐতিহ্যে লালিত এক সুপ্রাচীন ঐতিহাসিক জনপদ যার রয়েছে এক সমৃদ্ধ অতীত। সম্রাট অশোকের আমলের সাকেশ্বর স্তম্ভ, বৌদ্ধ আমলের ভবাক ও ভাকুরাইনামেজন পদীয় শাসন, মৌর্জ শাসনামলে নির্মিত দরদরিয়া দূর্গ, ঢোল সমুদ্রের বৌদ্ধ বিহার জেলার প্রায় আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান ও ব্যকরণ ‘‘বাংলা পর্তুগীজ শব্দকোষ’’ ১৭৩৩ সনে ভাওয়াল নগরীতে বসে রচনা করেন পাদ্রী মনোএলদা আসসুম্পাসউঁ। তাছাড়া বাংলা গদ্যের ও সুতিকাগার এই গাজীপুর জেলা। বাংলা সাহিত্য ও ভাষা প্রথম গদ্য মুদ্রিত বই ‘‘ব্রাহ্মন রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’’ ১৭৩৩ সালে পাদ্রী দোম অমেত্মানিয় দো রোজারিও রচনা করেন এজেলাতেই। এছাড়া কাপাসিয়াতিত বাটি গ্রামে তৈরি হতো বাংলার শ্রেষ্ট মসলিন, বরমী বাজারের নিকটে ছিল দেশের সর্ববৃহৎ গ্রামীণ পণ্যবাজার। কালের যাত্রায় ঐতিহ্যবাহী গাজীপুর জেলা সমৃদ্ধ হয়েছে পর্যটন শিল্পে। রাজধানী ঢাকা নিকটবর্তী হওয়ায় বাংলাদেশ অন্যতম প্রধান বৃহৎ উদ্যান ভাওয়াল জাতীয় ছাড়াও নিবিড় শাল অরণ্যে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মনোরম পিকনিক স্পট।
জাগ্রত চৌরঙ্গী
জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর-এ অবস্থিত। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য হলো ‘‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’’ মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালে ১৯ শে মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেতনার আলোকে ও শহীদ হুরমত আলীসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরনে নির্মিত হয় ‘‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’’। ভাস্কর্যটির উচ্চতা মাটি থেকে ১০০ (একশত) ফুট। দুপাশে ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১১ নং সেক্টরের ১০৭ জন এবং ৩নং সেক্টরের ১০০ জন শহীদ সৈনিকের নাম খোদাই করা রয়েছে। জিরো পয়েন্ট হতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে গাজীপুর গামী বাসে আসা যায়। ১৯ শে মার্চ
স্মারক ভাস্কর্য
ভাওয়াল রাজবাড়ীর সম্মুখে সবুজ চত্বরে অবস্থিত। ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ শে মার্চের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামে ভাওয়াল বাসীর ভূমিকা এ স্মারক ভাস্কর্যে ফুটে উঠেছে। ভাস্কর্যটি অবিকল জাগ্রত চৌরঙ্গীর মত। জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর গামী বাসে শিববাড়ীতে নেমে রিক্সাযোগে রাজবাড়ী আসা যায়।
আনসার ভিডিপি একাডেমী স্মারক ভাস্কর্য
কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর মৌজায় অবস্থিত। মুক্তিযুদ্ধে আনসার-ভিডিপি বাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা ছিল। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মুজিব নগরে মুক্তিযদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণে অনুষ্ঠানে আনসার বাহিনীর ১২জন সদস্য অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরম্নল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ উদ্দিনকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। আনসার-ভিডিপি একাডেমীতে ১৯৮৫ সালের ১লা অক্টোবর এ ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর চৌরাস্তায় এবং চৌরাস্তা- টাঙ্গাইল গামী বাসে করে যাওয়া যায়।
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কর্ণার
গাজীপুর সদর উপজেলার বোর্ড বাজারে অবস্থিত। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণাগার ১৯৯৯ সনে। মহৎ এই উদ্যোগটির নামকরণ করা হয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কর্ণার’। এই সংগ্রহশালায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের পরিচালক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনসহ বহু দুর্লভ আলোকচিত্র (৬০টি) পোর্ট্রেট(৪০টি)। জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর গামী বাসে আসা যায়।
বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনের বাড়ী
দরদরিয়া কাপাসিয়ায় অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনের স্মৃতি বিজড়িত পিতৃভূমি।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলায় অবস্থিত। দেশের অন্যতম বৃহৎ উদ্যান। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশের আদলে অভয়ারণ্যের ছাঁচে, আরন্যিক পরিবেশ রক্ষণ এবং মানুষ ও পরিবেশের নিবিড় সম্পর্কের কথা বিবেচনা করেই ভাওয়াল শাল অরণ্যে এই উদ্যান গড়ে তোলে। এখানে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট রয়েছে। এখানে ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেষ্টহাউজ রয়েছে। রাত্রি যাপনের জন্য অনুমতি প্রদান হয় না। জিরো পয়েন্ট হতে শ্রীপুর গামী বাসে যাতায়াত করা যায়।
শিক্ষা পরিস্থিতি
গাজীপুর জেলার শিক্ষার হার এবং গুনগতমান অত্যন্ত ভাল। শিক্ষার হার ৫৬.৪০%। এ জেলায় ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়, ২টি সরকারী কলেজসহ ৪৫টি কলেজ, ১৮টি কারিগরী কলেজ, ৫টি সরকারী মাধ্যমিক স্কুল, ২৭৬টি বেসরকারী মাধ্যমিক স্কুল, ১৮১টি মাদ্রাসা এবং ৫৪২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪০টি বেসরকারী ও ৫২টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরীক্ষণ বিদ্যালয় সংলঘ্ন একটি বিদ্যালয় ও একটি শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কিন্ডারগার্টেন ও ক্যাডেট স্কুল রয়েছে। জেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় এ জেলাকে শিক্ষা নগরীও বলা হয় । গাজীপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান বেশ সন্তোষজনক। চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তির হার ৯৮%। সরকারের ২০১০ সনের মধ্যে শতভাগ শিশু ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষকগণ নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এ জেলা ২০০৮ সনের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। এ বছর প্রথম সম্পুর্ণ নুতন আঙ্গিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১৭৩০৭ জন বালক ও ১৯৬২৯ জন বালিকা সর্বমোট ৩৬৯৩৬ জন অংশগ্রহণ করছে। জেলার ছাত্র/ছাত্রীরা পরীক্ষায় কাংখিত ফললাভ করবে বলে আশা করা যায়।
শিক্ষাও প্রশিক্ষণপ্রতিষ্ঠানঃ
১) প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫২৭টি
২ ) মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৫৫টি
৩ ) মহাবিদ্যালয় ৩০টি
৪ ) মাদ্রাসা ১৭৯টি
৫ ) হোমিও মেডিক্যাল কলেজ ১টি
৬ ) বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ ২ টি
৭ ) বিশ্ববিদ্যালয় ৫টি
৮ ) প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ১ টি
ভাষা ও সংস্কৃতি
প্রাচীন কালেচীনা পরিব্রাজক যখন বাংলাদেশ ভ্রমন করেন তখন সারা বাংলায় আর্য ভাষার প্রচলন হয়।ভাওয়ালেও (গাজীপুর জেলা) তখন আর্য ভাষা সুপ্রতিষ্ঠিতহয় । বাংলাএকাডেমী থেকেপ্রকাশিত ‘বাংলা ভাষা’নামক গবেষণা গ্রন্থেবিশিষ্ট লেখকডঃ হুমায়ুন আজাদ বর্ণনা করেছেন আঠারো শতকের ত্রিশের দশকেঢাকার ভাওয়ালে বসেপর্তুগীজ পাদ্রি ম্যানুয়েলদাআসসম্পসাও রচনা করেছিলেনবাংলার দ্বিভাষিক অভিধান ও খন্ডিত ব্যকরণকাজটি নাগরীর গীর্জাতে বসেসম্পন্ন করেছেন। ভাওয়ালের কথ্য ভাষায় যা বাংলাএকাডেমী ডঃ সুনীতি কুমারচট্টোপাধ্যায়সহ সকল গবেষকরা স্বীকৃতি দিয়েছেন ।
জেলার আঞ্চলিক ভাষার নমুনাঃ অহনোএখনো কান্দস কাঁধ অইলেহলে কতা কথা বাংলা গদ্যের জন্মস্থান ভাওয়াল । বাংলা ভাষার ইতিহাসে আদি ও প্রথম গদ্যে রচিত পুস্তকটি‘ব্রাষ্ফন রোমান ক্যাথলিক’ সংবাদ নামে বিশেষ পরিচিত ।
ভাওয়ালসংগীতঃ ভাওয়াল জমিদারের পৃষ্ঠপোষকতায় ভাওয়াল সংগীত প্রতিষ্ঠা লাভ করে । বিশেষতঃ সম্রাট আকবরের সভাসদ তানসেনের পুত্র বংশীয় রবাবীয়া, ধ্রুপদীয়াওওস্তাদ কাশেম আলী খাঁ ভাওয়াল রাজবাড়ীতে সংগীতের চর্চা করেভাওয়ল সংগীতকে প্রসিদ্ধ হতেসহায়তা করেন।
দোম অন্থনির পালাগানঃ অতীতে গাজীপুর অঞ্চলেএ পালা গান প্রচলিত ছিল । ধর্ম প্রচারের জন্য গণমানুষদের কথামালা নিয়ে এ পালাগান রচিত হত । ভাওয়ালের মানুষ ছিল পালাগান, জারী,সারি,ভাটিয়ালী গান প্রিয় । দোম অন্থনি দো রোজারিও এ পালগান রচনা করেন যা ধীরে ধীরে ভাওয়াল ছাড়াও দেশে নানা স্থানে ছাড়িয়ে পড়ে ।
গাজীর গীত : পূর্বে সমগ্র গাজীপুর অঞ্চলেগাজীর গীতের প্রচলছিল । বাংলার সুলতানসিকান্দর শাহেরপ্রথমপুত্রগাজীর জীবন কাহিনী নিয়ে এই গীত রচিত হয়।
প্রাচীন পুঁথি সাহিত্যঃ পুঁথি সাহিত্য এ অঞ্চলেপূর্বে খুবই জনপ্রিয় ছিল ।সোনাবানের পুঁথি, মোছন্দালীর পালা, গাজীর পালা, গফুর বাদশা, বানেছা পরীর পালা, ভাওয়াল সন্যাসীর পালা প্রভৃতি এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য।
লোকজ সংস্কৃতিঃ গাজীপুর অঞ্চলেঅলংকার শিল্প , আসন শিল্প , কাথা শিল্প, পাখা শিল্প, কাঠ শিল্প ,মাদুর শিল্প, ধুপ শিল্প, খেজুর পাতার পাটি শিল্প ইত্যাদি কুটির শিল্প প্রচলন রয়েছে ।
উৎসবঃ বিভিন্ন পার্বনে বিভিন্ন ধরণের উৎসব উদযাপিত হয়এবং মেলার আয়োজন করেন । বৈশাখ মাসে বৈশাখী মেলা, হেমন্তেনবান্নউৎসব,চৈত্রসংক্রান্তিতে মেলারআয়োজন করা হয় ।
ঘরবাড়ীঃ গাজীপুর জেলারগ্রামাঞ্চলেরমাটির দেয়ালের ঘর দেখতে পাওয়া যায় ।তবে শহর অঞ্চলেদালান-কোঠারয়েছে ।
গাজীপুরজেলায় কোচ সম্প্রদায়ের আদিবাসীরবসবাস রয়েছে । এদের নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে ।
বরণীয় যারা
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক বক্তিত্ব
বঙ্গতাজতাজউদ্দিন আহমেদ
তাজ উদ্দিন আহমেদ ১৯২৫ খ্রিঃ ২৩ জুলাই গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দরদরিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মৌলভী মোহাম্মদইয়াছিন খান মাতা -মেহেরুন নেছা খানম ।তিনি ভারতীয় উপমাদেশেরশ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ , অত্যান্ত ধীশক্তি ও মেধা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব ।তিনিভাষা আন্দোলনের অন্যতম রুপকার এবং মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিচালক ( বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে)ছিলেন।১৯৭১ খ্রিঃ মুক্তিযোদ্ধকালীন সময়ে স্বাধীনবাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।০৩ নভেমবর ১৯৭৫ খ্রিঃ ঢাকা কেন্দ্রী কারাগারেআটক অবস্থায় নিষ্ঠুরভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়।
মোঃ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার
তিনি১৯৫০খ্রিঃ গাজীপুর সদর উপজেলারপূবাইল ইউনিয়নের হায়দরাবাদ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করনে। তিনি ১৯৬৯খ্রিঃ গণঅভ্যূান্থানে অংশ গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।তিনিঅত্যান্ত ধীশক্তি এবং মেধা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব ।তিনি ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।তিনি সংসদ সদস্য থাকা আবস্থায় আততায়ীদের হাতে নির্মম ভাবে নিহত হন।
ময়েজউদ্দিন এডভোকেট
১৯৩৩ সালে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাধীন বড়হরা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি গাজীপুরের অন্যতম অকুতোভয় রাজনৈতিকনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রী সংগঠক ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের সময়প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রের সময় তাঁর মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা কাটিয়ে তুলতে সক্ষম হন।
আফাজাল হোসেন বীর উত্তম
০১ জুলাই ১৯৩৯ খ্রিঃ গাজীপুর সদর উপজেলার ভাড়ারুল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।পিতা-মোঃ জমির উদ্দিন ।তিনি গাজীপুর জেলার একমাত্র বীরউত্তম বীর মুক্তিযোদ্ধা ।
মোঃ হাবিব উল্লাহ
গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর উপজেলার কাউলতিয়া গ্রামে ১৯৩৮ খ্রিঃ(বাংলা ১৩৪৬) জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ গণআন্দোলন, ১৯৭০ এর নির্বাচন ও ১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধে বলিষ্ঠ নেতৃত্বদান করেন। তিনি গাজীপুরের প্রধান সফল রাজনৈতিক ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব এবং আধুনিক গাজীপুরের অনন্যনেতৃত্বদানকারী । গাজীপুর মহকুমা ও জেলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর গূরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ।
ফকির শাহাবুদ্দিন
কাপাসিয়া উপজেলার ঘাঘটিয়া গ্রামে ১৯২৪ সালে ফকির শাহাবুদ্দিন জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৫২ সনে ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভাবেঅংশ গ্রহণ করেন।১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনেকাপাসিয়া থেকেপ্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন । মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়তিনিএকজন কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সংগঠক, কুটনীতিক, সরকারী প্রতিনিধি রূপে নানা কাজে অংশ গ্রহণ করেন।তিনি১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম এটর্ণী জেনারেল ছিলেন ।
কবি ও সাহিত্যিক
মেঘনাদ সাহা
০৬ অক্টোবর১৮৯৩ খ্রিঃকালিয়াকৈর উপজেলার শেওড়াপাড়াগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জগন্নাথ সাহা ও মাতা ভুবনেশ্বরীর।‘তাপ আয়ন তত্ত্ব’ তাঁর বিখ্যাত অবিষ্কার ।তিনি ১৯৪৮ সালে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিজ্ঞানে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপযুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে চাঁদের বুকে একটি গহবরের নাম রাখা হয় মেঘনাদ সাহা গহবর ।
আবু জাফর শামসুদ্দীন
১৩১৭ সনের ২৮ ফাল্গুন (১৯১১ সালের ১২ মার্চ ) কালীগঞ্জের দক্ষিণবাগ গ্রামেআবু জাফর শামসুদ্দীন জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ আববাছ আলী ভূঁইয়া ও মাতার নাম অফিফা খাতুন ।তিনি একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ,সাহিত্যিক ও কলামিষ্ট ।তাঁর উপন্যাসমূহ হচ্ছে পরিত্যাক্ত স্বামী, মুক্ত, ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান , পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন, প্রপঞ্চ, দেয়াল ইত্যদি।
গোবিন্দ চন্দ্র দাস
১৬ জানুয়ারী ১৮৮৫ খ্রিঃ(৪ঠা মাঘ ১২৬১বাংলা) গাজীপুর সদরের জয়দেবপুর গ্রামে গোবিন্দ চন্দ্র দাস জন্মগ্রহণ করেন। বাবা রমনাথ দাস,মা আন্দময়ী দেবী । তিনি স্বভাব কবি হিসেবে পরিচিত ।প্রসূন,প্রেম ও ফুল, কুসুম, ফুলরেণু ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ । বিখ্যাত এই কবি ১৯১৮ খ্রিঃ ২০ সেপ্টেমবর মৃত্যু বরণ করেন।
কালীচরণ
বাংলা ১২৮৪ সালে কালিয়াকৈর উপজেলারবাড়ইপাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি ছিলেন এক জন বিখ্যাত কবিয়াল।তিনি স্বদেশী গান, দেশাত্মবোধক গান ও দেহ তত্ত্বের উপর নানা গান ও কবিতা নিয়ে দেশের প্রত্যন্তাঞ্চলে ঘুরে ঘুরেউদ্ধুদ্ধ করতেন । সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে চারণ কবি উপাধি দেয়া হয়।
মোঃ নূরুল ইসলাম (ভাওয়াল রত্ম)
১৯৩৬ খ্রিঃ গাজীপুর সদর উপজেলার মৈরান গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতাঃমৃত জোবেদ আলী মাস্টার । তিনি ১৯৭১ সালে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির সদস্য হিসেবেমুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালেদুবার দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পরুস্কার, স্বর্ণপদকসহ ভাওয়াল রত্ম খেতাবে ভূষিত হন।
অন্যান্য
ভবানী ভট্টাচার্য
স্বাধীনতা সংগ্রামে চরমপন্থী আন্দোলনের অকুতোভয় তরুণ সৈনিক ভবানী ভট্টাচার্য গাজীপুর জেলায় জয়দেবপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম- বসন্ত কুমার ভট্টাচার্য । তিনি ছিলেন রানী বিলাস মণি দেবীর ভ্রাতুষ্পুত্র । ছাত্রাবস্থায় তিনি গোপনেযুগান্তর পার্টিতে যোগ দেন । ১৯৩৪ সালে ৮ মেতিনিদাজিলিং এ ঘোড়দৌড় মাঠে বাংলার বড় লাট এন্ডারসনকে অব্যর্থ গুলি করেন।
এঞ্জেলা গোমেজ
১৯৫২ সালের ১৬ জুলাইগাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কঠোর অধ্যবসায়আর স্বীয় প্রভিতা,সেবা ও নিরলসশ্রমের মাধ্যমেঅবহেলিত মানুষের উন্নিতর জন্য সামাজিক আন্দোলনেস্বার্থকহওয়ায় এশিয়ারনোবেলখ্যাতআর্ন্তিজাতিকফিলিপাইন্থম্যাগসেসপুরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন । ২০০০ সালে তিনি জাতীয় পুরুস্কারে ভূষিত হন ।
আহাম্মদ আলী মন্ডল
ভাষা সৈনিকআহাম্মদ আলী ১৯২৯ সালে শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা- মৃতঃ হাছেন আলী মন্ডল । ১৯৫২ সালের সদস্য নির্বাচিত হন।
স্যার কে জি গুপ্ত
ব্যরিষ্টার কে জি গুপ্তেরপিতাবিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ কালি নারায়ন গুপ্ত । তাঁর শৈশব কাটে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ গ্রামে । তিনি ভারতবর্ষের প্রথম আইসিএস এবং সর্বভারতীয় একমাত্র ব্যক্তি যিনি ইংল্যান্ডের ‘হাউজ অব কমন্স ’ এর সস্মানিত সদস্য ছিলেন । বৃটিশ সরকার তাঁকেদুর্লভ সন্মানসূচক উপাধীকে জি এস আইতে ভূষিত করেন। ক্ষণ জন্মাএই বাংগালীকে বৃটিশ প্রশাসন‘স্যার’ উপাধিতে ভূষিত করে ।১৮৫৭ সালে তিনি এ দেশে সিপাহী বিদ্রোহেরবিরুদ্ধে বৃটিশদের অমানবিক দমননীতিকে মেনে নিতে না পেরে আইসিএস এর চাকুরী ত্যাগকরেন।এবং বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণরত বিল্পবীদের আইনগত সহায়তা করার জন্য ব্যারিস্টারী পাশ করেন।
বি.এ. সিদ্দিকী
বাংলাদেশের অমর কৃতি সন্তান, ধীশক্তি সম্পন্ন বিচারপতিবি. এ, সিদ্দিকীগাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বিখ্যাত বলিয়াদীজমিদার পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।১৯৭১ সনেপূর্ব পাকিস্তানের হাইকোর্টেরপ্রধান বিচার পতির আসন অলংকৃত করেন । বিচারপতিবি. এ, সিদ্দিকী জেনারেল টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর হিসেবে শপথ গ্রহণ করাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন ।
খনিজ সম্পদ
খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নয় গাজীপুর জেলা । আবুল ফজল তাঁর বিখাত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে এই অঞ্চল লৌহ খনিজের জন্য বিখ্যাত ছিল বলে উল্লেখ করেছেন । উত্তর ভাগের কাপাসিয়ার কাঁকর অঞ্চলের লাল মাটিতে পিন্ড ও দানাদার আকারের খনিজ লৌহ পাওয়া যায় । খনিজগুলোর অবস্থান সম্পর্কে ১৮০০ সালে কালেক্টর মিঃ ম্যশাই বলেন, উক্ত খনিজগুলো সম্ভবত জংগলাবৃত অঞ্চলে অবস্থিত ছিল । কাপাসিয়ায় এখনো পরীক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছে । কাপাসিয়ায় একটি গ্রামের মটিতে লোহার উপস্থিতি বেশী থাকায় নাম হয়েছে লোহালিয়া । অন্যত্র রয়েছে লোহাকৈর । গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সীমানায় নাগরী ইউনিয়নে এবং পূবাইলের দক্ষিণে কামতা নামক স্থানে একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে । গ্যাস ক্ষেত্রটি ‘কামতা গ্যাসক্ষেত্র’ নামে পরিচিত । এটিই জেলার একমাত্র প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র ও প্রধান খনিজ সম্পদ ।
হোটেল ও আবাসন
ক্রমিক নং প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা
১ সার্কিট হাউজ জয়দেবপুর
২ ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর
৩ বীজ প্রত্যয়ণ এজেন্সী চান্দনা, জয়দেবপুর
৪ টিএন্ডটি স্টাফ কলেজ জয়দেবপুর
৫ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ রেষ্টহাউজ চান্দনা, জয়দেবপুর
৬ সড়ক ও জনপথ রেষ্টহাউজ গাজীপুর সদর
৭ নিরিবিলি গেষ্ট হাউজ কলেজ রোড, কালিয়াকৈর
৮ মর্ডার্ণ আবাসিক হোটেল মসজিদ রোড, জয়দেবপুর
৯ এলিজা আবাসিক হোটেল গাজীপুর মধ্য বাজার, জয়দেবপুর
১০ হোটেল জলি টঙ্গী, গাজীপুর।
১১ হোটেল চ্যানেল ইন্টাঃ সুলতান মার্কেট
১২ হোটেল অনামেকা ইসলামিয়া মার্কেট, টঙ্গী, গাজীপুর
১৩ হোটেল কাজী ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) কাপাসিয়া বাজার, গাজীপুর।
সার্কিট হাউজ
সরকারী আবাসন।
চা-বাগান জয়দেবপুর।
এক তলায় ০১টি ভিভিআইপি ও ০২টি সাধারন রুম রয়েছে। দ্বিতল ভবন সম্প্রসারণ কার্যক্রম চলমান।
যোগাযোগঃ নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, গাজীপুর।
ফোন নম্বর-০২-৯২৬১৬১০
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
সরকারী।
গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর।
১৩টি কটেজ ও ৬টি রেষ্টহাউজ রয়েছে। তারমধ্যে ০৪টি রেষ্টহাউজ শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত।
যোগাযোগঃ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বণ্য প্রাণী ও সংরক্ষণ বিভাগ, বন বিভাগ, ঢাকা।
নির্বাচনী এলাকা ৫টি
ক. গাজীপুর - ১ কালিয়াকৈর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার কাশিমপুর, কোণাবাড়ী ও বাসন ইউনিয়ন
খ. গাজীপুর - ২ গাজীপুর পৌরসভা , গাজীপুর সদর উপজেলার গাছা ইউনিয়ন ও টংগী পৌরসভা
গ. গাজীপুর - ৩ শ্রীপুর উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর, ও কাউলতিয়া ইউনিয়ন
ঘ. গাজীপুর - ৪ কাপাসিয়া উপজেলা
ঙ. গাজীপুর -৫ কালীগঞ্জ উপজেলা ও গাজীপুর সদর উপজেলার পূবাইল, ও বাড়ীয়া ইউনিয়ন
মোট ভোটার সংখ্যা ১৮,৯৯,০৩৮ জন, পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯,৫৩,১৩১ জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৯,৪৫,৯০৭ জন
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
গাজীপুর মুসল্মান সংখাগরীষ্ঠ জেলা। তবে এখাঙ্কার মানুষ অসাম্প্রদায়িক। কোন সাম্প্রদায়িক স্প্রিতিকর ঘটনা এখানে ঘটেনা।
গাজীপুরে মসজিদ আছে ৩৫০০ টি (প্রায়), মন্দীর ৩২৫টি (প্রায়) এবং গীর্জা আছে ৩ টি।
স্বাস্থ্য সেবা
ক্রঃ নং হাসপাতাল সংখ্যা
১ ) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ২টি
২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫ টি
৩) ক্লিনিক ১৮৫ টি
অন্যান্য তথ্য
১ ) পাকা রাস্তা ৮০৯.৭১ কিঃ মিঃ
২ ) কাঁচা রাস্তা ৩০৫৭.৫ কিঃ মিঃ
৩ ) রেল পথ রেল লাইন-৫৭কিঃ মিঃ
৪ ) গ্যাসফিল্ড ১ টি
৫ ) ব্যাংক ২০ টি
৬ ) মসজিদ ৩৫০০টি
৭ ) মন্দির ৩৫০ টি
৯ ) ডাকঘর ১২০টি শাখা
১০ ) সিনেমা হল ৭ টি
১১ ) ফিলিং স্টেশন ৫৭ টি
ইউনিয়নের নাম চেয়ারম্যানগণের নামের তালিকা মোবাইল
চেয়ারম্যান ফুলবাড়ীয়া ইউপি মোঃ আঃ হাকিম মিয়া ০১৭১৩৫৪৩৯৬১
চেয়ারম্যান চাপাইর ইউপি এ এইচ এম শওকত ইমরান ০১৭১৩৫০৮৮৭৯
চেয়ারম্যান বোয়ালী ইউপি মোঃ হাফিজ উদ্দিন ০১৭১১২৮৪৫৭০
চেয়ারম্যান মৌচাক ইউপি মোঃ নরুল ইসলাম সিকদার ০১৭১৩০০৮১৮৩
চেয়ারম্যান শ্রীফলতলী ইউপি মোঃ দুলাল উদ্দিন আহম্মেদ ০১৭১৮১১৪৩২১
চেয়ারম্যান সূত্রাপুর ইউপি মোঃ ফরহাদ হোসেন ০১৭২৬৭০০৯৩০
চেয়ারম্যান ঢালজোড়া ইউপি মোঃ ইছাম উদ্দিন ০১৭১২১৫৫৭৯৫
চেয়ারম্যান আটাবহ ইউপি মোঃ হাজ্বী মাকসুদুর রহমান হেলালী ০১৭১২৮০৪৫৪২
চেয়ারম্যান মধ্যপাড়া ইউপি এইচ এম সিরাজুল হক (স্বপন) ০১৭১১৫১০২৫০
ভাওয়াল শ্মশানঘাট
ঢাকা শহরের আশেপাশের প্রাচীন ইতিহাসস্থাপত্যগুলোর তালিকার দিকে চোখ বুলালে গাজীপুর ভাওয়াল রাজবাড়ি আর শ্মশানঘাট এর মঠ আসবেই ।
ভাওয়াল রাজবাড়ি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারী দাপ্তরিক কাজকর্মের জন্য।
গাজীপুরেই ভাওয়াল রাজাদের অনন্য কীর্তি ভাওয়াল শ্মশান মঠ। এই শ্মশান মঠ পুরাকীর্তিপ্রেমীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।
ঢাকা থেকে খুব সহজেই গাজীপুর আসা যায়। ফার্মগেট, মহাখালী থেকে এয়ারপোর্ট-উত্তরা আর তারপর টঙ্গী-জয়দেবপুর হয়ে গাজীপুরের বাস চলে সারাদিন। নানান কাউন্টার সার্ভিস। ঢাকা থেকে গাজীপুরের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। বাস থেকে নামতে হবে শিববাড়ী মোড়ে। জয়দেবপুর থেকে শিববাড়ি আসার পথে ডানে চোখে পড়বে বিশাল বিস্তৃত ফসলের ক্ষেত। এখানেই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বীজ প্রত্যয়ন কেন্দ্র, ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট ইত্যাদি। শিববাড়ী মোড়ে নেমে রিকশায় শ্মশানঘাট মঠের ভাড়া ১৫ টাকা। গাজীপুরের এ রাস্তায় অসংখ্য রিকশা চলাচল করে। বাসের চলাচল কম । শিববাড়ি থেকে রেললাইন পার হয়ে হাতের বামে ভাওয়াল রাজবাড়ি, ডানে রানী vawal
gazipur snashanবিলাসমণি উচ্চ বিদ্যালয়। ভাওয়াল রাজবাড়ি যেমন বড় তেমনি সুন্দর। এই সুদৃশ্য ভবনটি এখন গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া আছে কোর্টভবন, রেজিষ্ট্রি অফিস সহ নানান সরকারী দপ্তর। অন্যান্য রাজবাড়ির মতো এটি বিশালকায় কয়েকতলা উচ্চতার নয়। উঁচু ভবনের বদলে এই রাজবাড়ি আয়তনে প্রশ্বস্ত। শিববাড়ী থেকে শ্মশান মঠের দূরত্ব ৩ কিলোমিটার। এ পথের দুধারে গড়ে উঠেছে চমৎকার সব দালান। ঢাকায় চাকরি কিংবা ব্যবসা করেন এমন অনেক ব্যক্তি এখানে বাড়ি নির্মাণ করে আছেন। এখান থেকেই তারা নিত্যদিন ঢাকা আসা-যাওয়া করেন।
আগে নানা প্রকার গাছ-গাছালির ভীড়ে শ্মশান ভূমির প্রবেশ স্থল থেকে মঠগুলো দেখা যেত না। এখন আর তেমন নেই। গাছটাছ কেটে সাবাড়। তবু কয়েক গজ হেঁটে গেলেই চোখে পড়ে বিস্ময়কর স্থাপত্য। সামনের তিনটি মঠের নির্মাণশৈলী সাধারণ এবং দেখতে একই রকম। কিন্তু বাকি পাঁচটি মঠের নির্মাণশৈলী চিত্তাকর্ষক। এদের মধ্যে একটি মঠ সবচেয়ে উঁচু। মঠগুলোর দরজা-জানালা ভাঙা। কোন কোনটির স্মৃতিচিহ্ন মুছে গেছে। অসাধারণ সব নকশাগুলো প্রায় মুছে যেতে বসেছে।snashan design ভাওয়াল জমিদারদের এই রাজকীয় শ্মশান মঠের পূর্ব পাশে ছোট পুকুর। সংস্কারের অভাবে এর ঘাটটি ভেঙে গেছে, স্মৃতিটুকু পড়ে আছে কেবল। পুকুরের পূর্বপাশে চিতা। এখানে শবদাহ করা হয়। তার পূর্বদিকে রয়েছে বেশকিছু খোলা জায়গা। এক সময় এই জায়গা দিয়ে চিনাই নদী বয়ে যেত। এখন তার চিহ্ন মাত্র নেই। চিনাই নদীর পাশেই আর শ্মশাণ পাশে বলেই এর নাম শ্মশানঘাটের মঠ।
ভাওয়াল এলাকার জমিদারদের পূর্বপুরুষ বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার বজ্রযোগিনী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এই গ্রামেরই লোক বলরাম রায় আঠারো শতকের চল্লিশ দশকে গাজীপুরের ভাওয়াল পরগনার জমিদার দৌলত গাজীর দেওয়ান হিসেবে কাজ করতেন। দৌলত গাজীর অনুপস্থিতিতে দীর্ঘদিন খাজনা প্রদান বাকি পড়ে যাওয়ায় ভাওয়াল জমিদারি নিলামে ওঠে। মুর্শিদকুলী খানের সঙ্গে সখ্য থাকায় বলরাম রায় কৌশলে এই জমিদারি হস্তগত করে ফেলতে সক্ষম হন। রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে মুর্শিদকুলী খান (শাসন: ১৭৪০-৫৬) মুসলমান জমিদারদের স্থলে পূর্ববঙ্গে হিন্দু জমিদারদের নিযুক্ত করতেন। বলরাম রায়ের মৃত্যুর (১৭৪৩) পর তার সুযোগ্য পুত্র কৃষ্ণরায় জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব পান। তিনি ভাওয়াল জমিদারিকে স্থায়ীরূপ দেন। কৃষ্ণ রায়ের মৃত্যুর (১৭৫০) পর তার পুত্র জয়দেব রায় ভাওয়াল জমিদারির উত্তরাধিকার নির্বাচিত হন এবং দক্ষতার সঙ্গে জমিদারি পরিচালনা করেন। এ সময় তার নামানুসারে ভাওয়াল এলাকার নামকরণ হয় জয়দেবপুর।
জয়দেব রায়ের মৃত্যুর (১৭৫৬) পর ভাওয়াল জমিদারি এস্টেট পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করেন তার ছেলে ইন্দ্রনারায়ণ রায় । ইন্দ্রনারায়ণ রায়ের মৃত্যুর পর ধারাবাহিকভাবে তাদের উত্তরাধিকারীরা ভাওয়াল জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে যান। ১৮৫৬ সালে উত্তরাধিকারদেও একজন গোলক নারায়ণের মৃত্যুর পর তার পুত্র কালী নারায়ণ রায় জমিদারি পরিচালনার ভার গ্রহণ করেন। বস্তুত তার সময়ই ভাওয়াল জমিদারির ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে। জমিদার নিজেই জমিদারি পরিচালনা করতেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কাচারিতে বসতেন। কৃতিত্বের সঙ্গে জমিদারি পরিচালনার জন্য ব্রিটিশ সরকার কালী নারায়ণ রায়কে বংশানুক্রমে ব্যবহারের জন্য রায় চৌধুরী এবং রাজা উপাধি প্রদান করেন। কালী নারায়ণের সময়ই ভাওয়াল রাজবাড়ী এবং ভাওয়াল শ্মশান মঠ নির্মিত হয়।
এরপরের ইতিহাস রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী, তার স্ত্রী রানী বিলাস মনি, রাজস্ব কর্মচারী ছিলেন স্বভাবকবি গোবিন্দ দাস, রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর তিন ছেলে রণেন্দ্র নারায়ণ, রমেন্দ্র নারায়ণ এবং রবীন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী, রমেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর স্ত্রী বিভাবতী দেবী, তাদেও পারিবারিক চিকিৎসক আশুতোষ ডাক্তারের সাথে বিভাবতী দেবীর প্রেম, কূট কৌশল, গোপন ষড়যন্ত্র আর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা ভাওয়াল সন্নাসীর মামলার ইতিহাস। সে বিশাল অধ্যায়।
১৯৫১ সালে জমিদারি প্রথা বাতিল হয়ে গেলে যবনিকা ঘটে ভাওয়াল জমিদারদের আড়াইশ বছরের শাসনের ইতিহাস। কিন্তু ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলা নিয়ে গল্প-উপন্যাস, যাত্রা-সিনেমা নির্মাণ চলে বহু বছর। ভাওয়াল সন্ন্যাসীর মামলা আজও এদেশের প্রবীণ ব্যক্তিদের আলোড়িত করে। উনিশ শতকের শেষের দিকে নির্মিত এই মঠগুলো কালের সাক্ষী হয়ে আজও টিকে আছে। সবচেয়ে বড় মঠটি নির্মিত হয়েছে ভাওয়াল জমিদারির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কৃষ্ণ নারায়ণ রায়ের উদ্দেশে। বাকিগুলো নির্মিত হয়েছে অন্য জমিদারদের স্মৃতির উদ্দেশে। রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর দুই ছেলে যথাক্রমে রণেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এবং রবীন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর স্মৃতির উদ্দেশে মঠ নির্মিত হলেও অপর ছেলে জমিদার রমেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর (ভাওয়াল সন্ন্যাসী) কোন স্মৃতিমঠ এই শ্মশান ভূমিতে নেই।
ভাওয়ালের এই রাজকীয় মঠের যে দিকটি যে কাউকে মুগ্ধ করে তা হলো এর নির্মাণশৈলী। গৌড়ীয় স্থাপত্য রীতি অনুসরণে নির্মিত এই মঠগুলোর প্রতিটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এই মঠগুলোর অলঙ্করণও মনোমুগ্ধকর। বাংলার বিস্মৃতপ্রায় মন্দির শিল্পের এক অনন্য উদাহরণ এই মঠগুলো।
একদিন সময় করে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন, মন্দ লাগবে না।
কালীগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা :
ইউনিয়নের নাম চেয়ারম্যান গণের নামের তালিকা মোবাইল
কালীগঞ্জ মোঃ লুৎফুর রহমান ০১৭১৩০৩৪৩১১
তুমুলিয়া মোঃ নূরুল ইসলাম ০১৭২০৬০৮৬৫৭
নাগরী মোঃ সিরাজ মিয়া ০ ১৭২৬৯১৫২৪৪
বক্তারপুর মোঃ আতিকুর রহমান আকন্দ ০১৭১৮১৬৫৮০৪
জাংগালিয়া আকম মোফাজ্জল হোসেন ০১৭১৫২৫৩০৯৪
জামালপুর মোঃ হারুণ রশিদ দেওয়ান ০১৭১৫০০৬৯১২
বাহদুরশাদি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ ০১৭১১১২৯২৭৬
মোক্তারপুর শরিফুল ইসলাম সরকার ০১৭১২৭০৩১০৮
সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ২০১৯।।
20/02/2019
ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা...
11/02/2019
🇧🇩অভিনন্দন🇧🇩
সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মাননীয় সংসদ সদস্য গন।
#গাজীপুর
03/01/2019
সত্যিকারের ভালো মানুষ হারালো বাংলাদেশ।
আপনার জন্য ভালোবাসা চিরম্লান।
ওপারে ভালো থাকবেন।
29/12/2018
৩০ তারিখ সারাদিন #নৌকা মার্কায় ভোট দিন....
25/12/2018
14/12/2018
♥ #তুরাগ_নদে_ব্যতিক্রমি_নৌকার_নির্বাচনী_প্রচারণা♥
গাজীপুরে নৌপথে ব্যতিক্রমি নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন আওয়ামী লীগের নারী নেতাকর্মীরা। দুপুর ৩ টার দিকে তুরাগ নদে নৌকা মিছিল বের করেন তারা। এতে অংশ নেন প্রায় ৫শ নারী। নদের বিভিন্ন এলাকায় যান তারা। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা।৩০ ডিসেম্বরে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বানও জানান নারী নেতাকর্মীরা। বিকেল ৫টায় শেষ হয় এই কর্মসূচি।