25/07/2023
ইসলামী জ্ঞান
"ইসলাম সকল জ্ঞানের মূল উৎস"(ইমদাদুল হক)
25/07/2023
"""বেতের নামাজের দলিল ১ম পর্ব "!
--------------------------------------------------------------------------
"""" বেতের নামাজে দ্বিতীয় রাকআতে বৈঠক ও এক সালামে তিন রাকআতই পড়তে হবে।। এবং রুকুর আগেই দোয়া কুনুত পড়া ওয়াজীব( হানাফী মাযহাব)
------------------------------------------------------
প্রথম জবাব,
ইসমাইল বিন মাসউদ রহঃসাদ ইবনে হিশাম রাদিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,হযরত আয়শা রাদিঃ তার নিকট বর্ননা করেছেন যে, রাসুল সাঃআঃবেতের নামাজে দুই রাকআতে সালাম ফিরাতেন না।
সুনানে নাসাঈ 1701
এ হাদীসে ইসমাইল বিন মাসউদ ব্যতীত সবাই বুখারী/ মুসলিমের রাবি। আর ইসমাইল বিন মাসউদ ছ্বিকাহ ( তাকরীব 550)
হাকেম আবু আব্দুল্লাহ এ হাদিস কে সহীহ বলেছেন
মুসতাদরাক হাকেম 1139
হাদিসের মর্ম হলো দ্বিতীয় রাকআতে বৈঠক করতেন কিন্তু সালাম ফেরাতেন না "
নচেৎ দ্বিতীয় রাকআতে সালাম ফিরাতেন না, এ কথার অর্থ কী?????
দ্বিতীয় জবাব
-------------------------
বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি রহঃ কে বলা হয় যে,হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিঃ বেতের নামাজে দুই রাকআতে সালাম ফেরাতেন। তখন তিনি বললেন, তার ওয়ালিদ হযরত ওমর রাদিঃ তার চেয়েও বড় ফকিহ ছিলেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতি সালাম না ফিরিয়ে আল্লাহু আকবর বলে তৃতীয় রাকআতের জন্য দাঁড়িয়ে যেতেন।
দলীল
.....মুসতাদরাক হাকেম 1/304 হাদীস নাম্বার 1141
সুনানে কুবরা - বায়হাকী 5003
সালাতুল বেতের - মারওয়াযী পৃষ্ঠা 270
আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহঃসহীহ বলেছেন
হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী রহঃসমর্থন করেছেন
ফাতহুল বারী 2/558
....প্রমাণিত হলো দ্বিতীয় রাকআতে বৈঠক করতেই হবে ",
নচেৎ,, উম্মুল মুমীনীন হযরত আয়শা রাদিঃ বলেন, নবীজী সাঃআঃবলতেন, প্রতি দুই রাকআতে রয়েছে"আত্তাহিয়্যাতু "
সহীহ মুসলীম 1/195
তৃতীয় জবাব( দুআ কুনুতের)
-------------------------
মুসাদ্দাদ রহঃ আসিম রহঃথেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক রহঃ কে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম।
তিনি বললেন কুনুত অবশ্যই পড়া হতো, আমি জিজ্ঞেস করলাম রুকুর আগে না পরে??
তখন আনাস রাদিঃ বললেন, রুকুর আগে।
আসিম রহঃবললেন, অমুক ব্যক্তি আমাকে আপনার বরাত দিয়ে বলেছে যে, আপনি বলেছেন রুকুর পরে,
তখন আনাস রাদিঃ বললেন, সে ভুল বলেছে বা মিথ্যা বলেছে
.....সহীহ বুখারী ইফা 948
চতুর্থ জবাব
------------------
উবাই ইবনে কাব হতে বর্নিত, রাসুল সাঃআঃবিতের সালাত আদায় করতেন এবং রুকুর আগেই দোয়া কুনুত পড়তেন।।।
..দলীল
ইবনে মাজাহ 1182
আলবানী সহীহ
তাখরীজ আলবানী - ইরওয়াহ 426
""""কথিত আহলে হাদিসের মিথ্যাচার প্রোপাগান্ডা থেকে সকলেই সতর্কতা অবস্থান গ্রহণ করুন, ইমান বাঁচান "
""আল্লাহ হাফেজ "!
"আমি অবশ্যই বহু মানুষ ও জিনকে দোযখের জন্যে
নির্ধারিত করেছি ; কারণ তাদের অন্তর আছে,
কিন্তু তারা সত্যকে উপলব্ধি করে না, তাদের চোখ
থাকলেও তা দিয়ে তারা সত্যকে দেখে না, তাদের কান
আছে, কিন্তু তা দিয়ে তারা সত্য বাণী শোনে না।
ওরা পশুর মতো; বরং তার চেয়েও বেশী পথভ্রষ্ট;
নিশ্চয়ই তারা উদাসীন।"
সূরা আ রাফ, আয়াত ১৭৯৷
হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকাল (সম্পূর্ণ ঘটনা)
হযরত আলী রাঃ,ফজরের নামাজ আদায়
করার জন্য মসজিদে গেছেন ৷ এদিকে
হযরত ফাতিমা রাঃআঃ,গায়ে অত্যান্ত জ্বর
অবস্থায়৷
ঘরের সমস্ত কাজ, শেষ করেছেন ৷
আলী রাঃ, মসজীদ থেকে এসে দেখে,
ফাতিমা
কাঁদতেছেন, আলী (রাঃ),প্রশ্ন
করলেন,ও ফাতিমা তুমি কাঁদ কেন? ফাতিমা কোন
উত্তর দিলেন না৷ ফাতিমা
আরোজোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন,
আলী রাঃ কয়েকবার প্রশ্ন করার পরে,
ফাতিমা রাঃ কাঁদতে কাঁদতে বলেন,
ও আলী,,,,,,,,আমি স্বপ্নের মধ্যে
দেখতেছি,আমার আব্বাজান, হযরত মুহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ্ সাঃ আমার ঘরের মধ্যে ঢুকে কি যেন
তালাশ
করতেছেন ঘর থেকে বাহির হওয়ার সময়, আমি
পিছন দিক থেকে,আমার আব্বাজান কে ডাক দিলাম৷
ও
আব্বাজান আপনি কি তালাশ করতেছেন? আব্বাজান
মুহাম্মাদুর রা:(সঃ) বলতেছেন, ও আমার ফাতিমা,
আমিতো তোমাকে তালাশ করতেছি, তোমাকে
নিয়ে যাওয়ার জন্য৷ আরো বললেনঃ ও আমার
ফাতিমা,আজকে
তো তুমি রোজা রাখবা ৷ সাহরী করবা আলীর
দস্তরখানায়, আর ইফতার করবা আমি আব্বাজানের
দস্তরখানায় ৷৷৷
আলী (রাঃ) এই স্বপ্ন শোনার পর, দু’জনের
বুঝতে বাকী থাকলোনা, যে ফাতিমা
আজকেই ইন্তেকাল করবেন৷ দুনো জন
আরো
জোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন৷ এই
সময়ের
মধ্যে হযরত হাসান হুসাইন (রাঃ) এসে জিজ্ঞাসা
করতেছেন, ও আব্বাজান ও আম্মাজান আপনারা
দুনোজন কাঁদেন কেন? ফাতিমার রাঃ এর একটা
অভ্যাস
ছিল, যখন হাসান হুসাইন রাঃ কোন কাজে বিরক্ত
করতেন, তখন দুনো জনকে নানাজান এর
কবরের
কাছে যেতে বলতেন। আজকে ও ফাতিমা
বলেন,তোমরা দুনোভাই এখন নানার
কবরে চলে যাও, কবরের নিকট যাওয়ার
সাথে সাথে,কবর থেকে আওয়াজ
আসলো,ও আমার আদরের নাতীরা, এই মূহুর্তে
তোমরা আমার কাছে কেন আসছো,
আমার কাছে তো সব সময় আসতে পারবা, এখন
যাও,
যেয়ে মায়ের চেহারার দিকে তাকায়ে থাক,
আজকের পরে তোমাদের মাকে আর পাবেনা৷
এই কথা শোনার পরে,দুনো ভাই কাঁদতেছে
আর
দৌড়াতে দৌড়াতে আম্মার নিকট চলে গেলেন।
যেয়ে আম্মাকে বললেন যে,
তোমরা দুনোজন কেন কাঁদতেছ বুঝেছি,
নানাজান আমাদেরকে বলে দিয়েছেন, আজকের
দিনটা তোমার জন্য শেষ দিন,
নানাজান তোমার চেহারার দিকে তাঁকায়ে থাকার
জন্য
আমাদের কে বলেছেন৷
বিকেলের দিকে হজরত ফাতিমা (রাঃ) এর শরীর
বেশি খারাপ হলো। তাকে বিছানাতে শোয়ানো
হলো। ফাতিমা রাঃ মৃত্যুর পূর্বক্ষনে আলী রাঃ
কে,
তিনটি কথা বলেন ৷
【০১】ও আলী যেদিন থেকে আমি আপনার
ঘরে এসেছি, ঐ দিন থেকে নিয়ে, আজ পর্যন্ত
আপনাকে আমি অনেক কষ্ট দিয়েছি, আলী
আপনি
যদি আমাকে
ক্ষমা না করেন, তাহলে কিয়ামতের ময়দানে, আমি
সন্তানের কারনে, (আমি মেয়ের কারনে) আমার
আব্বাজান অনেক
লজ্জীত হবেন৷ বলেন আপনি আমাকে ক্ষমা
করলেন কি না,আলী রাঃ বলেন ও ফাতিমা, তুমি এসব
কি বলতেছো, আমি আলী তো তোমার
যোগ্য ছিলাম না, তোমার আব্বাজান দয়া করে
মেহেরবানী করে তোমাকে আমার,,, কাছে
বিয়ে দিয়েছেন,বিয়ের দিন থেকে নিয়ে আজ
পর্যন্ত, আমি আলী তোমাকে কোনদিন
ঠিকমত
দুইবেলা খানা খাওয়াতে পারিনাই,
ও ফাতিমা তুমি বল, আমাকে ক্ষমা করছো
কি না, তুমি যদি আমাকে ক্ষমা না কর, তাহলে
আমাকে
ও কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে ৷
【০২】ও আলী আপনার সাথে আমার
দ্বিতীয় কথা হল, আমি মারা যাওয়ার
পরে, আপনি বিয়েকরে নিবেন, দুনিয়ার যে
কোন
মহিলাকে, আপনার পছন্দমত৷
আপনাকে আমি অনুমতি দিলাম৷ আর
আমার বাচ্চা দুইটাকে, সপ্তাহে একটা দিন
আপনার কোলের মধ্যে করে নিয়ে ঘুমাবেন৷৷
【০৩】ও আলী আপনার সাথে আমার তৃতীয় কথা
হল, হাসান হুসাইন যখন বালেগ হবে,তখন দুনো
ভাইকে আল্লাহর
রাস্তায় সপর্দ করে দিবেন৷ এবং আমাকে রাতের
বেলায় দাফন করবেন।
হজরত আলী (রাঃ) বললেনঃ "তুমি নবীর
মেয়ে।
আমি সবখানে খবর দিয়ে তোমায় দাফন করবো।
এতে সমস্যা কি?
হজরত ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ "আামার কাফনের
কাপড়ের
ওপর দিয়ে সবাই অণুমান করবে যে, নবীর
মেয়ে কতটুকু লম্বা ছিলো, কতটুকু সাস্হ ছিলো।
এতে আমার পর্দা ভঙ্গ হবে।"
হজরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকালের পর
তাঁর লাশের খাটিয়া বহন করার মানুষ
মাত্র তিনজন। হজরত আলী (রাঃ)
এবং শিশু হাসান ও হোসাইন (রাঃ)আনহুমা ৷ হজরত
আলী
ভাবছিলেন
যে, খাটিয়া বহন করার জন্য মানুষ আরও
একজন প্রয়োজন তবেই চার কোনায় চার জন
কাঁধে নিতে পারবেন।
এমন সময় হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ) এলেন ও
খাটিয়ার এক কোনা বহন
করলেন। হজরত আলী প্রশ্নকরলেন, ও
আবুজর
আমি তো কাউকে বলিনাই, আপনি জানলেন
কিভাবে ? হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ) বলেন,
আমি
আল্লাহর
রসুল (সঃ) কে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি বললেন,
হে আবু জর! আমার ফাতিমার লাশ বহন করার জন্য
লোকের অভাব, তুমি তাড়া তাড়ি চলে যাও। ও
আলী
আমাকে তো হুজুরে আকরাম সঃ আসতে
বলছেন ৷
হযরত ফাতিমা রাঃ আনহা কে যখন কবরে
নামাচ্ছেন, তখন হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ)
কবরের কাছে গিয়ে কবর কে উদ্দেশ্য করে
বললেন..........
.............................
আতাদরী মানিল্লাতী জি'না বিহা ইলায়কা?
"হে কবর, তুই কি জানিস, আজ
তোর মধ্যে কাকে রাখছি?
【০১】
হা-যিহী সায়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাতী ফা-
তিমাতা
রাঃ আনহা,
এটা জান্নাতের সকল মহিলাদের সর্দার,
ফাতিমা (রাঃ)আনহা৷
কবর থেকে কোন আওয়াজ নাই৷
【০২】
হা-যিহী উম্মূল হাসনাইন রাঃ আনহুমা ,
এটা হযরত হাসান হুসাইন
এর আম্মা ৷
........................এবার ও কবর থেকে
কোন আওয়াজ নাই৷
【০৩】
হা-যিহী ঝাউযাতু আলিয়্যিন কাররামাল্লাহু
ওয়াজহাহ্,
এটা হযরত আলী রাঃ এর স্ত্রী ৷
...............................এবার ও কবর থেকে
কোন আওয়াজ নাই৷
【০৪【
হা-যিহী বিনতু রসুলুল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম,
এটা,দো জাহানের বাদশাহের মেয়ে।
.......খবরদার কবর
বেয়াদবী করবি
না "
"আল্লাহ্ তায়ালা কবরের জবান খুলে দিলেন, কবর
বললঃ
【০১】আনা বায়তুয-যুলমাতি
আমি অন্ধকার ঘর৷
【০২】আনা বায়তুদ-দূদাতী,
আমি সাপ বিচ্ছ্যুর ঘর৷
【০৩】আনা বায়তুন-নফরাতী,
আমি এমন একটি ঘর,
যার মধ্যে কোন বংশ পরিচয় কাজ হয়না......
"আমি দো জাহানের বাদশাহের মেয়ে
ফাতিমা কে চিনিনা,1
হজরত আলীর স্ত্রীকে চিনিনা,2
হাসান হোসাইনের আম্মাকে চিনিনা,3
জান্নাতের মহিলাদের সর্দারনীকে চিনিনা,4
আমি শুধু চিনি-
ঈমান আর আমল।"
আমার মধ্যে যদি কেহ্ ভাল আমল নিয়ে
আসে তাহলে আমি কবর তাকে জান্নাতের বিছানা
বিছিয়ে দিবো। আর যদি কেহ খারাপ
আমল নিয়ে আসে, তাহলে আমি কবর দু'দিক
থেকে এমন জোরে চাপা দিবো, হাড় মাংস
মিশে একত্রিত হয়ে যাবে!!!
আমার মুসলমান ভাই ও বোনদের উদ্দেশ্য করে
বলছি, একটু
চিন্তা করে দেখুন- যদি নবী (সঃ) এর আদরের
মেয়ে ফাতিমা, যাকে জান্নাতের সর্দারনী বলা
হয়েছে। তার জন্য যদি কবর এমন কথা বলতে
পারে ! তাহলে
আমাদের কি অবস্থা হবে? বুঝতে
পারতেছেন ৷ কিসের আশায় কি চিন্তা করে
আল্লাহর
হুকুম থেকে এতো গাফেল (ভুলে) আছি।
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ঈমান ও নেক আমল
নিয়ে কবরে যাওয়ার. তৌফিক দান করুন।
আমিন।
" জান্নাতের আটটি দরজা থাকবে। তারমধ্যে
একটির নাম হল ' রাইয়্যান'। শুধুমাত্র
রোজাদার ব্যক্তিগণই এই দরজা দিয়ে প্রবেশ
করবে।"
--- হযরত মুহাম্মদ (স:)
—— রাসুল (সা:) বলেন —
যে আল্লাহর রাস্তায় একদিন মাত্র রোযা
রাখবে সেই বান্দার চেহারাকে আল্লাহ্
(ঐ রোজার বিনিময়ে) জাহান্নাম থেকে
৭০ বছর পথ পরিমাণ দুরত্বে রাখবেন।"
—— বুখারীঃ ২৮৪০ মুসলিমঃ ১১৫৩ ।
27/05/2017
রোযাদারদের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ
কয়েকটি জ্ঞাতব্য বিষয়
=========================
রোযাদারদের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ
কয়েকটি জ্ঞাতব্য বিষয় হলো-
১. হারাম বস্তু দেখা যাবে না। যেমন
বেগানা নারী-পুরুষ পরস্পরকে দেখা
যাবে না। এছাড়া ছবি, টিভি ইত্যাদি
দেখা যাবে না। অথবা যে বস্তু দেখলে
মহান আল্লাহ পাক উনার দিক থেকে মন
ঘুরে গিয়ে অন্য দিকে চলে যায়, তাও
দেখা যাবে না। এককথায় পরিপূর্ণভাবে
চোখের হিফাযত করতে হবে।
২. জিহ্বা হিফাযত করতে হবে। মিথ্যা
কথা, গীবত, কুটনামী, অপবাদ, বকাবকি,
গালিগালাজ, বেহুদা শপথ, ঝগড়াঝাটি
ইত্যাদি হতে জিহ্বা হিফাযত করতে হবে।
৩. কান হিফাযত করা। যা বলা বৈধ নয়
তা শোনা ও বৈধ নয়। যেমন গান-বাজনা,
অশ্লীল কথাবার্তা, গীবত ইত্যাদি শোনা।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার
মধ্যে বর্ণিত রয়েছ, গীবত করা যেমন
কীবরা গুনাহ তেমনি তা শোনাও কবীরা
গুনাহ। সুতরাং এমনটি শোনা থেকে কানকে
বিরত রাখতে হবে।
৪. দেহের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গক
ে নাজায়িয কাজ হতে বাঁচিয়ে রাখতে
হবে। হাত দ্বারা নাজায়িয বস্তু স্পর্শ
করা যাবে না; পা’কে খারাপ কাজের
দিকে পরিচালনা করা যাবে না, উদরকে
হারাম বস্তু দ্বারা পূর্ণ করা যাবে না।
৫. সাহরী এবং ইফতার একেবারে পেট
ভরে না খাওয়া।
৬. রোযা কবুল হওয়ার আশাও রাখতে হবে
এবং কবুল না হওয়ার ভয়ও রাখতে হবে।
৭. একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার
সন্তুষ্টি মুবারকের জন্য রোযা রাখতে
হবে।
৮. সকল হারাম কাজ বর্জন করে সকল
হালাল কাজে মশগুল হতে হবে।
৯. যাকাত, ফিতরাসহ অন্যান্য ফরয,
ওয়াজিব, সুন্নত, নফল, মুস্তাহাব আমল
করতে হবে।
১০. হক্কুল্লাহ ও হক্কুল ইবাদ পালন করতে
হবে।
১১. কেউ রোযাদারের সাথে অসৌজন্যমূলক
আচরণ করলে, ঝগড়াঝাটি করলে রোযাদার
তার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবে এবং
ঝগড়া-ঝাটি থেকে বাঁচার জন্য নিজেকে
রোযাদার বলে এ পরিবেশ থেকে সরে
যাবে এভাবে যে, আমি রোযাদার তোমার
সাথে খারাপ আচরণও করতে পারবো না
এবং ঝগড়াও করতে পারবো না।
১২. মহান আল্লাহ পাক উনার রঙে রঙিন,
মতে মত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম উনার পথে পথ হওয়া।
১৩. অধিকন্তু রোযাদার একমাত্র মহান
আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত অপর কোনো
কিছুর প্রতি মনোনিবেশ করবে না।
এ বিষয়গুলো সামনে রেখে রোযাদার চলতে
পারলে আশা করা যায় সে রোযাদার
পরিপূর্ণ প্রতিদানে ধন্য হবে এবং তার
রোযাও কবুল হবে। অন্যথায় এই পবিত্র
হাদীছ উনার মধ্যে বর্ণিত পরিণতি ভোগ
করতে হবে। অনেক রোযাদার এমনও আছে,
যাদের রোযার বিনিময়ে পিপাসিত ও
অনাহারে থাকা ব্যতীত অন্য কোনো ফল
লাভ হয় না।
অতএব, রোযাদাররা বিষয়গুলো আমলে নিন।
আমীন।
পবিত্র যাকাত উনার আহকাম, মাসায়িল ও
ফাযায়িলসমূহ জানতে ভিজিট করুনঃ
http://ahkamuzzakat.com
Ahkamuzzakat একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হায়াত শেষ। উনাকে বলা হলো আপনার শেষ ইচ্ছে কি? উনি বললেন, আমার আহলিয়ার হাতের তৈরি রুটি খাওয়া। কিন্তু তিনি তখনও বিয়ে করেন নি। এখন উনার সাথে কে মেয়ে বিয়ে দিবেন। উনার তো হায়াত শেষ। যাই হোক উনি যেহেতু সাহাবী ছিলেন অন্য ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মেয়েকে...
রোজার নিয়ত :
ﻧﻮﻳﺖ ﺍﻥ ﺍﺻﻮﻡ ﺍﻟﻴﻮﻡ ﻣﻦ ﺷﻬﺮ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﺍﻟﻤﺒﺎﺭﻙ
ﻓﺮﺿﺎ ﻓﺘﻘﺒﻞ ﻟﻚ ﻳﺎﻟﻠﻪ
"নাওয়াইতু আন আছুমা
গাদাম মিন শাহরি রামাদানাল
মুবারাকি, ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহ
ফাতাকাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস
সামীউল আলীম।"
বাংলায় অর্থ:
হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য
আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয
রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ
থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি
সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।
ইফতারের দোয়া:
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻟﻚ ﺻﻤﺖ ﻭ ﻋﻠﻰ ﺭﺯﻗﻚ ﺍﻓﻄﺮﺕ .
বাংলায় উচ্চারণ:
“আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা
রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা
ইয়া আরহামার রাহিমীন”
বাংলায় অর্থ:
হে আল্লাহ পাক! আমি আপনারই সন্তুষ্টির
জন্য রোযা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া
রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।
রাসুল (সা:) বলেন ——
"তুমি যদি অত্যদিক পরিমান পাপ করে
থাকো,যদি তাহা আঁকাশ সমান উঁচু হয় ।
এরপর যদি অনুতাপের সাথে আল্লাহর
কাছে তওবা করো, আল্লাহ তোমাকে নিরাশ
করবেন না তখন তোমার তওবা তিনি কবূল
করে নিবেন । (সুবাহান আল্লাহ )
— সুননে তিরমিযি হাদিস নং ৩৫৪০ ।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ
“আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষাংশে
– শেষ তৃতীয়াংশে -নিকটবর্তী আসমানে
অবতীর্ণ হয়ে আহবান জানাতে থাকেন এমন
কেউ কি আছে যে আমাকে ডাকবে আর আমি
তার ডাকে সাড়া দেব?
এমন কেউ কি আছে যে আমার কাছে কিছু
চাইবে আর
আমি তাকে দেব?
এমন কেউ কি আছে যে আমার কাছে ক্ষমা
চাইবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দেব ?”
[বুখারী, হাদীস নং ১১৪৫, মুসলিম হাদীস
নং ৭৫৮]
আজ বিশেষ একটা রজনী ! সূর্য ডুবার সাথে সাথে এ
রজনীতে সৃষ্টিকর্তা প্রথম আসমানে নেমে আসেন
আর সকল মানুষকে ডেকে বলতে থাকেন - কে আছো
এমন মাফ চাওয়ার, রিযিক চাওয়ার, মুক্তি চাওয়ার ?
এ রাতে বান্দার জন্য আগামী এক বছরের বাজেট
পাশ হবে !! সুতরাং তোমার আমার উচিত এ রাতে
নিজের পরিবার ও প্রিয় জনদের জন্য বিশেষ কিছু
চাওয়া ! সর্বপরি নিজের আশা আকাংক্ষার কথা
সৃষ্টি কর্তাকে জানাতে হবে !
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Gazipur
1726