Trust E-Marketing

Trust E-Marketing

Share

Academy That Help You Bring Success!

বাচ্চাকে হাতে-কলমে সবকিছু শেখানো বলতে কিন্তু নিজ হাতে সবকিছু করে দেয়া নয়! প্রকৃতির নিয়মেই বাচ্চারা সবকিছু স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখে। মা-বাবার দায়িত্ব হলো বাচ্চার বয়স ও সামাজিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক গাইডলাইন ও বাউন্ডারি সেট করা।
বাচ্চারা নিজের প্রতি একটা বিশ্বাস নিয়ে পৃথিবীতে জন্মায়। অর্থাৎ আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনচেতা মনোভাব—এই বিষয়গুলো বাচ্চার মধ্যে একেবারে ন্যাচারাল। কিন্তু সময়ের সাথে কারো আত্মবিশ্বাস প্রগাঢ় হয়, কারো আবার কমে যায়। কারণ কী? কারণ হলো সেই বাচ্চার বেড়ে ওঠা বা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া। যে বাচ্চা দেয়াল ধরে প্রথম দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই যার মা চিৎকার করে ওঠে, “হায় হায়, বাবু তো পড়ে যাবে!”, সেই বাচ্চার হাঁটা শিখতে দেরি হবে—এটাই স্বাভাবিক। অথচ পড়ে না গেলে বাচ্চা হাঁটতে শেখে না!
পশ্চিমা দেশগুলোতে সলিড শুরুর বয়স থেকেই বাচ্চাদেরকে ফিংগার ফুড দিয়ে নিজ হাতে খেতে অভ্যস্ত করানো হয়। আর আমাদের দেশে ইউনিভার্সিটিতে পড়া বাচ্চাকেও মা নিয়ম করে তিন বেলা খাইয়ে দেন। নিজের কাপড় নিজে ধোয়া, গুছিয়ে রাখা, আয়রন করা—এগুলো তো অনেক পরের কথা; আমাদের দেশে বিয়ের উপযুক্ত সন্তানের মশারি টাঙিয়ে দেন তার বাবা, আর সকালে তার বিছানাটা গুছিয়ে দেন তার মা। এটা ভালোবাসা না, বরং হিপোক্রেসি। আপনার অতিরিক্ত আদর যখন সন্তানের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ মন্থর করে—সেটা সত্যিকারের ভালোবাসা নয়, সেটাই হিপোক্রেসি।
মনে রাখবেন, স্বাবলম্বী ও দায়িত্বশীল হওয়ার শুরু হয় শৈশব থেকেই। বাচ্চাকে চেষ্টা করতে দিন। ভুল করুক—ভুল করেই তো তারা শেখে! জামাকাপড় বা ফ্লোর নোংরা হওয়ার ভয়ে নিজ হাতে খেতে না দেয়া—এই মনোভাব আপনার সন্তানকে পরগাছা বানাবে। আর সেটা বুঝবেন কবে জানেন? বাবা একদিন অনুপস্থিত থাকলে তার বদলে বাজারে যাওয়া, মা একদিন অসুস্থ থাকলে তার পরিবর্তে রান্না করা—এই সাধারণ দায়িত্বগুলো যেদিন আপনার সন্তান এড়িয়ে যাবে, সেদিন হয়তো কিছুটা উপলব্ধি করবেন।
সুতরাং সাবধান হোন—ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে ওভার-প্রোটেক্টিভ হবেন না। আজ তাকে চেষ্টা করতে না দিলে, কাল সে চেষ্টা করতেই ভয় পাবে।#parenting #smartparenting 14/12/2025

বাচ্চাকে হাতে-কলমে সবকিছু শেখানো বলতে কিন্তু নিজ হাতে সবকিছু করে দেয়া নয়! প্রকৃতির নিয়মেই বাচ্চারা সবকিছু স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখে। মা-বাবার দায়িত্ব হলো বাচ্চার বয়স ও সামাজিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক গাইডলাইন ও বাউন্ডারি সেট করা। বাচ্চারা নিজের প্রতি একটা বিশ্বাস নিয়ে পৃথিবীতে জন্মায়। অর্থাৎ আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনচেতা মনোভাব—এই বিষয়গুলো বাচ্চার মধ্যে একেবারে ন্যাচারাল। কিন্তু সময়ের সাথে কারো আত্মবিশ্বাস প্রগাঢ় হয়, কারো আবার কমে যায়। কারণ কী? কারণ হলো সেই বাচ্চার বেড়ে ওঠা বা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া। যে বাচ্চা দেয়াল ধরে প্রথম দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই যার মা চিৎকার করে ওঠে, “হায় হায়, বাবু তো পড়ে যাবে!”, সেই বাচ্চার হাঁটা শিখতে দেরি হবে—এটাই স্বাভাবিক। অথচ পড়ে না গেলে বাচ্চা হাঁটতে শেখে না! পশ্চিমা দেশগুলোতে সলিড শুরুর বয়স থেকেই বাচ্চাদেরকে ফিংগার ফুড দিয়ে নিজ হাতে খেতে অভ্যস্ত করানো হয়। আর আমাদের দেশে ইউনিভার্সিটিতে পড়া বাচ্চাকেও মা নিয়ম করে তিন বেলা খাইয়ে দেন। নিজের কাপড় নিজে ধোয়া, গুছিয়ে রাখা, আয়রন করা—এগুলো তো অনেক পরের কথা; আমাদের দেশে বিয়ের উপযুক্ত সন্তানের মশারি টাঙিয়ে দেন তার বাবা, আর সকালে তার বিছানাটা গুছিয়ে দেন তার মা। এটা ভালোবাসা না, বরং হিপোক্রেসি। আপনার অতিরিক্ত আদর যখন সন্তানের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ মন্থর করে—সেটা সত্যিকারের ভালোবাসা নয়, সেটাই হিপোক্রেসি। মনে রাখবেন, স্বাবলম্বী ও দায়িত্বশীল হওয়ার শুরু হয় শৈশব থেকেই। বাচ্চাকে চেষ্টা করতে দিন। ভুল করুক—ভুল করেই তো তারা শেখে! জামাকাপড় বা ফ্লোর নোংরা হওয়ার ভয়ে নিজ হাতে খেতে না দেয়া—এই মনোভাব আপনার সন্তানকে পরগাছা বানাবে। আর সেটা বুঝবেন কবে জানেন? বাবা একদিন অনুপস্থিত থাকলে তার বদলে বাজারে যাওয়া, মা একদিন অসুস্থ থাকলে তার পরিবর্তে রান্না করা—এই সাধারণ দায়িত্বগুলো যেদিন আপনার সন্তান এড়িয়ে যাবে, সেদিন হয়তো কিছুটা উপলব্ধি করবেন। সুতরাং সাবধান হোন—ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে ওভার-প্রোটেক্টিভ হবেন না। আজ তাকে চেষ্টা করতে না দিলে, কাল সে চেষ্টা করতেই ভয় পাবে।#parenting #smartparenting

খুব সাধারণ একটা ব্যাপার! কিন্তু ভীষণ এ্যালার্মিং! আমি জানি, এই ভিডিওটি দেখে বা ক্যাপশন পড়ে অনেক মা-বাবাই অফেন্ডেড হবেন! কিন্তু ওয়েইট...
আপনি কি আপনার সন্তানকে চরম ভোগবাদী ও স্বার্থপর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চান? অবশ্যই না। তাহলে এই ছোট ছোট বিষয় নিয়েও ভাবতে হবে। আমাদের সোসাইটিতে বেশিরভাগ মা-বাবা সন্তানের জন্য স্যাক্রিফাইস করা বলতে নিজের অংশটুকুও সন্তানকে দিয়ে দেওয়া বোঝেন! অথচ এটা আদর নয়, বরং ভুল শিক্ষা। ধরুন, খাবার খেতে বসে বাচ্চার প্লেটে পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও অনেক মা-বাবা নিজের অংশটুকুও সন্তানকে দিয়ে দেন! সাময়িকভাবে বাচ্চা একটু খুশি হয়, আর আপনি শান্তি পান। অথচ আপনারও যে ঠিক একই জিনিসটার প্রয়োজন, তা বাচ্চা শিখলো কই? আপনি হয়তো বলবেন, ‘আমরা সারাজীবন ভালো ভালো খেয়েছি, এখন ওদের উঠতি বয়স... ওরাই তো খাবে।’ এটা কোনো লজিক না।

আর হ্যাঁ, শুধু খাবারের বিষয়ে নয়—যে কোনো সিচুয়েশনে বাচ্চাকে বোঝাতে হবে, ‘সবারই আলাদা কিছু প্রয়োজন আছে, এখানে একজনকে ডিপ্রাইভ করে আরেকজনকে কিছু দেওয়ার বিষয় নেই।’ আপনি যদি বাচ্চাকে ভোগবাদী বানান, তাহলে সেই স্বার্থপর সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যতে আপনাকেই বিপদে পড়তে হবে। আজ সাইকেল, কাল আইফোন, পরশু বাইক—এভাবে ওর আবদার বাড়তেই থাকবে। আপনার ইনকাম কত বা কিভাবে তাকে সেটা দেবেন, সেটা জানার প্রয়োজন সে মনে করবে না; ইনফ্যাক্ট, তার মধ্যে এই বোধটাই থাকবে না। আপনি কি এভাবে কখনো বিষয়গুলো ভেবেছেন?

মনে রাখবেন, সবাই সন্তানকে ভালোবাসে। কিন্তু এই ভালোবাসা ভিজুয়ালাইজ করা বা স্যাক্রিফাইস করা মানে নিজেকে সিরিয়াসলি ডিপ্রাইভ করা নয়। বাচ্চাকে ভালোবাসেন—ভালো কথা, তার চাহিদাগুলো মেটান। যদি মনে করেন, আপনার ইনকাম দিয়ে বাচ্চাকে ঠিকমতো ভরণপোষণ করতে পারছেন না, তাহলে কিভাবে নিজের রোজগার বাড়ানো যায়, এমন রিসোর্স খুঁজুন। সন্তানকে ভালো রাখুন, নিজেও ভালো থাকুন। #positiveparenting 13/11/2025

খুব সাধারণ একটা ব্যাপার! কিন্তু ভীষণ এ্যালার্মিং! আমি জানি, এই ভিডিওটি দেখে বা ক্যাপশন পড়ে অনেক মা-বাবাই অফেন্ডেড হবেন! কিন্তু ওয়েইট... আপনি কি আপনার সন্তানকে চরম ভোগবাদী ও স্বার্থপর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চান? অবশ্যই না। তাহলে এই ছোট ছোট বিষয় নিয়েও ভাবতে হবে। আমাদের সোসাইটিতে বেশিরভাগ মা-বাবা সন্তানের জন্য স্যাক্রিফাইস করা বলতে নিজের অংশটুকুও সন্তানকে দিয়ে দেওয়া বোঝেন! অথচ এটা আদর নয়, বরং ভুল শিক্ষা। ধরুন, খাবার খেতে বসে বাচ্চার প্লেটে পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও অনেক মা-বাবা নিজের অংশটুকুও সন্তানকে দিয়ে দেন! সাময়িকভাবে বাচ্চা একটু খুশি হয়, আর আপনি শান্তি পান। অথচ আপনারও যে ঠিক একই জিনিসটার প্রয়োজন, তা বাচ্চা শিখলো কই? আপনি হয়তো বলবেন, ‘আমরা সারাজীবন ভালো ভালো খেয়েছি, এখন ওদের উঠতি বয়স... ওরাই তো খাবে।’ এটা কোনো লজিক না। আর হ্যাঁ, শুধু খাবারের বিষয়ে নয়—যে কোনো সিচুয়েশনে বাচ্চাকে বোঝাতে হবে, ‘সবারই আলাদা কিছু প্রয়োজন আছে, এখানে একজনকে ডিপ্রাইভ করে আরেকজনকে কিছু দেওয়ার বিষয় নেই।’ আপনি যদি বাচ্চাকে ভোগবাদী বানান, তাহলে সেই স্বার্থপর সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যতে আপনাকেই বিপদে পড়তে হবে। আজ সাইকেল, কাল আইফোন, পরশু বাইক—এভাবে ওর আবদার বাড়তেই থাকবে। আপনার ইনকাম কত বা কিভাবে তাকে সেটা দেবেন, সেটা জানার প্রয়োজন সে মনে করবে না; ইনফ্যাক্ট, তার মধ্যে এই বোধটাই থাকবে না। আপনি কি এভাবে কখনো বিষয়গুলো ভেবেছেন? মনে রাখবেন, সবাই সন্তানকে ভালোবাসে। কিন্তু এই ভালোবাসা ভিজুয়ালাইজ করা বা স্যাক্রিফাইস করা মানে নিজেকে সিরিয়াসলি ডিপ্রাইভ করা নয়। বাচ্চাকে ভালোবাসেন—ভালো কথা, তার চাহিদাগুলো মেটান। যদি মনে করেন, আপনার ইনকাম দিয়ে বাচ্চাকে ঠিকমতো ভরণপোষণ করতে পারছেন না, তাহলে কিভাবে নিজের রোজগার বাড়ানো যায়, এমন রিসোর্স খুঁজুন। সন্তানকে ভালো রাখুন, নিজেও ভালো থাকুন। #positiveparenting

13/11/2025
10/11/2025

পারলে এই ধাঁধাটির উত্তর দিয়ে যান, জানি ৯৯% লোক বলতে পারবে না

.



Jammu and Kashmir's armless archer and Paralympics medallist Sheetal Devi edged out quadruple amputee Payal Nag of Odisha to win the gold in a much anticipated clash of the Khelo India Para Games here on Sunday.
In the battle between two teenagers, defending champion Sheetal came from behind to successfully bag her second gold medal of the Games at the Jawaharlal Nehru Stadium.
Pitted 17-year-old Payal, Sheetal, 18, triumphed 109-103 in their cot
Payal doesn't have all the four limbs as she lost them due to electrocution when she was a child, and she shoots with prosthetic legs.
The sunny conditions at the national capital didn't deter the competitive spirit of the archers as 40-year-old Rakesh Kumar and the 30-en gold medal match while Haryana's Pooja won ound gold med7 while Payal beoubl
Payal, however, lost the upper hand in the third round where she shot a 7 for the first time and Sheetal got back to her consistent best ofd 10s. The deciding fifth rou medal for India ra Games.
"Eae arrows with two devices in my prosthetic legs roblem adjusting but I still reached the final despite the discomfort and also there was a lot of windy conditions today. But I am happy to have competed in the final and got the silver," sd.
As per her coach Kuldeep Vedwan, Payal got a new dev

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


4th Floor MS Centre, BIDC , Joydebpur
Gazipur
1700

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00