19/12/2023
নির্বাচন নয় , সংলাপ নয় - কি চায় বিএনপি ?
বিএনপি কী চায় তা কেবল বিএনপিই জানে। তবে তাদের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ডের সংমিশ্রণে যা মনে হয় যে তারা সবসময় মানুষের ক্ষতি ই চেয়ে এসেছে। দেশের ক্ষতি । বিএনপি সব সময় ই বিপদগামী দল। তারা মানুষের কথা চিন্তা না করে নিজেদের কথা চিন্তা করেছে সব সময়। তাদের প্রধান অস্র হচ্ছে মানুষের জীবনকে জিম্মি করে নিজেদের লাভ ফায়দা করে নেওয়া। গুজব সংঘাত-সংঘর্ষ, নৈরাজ্য, অরাজকতা ও রক্তপাত ঘটানোই বিএনপির একমাত্র কাজ। গুজবের মাধ্যমে এবার তারা মানুষের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে জনজীবনে আতঙ্কিত করে অনেক ক্ষতি করেছে বিএনপি দলটি। তাই বর্তমানে তারা দেশের মানুষের সমর্থন হাড়িয়েছে। বিএনপির প্রপাগান্ডা বাহিনীর মিথ্যাচারী মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে জনগণের কাছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবার জামায়াত, শিবির, ধর্মান্ধ গোষ্ঠীসহ জঙ্গি সন্ত্রাসের উত্থান ও বিস্তার ঘটবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের আবার ‘লক স্টক অ্যান্ড ব্যারেল’সহ বাংলাদেশে প্রবেশ। আর তার মানেই হলো পুনরায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উত্থান। দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি সন্ত্রাস এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের উত্থানের ফলে দেশ আবার ২০০১-০৬ মেয়াদের মতোই এক পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য পুরনো অভ্যাসমতো আরো কঠিনভাবে রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে শেষ এবং দেশকে সম্পূর্ণভাবে হিন্দুশূন্য করার মিশনে বেপরোয়া হয়ে যাবে। দেশের অভ্যন্তরে সংঘাত, সংঘর্ষ ও রক্তপাত ঘটাতে চাইলে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানসমূহ সংগত কারণেই অত্যন্ত কঠোর হস্তে সেটি দমন করবে, সেটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে বিএনপি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সব কিছুকে মনেপ্রাণে ধারণ করে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরে আসত, তাহলে দেশের জন্য যেমন সেটি মঙ্গলজনক হতো, তেমনি বিএনপির জন্যও আগামী দিনে ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। দেশে দ্বিদলীয় গণতান্ত্রিক সুস্থ একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠত। তা যদি হতো তাহলে তথাকথিত নিরপেক্ষ সুশীলরা আর ওয়ান-ইলেভেনের পাঁয়তারা করতে পারত না। বিদেশি কোনো রাষ্ট্রও বাংলাদেশকে নিয়ে টেবিল টেনিস খেলার সুযোগ পেত না।
এখন তারা নির্বাচন করতেও চায় না এবং সংলাপ করতেও চায়না। কিন্তু দিনের দিনের পর বাস ট্রেন গাড়িতে আগুন দিয়েই যাচ্ছে হরতাল অবরোধের নাম করে! কিন্তু কেন! এখনই সময় সব কিছুর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর। আমাদের মনে রাখতে হবে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।