পবিত্র কোরআনে মা-বাবার জন্য তিনটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। তা হলো-
১- (সুরা : বনি ইসরায়েল, আয়াত : ২৪)
ربِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيْنِي صَغِيرًا
উচ্চারণ : রব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সগিরা।
অর্থ : হে আমার রব, তাদের উভয়ের ওপর অনুগ্রহ করুন, যেমন তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।
২- (সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪১)
رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيَّ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ يَوۡمَ يَقُومُ ٱلۡحِسَابُ
উচ্চারণ : রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়া, ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।
অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! রোজ কিয়ামতে আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সব মুমিনকে ক্ষমা করুন।’
৩- (সুরা নুহ, আয়াত : ২৮)
رَّبِّ ٱغۡفِرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيۡتِيَ مُؤۡمِنٗا وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۖ
উচ্চারণ : রাব্বিগ ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়া, ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মুমিনা, ওয়ালিল মুমিনিনা ওয়াল মুমিনাত।
অর্থ : ‘হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষদের ক্ষমা করুন।’
Islam Philosophy & Science
Islamic Meditation. Consultation & Training.
ইসলামিক ধ্যান ও গবেষণা কেন্দ্র।� Islamic Center
দু‘আর সাতটি গোপন উপাদান
আমাদেরকে ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়েছে —"প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর দু‘আ করো। হাত তোলো, ঠিকভাবে বলো, বিনীতভাবে চাও।
আমরা তা বহু বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে করছি, হয়তো কয়েক দশক ধরে করছি।
অধিকাংশ মানুষ ভাবে দু’আ করার পদ্ধতি হল-
“আরবিতে বলো”,
“ফজরের পর বলো”,
“কান্না করে বলো”,
“একশবার বলো” —
ইত্যাদি, ইত্যাদি
কিন্তু কেউ কি কখনও আমাদেরকে বলেছে, দু‘আ কবুল হওয়ার জন্য তাতে সাতটি উপাদান থাকতে হয়? যা ছাড়া দু‘আ শুধু শব্দেই সীমাবদ্ধ থাকে?
কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লোকটার অবস্থা বদলে গেল।
ইবনুল আরাবী (র.) ছিলেন আট শতাব্দী আগের মানুষ। আন্দালুসিয়ার মুরসিয়ায় জন্ম নিয়ে তিনি মক্কা, দামেস্ক, কায়রো থেকে কোনিয়ায় ঘুরেছেন — শুধু বই পড়ে নয়, হৃদয়ের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক পেতেছিলেন। তাঁকে বলা হতো আশ-শাইখুল আকবর — অর্থাৎ “মহানতম শিক্ষক”।
তিনি বলেছিলেন:
“সমস্যা তোমার চাওয়ায় নয়; সমস্যা হচ্ছে, আসলে চাওয়া বলতে কী বোঝায় তা তুমি এখনো জানো না ।”
এক রাতে এক মানুষ এলেন তাঁর কাছে — ভগ্ন, ক্লান্ত, নিরাশ। বিশ বছর ধরে তিনি একটাই দু‘আ করছিলেন- মেয়ের আরোগ্য, ঋণমুক্তি, সংসারের শান্তি।
সবই করেছেন — নামাজ, রোজা, দান, কান্না, অনুনয় — কিন্তু কিছুই বদলায়নি।
তিনি প্রশ্ন করলেন, “আল্লাহ কি আমার কথা শুনছেন না? আমি কি অযোগ্য?”
ইবনুল আরাবী কিছুক্ষণ নীরব থেকে যা বললেন তা তাঁর জীবন চিরতরে বদলে দিল:
তিনি বললেন,“তুমি বলছো, কিন্তু শুনছো না। দু‘আ একপাক্ষিক কথা নয়, বরং দু‘আ একটি সংলাপ, মানেই বলাও আছে, শুনাও আছে।
ইবনুল আরাবী বলেছিলেন, আল্লাহর সাথে আলাপে আছে সাতটি উপাদান। এই উপাদানগুলো ঠিকভাবে না থাকলে, দু‘আ কেবল আকাশে মিলিয়ে যায়।
অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করে শুধু দুইটি — আল্লাহর প্রশংসা করা আর চাওয়া। তারপর ভাবে, কেন আমাড় দু’আ কবুল হয় না!
ইবনুল আরাবী সেই মানুষকে নতুন কোনো বাক্য শেখালেন না — বরং তাঁকে নিয়ে গেলেন রাতের আকাশের নিচে। তারার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি যখন তারার দিকে তাকাও, তখন কি তাদের বলো — আমার জন্য আলো দাও?”
লোকটি বলল, “না।”
“তাহলে দেখো,” ইবনুল আরাবী বললেন, “তুমি শুধু তাদের দেখো। তারা তো আগেই জ্বলছে — তুমি চাও বা না চাও।”
এটাই প্রথম উপাদান: আল্লাহর রহমত তোমার চাওয়ার আগেই বিদ্যমান।
দু‘আ আল্লাহর মন পরিবর্তন করে না — বরং এটি তোমার হৃদয় খুলে দেয়, যাতে তুমি সেই রহমত অনুভব করতে পারো যা সবসময়ই তোমার দিকে প্রবাহিত।
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
“আমার বান্দারা যদি আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে, আমি তো কাছেই আছি। সে যখন আমাকে ডাকে, আমি তার আহ্বানে সাড়া দিই।”
(সূরা আল-বাকারা ২:১৮৬)
সত্যিকারের দু‘আর সাতটি উপাদান
ইবনুল আরাবী বলেছিলেন, দু‘আ হলো এক আধ্যাত্মিক স্থাপনা — যার সাতটি উপাদান একে পূর্ণতা দেয়।
অধিকাংশ মানুষ শুধু প্রথম ধাপে দাঁড়িয়ে থাকে, আর ভাবে কেন উত্তর আসে না।
১️ দু‘আ মানে চাওয়া নয়, দু‘আ মানে স্মরণ করা।
আরোগ্য চাইলে আগে স্মরণ করো “আশ-শাফি” — যিনি আরোগ্য দেন।
রিজিক চাইলে আগে স্মরণ করো “আর-রাযযাক” — যিনি রিজিক দান করেন।
ইমাম গাজ্জালী বলেছেন:
“দু‘আর উদ্দেশ্য আল্লাহকে তোমার প্রয়োজন জানানো নয় — বরং তোমার ভেতর জাগিয়ে তোলা, তিনি কতটা দয়ালু।”
যখন স্মরণ দিয়ে শুরু করো, তখন তোমার চাওয়া আল্লাহর ইচ্ছার সাথে মিশে যায়।
২️⃣ দু‘আ মানে চাওয়া নয়, আত্মসমর্পণ।
আমরা ভাবি আমরা জানি কী ভালো, কিন্তু আল্লাহ জানেন আরও গভীরভাবে।
সত্যিকারের দু‘আ হলো —
“হে আল্লাহ, তুমি যা জানো আমার জন্য ভালো, তাই দাও — যদিও আমার মন তা চায় না।”
রুমি সুন্দরভাবে বলেছিলেন:
“নিজের ইচ্ছা পূরণের প্রার্থনা কোরো না, বরং প্রার্থনা করো যেন তোমার ইচ্ছা তাঁর ইচ্ছার সাথে মিলে যায়।”
৩️⃣ দু‘আ মানে বলা নয়, শোনা।
স্মরণ করার পর একটু নীরব হও, মনোযোগ দিয়ে অপেক্ষা করো, অনুভব করো। কারণ নবী ﷺ বলেছেন:
“মনোযোগহীন হৃদয়ের দু‘আ আল্লাহ কবুল করেন না।” (তিরমিযি)
অনেক সময় উত্তর আসে কথায় নয়, শান্ত অনুভূতিতে — বুকের ভেতর এক প্রশান্তি হিসেবে।
৪️⃣ দু‘আয় দরকার উপস্থিতি।
হৃদয় যদি অন্য জায়গায় থাকে, মুখের শব্দ কিছুই করে না।
দু‘আর আগে কয়েকবার গভীরভাবে শ্বাস নাও, অনুভব করো — তুমি এখন আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আছ।
ইবনুল আরাবী বলেছিলেন:
“নিজেকে গুছিয়ে নাও, তারপর নিজেকে উপহার দাও।”
৫️⃣ দু‘আ শুরু হোক কৃতজ্ঞতা দিয়ে।
আরও কিছু চাওয়ার আগে ভাবো — ইতিমধ্যেই কত কিছু পেয়েছ।
কৃতজ্ঞতা হৃদয় খুলে দেয়, যেমন সূর্যের আলোয় ফুল ফোটে।
আল্লাহ বলেন:
“তোমরা কৃতজ্ঞ হলে আমি অবশ্যই তোমাদের আরও দান করব।” (সূরা ইবরাহীম ১৪:৭)
৬️⃣ দু‘আর সাথে কাজও থাকতে হবে।
তুমি সুস্থতার জন্য দু‘আ করে ক্ষতিকর অভ্যাস চালিয়ে যেতে পারো না। রিজিকের জন্য দু‘আ করে অলস বসে থাকাও যায় না। ভালোবাসা চাইলে আগে ভালোবাসা দিতে হবে।
নবী ﷺ বলেছেন:
“প্রথমে তোমার উট বেঁধে রাখো, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা করো।” (তিরমিযি)
দু‘আ হলো বীজ, আর কাজ হলো পানি — দুটোই প্রয়োজন।
৭️⃣ দু‘আ চায় তোমার পরিবর্তন।
আল্লাহ উত্তর দিতে দেরি করেন না — কখনও কখনও তিনি আমাদেরকে প্রস্তুত করেন সেই উত্তর গ্রহণের জন্য।
আল্লাহ বলেন:
“আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের ভেতর পরিবর্তন আনে।” (সূরা আর-রাআদ ১৩:১১)
ধৈর্য মানে অপেক্ষা নয় — বরং সেই সময়ে নিজেকে বদলে ফেলা।
সত্যিকারের উত্তর কীভাবে আসে
যখন এই সাতটি উপাদান একসাথে কাজ করে, তখন দু‘আ কেবল মুখের কথা থাকে না — এটি তোমার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়। তোমার নিঃশ্বাস, তোমার হৃদস্পন্দন, তোমার প্রতিটি মুহূর্তই তখন এক প্রার্থনা।
তখন প্রশ্নটা বদলে যায় —
“আমার দু‘আ কবুল হলো না কেন?” থেকে “আমি আগে কেন বুঝিনি, প্রতিটি মুহূর্তই তো একেকটা উত্তর ছিল!”
একসময় তোমার মনে হবে, তোমার ভেতরে এক প্রশান্ত সাড়া বাজছে — অনেক পুরোনো দু‘আ, যা তুমি ভুলে গিয়েছিলে, ধীরে ধীরে পূর্ণ হতে শুরু করেছে। তুমি বুঝবে — আল্লাহ কখনও দূরে ছিলেন না। তাঁর নীরবতা কখনও প্রত্যাখ্যান ছিল না, ছিল আমাদেরকে প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া।
যে মানুষটি ইবনুল আরাবীর কাছে গিয়েছিল, পরে দেখল — তার মেয়ে সুস্থ হয়েছে, ঋণ মিটেছে, সংসারে শান্তি এসেছে।
কিন্তু সে বুঝল — সবচেয়ে বড় উত্তর আসলে এই পরিবর্তনগুলো নয়, বরং সে নিজে যে মানুষে পরিণত হয়েছে তার মধ্যেই ছিল।
সে শিখেছিল দু‘আ ভয়ে নয়, বিশ্বাসের সাথে করতে হয়। শূন্যতা থেকে নয়, প্রাচুর্য থেকে। আল্লাহর ইচ্ছা বদলানোর জন্য নয়, বরং সেই ইচ্ছার সাথে মিশে যাওয়ার জন্য দু’আ করতে হয়।
যদি মনে হয় তোমার দু‘আ এখনো উত্তরহীন।
আল্লাহ আমাদেরকে এমন এক দু‘আ শেখাচ্ছেন, যা কিছু চায় না, বরং চাওয়াকেই বদলে দেয়।
আজ রাতে যখন তুমি হাত তুলবে, মনে রেখো —"তুমি অন্ধকারে কথা বলছ না, তুমি তাঁর সাথে কথা বলছ, যিনি সবসময় শুনছেন, সাড়া দিচ্ছেন, আর তোমার কাছেই আছেন।
“নিশ্চয়ই আমার রহমত সব কিছুকে আচ্ছাদিত করেছে।” (সূরা আল-আ‘রাফ ৭:১৫৬)
🌿 তোমার দু‘আ হোক গভীর,
💖 তোমার হৃদয় হোক উন্মুক্ত,
✨ আর কখনও ভুলে যেও না — আল্লাহ সম্ভবত ইতিমধ্যেই উত্তর দিয়ে দিয়েছেন।
#দুয়া
19/09/2025
সূরা আল-আ’রাফে (৭:২৩)ঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণ : “রব্বানা জালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকুনান্না মিনাল খসিরীন”
বাংলা অর্থঃ “হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদের ক্ষমা না করো এবং আমাদের প্রতি দয়া না করো, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত হব।”
শানে নজুলঃ আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) তাদের পাপ স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এটি আমাদের শিখায় যে আমাদেরও নিজেদের ভুল ও পাপ স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
শব্দের বিশ্লেষণঃ
رَبَّنَاঃ
আমাদের প্রভু। এটি আল্লাহকে সম্বোধন করার একটি নম্র এবং গভীর শ্রদ্ধাশীল উপায়।
ظَلَمْنَاঃ
আমরা জুলুম করেছি। এখানে নিজের ভুল ও পাপের কথা স্বীকার করা হচ্ছে।
أَنفُسَنَاঃ
নিজেদের প্রতি। এটি নিজের প্রতি অন্যায় ও জুলুম করার ইঙ্গিত দেয়।
وَإِن لَّمْঃ
এবং যদি না। এটি শর্ত ও শর্তাধীন প্রার্থনার অংশ।
تَغْفِرْঃ
তুমি ক্ষমা করো। এটি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনার অংশ।
لَنَاঃ
আমাদের জন্য। এটি বিশেষ করে নিজের জন্য প্রার্থনা।
وَتَرْحَمْنَاঃ
এবং তুমি আমাদের প্রতি দয়া করো। এটি আল্লাহর রহমত প্রার্থনার অংশ।
لَنَكُونَنَّঃ
নিশ্চয়ই আমরা হবো। এটি শর্তাধীন ফলাফল প্রকাশ করে।
مِنَ الْخَاسِرِينَঃ
ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত। এটি ফলাফলের ইঙ্গিত দেয় যা, ক্ষমা ও দয়া না পেলে হতে পারে।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু" اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ
31/05/2025
১৯৭১ সালে মন্ত্রী নিয়ে সরকারের অংশীদার হওয়ায় "জামায়াতে ইসলামী" কোন ভাবেই ৭১ এর গণহ'ত্যার দায়ভার এড়াতে পারে না।
"৭১ এর গণহ'ত্যার দায়ে" পাকিস্থানের পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, এমনকি রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় ভাবে ক্ষমা চেয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে "৭১ এর গণহ'ত্যায়" দায় স্বীকার করে "জামায়াতে ইসলামী" এর রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশী দের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ ও অবশ্য কর্তব্য।
অন্যথায় "জামায়াতে ইসলামী" ও এর নেতা-কর্মীরা দুনিয়াতে তো বটেই, হাশরের ময়দানেও মাফ পাবে না। কারণ, ৭১ এ বাংলাদেশে যে জান ও মালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ব্যক্তির ক্ষতি। ব্যক্তির ক্ষতি মাফ করার অধিকার আল্লাহ তায়ালা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির কাছেই ন্যাস্ত করেছেন।
"৭১ এর গণহ'ত্যার অপরাধে" দুনিয়া থেকে বিচার ও ক্ষমা না নিলে হাশরের ময়দানে "জামায়াতে ইসলামী" ও এর নেতা-কর্মীরা কেউই দায় এড়াতে পারবে না।
"জামায়াতে ইসলামী" ও এর কর্মীদের উচিৎ "৭১ এর গণহ'ত্যার দায়" স্বীকার করে দলটির নেতাদের কাছে দলীয় ভাবে ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া।
31/05/2025
মোটা দাগে পৃথিবী ২ ভাগে বিভক্ত, মুসলিম ও মুসলিম বিরোধী!
সকল ধর্মের মধ্যে একমাত্র ইসলাম মানেই মৌলবাদ, মুসলিম নিধন মানেই জঙ্গি দমন!! বিপরীতে ইসলাম বিরোধিতা মানে প্রগতিশীলতা!!
সমস্যা হলো মুসলমানরা অধিকাংশই নামকাওয়াস্তে মুসলমান। এরা ইসলাম কি তা-ই জানে না, জানতে চায়ও না। এরা নিজেদের প্রগতিশীল প্রমান করতে ইসলাম পরিপন্থী জীবনধারা অনুসরণ করতেই বেশি পছন্দ করে।
যারা মধ্যম পন্থী মুসলমান, তাঁরা নামকাওয়াস্তে মুসলমানদের কারনে বিভ্রান্ত হয়।
আর যারা ডানপন্থী মুসলমান তাঁরা এইসব বৈষম্য দেখে চরম পন্থী হয়ে ওঠে!
29/05/2025
বুদ্ধি কী?
যে কোন অবস্থা থেকে সুবিধামত ফলাফল বের করেতে পাড়ার নামই বুদ্ধি।
বুদ্ধি মানে শুধু পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা না।
"সুখ" কী?
প্রিয়জন এবং প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে থাকতে পাড়াই সবচেয়ে বড় "সুখ"।
Inshaallah,
We will launch a memory boosting program shortly.
اللّهُـمَّ إِنِّـي أَعـوذُ بِكَ مِنَ الهَـمِّ وَالْحَـزَنِ، وَالْعَجْـزِ وَالْكَسَـلِ، وَالْجُـبْنِ وَالْبُخْـلِ...
alllhuma 'iiniy 'aewdh bik min alhami walhazani, waleajz walkasali, waljubn walbukhli...
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুশ্চিন্তা ও দুঃখ, অসহায়ত্ব ও অলসতা, কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
২৭৫/১, চা-বাগান, জয়দেবপুর, গাজীপুর সদর, গাজীপুর ঢাকা।
Gazipur
১৭১০