12/09/2024
আমাদের দেশের জটিল একটি সমস্যা হলো দারিদ্রতা। এদেশের এখনো ২৫ থেকে ৩০% মানুষ দরিদ্র। শিক্ষিত ২০ থেকে ২৫ লাখ বেকার। নতুন শিক্ষিত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ যুবক- যুবতী, এখনো লক্ষ লক্ষ ভিক্ষুক ভিক্ষা করে বেড়ায়। স্বাধীনতার ৫৩ বছর হলেও অনেক সমস্যার সমাধান হলেও এগুলোর সমাধান হয়নি। আমার ক্ষমতা থাকলে প্রথমেই ২৫ থেকে ৩০% দরিদ্র পরিবার কে(১) রেশনিং এর ব্যবস্থা করতাম। যতদিন না ওই পরিবারগুলো থেকে কেউ উপার্জন বা চাকরি করতে সক্ষম হয় ততদিন পর্যন্ত। কম মূল্যে ওই পরিবারকে মৌলিক চাহিদা পূরণ অথবা বিনা সুদে ঋণ দিয়ে ওই পরিবারকে সাবলম্বী করে তুলতাম, আত্ম কর্মসংস্থানের (পোল্ট্রি, ডেইরি, হ্যাচারি, নার্সারি, কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, যেকোনো ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে) । প্রয়োজনে সরকারি ঋণের মাধ্যমে বিদেশে একজন হলেও ওই পরিবার থেকে পাঠিয়ে দিতাম উপার্জনের উদ্দেশ্যে।( ২)বেকারদের জন্য এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স সার্টিফিকেট জমা রেখে ৫-১০- ২০ লাখ টাকা ঋণ দিয়ে আত্ম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতাম। তাদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবস্থা করতাম। প্রয়োজনে তাদের ঋণের মাধ্যমে বিদেশ প্রেরণ করে দিতাম এবং যে সকল দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে সে দেশে পাঠিয়ে দিতাম। স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য। নইলে পার্টটাইম জবের দেশেই ব্যবস্থা করে দিতাম। (৩)ভিক্ষুকদের যারা কাজ করতে সক্ষম তাদের কাজের ব্যবস্থা করতাম অন্যদেরকে সরকারি অর্থায়নে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতাম। তাদের আলাদা বাড়ি ঘরের ব্যবস্থা করা হতো।সরকারি খাস জমিতে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। আজকে অনেক কষ্ট নিয়ে কথাগুলো লিখছি। দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত এই বিষয়গুলো পড়াচ্ছি যে ইংল্যান্ডে ১৩৪৯ থেকে ১৬০১ পর্যন্ত দরিদ্র বেকার ও ভিক্ষুকদের জন্য ৪৩ টি আইন প্রণীত হয়েছিল। যার কারণে পুরা পৃথিবীতে ইংল্যান্ড একটি মডেল হিসেবে পৃথিবীকে শাসন করেছিল। আজকেও ক্লাসে লেকচার দিতে গিয়ে বুকে রক্তক্ষরণ হয়েছিল ভিতরে। শিক্ষার্থীদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করেছিলাম। যখন অনেক অনেক উন্নয়নের কথা বলি কিন্তু ইংল্যান্ড যেটা ৭০০ বছর আগে বুঝে ছিল আমরা এখনো বুঝতে পারি নাই। সত্যি কথা হল অনেকেই অনেক কথা বললেও এই ২৫ থেকে ৩০% দরিদ্র মানুষের কথা বেকারদের কথা ও ভিক্ষুকদের কথা কেউ বলে না। পরবর্তীতে যেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসুক না কেন অন্তত এই মানুষগুলোকে ভুলে যাবেন না প্লিজ।
14/08/2023
16/03/2023
05/03/2023
11/01/2023
02/01/2023