AIU

AIU

Share

AIU

27/06/2023
25/06/2023

"বিসিএস পরীক্ষা না দিয়ে যখন বিজনেসে আসলাম, তখন যে মানুষগুলো খুব হাসাহাসি করছিলো, তাদের কেউ কেউ এখন নিজের লাইফ নিয়ে হতাশ।

আমার জন্ম নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে। জন্ম নীলফামারীতে হলেও আমি বেড়ে উঠেছি পাবনায়। আমার বাবা ছিলেন একজন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। কিন্তু আমি কখনো বড় হয়ে ব্যবসা করব কিংবা বাবার মতোই ব্যবসায়ী হব এমন ভাবনা কখনো আসেনি। তবে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে অভাব অনটন লেগেই থাকতো। তাই সব মায়ের মত আমার মায়েরও ইচ্ছা ছিল, পড়াশোনা করে মানুষ হয়ে চাকরি বাকরি করে একটা সাপোর্ট দেওয়া।

ছোটবেলা থেকেই আমার জীবন ছিলো বৈচিত্র্যপূর্ণ। স্কুল লাইফের শুরু থেকে কলেজ পর্যন্ত রোল ৩ এর বাইরে যায় নি কখনো। কিন্তু শুধু পড়াশোনা নিয়ে কখনোই পড়ে থাকতাম না। একসময় প্যাশান ছিল ফুটবলার হওয়া, কলেজ পর্যন্ত গোলকিপিং করেছি। এর মাঝে রবীন্দ্রসংগীত পেয়ে বসে আমাকে। আমার গানের জ্বালায় ক্লাসে আমার পাশে কেউ বসতে চাইতো না, কেননা সারাদিন গান গাইতাম। ক্লাস সিক্স থেকে কোরআন তেলাওয়াতের ঝোঁক হয়। ক্বারিয়ানা তেলাওয়াত শিখি। ভার্সিটিতে ওঠার আগ পর্যন্ত এটাও একটা প্যাশান ছিল। ক্যাম্পাসে এসে বখে যাই, মানে আর প্র্যাক্টিসটা করা হয়ে ওঠে না। ক্লাস টেন থেকে শুরু হয় বিতর্ক শেখা। কিন্তু গ্রামের স্কুলে বিতর্কের বিকাশ হয় না।

আল হেরা একাডেমি (স্কুল এন্ড কলেজ) থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করি। এরপর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। চান্স পাই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট (সাস্ট), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) এবং আইইউটিতে। সাথে শেকৃবিতে ওয়েটিং-এ।

বাকৃবিতে সবার আগে রেজাল্ট বের হলো, মেরিট লিস্টে ২১৫ সম্ভবত। সিদ্ধান্ত নিলাম বাকৃবিতেই ভর্তি হব। মিষ্টি নিয়ে ভর্তির আগের দিন গেলাম সেই আত্মীয়ের বাসায় যেখান থেকে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। গিয়ে আমার ফ্রেন্ডের কাছে জানলাম, আমার সাবজেক্ট চয়েজ দেওয়ার তারিখ চলে গেছে। গেলাম ডিভিএমের ডিন স্যারের সাথে দেখা করতে। বললেন, “বাবারে, ট্রেন চলে গেলে কি আর ফেরত আসে?” আইউটিতে এককালীন যে টাকা দিতে হত সেটার বন্দোবস্ত ছিল না। অপশান ছিল সাস্ট আর শেকৃবি। শেকৃবিতে আমি ওয়েটিং-এ ১৫তম ছিলাম। ঢাকার সুযোগ সুবিধা, টিউশনি করে পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়া- এসব ভেবে ভর্তি হলাম শেকৃবিতে।

অনেক স্বপ্ন নিয়ে এখানে ভর্তির পর প্রথম ধাক্কা খাই বঙ্গ প্রথায়, হলের র‍্যাগিং-এ। ক্লাস শুরুর পর দ্বিতীয় ধাক্কা খাই প্র্যাক্টিকেল লেখায়। সিস্টেমের সাথে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না কোন ভাবেই। মাথায়ই ঢুকছিলো না যে, যেটার নাম বিশ্ববিদ্যালয়; সেখানে বৈশ্বিক বিষয়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার পরিবর্তে শীট দেখে দেখে হ্যান্ড রাইটিং প্র্যাক্টিস করাই কেন হবে আসল দক্ষতা! তাই ১ম বর্ষেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আইএসএসবি (Inter Services Selection Board) দিয়ে আর্মিতে যোগ দিব। কিন্তু আমি আইএসএসবিতে বাদ পড়ে গেলাম। থাকতে হলো শেকৃবিতেই! কিন্তু এই প্র্যাক্টিকেল খাতা লেখার জন্য আর কখনোই পড়াশোনায় আগ্রহ পাই নি।

তাই অপূর্ণ প্যাশান “বিতর্ক” নিয়ে কাজ করা শুরু করি। ক্যাম্পাসের বিতর্ক সংগঠন ডিবেটিং সোসাইটির সাথে ওতোপ্রোতোভাবে যুক্ত ছিলাম। এখান থেকে ডিবেট শিখে নিজের স্কুলে ডিবেট ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বিতর্ক করতে করতে নেশার মত হয়ে যায়। আমি হল ডিবেটের সবগুলোতেই চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। জাতীয় প্রতিযোগিতা জাবিতে, শিশু নারী নির্যাতন বিতর্কতে, জাতীয় আইসিটি বিতর্কে রানার্সআপ হই।

বিতর্ক করতে করতে এক সময় বুঝতে পারি, আমি বিতর্কের গ্রাউন্ড মেকিং-এ অপ্রতিরোধ্য। সেখান থেকে কোচিং-এ আগ্রহ জন্মায়। বিতর্ক শেখানো শুরু করি। গ্রামে গিয়ে বাচ্চাদের দুইটা টিম তৈরী করি যাদের প্রথম টিম জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়, পরেরটা রানারআপ। ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে বাচ্চাদের ডিবেট শিখিয়েছি।

জীবনের একটা বড় সময়জুড়ে বিতর্ক নিয়ে থাকায় আমার ব্যক্তিজীবনে বিতর্কের অনেক প্রভাব রয়েছে । যুক্তিকে ভালবাসি, গুছিয়ে কথা বলতে পারি। এখন যারা ভার্সিটির ফার্স্ট ইয়ার কিংবা সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে, তাদের বিতর্ক চর্চায় সময় দেওয়া উচিত। প্র্যাক্টিকেল খাতা লেখা মানুষের ব্রেনকে যেমন ভোতা বানিয়ে দেয়, বিতর্ক বানায় তুখোর এবং অাত্মবিশ্বাসী। এখনো মনে হয়, সময় বের করে একটা ভাল বিতার্কিক টিম গড়ে তুলবো। যারা যখন কর্মক্ষেত্রে যাবে, প্রত্যেকেই হয়ে উঠবে আত্মপ্রত্যয়ী, যুক্তিবাদী মানুষ।

অনার্স শেষে মাস্টার্স করতে করতে ৩৮তম বিসিএসের ফর্ম তুললাম। পরীক্ষা দেওয়া হলো না। ছোট ভাইয়ের সাথে একটা বিজনেস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রোস্পেক্ট চিন্তা করে ভাল লেগে গেলো। শুরুটা ছিল ওকে বিজনেস মডেলিং-এ হেল্প করা। অ্যাপের ইউআই ইউএক্স ডিজাইনে হেল্প করা। ধীরে ধীরে কিভাবে যে বিজনেসে ঢুকে গেলাম টেরও পাই নি।

কর্মজীবন শুরু হলো “রোবটডাকো” নামের একটা ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম দিয়ে। হিসাব করে দেখলাম ২ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে ৪ মাসের মধ্যে লাভবান হওয়া যাবে। আব্বুকে বললাম। তাকে রাজি করালাম বিজনেসে ইনভেস্ট করতে। ৬ মাস পরেও যখন দেখলাম এক পয়সা লাভ হয় নি, তখন মাথায় নাড়া দিল যে এটা বিজনেস, আলাদীনের চ্যারাগ নয়। বিজনেস জানতে হয়, শিখতে হয়।

বাপের টাকা পয়সা যখন শেষের পথে ততদিনে আমি হল ছেড়ে ভাইয়ের সাথে বাসায় থাকি। ব্যাচেলেরের বাসা। বুয়াই ভরসা। সকালে বুয়া আসলে খেতে পারি, না হলে না খেয়ে থাকতে হয়, কারণ রাধতে পারি না। ততদিনে রোবটডাকো লাটে উঠে গেছে। ওদিকে বুয়ার জালায় অতিষ্ঠ। একদিন আসে তো তিনদিন খবর নাই। একরাতে দুইভাই চিন্তা করলাম, আমরা তো মানুষের সমস্যা সমধান করে একটা বিজনেস মডেল দাঁড় করাতে চাই। ঢাকায় তো বুয়ার উপরে সমস্যা নাই। কেন এটা নিয়ে কাজ করছি না?

একটা পোস্ট বানালাম রাতের বেলা, “বুয়া একদিন আসে, তিনদিন আসে না? অন ডিমান্ড গৃহকর্মী আসছে”। পরেরদিন পোস্ট ভাইরাল হয়ে গেলো। সেই থেকে বিজনেজে “পিভট” টার্মের সাথে পরিচয় হলো। রোবটডাকো থেকে নতুন নাম দিলাম, “হ্যালোটাস্ক”। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয় নি।

মাত্র ২জন গৃহকর্মী নিয়ে শুরু করে এখন পর্যন্ত আমাদের প্ল্যাটফর্মে গৃহকর্মীর সংখ্যা হাজারের উপরে। বাবার দেওয়া টাকা শেষ হওয়ার পর জানলাম, স্টার্টআপ করতে টাকা লাগে না। ইনভেস্টর পাওয়া যায়। এক বছরের মাথায় দেশি কিছু এঞ্জেল ইনভেস্টর পেলাম। পরে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা অক্সফাম আমাদের দেশে আসলো ১০ মিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট নিয়ে। তারা হ্যালোটাস্ককে ৪ বছরের প্রজেক্ট অফার করল যেখানে আমরা ১৬ হাজার গৃহকর্মীকে ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (এনএসডিএ) সার্টিফাইড কোর্স শেষে হ্যালোটাস্কের মাধ্যমে জব প্লেসমেন্ট করতে পারি। এই প্রজেক্টের ফলে আমাদের অপারেশানাল খরচ প্রায় ৬৬% কমে গেল। সিংগাপুর থেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইনভেস্ট করলো। সিঙ্গাপুরে কোম্পানি ফর্ম করলাম। সব কিছু হয়ে গেলো বছর দুয়েকের মধ্যে। ক্যাম্পাসে মাস্টার্স শেষ করতে করতেই আমার বিজনেসের একটা ফাউন্ডেশান হয়ে গেলো।

আমাদের উদ্দেশ্য এখন বাংলাদেশে কেয়ার গিভার ইন্ডাস্ট্রি তৈরী করা যেখানে গৃহকর্মীরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা দেবে। কিন্তু দেশে এক কোটির বেশি গৃহকর্মী এখনো রয়েছে যারা মূল অর্থনীতির বাইরে, এমনকি শ্রম আইনেরও বাইরে। আমাদের হ্যালোটাস্কের মাধ্যমে আমরা তাদের মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট করে দিচ্ছি, অ্যাপ চালাতে পারদর্শী করছি। হাউজ কিপিং, কুকিং, বেবি সিটিং, এল্ডার্লি কেয়ার-এর প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। অক্সফ্যাম অর্থায়নে সার্টিকেট কোর্স চালু করেছি। আমরা চাই তাদের নিরাপদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে।

আমরা সাউথ-ইস্ট এশিয়ার ইকোসিস্টেমে কেয়ার গিভিং সেক্টরে ইউনিকর্ন হতে চাই। আমরা বাংলাদেশের মত দেশে গৃহকর্মী খোঁজার প্রচলিত সিস্টেমকে চেঞ্জ করে উবারের মত অ্যাপভিত্তিক প্রযুক্তিতে নিয়ে এসেছি। যেখানে গ্রাহক চাইলেই যে কোন সময় একজন প্রশিক্ষিত গৃহকর্মীকে হায়ার করতে পারেন ঘরের যে কোন কাজ করানোর জন্য। চাইলে ৭-৩০ দিনের চুক্তিতেও গৃহকর্মী নিতে পারেন। যে গৃহকর্মী খুঁজতে তাকে দারোয়ান, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশিকে ধরতে হত।

আমার কাছে মনে হয় আমাদের জীবন অনেকটা বুফে ডিনারের মত। যেখানে প্রচুর আইটেম থাকে। কেউ যদি শুরুতেই স্যুপ খেয়ে টেস্টি মনে করে ৩-৪ বাটি স্যুপ খেয়ে ফেলে, তাহলে এর পরে যে আরো সুস্বাদু আইটেমগুলো ছিল, সে কখনো তার টেস্টই বুঝতে পারবে না। তাই আমাদের উচিত কর্মজীবন শুরুর আগে ভালো করে জানা যে পৃথিবীতে কী কী করতে পারতাম। নিজের ভাল লাগাকে প্রায়োরিটি দেওয়া উচিত। শুধু পাশের রুমের দু-চারজন সিনিয়র ভাই আপুর পড়াশোনা দেখে তাদের লাইফের গোলকে নিজের গোল মনে করাটা বোকামি। কারণ একটা “৯-৫টা জব” সবাই পাবে কিন্তু দিনশেষে সেই ভাল থাকবে, যার নিজের কাজটা করতে ভাল লাগে।"

মো. মাহমুদুল হাসান লিখন
সিইও, হ্যালোটাস্ক
৭০তম ব্যাচ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।




"Once, some of my friends made mockery of me since I wasn't going to attend BCS examination, now some of them are frustrated with their career.

I was born in sayeedpur of Nilphamari, but I was brought up in Pabna. My father was a full-time businessman. I belonged to a lower-middle-class family. From the very childhood, my sole purpose was to make me happy and erase all the sorrows of my mother. I never imagined that one day I would become a businessman like my father.

My childhood was diversified. I was good at playing football. I enjoyed singing when I was young. I liked Rabindra sangeet. I was also a religious person at the same time, Which made me interested in becoming a Qari(Reciter of Al Quran) one day when I was in class six. We were taught about Arabic literature until level 8, Which helped me to excel in the Arabic language. I got GPA-5.00 in both SSC and HSC from Al-hera Academy.

After that, I applied to too many universities. I got selected in SUST, IUT, BAU, and SAU. I decided to get admitted to BAU, but I couldn't due to the failure to give a subject choice on due time. Also, we couldn't pay the fees for IUT. So, I came to Sher-e-Bangla Agricultural University. One of the reasons for being admitted to SAU was that I could live in Dhaka, which will help me have an income of my own by providing tuition to support my family.

After getting admitted, I couldn't cope up with the system of SAU. Notably, writing of practical notebooks was something that always disgusted me. So in the very first year, I wanted to get my self into the army. But I failed in ISSB.
So, I remained at SAU.

I was never serious in studies at SAU. I always thought that I would never get the chance to apply the knowledge that I had gathered in SAU. I was involved with the debating club from the very beginning. I established a debating club at my school. If someone wants to get connected with a club, they must love their work. But I never saw those things here.

I was always the champion in the hall debate and stood runners-up in JU, National ICT debate. I think my self as a better coach than a debater. I've given a lot of time in creating debaters.

If someone is the reason for my getting involved in the home maid supplying platform "Hello Task," then he is my brother. My little brother has always been interested in business. He has always been an extrovert. In 2017 he decided to establish a delivery service named Robo Dako. Just like UBER, we thought that there would be a platform for the delivery. But we failed miserably since we created a product which didn't have any market.

During that time, I left my hall. We started living as a bachelor in a flat in Dhaka. But the home maid's sudden absence was a significant problem. So we one day posted on Facebook writing "Bua ekdin ashe toh Doshdin ashen na (Home maid's absence is more significant than their presence), which became a viral post overnight. So, we got the idea to create a platform for home maid services for the first time.

Now, we have almost 700 maids working for us. We have served nearly 36,000 customers. Oxfam, an international NGO, came to our country with 10 million dollars. They offered us four years project. Morever, they will add a $2.2 million grant, which will reduce our operational cost by 66%.

Our mission is to create a highly scalable platform. Now almost 10 million maids are outside the mainstream economy. We have been able to open them a bank account. We are teaching them the proficient use of apps. We have changed the word mouth employing system with the help of technology. Because of Hello Task, maids are now capable of earning thrice the amount of what they have made before. Now people know me as a "Buar Bebshayi "( Businesses men of the maid)

Our life is like a Buffet dinner. We can not fill up our tummies with soups. If we do so, we will miss other tasty dishes. So before starting any career, we should know what other things we could do in the world. What is more important than anything in life is knowing thyself. One should always prioritize one's passion. One should not decide one's career by seeing any of the seniors in the room. Everybody can do nine to five work, but only he will be happy who does enjoy his work."

Mahmudul Hasan Likhon
CEO, Hellotask
70th Batch,
Sher-e-Bangla Agricultural university

© Humans of SAU

Photos from Teletalk's post 23/06/2023
Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
Gazipur
1710