তুমি কি আল্লাহকে মিস করো না?
এই যে একটু একটু করে গুনাহ করছো,
একটু একটু করে আল্লাহর থেকে দূরে যাচ্ছ, তুমি কি অন্তরের অশান্ত ভাব অনুভব করো না? তুমি কি অনুভব করো না যে কোথাও কিছু একটা নেই... কত কিছু থেকে ও যেন সুকুন নেই।
ফিরে আসো,
সব শেষ হয়ে যায়নি,
মৃত্যু এখনো তোমাকে ডাকেনি,
There is still Hope...
©
Alokito Jibon-আলোকিত জীবন
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alokito Jibon-আলোকিত জীবন, Religious school, Gazipur.
ভালো কিছুর সন্ধান সিরিজ
সকল পর্বের লিংক একত্রে
প্রথম পর্ব: বোনদের জন্য সেরা কিছু আইডি, পেইজ ও চ্যানেলের লিংক
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=143427214720657&id=106265848436794
দ্বিতীয় পর্ব: সেরা ১০ টি অ্যাপ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=150528814010497&id=106265848436794
তৃতীয় পর্ব: ২৭ টি ইউটিউব চ্যানেল
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=151310850598960&id=106265848436794
চতুর্থ পর্ব: ২১ টি ফেইসবুক পেইজ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=151945923868786&id=106265848436794
পঞ্চম পর্ব: সেরা ১০ টি ফেইসবুক গ্রুপ এবং ১৫ টি ওয়েবসাইট
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=152985787098133&id=106265848436794
ষষ্ঠ পর্ব: ১০ টি অনলাইনভিত্তিক ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=153760737020638&id=106265848436794
সপ্তম পর্ব: ফেইসবুকের সেরা ২০ জন লেখকের আইডি লিংক
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=155395956857116&id=106265848436794
অষ্টম পর্ব: ২০ জন আলিমের পরিচয়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=158132146583497&id=106265848436794
নবম পর্ব: বাছাইকৃত সেরা ১৫ টি অডিও লেকচার সিরিজ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=170036955393016&id=106265848436794
কপিঃ Nusus
29/06/2022
আসুন জেনে নেই। আজ শনিবার দিবাগত রাতে এশার নামাজের পর ১ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের যে অংশটুকু তেলাওয়াত করা হবে:-
১ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের সম্পুর্ন প্রথম পারা এবং দ্বিতীয় পারার প্রথম অর্ধেকাংশ নিয়ে সর্বমোট দেড় পারা তেলাওয়াত করা হবে।
এই দেড় পারা (সুরা বাকারার ১নং আয়াত থেকে ২০৩ নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-
•এই সেই কিতাব (কোরআন) যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। [ সুরা বাকারা-২,৩]
•আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্র। [ সুরা বাকারা-১৪ ]
•হে নবী, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধা সহধর্মিনীগন থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। [ সুরা বাকারা-২৫ ]
•সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে গোপন করো না। [ সুরা বাকারা-৪২ ]
•নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়। [ সুরা বাকারা-৪৩ ]
•ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। [ সুরা বাকারা-৪৫ ]
•সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৪৮ ]
•আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন। [ সুরা বাকারা-৭৪ ]
•যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে। [ সুরা বাকারা-৮২ ]
•এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৮৬ ]
•আপনি তাদেরকে জীবনের প্রতি সবার চাইতে, এমনকি মুশরিকদের চাইতেও, অধিক লোভী দেখবেন। তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন তারা হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে। [ সুরা বাকারা-৯৬ ]
•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা। [ সুরা বাকারা-১০৫ ]
•আল্লাহর কাছেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য। আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। [ সুরা বাকারা-১০৭ ]
•যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১০৮ ]
•নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত আদায় কর। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন। [ সুরা বাকারা-১১০ ]
•যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয়, এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। [ সুরা বাকারা-১১৪ ]
•পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-১১৫ ]
•তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, `হয়ে যাও' তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১১৭ ]
•নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (রাসুলুল্লাহ) সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। [ সুরা বাকারা-১১৯ ]
•তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। [ সুরা বাকারা-১২৩ ]
•আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে? আমরা তাঁরই এবাদত করি। [সুরা বাকারা-১৩৮ ]
•তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ সুরা বাকারা-১৫২ ]
•হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন। [ সুরা বাকারা-১৫৩ ]
•যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না। [ সুরা বাকারা-১৫৪ ]
•অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। [ সুরা বাকারা-১৫৫ ]
•নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা'নত। [ সুরা বাকারা-১৬১ ]
•পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষন কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সুরা বাকারা-১৬৮ ]
•তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। [ সুরা বাকারা-১৭৩ ]
•সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে। বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর; আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন , মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী- তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। [ সুরা বাকারা-১৭৭ ]
•হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [ সুরা বাকারা-১৮৩ ]
•রমজান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন; যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ, আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা'আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর; যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। [ সুরা বাকারা-১৮৫ ]
•রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। আল্লাহ এমনিভাবে বর্ণনা করেন নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে। [ সুরা বাকারা-১৮৭ ]
الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ❤️
মুহাররাম মাসের ১০ তারিখকে ‘আশূরা’ বলা হয়। বিশেষভাবে এ দিনটির সিয়াম পালনের উৎসাহ ও নির্দেশনা দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। জাহিলী যুগে মক্কার মানুষেরা আশূরার দিন সিয়াম পালন করত এবং কাবা ঘরের গেলাফ পরিবর্তন করত। হিজরতের পূর্বে মক্কায় অবস্থান কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও এ দিন সিয়াম পালন করতেন। মদীনায় হিজরতের পরে তিনি এ দিনে সিয়াম পালনের জন্য মুসলিমদেরকে নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে ইবনু আব্বাস (রা) বলেন:
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় এসে দেখেন যে, ইহূদীরা আশূরার দিনে সিয়াম পালন করে। তিনি তাদেরকে বলেন, এ দিনটির বিষয় কি যে তোমরা এ দিনে সিয়াম পালন কর? তারা বলেন, এটি একটি মহান দিন। এ দিনে আল্লাহ মূসা (আ) ও তার জাতিকে পরিত্রান দান করেন এবং ফিরআউন ও তার জাতিকে নিমজ্জিত করেন। এজন্য মূসা কৃতজ্ঞতা-স্বরূপ এ দিন সিয়াম পালন করেন। তাই আমরা এ দিন সিয়াম পালন করি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মূসার (আ) বিষয়ে আমাদের অধিকার বেশি এরপর তিনি এ দিবস সিয়াম পালন করেন এবং সিয়াম পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন।” ১.
রামাদানের সিয়াম ফরয হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আশূরার সিয়াম ফরয ছিল। রামাদানের সিয়াম ফরয হওয়ার পর আশূরার সিয়াম মুস্তাহাব পর্যায়ের ঐচ্ছিক ইবাদাত বলে গণ্য করা হয়। তা পালন না করলে কোনো গোনাহ হবে না, তবে পালন করলে রয়েছে অফুরন্ত সাওয়াব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ
“আমি আশা করি, আশূরার সিয়াম-এর কারণে আল্লাহ পূর্ববর্তী বৎসরের কাফ্ফারা করবেন।” ২.
--------------------
১.বুখারী, আস-সহীহ, ২/৭০৪, ৪/১৭২২; মুসলিম, আস-সহীহ ২/৭৯৬।
২.মুসলিম, আস-সহীহ ২/৮১৮।
Dr Abullah Jahangir
20/07/2021
জিলহজ্জের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরপর নারী অথবা পুরুষ প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব।
আজ মঙ্গলবার ফজর থেকে তাকবিরে তাশরিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল শুরু হয়েছে। যেটি পড়তে আমরা অনেকেই অবহেলা করি। অথচ, এটি পড়া ওয়াজিব (আবশ্যক)।
তাই আসুন, আজ মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর থেকে শনিবার আসরের নামাজ পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার করে এই তাকবিরটি পাঠ করি ইন শা আল্লাহ।
اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ،
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ
ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ
"আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লহ, ওয়াল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।"
ফাতেমা (রা) নিজের হাতে যাতা ঘুরিয়ে ও সংসারের সকল কর্ম একা করতে কষ্ট পেতেন। আলী (রা) তাঁকে পরামর্শ দেন যে, তোমার আব্বার নিকট যুদ্ধলব্ধ একটি দাসী চাও, যে তোমাকে সংসার কর্মে সাহায্য করবে। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে দেখা করতে এসে তাঁকে না পেয়ে ফিরে যান। রাত্রে তাঁরা বিছানায় শুয়ে পড়লে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের কাছে আসেন। তিনি বলেন, “আমার আসহাবে সুফফার দরিদ্র সাহাবীগণকে বাদ দিয়ে তোমাকে কোনো দাসী দিতে পারব না। তবে দাসীর চেয়েও উত্তম বিষয় তোমাদেরকে শিখিয়ে দিচ্ছি। তোমরা যখন বিছানায় শুয়ে পড়বে তখন ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ , ৩৩ বার ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে।” ১.
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “কোনো মুসলিম যদি দু’টি কাজ নিয়মিত করে তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কাজ দু’টি খুবই সহজ কিন্তু করার মানুষ খুব কম। (ক) প্রত্যেক সালাতের পরে ১০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ১০ বার ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ ও ১০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। এতে ১৫০ বার জিহ্বার যিকর হবে এবং আল্লাহর কাছে আমলনামায় ১৫০০ সাওয়াব হবে। (খ) বিছানায় শয়ন করার পরে ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’, ৩৩ বার ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ ও ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে। এতে মুখে ১০০ বার ও মীযানে ১০০০ বার হবে।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আঙ্গুলে গুণে গুণে তা দেখান। সাহাবীগণ প্রশ্ন করেন: “এ দু’টি কর্ম সহজ হওয়া সত্ত্বেও পালনকারী কম কেন?” তিনি উত্তরে বলেন : “কেউ শুয়ে পড়লে শয়তান এসে এগুলো বলার আগেই ঘুম পাড়িয়ে দেয়। সালাতের পরে এগুলো বলার আগেই তাকে তার বিভিন্ন কথা মনে করিয়ে দেয়।” হাদীসটি সহীহ। ২.
----------------
১.সহীহ বুখারী ৩/১১৩৩, ৩/১৩৫৮, ৫/২০৫১, ৫/২৩২৯, নং ২৯৪৫, ৩৫০২, ৫০৪৬, ৫৯৫৯, সহীহ
মুসলিম ৪/২০৯১, নং ২৭২৭, ফাতহুল বারী ১১/১২০।
২.সুনান আবী দাউদ ৪/৩১৬, নং ৫০৬৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৫৪, সহীহুত তারগীব ১/৩২১-৩২২।
08/03/2021
মানব জাতির প্রতি বর্নিত আল কুর'আনের ১০ টি উপদেশ।
১১। ঋতুস্রাবের সময় সহবাস পরিহার করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ঋতুস্রাবের সময় যৌন সঙ্গম কোরো না। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২২)
১২। শিশুকে দুই বছর বুকের দুধ খাওয়াও
ইরশাদ হয়েছে, ‘শিশুকে পূর্ণ দুই বছর দুধ পান করাও।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৩০)
১৩। সৎ শাসক নির্বাচন করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘সৎ গুণ দেখে শাসক নির্বাচন করো।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৪৭)
১৪। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়
ইরশাদ হয়েছে, ‘দ্বিনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই।
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
১৫। মানুষের নিঃস্বার্থ উপকার করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রতিদান কামনা করে দান বিনষ্ট কোরো না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬৪)
১৬। অন্যের বিপদে সাহায্য করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রয়োজনে সহযোগিতা করো।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৩)
১৭। সুদ পরিহার করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘সুদ গ্রহণ কোরো না।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৫)
১৮। অপারগ ব্যক্তির ওপর সদয় হও
ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি ঋণগ্রহীতা অভাবগ্রস্ত হয়, তবে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দাও।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮০)
১৯। হিসাব সংরক্ষণ করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘ঋণের বিষয় লিখে রাখো।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮২)
২০। আমানত রক্ষা করো
ইরশাদ হয়েছে, ‘আমানত রক্ষা করো।’
(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮৩)
মানবজাতির প্রতি বর্নিত আল কুর'আনের ১০০ টি উপদেশ।
পর্ব-০২
বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আজ হাজারো হাজারো মানুষ জাহান্নামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেদিকে কোন লক্ষ্য নেই।
মুল কথাঃ মানুষে কি বলবে, মানুষে কি ভাববে।
কিন্তু কখনও এটা ভাবেনা মহান আল্লাহ তাহালা কি ভাববেন? যদি ভেবেও থাকে তা ক্ষণিকের জন্য। মানুষকে আল্লাহ উপর প্রাধান্ম্য দিয়ে থাকে।
আমাদের চোখের সামনে হাজারো হাজারো মানুষ মৃত্যু বরণ করতেছে আমারা দেখতেছি, ক্ষনিকের জন্য অনুতপ্ত হচ্ছি আবার দুনিয়াবি কাজে ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছি। এই দুনিয়া শুধু মরিচীকা।
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ, বিজ্ঞানের যুগ।
আর আজ বিজ্ঞান পবিত্র কোরআনের অনেক আয়াতকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে। এমনিতো হাজার প্রমাণ আছে আমাদের আশে পাশে তবুও আমরা এতটা গাফেল। আমাদের ভুল ভাঙবে আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আমাদের একদিন ভুল ভাঙবে। যেদিন আমাদের ভুল ভাঙবে আমরা আল্লাহর সব হুকুম পালন করার চেষ্টা করব,দুনিয়ার যত সয়সম্পদ আছে দিয়ে দিতে চাইবো, সব সময় আল্লাহ ইবাদতে ডুবে থাকতে চাইব।কিন্তু আফসোস দ্বিতীয় সু্যোগ পাব না।
নবী নূহ (আ.) ৯৫০ বছর বেঁচেছেন। [আনকাবুত ১৪] এববার ভেবে দেখুন তো বর্তমানে আমাদের আয়ু কত? বেশি হলে ৬৫-৭০বছর। এই ৬৫-৭০ বছরের জন্য আমরা কিনা কি করছি, শুধু অবহেলা করছি কি উদ্দেশ্য আমাদের এইখানে পাঠানো হয়েছে। নবী নূহ (আ.) এর মতন কেন তার অর্ধেক সময় পেলে তাও হতো। দুনিয়ার জীবন আমাদের কাছে কয়েক দিন বরং কয়েক ঘন্টা বলে মনে হবে। যে দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা শপথ করে বলবে যে, তারা দুনিয়াতে মুহূর্তকালের বেশী অবস্থান করেনি।
(তাহা ২০:১০৪; সূরা ফাতির ৩৫:৩৭, সূরা মু'মিনূন ২৩:১১২-১১৪, সূরা নাযিআত ৭৯:৪৬)।
সময় থাকতে তাই ফিরে আসুন....
আল্লাহ সকলকে নেক বুঝ ও হেদায়েত দান করুক।
Please Run back to your Lord, before it's too late.
রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ।
সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।
সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান
পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি। রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি। আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটা লিখিত। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।
ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তায়ালা নিয়েছেন। আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার। যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই… নাথিং মোর, নাথিং লেস!
আমি যেই ফলটি আজকে ঢাকা বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না। রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সঠিক পথ ও রিজিক এর তৌফিক দান করুন, আমিন
✍️লেখা: উস্তায শাহদাত ফয়সাল (রহ.)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Gazipur