কমেন্টের হ্যাশট্যাগ কাউন্ট করেনা ফেসবুক অ্যালগোরিদম। কাজেই পোস্ট করুন।
সঠিক হ্যাশট্যগ :sobai copy text koray post korun. Likhar upor chap diye doray rakhlay copy text option asbe.. Tarpor apnai id te giye paste korun
✅
✅
✅
✅
✅
#কোটাসংস্কারচাই✅
#বাংলাদেশকোটাআন্দোলন ✅
#কোটাআন্দোলন২০২৪✅
✅
✅
✅ ✅
✅
✅
✅ ✅ ✅
✅ ✅
✅ ✅ ✅
✅ ✅ ✅ ✅
✅ ✅ ✅
Enlightened Knowledge
This page will always be steadfast in the search for enlightened knowledge.
The main purpose of this page is to make people aware of every enlightening educational subject in life.
16/07/2023
মুসাফাহা করার পদ্ধতি কী? তা কি এক হাতে হবে না দু হাতে?
▬▬▬🔹♦🔹▬▬▬
উত্তর:
সালাম বিনিময় ও মুসাফাহা করা নি:সন্দেহে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। প্রখ্যাত সাহাবী বারা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مَا مِنْ مُسْلِمَينِ يَلْتَقِيَانِ فَيَتَصَافَحَانِ إِلاَّ غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَنْ يَفْتَرِقَا
“দু’জন মুসলিম সাক্ষাৎ কালে মুসাফাহা করলেই একে অপর থেকে পৃথক হবার পূর্বেই তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেওয়া হয়।’’
[আবু দাউদ ৫২১২, ৫২১১, তিরমিযি২৭২৭, ইবনে মাজাহ ৩৭০৩, সহীহ-সহীহ তারগীব]
💠 মুসাফাহা করার পদ্ধতি কি?
এ ব্যাপারে কথা হল, সুন্নত হল উভয় পক্ষ ডান হাত দ্বারা মুসাফাহা করবে। কারণ, এ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এটি একটি আরবি শব্দ। যার অর্থ হল, “এক হাতের তালুকে অপর ব্যক্তির হাতের তালুতে রাখা।” (মু’জামু মাকায়ীসিল লুগাহ ৩/২৩৯ ইত্যাদি।) এবং যে সব হাদিসে মুসাফাহা আলোচনা এসেছে সেগুলো থেকে বাহ্যিক অর্থ এটাই বুঝা যায়।
তাই উভয় পক্ষ থেকে দু হাত দ্বারা ব্যবহার করলেই মুসাফাহা হওয়ার জন্য যথেষ্ট। চার হাত ব্যবহার করার আদৌ প্রয়োজন নেই।
এছাড়াও শুধু ডান হাত দ্বারা মুসাফাহা করার ব্যাপারে কিছু হাদিস পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো সনদগতভাবে দুর্বল হওয়ায় সেগুলো উল্লেখ করা হল না।
কিন্তু দু হাতে মুসাফাহা করার কথা কোন সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
তবে কোন কোন হাদিসে পাওয়া যায় যে, রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ কোন কারণে দু হাত দিয়ে কোন সাহাবীর হাত ধরেছেন। যেমন, সহিহ বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সেভাবে তাশাহহুদ পড়ার নিয়ম শিখিয়েছেন যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআনের কোন সূরা শিখাতেন। তখন আমার হাত তাঁর দু হাতের মাঝে ছিল।” (সহীহ মুসলিম, অনুচ্ছেদ নামাযে তাশাহহুদ পাঠ করা।)
এখানে রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার জন্য এবং শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্য তার দু হাত ধরেছেন। এর মাধ্যমে আমাদের দেশে যেভাবে দু হাত দ্বারা মুসাফাহা করা হয় তা প্রমাণিত হয় না। বরং এখান থেকেও প্রতীয়মান হয় যে, রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাধারণ নিয়ম ছিল এক হাতে মুসাফাহা করা। কারণ, তা না হলে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ অত্র হাদিসে দু হাতে ধরার কথাটি আলাদাভাবে উল্লেখ করতেন না। দু হাত ধরার কথাটি এজন্য উল্লেখ করেছেন যে, তা ছিল সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ।
মোটকথা সুন্নত হল, একজন মুসলিম তার ডান হাতকে অপর মুসলমান ভাইয়ের ডান হাতে রেখে মুসাফাহা করবে। এটাই উত্তম নিয়ম।
সৌদী আরবের ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটিকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন:
“দু হাতে মুসাফাহা করার ব্যাপারে আমাদের কোন কিছু জানা নাই। কিন্তু তা উচিৎ নয় বরং উত্তম হল এক হাতে মুসাফাহা করা।”
আল্লাহই সবচেয়ে ভাল জানেন।
▬▬▬🔹♦🔹▬▬▬
উত্তর প্রদান:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
15/07/2023
তোমরা যারা মুখের উপর ঠাসঠাস করে খোঁচা মারা কথা বলাকে বলো স্পষ্টবাদিতা, বলো স্মার্টনেস, বলো সাহসিকতা। কোরআন তাদেরকে বলে "লুমাযাহ"; যাদের জন্য অপেক্ষা করছে দুর্ভোগ। তারা নিক্ষিপ্ত হবে হুতামায়।
হুতামা কি?
- হুতামা হলো আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, যা হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। 💔
সূরা হুমাযাহ (১-৯)
13/07/2023
"হেদায়েত" হুট করে পাওয়া কোনো একদিনের বিষয় নয়। এর জন্য আয়োজন করতে হয়! বিশাল আয়োজন!
নফসের বিরুদ্ধে গিয়ে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের আয়োজন।হারাম বর্জনের আয়োজন।মিথ্যা পরিহারের আয়োজন। শয়তানকে হারানোর আয়োজন। প্রচন্ড ধৈর্য - আস্থার প্রয়োজন।
বেশ কয়েকদিন কেটে যাবে এভাবেই... তারপর নফস এবং শয়তান হেরে যাবে! হারবে! সালাতে মনোযোগ আসবে! হারামে জড়াতে ভয় কাজ করবে! মিথ্যা ভাবতেই গা শিউরে উঠবে! প্রচন্ড ধৈর্য এসে যাবে। কেন বলুন তো???
কারণ আপনি তো প্রথম ধাপে আল্লাহর দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তাই স্বয়ং আল্লাহ আপনার দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে এসেছেন। তাই শুধু " হেদায়েত" এর অপেক্ষা করে নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকলে হবে না, চেষ্টা করতে হবে। "যে আল্লাহর দিকে হেঁটে যায়, আল্লাহ তার দিকে দৌড়ে যান। যাকে বলে "হেদায়েত"!!🌸
কথা: সংগৃহীত
13/07/2023
🍀নারীদের কন্ঠের পর্দা নিয়ে অনেক লিখালিখিই দেখলাম৷ একটা বিষয় মনে পড়লো। এক ভাই উনার জীবনে দেখা পর্দার সবচেয়ে সুন্দর নিদর্শন সম্পর্কে এভাবে বলেছিলেনঃ
🍀লালখান বাজার মাদ্রাসার বইমেলা চলছিল। অনেকগুলো বইয়ের দোকান। একটা দোকানে বই দেখছিলাম। দেখি পাশে এক ছোট বাচ্চা এসে একটা কাগজ দিল দোকানদারকে।
বাচ্চাটার পাশে একজন মহিলা। সম্ভবত তার মা। দোকানদারের সাথে কথা বলা দূরে থাক, তিনি কাগজটা নিজে দিতে পারতেন চাইলে। কিন্তু যেহেতু ভিন্ন উপায় আছে, এতটুক কমিউনিকেশনও তিনি করলেন না। কী বই লাগবে, আছে নাকি–তা তিনি জানালেন তার বাচ্চার মাধ্যমে, কাগজটা দিয়ে।
🍀ব্যাপারগুলো সুন্দর না? কারো কাছে স্রেফ সুন্দরের চেয়েও অনেক বেশি কিছু, কারো কাছে বাড়াবাড়ি, কারো কাছে.........! (থাক, আর না বলি)
🍀যারা বিভিন্ন ক্বিরাত/গজল প্রতিযোগিতায় গিয়ে নিজেদের মিষ্টি কন্ঠ হাজারো গাইরে মাহরামের সামনে উন্মুক্ত করে দিচ্ছে, তারাও তো বাহ্যিকভাবে পর্দাশীল। তাদের পর্দা আর ঐ ভাইটির দেখা বোনটির পর্দার মধ্যে কতই না তফাৎ।
একই পথের যাত্রী, কিন্তু পথ চিনার ক্ষেত্রে কতই না ব্যবধান!
04/07/2023
প্রশ্ন: ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়?
▬▬▬◄✪✪► ▬▬▬
উত্তর:
ইবাদত العبادة শব্দের অর্থ: গোলামী বা দাসত্ব করা, আনুগত্য করা, বিনয় প্রকাশ করা ইত্যাদি।
আর পারিভাষিক ব্যাপক অর্থে ইবাদত হল, সকল প্রকার প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য ঐ সকল কথা ও কাজ যেগুলো মহান আল্লাহ ভালবাসেন এবং সন্তুষ্ট হন। [শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.]
তাহলে দেখা যাচ্ছে, ইবাদত তিনটি ক্ষেত্রে বিভক্ত। যথা: অন্তর, মুখের ভাষা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।
🌀 উদাহরণ:
▪অন্তর দ্বারা ইবাদত: যেমন, আল্লাহর প্রতি ভয়, ভরসা, ভালবাসা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, আগ্রহ, সৎ নিয়ত, আল্লাহকে মনে মনে স্মরণ করা, সৃষ্টি জীব নিয়ে ভাবা ইত্যাদি।
▪ মুখের ভাষা ও অন্তর দ্বারা ইবাদত: যেমন, তাসবিহ, (সুবহানাল্লাহ), তাহলীল (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ) ইত্যাদি দুআ ও জিকির পাঠ করা, আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আদায় করা, কুরআন তিলাওয়াত করা ইত্যাদি।
▪ শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও অন্তর দ্বারা ইবাদত: যেমন, সালাত, সিয়াম, যাকাত, হজ্জ, জিহাদ ইত্যাদি ।
এছাড়া আরও অনেক ধরণের ইবাদত রয়েছে যেগুলো আদায়ের মাধ্যম হল, অন্তর, ভাষা ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।
🌀 ইবাদত এমন একটি বিষয়, যাকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তা’আলা সকল বস্তু সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন:
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِي، مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِي، إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ
“একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্যই আমি জিন ও মানব জাতি সৃষ্টি করেছি। আমি তাদের কাছে জীবিকা চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমার আহার্য যোগাবে। আল্লাহ্ তা’আলাই তো জীবিকা দাতা, মহাশক্তির আধার ও পরাক্রান্ত।” [সূরা যারিয়াত: ৫৬-৫৮]
🌀 দুনিয়াবি কাজকর্মে কি নেকি পাওয়া যায়?
মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ইবাদত-বন্দেগি করে যেমন সওয়াব অর্জন করে তেমনি দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম যেমন- ঘুমানো, পানাহার, বেচাকেনা, জীবিকার অনুসন্ধান, বিবাহ-শাদি ইত্যাদি- এগুলোর মাধ্যমেও সওয়াব অর্জন করবে যদি তার উদ্দেশ্য হয় যে, এ সকল বৈধ কাজ-কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্যের কাজে শক্তি অর্জন করবে অর্থাৎ এগুলোর মাধ্যমে সুস্থ ও ভালো থেকে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করবে।
এই সৎ নিয়তের কারণে মানুষ দুনিয়াবি কাজকর্মের মাধ্যমেও সওয়াব অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ।
▪ এ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হাদিসটি প্রণিধানযোগ্য:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
وَفِي بُضْعِ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ. قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي أَحَدُنَا شَهْوَتَهُ وَيَكُونُ لَهُ فِيهَا أَجْرٌ؟ قَالَ: أَرَأَيْتُمْ لَوْ وَضَعَهَا فِي حَرَامٍ أَكَانَ عَلَيْهِ وِزْرٌ؟ فَكَذَلِكَ إذَا وَضَعَهَا فِي الْحَلَالِ، كَانَ لَهُ أَجْرٌ”
"আর তোমাদের নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও সদকা। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কেউ যখন যৌন আকাঙ্ক্ষা সহকারে স্ত্রীর সাথে সম্ভোগ করে, তাতেও কি সওয়াব হবে?
তিনি বলেন, "তোমরা জানো না যে, যখন কেউ হারাম পদ্ধতিতে যৌন সম্ভোগ করে তখন সে গুনাহগার হয়!?
সুতরাং অনুরূপভাবে যখন সে ঐ কাজটি হালাল পন্থায় সম্পন্ন করে তখন সে তার সওয়াব পায়।” [মুসলিম: ১০০৬]
সুতরাং প্রতিটি মুমিনের উচিত হবে, দুনিয়াবি সব ধরণের কাজ-কারবার-যেমন, খাওয়া-দাওয়াহ,বিবাহ-শাদি, লেখাপড়া, কৃষিকাজ, চাকুরী, ব্যবসা ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজকর্মে সৎ নিয়ত পোষণ করা। তাহলে এ সব দুনিয়াবি কাজ করেও সে অর্জন করবে অবারিত সওয়াব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আলাম।
আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমীন।
▬▬▬◄✪✪► ▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
03/07/2023
বর্তমান যুগে মেয়েদের পর্দা দেখে ছেলেরা ফিতনা থেকে-তো বাঁচা দূরে থাক, আরো বেশি ফিতনায় পরে। টাইট বোরকা, বিভিন্ন ডিজাইন যা মানুষের কাছে তাদের আরো বেশি আকর্ষণী করে তুলে। পর্দা মানে হচ্ছে নিজেকে একটি চাদর দিয়ে নিজেকে ঢেকে রাখা কিন্তু আফসোস বর্তমানে সেই চাদর কেও অনেক বোন ফিটিং করে পড়া হচ্ছে। আমার কথায় অনেক বোন কষ্ট অথবা রাগ করতে পারেন। কিন্তু বোন "সত্য সবসময় তিতা হয়"।
আর যেসব বোনেরা পর্দা করেও ফেসবুকে ছবি আপলোড করেন—
ওহে বোন! পর্দা ফরজ করার পেছনে অনেক হেকমত রয়েছে।পর্দা ফরজ করার পেছনে যত হেকমত রয়েছে তন্মধ্যে একটি হলো—আপনাকে দেখে কোনো পুরুষের মনে যেন কুপ্রবৃত্তি জাগ্রত না হয়। এজন্য প্রত্যেক দ্বীনদার মেয়েরাই নিজেকে পর্দায় আবৃত করে রাখে। যেন তাকে দেখে কোন পুরুষের কুপ্রবৃত্তি জাগ্রত না হয়।
কিন্তু বর্তমানে একটি ট্রেন্ড বের হয়েছে তা হচ্ছে—অনেক দ্বীনদার বোনেরা বোরকা হিজাব পরে ফেসবুকে ছবি আপলোড করেন। ওই পিকটা কিন্তু অসংখ্য ছেলেদের দৃষ্টিগোচর হয়। আপনার কী মনে হয়, আপনার হিজাবি পিক দেখে ছেলেদের মনে কুপ্রবৃত্তি জাগ্রত হবে না? যদি এটা মনে করেন তাহলে আপনি ভুল করছেন। কেননা কেউ কেউ এমনও আছে যারা আপনার হিজাবি পিক দেখেও আপনাকে নিয়ে কল্পনার রাজ্যে চলে যায়।
শুধু কি তাই? আরে, কেউ কেউ তো আপনার টানা টানা চক্ষু যুগল দেখে নিকাবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য উপলব্ধি করে। আর এতেই আপনাকে নিয়ে তার মনে কুপ্রবৃত্তির বাসনা জাগ্রত হয়।আর যখন একটি ছেলের মনে আপনাকে নিয়ে কুপ্রবৃত্তির বাসনা জাগ্রত হবে তখন এই পর্দার কোনো মূল্য থাকবে কী?কী লাভ এমন পর্দা করে, এতে তো লৌকিকতা প্রদর্শন করানো হচ্ছে। উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট।একজন পরিপূর্ণ দ্বীনদার মেয়ে কখনো পিক তুলে ফেসবুকে আপলোড করতে পারে না; হোক সেটা পর্দায় আবৃত।
এই সামান্য পিক আপলোড করার মাধ্যমে পর্দা কে অবমাননা করবেন না। পর্দা করলে করার মত করতে হবে। এতে আপনার পরিপূর্ণ দ্বীনদারিত্ব প্রকাশ পাবে। আর যদি পর্দা করেও হিজাবি পিক আপলোড করেন তাহলে বুঝে নিবেন শয়তান আপনাকে হাতিয়ার স্বরূপ ব্যবহার করছে। তাই আমি সর্বোপরি একটা কথাই বলবো—শয়তানের হাতিয়ার স্বরূপ ব্যবহৃত না হয়ে একটু বোঝার চেষ্টা করুন।
শরীয়ত সম্মত পর্দার শর্ত সমূহ:
১. নারী তার সমস্ত শরীর ঢেকে দেবে। আল্লাহ বলেন, “ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন সাধারণত: প্রকাশমান স্থান ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।”
(সূরা নূর- ৩১)
আল্লাহ আরো বলেন, “হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।”
(সূরা আহযাব- ৫৯)
২. পর্দার পোষাকটি যেন নিজেই সৌন্দর্যমন্ডিত না হয়। যাতে ঐ পোষাকের সৌন্দর্য ঢাকার জন্য আরেকটি পর্দার প্রয়োজন পড়ে। সুতরাং পর্দার উপর নকশা ও কারুকার্য খচিত থাকলে বা ঝলমলে পাথর বসানো ও রঙ্গিন হলে সে কাপড় পরিধান করবে না।
৩. পর্দার কাপড় মোটা হবে। এমন পাতলা যেন না হয় যাতে কাপড়ের অভ্যন্তর থেকেও দেহ বা দেহের কান্তি দৃশ্যমান হয়। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে দিয়েছেন, “যে সব মেয়েলোক কাপড় পরেও ন্যাংটা, পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট এবং পুরুষদেরও নিজেদের প্রতি আকৃষ্টকারীনী, তারা জাহান্নামী। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না।”
[মুসলিম, অধ্যায়ঃ পোশাক ও সৌন্দর্য, হা/৩৯৭১।]
একটি বিয়ের কনে আয়েশা (রাঃ) এর কাছে উপস্থিত হল। তার পরিধানে ছিল খুবই স্বচ্ছ পাতলা কাপড়। তখন তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তি এ ধরণের পোষাক পরিধান করে, সে সূরা আন-নূরে বিধৃত বিধানের প্রতি ঈমান আনেনি।’
৪. পর্দার পোষাক প্রশস্ত ঢিলা-ঢালা হবে। আঁটসাট বা সংকীর্ণ হবে না, যার দরুন দেহের উচ্চ-নীচ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সবই বাইরে দৃশ্যমান হয়ে উঠে, যদিও তা স্বচ্ছ বা পাতলা নয়। উসামা বিন যায়েদ (রাঃ) বলেন, দেহ্ইয়া কালবী নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে একটি কিবতী (মিছরের তৈরী) মোটা কাপড় উপহার দিয়েছিল। তিনি উহা আমাকে পরিধান করার জন্য প্রদান করলেন। আমি বাড়িতে গিয়ে আমার স্ত্রীকে পরতে দিলাম। নবীজী আমাকে বললেন, কি ব্যাপার তুমি কিবতী কাপড়টি পরিধান কর না? আমি বললাম, আমার স্ত্রীকে উহা পরিয়ে দিয়েছি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন ওটার নীচে অন্য একটি কাপড় পরিধান করে নেয়। কেননা আমার আশংকা হচ্ছে ঐ কাপড়ে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রকাশ হয়ে পড়বে।”
(আহমাদ-১৪৬৩) আলবানী হাদীছটিকে হাসান বলেন।)
৫. আতর সুবাশ মিশ্রিত হবে না। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
أَيُّمَا امْرَأَةٍ اسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ عَلَى قَوْمٍ لِيَجِدُوا مِنْ رِيحِهَا فَهِيَ زَانِيَةٌ
“যে নারী সুগন্ধি মেখে ঘর থেকে বের হয়, অতঃপর মানুষের সম্মুখ দিয়ে হেঁটে চলে- যাতে করে তারা তার সুবাশ অনুভব করে, তবে সেই নারী ব্যভিচারী।”
[তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ, ছহীহুল জামে হা/২৭০১।]
৬. কাফের নারীদের পোষাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হবে না। ইসলাম কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য করতে নিষেধ করেছে। ইসলামের নির্দেশ হচ্ছে কাফেরদের বিরোধিতা করা। রাসূলে কারীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
যে লোক অপর জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভূক্ত গণ্য হবে।”
(আবু দাউদ-৭৮৪)
৭. পুরুষের জন্য নির্দিষ্ট পোষাক মেয়েরা পরবে না। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন,
لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ
রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিশাপ করেছেন এমন পুরুষকে যে নারীর সাথে সাদৃশ্য সৃষ্টিকারী পোষাক পরিধান করে, এবং অভিশাপ করেছেন সেই নারীকে যে পুরুষের সাথে সাদৃশ্য সৃষ্টিকারী পোষাক পরিধান করে।
(বুখারী-২৪৬৪)
৮. উক্ত পোষাক যেন মানুষের মাঝে প্রসিদ্ধ হওয়ার উদ্দেশ্যে না হয়। দুনিয়ার সৌন্দর্যে মানুষের মাঝে গর্ব করার উদ্দেশ্যে অতি উচ্চ মূল্যের পোষাক পরিধান করাই হচ্ছে প্রসিদ্ধির পোষাক। রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
مَنْ لَبِسَ ثَوْبَ شُهْرَةٍ أَلْبَسَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَوْبًا ثُمَّ تُلَهَّبُ فِيهِ النَّارُ
“যে ব্যক্তি প্রসিদ্ধ হওয়ার জন্য বিশেষ কোন পোষাক পরিধান করবে, ক্বিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাকে অনুরূপ পোষাক পরিধান করাবেন, অতঃপর তাতে জাহান্নামের আগুন প্রজ্জলিত করা হবে।”
[আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ্, ছহীহুল জামে হা/ ২৫২৬।
___________________________________
পর্দা পুরুষ-নারী উভয়ের জন্যেই প্রযোজ্য।
আল্লাহ তায়ালা বলেন–
قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ
“মু’মিনদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জা স্থানের হেফাজত করে, এটা তাদের জন্যে পবিত্রতম; তারা যা করে সে বিষয়ে আল্লাহ অবিহিত।”
(সূরা নূর: ৩০)।
হযরত বুরাইদা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ হযরত আলী রাঃ কে বলেন, হে আলী! [সহসা] একবার দেখার পর পুনরায় [কোন বেগানা নারীকে] দেখো না। কারণ, তোমার জন্য প্রথমবারে অনুমতি রয়েছে [যখন তা অনিচ্ছায় হয়ে যাবে], কিন্তু দ্বিতীয়বারের অনুমতি নেই।
{মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২২৯৭৪, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২৭৫১, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২১৪৯, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৭৭৭}
হযরত আবু উমামা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, যে কোন মুসলমান কোন নারীর সৌন্দর্যের প্রতি হঠাৎ দৃষ্টি পড়ে যায়, অতঃপর সে নিজ চক্ষু নিচু করে নেয়, তবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য এক ইবাদতের সুযোগ সৃষ্টি করেন, যাতে সে তার স্বাদ পায়।
{মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২২২৭৮}
হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত।
فَالْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ، وَالْأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الِاسْتِمَاعُ، وَاللِّسَانُ زِنَاهُ الْكَلَامُ، وَالْيَدُزِنَاهَا الْبَطْشُ، وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الْخُطَا، وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الْفَرْجُ وَيُكَذِّبُهُ
রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন, চোখের জিনা হল [হারাম] দৃষ্টিপাত। কর্ণদ্বয়ের জিনা হল, [গায়রে মাহরামের যৌন উদ্দীপক] কথাবার্তা মনযোগ দিয়ে শোনা। জিহবার জিনা হল, [গায়রে মাহরামের সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের জিনা হল, [গায়রে মাহরামকে] ধরা বা স্পর্শকরণ। পায়ের জিনা হল, [খারাপ উদ্দেশ্যে] চলা। অন্তর চায় এবং কামনা করে আর লজ্জাস্থান তাকে বাস্তবে রূপ দেয় [যদি জিনা করে] এবং মিথ্যা পরিণত করে [যদি অন্তরের চাওয়া অনুপাতে জিনা না করে]। {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৮৯৩২}
সমস্ত কুরআন-হাদীস দ্বারা বুঝা যায়, দৃষ্টি সংযত রাখা পর্দার একটি মৌলিক বিষয়। আবার পর্দা করা শুধুমাত্র মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত নয়। বরং পুরুষ-নারী নির্বিশেষে ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী পর্দা করতে হবে। তাই পর্দা পুরুষ-নারী উভয়ের জন্যেই প্রযোজ্য।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা সব মুসলিম ভাই ও বোনদের পর্দা করার তাওফীক দিন।
ওমা তাওফীকি ইল্লা বিল্লাহ,
আল্লাহুম্মা আমিন।
লেখা- জুবায়ের আহমেদ
02/07/2023
সকল সমস্যার সমাধান আস্তাগফিরুল্লাহ!
সর্ব অবস্থায় আস্তাগফিরুল্লাহর জিকির করুন ইনশাআল্লাহ সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। 🥀🌻
(১) বিবাহ সংক্রান্ত সমস্যা?
👉 পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(২) পারিবারিক ভাবে অশান্তিতে আছেন?
👉 পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(৩) অনেক চেষ্টার পরও মা হতে পারছেন না?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ।
(৪) টাকা - পয়সার অভাব? হালাল রিজিক খুঁজছেন?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ।
(৫) কঠিন রোগে আক্রান্ত? সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(৬) সমাজে প্রতিনিয়ত অকারনে অসম্মানিত হচ্ছেন?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(৭) সন্তান অবাধ্য, কথা শোনে না?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(৮) অন্যায় ভাবে কেউ আপনার নামে ষড়যন্ত্র করছে?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(৯) অনেক দোয়া করছেন? ফল পাচ্ছেন না?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
(১০) অসম্ভব কোনো কিছু কে সম্ভব করতে চান?
👉পরুন আস্তাগফিরুল্লাহ ।
🌸🌸 মহান আল্লাহ তায়ালা পারেন না এমন কিছু নেই। আপনি মনে করছেন বিষয়টা অসম্ভব আর আমার রব বলে তার কাছে অসম্ভব কিছু নেই।
01/07/2023
"সুদের উপর ঋণ দিয়ে আমরা মানুষের উপকার করছি..."
বিকাশ ব্যবসা, ফোন, ফ্যাক্স ইত্যাদির জন্য ঘর ভাড়া দেওয়ার বিধান
-----------------
প্রশ্ন: অনেক মানুষ আছে যারা ব্যক্তিগত ভাবে সুদি কারবার করে কোন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান ছাড়াই। যেমন তারা মানুষকে ঋণ দেয় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বাড়তি নিয়ে নেয়। এদেরকে যদি বলা হয়, এ সব সুদের পর্যায়ে পড়ে এবং এভাবে ইনকাম করাটা হালাল না তখন তারা এ যুক্তি দেখায় যে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা তো এ রকমই। ব্যাংকগুলো সুদের উপর চলে। তারা বৃহৎ পর্যায়ে কাজ করে আমরা ক্ষুদ্র পর্যায়ে। আমরা তো সবাই মানুষের উপকার করছি। এদের কথার উত্তর কিভাবে দিতে পারি? দয়া করে জানাবেন।
রিলেটেড প্রশ্ন: যারা এ রকম ব্যবসা করে পাশাপাশি ফোন, ফ্যাক্স এবং বিকাশ লেনদেনের ব্যবসা আছে তাদের কে কি দোকান ভাড়া দেয়া যাবে?
উত্তর:
বিকাশ (Bkash) মূলত ব্রাক ব্যাংক এর শাখা। আর ব্রাক একটি সুপরিচিত সুদি ব্যাংক। সুতরাং কেউ যদি বিকাশের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে তাহলে সে মূলত সুদী ব্যাংকে কাজ করছে বলেই বিবেচিত হবে।
সুতরাং বিকাশ ব্যবসা করা যেমন জায়েজ নেই তেমনি বিকাশ ব্যবসার জন্য কাউকে ঘর ভাড়া দেওয়া জায়েজ নেই। অন্যথায় তা হারাম কাজে সহায়তা শামিল বলে গণ্য হবে। অথচ হারাম কাজে কোন ধরণের সাহায্য-সহযোগিতা করা নিষিদ্ধ (সূরা মায়েদা: ২)
তবে ফোন ও ফ্যাক্স এর জন্য ঘর ভাড়া দেওয়ায় কোন আপত্তি নেই ইনশাআল্লাহ।
টাকা ঋণ দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়া সুদের অন্তর্ভুক্ত। এটা হারাম ও কবিরা গুনাহ। কুরআন ও হাদিসে এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত সতর্কবাণী এসেছে। যেমন:
আল্লাহ তাআলা বলেন,
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّـهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَن جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّـهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَـٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
"যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দণ্ডায়মান হবে, যেভাবে দণ্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছে: ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন অবিশ্বাসী পাপীকে। "আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন।" (বাকারা: ২৭৫ ও ২৭৬)
সুতরাং মুসলিমের জন্য কোনভাবেই সুদি কারবারে জড়িত হওয়ার সুযোগ নাই। চাই ব্যাংকিং খাতে হোক বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে হোক। ব্যাংকগুলোতে সুদি কারবার করে বলে তা ব্যক্তিগতভাবে তা বৈধ হয়ে যাবে না। হারাম হারামই। কে করল না করল তা দেখে আল্লাহ তাআলার এই অলঙ্ঘনীয় বিধান পরিবর্তন হবে না।
আর 'সুদ লেনদেনের মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হয়' এটাও সুদ হালাল হওয়ার পক্ষে যুক্তি হতে পারে না। কেননা কুরআন বলছে, মদেও কিছু উপকারী দিক রয়েছে। কিন্তু তার ক্ষতিকর দিক বেশি। তাই বলে তো মদ হালাল হবে না। যারা পতিতাবৃত্তি করে তারাও যুক্তি দেখায় যে, তারাও না কি মানুষের উপকার করছে! এভাবে প্রত্যেক অন্যায়কারীর পক্ষেই যুক্তি আছে। কিন্তু যুক্তি দিয়ে হালাল-হারাম নির্ধারিত হয় না।
আমরা মুসলিম। মুসলিম মানে আত্মসমর্পণকারী। আল্লাহর যে কোন বিধানের সামনে বিনা প্রশ্ন আত্মসমর্পন করাই মুসলিমের কাজ। সুতরাং সুদের পক্ষে যুক্তি না খুঁজে আমাদের কতর্ব্য, নির্দ্ধিধায় এই বিধানকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করা এবং সুদি কারবারকে প্রত্যাখান করা।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে হারাম থেকে বাঁচার তওফিক দান করুন। আমিন।
আল্লাহু আলাম।
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার সউদী, আরব
01/07/2023
😭😭😭
মৃত্যু 😊❤️
যদি কখনো হঠাৎ করে হারিয়ে যাই।
কেউ কি খুঁজবে? হয়ত না 😊
যদি কখনো হঠাৎ করে আমার আইডি থেকে পোস্ট করা না হয়।
কেউ কি মিস করবে?.
হয়ত না 😊।
ইনবক্স এ হয়ত মেসেজ আসবে।
সিন হবে না, রিপ্লে আসবে না।
পরে থাকবে ওভাবেই😅
কেউ কেউ হয়ত অপেক্ষায় থাকবে😪 এই বুঝি আসলো অনলাইনে😅 আবার কেউ কেউ তো টের ই পাবে না যে একজন হারিয়ে গেছে😆।
হঠাৎ অনেকটা সময় পর কারো হয়ত মনে পড়বে যে কে জানি আর নেই।
কষ্ট করে নামটা সার্চ করবে, আগের পোস্ট, প্রোফাইল টা চেক করবে, পুরনো কথা গুলো ভাববে।
আর বলবে কেন কথা বললাম না আগে😊।
কেউ কেউ হয়ত বন্ধু তালিকা থেকে নাম টাই মুছে ফেলবে🌝।
যখন আমি থাকবোনা তখন আমার স্মৃতিগুলো কি কাউকে পোড়াবে? হয়তো না 😊।
সিন হবে না জেনেও কি কেউ বার বার মেসেজ পাঠাবে?
হয়তো না 😊
হয়তো হয়তো না।
তবে হারাতে হবে হারাতে হয়।
হারিয়ে যাওয়াই নিয়ম।
কেউ আয়োজন করে হারায়, কেউ হুট করে হারায়।
👉 আমিও না হয় হুট করেই হারাবো❤🌸🌸
(Collected)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Gazipur