29/08/2023
Mastery of CV Crafting & Effective Correspondence বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত:
২৭ আগস্ট ২০২৩ রবিবার ‘মাস্টারি অফ সিভি ক্রাফটিং এন্ড ইফেক্টিভ করেসপন্ডেন্স’ বিষয়ক কর্মশালা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্র্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক মান নিশ্চিতকরণ সেল (আইকিউএসি)’র আয়োজনে কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোতাহার হোসেন। প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন লাল তীর সীড লি: এর ইনচার্জ জনাব আনোয়ারুল আলম, বায়ার ক্রপ সায়েন্স লি: এর প্রধান (এইচআর) উপলা শফিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মইনুল হোসাইন অলিভার। দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএস পর্যায়ের ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।
24/05/2023
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরকৃবি) বিশ্বব্যাপী সত্যিকারের প্রভাব বিস্তারকারী উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্বখ্যাত World’s Universities with Real Impact – (WURI) র্যাঙ্কিং ২০২২-এ (২০১-৩০০) স্থান পেয়েছে, যা গত ১৮ মে ২০২৩-এ মার্কিন যুক্তরাষ্টের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ার্স ফোর্ডে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়েছে। তালিকায় দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষ ৩০০-এ অবস্থান করলেও, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমুহের মধ্যে একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ই আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ এ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। শিল্পক্ষেত্রে প্রায়োগিক গুরুত্ব বিবেচনায় গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনার সংখ্যা ও লেকচার টাইপ শিক্ষাদান পদ্ধতি মূল্যায়ন, প্রথাগত চাকুরীজীবির পরিবর্তে উদ্যোক্তাশ্রেণী তৈরীর সক্ষমতা, জ্ঞান-দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরী, মহামারী ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষমতা তৈরী, ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের উপযোগী ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ-ডাটা, ক্লাউড পরিষেবা ইত্যাদি ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রাইটেরিয়ার ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে এই র্যাংকিং পরিচালনা করা হয়। ২০২১ ও ২০২২ সালে পরপর দু’বার দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ সিমাগো র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান এবং ইউজিসি প্রণীত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দু’বার শীর্ষস্থান অর্জনের পর, নতুন এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব ও মর্যাদাকে আরও সমুন্নীত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও অধিকতর উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Link:https://www.wuri.world/%EB%B3%B5%EC%A0%9C-2022-global-top-100
https://bsmrau.edu.bd/আন্তর্জাতিক-র্যাংকিংয়/
21/05/2023
‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ও সেবা প্রদান অবহিতকরণ সভা’’ অনুষ্ঠিত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক মান নিশ্চিতকরণ সেল (আইকিউএসি) কর্তৃক আয়োজিত ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ও সেবা প্রদান বিষয়ে স্টেকহোল্ডারগণের সমন্বয়ে অবহিতকরণ’ বিষয়ে দুইটি আলাদা সভা আজ ২১ মে ২০২৩ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় ও দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বয় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া প্রধান অতিথি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ ও এপিএ বাস্তবায়ন টিম লিডার প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আবিয়ার রহমান অনুষ্ঠানে জিআরএস সফটওয়্যার বিষয়ে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। সভার উদ্বোধনী পর্বে ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তিই তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট অভিযোগ করতে ও সেবা পেতে পারেন। আর সে লক্ষ্যে সেবা গ্রহীতা সেবা প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করা ও সকল ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাও সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব। তিনি আরো বলেন, দেশের এপিএ বাস্তবায়নে বিগত বছরের ন্যায় আগামীতেও এ বিশ্ববিদ্যালয় যেন সাফল্যের ধারা অব্যহত রাখতে পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। সমন্বয় সভায় গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। সমন্বয় সভাটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোতাহার হোসেন।
12/04/2022
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েশন ডে ২০২২ অনুষ্ঠিত:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উইন্টার ২০২০ টার্মের ব্যাচেলর অব সায়েন্স (কৃষি) প্রোগ্রামের ১৩তম ব্যাচের, ব্যাচেলর অব সায়েন্স (ফিশারিজ) প্রোগ্রামের ৯ম ব্যাচের, ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) প্রোগ্রামের ৬ষ্ঠ ব্যাচের এবং ব্যাচেলর অব সায়েন্স (কৃষি অর্থনীতি) প্রোগ্রামের ৫ম ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের গ্র্যাজুয়েশন ডে আজ ৭ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার সকাল ১১:০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও গ্র্যাজুয়েশন ডে’র সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন এবং ডিগ্রি প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভেচ্ছা স্মারকসহ সাময়িক সনদপত্র প্রদান করেন। ভাইস-চ্যান্সেলর ডিগ্রিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের আনন্দঘন এ মিলনমেলায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জাতির আশা আকাঙ্খা পূরণে ও দেশ গঠনের লক্ষ্যে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও মেধাÑ দায়িত্বশীলতার সাথে কাজে লাগাবেন। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি গ্র্যাজুয়েটই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক একজন এমব্যাসেডর বা প্রতিনিধি। তিনি সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও মঙ্গল কামনা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে গ্র্যাজুয়েটগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আগে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, ভেটেরিনারি মেডিসিন অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্স অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হায়দার, ফিশারিজ অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. নার্গিস সুলতানা এবং কৃষি অনুষদের ডীন, প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল হক ভাইস-চ্যান্সেলর সমীপে নিজ নিজ অনুষদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। গ্র্যাজুয়েশন ডে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ সিরাজুল ইসলাম তালুকদার। সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জনকারী কৃষি অনুষদের ছাত্রী তাসফিয়া তাসনিম মুন, ফিশারিজ অনুষদের ছাত্রী অনসুয়া কর, ডিভিএম অনুষদের ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া এবং কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের ছাত্রী আইরিন সুলতানা আঁখি তাঁদের নিজ নিজ অনুভূতি ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েশন ডে’র মাধ্যমে ৯৪ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিএস (কৃষি), ৫১ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিএস (ফিসারিজ), ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ডিভিএম এবং ৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিএস (কৃষি অর্থনীতি), চারটি অনুষদের সর্বমোট ২৫৩ জন গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। গ্র্যাজুয়েশন ডে অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে ডিগ্রি প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
28/03/2022
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ আনন্দ উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে সূর্য্যােদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সকাল ৯-০০মি: প্রশাসন চত্বর থেকে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া’র নেতৃত্বে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে ও মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘জয়বাংলায়’ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদ, হল প্রভোস্টগণের নেতৃত্বে বিভিন্ন আবাসিক হলের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ হল সংলগ্ন বৈশাখী চত্বরে প্রীতি খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানমালায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাঙালী জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত এবং পূর্ব বাংলার আপাময় জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। দলমত নির্বিশেষে দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্র ও বাধা অতিক্রম করে দেশ এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।
স্বাধীনতা সংগ্রামে মহান শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও পরিচালক ছাত্রকল্যাণ প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠামালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।
26/03/2022
বশেমুরকৃবি’র বহিরাঙ্গন কার্যক্রম এর উদ্যোগে“গবাদি প্রাণী ও পোল্ট্রি খাদ্য, প্রজনন এবং রোগব্যাধি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ’’ আগামী২৮ শে মার্চ ২০২২ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার বেলা ১০:০০ ঘটিকায় অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া, মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর, বশেমুরকৃবি এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ, মাননীয় ট্রেজারার, বশেমুরকৃবি উপস্থিত থাকতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রফেসর ড. ইমরুল কায়েস, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম), বশেমুরকৃবি।
26/03/2022
বশেমুরকৃবি’র বহিরাঙ্গন কার্যক্রম এর উদ্যোগে “গবাদি প্রাণী ও পোল্ট্রি’’ বিষয়ক মেলা আগামী ২৮ শে মার্চ ২০২২ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার বেলা ২:০০ ঘটিকায় অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইভস্টোক এবং পোল্ট্রি খামারে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া, মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর, বশেমুরকৃবি।
21/03/2022
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু’র জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ ও উৎসবের মধ্য দিয়ে আজ ১৭ মার্চ স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’র ১০২তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপিত হয়। এ উপলক্ষ্যে সকালে প্রশাসন চত্বর থেকে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদ, বিভিন্ন আবাসিক হল, বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকের এই শুভ দিনে ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টঙ্গীপাড়ায় বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা শেখ সায়েরা খাতুনের ঘর আলোকিত করে খোকা নামে যে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েছিল – তিনিই আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর ১০২তম জন্মদিনে এ মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে। তিনি ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ১৫ আগস্টসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে যাঁরা আত্মাহুতি দিয়েছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত গর্বিত এই জন্য যে বঙ্গবন্ধু’র মতো একজন ভিশনারি মহান নেতা যিনি বাঙালী জাতিকে ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি সংগ্রামে প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ নামে ভূখন্ড উপহার দিয়েছেন। বিশ্বের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র নেতা যিনি বাঙালীকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন, যাঁর ভাষণ বিশ্বঐতিহ্যের দলিল, যাঁর জয়বাংলা শ্লোগান আজ জাতীয় শ্লোগান এবং যাঁর জন্মদিন শতবছর পরেও সগৌরবে সারা জাতি উদ্যাপন করছে। বঙ্গবন্ধু’র সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে দেশ এগিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন। আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ। দিবসের অন্যান্য অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে ছিল: বঙ্গবন্ধু’র জীবনীর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শন, বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া, সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। জন্মদিনের অনুষ্ঠানসমূহে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রেজিস্ট্রার, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের ছাত্র-শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।