মেডিকেলে প্রফের ভাইবায় টাফেস্ট পার্ট হচ্ছে পেশেন্ট এক্সামিনেশন
আর বেশি টাফ লাগে ইএনটির ( নাক কান গলা ) পেশেন্ট এক্সামিনেশন
কারণ ইন্সট্রুমেন্ট হ্যান্ডেলিংয়ের বিষয়গুলো সেই আগের যুগের ক্যাসেটের ফিতার মত প্যাঁচ খায়া যায় বারবার টেনশনের কারণে ।
আমার এক প্রিয় সিনিয়র ভাইয়ের এক্সামিনেশন কথন
পেশেন্ট এক ইয়াংস্টার
নাকের এক্সামিনেশন
ন্যাসাল স্পেকিউলাম ডান হাতে নিতেই পেশেন্ট ফিসফস করে বলল : স্যার ওইটা বাম হাতে ধরেন
মনে মনে টের পাইলেন : ধরা খাইসিলেন আরেকটু হইলে
এরপর স্পেকিউলামটা নাকে দিতে যাবেন , রোগী ফিসফিস করে বলল : স্যার আগে স্যাভলনে চুবায়ে নেন
[ অবাক হওয়ার কিছু নাই , পরীক্ষায় প্রতিদিন দশ পনেরজন পরীক্ষার্থী একই এক্সামিনেশন ফেইস করতে করতে রোগীর সব কিছু মুখস্ত হয়ে যায় ]
whatever
শ্রদ্ধেও ভাই প্র্যাকটিস করে আসা প্রসিডিউর একে একে করলেন যেটুকু মনে আছে
এক্সামিনেশন প্রসিডিউর শেষ করে ভাই এইবার রোগীকে ফিসফিস করে বললেন
ভাই , কিছু বাদ গেসে ?
লিখেছেন : ডা: যুবায়ের আহমেদ
মমেক
International Medical College & Hospital
it is a non-govt. medical college established in 2000 situated at gazipur,dhaka,bangladesh.
*it is
The maddening busy streets and concrete forest of the capital city stop at a distance from the College. The campus stands in a solitary environment amidst green vegetation, spaced villages and large water bodies. One takes a walk around the campus to take fresh breath while enjoying the panorama and picturesqueness that the site offers. Everything combines and converges here to make it a perfect p
আজ মজার একটা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। কিছুক্ষণ আগে নাস্তা করতে এক দোকানে ঢুকলাম। খেতে খেতে দোকানদারের সাথে টুকটাক কিছু কথা বলছিলাম। এই যেমন দোকান ভাড়া কতো, চাঁদাবাজির মাত্রা কেমন ইত্যাদি। খাওয়া শেষ হলো। বিল দিতে উঠলাম এবার দোকানদার লোকটা জিজ্ঞেস করলো, ভাই কী সাংবাদিক? মৃদু হেসে বললাম, না ডাক্তার। প্রতিষ্ঠান জিজ্ঞেস করলো। বললাম। সাথে সাথে তার মুখের ভাবটা বদলে গেলো। হাস্যোচ্ছল চেহারাটা যেন মূহুর্তেই বেদনায় কুকড়ে উঠলো! মূহুর্তেই একজন সুস্থ মানুষকে রোগী হয়ে যেতে দেখলাম! উনি বললেন, স্যার,একটু চিকিৎসা দিয়ে যান দয়া করে। অনেকদিন ধরে কোমরটা ব্যাথা ব্যাথা করছে। সুযোগের অভাবে ডাক্তারের কাছে যেতে পারছি না।
আমি কিছুটা মজা পেলাম ব্যাপারটায়। এ রকম ঘটনা একেবারে অপরিচিত নয়। তবে সেটা হলের ক্যান্টিনের ম্যানেজার, বয় আর বন্ধু মহলে সীমাবদ্ধ। হলের বাইরে এসে এখানে নাস্তা খাওয়ার সময়ওযে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবো আশা করিনি। বললাম ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে চিকিৎসা করান। এক্সরে করে দেখতে হবে। উনি বললেন, যাবো স্যার কিন্তু আপাতত কয়েকদিনের জন্য চিকিৎসা দেন অন্তঃত। এবার হাসতে হাসতে বললাম, এখন প্রেসক্রিপশন দিলে কিন্তু ভিজিট দিতে হবে! উনি তাতেও রাজী!
যাইহোক এরপর তার সমস্যার কথা শুনে প্রেসক্রিপশন লিখে দিলাম।এবার বিল দেবার পালা। টাকা এগিয়ে দিলাম। উনি তো কোনভাবেই বিল নেবেন না! আরে এ কী বিপদ। বিল না দিলে নিজের কাছেই কেমন কেমন ছোট ছোট লাগে। কিন্তু তাকে রাজী করাতে পারছি না। এক পর্যায়ে বললাম, ভাই, আপনি যদি বিল না নেন তাহলে আমি আপনার দোকান থেকে যাবো না। এখানেই দাড়িয়ে থাকবো। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে উনি বিল নিলেন। কিছু টাকা কম রাখতে চাইলেন কিন্তু সে সুযোগও তাকে দিলাম না। যখন চলে আসছিলাম তখন লোকটার কৃতজ্ঞ দৃষ্টি আমাকে যথেষ্টই আলোড়িত করেছে। মনে হয়েছে এই শ্রদ্ধামাখানো ভালোবাসার জন্য কষ্ট করে হাসপাতালে পড়ে থাকা যায়। চিকিৎসা পেশায় নিজেকে আরো যোগ্য করে গড়ে তুলতে পরিশ্রমের পাহাড় ডিঙানো যায়। এই ভালোবাসার মূল্য কাগুজে টাকার চেয়ে অনেক অনেক বেশী।
আল্লাহ তায়ালার কাছে হাজারো শুকরিয়া যে তিনি এমন এক পেশায় আসার তাওফীক দিয়েছেন যেখানে নিজের একটু মাত্র ক্ষতি না করেও অন্য অনেক মানুষের উপকার করা যায়। একটু সচেতন থাকলে জীবনের এতো রোগী দেখা, পরিশ্রমগুলোকে বদলে নিতে পারি পূণ্যের হিসাবে। শুধু খেয়াল রাখতে হবে কাজগুলো যেন করি কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তাহলে সৎপথে থাকাটাও হয়ে যাবে অনেক সহজ। বস্তুবাদী সামান্য লোভের তুলনায় আল্লাহর নৈকট্য অনেক বড়ো অর্জন। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন যাতে আমরা নিজেদেরকে গড়তে পারি ভূবন বিজয়ী নয় বরং লাখো মানুষের হৃদয় বিজয়ী মানুষ হিসেবে। এর বেশী চাইবার মতো কীইবা থাকতে পারে?
ডাঃ হাবিবুর রহিম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
আমি যখন প্রথম মেডিকেলে ভর্তি হলাম তখন অনেক সিনিয়র বড় ভাই বলত কেন ভর্তি হলে ??? এইটা কোন প্রফেশন হইলো ??? ইত্যাদি ইত্যাদি নানা ধরণের ইনহিবিটরি কথা । প্রথম প্রথম নিজের কাছেও খারাপ লাগত । মনে হতো পারব কিনা ?? এত কঠিন এত বড় সিলেবাস । কিন্তু পরোক্ষণেই আবার কিছু সিনিয়র ভাইদের উতসাহমূলক কথা , তাদের ভাল ফলাফল আমাকে যথেস্ট সাহসী করে তুলেছিল । যদিও আমি বেসরকারী মেডিকেলে পড়ি তারপরও আমার এত টুকু আক্ষেপ কাজ করে না যে কেন আমি সরকারী মেডিকেলে পড়তে পারলাম না । কারণ আমি বিশ্বাস করি উপরে একজন আছেন যিনি আমার জন্য ভালটাই ঠিক করে রেখেছেন । আমার পথ চলা থামেনি , ইনহিবিটরি কথার চেয়ে ইস্টিমুলেটরি কথাই আমার কাছে বেশি সঠিক মনে হয়েছে । প্রথম দিককার পর অনেক অনেক বড় ভাইকে দেখেছি তাদের লক্ষের দিকে কি নিষ্ঠার সাথে এগুতে । এগুলো আমার উপর ধনাত্মক প্রভাবকের মত কাজ করেছে । তারা পারলে আমি পারব না কেন ???
আমি এই লেখাটা লিখছি আমার কিছু ছোট ভাই বোনদের উদ্দেশ্যে । তারা মনে করতেছে মেডিকেলে এসে তারা জীবনের সবচেয়ে বড় ভূল করে ফেলেছে । কিন্তু আমার তা মনে হয় না ।
তোমরা কেন ভাবো যে মেডিকেলে পড়া অনেক বেশি ?? তোমরা তো এইটা ভাবতে পার যে তোমরা পেশাগত জীবনের সবচেয়ে মর্যাদাকর পদে অধিস্টিত হবার জন্য এসেছো । তোমরা কেন ভাবো যে ডক্টরদের কেউ সম্মান করে না ??? তোমরা এইটা ভাবতে পার যে , স্রস্টার পরেই তোমাদের স্থান এই মর্ত্যের মানুষের কাছে ।
আর সিলেবাস ??? হ্যা সেটা তো একটু বড় বা একটু কঠিন । আর হওয়াটাই কি স্বাভাবিক বা উচিত না ??? আর্মিতে সেকেন্ড লেফটেনেন্ট পদে যোগদানের পর একবছর স্টীম রোলার চালানো হয় , কেন জানো ??? কারণ , তারা জানে কঠিন প্রস্তুতি সহজ যুদ্ধ । ঠিক তেমনি , তুমি ডক্টর হয়ে মানুষের জীবন নিয়ে খেলবা । সেখানে তোমার ভুলের কোন চান্স নাই । এতটাই নিখুত হতে হবে তোমাকে । তাহলে প্রস্তুতিটাও হতে হবে সেইরকম ।
আমি পোস্ট গ্রজুয়েশনের কথা জানি না , কারণ আমি একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী । তাই , একটু কষ্ট , কিছু মজা আর মোটামুটি লেখাপড়া …… এতেই চলবে । আর মেডিকেলের এই পাচ বছর খুব বড় বই বা ডীপ নলেজ অর্জন না হয় নাই করলা । তবে রেসিউডুয়াল নলেজের দিকে একটু সচেতন হও । বই নিজে রুমে বসে না পড়ে লেকচারে যাও । সেখানে বড় বড় প্রফেসর দের কথাগুলো শুনলে উপকারটা বেশিই হবে , অন্তত নিজে বই পড়ার চেয়ে । সর্বোপরি চেষ্টা কর মজাটা খুজে নিতে । আর সব কথার শেষ কথা #সাফল্যের_কোন_শর্টকাট_রাস্তা_নেই । আর আমরা কেউই হয়ত চাই না যে শুধু MBBS পাশ করেই ক্ষমা দিব , আর নাই এই দিকে ।
পরিশেষে আমার প্রিয় কার্টুন Captain Planet এর অমর বানী *** The Power Is Yours ***
নাসিম অনি
IMC 12
27/01/2015
Tetralogy of Fallot (TOF)
24/01/2015
Felty's Syndrome Components............
24/01/2015
Horner's Syndrome features..........
19/01/2015
Signs of chronic liver disease
LIFE vs DREAM
MBBS পাস করে অনেকেই পড়াশুনার দীর্ঘসূিত্রতায় যেতে চাননা. কিন্তু প্রত্যেক টি মেডিকেল স্টুডেন্ট এবং ডাঃ দের মনের একটি সুপ্ত বাসনা ভাল এবং বিখ্যাত ডাঃ হওয়া. স্বপ্ন গুলোই পূরণ করতে না পারলে সেটা দূঃসপ্ন হয়ে যায়. স্বপ্ন পূরণের জন্য Anesthesia তে ক্যারিয়ার খুবই সহায়ক. BCS & Anesthesia একসাথে যায়না. BCS বাদ দিয়ে এ পথে আসলে প্রথমেই কয়েক ধাপ এগিয়ে আসা যায়. তবে হ্যাঁ Anesthesia running এ BCS হলে গ্রামে থাকা 1 বছর কমিয়ে আনা যায় ( গ্রামে থাকাকে অনুৎসাহিত করছি না)
✘ DA ( Diploma In Anesthesia) করে 2-3 বছর এর মাঝেই consultant হওয়া যায়! যেখানে অন্যান্য ডিপ্লোমা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে সেখানে anesthesia dilpoma কিছুটা সহজ হয় আমাদের দেশে Anesthesiologist এর lackings আছে.DA শেষ হলে হাসপাতালে ডিউটির পাশাপাশি FCPS এর ট্রেইনিং টা সেরে নিতে পারেন
Anesthesia তে কি কি ডিগ্রী নেয়া যায়???
= DA, MD, FCPS, FRCA
✘ DA এবং MD তে চান্স পাবার জন্য MS candidates দের মতই প্রিপারেশন নিতে হবে এবং একই question এর উপর পরীক্ষা দিতে হবে.
✘ DA এর জন্য যেভাবে প্রিপারেশন নিবেন :
Course Duration: 2 years
Exam content : type. 60% question Basic থেকে, 40% question clinical থেকে.
Course content:
paper 1 : ( Basic Science) :: Anatomy, physiology, basic / general pharmacology , Physics & clinical measurement
Paper:2 ( Basic clinical ) :::
Clinical. Pharmacology, Basic of Anesthesia , Pain & Palliative Care , Intensive Care medicine .
Paper : 3 ( Clinical Anesthesia) ::: Anesthesia for particular operation , Disease & Complication.
Pre-operative assessment: 1month
General Surgery: 3 months
Orthopaedics and trauma : 2 months
Gynae. & Obs : 3 months
Urology : 2 months
ENT: 6 weeks
Eye + ECT : 1 month
ICU & post anaesthesia care unit : 3 months
Neurosurgery: 2 month
Paediatrics surgery: 1 month
Cardiothoracic & Vascular unit :1 month
Cardiology: 2 weeks
Radiology & Imaging :2 weeks
Pain & Palliative care :1 month
Dental and orofacial surgery :2 weeks
Exam preparatory period
2 weeks 2weeks.
Total : 24 Months.
✘ FCPS 3 টি পেপার এর 1st পেপার এ anatomy, physiology
2nd paper: physiology, biochemistry,
3rd পেপার: pharmacology, physics & Biostatistics
FCPS এ পাসের হার বেশ ভালো এবং দেশেবিদেশে এর ডিমান্ড ও খুব বেশী.
বিঃদ্রঃ একমাত্র. FCPS IN Anesthesia GMC কর্তৃক accredited ! so, খুব সহজেই হয়ে যেতে পারেন UK Dr. ! ধন্যবাদ সবাইকে ।
* কেনো আপনার #ডাক্তার_ছেলে বিয়ে করা #উচিত !!
১. আপনাকে বেশী সময় দিবে , পড়াকে কম ।
২. "সবাই তো সুখী হতে চাই " , আর টাকা না থাকলে সুখ টয়লেটের ভেন্টিলেটর দিয়ে পালায় । সুতরাং একজন ডাক্তার বিয়ে করলে আপনার সেই ভয় নাই ।
৩. প্রতিদিন সকালে উঠে দেখবেন আপনার তিনি আরাম করে ঘুমাচ্ছেন , তাই তাকে ডাকতে সাত সকালে রেওয়াজ করতে হবে ( তাতে করে আপনার ভালো সংগীত চর্চা হয়ে যাবে । )
৪. সারাদিন রোগীর সাথে বকবক করায় বাসায় এসে নি:শ্চুপই থাকবে । তাই ঝগড়া হবার কোন সম্ভাবনাই নাই ।
৫. ডাক্তাররা যেহেতু ভাল শ্রোতা , সেহেতু আপনার বকবকানিগুলার খুব ভাল একজন শ্রোতা হবেন আপনার ডাক্তার জামাই
৬. রোগী-হাসপাতাল, রোগী-চেম্বার (যদি পোস্ট গ্রাজুয়েশন হয়) এর কম্বিনেশনে পড়ে আপনাকে সময় দেয়ার ফুসরতই পাবে না , বিধায় আপনি বেশ স্বাধীনভাবে নিয়মিত বাবার বাড়ি যাবার সময় পাবেন ( অন্য প্রফেশনে কিন্তু চিন্তাই কইরেন না এটা ) ।
**কখন #ডাক্তার_ছেলে বিয়ে করে #অসুখী হবেন !!
আসলে ডাক্তার ছেলে বিয়ে করে অসুখী হবার কোনো কারনই আমি দেখি না
#সুতরাং , ডাক্তার বিয়ে করুন সুখী হউন
নাসিম অনি
17/03/2014
01/03/2014
German medical team with our chairperson.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Gazipur