08/03/2026
Brain Share is a platform for growth, offering free mentorship, robotics, science experiments, competitions, and bootcamps to empower students and innovators worldwide.
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Brain Share, Education, 978, East Shewrapara, Mirpur.
BrainShare is a learing platform for growth, offering free mentorship, robotics, science experiments, competitions, and bootcamps to empower students and innovators worldwide.
08/03/2026
Brain Share is a platform for growth, offering free mentorship, robotics, science experiments, competitions, and bootcamps to empower students and innovators worldwide.
17/09/2025
ব্যবসা মানে শুধু লাভ নয়—এটি সিদ্ধান্ত, কৌশল আর আস্থার যুদ্ধ।
আমি অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি, নিচের নিয়মগুলো না মানলে ব্যবসা ধ্বংস হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
১. মানুষ নয়, সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন
মানুষ বদলায়, সিস্টেম বাঁচায়। ব্যবসা দাঁড় করান নিয়মে, ব্যক্তিতে নয়।
২. দায়িত্ব দিন যোগ্যতাকে, সহানুভূতিকে নয়
অযোগ্য কাউকে সুযোগ দেওয়া মানেই নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।
৩. টক্সিক মানুষদের দ্রুত বিদায় দিন
একজন নেতিবাচক কর্মী পুরো টিমকে পচিয়ে দেয়।
৪. স্বপ্নে বিশ্বাস না থাকলে কোনো লাভ নেই
যে আপনার ভিশনে বিশ্বাস করে না, সে আপনার গন্তব্যও বুঝবে না।
৫. শেখার ক্ষুধা নেই মানেই ব্যাকডেটেড
যে কর্মী আপডেট হয় না, সে আসলে টিমের জন্য ব্রেক।
৬. বেতন বিনিয়োগ, খরচ নয়
কর্মী তার বেতনের অন্তত ১০-১২ গুণ রিটার্ন না দিলে সে ব্যবসার বোঝা।
৭. সংস্কৃতি গড়ে তুলুন, সবাইকে মানতে বাধ্য করুন
প্রতিষ্ঠানের ভ্যালু ও কালচারই আসল শক্তি।
৮. চুরি মানেই গেম ওভার
যে একবার করেছে, সে আবারও করবে। শূন্য সহনশীলতা।
৯. ক্যাশ এড়ান, সিস্টেম আনুন
টাকা চরিত্র বদলায়—তাই নগদে নয়, সিস্টেমে ভরসা রাখুন।
১০. শর্ট-টার্ম কর্মী = শর্ট-টার্ম সাফল্য
অস্থায়ী মানসিকতা দিয়ে স্থায়ী উন্নয়ন হয় না।
১১. চাকরির মানসিকতা নয়, মালিকানার মানসিকতা
যে কর্মী প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে না, সে উন্নয়ন ঘটাবে না।
১২. অপচয়কারীরা ক্ষতিগ্রস্ত করবে
বিদ্যুৎ, পানি, সময় বা রিসোর্স নষ্টকারীরা প্রতিষ্ঠানের শত্রু।
১৩. গীবতপ্রিয় কর্মীকে ছেঁটে ফেলুন
পেছনে কথা বলার লোক টিমওয়ার্ক ধ্বংস করে।
১৪. ভুল হলে স্বীকার করুন, অজুহাত নয়
অজুহাত মানে দায়িত্বহীনতা, যা ব্যবসার জন্য ঝুঁকি।
১৫. আত্মীয়-স্বজন মানেই বিশ্বাসযোগ্য নয়
আত্মীয়দেরও দায়িত্ব দিলে নজরদারির মধ্যে রাখুন। ব্যবসায় আস্থার জায়গায় সিস্টেম দিন।
ব্যবসার আসল শক্তি হলো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস।
Copied
15/09/2025
IELTS-এর ৩ মাসের প্রিপারেশন রুটিন!!!
যারা বাসায় বসে নিজে নিজে প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এই লেখা তাদের জন্য একদম পারফেক্ট।
প্রথম মাস – বেসিক গ্রামারের ভিত গড়ে তুলুন!
বেসিক গ্রামার জানাটা শুধু দরকারি না, বরং এটা হলো আপনার IELTS জার্নির মেরুদণ্ড।
আপনার প্রথম ১ মাসের টার্গেট:
Sentence Structure – ৩ দিন
Tenses – ৫ দিন
Prepositions – ২ দিন
Conjunctions – ১ দিন
Articles – ২ দিন
Subject-Verb Agreement – ২ দিন
Modals and Auxiliary Verbs – ২ দিন
Question Formation (Yes/No & Wh questions) – ১ দিন
Basic Punctuation – ১ দিন
Passive Voice – ৩ দিন
Gerunds and Infinitives – ৩ দিন
Synonyms and Paraphrasing – প্রতিদিন ১৫ মিনিট (রিডিং আর রাইটিংয়ের জন্য লাইফলাইন)
পরামর্শঃ
যেকোনো বেসিক গ্রামার বই বা ইউটিউব টিউটোরিয়াল থেকে শেখা শুরু করুন।
প্রতিটা টপিক বুঝে খাতায় লিখে প্র্যাক্টিস করুন।
অথবা আমাদের IELTS Basic Grammar কোর্সে ইনরোল করে ফেলুন।
দ্বিতীয় মাস – বেশি বেশি প্র্যাক্টিস করুন!!
এখন আপনি গ্রামারের বেসিক জানেন। এবার প্রয়োজন প্রতিদিনের নিয়মিত প্র্যাক্টিস।
প্রতিদিনের রুটিন:
সকাল:
- Cambridge 10-19 এর যেকোনো একটা রিডিং টেস্ট করুন।
- তারপর একটা লিসেনিং টেস্ট দিন।
- ভুলগুলো চিহ্নিত করুন, বিশ্লেষণ করুন।
বিকেল:
- Speaking প্র্যাক্টিস করুন – প্রথমে Makkar Speaking বই থেকে প্রশ্ন পড়ুন।
- আয়নার সামনে উত্তর দিন।
- এরপর ভিডিও রেকর্ড করুন এবং নিজেই নিজের ভুল ধরুন।
- ভুলগুলো নোট করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।
রাত:
- Writing Task 1 এবং Task 2 লিখুন।
- প্রথমে টাইম ছাড়া লিখুন, পরে টাইম সেট করে।
এই ১ মাসে আপনি করবেন:
৩০টা রিডিং টেস্ট
৩০টা লিসেনিং টেস্ট
৩০টা রাইটিং প্র্যাক্টিস
এই সময় আপনার প্রোগ্রেস দেখবেন এবং বুঝতে পারবেন, আপনি কোন স্টেজে আছেন।
তৃতীয় মাস – ফাইনাল পুশ, যেখানে হবে রিয়েল ইম্প্রুভমেন্ট!!!
- বিগত ২ মাসে আপনার দুর্বল জায়গাগুলো স্পষ্ট হবে।
- রিডিংয়ে টাইম ম্যানেজমেন্টে সমস্যা?
- রাইটিংয়ে আইডিয়া জেনারেশন হচ্ছে না?
- স্পিকিংয়ে জড়তা ফিল করেন?
এখন সময় হলো সেইসব জায়গায় ফোকাস করে ইম্প্রুভ করার। এই সময় আপনি যা শিখেছেন তা ঝালাই করে আরও শার্প করবেন।
শেষ কথা:
শুরুটা কঠিন হতে পারে, কিন্তু প্রতিদিনের চেষ্টাই আপনাকে পৌঁছে দেবে আপনার কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ড স্কোরে।
শুভ কামনা রইলো আপনার আইইএলটিএস যাত্রায়!
চেষ্টা যদি হয় নিঃস্বার্থ, সফলতা আসবেই — ইনশাআল্লাহ!
Content Curtesy: ieltsschoolbd
10/09/2025
৩৫ হাজার টাকার চায়না বিজনেস (M) ভিসা – যেভাবে নিজে নিজে মাত্র ৬,৮২০ টাকায় করবেন
অনেকেই চীনের বিজনেস ভিসা নিতে জানতে চাচ্ছেন তবে সবার আলাদা আলাদা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সময়সাপেক্ষ হয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলাম, পুরো প্রসেসটা একটা পোস্টে আবার তুলে ধরি—যাতে আপনি নিজেই সব করতে পারেন। এতে করে অনেক টাকা ও সময় বাঁচবে।
১. সবার আগে আপনাকে Canton Fair থেকে একটি অফিসিয়াল ইনভাইটেশন নিতে হবে। ওয়েবসাইটে গিয়ে “Overseas Buyer” হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন।
রেজিস্ট্রেশন শেষে ইনভাইটেশন ডাউনলোড করে রাখুন।
[https://www.cantonfair.org.cn/en-US](https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fwww.cantonfair.org.cn%2Fen-US%3Ffbclid%3DIwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExS1U1cWlaakxrMG54QUd1QgEed31sUi35XkHkd5MgTiVjS9TpoPvABL_YhP1VPX3a2z49ZPNilg02DL5EBtw_aem_KBt9_-X_PsfPN0YZkUieIQ&h=AT0QPu7nAtoyT6fhp9SfRYn4EQt_YbEy7KEYR6ovdtmgxNjtXsueKZqyy4n6eGQEx0WaB4CctmnwfFre3aWYzc2QBizhu83RH4yyVHCScJGUgpvMpezZ33dfoVhoStF882susFw9qsrkrfnl&__tn__=-UK-R&c[0]=AT00pWI2Sf10qQQhSUxAcQ5oBWN3yjpTbcloHJ1xHaKZ_NSG8X9Xsi5nGu-6epKNob6WURa3qD0J__EkP1prnhwrAw30e9l-htJ4UoWm7GIO7OQ_ZHONE3ntBF-hupQ5nQG2yNDjcToF3tSca0Q7OO7ZrkAb4g)
ক্যান্টন ফেয়ারের (অক্টোবর-নভেম্বর) জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন।
ফেয়ার ছাড়াও আপনি আপনার সাপ্লাইয়ার থেকে ইনভিটেশন নিতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে চাইনিজ সাপ্লাইয়ার কিভাবে পাওয়া সেটা নিয়ে আরেকটি পোস্ট করবো।
২. এবার অনলাইনে চায়না ভিসার পোর্টালে গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে।
ফর্মের একদম শেষে ইনভাইটেশন লেটার আপলোড করার অপশন আসবে—সেখানে Canton Fair থেকে পাওয়া ইনভাইটেশনটি দিন।
[https://bio.visaforchina.cn/DAC3_EN/qianzhengyewu](https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fbio.visaforchina.cn%2FDAC3_EN%2Fqianzhengyewu%3Ffbclid%3DIwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExS1U1cWlaakxrMG54QUd1QgEexFnXYwHz_rndLekXKsSCoDmaWpIdntqM2Yes9CSMu0VBPr3EyG4zANqFVgs_aem_jrwbdkyMdWz-grAy0cFiPw&h=AT128bYzhB0RT2_0wzcOwC2RsYiOPVIPvv9dxREMvy9DJVFxmi0GvUfHCsfIrjGIE-BeZ5EtGmnjJLXZb5Eq5SVa7yO4YE0os9-bgPA1YZxx-k4LWKuTExu_sR78lgJYIExSg8NOp3SHDDJ8&__tn__=-UK-R&c[0]=AT00pWI2Sf10qQQhSUxAcQ5oBWN3yjpTbcloHJ1xHaKZ_NSG8X9Xsi5nGu-6epKNob6WURa3qD0J__EkP1prnhwrAw30e9l-htJ4UoWm7GIO7OQ_ZHONE3ntBF-hupQ5nQG2yNDjcToF3tSca0Q7OO7ZrkAb4g)
ফর্ম সাবমিট করার ১–২ দিনের মধ্যেই ইমেইলে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়। ইন্টারভিউ দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
৩. ইন্টারভিউ লাগলেও চিন্তার কিছু নেই। সবাইকে ডাকে না, তবে কেউ কেউ ইন্টারভিউর জন্য ডাক পেতে পারেন।
অনেকে ভাবেন এটা হয়তো ভিডিও ইন্টারভিউ—আসলে না। সরাসরি ঢাকার বারিধারায় এমবাসিতে যেতে হয়।
প্রশ্নগুলো খুবই সাধারণ হয়ঃ
আপনি কী করেন, কেন যাচ্ছেন, আগে কোথাও গেছেন কি না—এই ধরণের।
শুধু আত্মবিশ্বাস নিয়ে উত্তর দিলেই যথেষ্ট।
ইন্টারভিউয়ে আপনার আবেদন ফর্ম, ইনভাইটেশন আর পাসপোর্ট নিলেই হয়।
ইন্টারভিউ দেওয়ার পর মাত্র ৫–১৫ মিনিটের মধ্যেই ইমেইলে ভিসা এপ্রুভালের খবর চলে আসে।
৪. যদি ভিসা এপ্রুভাল আসে, তাহলে ইনভাইটেশন লেটার, আবেদন ফর্ম, পাসপোর্টসহ সবকিছু বনানিতে গিয়ে জমা দিতে হবে।
ফি: ৬,৮২০ টাকা (ক্যাশে)
সাধারণত ৪ কার্যদিবসের মধ্যেই পাসপোর্টে ভিসা লাগানো অবস্থায় হাতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
Thanks to [Md Raihan Hossan]
কালেক্টেড
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আমেরিকাতে যে ধরনের স্কলারশীপ পাওয়া যায় তার তালিকা দেয়া হলো। মনে রাখতে হবে যে এগুলো খুবই প্রতিযোগীতামূলক।
𝗚𝗼𝘃𝗲𝗿𝗻𝗺𝗲𝗻𝘁-𝗙𝘂𝗻𝗱𝗲𝗱 𝗦𝗰𝗵𝗼𝗹𝗮𝗿𝘀𝗵𝗶𝗽𝘀
1. Fulbright Foreign Student Program – Covers tuition, airfare, living stipend, and health insurance.
2. Hubert H. Humphrey Fellowship Program – For experienced professionals to study non-degree programs.
3. Education USA Opportunity Funds Program – Assists students with application and travel costs.
𝗨𝗻𝗶𝘃𝗲𝗿𝘀𝗶𝘁𝘆-𝗦𝗽𝗲𝗰𝗶𝗳𝗶𝗰 𝗦𝗰𝗵𝗼𝗹𝗮𝗿𝘀𝗵𝗶𝗽𝘀
1. Harvard University Scholarships – Offers need-based financial aid for international students.
2. Stanford University Knight-Hennessy Scholars Program – Covers full tuition, living expenses, and travel.
3. Yale University Scholarships – Need-based financial aid for international students.
University of Chicago Scholarships – Merit-based and need-based scholarships available.
4. Clark University Global Scholars Program – Provides up to $25,000 per year.
5. New York University Wagner Scholarships – Offers partial to full scholarships for graduate students.
𝗣𝗿𝗶𝘃𝗮𝘁𝗲 𝗮𝗻𝗱 𝗢𝗿𝗴𝗮𝗻𝗶𝘇𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻-𝗙𝘂𝗻𝗱𝗲𝗱 𝗦𝗰𝗵𝗼𝗹𝗮𝗿𝘀𝗵𝗶𝗽𝘀
1. Joint Japan/World Bank Graduate Scholarship Program – For students from developing countries.
2. AAUW International Fellowships – For female international students pursuing graduate studies.
3. PEO International Peace Scholarship – For women pursuing graduate degrees in the USA.
4. The Rotary Foundation Global Grant – Supports graduate-level study in various fields.
You know what you have to do to get more information from this page ;)
16/02/2025
📢 রিসার্চঅর্বিট: বাংলাদেশে গবেষণার নতুন বিপ্লব! 🚀
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা শেখার একটি অনন্য সুযোগ নিয়ে আসছে "রিসার্চঅর্বিট"—একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক গবেষণা সংস্থা, যেখানে ন্যাশনাল, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে গবেষণা শেখানো হবে!
---
🔍 রিসার্চঅর্বিট কিভাবে কাজ করবে?
✅ অনলাইন ক্লাস: আমাদের এডভাইজরগণ রিসার্চঅর্বিটের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে গবেষণার ক্লাস নেবেন।
✅ সবার জন্য উন্মুক্ত: দেশের যেকোনো জায়গা থেকে শিক্ষার্থীরা যুক্ত হতে পারবেন এবং সকলেই সমান সুবিধা পাবেন সকল বিষয়ে।
✅ হাতে-কলমে ফ্রীতে গবেষণা শেখার সুযোগ: প্রতিদিন শেখানো বিষয়গুলো সরাসরি এডভাইজর এর মাধ্যম যাচাই করা যাবে।
---
📚 আপনি কী কী সুবিধা পাবেন?
⭐ আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলেই গবেষণার পূর্ণ ধারণা!
⭐ ডিগ্রি,ন্যাশনাল,পাবলিক, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়/ কলেজের শিক্ষার্থীরাও গবেষণা শেখার সুযোগ পাবেন।
⭐ বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের গ্রুপিং ও অভিজ্ঞ এডভাইজরদের তত্ত্বাবধান।
⭐ ৬ মাসের কোর্স শেষে প্রতি টিম একটি রিসার্চ পেপার সম্পন্ন করবে।
---
🕒 রিসার্চঅর্বিটের কোর্স স্ট্রাকচার
📌 মোট সময়সীমা: ৬ মাস
📌 প্রথম ১ মাস: রিসার্চ প্রপোজাল শেখানো হবে।
📌 পরবর্তী ৫ মাস: প্রাইমারি বা মেইন রিসার্চ শেখানো হবে
---
🎓 কারা যুক্ত হতে পারবেন?
🔹 নূন্যতম ব্যাচেলর লেভেলের শিক্ষার্থীরা
🔹 বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের, যেকোনও বিভাগের শিক্ষার্থীরা রিসার্চঅর্বিটের সাথে যুক্ত হতে পারবেন।
👩🏫 কারা এডভাইজর হবেন?
🔸 সিনিয়র এডভাইজর: বিজ্ঞানী, গবেষক, অধ্যাপক, ডাক্তার, স্পেসিফিক বিভাগের এক্সপার্টগণ।
🔸 জেনারেল এডভাইজর: ন্যূনতম লেকচারার হতে হবে এবং ফিল্ড অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে।
🎯 রিসার্চঅর্বিটের লক্ষ্য ও মটো কি?
✅ লক্ষ্য: "Research Revolution in Bangladesh" 🇧🇩
✅ মটো: "Learn, Implement & Share"
আমাদের উদ্দেশ্য: গবেষণা-নির্ভর প্রজন্ম তৈরি করা, যারা বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে! যারা বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে নতুনভাবে রিপ্রেজেন্ট করবে!
---
❌ এটি রাজনৈতিক কোনো সংস্থা নয়!
🔹 রিসার্চঅর্বিট সম্পূর্ণ নন-পলিটিক্যাল।
🔹 এখানে নিরপেক্ষভাবে গবেষণার কাজ করতে হবে, রাজনৈতিক পরিচয় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
---
🚀 কিভাবে যুক্ত হবেন?
আমাদের পেইজে যুক্ত থাকুক,সকল বিষয় আপডেট পেয়ে যাবেন।
📢 ঈদুল ফিতরের ৫-১৫ দিনের মধ্যে আমাদের গ্র্যান্ড ওপেনিং ইভেন্ট!
✅ এখনই আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
🔬 আপনার গবেষণার যাত্রা শুরু হোক আজই!
💡 রিসার্চঅর্বিট – গবেষণার নতুন দিগন্ত!
(
নিজে গবেষণা শিখুন,অন্যকে শেখার সুযোগ করে দিন!
ধন্যবাদ
স্কলারশিপ রিজেকশনের কারণ
আজকাল, স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একেবারে সাধারণ একটি প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে অনেকেই বিভিন্ন কারণে সফল হতে পারেন না। প্রফেসর মেয়ার, যিনি তার ল্যাবে পিএইচডি পজিশনের জন্য ১০১টি আবেদন পর্যালোচনা করেছেন, তার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ উঠে এসেছে যা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে কেন এত শিক্ষার্থী স্কলারশিপের জন্য রিজেকশন পান।
প্রথমত, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পজিশন-স্পেসিফিক কভার লেটার লিখতে ভুল করেন, যা তাদের আবেদনকে সাধারণ এবং আকর্ষণহীন করে তোলে। প্রফেসর মেয়ারের মতে, পজিশন-স্পেসিফিক কভার লেটার না লিখলে আবেদনকারীর আগ্রহের অভাব এবং অপরিকল্পিত মনোভাব প্রকাশ পায়। যদি কভার লেটারটি পজিশনের সাথে সম্পর্কিত না হয়, তবে এটি প্রমাণ করে যে আবেদনকারী যথেষ্ট Homework করেননি বা সেটি তার জন্য উপযুক্ত কিনা তা জানেন না।
দ্বিতীয়ত, অনেক আবেদনকারী অ্যাপ্লিকেশন ইনস্ট্রাকশন্স (আবেদন নির্দেশনা) অনুসরণে ব্যর্থ হন। অনেক সময় আবেদনকারীরা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দেন না বা কভার লেটারটি হয় সাধারণ (generic)। প্রফেসর মেয়ারের মতে, আবেদনপত্রে যে নির্দেশনা দেওয়া থাকে তা ঠিকভাবে অনুসরণ না করলে, এটি এমন একটি ইম্প্রেশন তৈরি করে যে আবেদনকারী ভবিষ্যতে কাজের জন্যও নির্দেশনা অনুসরণে একই রকম অবহেলা করবেন।
তৃতীয়ত, আবেদনকারীরা সাধারণত ল্যাব বা প্রতিষ্ঠানের কাজ অনুযায়ী তাদের আবেদন কাস্টমাইজ করেন না। প্রফেসর মেয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, স্কলারশিপে সফল হওয়ার জন্য আবেদনটি ল্যাব বা প্রতিষ্ঠানের কাজের সাথে মিল রেখে কাস্টমাইজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতা প্রদর্শন করার সুযোগ দেয়, যা আপনার উপযুক্ততা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। অনেক শিক্ষার্থী একাধিক পজিশনে একই কভার লেটার ও সিভি পাঠান, যা তাদের আবেদনকে একঘেয়ে এবং আকর্ষণহীন করে তোলে।
অতএব, আবেদনকারীদের উচিত তাদের আবেদন প্রতিটি পজিশন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সতর্কতার সাথে অনুসরণ করা এবং আবেদনপত্রে তাদের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা ও আগ্রহ যথাযথভাবে উল্লেখ করা। এই পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে, স্কলারশিপের জন্য সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।
নন-টেকি অনেক ভাই ব্রাদার প্রায়শঃ জবের বিষয়ে নক দেন, কিংবা অপরচুনিটি রেফার করার অনুরোধ জানান। আমি যেহেতু Texon এর বিজনেস টিমে আছি তাই সেলস এন্ড মার্কেটিং-এ ক্যারিয়ার স্টার্ট করার সাজেশন দিই। এবং পরে বেশিরভাগ মানুষই যোগাযোগ নিভিয়ে দেয় বা শীতল হাওয়া বহে।
তবে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পেশা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সেলস প্রফেশন। পৃথিবীর কোন কোম্পানিই স্ট্রং সেলস টিম ছাড়া ফাংশন করতে পারবে না, ইভেন ফেসবুক গুগল মাইক্রোসফটের মতো হাইটেক কোম্পানি গুলোও না।
আবার যদি আপনি অর্থ আয়ের দিকে লক্ষ্য করেন, এক্সপার্ট সেলস প্রফেশনালসরা অনেক সফটওয়্যার ইঞ্জনিয়ারদের চেয়ে বেশি আর্ন করে। এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর তারা বিভিন্ন কোম্পানিকে কনসালটেন্সি প্রদানের মাধ্যমে ডাক্তারদের মত অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সময় বিক্রি করে।
তারপরও বাংলাদেশে সেলস প্রফেশন নিয়ে এতো অনীহা কেন? খোদ সেলস প্রফেশনালসই নিজেদের পেশাকে হাইড করে চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সোসাইটিও এখন অবধি সেলস এক্সিকিউটিব মানেই ডেস্টিনি পোশাকে দোকানে দোকানে ঘুরতেছে এমন দৃশ্যই তুলে ধরে। কর্মরত কোম্পানি ও পরিবার থেকেও এই পেশাটাকে যথেষ্ট সম্মান দেয়া হয়না।
আমরা ছোট বেলায় একটা গল্প পড়েছিলাম "দ্যা কোয়ারেল বিটওয়িন দ্যা বডি পার্টস ", যেখানে শরীরের সব অঙ্গ স্টমাকের বিপরীতে হরতাল ডাকে। কারণ, স্টমাক কোন কাজ না করে শুধু বসে বসে খায়, তাই তাকে শায়েস্তা করতে সবাই নিজ নিজ ফাংশন অফ করে দেয়। দিনশেষে দেখা গেল পুরো বডিই আর ফাংশন করছে না।
যেকোন কোম্পানিতে সেলস টিম হলো সেই স্টমাকের মতো, তাদের কাজের ইমপ্যাক্টটা অন্য টিম গুলো সেভাবে একসেপ্ট করতে চায়না। তাদের ধারনা সেলস পিপলরা জাস্ট বসে বসে দুই চারটা মিটিং করেই সময় পার করে, তাদের কাজে কোন ক্রিয়েটিভিটি নাই কিংবা সেরকম চ্যালেঞ্জ নাই। কিন্ত দিনশেষে সেলস টিম ঠিক মতো কাজ না করলে পুরো কোম্পানিই নড়বড়ে হয়ে যায়।
বাংলাদেশের তরুণদের সেলস প্রফেশনালস হতে না চাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো সেলস টার্গেট, কেপিআই ফুলফিল করার প্যারা বা চ্যালেঞ্জ তারা নিতে চায়না। আমি অবাক হই যখন কোন সেলস এক্সিকিউটিভ ফিক্স সেলারি নিয়ে নেগশিয়েট করে কিন্ত নেগশিয়েশন করা উচিত সেলস কমিশন বা রেভিন্যু পারসেন্টেজ নিয়ে। আমাদের প্রকট আত্মবিশ্বাসহীনতার কারণে প্রায় প্রতি মাসেই টার্গেট আর কেপিআই নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগতে হয়।
যাই হোক, আজকের এই লেখাটির উদ্দেশ্য কাউকে ব্লেইম দেওয়া নয়। বরং আমাদের সফটওয়্যার প্রোডাক্টের জন্য কিছু দক্ষ সেলস প্রফেশনালস তৈরির বিষয়ে। সেলস এন্ড মার্কেটিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে ইন্টারেস্টেড এমন কিছু তরুণদের খুঁজছি, যারা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসে। আপনার যথাযথ দক্ষতা বা টেক নলেজ না থাকলেও চলবে , কিন্ত বস ডেডিকেশন টা হান্ড্রেড এ হান্ড্রেড চাই।
আমরা আপনাকে ৪ মাসের একটা হ্যান্ডস অন ট্রেইনিং এর মধ্য দিয়ে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনালস হিসেবে গড়ে তুলবো, এই সময়ের মধ্যে সেলস জেনারেট করতে পারলে অবশ্যই স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হারে ইন্সেন্টিভ দেয়া হবে, ট্রাভেল ও ডেইলি এলাউন্সও দেয়া হবে। এবং আপনার কাজের ডেডিকেশনের উপর ভিত্তি করে মান্থলি পারফরম্ন্যাস বোনাস দেওয়া হবে। কিন্ত কোন ফিক্সড সেলারি দেওয়া হবে না, আপনাকে এটা আর্ন করে নিতে হবে।
ট্রেইনি পিরিয়ড শেষে পার্মানেন্ট সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে মিনিমাম ২০-৩০কে সেলারিতে জব অফার করা হবে। এরসাথে সেলস ইনসেন্টিভ, বোনাস সহ বাকি সুবিধা তো থাকবেই। তবে শর্ত হলো মিনিমাম এক বছর আমাদের কোম্পানিতে সময় দিতে হবে।
তো যদি আপনি শুন্য থেকেই নিজের ক্যারিয়ারটা বিল্ড করতে চান,কিংবা হতাশ হয়ে দিগ্বিদিক ঘুরছেন, তবে আমাদের এই মিশনে যোগ দিতে পারেন। আপনি ফিক্স সেলারিড জবের কয়েক গুন আর্ন করতে পারবেন যদি পরিশ্রমী ও অনেস্ট হন। সো, আর দেরি না করে আমার হোয়াটস অ্যাপে (01409003646) আপনার সিভি টা পাঠাতে পারেন কিংবা সিঙ্গেল টেক্সটেও সংক্ষেপে আপনার সম্পর্কে জানাতে পারেন।
আসুন, গুটিগুটি পায় একসাথে লক্ষ্যে পৌঁছে যাই।
29/08/2024
Are you a dynamic and motivated sales professionals?
Texon Software Solutions is looking for a driven and skilled Software Sales Executive to join our team and help us expand our client base!
Job Title: Software Sales Executive
Location: Shewrapara, Mirpur, Dhaka
Salary: Negotiable , KPI Based
Experience: Minimum 1.5 years in software industry
Working Days: 6 days/week, 8 hours / day
Job Type: In-office
Key Responsibilities:
1. Achieve Monthly sales targets consistently
2. Identify and generate new sales leads
3. Build and maintain strong relationships with clients
4. Understand client needs and recommend appropriate software solutions
5. Conduct product presentations and demos
6. Negotiate contracts and close deals
7. Collaborate with the development team to ensure client requirements are met
8. Stay up-to-date with industry trends and competitor offerings
What We're Looking For:
1. CSE or BBA graduate
2. Minimum 1.5 years of experience in software sales
3. Excellent communication and negotiation skills
4. Ability to work independently and as part of a team
5. Strong problem-solving skills and a customer-centric approach
What We Offer:
1. Negotiable salary based on experience
2. Opportunity to work with a fast-growing company
3. A collaborative and innovative work environment
If you're ready to take the next step in your career and grow with us, we want to hear from you! Send your CV to [email protected].
NB: Without applying by email, no CVs will be considered.