27/02/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ, আপনারা জানেন গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে মারকায। বালক শাখায় ৩২ জন ছাত্র আর বালিকা শাখায় ৭ জন ছাত্রী নিয়ে শুরু হয় বছর। বছর প্রায় শেষ হতে চললো। বর্তমান ছাত্রসংখ্যা ৪৫ আর ছাত্রী সংখ্যা ২৪ জন।
মাদরাসার মুল ভবন নির্মানের জন্য মুতাওয়াল্লির পক্ষ থেকে ৬ শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দেয়া হয়েছে। সেই সাথে ৫ তলা ভবনের প্ল্যানও করা হয়েছে। সেই হিসেবে বেইজ,পিলারসহ পাশের দেয়ালও করা হয়েছে এই সময়ের মধ্যে। মাদরাসার বর্ধিত ছাত্রদের আবাসের মেরামতের পাশাপাশি মসজিদের ছাদ নির্মাণ জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। কর্তৃপক্ষ, কমিটির লোক আর পরিচিতদের উদ্যোগে এতদুর করা কাজটা টাকার জন্য এগিয়ে নেয়া মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় ইট ক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু বাকি অনেকটা পথ।
ছাদ মিস্ত্রিদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে মিস্ত্রি -হেল্পারের মজুরি, বাবদ ২৫ দিনের খরচ প্রায় ১,৭৫,০০০+, রড,সিমেন্ট বালু, ওয়্যারিং,স্যানিটারি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ+
মানে মোটামুটি ৬ লাখের কাছাকাছি একটা এমাউন্ট।
মুতাওয়াল্লি সাহেবের পরিবারের আন্তরিকতা এক্ষেত্রে টাকার কাছে হেরে যাচ্ছে।
তাই আমরা আপনাদের পরামর্শ,দু'আ আর সহযোগিতা প্রত্যাশী। এই পবিত্র কাজ,আল্লাহর ঘর নির্মাণে আপনার ফেলে রাখা অলস অর্থ কর্যে হাসানা হিসেবে দিতে পারেন নির্দিষ্ট মেয়াদে (১বছরের অধিক অবশ্যই)।
অথবা দিতে পারেন মূল্যবান সদকা। যা হতে পারে চিরস্থায়ী সওয়াবের খাতায় নাম লেখানোর সুবর্ণ সুযোগ।
রমযানে দান সদকা করার জন্য বিশ্বস্ত স্থান না পেয়ে অনেকে চিন্তায় থাকেন, সেক্ষেত্রে আমাদের মসজিদ ও মাদরাসার নির্মাণ কাজে অংশ নিন। দশের লাঠি হোক এই প্রতিষ্ঠান, একের বোঝা করে ফেলে রাখবেন না বলে আশা করছি।
হাদিসে এসেছে:
مَنْ بَنَى مَسْجِدًا لِلَّهِ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ
“যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করে দেন।” (সহিহ বুখারি)
আসুন, আল্লাহর ঘর নির্মাণে আমরা যার যার সাধ্য অনুযায়ী অংশ নিই।
আমাদের একটুখানি দান হতে পারে চিরস্থায়ী সাদাকায়ে জারিয়ার উজ্জ্বল উদাহরণ।
যোগাযোগ
Nuruzzaman Nahid (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক)
01777654386 ( বিকাশ পার্সোনাল/নগদ/রকেট)
ref.Markaz
ব্যাংক একাউন্ট সহ অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য মেসেজ করতে পারেন পেইজের ইনবক্সে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আফিয়াতের সাথে কবুল করুন, আমিন।