United Ummah

United Ummah

Share

Asslamualaiqum Dears, Welcome to United Ummah. We Here To Know You The Beauty Of Islam And History Of Islam.

We, Will, Try To Share Each And Everything About Islam. So If You Wanna Learn About Islam Then Your Are On Right Place, Thank you

12/06/2022

আল্লাহ ছাড় দেন,ছেড়ে দেন না.."🖤

কানাডিয়ান পপ তারকা জাষ্টিন বিবার ভাইরাস এর আক্রান্তে প্যারালাইসিস হয়ে মুখ বাঁ/কা হয়ে গিয়েছে! ✌️✌️

মনে আছে আপনাদের গত বছর সৌদি আরবের রিয়াদে পর্দা কে ব্যা/ঙ্গা/ত্ন/ক করে না/রী রুপ নিয়ে নাচ গান করেছিল-
আজ থেকে উনি গান তো দুরে থাক আর ঠিক মত কথাও বলতে পারছেন না, বাম সাইডের চোখের পলক ফেলতে পারছেন না, মুখের বাম সাইডের অংশটুকু দিয়ে হাসতে পারছেন না!🙂

12/06/2022

জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান।
অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌঁছালো।
❤️নবীজী সাহাবিদের বললেন:-আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। ➡️নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন,তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..?
আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..? ✔️একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন,তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন..? 😰তালহা কেদে কেদে বললেন, রাসুল (সা:) আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলঙ্গ থাকেন। 😰স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলঙ্গ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:) ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কাঁদছেন। ❤️নবীজীর দাড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন,তালহারে !
নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।
আল্লাহু আকবার সুবহান আল্লাহ্ (মুসনাদে আহমদ)
➡️দেখুন একটা মাত্র পোশাক ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অভিযোগ ছিল না, এবাদতের প্রতি কোন অজুহাত ছিলো না আর আমাদের কত অভিযোগ কত অজুহাত আল্লাহর প্রতি। আল্লাহ্ মাফ করুন।
(আমিন)

12/06/2022

বাসায় যখন গোস্ত রান্না হয় সাথে আলু দেওয়া হয়। আচ্ছা_আলু গুলো কেন দেওয়া হয়?🤔
আগে ভাবতাম তরকারির স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ।
কিন্তু পরবর্তীতে মায়ের কাছ থেকে এবং স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারলাম-
শুধু তরকারি স্বাদের জন্য নয়_ বরং গোস্তের তরকারি বৃদ্ধির জন্যেও আলু দেওয়া হয়।
যাতে সকলে যেন একটু একটু করে খেতে পারে।
বাবা হওয়ার আগে যখন আলু দিয়ে গোস্ত রান্না হতো তখন আমি বেছে বেছে গোস্ত গুলো নিতাম। আর আলু গুলো অন্যদের জন্য রেখে দিতাম।
কিন্তু বাবা হওয়ার পর যখন বুঝতে পারলাম, আমার সন্তানরা গোস্ত বেশি পছন্দ করে এবং আলুগুলো রেখে গোস্তগুলো বেশি বেশি নেয়।
তখন থেকেই আমি গোস্ত নেওয়া কমিয়ে দিয়ে আলু গুলো নেওয়া শুরু করলাম।
এখন সন্তানরা জিজ্ঞেস করে_ বাবা গোস্ত নেওনা কেন?
তখন বলি_ আমার গোস্তের চেয়ে আলু গুলোই বেশি পছন্দ। তোমরা গোস্ত নাও!
পিতা সন্তানের এই লুকোচুরি খেলা সেই আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। আমার পিতাও আমার সাথে একই আচরণ করেছিলেন।
সেদিন ভেবেছিলাম- বাবার নিকট হয়তো আলু গুলোই বেশি পছন্দ।
কিন্তু আজ বুঝতে পারছি- আমার নিকট যে কারণে আলুগুলো পছন্দ। বাবার নিকটও সেই একই কারণে সেটা পছন্দ ছিলো!
বাবা-মাকে অনেক বেশি ভালোবাসুন।
তাদেরকে কখনও অবজ্ঞা কিংবা অবহেলা করবেন না।
(রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা)

08/06/2022

রিযিক
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Gazipur Sadar
Gazipur
1700