19/04/2026
বিসিএস বিষয়ক গাইডলাইন
মতামত প্রদান করেছেন
জনাব সাব্বির আহমেদ
সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী (সুপারিশপ্রাপ্ত)
বিসিএস রেলওয়ে, ৪৬ তম বিসিএস।
বিসিএস গাইডলাইন
বিসিএস একটি অত্যন্ত বড় সিলেবাসের পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় ধৈর্য, টেকনিক, পরিশ্রম, প্রোপার গাইডলাইন এবং টিকে থাকার জন্য সেলফ মোটিভেশন প্রয়োজন। বিসিএস যাত্রায় এক বা একাধিক সিরিয়াস ক্যান্ডিটেট নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে নিলে এই যাত্রা অনেকটাই সহজ হয়তে যায়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিসিএস যাত্রা উত্তীর্ণ কারও মেন্টরশীপ সাপোর্ট লাভ করার সুযোগ থাকলে তা আরো ভালো।
বিসিএস এর বড় সিলেবাস সম্পর্কে ইন এ নাটশেল ধারণা রাখাটা জরুরি। বিসিএস এর নিজস্ব একটা তাল ও ধারা আছে। ৩৫ তম বিসিএস এর পর থেকে বিসিএস এর ট্রেন্ড সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়ে আসছে। ৪৫ তম বিসিএস থেকে মননশীল ও ফ্যাক্ট বেইজড প্রশ্ন করার ধারা লক্ষ্যণীয়। তাই, বিসিএস এ ভালো করার জন্য কোয়েশ্চন প্যাটার্ন এর উপর নজর রেখে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া আবশ্যক।
ক্র্যাকিং বিসিএস প্রিলিমিনারি এক্সাম:
প্রথমেই ১০ম থেকে ৫০ তম বিসিএস এর প্রশ্নব্যাংক পড়ে নিতে হবে। ৩৫ তম বিসিএস থেকে ৫০ তম বিসিএস এর প্রশ্নগুলোর প্যাটার্ন, প্রশ্নের ডেপথ, সহজ-কঠিন কম্বিনেশন এর প্যাটার্ন খুব মনোযোগ দিয়ে গুরুত্ব সহকারে বুঝতে হবে। তারপর নিজের সামর্থ্য ও দূর্বলতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করতে হবে। তারপর নিজের একটা সেলফ প্রিপারেশন পারস্পেক্টিভ ম্যাপিং নিয়ে সামনে এগুতে হবে।
প্রিলিমিনারি এক্সামের জন্য প্রথমেই একটা প্রশ্নব্যাংক নেওয়া আবশ্যক।
প্রশ্নব্যাংক -আমি প্রিসেপ্টরস প্রশ্নব্যাংক পড়েছি, আমি এই বইটা সাজেস্ট করবো। ইদানীং ম্যাট্রিক্স বইটার কথা খুব আলাপ হচ্ছে, এতে টপিকওয়াইজ প্রশ্ন দেওয়া আছে, দ্রুত এগুনোর জন্য এটাও ভালো অপশন হতে পারে। কিন্তু, প্রশ্ন প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করা ও র’ ফিল পাওয়ার জন্য আমি প্রিসেপ্টর এর বইটাকে এগিয়ে রাখবো (নিজে পড়েছি বলে বায়াস ও কাজ করতে পারে)। সুযোগ থাকলে দুটো বই দেখে যে বইটা কনভেনিয়েন্ট মনে হয় সেটা নিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
ডাইজেস্ট- আমি প্রিসেপ্টরস ডাইজেস্ট পড়েছি, এবং আমি বইয়ের কন্টেন্ট ও কোয়ালিটি নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট। বইটি বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাবজেক্ট ওয়াইজ গাইডলাইনঃ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য:
প্রশ্নব্যাংক এনালাইসিস ও সমাধান করে ডাইজেস্ট থেকে টপিকওয়াইজ পড়া যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো আগে পড়তে হবে। ডাইজেস্টে অল্প জায়গায় অনেক তথ্য থাকে, অনেক সময় ব্যাখ্যা থাকে না।
অগ্রদূত বাংলা- বাংলা একটু সবিস্তারে পড়তে চাইলে অগ্রদূত বাংলা বইটি সংগ্রহে রাখা যেতে পারে। নতুন যারা আছেন, প্রথমেই অগ্রদূত পুরো বই শেষ করতে চাওয়ার প্রয়োজন নেই, সিলেক্টেড টপিক গুলো কভার করে সেখান থেকে প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন গুলো আয়ত্ত করার চেষ্টা করতে হবে। তারপর প্রয়োজন অনুসারে ইম্পর্ট্যান্ট টপিক গুলো স্টেপ বাই স্টেপ কভার করতে হবে।
English Language & Literature:
ইংরেজির জন্যও প্রশ্ন প্যাটার্ন অনুসরণ করে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। গ্রামার পার্টের জন্য বেইসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং প্রয়োজনীয়। সিলেবাসের টপিক ধরে ধরে মৌলিক বিষয়গুলো আয়ত্তে আনতে হবে। অনেকে ট্রিক মুখস্ত করার কথা বলেন কিন্তু এরও লিমিটেশন আছে।
কনফিডেন্স গ্রামার বই- ছোট বই হিসেবে ভালো তথ্য আছে। প্রিভিয়াস ইয়ারের কোয়েশ্চন অতটা গোছানো নেই, তবে দ্রুত সিলেবাস কভার করতে হেল্পফুল।
Master/ Compettitive English- সিলেক্টেড প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন দেখার জন্য ভালো অপশন, অনেক প্রশ্ন কালেকশন আছে।
Intermediate English Grammar by R. Murphy- বইটা বেইসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর জন্য ভালো মনে হয়েছে, সাবলিল উপস্থাপনা রয়েছে বইটিতে।
ভোকাব- ভোকাবুলারির জন্য আমি প্রথমে Barrons 333 word পড়তে বলবো, এতে কফিডেন্স বাড়বে। তারপর, বিসিএস ও ব্যাংক ভোকাব শেষ করতে হবে, এর বিকল্প নেই। ওয়ার্ডের কনটেক্সচুয়াল মিনিং ও ইউজ বুঝে পড়লে সহজে মনে থাকে। নিমোনিক টেকনিক অনেক হেল্পফুল হয়।
Premier Vocabulary- লতিফ স্যারের এই বইটি সংগ্রহে রাখা যেতে পারে।
লিটারেচার
লিটারেচার এর জন্য প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন আয়ত্ত করতে হবে সবার আগে। তারপর গুরুত্বপূর্ণ রাইটারদের জীবনী, লিটারারি ওয়ার্কস পড়তে হবে।
কনফিডেন্স ইংলিশ লিটারেচার (শরীফ হোসাইন স্যার)
সাথে প্রিসেপ্টর্স ডাইজেস্ট থেকে দেখা যেতে পারে।
A Gateway to English Literature- বইটার কথা অনেকে বলেন, তবে আমি পড়িনি। ওরাকলের ইংলিশ লিটারেচার থেকে কিছু সাহিত্যকর্মের প্লট দেখেছিলাম আমি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি:
বাংলাদেশ বিষয়াবলির সিলেবাস অনেক বড়, অনেক গুরুত্বপূর্ণ টপিক রয়েছে এই সাবজেক্ট এ। প্রিলিতে ভালো করে পড়লে লিখিত প্রিপারেশন অনেকটা এগিয়ে যায়। তবে, কতটা পড়া যাবে, কতটা পড়া সেইফ এই বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।
ডাইজেস্ট-থেকে প্রাথমিক পড়া শুরু করা যেতে পারে।
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস- ড আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
ব্যাসিক ভিউ- বাংলাদেশ বিষয়াবলির অনেক অথ্য ব্যাসিক ভিউ বইতে দেওয়া আছে। আমি এই বইটা পড়েছি, কিছু কিছ্য জায়গায় তথ্য বিভ্রাট থাকলেও প্রশ্ন কালেকশন ও কন্টেন্ট এর দিক হিসাব করলে বইটি পড়ার জন্য সাজেস্ট করা যায়। কনফিউশান এরাইজ করলে ইন্টারনেট থেকে দেখে শিওর হয়ে নেওয়া ভালো হবে।
সংবিধান- এর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সাদা সংবিধান বইটি সংগ্রহে রাখতে হবে। এই বইটিতে দুই পাশে বাংলা-ইংরেজি ভার্সন থাকায় ট্রান্সলেশন প্র্যাক্টিস এর জন্য ভালো অপশন এই বইটি। গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ গুলো মুখস্ত করে ফেলতে হবে, সম্ভব হলে ইংরেজি সহ। আরো সুযোগ পেলে
সংবিধান/ সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান (আরিফ খান )-স্যারের বইটিও সংগ্রহে রাখা যেতে পারে/
কনফিডেন্স এর সংবিধান- বইটিতে অল্পের মধ্যে ভালো কন্টেন্ট রয়েছে।
বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের রাজনীতির উপর কিছু মৌলিক বই পড়া থাকলে বাংলাদেশ বিষয়াবলির কনটেক্সট বোঝা সহজ হয়।
আন্তর্জতিক বিষয়াবলি:
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির সিলেবাস বড় হলেও প্রশ্নের প্যটার্ন ফলো করলে একটা কন্সাইজ সিলেবাস সেটাপ করা সম্ভব। বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ক্ষেত্রে সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির উপর শার্প নজর রাখা প্রয়োজন। তার সাথে রিলেট করে বিগত সালের প্রশ্ন এনালাইসিস করে পড়তে হবে।
বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রহমান স্যারের এই বইটি পড়ে রাখা ভালো।
ডাইজেস্ট ও ব্যাসিক ভিউ থেকে কম্বাইন করে পড়া যেতে পারে।
দ্যা এনাটমি অফ ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স - মিরাজ মিয়া, এই বইটিও সংগ্রহে রাখা যেতে পারে।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা:
এই সাব্জেক্ট এর জন্য প্রিভিয়াস ইয়ারের কোয়েশ্চন ভালো করে পড়তে হবে।
ডাইজেস্ট ও ব্যাসিক ভিউ বই থেকে পড়লে মোটামুটি কভার হয়।
জর্জ সিরিজের ভুগোল বই/ ইউনিক সিরিজের ছোট বইটিও দেখা যেতে পারে।
সাধারণ বিজ্ঞান:
বিজ্ঞানের প্রশ্ন প্রধানত, একটা জেনারেল কম্বিনেশন ফলো করে হয়। ১৫ মার্ক এর মধ্যে চার পাচটা হয় কঠিন, ৬-৭ টা হয় বিগত সাল ও সেই টপিক রিলেটেড। বাকি গুলো হয় একটু ভিন্ন, বাট সাবজেক্ট রেলিভেন্ট।
বিজ্ঞানের জন্য একদম খুব ভালো কোনও বই আমার নজরে পড়ে নি। তবে কিছু বইয়ের কম্বিনেশন ফলো করা যেতে পারে।
সম্ভব হলে নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই থেকে ইম্পর্ট্যান্ট টপিক ধরে গুছিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
সাথে প্রিলি রিলেটেড বই রাখা যেতে পারে।
সাইন্স ককটেল/ সাইন্স ভিউ/ ওরাকল সাইন্স প্রিলি বই সংগ্রহে রাখা যেতে পারে।
কিছু টপিক সাধারণ অনুবাদের কারনে পড়তে একটু অস্বস্তি লাগতে পারে, বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমি এমনটা ফিল করেছি, সেক্ষেত্রে টেক্সটবই/ গুগল+ জেমিনি/চ্যাটজিপিটির হেল্প নেওয়া যেতে পারে।
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি:
আসলে এই সাবজেক্ট টা সিএসই/ ইইই এর জন্য খুব রেলিভেন্ট, ওদের সাবজেক্ট এর বেসিক কিন্তু বাকীদের জন্য খানিকটা আনকমন। ইন্টারমিডিয়েট/ এসএসসি লেভেলের আইসিটিতে অনেক টপিক ই কভার করা হয়, তারপরও এই সাবজেক্টের ডিপে ঢোকা সময়সাধ্য। তাই এক্ষেত্রে প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন সল্যুশন করে প্যাটার্ন এনালাইসিস করতে হবে। অনেক প্রশ্ন/টপিক রিপিট আসে, তাই প্রশ্নোত্তর আয়ত্ত করাটা খুব জরুরি।
এইচ.এস.সি আইসিটি - এই বই থেকে ইম্পর্ট্যান্ট টপিক গুলো কভার করা যেরতে পারে
আলালস কম্পিউটার আওয়ার/ জর্জ (ইজি কম্পিউটার)/ সেলফ সাজেশন আইসিটি বই- দেখা যেতে পারে।
গাণিতিক যুক্তি:
গাণিতিক যুক্তিতে ইম্পর্ট্যান্ট ও কমন টপিক থেকেই বেশি প্রশ্ন আসে। প্রশ্ন প্যাটার্ন ফলো করাটা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত ম্যাথ সল্যুশন করতে পারা এখানে কি ফ্যাক্টর, সুতরাং ম্যাথ কমান আসান আর দ্রুত সলভ করা এই দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাথের কমন টপিক গুলো একটা ভালো বই থেকে গুছিয়ে নিতে হবে।
মোত্তাসিন পাহলভি স্যারের ম্যাজিক ম্যাথ/ ম্যাথ ককটেইল/ খায়রুলস ম্যাথ - বই ফলো করা যেতে পারে।
ম্যাথের ক্ষেত্রে কমন টপিক ও এর সাজে সম্পর্কযুক্ত ম্যাথ গুলো কভার করাটা জরুরি, পুরো বই শেষ করার চেষ্টা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, এক্ষেত্রে বিচক্ষণতা অবলম্বন জরুরি।
মানসিক দক্ষতা:
মানসিক দক্ষতায় ভালো করতে হলে থিংকিং ক্যাপাসিটি ভালো থাকা প্রয়োজন। প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন সলভ করলে এবং রেলিভেন্ট টপিক থেকে স্টাডি করলে ব্রেইন সেইম প্যাটার্নে চিন্তা করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, এক্সামে ভালো করা সহজ হয়।
বাজারের কোনও বই থেকেই সব হুবহু কমন আসে না ওভাবে, আবার টপিকগুলো কমবেশি সব বইতেই আলোচনা করা আছে।
খাইরুলস মেন্টাল এবিলিটি/ আইকিউ ডক্টর বই সংগ্রহে রাখা যেতে পারে।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন:
প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন সলভ করলে এবং রেলিভেন্ট টপিক থেকে স্টাডি করলে কনসেপ্ট বুঝতে সহজ হয়।
এই সাবজেক্ট এর জন্য সরকারের গভর্ন্যান্স সিস্টেম, ইন্টারন্যাশনাল নর্মস এন্ড প্র্যাক্টিসেস রিলেটেড একটা বেইসিক ধারণা থাকা প্রয়োজন।
ইন্টারমিডিয়েট এর পৌরনীতি ও সুশাসন বইটি টেক্সটবুক হিসেবে পড়া যেতে পারে।
ব্যাসিক ভিউ+ ডাইজেস্ট ফলো করে একটা মোটামুটি প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।
তবে, এখন যে প্যাটার্নে প্রশ্ন হচ্ছে তাতে উপস্থিত বুদ্ধি ব্যাবহার করে উত্তর করার ক্যাপাসিটিও অনেক গুরত্বপুর্ণ।
লাস্ট বাট নট দ্যা লিস্ট:
এখানে যে সকল স্ট্র্যাটেজি/বই এর কথা উল্লেখ করা আছে, এগুলো আমার অভিজ্ঞতা এবং আমার জানার গণ্ডি থেকেই লিখা।
বই কেনার ক্ষেত্রে নিজের পড়ার স্টাইলের সাথে কমপ্যাটিবল বই খুজে কিনতে পারলে ভালো। আর ব্যাক্তিবিশেষ পড়ার স্ট্র্যাটেজি ও ভিন্ন। বিসিএস প্রস্তুতিতে বাইবেল/কুরআন বলে কিছু নেই। পিএসসির মুভমেন্ট রিড করে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়ার ক্যাপাসিটি একজন হবু ক্যাডার এর থাকা উচিৎ।
সুতরাং প্রস্তুতির প্রতিটি সাজেশন ভালো করে বুঝার চেষ্টা করবেন, তার আফটার ইফেক্ট প্রজেক্ট করার চেষ্টা করবেন, নিজের সাথে স্যুটেবল বই/ স্ট্র্যাটেজি ফলো করে সামনে এগিয়ে যাবেন।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
ধন্যবাদান্তে
সাব্বির আহমেদ
সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী (সুপারিশপ্রাপ্ত)
বিসিএস রেলওয়ে, ৪৬ তম বিসিএস
ও
সহকারী প্রকৌশলী
এফিসিয়েন্ট এনার্জি অডিট শাখা
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন & ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি