10/08/2025
বাচ্চাদের যে চারটি টিকা সরকারি ভাবে দেওয়া হয় না #baby #kids #vaccine
I'm a Full Stack WordPress Developer mainly & I have good experience in Graphics Design too. I have been working as a WordPress Developer over the last 2 years.
I was the Founder & Chief Executive Officer at TECHPUS IT called techpusit.com.
24/09/2022
He saw a problem.
He solved it.
He got rewarded.
That's entrepreneurship!
একটি দারুন বিজনেস আইডিয়া, টুল ভাড়া মাত্র বিশ টাকা।
৩ হাজার এর বেশি স্টুডেন্টস এডমিশন টেষ্ট দিচ্ছে, সবার সাথেই কম বেশি ২ জন বা ১ জন করে এসেছে। ১ ঘন্টা দাড়িয়ে থাকা কষ্টকর ।
তাই এই ব্যবসায়ী ভাইটি এই সময় টা কাজে লাগিয়েছে। উনার কাছে হাজার খানেক টুল ছিল যা ১৫ মিনিটে সব ভাড়া হয়ে গেছে।
আমাদের মাথায় কি পরিমান বুদ্ধি আছে তা সময় সময় দেখা মেলে।
স্থানঃ Willes Little Flower School And College
_______________________
Reference: Muttaki billah
23/09/2022
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাজ কি শুধু ২ ঈদে
চাঁদ দেখা কমিটি করা?
জানতে চাওয়া আমার মন!!!
14/08/2022
চা শ্রমিকরা চা পাতার একটা ভর্তা খায়। কচি পাতাগুলো খুব কুচিকুচি করে তাতে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, সেদ্ধ আলু আর চানাচুরকে সরিষার তেল দিয়ে মাখানো হয়। গরম ভাত অথবা রুটির সাথে খায় তারা। আমি খেয়েছি, খুব একটা সুস্বাদু কিছু না। অথচ তারা বলতে গেলে প্রতিবেলায় খায়। তবে প্রতিবেলায় মাখানোর জন্য সরিষার তেল আর চানাচুর পাওয়া যায় না। তবুও তারা খায় কারণ দুইশো টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগীর এই বেহেশতে একদিনে তাদের বেতন ১২০ টাকা। এক আঁটি শাক কিংবা এক কেজি সবজি কেনার চেয়ে চা পাতার ভর্তা দিয়ে দু'মুঠো ভাত খেয়ে ফেলাই তাদের জন্য সহজ।
ব্যাপারটা একদিনে ১২০ এরকমও না। মানে একজন চা শ্রমিক যদি দিনে ২৪ কেজি চা পাতা তুলতে পারে তাহলে সে পাবে ১২০ টাকা। বেশিরভাগ শ্রমিক ২৪ কেজি তুলতে পারেন না, ১৪-১৫ কেজি তোলেন সর্বোচ্চ। আর একটু বয়স্ক যারা তাদের চা পাতা তোলার পরিমাণ আরও কম। ফলে তারা পুরো টাকাটা পান না।
এই অঞ্চলে চায়ের চেয়ে রোমাঞ্চকর জিনিস আর কী আছে? আমাদের প্রেম, আড্ডা, গল্প, গান, বিপ্লব, বিদ্রোহ কোনো কিছুই চা ছাড়া হয় না। বিজ্ঞাপন মারফত আমরা জানতে পারি কাপ শেষ হলেও রেশ রয়ে যায়, এক কাপ চায়ে তাজা হয়ে যাওয়া যায় নিমেষেই, এমনকি চায়ে চুমুক দিয়ে আমরা বদলে দিতে পারি পরিস্থিতি, প্রতিবাদ করতে পারি যেকোনো অন্যায়ের, পেয়ে যেতে পারি যুগান্তকারী আইডিয়া। কিন্তু বিজ্ঞাপনে চা শ্রমিকরা সারাজীবন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রপস। দুটি পাতা একটি কুড়ি তোলার সুন্দর দৃশ্যটি আমাদের কাছে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে দারুণ সিনেমাটোগ্রাফিতে। আর আজকাল তো নগরীর অভিজাত চায়ের দোকানে এক কাপ চা বিক্রি হয় ১২০টাকায়। সে চায়েরও হয় ফুড রিভিউ। অথচ শ্রমিকদের ১২০টাকার অসুন্দর জীবনের দৃশ্য সিনেমাটোগ্রাফিতেও আসে না, খবরেও খুব একটা পাওয়া যায় না। কারণ তারা চা পাতা ভর্তা খেয়েই কাটিয়ে দিচ্ছে বেহেশতি এই জীবন!
চা শ্রমিকরা দৈনিক ৩০০ টাকা পারিশ্রমিকের জন্য আন্দোলন করছে। তাদের আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইলো।
দুটি পাতা একটি কুড়ি
শুনতে কী পাও আহাজারি?
লিখেছেনঃ কাসাফাদ্দৌজা নোমান
ছবিঃ মামুন হোসাইন
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার রাত পর্যন্তও বলা যায় সারাদেশে ৯৯% মানুষ ই আওয়ামিলীগার ছিল। চারিদিকে আওয়ামিলীগ ছাড়া আর কিছু ছিল না। ঘরে ঘরে আওয়ামিলীগ কর্মী। ঘরে ঘরে নেতা। মাত্র একটা রাতের ব্যাবধানে পুরো চিত্র বদলে গিয়েছিল। গুটি কয়েক নেতাকর্মী আর সাধারণ কিছু মানুষ ছাড়া বিক্ষোভ, প্রতিবাদ তো দুরের কথা, কেউ রাস্তাতেও নামে নি। এক রাতের মধ্যেই সবাই লেবাশ বদলে ফেললো। তথাকথিত ত্যাগী আওয়ামিলীগ নেতাদের অধিকাংশ ই নতুন সরকারের অধীনে শপথ নিতে দৌড়াতে লাগলো। তখনও বঙ্গবন্ধুর লাশ মাটির উপরে পড়ে আছে। কবর ই দেয়া হয় নি।
আজকে যাদের চারপাশে দেখি, যাদের রাজনীতির ছবকের জ্বালায় ফেসবুকে ঢুকা যায় না। ত্যাগী নেতা,বিরাট নেতা, ত্যাগী কর্মী, হাবি যাবি! এগুলোর বেশিরভাগ ই নিমিষেই উধাও হয়ে যাবে। বেশিরভাগ ই এরা দুধের মাছি। সুবিধাবাদী। এই জন্যই বাংলাদেশে সুবিধাবাদী রাজনীতি একটা ভোগাস বিষয়। যেখানে কোন নীতি, নৈতিকতা, আদর্শ এগুলো কিচ্ছু নেই।
বাংলাদেশ বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল: দুর্নীতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, এবং খাদ্য ঘাটতি ও এর দুর্বল বন্টন একটি বিপর্যয়কর দুর্ভিক্ষের দিকে পরিচালিত করেছিল, যেখানে প্রায় ৩,০০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০ মানুষ মারা গিয়েছিল। অনেক বিশ্লেষক এই দুর্ভিক্ষকে শেখ মুজিব হত্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দাবি করেছেন।
wikipedia.org
তথাপি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা এবং ঘৃণা জানাই। আমরা চাই না এরকম জঘন্য কাজ দ্বিতীয়বার ঘটুক।
Wikipedia Wikipedia is a free online encyclopedia, created and edited by volunteers around the world and hosted by the Wikimedia Foundation.
04/08/2022
রেলক্রসিংয়ে ট্রেন কাছে চলে এলে গাড়ি বা মানুষ আর লাইন অতিক্রম করতে পারে না। কেন ট্রেন আসার ঠিক আগ মুহূর্তে গাড়ি রেললাইনে উঠলে চাকা অচল হয়ে থুবড়ে দাঁড়িয়ে যায়- যেখানে দূরত্ব মাত্র তিন হাত জায়গা?
এখানে কিছু ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে। পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক বলরাম ভৌমিক জানান, ট্রেন যখন রেলক্রসিং-এর প্রায় কাছাকাছি চলে আসে অর্থাৎ সীমার মধ্যে পৌঁছিয়ে যায়, তখন লাইনের সঙ্গে চাকার ঘর্ষণের ফলে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পাওয়ার বা তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির পরোক্ষ প্রভাব বলয় তৈরি হয়- যে কারণে পুরো রেললাইন আবিষ্ট হয়ে পড়ে। ফলে ওই সময় লাইনের উপরে অন্য কোনো গাড়ি উঠলে তার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে! তখন কম সময়ে গাড়িটি আর রেললাইন থেকে সরে যেতে পারে না। অথচ রেলগাড়ি যখন নির্দিষ্ট আওতার বাইরে থাকে, তখন রেলক্রসিং পার হওয়াতে কোনো সমস্যা হয় না।
একবার ভাবুন তো- দুটো রেললাইনের মধ্যে বিস্তারটা মাত্র আড়াই বা তিন হাত। এইটুকু জায়গা অনেক পুরুষ লাফিয়ে পার হতে পারে, কিন্তু ট্রেন খুব কাছাকাছি চলে এলে লাফিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করা মানেই মৃত্যু নিশ্চিত! তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির পরোক্ষ প্রভাবে ও বিশেষত মনস্তাত্ত্বিক কারণে মানুষ তখন লাফানোর শক্তি পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। এমনকি মানুষের শরীর অধিক ভারী অনুভূত হতে পারে এবং আশু বিপদের মুখোমুখি মানুষটা/গুলো তাৎক্ষণিকভাবে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে!
এ কারণে ট্রেন আসার অন্তত ১০ মিনিট আগে রেলক্রসিং গেইট বন্ধ করা হয়, যাতে কোনো দূর্ঘটনা না ঘটে। কিন্তু সাধারণ জনগণকে প্রায়ই বলতে শুনবেন- ট্রেন আসার আগেই গেইট ফেলে গেটম্যান অহেতুক মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে...!
পুণশ্চ :- উপরোক্ত মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ কারো মনোঃপুত নাও হতে পারে, কেউ কেউ দ্বিমত পোষণ করতে পারেন, কিন্তু রেলক্রসিং পারাপারে আমাদেরকে আরো সতর্ক এবং ধৈর্য্যশীল হতে হবে- এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই।
ওরে মার্কেটিং রে:
ট্রেনের কামরায় গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি অ্যাটাচি নিয়ে উঠলেন। তিনি হকার নন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা।
প্রশ্ন করলেন -- আচ্ছা পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজদৌলার পরাজয়ের কারণ কি?
সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন --
পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজদৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্পসংখ্যক থাকা সত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে।
একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- তবে সত্য ইতিহাসটা কি?
সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আমবাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্তাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেলো কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল খেলেছে।
হঠাৎই নজর পড়লো আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে নবাবের সৈন্যরা আমগাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত।
ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করলো। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ!
ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন --
নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন, কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আমগাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কি ছিল ষড়যন্ত্র?
যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আমগাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান!
ভদ্রলোক বললেন --
কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন?
যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাবগতিক এমন যে; আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন।
তিনি তখন এটাচি খুললেন। একটি জিনিস বার করে সকলকে দেখিয়ে বললেন --
ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল -- চুলকানি। দাদ। চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।
আমি এনেছি চুলকানির মলম। মাত্র ত্রিশ টাকা দাম।
Collected.