কলুন মাদরাসা দারুল কুরআন, কালিগঞ্জ, গাজীপুর

কলুন মাদরাসা দারুল কুরআন, কালিগঞ্জ, গাজীপুর

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কলুন মাদরাসা দারুল কুরআন, কালিগঞ্জ, গাজীপুর, Education Website, kalon, Gazipur.

বিভাগ সমূহ
মকতব
( ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত আরবী সহ কিন্ডার গার্ডেন সিলেবাস)

নাজেরা
(বাংলা,অংক,ইংরেজী,আরবী সমান তরাল গুরুত্ব)

হিফজ
(আন্তরজাতিক মানের হাফেজা দ্বারা দরস ও মশক্ব প্রধান)

যোগাযোগঃ 01323568466

15/06/2026

সুস্থ মন, সবল শরীর: ইসলামের দৃষ্টিতে শিশুর খেলাধুলা
​“একজন দুর্বল মুমিনের চেয়ে শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে অধিক উত্তম ও প্রিয়।” (সহীহ মুসলিম)
​প্রিয় অভিভাবক, মাদ্রাসার প্রিয় ছাত্র এবং জেনারেল শিক্ষিত দ্বীনি ভাইসব—
আমাদের শিশুরা কেবল আমাদের ভবিষ্যৎ নয়, তারা আল্লাহর দেওয়া পবিত্র আমানত। তাদের শুধু কিতাবী শিক্ষায় আবদ্ধ না রেখে, সুন্নাহর আলোতে শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।
​📌 শিশুদের জন্য খেলাধুলা কেন জরুরি?
​সুন্নাহর অনুসরন: আল্লাহর রাসুল (সা.) নিজে হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর সাথে হেসে-খেলে সময় কাটিয়েছেন। শিশুদের সাঁতার, তীরন্দাজি ও ঘোড়সওয়ারি শেখানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে দ্বীনে।
​মানসিক প্রফুল্লতা: একটানা পড়াশোনার ক্লান্তি দূর করতে এবং মেধা বিকাশে খেলাধুলা ‘টনিক’ হিসেবে কাজ করে।
​চরিত্র গঠন: দলগত খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে নেতৃত্ব, ধৈর্য, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে।
​🏫 মাদ্রাসা দারুল কোরআন—এখানে দ্বীন ও জীবনের সমন্বয় ঘটে!
​আমরা বিশ্বাস করি, একটি শিশুর কিতাবের পাতার পাশাপাশি খেলার মাঠেও সুস্থ বিকাশ প্রয়োজন। তাই আমাদের প্রতিষ্ঠানে আমরা নিশ্চিত করছি:
​✅ দ্বীনি ও নৈতিক অনুশাসনের ভেতরে থেকে সম্পূর্ণ হালাল ও শালীন বিনোদন।
​✅ পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক শক্তি ও মেধা বৃদ্ধির জন্য নিয়মতান্ত্রিক খেলাধুলার ব্যবস্থা।
​✅ মোবাইল আসক্তি (Screen Addiction) থেকে মুক্ত করে মাঠে সশরীরে খেলার পরিবেশ।
​"আপনার সন্তানকে দিন বুকভরা অক্সিজেন, সুস্থ শৈশব এবং সঠিক দ্বীনি তারবিয়াহ।"
আজই আপনার সন্তানকে ভর্তি করান মাদ্রাসা দারুল কোরআন-এ।

📍 ঠিকানা: কালিগঞ্জ, গাজীপুর।

09/06/2026

https://www.facebook.com/share/1BEUEdTaDT/

দ্বীনি শিক্ষা বনাম বাণিজ্যিক মানসিকতা: একটি মাদ্রাসার প্রকৃত সাফল্যের ভিত্তি
​বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
​মাদ্রাসার সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
​একটি দ্বীনি মাদ্রাসার মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং আগামী প্রজন্মকে আদর্শ মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলা। আমাদের এই মাদ্রাসায় নূরানী, নাজেরা এবং শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোমলমতি শিশুরা কোরআন ও দ্বীনের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করছে। এই বয়সে তাদের মনে যে বীজ আমরা বপন করব, সেটাই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
​একজন জিম্মাদার হিসেবে আমি মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান নিয়ে প্রতিনিয়ত ভাবি। এই ভাবনার জায়গা থেকেই আজ অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সেটি হলো—মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা এবং আমাদের চিন্তা-চেতনার ধরণ।
​১. শিক্ষকের মনস্তত্ত্ব এবং শিক্ষার মান
​আমাদের শিক্ষকরা হলেন এই বাগানের মালী। একজন আদর্শ শিক্ষক কখনো টাকা-পয়সা বা বৈষয়িক লাভের দিকে তাকিয়ে ছাত্র পড়ান না। তাদের মূল মনোযোগ থাকে ছাত্রের আমল, আখলাক এবং পড়ালেখার উন্নতির দিকে।
​যদি কোনো কারণে শিক্ষকদের মধ্যে "বাণিজ্যিক চিন্তা" বা "ব্যবসায়িক মানসিকতা" ঢুকে পড়ে, তবে শিক্ষার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। শিক্ষক যখন ছাত্রকে কেবল একটি 'আয়ের উৎস' বা 'ফি' হিসেবে দেখতে শুরু করবেন, তখন শিক্ষার ভেতরের যে নূর বা বরকত, তা উঠে যাবে। তখন লক্ষ্য হবে কীভাবে বেশি ছাত্র আনা যায়, কীভাবে খরচ কমানো যায়—ছাত্র কিছু শিখল কি না, তা আর মুখ্য থাকবে না।
​২. মাদ্রাসা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়
​ব্যবসার মূল নীতি হলো "বিনিয়োগ এবং সর্বোচ্চ মুনাফা"। কিন্তু দ্বীনি মাদ্রাসার মূল নীতি হলো "ত্যাগ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি"।
​কমিটিতে আপনারা যারা সফল ব্যবসায়ী আছেন, আপনাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা মাদ্রাসার শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কাজে আমাদের জন্য অনেক বড় সম্পদ। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, ব্যবসার নিয়ম হুবহু মাদ্রাসার ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না।
​ব্যবসায় লাভ-ক্ষতি হিসাব করা হয় টাকা দিয়ে।
​মাদ্রাসার লাভ-ক্ষতি হিসাব করা হয় ছাত্রের যোগ্যতা এবং তার সুন্দর চরিত্র দিয়ে।
​একটি ছাত্র যদি টাকা কমও দেয়, কিন্তু সে যদি ভালো আলেম বা হাফেজ হতে পারে, তবে সেটাই এই মাদ্রাসার এবং আপনাদের আখেরাতের সবচেয়ে বড় মুনাফা।
​৩. কমার্শিয়াল চিন্তার ক্ষতিকর দিক
​অতিরিক্ত বাণিজ্যিক চিন্তা করলে মাদ্রাসায় কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য:
​মেধার অবমূল্যায়ন: দরিদ্র কিন্তু মেধাবী ছাত্ররা অবহেলার শিকার হতে পারে।
​শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট: কেবল টাকার দিকে নজর দিলে মাদ্রাসার আধ্যাত্মিক পরিবেশ ও বরকত কমে যায়।
​অভিভাবকদের অসন্তোষ: অভিভাবকরা যখন বুঝবেন মাদ্রাসা দ্বীনের চেয়ে টাকাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে, তখন তারা মাদ্রাসার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবেন।
​৪. একটি সুন্দর ও সাবলীল মাদ্রাসা পরিচালনার প্রস্তাবনা
​মাদ্রাসা সুন্দর ও সাবলীলভাবে চালানোর জন্য আমাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অবশ্যই দরকার, তবে তা বাণিজ্যিক উপায়ে নয়। এর জন্য আমরা নিচের পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করতে পারি:
​বাজেট ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা: মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের একটি সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত বাজেট থাকবে, যা শিক্ষায় ব্যাঘাত না ঘটিয়ে অপচয় রোধ করবে।
​দ্বীনি ফাণ্ড ও অনুদান সংগ্রহ: ব্যবসায়ী মানসিকতা দিয়ে ছাত্রদের ওপর চাপ না বাড়িয়ে, সমাজের বিত্তবানদের উদ্বুদ্ধ করে "লিল্লাহ ফাণ্ড" বা স্থায়ী আয়ের উৎস (যেমন: ওয়াকফ সম্পত্তি) তৈরি করা।
​শিক্ষকদের নিশ্চিন্ত রাখা: শিক্ষকদের বেতন ও সম্মানী যথাসময়ে প্রদান করা, যেন তারা জীবিকার চিন্তায় মগ্ন না হয়ে পূর্ণ মনোযোগ ছাত্রদের দিতে পারেন।
​উপসংহার
​রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।" এই মহান পেশা এবং দায়িত্বকে ব্যবসার দাঁড়িপাল্লায় মাপা সমীচীন নয়। আসুন, আমরা মাদ্রাসাকে একটি খাঁটি দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবেই রাখি, যেখানে ব্যবসার হিসাব নয়, বরং আখেরাতের পুজিঁ জমা করার প্রতিযোগিতা হবে।
​আল্লাহ তাআলা আমাদের এই মাদ্রাসাকে কবুল করুন এবং আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দ্বীনের খিদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

06/05/2026

সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ ও প্রিয় ছাত্রবৃন্দ,

মানবজীবনের প্রয়োজন, পৃথিবীর সৌন্দর্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, শান্তিময় ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার মহৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখে মাদরাসা দারুল কুরআন আয়োজন করতে যাচ্ছে এক হৃদয়ছোঁয়া, প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয় আয়োজন—“বৃক্ষরোপণ ও কৃষি শিক্ষা দিবস”।

এই দিনে আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুধু গাছ লাগাবে না; বরং তারা শিখবে জীবনের এক গভীর সত্য—একটি ছোট চারা কীভাবে সময়, যত্ন ও ভালোবাসায় বিশাল আশীর্বাদে পরিণত হয়। তারা অর্জন করবে গাছ লাগানোর সঠিক পদ্ধতি, পরিচর্যা, মাটি ও পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান, পাশাপাশি সাধারণ কৃষি শিক্ষার মৌলিক ধারণা।

এই শিক্ষা তাদের মনে গড়ে তুলবে পরিশ্রমের ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, প্রকৃতিপ্রেম এবং আত্মনির্ভরতার অনুপ্রেরণা। তারা উপলব্ধি করবে—মাটি শুধু মাটি নয়; এটি জীবন গড়ার ভিত্তি, আর একটি গাছ শুধু উদ্ভিদ নয়—এটি রহমত, বরকত ও আল্লাহর এক অপার নেয়ামত।

গাছ আমাদের নীরব বন্ধু—সে কিছু চায় না, কিন্তু সবকিছু দিয়ে যায়। ছায়া দেয়, ফল দেয়, অক্সিজেন দেয়, পরিবেশকে করে তোলে নির্মল ও শান্ত। তাই বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কাজ নয়—এটি একটি ইবাদত, মানবতার সেবা এবং সদকায়ে জারিয়ার এক জীবন্ত মাধ্যম, ইনশাআল্লাহ।

এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের শিক্ষা গ্রহণ করবে—কীভাবে একটি গাছ বাঁচে, কীভাবে তা বড় হয়, কীভাবে কৃষি আমাদের জীবনে খাদ্য ও জীবিকার যোগান দেয়। তারা শিখবে ধৈর্য, পরিশ্রম ও যত্নের মাধ্যমে কীভাবে একটি ছোট উদ্যোগও বড় কল্যাণে রূপ নেয়।

আমরা বিশ্বাস করি, এই আয়োজন শুধু একটি দিবস নয়—এটি হবে হৃদয়ের গভীরে গেঁথে থাকা এক অভিজ্ঞতা; যেখানে জ্ঞান, আমল, প্রকৃতি ও ইবাদতের অনুভূতি একসাথে মিলেমিশে গড়ে তুলবে এক আলোকিত প্রজন্ম।

আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় সন্তানদের হাতে সবুজের বীজ, চারা এবং কৃষি শিক্ষার আলো তুলে দিই—যা একদিন ছায়া হয়ে শান্তি দেবে, ফল হয়ে জীবন সমৃদ্ধ করবে, অক্সিজেন হয়ে প্রাণ বাঁচাবে এবং সদকায়ে জারিয়া হিসেবে তাদের আমলনামাকে আলোকিত করে রাখবে, ইনশাআল্লাহ

28/04/2026

সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ,

আপনাদের স্নেহের সন্তানরা আমাদের কাছে শুধু শিক্ষার্থী নয়—তারা আমাদের আমানত, আমাদের ভালোবাসা, আমাদের আগামী দিনের স্বপ্ন। এই বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ থেকেই তাদের সার্বিক বিকাশের কথা ভেবে আমাদের মাদরাসায় আয়োজন করা হয়েছে এক আনন্দঘন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও শিশু আনন্দ উৎসব।

এই আয়োজনে থাকবে দৌড়, লংজাম্প, হাই জাম্প, ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ নানা ধরনের খেলাধুলা। ছোট্ট সোনামণিদের জন্যও থাকবে বেলুন দৌড়, ব্যাগ দৌড়, চামচে বল নিয়ে দৌড়সহ হৃদয়জুড়ানো মজার সব আয়োজন।

আমরা বিশ্বাস করি, একটি শিশুর সুন্দর বেড়ে ওঠা শুধু পাঠ্যবইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। খেলাধুলা শিশুর মনে আনে প্রফুল্লতা, গড়ে তোলে সাহস, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস, সহমর্মিতা ও নেতৃত্বের গুণ। একটি প্রাণবন্ত, সুস্থ ও আনন্দময় শৈশবই পারে তাদের ভবিষ্যৎকে আলোকিত করতে।

আমাদের মাদরাসা শুধু দীনি শিক্ষার আলোই নয়, বরং প্রতিটি শিশুর হৃদয়ে সুন্দর চরিত্র, ভালো আচরণ, আত্মমর্যাদা ও মানবিকতার বীজ বপন করতে চায়। আমরা চাই, আপনাদের সন্তানরা কুরআনের আলোয় আলোকিত হওয়ার পাশাপাশি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী, সুস্থ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক।

আপনাদের অমূল্য দোয়া, ভালোবাসা ও আস্থাই আমাদের পথচলার সবচেয়ে বড় প্রেরণা। আপনাদের সন্তানের মুখের হাসি, তাদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই আমাদের একান্ত অঙ্গীকার।

ইনশাআল্লাহ, এই আয়োজন 🥰শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়—এটি হবে সন্তানদের আনন্দ, আত্মবিশ্বাস ও সুন্দর স্মৃতির এক উজ্জ্বল দিন; আর আপনাদের হৃদয়ে আমাদের মাদরাসার প্রতি ভালোবাসা, আস্থা ও মমতার বন্ধন আরও দৃঢ় করার একটি আন্তরিক প্রয়াস।

আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় সন্তানদের জন্য গড়ে তুলি একটি সুন্দর, সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও নূরের আলোয় ভরা আগামীর পথ।

16/04/2026

‎শিক্ষকের সাথে অভিভাবকদের ব্যবহার: সন্তানের ভবিষ্যতের ভিত্তি! 🤝

‎শিক্ষক হলেন আপনার সন্তানের দ্বিতীয় অভিভাবক, যিনি তার জ্ঞান ও নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করেন। শিক্ষকের প্রতি আমাদের আচরণ ও ব্যবহার কেমন হবে, তা সন্তানের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
‎আসুন, সন্তানের কল্যাণের জন্য শিক্ষকের সাথে অভিভাবক হিসেবে আমাদের ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত, তা জেনে নিই:

‎১. শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করুন:
‎শিক্ষক যে প্রতিষ্ঠানেই থাকুন না কেন, তিনি আপনার সন্তানের শিক্ষার জন্য সময় দিচ্ছেন। সব সময় তাঁর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করুন। মনে রাখবেন, আপনার সন্তানও আপনার আচরণ থেকে শিখছে। আপনি শিক্ষককে সম্মান দেখালে, সন্তানও তাঁকে সম্মান করতে শিখবে।

‎২. গঠনমূলক সম্পর্ক রাখুন:
‎শুধুমাত্র প্রয়োজন হলেই নয়, সন্তানের অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। তবে সেটি যেন অযাচিত বা বিরক্তিকর না হয়। শিক্ষকের মূল্যবান সময়কে মূল্য দিন।
‎সন্তানের দুর্বলতা বা সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় নম্র ও বিনয়ী হোন।
‎শিক্ষকের কোনো সিদ্ধান্ত বা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেটি একান্তে ও শালীনতার সাথে আলোচনা করুন। জনসমক্ষে বা অন্য অভিভাবকদের সামনে সমালোচনা করবেন না।

‎৩. শিক্ষকের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করুন:
‎মাদরাসা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু নিয়মকানুন থাকে। শিক্ষকের নেওয়া যেকোনো গঠনমূলক সিদ্ধান্ত বা শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে তাঁকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করুন। বাড়িতে গিয়ে শিক্ষকের সমালোচনা করলে সন্তানের মনে তাঁর প্রতি অশ্রদ্ধা জন্মায়, যা শিক্ষার জন্য ক্ষতিকর।

‎৪. সমস্যা সমাধানের মনোভাব রাখুন:
‎যদি সন্তানের পক্ষ থেকে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তবে আগে শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। আবেগপ্রবণ না হয়ে, সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য শিক্ষকের সাথে একযোগে কাজ করুন।

‎💡 মনে রাখবেন: শিক্ষকের সাথে আপনার সুসম্পর্ক আপনার সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে। আপনার বিনয় ও সহযোগিতা শিক্ষকের প্রচেষ্টাকে আরও অর্থবহ করে তোলে।

‎আসুন, আমরা আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষকের প্রতি যথাযথ সম্মান বজায় রাখি।
‎শিক্ষকের প্রতি আপনার শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে আপনি কী করেন? কমেন্টে জানান। 👇

‎ #শিক্ষক #শিক্ষকেরসাথেব্যবহার #অভিভাবক #সন্তানপালন #শ্রদ্ধা #প্যারেন্টিং

13/04/2026

.

13/04/2026

প্রিয় সন্তানদের সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতাই আমাদের অঙ্গীকার
বাৎসরিক হেলথ ডে
সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আপনাদের অমূল্য আমানত—আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীদের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণের কথা গভীরভাবে বিবেচনা করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আন্তরিক উদ্যোগে আয়োজন করেছে “বাৎসরিক হেলথ ডে”।
শিশুরা যেন সুস্থ দেহে, প্রফুল্ল মনে এবং স্বস্তির সাথে ইলম অর্জনের পথে এগিয়ে যেতে পারে—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বছরে দুই দিন এ বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
উক্ত দিনগুলোতে অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল ও স্নেহশীল ডাক্তারগণ মাদরাসায় উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের যত্নসহকারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।
যেসব সেবা থাকবে:
জ্বর, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশি, চুলকানি ইত্যাদির সাধারণ চিকিৎসা
প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা
দৈনন্দিন সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা
প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ
শারীরিক ঘাটতি অনুযায়ী ভিটামিন ও পুষ্টি সহায়তা
জটিল সমস্যা দেখা দিলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সঠিক পরামর্শ
আমাদের একান্ত কামনা—
আপনাদের সন্তানরা যেন সুস্থ, সবল, প্রাণবন্ত ও আনন্দময় পরিবেশে দীনি ইলম অর্জন করতে পারে।
কারণ সুস্থ দেহ, সুস্থ মন ও সুন্দর পরিবেশই একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি।
আপনাদের নিকট আমাদের বিনীত আবেদন:
এই ক্ষুদ্র কিন্তু মহৎ উদ্যোগের জন্য মাদরাসা, শিক্ষকবৃন্দ, চিকিৎসকগণ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করবেন।
আল্লাহ তাআলা যেন এ প্রচেষ্টাকে কবুল করেন, একে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গ্রহণ করেন এবং আমাদের সবার জন্য নাজাতের অসিলা বানান।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তানদের সুস্থতা, হেফাজত, নেক হায়াত এবং দীনের খেদমতে কবুল করুন। আমীন।

27/03/2026

📢 ভর্তি চলছে 📢
জ্ঞান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বোত্তম নিয়ামত। একটি সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে সঠিক শিক্ষা ও দ্বীনি আদর্শের মাধ্যমে। আপনার প্রিয় সন্তানকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করতে এবং নৈতিক ও সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে আমাদের প্রতিষ্ঠান একটি বিশ্বস্ত পথপ্রদর্শক।

📚 কলুন মাদরাসা দারুল কোরআন

📖 যে সকল বিভাগে ভর্তি চলছে:
• ইন্টারন্যাশনাল হিফজ বিভাগ

• নাজেরা বিভাগ

• আদর্শ নূরানী কিন্ডারগার্টেন ( নার্সারি থেকে তৃতীয় শ্রেণী)

📍 ঠিকানা: গাজীপুর জেলা কালিগঞ্জ থানা বক্তারপুর ইউনিয়ন। কলুন গ্রাম

📞 যোগাযোগ করুন:
০১৩২৩৫৬৮৪৬৬
০১৪০২৫৪১২১৫

🌙 আজই আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দ্বীনি শিক্ষার পথে প্রথম পদক্ষেপ নিন।

Photos from কলুন মাদরাসা দারুল কুরআন, কালিগঞ্জ, গাজীপুর's post 28/02/2026

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে

মাদরাসা দারুল কোরআন,।
কলুন, কালিগঞ্জ,গাজীপুর

♦️কালিগঞ্জ থানাধীন বক্তারপুর ইউনিয়নের কলুন গ্রামে এই প্রথম নিজস্ব জায়গার উপর নির্মিত হয়েছে আমাদের প্রতিষ্ঠান।
সুন্দর মনোরম পরিবেশ পাঠদান,মানসম্মত খাবার প্রদান,দেশ সেরা স্কলারসদের দ্বারা শিক্ষা প্রদান, সার্বক্ষণিক সিকিউরিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ।

✅ আমাদের রয়েছে
১- নূরানী বিভাগ
২- নাজেরা বিভাগ (প্রি হিফজ)
৩-আন্তর্জাতিক হিফজ বিভাগ
৪-হিফজ রিভিশন বিভাগ

♦️এবং প্লে থেকে ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত জেনারেল এডুকেশন। রয়েছে বোর্ড পরীক্ষার সুযোগ।

♦️সন্তান আপনার, তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

♦️আপনার আদরের সন্তান আমাদের কাছে আমানত। আমানতের সঠিক পরিচর্যার আমরা ওয়াদাবদ্ধ। আপনার সন্তান যেন অবহেলায় বেড়ে না ওঠে, সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করে মূল্যবান হোক আপনার সন্তানের জীবন।

♦️বি:দ্র: ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদ ও দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আবশ্যক।

♦️যাতায়াত ঢাকা বা পাঁচদোনা থেকে কাপাসিয়া রোড থেকে আলাউদ্দীন টেক থেকে, কলুন মাদরাসা ।৷ গাজীপুর থেকে আওড়াখালি বাজার নেমে আলাউদ্দিন টেক থেকে কলুন মাদরাসায় জাব বললেই হবে।

👉যোগাযোগ
01841-929109
01323568466
01402541215

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kalon
Gazipur