Agri thoughts

Agri thoughts

Share

To study and spread technology of Agriculture

06/02/2025

মরিচের ফুল ঝরার কারণ ও প্রতিকার।

আপনার মরিচ গাছের ফুল ঝরে পড়ছে। সেক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে হবে।

১/ গাছে ফুল আসার পর নিয়মিত পরিমাণ মতো গাছের গোড়ায় পানি দিতে হবে। যাতে সব সময় মাটিতে পর্যাপ্ত রস থাকে।

২/ বোরন সারের অভাব হলে (সলুবোর বোরন ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন)। পাশাপাশি লিটোসেন, ফ্লোরা, মিরাকুলান বা বুস্টার এর যে কোন একটি ২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।

৩/ শোষক পোকা যেমন থ্রিপস/হোয়াইট ফ্লাই এর আক্রমণ ইমিডাক্লোরপ্রিড গ্রুপ এর
ইমিটাফ(০.৫মিলি/লিটার) সাথে এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভেকটিন বা ভার্টিমেক একসাথে মিশিয়ে স্প্রে করবেন সাত দিন অন্তর অন্তর।

৪/ অল্প পটাশ সার মাটিতে দিবেন। টব হলে গোড়া থেকে একটু দূরে হাফ চা চামচ পরিমান মাটির নিচে।

৫/ পরাগায়ন না হলে আপনার মরিচ টবে হলে এই গাছের আসে পাশে ফুল গাছ থাকলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই মরিচ গাছের পাশে ফুল গাছ লাগাবেন।

৬/ নাইট্রোজেন সার ফুল আসলে ব্যবহার করা যাবে না।

06/02/2025

মরিচের গাছে ট্রেনিং করার নিয়মাবলী ও উপকারিতা।

* মরিচের গাছে সঠিকভাবে ট্রেনিং করলে
* অধিক ফুল ও ফল ধরে, গাছে রোগ
* পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

মরিচ গাছ ট্রেনিং কখন ও কিভাবে করতে হয়:

মরিচে চারা রোপনের ১ মাসের মধ্যে গোড়া থেকে যে ছোট ছোট শাখা বের হয় এগুলো ছাঁটাই করাই হলো ট্রেনিং (অঙ্গ ছাঁটাই)।

আরো সহজভাবে বলতে গেলে মরিচ গাছ বৃদ্ধি পেয়ে এক পর্যায়ে ইংরেজি Y বর্ণের মতো দুইভাগ হয়ে যায়। এই Y সেইপের নিচে যে শাখা গজায় একি গজানোর সাথে সাথে ভেংগে দেওয়াই ট্রেনিং।

মরিচ গাছে অঙ্গ ছাঁটাই এর উপকারিতা:

আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকের জমি পরিদর্শন করে দেখেছি যে গোড়ার দিকের প্রচুর শাখা গজায় এবং এগুলোর বৃদ্ধি খুব দ্রুত হয় কিন্তু কিন্তু এই শাখাগুলোতে ফুল কম আসে এরা শুধু পুষ্টি গ্রহন করে থাকে এবং পোকামাকড়ের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

সঠিক সময়ে ট্রেনিং করলে Y সেইফের উপরের অংশের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং গাছ উপরের দিকে প্রচুর শাখা বের হয়ে ☂️ ছাতার মতো হয়ে প্রচুর ফুল ও মরিচ ধরবে।

আশাকরছি এই তথ্য আমাদের মরিচ চাষী ভাইদের একটু হলেও উপকারী হবে।

লেখা: Shuhal Rana

Photos from Agri thoughts's post 06/02/2025

সরিষার খৈলের তৈরি বুস্টার সার।

আমরা প্রায় সকল বাগানীরা সরিষার খৈল পচানো পানির সাথে পরিচিত। সাধারণত আমরা ৫-৭ দিন সরিষার খৈল পানিতে ভিজিয়ে রেখে পচাই। তারপর তার সাথে পানি মিশিয়ে গাছের মাটিতে দেই। সরিষা খৈল যখন পানিতে পচানো হয় তখন সেই পানিতে বিভিন্ন উপাদান তৈরী হয় যা পরবর্তীতে মাটি হয়ে গাছে চলে যায় ও গাছের বৃদ্ধি,ফুল-ফল ধরানো,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উপকার করে।

সরিষার খৈল পচানোর প্রক্রিয়াটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ফার্মান্টেশন। international journal of chemical studies এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে সরিষার খৈলকে যতো বেশীদিন ফার্মান্টেশন প্রসেসে রাখা যাবে ততোই এর উপকারী উপাদান বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ আমাদের মাঝে যেই প্রচলিত মতবাদ আছে যে ৭-৮ দিনের মধ্যে খৈল ভেজানো পানি ব্যবহার করে ফেলতে হবে, এই প্রক্রিয়া থেকে এটা আপডেট। এ পদ্ধতিতে সরিষার খৈলকে যদি ৪০ দিন পর্যন্ত পচানো যায় তাহলে সেই পচানো পানিতে মাইক্রো ও ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট,যেমন-নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সালফার, ম্যাগিনেসিয়াম, কপার, জিংক সহ গাছের দরকারী সব উপাদান কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

পাশাপাশি আমরা বাজার থেকে ট্রাইকোডার্মা,বায়োডার্মা নামক যেই জৈব ফাংগিসাইড কিনে টবের মাটিতে প্রয়োগ করি সেই সিডিউমুনাস,ট্রাইকোডার্মা, রাইজোব্যাকটেরিয়াসহ গাছের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফাংগি ও ব্যাংক্টেরিয়াগুলো ৪০ দিন পর সরিষা খৈল পচানো পানিতে উল্লেখযোগ্য হারে তৈরী হয়।

অর্থাৎ, আপনি যদি একটি ভালো মানের সরিষার খৈল ৩৫-৪০ দিন পর্যন্ত পানিতে পচিয়ে তারপর গাছের মাটিতে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে গাছের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান, জৈব অনুজীব,ছাত্রাকনাশক ও কীটনাশক কয়েকগুণ বেশী পাবেন।

আরেকটি বিষয় হলো খৈল পচানোর পানিতে আপনাকে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে। কারণ যেই অনুজীব জীবগুলো এই খৈল পচানোর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে তাদের সার্ভাইভ করার জন্য বা বেঁচে থেকে পচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। আর অক্সিজেন সরবরাহের জন্য প্রতিদিন কয়েকবার পাত্রের ঢাকনা তুলে পাত্রের পানিকে বাঁশ বা কাঠের কাঠি দিয়ে ক্লকওয়াইজ ও এন্টিক্লকওয়াইজ ঘুরিয়ে নাড়িয়ে দিতে হবে এবং নাড়ানো শেষে আবার ঢাকনা নাড়িয়ে দিতে হবে। আর ফার্মান্টেশন প্রক্রিয়া সবচাইতে ভালো হয় মাটির পাত্রে। সরিষার খৈল পচানোর কাজটি মাটির কলসি বা মাটির পাত্রে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

১. খৈল ১ কেজি ।
২. পানি ১০ লিটার।
৩. মাটির পাত্র ( সম্ভব হলে )।
৪. কাঠ বা বাঁশের লাঠি।

উক্ত সার তৈরির পর আরও ১০ গুণ পানি যোগ করতে হবে। অর্থাৎ প্রথমে ১০ লিটার পানির সাথে আরও ৯০ লিটার পানি মেশাতে হবে। অর্থ্যাৎ মোট সারের পরিমাণ হবে ১০০ লিটার। এটা গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।

06/02/2025

লিচুর ভালো ফলন পেতে এই মূহুর্তে লিচু কৃষক ভাইদের করণীয়।

★ প্রথম পর্যায়ে মুকুল আসার ১০-১৫ দিন আগেই মাকড়নাশক
থিয়োভিট
কুমুলাস
ম্যাকসালফার
মনোভিট যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

অথবা
এবামেকটি গ্রুপের কীটনাশক
ভার্টিমেক ১.৮ ইসি
টক্সিমাইট ১.৮ ইসি
লাকাদ ১.৮ ইসি
এবম ১.৮ ইসি
সানমেকটিন ১.৮ ইসি
প্রতি লিটার পানিতে ১.২৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে

★ মুকুল আসার পরে করনীয়:

মুকুল বের হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগেই
ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক
এডমায়ার ২০ এসএল
ইমিটাফ ২০ এসএল
ইমপেল ২০ এসএল
টিডো ২০ এসএল
গেইন ২০ এসএল
যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫
গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। সাথে

কার্বোডাজিম+মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক
ম্যানসার ৭৫ ডাব্লিউ পি
ক্যাম্পানিয়ন ৭৫ ডাব্লিউ পি
ক্লাস্টার ৭৫ ডাব্লিউ পি
কারকোজেব ৭৫ ডাব্লিউ পি
কেমামিক্স ৭৫ ডাব্লিউ পি
যে কোন একটি ছত্রাক নাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

★ লিচুর ফল আসার পরে করণীয়:

লিচুর ফল ঝরা, ফল ফেটে যাওয়া প্রতিরোধ ফল মটরদানা আকৃতি ধারণের পরে ভেজিমেক্স/বলবান/প্রোটোজিম/প্লানোফিক্স/মিরাকুলান/এস্টার যে কোন একটি অনুমোদিত মাত্রার্য় মিশিয়ে করতে হবে।

লিচু মার্বেল আকৃতি পর্যায়ে লিচুর ফলছিদ্রকারী পোকা ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আগাম প্রতিষেধক হিসেবে

সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক
রিলোথ্রিন১০ ইসি,
রিপকর্ড ১০ ইসি,
কট ১০ ইসি,
শেফা ১০ ইসি,
সুরক্ষা ১০ ইসি,
ম্যাজিক ১০ ইসি
যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। সাথে

ম্যানকোজেব+মেটালেক্সিল গ্রুপের ছত্রাকনাশক
মেটারিল ৭২ ডাব্লিউ পি
নিউবেন ৭২ ডব্লিউপি
রিডোমিল গোল্ড এমজেড ৬৮ ডব্লিউজি
মেটকো ৭২ ডব্লিউপি
ভিটামিল ৭২ এমজেড
করমিল এমজেড ৭২ ডব্লিউপি
যে কোন একটি ছত্রাক নাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

আরও করনীয়:

* কলম চারার ক্ষেত্রে গাছের বয়স কমপক্ষে ৩ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দিতে হবে। এতে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়।
* ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।
* লিচুর মুকুল ফুটা অবস্থায় স্প্রে করা যাবে না।

* লিচুর মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার ও ফল মটর দানা পর্যায়ে একবার এবং দ্বিতীয় সেচ ১৫ দিন পরে একবার সেচ দিতে হবে।

* গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিস্কার রাখতে হবে।
* স্প্রে অব্যশই গাছের পাতা, মুকুল, ও ডালপালা ভালো ভবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
* ফল সংগ্রহের পরে লিচুর মাকড় আক্রান্ত ডাল ভেঙ্গে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
* বোরন ও জিংক সারের ঘাটতি থাকলে অন্যান্য সার সহ প্রতি গাছে ২০ গ্রাম বোরন ও ১০ গ্রাম জিংক সার লিচুর আটি শক্ত হওয়া পর্যায়ে গাছের গোড়ায় মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। অথবা সলুবর বোরন ও চিলেটেড জিংক মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।

06/02/2025

গাছের পোকামাকড় ও ছএাক দূর করতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা বা খাওয়ার সোডা ও ২-৩ ফোটা তরল সাবান বা হ্যান্ডওয়াস প্রতি ১ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে একবার সন্ধ্যায় গাছের পাতার উভয় দিকে ষ্প্রে করে যেতে হবে।

05/02/2025

#পানিতে_মানিপ্ল্যান্ট_করার_সঠিক_নিয়ম :

✅️ পাত্র : স্বচ্ছ কাঁচের বোয়াম বা বোতল নিতে হবে। অবশ্যই পাত্রটি পরিষ্কার হতে হবে।

✅️ পানি : পানিতে মানিপ্ল্যান্ট বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করতে হবে।

❌️ আমাদের যেই সাপ্লাই এর সরাসরি পানি আসে সেই পানি ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এই সাপ্লাই পানিতে ক্লোরিন থাকে, যা গাছের জন্য ক্ষতিকর।

যদি একান্তই এই সাপ্লাই এর পানি ব্যবহার করতে হয় তাহলে অবশ্যই কোনো পাত্রে পানি নিয়ে ২/১ ঘন্টা রেখে দিয়ে তারপর ব্যবহার করতে হবে। কারণ এই সময়ের মধ্যে গাছের জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ গুলো তলায় পরে যায়।

🚫 ️ প্রুনিং মেশিন জীবাণুমুক্ত করন : প্রুনিং শিয়ার বা সিকেচার মেশিন (গাছের ডাল কাটার কাঁচি) টি ডাল কাটার আগে অবশ্যই যেকোনো জীবাণুনাশক দিয়ে মুছে নিতে হবে।

✅️ ডাল কাটিং : মানিপ্লান্ট এর এমন ডাল নিতে হবে যেন সে ডালে অন্তত ৩-৪ টি নোড (যে জায়গা থেকে শিকড় বের হয়) থাকে এবং ডালের সব পাতা গুলো যেন হেলদি পাতা হয়।

🚫 স্থান : এমন জায়গায় রাখতে হবে যেন পর্যাপ্ত আলো বাতাস আসে এবং প্রখর রৌদ্র বা রৌদ্রের তাপ না আসে।

🚫 পানি পরিবর্তন : শিকড় আসার আগে প্রতিদিন বা ১/২ দিন পর পর পাত্রের পানি পরিবর্তন করতে হবে এবং শিকড় আসার পর ৪/৫ দিন পর পর পরিবর্তন করতে হবে।

✅️ সার : ১ লিটার পানিতে ১চা চামুচ NPK (১৯:১৯:১৯)/ সমান অনুপাতের NPK নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে সেখান থেকে ২ ফোঁটা, পাত্রের পানিতে দিতে হবে ১৫/২০ দিন পর পর। ১ লিটার পানিতে ১ চিমটি NPK নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পাতাতে স্প্রে করতে হবে ২/৪ দিন পর পর। এতে গাছের গ্রোথ ভালো হবে।

🌿 ছবিতে আমাদের বারান্দা বাগানের জন্য পানিতে করা মানিপ্ল্যান্ট 🌿

05/02/2025

#স্ট্রবেরি_গাছের_মাটি_তৈরি_যত্ন_ও_পরিচর্যা : (Strawberry plant care)

🍓 স্ট্রবেরি গাছ সারা বছর বেঁচে থাকে। ফল দেয় শুধুমাত্র শীতকালে (ফেব্রুয়াবির - মার্চ মাসে)।

🍓 টব নির্বাচন : স্ট্রবেরি গাছের জন্য ৬"/৮" টব উপযুক্ত। তাছাড়া আপনার পছন্দ মতো যেকোনো গামলা ধরনের টবেও রোপন করতে পারেন।

🍓 পানি নিষ্কাশন : টবের পানি নিষ্কাশনের জন্য অবশ্যই টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে। ছিদ্র না থাকলে পানি জমে যাবে এবং গাছের গোড়া পঁ*লচতে শুরু করবে এবং গাছ মা*রা যাবে।

🍓 মাটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :
এই গাছের জন্য উত্তম পানি নিষ্কাশন সমৃদ্ধ মাটি ব্যবহার করতে হবে। এর জন্য ৪ ভাগ মাটি, ২ ভাগ সাদা বালি, ২ ভাগ ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার ) বা ১ বছরের পুরোনো গোবর সার, ২ ভাগ কোকোপিট, ১ মুঠ শিং কুচি, ১ মুঠ নিম খৈল, ১ চামুচ সরিষার খৈল গুঁড়া এবং হাফ চা চামুচ ফাঙ্গিসাইড ভালোভাবে মিশিয়ে মাটি তৈরী করতে হবে।

🍓 পানি: স্ট্রবেরি গাছ ময়েস্ট মাটি পছন্দ করে। খেয়াল রাখতে হবে যেন একবারে মাটি পুরোপুরি শুকিয়ে না যায়। মাটি শুকানোর আগেই স্ট্রবেরি গাছে পানি দিতে হবে। যদি মাটি ভেজা থাকে তাহলে পানি দেয়া যাবে না। আবার বেশি পানিও দেয়া যাবে না।

🍓 সূর্যালোক : স্ট্রবেরি গাছের জন্য সম্পূর্ণ সূর্যালোক প্রয়োজন। সেপ্টেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত স্ট্রবেরি গাছ সরাসরি সূর্যালোকে রাখতে হবে।

🍓 সার (খাবার) : গাছ প্রতিস্থাপনের এক মাস পর যখন গাছ ভালো ভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে তখন থেকে ফুল আসার আগে পর্যন্ত সরিষার খৈল পঁচানো পানি সার দিতে হবে মাসে ১ বার।

🌸 ফুল আসার পর একটি মিশ্র সার দিতে হবে। এই সার দেয়ার আগে টবের মাটি অল্প নিরানী দিয়ে নিতে হবে।

✔️ মিশ্র সার তৈরির নিয়ম: ১ ভাগ ভার্মিকম্পোস্ট, ১/৪ ভাগ সরিষার খৈল, ১/৪ ভাগ শিং কুচি, হাফ চা চামুচ DAP, ১ মুঠ কলার খোসা গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে গাছে দিতে হবে।

✔️ মিশ্র সার গাছে দেয়ার পর টবের মাটির সাথে সার গুলো মিশিয়ে গাছে পানি দিতে হবে।

🍓 সপ্তাহে ১ বার গাছে নিম তেল স্প্রে করতে হবে। ১ লিটার পানিতে হাফ চা চামুচ নিম তেল নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে।

#স্ট্রবেরি #ছাদবাগান

05/02/2025

পাথরকুচি পাতার ঔষধি গুনাগুনঃ-

১/ পাথরকুচি পাতা কিডনি ও গলগন্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে।

২/ পেট ফোলা বা পেট ফাঁপার ক্ষেত্রে একটু চিনির সঙ্গে দুই চামচ পাথরকুচি পাতার রস একটু গরম করে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

৩/ শিশুর পেটে ব্যথা হলে পাথরকুচি পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়।

৪/ পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৫/ পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৬/ লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তাজা পাথরকুচি পাতা বা এর জুস অনেক উপকারী।
#পাথরকুচি

05/02/2025

মিষ্টি কুমড়ার 🎃 চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

★মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাত সমূহ:
বারি মিষ্টি কুমড়া ১,২,
বারি হাইব্রিড মিষ্টি কুমড়া ১,২
FTIP BAU মিষ্টি কুমড়া-১,২
সুইটি হাইব্রিড,
সুইটি হাইব্রিড, হল্যান্ড ১, ব্ল্যাক গোল্ড, চৈতি,কাজলা, থাইল্যান্ড কিং,ইডেন, ডেসটিনি,ব্ল্যাক পার্ল ও অন্যান্য।

🪴 বপনের সময়ঃ

*শীতকালীনঃ
অক্টোবর-নভেম্বর মাস পর্যন্ত বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।

*গ্রীষ্মকালীনঃ
ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস পর্যন্ত বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।

⚠️ এছাড়াও সারাবছর মিষ্টি কুমড়ার চাষ করা যেতে পারে।

🪴 চাষপদ্ধতিঃ
পলিব্যাগে অথবা ট্রেতে চারা তৈরি করে রোপণ করা উত্তম। চারার জন্য ৮-১০ ইঞ্চি মাপের পলিব্যাগ ব্যবহার করা যায়। জমিতে ১৫-২০ দিনের চারা লাগাতে হবে।

★বেড তৈরিঃ
মাটির প্রকৃতি ও স্থানভেদে ৬-৮ইঞ্চি উঁচু, ৩ ফুট চওড়া এবং লম্বায় সুবিধাজনক এমন বেড তৈরী করতে হবে যাতে পানি সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধা হয়। দু’টি বেডের মাঝে পর্যায়ক্রমে ২ ফুট এবং ১ ফুট চওড়া নালা রাখতে হবে।

★বেডে গর্তের আকারঃ
২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি× ১.৫ ফুট। গর্তগুলো ৪ হাত দূরে দূরে এক সারিতে হবে।

সরাসরি মাদায় বীজ বপণের ক্ষেত্রেঃ
মাদায় প্রয়োজনীয় সার দেয়ার ৭-১০ দিন পর ৩-৪টি বীজ বপণ করতে হবে। গভীরতা হবে ১ ইঞ্চি।

⚠️ বীজ বপণের ৪-৫ দিনের মধ্যেই
গজাবে, ১০-১৫ দিন পর মাদা প্রতি সুস্থ ২টি চারা রেখে বাকীগুলো তুলে ফেলতে হবে।

★সার ব্যবস্থাপনা(প্রতি মাদায়):
🔸পঁচা গোবর ৪-৫কেজি
🔸ডিএপি/টিএসপি-১০০গ্রাম
🔸এমওপি ৫০গ্রাম
🔸জিপসাম ৫০গ্রাম
🔸বোরন ২০গ্রাম
🔸জিংক ২০গ্রাম
🔸ম্যাগনেসিয়াম ২০গ্রাম

★জমিতে মাদা তৈরির সময় সব গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক, বোরন এমওপি সার ভাল করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।
⚠️ চারা লাগানোর ১৫, ৩৫, ৫৫ ও ৭৫ দিন পর পর ইউরিয়া ৫০ গ্রাম ও এমওপি ৩০ গ্রাম গোড়া থেকে একটু দূরের মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে

💧সেচ ব্যবস্থাপনাঃ
মিষ্টি কুমড়ায় তেমন খুবই সেচ সংবেদনশীল।
জমিতে সেচের পানি আটকে গেলে গাছ মারা যাবে। পানির ঘাটতি হলে গাছের বৃদ্ধি থেমে যাবে। মিষ্টি কুমড়ার সবচেয়ে উত্তম হলে ঝাঝড়ি দিয়ে প্রয়োজন মতো পানি দেওয়া।

🕷️পোকা মাকড়ঃ
🐝 মিষ্টি কুমড়ার প্রধান শত্রু পোকা হলো ফল।
🐞 ছিদ্রকারী মাছি পোকা। এছাড়াও রেড।
🪲 পাম্পকীন বিটল, লেদা পোকা, সাদা মাছি। 🦋
জাব পোকার আক্রমণ দেখা যায়।

☠️রোগ বালাই:
মিষ্টি কুমড়ার প্রধান রোগ হচ্ছে গামি স্টেম,ব্লাইট এবং ব্লোজম স্টেম ব্লাইট রোগ। এছাড়াও উইল্ট, গোড়া পঁচা, এনথ্রাকনোজ, পাউডারি মিলডিও, মোজাইক রোগের আক্রমণ দেখা যায়।
🎃 ফল সংগ্রহের সময় :
বীজ বপনের ১১০-১২০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়।


05/02/2025

ছাদ বাগানে পেপের অধিক ফলন পেতে পেঁপে চারা রোপণের সঠিক নিয়মঃ
পেঁপে চারা সোজাসুজি রোপণ না করে দক্ষিণমুখী করে কিছুটা বাঁকা করে (৪৫° কোণের মতো) রোপণ করতে হয়।
কিছু দিন পর চারার মাথাটি সোজা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
এভাবে রোপণ করার সুবিধাঃ-
১/চারার গোড়া অধিক মোটা হয়।
২/গাছ দ্রুত লম্বা ও লিকলিকে না হয়ে খাঁটো থাকে।
৩/ঝড়-বৃষ্টিতে বাতাসের হাত থেকে ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।
৪/গঠন কাঠামো শক্তিশালী হয়।
৫/গাছ খাঁটো অবস্থায় ফুল-ফল দেয়।
৬/গাছের গোড়া থেকে অধিক পরিমাণে শিকড় বের হয়।
৭/গাছ ছোট থাকা অবস্থায় ফলন আসে।
৮/অধিক ফলন পাওয়া যায়।
লক্ষনীয় বিষয়ঃ
১)ভালো ভাবে মাটি তৈরি করে নিতে হবে।
২)সঠিক জাত নির্বাচন করতে হবে।
৩)পর্যাপ্ত রোদ আসে এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে।
৪)সঠিক ভাবে সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখতে হবে।
#পেপে

05/02/2025

ছাদ বাগানে বেগুন চাষঃ
বেগুন আমাদের দেশের জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি সবজি।বাড়ির ছাঁদে বারো মাসই বেগুন চাষ করা যায়।
উপযুক্ত মাটি তৈরিঃ
প্রথমত জেনে নিতে হবে বেগুনের ভালো ফলনের জন্য কোন ধরনের মাটি উপযোগী। সাধারণত, পলি দোআঁশ মাটি ও এটেঁল দোআঁশ মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী।
পাত্র নির্ধারণঃ
১০-১২ ইঞ্চি ব্যাসের মাটির টব, প্লাস্টিকের টব বা অর্ধেক করে কেটে নেওয়া প্লাস্টিকের ড্রামও ব্যবহার করা যেতে পারে। মাটি তৈরির সময় সমান পরিমাণে এঁটেল দোআঁশ বা পলি-দোআঁশ মাটি নিতে হবেI ৪০% মাটি, ২০% বালি, ২০% জৈব সার (ভার্মি কম্পোস্ট), ২০% কোকোপিট এর একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। একটি টব নিন। টবের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখার জন্য ছিদ্র করা টবটির নিচে কয়েকটি ইটের টুকরো দিতে হবে। তার উপর কিছুটা মোটা বালি দিয়ে একটি স্থর তৈরি করে নিতে হবে।
এরপর মাটির মিশ্রণটি দিয়ে টবটি ভরাট করতে হবে। মাটি তৈরি হয়ে গেলে তা ১০-১৫ দিন ধরে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর আবার মাটি খুঁচিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।
নার্সারি থেকে সুস্থ ও ভালো জাতের বেগুনের চারা সংগ্রহ করে রোপন করতে হবে।
পোকা দমনঃ
বেগুনের ফল ও কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, মেলিবাগ, বিটল, সাদা মাছি ও জেসিড, মাজরা পোকা দমনে প্রতিনিয়ত নিম তেল ব্যবহার করতে হবে।
যদি পোকার আক্রমণ বেশি হয় তবে পরিমিত মাত্রায় কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।
পরিচর্যাঃ
বেগুন গাছের বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে হয়। গাছ সোজা রাখার জন্য কাঠি বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। বৃদ্ধি চলমান রাখতে সার প্রয়োগের পাশাপাশি মাঝে মাঝে গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হবে।গোড়ার দিকের কুড়ি গুলো ভেঙে দিতে হবে।
গাছের বয়স বাড়লে উপরের দিকের ডালপাল ছেঁটে দিলে নতুন শাখা-প্রশাখা বের হয়।এবং সেখানে আরো অধিক বেগুন পাওয়া যায়।

#বেগুনচাষ #ছাদবাগান

04/02/2025

#পেয়াঁজ_ও_রসুনের_আগা_লালচে_হয়ে_গেলে_কি_করবেন

#কুইকপটাশ
#ফাষ্ট_পটাশ
াশ
#মিমপটাশ
#ব্রাক_পটাশ যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে সাথে
(পাইডিফ্লুমেটাফেন৭৫%+ডাইফেনোকোনাজল১২৫%) গ্রুপের
#মিরাভিস_ডুয়ো২০এসসি প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে অথবা

#প্রোপিনেব_সাইমক্সানিল গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

#নিস্তার৭৬ডাব্লিউপি বা
#এক্সট্রামিল৭৬ডাব্লিউপি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে অথবা

#প্রোপিনেব_ইপ্রোভ্যলিকার্ব গ্রুপের ছত্রাকনাশক
#মেলডি_ডুও৬৬.৮ডাব্লিউপি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে অথবা

#লুনা_সেনসেশন৫০এসসি
#শেলটার৫২.৫ডাব্লিউপি
#হামা৫২.৫ডাব্লিউপি
#ফলিকুর২৫ইসি
#রোভরাল৫০ডাব্লিউপি
#রোভানন৫০ডাব্লিউপি
#এন্ট্রাকল৭০ডাব্লিউপি
#টপনচ৭০ডাব্লিউপি
#ফিয়েস্তা_জেড৬৮
#নাটিভো৭৫ডাব্লিউপি
#স্ট্রমিন৭৫ডাব্লিউপি
#ব্লাষ্টিন৭৫ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক অনুমোদিত মাত্রায় মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

মোঃ ফরিদুল ইসলাম
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
কালিগঞ্জ লালমনিরহাট

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Gazipur