12/10/2025
টাইফয়েড টিকা ক্যাম্পেইন।২০২৫।
সকল শিশুর জন্য সহজ হোক শিক্ষা। 🍄🌨
Learning something new every day with Abiha, Unaysah & their mom.❤️💠
12/10/2025
টাইফয়েড টিকা ক্যাম্পেইন।২০২৫।
It’s time to learn, play, and create something fun together! 💖
📸 Don’t forget to share your child’s activity with us! 💕
20/09/2025
থামুন এবার!
আপনার সন্তান কোনো রেসের ঘোড়া নয়, যে বিদ্যালয়ে গিয়েই দৌড় শুরু করবে, আর অবশ্যই প্রথম হতে হবে!
ওকে একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ দিন।
প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থান না পেলেও মানুষ বেঁচে থাকে, সাফল্য অর্জন করে।
সাফল্য কি শুধু দামি গাড়ি, বাড়ি বা চাকরির নাম?
সুখে–দুঃখে অভিযোগহীন শান্ত জীবনকেও কি আমরা আর সাফল্য বলি না?
রিজিক মানে কি শুধুই খাদ্য আর অর্থ!
আপনার সুস্থ জীবন, নেক সন্তান, সুখী পরিবার, পিতা-মাতা সবকিছুই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত!!
এতোসব থাকা সত্বেও আপনি কোন রিজিকের আশায় প্রতিনিয়ত ছুটছেন!
জীবনে ক’জন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা প্রধানমন্ত্রী আছেন যারা থেমে বলেন—
“আমি সফল, আমার আর কিছু চাই না”?
বরং সবাই যেন টাকার নেশায় অন্ধ ছুটে চলে!
আজকাল মানুষ শুধু সাফল্য খোঁজে না,খোঁজে অস্বাভাবিক সাফল্য!! অস্বাভাবিক ধনসম্পদ!!
একজন নিঃস্ব মানুষ যেমন দিনরাত ছুটছে,
একজন কোটিপতিকেও দেখি একই ছুটে ক্লান্ত—
তাহলে প্রশ্ন হলো: কিসের এত প্রতিযোগিতা? কার সাথে পাল্লা দিচ্ছি আমরা?
অন্যের ধনসম্পদ দেখে নিজেরটা তুচ্ছ মনে হয়। অথচ আপনার যা আছে, তা-ই তো অন্য কারও স্বপ্ন!
তবুও কেন এত অসন্তোষ, এত অতৃপ্তি?
যতটুকু সম্পদ থাকলে স্বচ্ছল থাকা যায়,জীবনকে উপভোগ করা যায়, ততোটুক নয় কেন!!
যতটুকু শান্তি প্রয়োজন নিজেকে সুখী রাখার, ততোটা নয় কেন??
এ ভোগবাদী সমাজ আর পুঁজিবাদী অর্থনীতি কখনোই আপনাকে যথেষ্ট হতে দেবে না।
আপনি যত সফলই হোন, তবুও মনে হবে—আরও দরকার!
আপনি যতই বিত্তশালী, প্রভাবশালী বা সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছে যান আপনাকে যথেষ্ট অনুভব করাবে না।
তাহলে সন্তানকে এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে মুক্তি দিন।
তাকে দৌড়াতে শেখান মানুষ হওয়ার জন্য, প্রথম হওয়ার জন্য নয়।
রেস করুন মানবিকতায়, রেস করুন মানুষ বানাতে।
ধন্যবাদ।
17/09/2025
✅‼️ সন্তানের চরিত্রের আয়না বাবা–মা ‼️
👨👩👧 বাবা–মায়ের ব্যক্তিত্বই সন্তানের ভাগ্য গড়ে।
যে বাবা–মা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, বিনয়ী ও নীতিবান—সেই সন্তানের ভবিষ্যৎও সুন্দর হয়।
🖊️ বাচ্চারা সবসময় অনুকরণপ্রিয়।
তারা প্রথমে শেখে বাবা–মায়ের কাছ থেকেই—
কথাবার্তার ভঙ্গি, ব্যবহার, কাজ করার ধরণ সব।
তাই বাবা–মায়ের প্রতিটি আচরণ সন্তানের ব্যক্তিত্বে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
📌 শুধু বিলাসবহুল জীবনযাপন নয়—
👉 সন্তান আসলে তাই শিখে যা সে বাবা–মাকে করতে দেখে।
👉 আপনি সিগারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না সন্তান ধূমপান থেকে দূরে থাকবে।
👉 আপনি যদি অশালীন বা স্বার্থপর আচরণ করেন, সন্তানও তা-ই অনুকরণ করবে।
👨👩👧 একটা ছোট গল্প ভাবুন...
একদিন এক বাবা বাজারে গেলেন।
ফেরিওয়ালার সাথে দামাদামি করলেন, কিন্তু শেষে হাসিমুখে টাকা দিলেন।
ছোট্ট ছেলেটি সবকিছু চুপচাপ দেখে রাখল।
👉 সেদিন থেকেই সে শিখল—অন্যের সাথে ভদ্র হতে হয়।
আবার একদিন এক মা রান্না করছিলেন।
পাশের বাড়ির আন্টি একটু লবণ চাইতে এলো।
মা হাসিমুখে দিলেন, বললেন—“আপনার দরকার হলে আবার নেবেন।”
মেয়ে সব শুনল, দেখল।
👉 সেদিন সে শিখল—অন্যকে সাহায্য করতে হয়।
কিন্তু আরেকটা ঘরে—
বাবা টিভি দেখতে দেখতে গালি দিচ্ছেন,
মা সবসময় রাগ ঝাড়ছেন।
👉 সন্তানও শিখছে—অশান্তি, রাগ, আর অভদ্রতা।
📌 সত্যিটা হলো—
সন্তান স্কুল থেকে যতটা শেখে, তার চেয়ে অনেক বেশি শেখে বাবা–মায়ের কাছ থেকে।
তাদের প্রথম শিক্ষক বাবা–মা।
তাদের ভবিষ্যতের আয়না বাবা–মায়ের চরিত্র।
✔️ তাই যদি চান সন্তান সত্যিকারের মানুষ হোক—
👉 আপনি আগে ভদ্র হোন।
👉 আপনি আগে নৈতিক হন।
👉 আপনি আগে ভালোবাসা আর সম্মান দেখান।
✏️ মনে রাখবেন—
আপনার নৈতিকতাই নির্ধারণ করবে শেষ বয়সে সন্তান আপনাকে সেবা করবে, নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে।
❌ “সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান।” ❤️
15/09/2025
👶 শিশুর প্রতিটি “হ্যাঁ” কি সত্যিই সুখের চিহ্ন?
অনেক মা-বাবা খুশি হন যখন সন্তান সবসময় মাথা নেড়ে “হ্যাঁ” বলে। মনে হয় বাচ্চা খুব ভদ্র, আজ্ঞাবহ, কাউকে কষ্ট দেয় না।
কিন্তু আসল সত্য হলো—যে শিশু কখনো “না” বলে না, সেই শিশুই ভেতরে ভেতরে সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকে।
🔹 এরা নিজের চাওয়াগুলো লুকিয়ে রাখে।
🔹 অনুভূতি চেপে রাখে।
🔹 সবকিছু মেনে নেয়, শুধু মা-বাবাকে খুশি করার জন্য।
এটা সম্মান নয়, এটা ভয়।
এমন শিশু বড় হয়ে ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে পিপল প্লিজার।
💡 কল্পনা করুন—
👉 বন্ধুরা বলে: “চল ক্লাস ফাঁকি দিই।” সে ফিরিয়ে দিতে পারলো না।
👉 অফিসে বস বলে: “তোমাকেই বাড়তি কাজ করতে হবে।” সে না বলতে পারলো না।
👉 সম্পর্কের জায়গায় পার্টনার অন্যায় আবদার করলো, সেখানেও সে প্রতিবাদ করতে পারলো না।
কারণ, শৈশব থেকেই সে শিখেছে—না বললে রাগ হয়, না বললে ভালোবাসা কমে যায়।
---
✅ তাই সন্তানকে যদি আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে চান, তাহলে—
তার “না” শোনার অভ্যাস করুন।
রাগ করলে বা কাঁদলে তাকে থামিয়ে দেবেন না, বরং তার অনুভূতি বুঝুন।
তাকে বোঝান, তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা মূল্যবান।
কারণ, নিরাপদ শিশু-ই স্বাধীনভাবে “না” বলতে শিখে। সে জানে—সবকিছু ভেঙে পড়লেও, তার জন্য একজোড়া বিশ্বস্ত হাত সবসময় প্রস্তুত।
---
🌟 শেষ কথা:
আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আজকের এই সিদ্ধান্তে—
আপনি কি তাকে সবসময় খুশি রাখার পিপল প্লিজার বানাবেন, নাকি দৃঢ়চেতা আত্মবিশ্বাসী জীবনযোদ্ধা বানাবেন?