Kai Sotto

Kai Sotto

Share

Welcome to our Page. This is a Official page of "Chandra Government High School #Official"

31/05/2024

চুম্বক আবিস্কার
আজ থেকে চার হাজার বছর আগে গ্রিসের ম্যাগনেসিয়া নামক স্থানে এক আশ্চর্য পাথরের সন্ধান পেয়ে যায় ম্যাগনেস নামে এক অতি সাধারণ মেষপালক। পাথরটি লাঠির মাথায় লোহার অংশকে শক্ত ভাবে ধরে রেখেছে৷ অবাক হয়ে বালক ম্যাগনেস লক্ষ করল পাথরটির আচরণ। কৌতুহলী বালক মাটি খুড়ে আরও পাথরখন্ড রের করল। ম্যাগনেসিয়ায় পাওয়া গিয়েছিল অথবা ম্যাগনেস পেয়েছিল বলে পাথরটির নাম হলো ম্যাগনেট বা চুম্বক।

ধীরে ধীরে এ পাথর মানুষের কাছে পরিচিত হতে থাকে৷ কৌতুহলী মানুষ খেয়াল করল দন্ডাকার চুম্বক মুক্তভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় সবসময় উত্তর -দক্ষিণ মুখ করে থাকে। মানুষ পেয়ে গেল দিক নির্ণয়ের যন্ত্র বা কম্পাস৷ তাই দন্ড চুম্বকের দুই প্রান্তকে উত্তর - দক্ষিণ মেরু নামকরণ করা হলো।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের চিকিৎসক উইলিয়াম গিলবার্ট প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন যে, পৃথিবী নিজেই একটি চুম্বক। যার উত্তর মেরু ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এবং দক্ষিণ মেরু ভৌগোলিক উত্তর মেরুর কাছাকাছি।

আমরা জানি চৌম্বুকের বিপরীত মেরুদ্বয় পরষ্পরকে আকর্ষণ করে। তাই কোনো চুম্বক নিয়ে আমরা যদি পৃথিবীর উত্তরে যাই তাহলে চুম্বকের উত্তর মেরু ভূ-পৃষ্ঠের দিকে হেলে পড়বে। এবং ভূ-চুম্বকের উত্তরমেরু বিন্দুতে খাড়া হয়ে থাকবে। দক্ষিণ মেরুতে নিলে চুম্বকের দক্ষিণ মেরু আগেরবার উত্তির মেরুর মত আচরণ করবে।

উনবিংশ শতাব্দীর আগে ভাবা হতো তড়িৎ ও চুম্বক ভিন্ন। এরপর ১৮২০ সালের ২১ এপ্রিল ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের এক অধ্যাপক লেকচার দিতে গিয়ে দেখলেন কম্পাসের পাশে রাখা বৈদ্যুতিক বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহিত করলে কম্পাসের কাঁটা সরে যাচ্ছে। তিনি দেখলেন শুধুমাত্র তড়িৎ প্রবাহ থাকলে এমন ঘটে৷ তখন তার মনে হলো তড়িৎ প্রবাহ ও চুম্বকের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে৷ এটিই ছিল চুম্বকত্বের যাত্রায় প্রথম পদক্ষেপ।

(তথ্যসূত্র: ব্যাপন কিশোর সাময়িকী)
#অঙ্গার

31/05/2024

আমি যেন ওদের ভিডিও করি। ওদের খুব ইচ্ছে । তাই ওদের ইচ্ছে পূর্ণ করলাম ।

30/05/2024

আগামী ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে " ওয়ালটন গ্রুপ " শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। রচনা প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ওয়ালটন গ্রুপ এর কর্মকর্তাদের নিকট থেকে গ্রহণ করিলাম ।

Photos from Kai Sotto's post 29/05/2024

স্কুল সময়ের বাইরে / ছুটিকালিন সময়ে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য নকরেক আইটি ইন্সটিটিউট এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর । ২৯/০৫/২০২৪।

Photos from Kai Sotto's post 29/05/2024

SMC উদ্যোগে ছাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক প্রোগ্রাম। ২৯/৫/২০২৪।

28/05/2024

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিষয় ভিত্তিক ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়নের সংশোধিত সময়সূচি ( রুটিন) ।

27/05/2024

ঘূর্ণিঝড় রিমাল এর প্রভাবে বিদ্যালয়ে আজকের অবস্থা । ২৭/০৫/২০২৪।

Photos from Kai Sotto's post 26/05/2024

জাকিয়া সুলতানা ( এসএসসি - ২০২৩) বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল এ চাকরি হয়েছে । মিষ্টি নিয়ে বাবা - মাসহ দোয়া নেওয়ার জন্য এসেছে ।

Photos from Kai Sotto's post 26/05/2024

প্রাক - নির্বাচনী পরীক্ষা - ২০২৪।

Photos from Kai Sotto's post 25/05/2024

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারি হাই স্কুল এর মেধাবী শিক্ষার্থী Md . Rifat Hossen রংপুর কমিউনিটি ডেন্টাল কলেজ এ ২০২৩- ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়ে আজ দোয়া নেওয়ার জন্য এসেছে ।

Photos from Kai Sotto's post 25/05/2024

এসএসসি ( ভোকেশনাল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ ।

24/05/2024

"টিকিট প্লিজ" - বলে টিটি আমার কাছে এসে দাঁড়াতে আমি একটু অবাকই হলাম। বললাম - "এইমাত্র টিকিট দেখালাম যে!" টিটি বলল - "আপনার নয়, আপনার সিটের নিচে আরেকজনকে দেখতে পাচ্ছি যে।"
"বেরিয়ে এসো" - বলতেই দেখি একটা বছর তেরো-চোদ্দর মেয়ে অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করছে। টিকিট তো নেইই। তার উপর শীর্ণ, অভুক্ত, মলিন একটা মুখ। টিটি বলল - "ভাগো ইঁহা সে।"
আমি জিজ্ঞেস করলাম - "কোথায় নামবে তুমি?"
কোন উত্তর নেই, শুধু কান্নাকাটি। বাধ্য হয়ে টিটিকে বললাম - "ওর ভাড়া আমি দিয়ে দিচ্ছি, একদম শেষ স্টেশন ব্যাঙ্গালোর অবধি টিকিট দিন।" টিটি বলল - "কেন ফালতু এতগুলো টাকা নষ্ট করবেন ম্যাডাম?" তবুও কি ভেবে বললাম - "না, আপনি টিকিটই দিয়ে দিন। শুধুই কাঁদছে। শেষ অবধি কাটা থাকুক। মধ্যিখানে কোথাও নেমে যাবে হয়তো।"
আমায় অবাক করে মেয়েটি কোথাওই নামল না। নাম জানলাম চিত্রা। নিজের বাবা মা কেউই নেই দুনিয়ায়। সৎ মা খুব খাটায় এবং মারে। সে তাও সহ্য করে নিয়েছিল, কিন্তু খেতে দিত না যে। খিদের জ্বালায় পালিয়ে এসেছে। শুধু এটুকু ভেবেছে যে, ওই নরকের চেয়ে অন্ততঃ ভালো থাকবে।
ব্যাঙ্গালোরে নামলাম। শুধু একবার পিছন ঘুরেছি, দেখি চিত্রা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। টিকিট কাটার সময় একবারও ভাবিনি এই মেয়েটার দায়িত্ব নিতে হতে পারে। আমার পক্ষে এ গুরু দায়িত্ব নেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব নয়, আমার ট্যুরে যাওয়া আছে দুদিন বাদেই। তবুও বললাম - "এসো আমার গাড়িতে এসো।" ড্রাইভার অবাক হয়ে বারবার দেখছে।
আমার এক বন্ধু আছে রাম। সে মেয়েদের শেলটার দেয় ও আরো সমাজসেবা মূলক কাজ করে। ওর ওখানে চিত্রাকে দিই। আর বলি, আমাদের ইনফোসিস ফাউন্ডেশন ওর সমস্ত দায়িত্ব নেবে। থাকতে চাইলে থাকবে, নয়তো আবার পালাবে মেয়েটা।
ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ মনে পড়তে দেখতে গেলাম। কি হাসিখুশি হয়েছে এখন চিত্রা আর পড়াশোনায় ভারী আগ্রহ। ও স্কুলে আবার ভর্তি হতে চায়। এভাবে চলতে লাগল।
ওকে একদিন গিয়ে বলেও এলাম, তুমি যতদূর পড়তে চাও পড়তে পারো। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।
আমায় অবাক করে বলল, "না আকা (দিদি), আমি তাড়াতাড়ি একটা চাকরি পেতে চাই। তাই কম্পিউটার সায়েন্স এ ডিপ্লোমা করব।"
তারপর প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ একদিন বিদেশ থেকে ইমেল পেলাম চিত্রার। ও বিদেশে চাকরিতে খুব উন্নতি করেছে আর এখন খুব হাসিখুশি সুন্দর জীবন ওর। মেল পড়ে ভগবানকে বললাম, ওর মুখের হাসি যেন এমনিই থাকে।
এবারে সানফ্রান্সিসকোতে একটা লেকচার দিতে গিয়েছি। যখন হোটেল থেকে চেক আউট করব , গিয়ে দেখি রিসেপশনিস্ট বলছে, "ম্যাম, আপনার সমস্ত বিল ফুললি পেড। ওই লেডি নিশ্চয়ই আপনাকে খুব ভালো করে চেনে।"
খুব অবাক হয়ে চারিদিকে দেখলাম, দেখি একজন ভদ্রমহিলা সুন্দর একটা শাড়ি পরা, একটু দূরে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছে। পাশে ফরেনার বর। কি সুন্দর দেখাচ্ছিল ওকে ছোট ছোট চুলে। সেই চিত্রা। এসে আমায় জড়িয়ে ধরল।
"চিত্রা তুমি আমার সমস্ত বিল কেন পে করবে?"
আরো শক্ত করে জড়িয়ে নিয়ে বলল - "কারণ তুমি একদিন আমার সমস্ত বিল পে করেছিলে। আমার সমস্ত জীবনটাই যে ওই পেমেন্টের ওপর দাঁড়িয়ে। সেই বম্বে টু ব্যাঙ্গালোর।"
____________ _______________ ___________
এই ঘটনা ইনফোসিসের কো-ফাউন্ডার সুধা মূর্তি তাঁর ব্লগে লিখেছিলেন। এই ঘটনা থেকেই যেন তাঁকে খানিকটা চেনা যায়। তিনি বিয়ের আগে ছিলেন সুধা কুলকার্নি। সেই সুধা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলেন বাড়ির সবাই বলেছিলেন আমাদের কমিউনিটিতে কিন্তু ছেলে পাওয়া যাবে না। তোমার বিয়ে হবে কি করে? প্রসঙ্গত সুধাদেবীর বাবা ডাক্তার ছিলেন। নামী সার্জেন। কিন্তু তবুও তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংই বেছে নেন।
ক্লাসে 599 টা ছেলে আর একটিই মেয়ে। সে আমলে মেয়েরা তেমন কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ত না যে। সুধা জোর করে ভর্তি হয়েছিলেন। কর্ণাটকের হুবলির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। তিনি সে শহরের প্রথম ছাত্রী। কলেজের প্রিন্সিপাল সুধাকে ডেকে বলেছিলেন, তিনটি শর্ত মানতে হবে।
১) রোজ শাড়ি পরে আসতে হবে ।
২ ) কলেজ ক্যান্টিনে ছেলেদের ভিড়, ওদিকে যাওয়া চলবে না।
৩ ) কোন ছেলের সঙ্গে ক্লাসে কথা বলা যাবে না।
তিনি অক্ষরে অক্ষরে তিনটিই মেনে চলতেন। কিন্তু কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে তিন নম্বর শর্তটি আর মানা সম্ভব হয়নি। কারণ ছেলেরা তাঁর দিকে পূর্ণ দৃষ্টি নিয়ে ফিরল এবং এসে কথা বলল। ওই 600 স্টুডেন্টের মধ্যে ফার্স্ট হয়েছিলেন যে সুধা।
তিনি তারপরে আর কোথাওই দ্বিতীয় হননি। BE তে ফার্স্ট। রেকর্ড নাম্বার। গোল্ড মেডালিস্ট। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেই মেডেল নেন। আরো পড়তে ইচ্ছে হল তাঁর। এবারে ME। সেখানেও গোল্ড মেডেল। সেই মেডেল এবারে দিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সরা।
কিন্তু পাশ করে বেরোনোর পর অদ্ভুত ব্যাপার। তাঁর জন্য কোথাও কোন চাকরির দরজা খুলল না। সমস্ত কোম্পানিই মেল ডমিনেটিং। মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরজা বন্ধ। কি আশ্চর্য! তাই না? খুব বেশিদিন আগেও না। 1970 - 72 এর ঘটনা ।
এইসময় একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে সুধা কুলকার্নির। ইঞ্জিনিয়ার চাই। যোগ্যতা অমুক তমুক। কিন্তু নিচে বড় হরফে লেখা মহিলাদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। টেলকো কোম্পানির বিজ্ঞাপন।
তিনি খুব রেগে টাটা কোম্পানিতে স্বয়ং জে আর ডি টাটাকে একটা চিঠি লিখলেন। এরকম কেন হবে? যোগ্যতাই কি একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না? টাটা কর্তারা নড়েচড়ে বসলেন। ডাক পেলেন স্পেশাল ইন্টারভিউতে। এবং বাকিটা ইতিহাস। তিনিই টাটার টেলকো কোম্পানির প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দিলেন। কাউকে না কাউকে তো অসম লড়াই চালাতে হয়। তার সুফল ভোগ করে পরবর্তী প্রজন্ম।
এরপর ওই টেলকোতেই নারায়ণ মূর্তির সঙ্গে আলাপ। তারপর বিয়ে। সুধা 400 টাকা আর নারায়ণ 400 টাকা দিয়েছিলেন নিজেদের বাড়িতে। সেই টাকাতেই সাদামাটা আড়ম্বরহীন বিবাহ হয়েছিল। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুজনেই এখন প্রতিষ্ঠিত ।
ইনফোসিস খোলার কথা মাথায় আসে নারায়ণের।
নিশ্চিত জীবন ছেড়ে এক অনিশ্চিত সম্ভাবনা। সুধা তখনও চাকরি করতেন এবং নিজের সমস্ত জমা পুঁজি দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরেও খানিক দিন সুধার চাকরির আয়ে চারজনের সংসার চলত। এই হল গোড়ার কথা।
তারপর দেশের নানা প্রান্তে 70000 লাইব্রেরি, 10000 টয়লেট, 2600 গৃহহীনকে গৃহ, দেশের খরা, বন্যা সবেতে নীরবে কাজ করে চলে ইনফোসিস।
তিনি একদিকে শিক্ষিকা, লেখিকা, আবার অত বড় কোম্পানির চেয়ারপার্সন। বহু সম্মান, বহু পুরস্কার পেয়েছেন।
টাটা কোম্পানি ছাড়ার সময়ে JRD TATA তাঁকে অমূল্য উপদেশ দিয়েছিলেন, "সবসময় একটা কথা মনে রাখবে, তোমার সমস্ত টাকা পয়সার তুমি অছিমাত্র (ট্রাস্টি)। টাকার সবসময় হাতবদল হয়। হাতে রেখে লাভ নেই। টাকা বড় ক্ষণস্থায়ী। যদি সাফল্য আসে সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেবে। সেটাই কিন্তু চিরস্থায়ী।
তিনি আজো ভোলেননি। এবং সবাইকে চমকে দিয়ে তিনি বলেন - "বিগত একুশ বছর আমি কোনো শাড়ি কিনিনি। যা পরি সবই পাওয়া, আমি শুধু বই কিনি।"
একবার এমনও হয়েছিল তিনি প্লেনের বিজনেস ক্লাস লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এক ভদ্রলোক তাঁর সাজপোশাক দেখে তাঁকে "Cattle Class" বলেছিলেন! তিনি জানতেন না সুধা মূর্তি ভারতের Richest Person দের মধ্যে অন্যতম। পদ্মশ্রী সুধা মূর্তি বলেন - "Simplicity is the best jewellery I wear."
সংগৃহীত

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chandra, Trimor, Kaliakair
Gazipur
1750