English Learning Home.

English Learning Home. English is an international language so we try to develop English carrer

20/07/2026

What is the opposite Of "Give Up"?

আর কতদিন ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাবেন?🎯 IELTS | Spoken English | English Speaking Courseবিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি, ইমিগ্রেশ...
20/07/2026

আর কতদিন ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাবেন?
🎯 IELTS | Spoken English | English Speaking Course
বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি, ইমিগ্রেশন কিংবা ক্যারিয়ার—সব ক্ষেত্রেই এখন ইংরেজিতে দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
✨ আমাদের কোর্সে থাকছে: ✅ IELTS-এর সম্পূর্ণ প্রস্তুতি (Listening, Reading, Writing & Speaking) ✅ প্রতিদিন Live Speaking Practice ✅ Grammar ও Vocabulary সহজভাবে শেখানো ✅ Mock Test ও Performance Feedback ✅ Interview ও Presentation Skills ✅ Beginner থেকে Advanced—সবার জন্য উপযোগী ক্লাস
💯 আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলতে শিখুন এবং আপনার স্বপ্নের পথে এক ধাপ এগিয়ে যান।
📩 আজই ইনবক্স করুন অথবা কমেন্টে "START" লিখুন। আমরা বিস্তারিত জানিয়ে দেব।
Your Dream, Our Guidance. Let's Speak English with Confidence! 🇬🇧

20/07/2026
20/07/2026

A prudent person always thinks carefully before making decisions because every action has a sequel. They avoid sordid ha...
17/07/2026

A prudent person always thinks carefully before making decisions because every action has a sequel. They avoid sordid habits and try to reclaim every lost opportunity. A truly successful person is never callous to the suffering of others, although they may be ruthless against injustice. When a quorum is present, wise leaders work together to soothe conflicts through respectful discussion. While a utopian society may seem like an impossible dream, people with an indomitable spirit never stop trying to ameliorate the lives of others. Their perspicacious thinking enables them to solve problems effectively and inspire positive change.
✨ Caption for Facebook:
Don't just memorize vocabulary—use it in context! One paragraph a day can transform your English and boost your IELTS, PTE, and spoken English skills. Save this post, practice it aloud, and share it with your friends! 📖💡 # English # English learning

A prudent person always thinks carefully before making decisions because every action has a sequel. They avoid sordid ha...
17/07/2026

A prudent person always thinks carefully before making decisions because every action has a sequel. They avoid sordid habits and try to reclaim every lost opportunity. A truly successful person is never callous to the suffering of others, although they may be ruthless against injustice. When a quorum is present, wise leaders work together to soothe conflicts through respectful discussion. While a utopian society may seem like an impossible dream, people with an indomitable spirit never stop trying to ameliorate the lives of others. Their perspicacious thinking enables them to solve problems effectively and inspire positive change.
✨ Caption for Facebook:
Don't just memorize vocabulary—use it in context! One paragraph a day can transform your English and boost your IELTS, PTE, and spoken English skills. Save this post, practice it aloud, and share it with your friends! 📖💡

13/07/2026

আমাদের স্টুডেন্টদের স্কলারশিপ পাওয়ার কথা তখনই আসে, যখন তারা স্কলারশিপ খুজে পায়। এটা শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যি হলো, অনেক স্টুডেন্ট এখনও জানে না কোন কোন ওয়েবসাইট থেকে স্কলারশিপ খুজে পাওয়া যায়।

যেহেতু আমাদের স্টুডেন্টরা এই ডাটাবেজগুলো সম্পর্কে খুব কম জানে, তাই আজকে তাদের জন্য এমন ৫টি ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানাচ্ছি, যেখান থেকে আপনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্কলারশিপ সম্পর্কে জানতে পারবেন।ওয়েবসাইটগুলোর নাম এখানে থাকবে, আর লিংক কমেন্টে থাকবে।

১। Studyportals Scholarship Search- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি স্কলারশিপ খুজে পাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিষয় এবং ডিগ্রি অনুযায়ী সার্চ করা যায়।

২. WeMakeScholars- ২৫ হাজারেরও বেশি আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের তথ্য রয়েছে। মাস্টার্স, পিএইচডি এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্কলারশিপ খুজে পাওয়া যায়।

৩. DAAD Scholarship Database- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্য DAAD এবং অন্যান্য স্কলারশিপ খোজার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪. Scholars4Dev- সম্পূর্ণ ফান্ডেড এবং আংশিক ফান্ডেড আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংগ্রহশালা। দেশ ও ডিগ্রি অনুযায়ী সহজেই ফিল্টার করা যায়।

৫. Opportunity Desk- স্কলারশিপের পাশাপাশি ফেলোশিপ, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, ইন্টার্নশিপ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সুযোগের নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে।

প্রতিটি ওয়েবসাইটেই আপনি নিজের প্রোফাইলের সাথে মিল আছে এমন স্কলারশিপ খুজে পাবেন। আপনাদের সুবিধার জন্য শুধু একটি ওয়েবসাইট থেকে কীভাবে সার্চ করতে হয়, সেটি দেখিয়ে দিচ্ছি। উদাহরণ হিসেবে Opportunity Desk ব্যবহার করছি।

Opportunity Desk থেকে স্কলারশিপ খোজা খুবই সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার জন্য উপযুক্ত স্কলারশিপ খুজে পাবেন।

১. প্রথমে কমেন্টে দেওয়া লিংক থেকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. হোমপেজের উপরে থাকা Search আইকনে ক্লিক করুন।
৩. সার্চ বক্সে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কীওয়ার্ড লিখুন। যেমন: Australia Scholarship / Japan Scholarship / Fully Funded Scholarship / Master's Scholarship / PhD Scholarship / Erasmus Mundus
৪. এরপর Enter চাপুন। আপনার কীওয়ার্ড অনুযায়ী সব স্কলারশিপের তালিকা চলে আসবে।

৫. প্রতিটি পোস্টে ক্লিক করে নিচের বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়ুন।
Eligibility মানে কারা আবেদন করতে পারবে, Benefits অর্থাৎ কি কি সুবিধা দেবে, Required Documents, Deadline, Official Application Link

৬. সবশেষে পোস্টের নিচে থাকা Official Website অথবা Apply Now লিংকে ক্লিক করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করুন।

মনে রাখবেন Opportunity Desk বা এখানে অন্য যে ওয়েবসাইটগুলোর নাম দিয়েছি তারা নিজে কোন আবেদন গ্রহণ করে না। এটি শুধু বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সুযোগ এক জায়গায় প্রকাশ করে।

সবচেয়ে কার্যকর সার্চ কীওয়ার্ড:

• Fully Funded Scholarship 2027
• Australia Awards Scholarship
• MEXT Scholarship
• Chevening Scholarship
• Erasmus Mundus
• Study in UK Scholarship
• Study in Australia Scholarship

আমার একটি পরামর্শ হলো, শুধু দেশের নাম লিখে সার্চ না করে "Fully Funded + Country + Degree" এই ফরম্যাটে সার্চ করুন। যেমন, "Fully Funded Japan Master's Scholarship" অথবা "Australia PhD Scholarship"। এতে অনেক বেশি নির্ভুল ফলাফল পাবেন।

চেষ্টা করে যান, দেবার মালিক আল্লাহ।

বিল্লাল হোসাইন
পিএইচডি ক্যান্ডিডেট
টোকিও, জাপান

13/07/2026

কানাডার ভিসা এপ্লিকেশন

আমেরিকার ভিসা এপ্রুভের পর পর আমি আর আমার ওয়াইফ কানাডার ভিসা এপ্লিকেশন করে ফেলি। কানাডা পাসপোর্ট এর মেয়াদ পর্যন্ত ভিসা ইস্যু করে বলে এপ্লাই করেছি। কখন যাব তার ঠিক নাই। এর মধ্যে আবার শুনেছিলাম দুইজন একসাথে এপ্লাই করলে যার পাসপোর্ট এ মেয়াদ কম তার অনুযায়ী দুজন কে ভিসা দেয়। আমার রিনিউ করা পাসপোর্ট ১০ বছর মেয়াদ ছিল আর আমার ওয়াইফ এর পুরাতন পাসপোর্ট ২ বছর মেয়াদ ছিল। এখন রিনিউ করবো কিনা এক দ্বিধায় ছিলাম কারণ পুরাতন পাসপোর্ট এ US ভিসা এখন নতুন পাসপোর্ট দিয়ে এপ্লাই করলে সেটা CAN+ ক্যাটাগরি তে না পড়লে ভিসা প্রসেস এ অনেক সময় লাগবে। তারপরেও রিস্ক নিয়ে বউয়ের পাসর্পোট ১০ বছরের জন্য রিনিও করে অ্যাপ্লাই করে দেই। ১ মার্চ বায়োমেট্রিক দেবার পরে ২১ মার্চ ভিসা এপ্রুভ হয়, ২২ মার্চ পাসপোর্ট জমা দিয়ে ৩০ মার্চ পাসর্পোট কালেক্ট করলাম, দুজন কে ভিসা যার যার পাসপোর্ট এর মেয়াদ অনুসারে ভিসা দিয়েছে। এপ্লিকেশন করার সময় ও মনে হয়েছিল কানাডার ভিসা আলাদা আলাদা ভাবে প্রসেস হয়। আমরা গ্রুপ অ্যাপ্লাই করেছিলাম তারপরেও দুজনের এপ্লিকেশন আপডেট একটু আগে পরে হয়েছে। তাই যারা গ্রুপ অ্যাপ্লাই করবেন তাদের জন্য সাজেশন হল ডকুমেন্ট দুজনের ক্ষেত্রে সেম আপলোড করা স্পেশালি ফান্ড ডিটেইলস। আমরা অনেক সময় মনে করি দুইজন একসাথে আবেদন করছি তাই একটা ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট জমা দিলেই হবে। এমন করলে পরে সমস্যা হতে পরে।

আমার এই পর্যন্ত এপ্লাই করা সবচেয়ে ভেজাল এপ্লিকেশন প্রসেস আমি বলবো। ইউএসএ বা ইউকের মতই অনলাইন এ এপ্লিকেশন সাবমিট করতে হয়। ইউকের সাথে বেশ মিল আছে তবে স্ট্রেইট প্রশ্ন না করে অনেক ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে প্রশ্ন করে। যেমন একটা এক্সাম্পল দেই। প্রথমে প্রশ্ন করে আপনার সিটিজেনশিপ কি, এরপর কয়েক স্টেপ পরে জিজ্ঞেস করে জন্ম কোথায় তারপর আবার জিজ্ঞেস করে যেখানে জন্ম সেখানের সিটিজেনশিপ কতদিনের। এই প্রশ্ন টা হয়ত কিছু মানুষের জন্য ঠিক আছে কিন্তু সবার ক্ষেত্রে না আর আমি যাব ঘুরতে সেখানে এত কমপ্লেক্স প্রশ্নের দরকার ই দেখি না। এরপর আসে ট্র্যাভেল হিস্টোরি এড করা, আমার সবগুলো ট্র্যাভেল হিস্টোরি এড করতে ২ দিন সময় লেগেছে। সব ফিল আপ করে নেক্সট স্টেপে যাব দেখি এরর, যা সাবমিট করলাম আধাঘণ্টা ধরে সব জলে।

আর সবচেয়ে কঠিন কাজ হল ২ মেগাবাইটের মধ্যে সব ডকুমেন্ট দেয়া। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দিতেই তো এর থেকে বেশি জায়গ

06/07/2026

**জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড: কাজ ও বসবাসের নতুন সুযোগ**

জার্মানি, যা তার শক্তিশালী অর্থনীতি, উদ্ভাবনী শিল্প এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, আন্তর্জাতিক দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে **অপরচুনিটি কার্ড**-এর মাধ্যমে। এই ভিসা স্কিমটি বিশেষভাবে দক্ষ কর্মীদের আকৃষ্ট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে বসবাস ও কাজ করার জন্য একটি সহজ পথ প্রদান করে। আপনি যদি জার্মানিতে বসবাসের স্বপ্ন দেখে থাকেন, তবে এটি আপনার জন্য সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ হতে পারে!

অপরচুনিটি কার্ড কী?

**অপরচুনিটি কার্ড** জার্মানির শ্রম বাজারে দক্ষ কর্মীর অভাব মেটানোর একটি উদ্যোগ। এই কার্ডের মাধ্যমে পেশাজীবী ও দক্ষ কর্মীরা চাকরি ছাড়াই জার্মানিতে আসার আইনি সুযোগ পান এবং সেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চাকরি খুঁজতে পারেন। এটি মূলত একটি **চাকরি-প্রার্থী ভিসা**, তবে এর মধ্যে আরও অনেক সুবিধা রয়েছে।

এই কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য হলো **পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেম**, যেখানে আবেদনকারীদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর মূল্যায়ন করা হয়, যেমন দক্ষতা, যোগ্যতা, ভাষা দক্ষতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা। অপরচুনিটি কার্ড কেবলমাত্র চাকরি খোঁজার সুবিধাই দেয় না, বরং এটি জার্মান সমাজে মসৃণভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে সাহায্য করে।

অপরচুনিটি কার্ডের প্রধান সুবিধাগুলো

1. **চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে ফ্লেক্সিবিলিটি**:
অপরচুনিটি কার্ডের মাধ্যমে আপনাকে জার্মানিতে আসার আগে চাকরি খুঁজতে হবে না। এটি পেশাজীবীদেরকে দেশে এসে নিজের পছন্দের চাকরি অনুসন্ধানের স্বাধীনতা প্রদান করে।

2. **পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেম**:
আবেদনকারীদের কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়, যেমন:
- **পেশাগত অভিজ্ঞতা** এবং সংশ্লিষ্ট দক্ষতা।
- **ভাষাগত দক্ষতা** (জার্মান এবং/অথবা ইংরেজি)।
- **বয়স**: সাধারণত কম বয়সী আবেদনকারীদের বেশি পয়েন্ট দেওয়া হয়।
- **শিক্ষাগত যোগ্যতা** এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক মানদণ্ড।

কারা যোগ্য?

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ডের জন্য যোগ্যতা নির্ভর করে কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ডের উপর। পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেমটি দক্ষ এবং উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়। সাধারণত, উচ্চ শিক্ষাগত ডিগ্রি বা পেশাগত প্রশিক্ষণসম্পন্ন, এবং কমপক্ষে ৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিরা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

29/06/2026

🌍 আমার ইরাসমাস মুন্ডুস যাত্রা – পর্ব ১:

নিম্ন GPA, নেই IELTS, নেই GRE – তবুও আমি বিশ্বাস হারাইনি!
(আমি যখন আমার স্নাতকের ৪র্থ বর্ষ, ২য় সেমিস্টারে পড়ছি, তখনই ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ পেয়ে যাই — তখনো আমি গ্র্যাজুয়েট হইনি।)

আমি আমার লক্ষ্যের দিকে কাজ শুরু করি স্নাতকের ২য় বর্ষ থেকে, কারণ আমি জানতাম আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ পেতে হলে সময়, পরিকল্পনা ও ধারাবাহিকতা দরকার।

আমার ৩য় সেমিস্টারে আমার CGPA ছিল মাত্র ১.৯৭, এবং আমি অ্যাকাডেমিক প্রবেশনে চলে যাই। East West University -তে, যদি কেউ দুইবারের বেশি প্রবেশনে যায়, তাহলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঝুঁকি থাকে।

সেই সময়টা খুব ভয়ের ছিল।
অনেক বন্ধু এবং সিনিয়র তখন বলেছিল:
“এই GPA নিয়ে স্কলারশিপের কথা ভুলে যাও।”
“পাশ করাটাই এখন মূল টার্গেট হওয়া উচিত।”

কিছু শিক্ষকও সতর্ক করেছিল। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি।

আমি শেখার ওপর মনোযোগ দিই এবং ধীরে ধীরে CGPA বাড়িয়ে ২.৫, পরে ২.৫৭ পর্যন্ত নিয়ে আসি। পারফেক্ট না হলেও, এটা ছিল উন্নতি। তখন থেকেই আমি একটি সিদ্ধান্ত নিই:

"আমি গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সুযোগের জন্য এগিয়ে যাবো।"

📩 কোল্ড ইমেইল এবং প্রাথমিক প্রচেষ্টা

সেই সময় থেকে আমি বিভিন্ন দেশের প্রফেসরদের ইমেইল করা শুরু করি — জাপান, ইউরোপ সহ অনেক দেশে — এই বলে:

“আমি কি আপনার ল্যাবে ইন্টার্নশিপ করতে পারি বা ভবিষ্যতে মাস্টার্স করতে পারি?”

এইভাবে আমি ২০০’র বেশি প্রফেসরকে ইমেইল করি, এবং অনেকের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এতে আমার আত্মবিশ্বাস, রিসার্চ কানেকশন এবং ভবিষ্যতের ভিশন তৈরি হয়।

৩য় বর্ষে আমি আবেদন করি:

MEXT (University-Recommended) – জাপানের প্রফেসরদের সুপারভিশনে

Erasmus Mundus – ইউরোপের ৩টি ভিন্ন প্রোগ্রামে

জাপানে ৩ জন প্রফেসর আমাকে MEXT-এর অধীনে নিতে রাজি ছিলেন। একজন আমাকে Hiroshima University-এর মাধ্যমে আবেদন করতেও বলেন। আমি আশাবাদী ছিলাম, কিন্তু MEXT পাইনি।

এটা হতাশাজনক ছিল।

কিন্তু আমি একটি ব্যাকআপ প্ল্যান করেই রেখেছিলাম — এবং সেই বছরেই আমি Erasmus Mundus এ নির্বাচিত হই, যেটাকে আমি এখন আশীর্বাদ বলে মনে করি।

🧠 ধাপে ধাপে প্রোফাইল তৈরি

একটি সত্য কথা — তখন আমার ছিল:

নিম্ন GPA (2.57)

IELTS না থাকা (আমি MOI – Medium of Instruction ব্যবহার করেছি)

GRE ছিল না
কোনো প্রকাশিত গবেষণাপত্র ছিল না

তখন আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করি:
"তাহলে আমি কীভাবে আমার CV কে শক্তিশালী করবো?"

তখনই আমি নিজ উদ্যোগে গবেষণার কাজ শুরু করি — আইডিয়া তৈরি, পেপার পড়া, এবং কিছু লেখার চেষ্টা। একা একা এটা কঠিন ছিল, কিন্তু এতে ডিসিপ্লিন এবং ইনিশিয়েটিভ শেখা হয়।

একই সাথে আমি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থাগুলোর (ACS, BPS, RSC) সদস্য হই। অনেককে ইমেইল করে বিনামূল্যে সদস্যপদ পাই। এতে আমি পাবলিকেশন, ওয়েবিনার, সেমিনার – সবকিছুতে অংশ নিতে পারতাম। এতে আমি বড় গবেষকরা কিভাবে চিন্তা করেন, সেটা বুঝতে পারি।

আমি AI, প্রোগ্রামিং সহ নানা বিষয়ে অনলাইন কোর্সও করি — আমার স্কিলসেট বাড়ানোর জন্য।

আমি BioPC – A Bioinformatics Lab of Research and Training-এ যুক্ত হই এবং ট্রেনিং কোর্স করি। কোর্স শেষ করে সেখানে আমি Research Assistant হিসেবে কাজ চালিয়ে যাই।

পরে আমি ABCD Laboratory, Bangladesh-এ ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি। কোর্স শেষ করে আমি সেখানে Junior Research Collaborator হিসেবে যুক্ত হই। আমি কৃতজ্ঞ মোঃ জুুনাইদ ভাইয়ের প্রতি, যিনি ABCD Lab-এর প্রধান। তাঁর সহায়তা ছাড়া এই পথচলা পূর্ণ হতো না — তিনি আমার একজন বড় মেন্টর।

এই অভিজ্ঞতাগুলো আমার প্রোফাইলে বড় ভূমিকা রেখেছে।

🔁 হাল ছেড়ো না — শুধু পথ খুঁজে বের করো

আমি শুধু এটুকু বলতে চাই: আশা হারিও না।
অন্যদের কথার ওপর পুরোপুরি নির্ভর করো না।
অনেক সিনিয়র বলেছিল, ২.৫ GPA দিয়ে মাস্টার্সই পাওয়া যাবে না — স্কলারশিপ তো স্বপ্ন!

কিন্তু আমি ফুল ফান্ডেড Erasmus Mundus স্কলারশিপ পেয়েছি।

এটা কোনো ম্যাজিক নয়।
এটা ছিল ২–৩ বছরের কঠিন পরিশ্রম।
আমি ঈদের দিন, ঈদের নামাজের পর, গভীর রাতে — ইমেইল পাঠাতাম, তথ্য পড়তাম, নিজেকে তৈরি করতাম।

এটা কোনো ১–২ দিনের শর্টকাট নয়। এটা একটা প্রক্রিয়া।

সবশেষে আমি আমার চাচা, ড. দেলোয়ার হোসেন-এর কথা বলতে চাই।
তিনি শুধু একজন মেন্টর নন — শৈশব থেকে আমার অনুপ্রেরণার উৎস।
তখন তিনি জাপানে PhD করছিলেন, তবুও আমাকে সাহায্য করতে কখনো পিছপা হননি।
“ধন্যবাদ” বলাটা যথেষ্ট নয় — তিনি যা করেছেন, তার জন্য শব্দই নেই।

লেখা : Md.Saad Hossain

Address

Gazipur

Telephone

+8801796021448

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when English Learning Home. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category