02/12/2023
Didar's Chemistry View
৯০০ শত বহুনির্বাচনি প্রশ্নের বাখ্যা ?
02/12/2023
22/07/2023
যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করতে গিয়ে ঢাবি শিক্ষক অনিকের ভাগ্যে কী ঘটেছে?
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে এসেছিলেন। পিএইচডি চলাকালীন সময়ে ২০২১ সালে অক্টোবরে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে সেই সময় পত্র-পত্রিকায় বলা হচ্ছিল পড়াশুনায় হতাশাগ্রস্ত ছিলেন।
ওই ঘটনার ঠিক দুই বছর পর এবার অনিক পাল নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এক সহকারি অধ্যাপক যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা প্রদেশে পার্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে এসে গত ৩ জুলাই মধ্যরাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের দাবি মেধাবী এই শিক্ষার্থী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহনন করেছে। তবে তাঁরা অনিকের লাশ কিংবা কোন চিহেৃর হদিস পাননি।
দারিদ্র্য জয় করে এগিয়ে যাওয়া অনিক পাল তুখোড় মেধাবী ছিলেন। দুই বোন আর মাকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমিস্ট্রিতে পড়াশুনা শেষ করে ২০১৬ সেই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে করে ছেলেটি। কোভিডের মধ্যেই ২০২১ সালের আগস্টে পার্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পান তিনি।
ঢাকায় বেড়ে উঠা অনিক নিখোঁজ হওয়ার মাত্র ২৫ দিন আগেও তিনি বাংলাদেশ থেকে পার্দুতে ফিরেছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ছেলেটির জীবনে কি এমন ঘটনা ঘটল যে কিছু না বলে উধাও হল?
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় পত্রিকা 'দ্যা ইক্সোপনেন্ট' খবরে পুলিশ বলছে, অনিক পাল স্থানীয় জন টি মেয়ারস ব্রিজ থেকে ওয়াব্যাস নদীতে রাত আড়াইটার দিকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে। পরেরদিন সকাল সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত নদীতে খোঁজাখুঁজির পর কোন হদিস মেলেনি।
সর্বশেষ গত ১১ জুলাই পুলিশের কর্মকর্তা ব্রায়ান লও স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, তাঁরা আর অনিকের অনুসন্ধান করবেন না। অনিকের পরিবারের দাবি, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হচ্ছে না। নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর তাঁরা অনিকের সন্ধান চেয়ে পার্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা চাইলেও সন্তোষজনক কোন তথ্য তাঁরা পাচ্ছেন না। স্থানীয় পুলিশ অনিকের সন্ধান না দিয়ে তদন্ত শেষ করেছে।
বিষয়টি নিয়ে গত পনের দিনেও বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যমে এই বিষয়ে কোন খবরও হয়নি। রহস্যময় এই ঘটনা পরিচিতজনদের কাছ থেকে শোনার পর আমার সাথে কথা হয়েছিল অনিকের বড় বোনের সাথে। ঢাকার বেসরকারি এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন তিনি। একমাত্র ভাইয়ের খোঁজ না পেয়ে অনেকটায় পাগল প্রায়।
অনিকের বড় বোন বলছেন, বিষয়টি সত্যি রহস্যজনক। অনেক খোঁজাখুঁজির পর অনিকের যখন সন্ধান মিলছে না, তখন তাঁর বন্ধুরা ওইদিন রাত সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশকে ফোন দিয়ে অনিকের মিসিং হওয়ার বিষয়টি জানান। পুলিশ তাঁর অবস্থান জানার চেষ্টা করলে নিশ্চয় রাত আড়াইটার দিকে অনিক নদীতে ঝাঁপ দিত না?
অনিক আত্মহত্যা করতে যাবেন কেন সেটাই তিনি বুঝতে পারছেন না তাঁর বড় বোন। যদিও তাঁর রুমমেট তাঁকে বলছে, সে (অনিক) কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে ভাল ছিল না, ব্যক্তিগত বিষয়ে কিছুটা হতাশাগ্রস্থ ছিলেন। তবে অনিক যে বাংলাদেশে তাঁর পরিবারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করত, সেই সময় কখনোই তাঁর হতাশার বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে উপলব্ধি করা সম্ভব হয়নি।
অনিকের বোনের ভাষ্য, বিষয়টি জানার পর আমরা তিনদিন পর যখন অনিকের ল্যাবের সুপারভাইজরের সাথে যোগাযোগ করি, তখন তিনি আমাকে বলেছেন, অনিকের নিখোঁজের বিষয়টি তিনি অবগত নন। কিন্তু তিনি কেন তিনি জানবেন না, যে তাঁর এক ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে? যেখানে নিখোঁজের পর পুলিশ সার্চ করা শুরু করেছেন, সেখানে অনিকের অধ্যাপককে তাঁরা কি অবহিত করেননি? নাকি তিনি কোন কিছু চেপে যাচ্ছেন?
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করলে, তাঁরা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বলে। হাজার হাজার মাইল দূর থেকে পুলিশের সাথে আমরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাঁরা অনিকের সন্ধান দিতে পারেনি। কিন্তু কেন এমন হবে? ওই নদীতে যে অনিকই ঝাঁপ দিয়েছে, তা পুলিশ কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছে? ওরা তো আমাদের কাছ থেকে অনিকের কোন ছবিই নেননি। এমনকি অনিককে যে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাঁর চিত্র আমাদের সাথে শেয়ার করা হয়নি। অনিক যদি আত্মহত্যাও করে, তাহলে তাঁর লাশটির সন্ধান আমাদের দিন?
অনিকের বোনের এইসব প্রশ্নের উত্তর জানা সত্যি জরুরি। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে এসে, একজন মেধাবী তরুণ নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে, আর যুক্তরাষ্ট্রের মত একটি দেশে তাঁর সন্ধানই মিলবে না, তা কি করে হয়?
অনিকের সন্ধানে সহযোগিতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসকে লিখিতভাবে জানানোর পরও দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে অনিকের পরিবারের অভিযোগ করছেন। সবাই রহস্যজনকভাবে বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখছেন। অনিকের পরিবারের সদস্যরা জরুরি ভিত্তিতে আমেরিকায় আসবেন, সেই ভিসা পাওয়া নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁদের এক সদস্যের এমন করুণ পরিস্থিতিতে কেন চুপ করে আছে তা স্পষ্ট নয়। আত্মহত্যা না নিখোঁজ সেই জট যখন কেউ খুলতে পারছে না, তখন অনিকের অসুস্থ মায়ের মানসিক পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।
কিন্তু কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না? কেন তাঁরা সরকারকে বিষয়টি অবহিত করতে অপারগতা দেখাচ্ছেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি যে শিক্ষকদের দাবি অধিকার নিয়ে কাজ করে, তাঁরা কেন তাঁদের সহকর্মীর দুর্দিনে সোচ্চার হতে পারছে না? আমাদের সরকারের কি কিছুই দায়বদ্ধতা নাই? জলজ্যান্ত একটি ছেলে আমেরিকা থেকে হাওয়া হয়ে যায় কি করে, সেই প্রশ্ন করবার ক্ষমতা কি আমাদের প্রশাসনের থাকবে না? যে দেশে একটি কুকুর হারালে পুলিশ খুঁজে দেয়, সেখানে একজন মানুষ কীভাবে প্রযুক্তির ব্যবহারে সেরা একটি দেশের পুলিশ ব্যর্থ হোন?
অনিকের হতাশার কারণ ব্যক্তিকেন্দ্রিক না ল্যাব কেন্দ্রিক তা এখনো সুস্পষ্ট নয়। যদিও পিএইচডি করতে এসে বিশ্বের শতকরা ৩৬ ভাগ শিক্ষার্থী মানসিক রোগে ভোগেন। পিএইচডি চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেকেই আত্মহননের পথ বেছে নেন, তবে অনিকের মত একজন পড়ুয়া ছেলের ল্যাবের পরিবেশ সত্যিই টক্সিক ছিল কি না তা আমরা সত্যি জানি না। তবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে, এইভাবে মেধাবীদের ঝরে পড়তে দেখব তা মেনে নিতে আমাদের কষ্ট হয়। যে ছেলেটি টিউশনির টাকা দিয়ে নিজের পড়াশুনা ও পরিবারের খরচ চালিয়েছে, সেই ছেলেটি কীভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে আত্মহননে পথ পা বাড়াবে?
পিএইচডি যাঁরা করেছেন, তাঁরা জানেন জীবনের এই স্টেজটি কতটা বন্ধুর হয়। অ্যাকাডেমিক জীবনের এই ডিগ্রি অর্জনের জন্য নিজেকে যতটা মেধাবী হতে হয়, তাঁর চেয়ে বেশি থাকতে হয় ধৈর্য। হতাশার সাগরে আপনি হাবুডুবু খাবেন সত্য, তবে তাকে জয় করার ক্ষমতা আপনার হাতে থাকতে হবে। অনিকরা পিএইচডি করতে এসে ব্যক্তিগত কিংবা গবেষণার পরিবেশ নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হবেন, তাই বলে আত্মহনেনর পথে পা দেবে তা মেনে নেয়া খুবই কষ্টকর।
আমরা জানি না, অনিকের ভাগ্যে কি পরিণতি ঘটেছে। সে কি আদৌও আত্মহত্যা করেছে নাকি এর পিছনে অন্যকোনো ঘটনা আছে তা স্পষ্ট নয়। এমনকি অনিকের যুক্তরাষ্ট্রের সুপারভাইজর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। পিএইচডি করতে এসে, আমরা আর কোন মায়ের বুক খালি হতে দেখতে চাই না। সরকারের উচিত হবে, কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি তদারকি করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তরুণ মেধাবী শিক্ষকের আমরা দৃশ্যমান সন্ধান চাই, হোক সেটা জীবিত কিংবা মৃত।
এইচ .এস.সি ২০২৪ পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে
সংকরনের উপর অসাধারণ লেকচার
13/04/2023
বিজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ণয়//odd electron// রাসায়নিক বন্ধন//Chemical bond বিজোড় ইলেকট্রন নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ টেকনিক।কিভাবে বিজোড় ইলেকট্রন বের করবে
বিজোড় ইলেকট্রন বের করার অসাধারণ লেকচার
রাসায়নিক বন্ধন: অধ্যায় ৩
পাঁচটি বোর্ড প্রশ্ন সমাধান
06/04/2023
যারা মনে করছেন জীবনটা শেষ হয়ে গেছে তাদের জন্য
ভাঙ্গা পা নিয়ে যেভাবে তিনটি স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন উইলমার রুডলফ উইলমার রুডলফ একজন আমেরিকান নাগরিক। যিনি 14 বছর বয়সে পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি হারান হতে হয় ডাক্তারে তার পায়ে বেসলে....
যারা মনে করছেন জীবনটা শেষ হয়ে গেছে তাদের জন্য
জীবনে ভেঙে পড়ো না
31/03/2023
দুঃখ কাকে বলে এর প্রায় সবই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পেয়েছিলেন এক জীবনে। স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিলো তিন মেয়ে, দুই ছেলে। রথীন্দ্রনাথ, শমীন্দ্রনাথ আর বেলা, রাণী ও অতশী।
স্ত্রী'র পর অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন রাণী। এরপর কলেরায় মারা গেলো ছোট ছেলে শমী। পুত্রশোকে কবি লেখলেন-
"আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।"
কবি'র মনে হলো এই জোৎস্নায় কবি বনে গেলে হবে না। বরং তাঁকে জেগে থাকতে হবে, যদি বাবার কথা মনে পড়ে শমী'র! যদি এসে কবিকে না পায়? তিনি লেখলেন-
"আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে
যদি আমায় পড়ে তাহার মনে।'
রাণীর জামাইকে পাঠিয়েছিলেন কবি বিলেতে ডাক্তারী পড়তে, না পড়েই ফেরত আসলো। বড় মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে, ব্যারিস্টারী পড়তে, না পড়েই ফেরেত আসলো। ছোট মেয়ে অতশীর জামাইকেও আমেরিকায় কৃষিবিদ্যার উপর পড়াশোনা করতে। লোভী এই লোক কবিকে বার বার টাকা চেয়ে চিঠি দিতো। কবি লেখলেন-
"জমিদারী থেকে যে টাকা পাই, সবটাই তোমাকে পাঠাই।"
দেশে ফেরার কিছুদিন পর ছোট মেয়েটাও মারা গেলো।
সবচাইতে কষ্টের মৃত্যু হয় বড় মেয়ের। বড় জামাই বিলেত থেকে ফেরার পর ছোট জামাইর সাথে ঝগড়া লেগে কবির বাড়ী ছেড়ে চলে যায়। মেয়ে বেলা হয়ে পড়েন অসুস্থ। অসুস্থ এই মেয়েকে দেখতে কবিগুরু প্রতিদিন গাড়ী করে মেয়ের বাড়ী যেতেন। কবিকে যত রকম অপমান করার এই জামাই করতেন। কবির সামনে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খেতেন। তবু কবি প্রতিদিনই যেতেন মেয়েকে দেখতে। একদিন কবি যাচ্ছেন, মাঝপথেই শুনলেন বেলা মারা গেছে। কবি শেষ দেখা দেখতে আর গেলেন না। মাঝপথ থেকেই ফেরত চলে আসলেন। হৈমন্তীর গল্প যেন কবির মেয়েরই গল্প!
শোক কতটা গভীর হলে কবির কলম দিয়ে বের হলো -
"আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥"
কবির মৃত্যু হলো অতিমাত্রায় কষ্ট সহ্য করে, প্রশ্রাবের প্রদাহে। কী কারনে যেন কবির বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শেষ বিদায়টাও পাননি। দূর সম্পর্কের এক নাতনি ছিলো কবির শেষ বিদায়ের ক্ষণে।
কবি জমিদার ছিলেন এইসব গল্প সবাই জানে। কবি'র দুঃখের এই জীবনের কথা ক'জন জানেন?
প্রথম যৌবনে যে গান লেখলেন, এইটাই যেন কবির শেষ জীবনে সত্যি হয়ে গেলো-
"আমিই শুধু রইনু বাকি।
যা ছিল তা গেল চলে, রইল যা তা কেবল ফাঁকি॥"
[Collected]
26/03/2023
সেই শাড়িটা -
১৯৭১ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ। ঠাকুরগাঁওয়ে
শাহানা বেগমের সঙ্গে আবদুর রশিদের বিয়ে হয়ে যায়। যুদ্ধ শুরু হবার পূর্ব মুহূর্ত - তাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় আড়ম্বর ছিল না। নববধূকে কিছু দিতে পারেননি বলে আবদুর রশিদের মনে একটা চাপা কষ্ট ছিল।
ঠাকুরগাঁওয়ে পাক বাহিনী এলে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে সপরিবার ভারতে চলে যান তিনি। আশ্রয়শিবিরে পরিবারের সদস্যদের রেখে মে মাসের মাঝামাঝি মু ক্তিযু দ্ধে অংশ নেন আবদুর রশিদ। যুদ্ধের ভেতরই স্ত্রীর জন্য একটা শাড়ি কেনেন। সেই শাড়ি নিয়েই সম্মুখ যু দ্ধে অংশ নিয়েছেন এই বীর যোদ্ধা। আগস্টের শেষ সপ্তাহে সম্মুখসমরে শহীদ হন আবদুর রশিদ। শাড়িটা আর স্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারেননি। স্বাধীনতার পর শাহানা বেগমের হাতে শাড়িটা পৌঁছে দেন আবদুর রশিদের এক সহযো দ্ধা।
জীবনের অনেক টানাপোড়েনের মধ্যেও শাড়িটা আগলে রেখেছিলেন শাহানা বেগম।
সেই শাড়ি জাদুঘরের কাছে হস্তান্তর করেছেন তিনি।
তথ্য ও ছবি
প্রথম আলো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Lecturer, Chemistry , Gazipur Residential Model School & College
Gazipur
1701