Blue-Tech

Blue-Tech Help people to shine they are.

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান...
05/06/2023

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"

আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -
আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে চলছে স্কলারশিপে এডমিশন নেওয়ার সুযোগ।
যেখানে ৩টি মোস্ট ডিমান্ডিং কোর্স একসাথে করতে পারবেন মাত্র ১২৫০ টাকায়।

কোর্সগুলো হলো:
1. ফ্রিল্যান্স উইথ ডিজিটাল মার্কেটিং।
2. ফ্রিল্যান্স উইথ গ্রাফিক ডিজাইন।
3. ফ্রিল্যান্স উইথ লিড জেনারেশন।

কোর্সের সময়কাল: ৩মাস।
ক্লাস সংখ্যা: ৪৫ টি।
ক্লাসের সময়: রাত ৯টা থেকে ১০:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

এডমিশন নেওয়ার লাস্ট ডেট: ৬ই জুন, ২০২৩
ক্লাস শুরু: ৭ই জুন, ২০২৩

আসন সংখ্যা সীমিত, তাই আর দেড়ি না করে আজ ই আপনার এডমিশন কনফার্ম করুন এবং নিজের স্কিল ডেভেলপ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুন।।

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান...
30/05/2023

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"

আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -
আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে চলছে স্কলারশিপে এডমিশন নেওয়ার সুযোগ।

যেখানে ৩টি মোস্ট ডিমান্ডিং কোর্স একসাথে করতে পারবেন মাত্র ১২৫০ টাকায়। কোর্সগুলো হলো:

1. ফ্রিল্যান্স উইথ ডিজিটাল মার্কেটিং।
2. ফ্রিল্যান্স উইথ গ্রাফিক ডিজাইন।
3. ফ্রিল্যান্স উইথ লিড জেনারেশন।

কোর্সের সময়কাল: ৩মাস।
ক্লাস সংখ্যা: ৪৫ টি।
ক্লাসের সময়: রাত ৯টা থেকে ১০:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

এডমিশন নেওয়ার লাস্ট ডেট: ৫ই জুন, ২০২৩
ক্লাস শুরু: ৭ই জুন, ২০২৩

আসন সংখ্যা সীমিত, তাই আর দেড়ি না করে আজ ই আপনার এডমিশন কনফার্ম করুন এবং নিজের স্কিল ডেভেলপ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুন।।

B2B লিড জেনারেশন কি?বিজনেস টু বিজনেস (B2B) লিড জেনারেশন হচ্ছে আপনার নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের জন্য আইডিয়াল কাস্টমার খুঁজে ব...
28/05/2023

B2B লিড জেনারেশন কি?

বিজনেস টু বিজনেস (B2B) লিড জেনারেশন হচ্ছে আপনার নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের জন্য আইডিয়াল কাস্টমার খুঁজে বের করা, তাদের আকৃষ্ট করা এবং তাদের নিকট সেল করার আগ্রহ সৃষ্টি করা।

যেহেতু লিংকেডইনে রয়েছে বিশাল তথ্য ভান্ডার এবং ৬১ মিলিয়ন সিনিয়র লেভেল ইনফ্লুয়েন্সার ( যাদের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন লোক ডিসিশন নেওয়ার মত ক্ষমতার আসনে রয়েছে ), তাই এখানে মার্কেটিং করে খুব শিগ্রই কর্যকর ফলাফল পাওয়া যায়। কারণ এই প্লাটফর্মটি অন্যন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত নয়। এখানে প্রয়োজনীয় লোকদের খুব সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় ডাটা গুলো খুব সহজে খুঁজে বের করা যায়।

কারণ এখানে একটা কোম্পানির সিইও থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট, ক্লার্ক এবং ইন্টার্ন করা লোকের অবধি খোজ খবর পাওয়া যায়। বিশেষ করে, যারা কোম্পানির ডিসিশন মেইকিং এর দায়িত্বে থাকে তাদেরও লিড এই লিংকড-ইনে পাওয়া যায়, যা একজন লিড জেনারেটরের অন্য অনেক বেশি কার্যকর।

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান...
28/05/2023

"কাজ শিখুন" "কাজ করুন" "বেকারত্ব থেকে বাচুন"

আমাদের Blue-Tech আইটি ফার্মের ১বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে -
আমাদের অনলাইন ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে চলছে স্কলারশিপে এডমিশন নেওয়ার সুযোগ।

যেখানে ৩টি মোস্ট ডিমান্ডিং কোর্স একসাথে করতে পারবেন মাত্র ১২৫০ টাকায়। কোর্সগুলো হলো:

ফ্রিল্যান্স উইথ ডিজিটাল মার্কেটিং।
ফ্রিল্যান্স উইথ গ্রাফিক ডিজাইন।
ফ্রিল্যান্স উইথ লিড জেনারেশন।

কোর্সের সময়কাল: ৩মাস।
ক্লাস সংখ্যা: ৪৫ টি।
ক্লাসের সময়: রাত ৯টা থেকে ১০:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

এডমিশন নেওয়ার লাস্ট ডেট: ৫ই জুন, ২০২৩
ক্লাস শুরু: ৭ই জুন, ২০২৩

আসন সংখ্যা সীমিত, তাই আর দেড়ি না করে আজ ই আপনার এডমিশন কনফার্ম করুন এবং নিজের স্কিল ডেভেলপ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুন।।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? ও গ্রাফিক ডিজাইনের ৭ টি কার্যকর টুলসের ব্যবহার।গ্রাফিক্স ডিজাইন হল একটি আর্ট বা শিল্প। এখানে একজন শ...
27/05/2023

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? ও গ্রাফিক ডিজাইনের ৭ টি কার্যকর টুলসের ব্যবহার।

গ্রাফিক্স ডিজাইন হল একটি আর্ট বা শিল্প। এখানে একজন শিল্পী কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে কল্পনা, তথ্য এবং গ্রাহকদের ধারণা গুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য, দৃশ্যমান ধারণা তৈরি করে। গ্রাফিক্স শব্দটি জার্মান শব্দ থেকে এসেছে। এক কথায় চিত্র দ্বারা নকশা তৈরি করাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলা হয়। এটি এমন একটি জনপ্রিয় এবং সৃজনশীল প্রক্রিয়া যেখানে আপনি নিজের ক্রিয়েটিভিটিকে প্রফেশনে বদলে দিতে পারেন। নিজের আইডিয়া, কর্ম দক্ষতা এবং ইউনিক কিছু ডিজাইন,সহজ এবং সিক্রেট কিছু টিপস জানা থাকলেই আপনার পেশার মূল্যবোধকে আরো দ্বিগুণ করে দিতে পারবেন স্বল্প পরিশ্রমেই। প্রতিটি কোম্পানিতে এখন ফটো এডিটিং, লোগো ডিজাইন, প্রোডাক্ট ডিজাইন, ওয়েবসাইটের ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন সহ আরো অনেক গ্রাফিকাল কাজ হয়ে থাকে, যেগুলো তাদের প্রফেশনাল দিক থেকে আরো বেশি প্রক্রিয়াশীল করে তুলছে। সুতরাং প্রতিটি কর্মক্ষেত্রেই গ্রাফিক ডিজাইনার বিশেষ একটি “রোল মডেল” হিসেবে পরিচিত।

সর্বোপরি বর্তমান মার্কেটপ্লেসে, ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মগুলোতে সবচেয়ে চাহিদা বহুল পেশা এখন গ্রাফিক্স ডিজাইন।

প্রথমত গ্রাফিক্স ডিজাইন ২টা ভাগে বিভক্ত
১। Still Image Graphics
২। Motion Graphics

স্টিল ইমেজ গ্রাফিক্স আবার মুলত ৪ রকম ঃ
১। রাস্টার ইমেজ(পিক্সেল বেসিস)
২। ভেক্টর ইমেজ (পিক্সেল ইন্ডিপেন্ডেন্ট)
৩। টাইপোগ্রাফি (২রকমের হয়ে থাকে)

Motion গ্রাফিক্স প্রধানত ২ প্রকার
১। Animation গ্রাফিক্স
২। Video গ্রাফিক্স

অনেকেই Animation কে গ্রাফিক্সের অন্তর্ভুক্ত মনে করেন নাহ। কারন Animation হছে Create something from nothing অন্যদিকে গ্রাফিক্সের জন্যে কিছু না কিছু স্টক লাগেই। তবে বর্তমানে এনিমেশান বা ভিডিও গ্রাফিক্স এটাকেও গ্রাফিক্সের অন্তর্ভুক্ত ধরা হচ্ছে। এটা মুলত ২ ধরনের হয় 2D আর 3D। বর্তমানে 3D এনিমেশানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। ভিডিও গ্রাফিক্স নিয়ে অনেক কিছুই করা যায়। মুলত টিভির বিজ্ঞাপনের কাজ করাই এর প্রধান কাজ। এর মধ্যেই আছে ইনফো গ্রাফিক্স আর আর সিনেমাটোগ্রাফি।

২০২৩ সালে এসে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা আপনার জন্যে কেমন হবে?

সবাই এখন ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভোলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং শিখছে আমি এখন তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে কি করব? প্রতিদিন যত গুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে তাদের সবার একটি করে গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রয়োজন হচ্ছে। সব গুলো প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসা অনলাইনের আওতায় নিয়ে এসেছে এর ফলে সবারই এখন তাদের ব্যবসার জন্যে লোগো, পোষ্টার,ব্যানার, ডিজিটাল মেনু কার্ড প্রয়োজন হচ্ছে আর এই সবই কিন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইনের অন্তরগত। তাই বুঝাই যাচ্ছে যত দিন নতুন নতুন ব্যবসা শুরু হবে তত দিন গ্রাফিক্স ডিজাইনের চাহিদা বাড়তেই থাকবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের বর্তমান চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ কেমন?

উপরের কলাম থেকে আমরা একটু হলেও অনুমান করতে পেরেছি গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের বর্তমান চাহিদা কেমন এবং ভবিষ্যৎ টা কেমন থাকবে।এই বিষয়ে বিস্তারিত বলার আগে আপনাকে শুধু একটি জিনিস লক্ষ্য করতে বলব সেটা হল গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে আইটি উদ্যোক্তার সংখ্যা। বিগত কয়েক বছরে আমাদের দেশে প্রায় কয়েক হাজার আইটি উদ্যোক্তা তৈরী হয়েছে এর ভিতর অনেকেই ছিল গ্রাফিক্স ডিজাইনার।অনেক তরূণই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়ার পর নিজের এজেন্সি দাঁড় করিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে ।যত নতুন নতুন ব্যবসা গড়ে উঠছে তত গ্রাফিক্স ডিজাইনাদের প্রয়োজন বেড়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ এ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা।

কত টাকা আয় করতে পারবেন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে?

একদম শুরুতে একজন স্কিলফুল গ্রাফিক্স ডিজাইনার অনায়াসে দেশীয় কোম্পানি থেকে মাসে ১২-২০ হাজার টাকা আয় করতে পারে। অভিজ্ঞতা ভেদে আয়ের ভিন্নতা আসে যেমন একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক্স ডিজাইনার মাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা অনায়াসে আয় করতে পারে।অনেকে দীর্ঘ কাজ করার পর নিজের এজেন্সি শুরু করে তখন সে একই সাথে দেশী এবং বিদেশী ক্লাইন্টদের সাথে কাজ করে মাসে ৩-৮ লক্ষ টাকা আয় করতে পারে।

আপনি আজই গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখা শুরু করতে চাইলে যে টুলস গুলো সম্পর্কে জানতে হবে!

১. Photoshop(Ps) (Must)
২. Adobe Illustrator (Ai) (Must)
৩. Indesign (Id) (Advanced)
৪. AdobeXD (Xd) (Advanced)
৫. Figma (Advanced)
৬. Premier Pro (Pr) (Video Editing)
৭. After Effect (Ae) (Motion)

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়!!

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে আপনি খুব সহজেই ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস গুলো কাজ করে নিজের আয়ের আরেকটা উৎস তৈরী করতে পারবেন।বাংলাদেশ থেকে অনেকেই এখন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে খুব ভালো করছে ।ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস গুলো আয় ডলারে হওয়ায় আপনার আয় অনেক বেশী হয়ে থাকে।তবে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করার জন্যে আপনার ইংলিশ স্কিল মোটামুটি ভালো হতে হবে এবং সেই সাথে একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে অন্যতম হল ঃ Fiverr, Upwork. Freelancer. 99 Designs, Dribble, Behance, Envato Studio ইত্যাদি।

বিঃদ্রঃ বর্তমানে আমাদের আইটি ফার্মের ১বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে আমাদের ৩টি কোর্সে স্কলারশিপ চলছে। মাত্র ১২৫০ টাকায় আপনি গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং লিড জেনারেশন এর কাজ শিখতে পারবেন বেসিক টু এডভান্স।

আসন সংখ্যা সীমিত। তাই দেড়ি না করে আজ ই আপনার সীট কনফার্ম করুন। ধন্যবাদ।

 #স্বাগতমআমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাদেরকে স্বাগতম। আপনাদের সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়। 🥳
27/05/2023

#স্বাগতম
আমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাদেরকে স্বাগতম। আপনাদের সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়। 🥳

 #স্বাগতমআমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাকে স্বাগতম। আপনার সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়। 🥳
27/05/2023

#স্বাগতম
আমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাকে স্বাগতম। আপনার সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়। 🥳

ডিজিটাল মার্কেটিং কী? ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট হতে চাইলে যা যা জানা দরকার!🫡 ডিজিটাল মার্কেটিং কি?সহজ ভাষায়, ডিজিটাল ম...
27/05/2023

ডিজিটাল মার্কেটিং কী? ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট হতে চাইলে যা যা জানা দরকার!

🫡 ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

সহজ ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো যোগাযোগ মাধ্যমের সকল প্রকার আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে ইন্টারনেটের সুবিধা ব্যবহার করে কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারণা চালানো। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক ধরণ ও প্রকারভেদ রয়েছে এবং তা নির্ভর করে কোন ধরণের প্রচারণার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে। উপরের কথা মতো যে কেবল ব্যবসার প্রসারের জন্যই মার্কেটিং করতে হয় তা কিন্তু না।

বর্তমান যুগে যেকোনো ধরণের সেবা প্রদান কিংবা নতুন কিছু শুরু করার জন্য চাই প্রচারণা। হোক সেটি কোনো অনুষ্ঠান কিংবা প্রতিযোগিতার প্রচারণা অথবা কোনো নির্বাচনী প্রচারণা। আর যেহেতু সময়টি এখন ডিজিটাল, তাই প্রচারণার মাধ্যমটিও হওয়া চাই ডিজিটাল। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে আমরা টেলিভিশনে যতো অ্যাড দেখি, সোশ্যাল মিডিয়াতে যতো অ্যাড দেখি, মোবাইলে গেইম খেলার সময় যতো অ্যাড দেখি, তার সবই ডিজিটাল মার্কেটিং কি? উত্তরটি হচ্ছে ‘হ্যা’, এগুলো সবই ডিজিটাল মার্কেটিং। এখন বুঝতে পারছেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব?

❣️ ডিজিটাল মার্কেটিং -এর বিভিন্ন পদ্ধতি

এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক ডিজিটাল মার্কেটিং কি কি ধরনের ও কত প্রকারের হতে পারে:

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
কন্টেন্ট মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এই সকল বিষয় নিয়েই বর্তমানে আমাদের "ফ্রিল্যান্স ডিজিটাল মার্কেটিং এবং বান্ডেল অনলাইন কোর্সে" স্কলারশিপে এডমিশন চলছে।

আপনি চাইলে এই কোর্সটি করে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে পারেন এবং ফ্রিল্যান্সিং এবং জব করে নিজের এবং ফ্যামিলিকে সাপোর্ট দিতে পারবেন।।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ম্যাসেজ দিন, অথবা কল করুন: 01794250706 অথবা

আমাদের অফিস ভিজিট করুন: ৪২২/৩৫w, বোর্ড বাজার, গাজিপুর।

লিড জেনারেশন কি? লিড জেনারেশন কিভাবে করে? লিড জেনারেশন করে কত টাকা আয় করা যায়? আসুন জেনে নেই।।লিড জেনারেশন হল একটি তথ্...
26/05/2023

লিড জেনারেশন কি? লিড জেনারেশন কিভাবে করে? লিড জেনারেশন করে কত টাকা আয় করা যায়? আসুন জেনে নেই।।

লিড জেনারেশন হল একটি তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কোন সার্ভিস বা প্রোডাক্ট প্রোমোশন বা বিক্রি করার জন্য টার্গেটেড কোম্পানি বা ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা। তথ্য গুলো সাধারণত ইমেইল, নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি হয়। আপনার ইমেইল এর স্প্যাম বক্স চেক করে দেখুন অনেকগুলো অচেনা অজানা মেইল পাবেন। খেয়াল করে দেখুন যে সোর্স থেকে মেইল এসেছে সেখানে আপনি কখনো সাবস্ক্রাইব বা রেজিস্ট্রেশন করেন নি, তাহলে এই মেইল কোথায় থেকে আপনার কাছে আসলো?

আপনার কাছে এভাবে অপরিচিত সোর্স থেকে মেইল আসার কারন কেউ আপনার ডাটা তাদের দিয়েছে। অনলাইনে এই ডাটার অনেক মূল্য এবং মার্কেটিং এর জন্য অনেক কার্যকরী একটি পদ্ধতি।

লিড জেনারেশন কিভাবে করে?

ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই লোকাল এবং ইন্টারন্যাশনাল লিড জেনারেট করতে পারবেন। লিড জেনারেশনের অনেক গুলো পদ্ধতি প্রচলিত আছে।

লিড জেনারেশন করে কত টাকা আয় করা যায়?

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোয় চেক করলে আমরা লিড জেনারেশন নিয়ে অনেক জব পোস্ট বা গিগ দেখতে পাই। সেখানে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায় তারা শুধু লিড জেনারেশন করে মাসে ১০০ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করছে, এ কাজ অপেক্ষাকৃত সহজ হওয়ায় মার্কেটে অনেক কম্পিটিশন থাকে। কিন্তু তারপরেও এক্সপার্ট কিছু মানুষ আছে যারা এর দ্বারা অনেক স্মার্ট এমাউন্ট আয় করছে।

লিড জেনারেশন এর ইনকাম ডিপেন্ড করে লিড এর সংখ্যার ওপর। কোন কোন প্রোজেক্ট এর জন্য ক্লাইন্ট ১ কে ডলার পর্যন্ত খরচ করে। তবে একবারে নিম্ন থেকে যদি অ্যাভারেজ হিসেব করা হয় তাহলে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনা থাকে।অতএব বলা যায় শুধু লিড জেনারেশন করার মাধ্যমে অনেক ভালো ইনকাম করা সম্ভব।

লিড জেনারেশনের ভবিষ্যৎ কি?

২১ শতক থেকে পৃথিবীব্যাপী তথ্য নিয়ে সংগ্রাম শুরু হবে, অর্থাৎ আমরা আগে থেকেই বুঝতে পারছি তথ্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ, সে দিক থেকে বিচার করলে লিড জেনারেশন কখনো বন্ধ হবে না। যতদিন পর্যন্ত বিজনেস বেঁচে থাকবে ততদিন পর্যন্ত লিড প্রয়োজন পরবে।

একটি কোম্পানি বা প্রোডাক্ট কে এগিয়ে নিতে এবং সফল ভাবে এর মার্কেটিং করতে লিড এর কোন বিকল্প নেই। ভবিষ্যতে এই লিড জেনারেশনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যবহার বাড়বে। মোটকথা লিড জেনারেশনের চাহিদা দিন দিন বাড়বে কমবে না।

লিড জেনারেশন ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ বর্তমানে কোন বিজনেস সামনে এগিয়ে নিতে লিড অনেক ভালো গুরুত্ব রাখে। এই পদ্ধতি ব্যবহারের কারনে পণ্য খুব সহজে এবং ঝামেলাহীন ভাবে কাস্টমারের কাছে পৌঁছায়। আমাদের আজকের লেখায় আমরা লিড জেনারেশন সম্পর্কে অনেক বিষয় পরিষ্কার ধারণা পেলাম। লিড জেনারেশন করেও যে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব সে সম্পর্কে জানলাম।

বর্তমানে আমাদের "লিড জেনারেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং গ্রাফিক ডিজাইন" কোর্সের উপর স্কলারশিপে ভর্তি চলছে (অনলাইন)। আপনি বা আপনারা চাইলে এডমিশন নিতে পারেন।

 #স্বাগতমআমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাকে স্বাগতম। আপনার সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়।SN Sabbir Bepari
26/05/2023

#স্বাগতম
আমাদের "ফ্রিল্যান্স বান্ডেল কোর্সে" আপনাকে স্বাগতম। আপনার সফলতা আসুক আমাদের একটু ছোয়ায়।
SN Sabbir Bepari

26/05/2023

”The way to get started is to quit talking and begin doing.” – Walt Disney

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব!!ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে মার্কেটিং এর একটি শাখা, তবে আধুনিকায়নের এই য...
26/05/2023

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব!!

ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে মার্কেটিং এর একটি শাখা, তবে আধুনিকায়নের এই যুগে অবিচ্ছেদ্য অংশই বলা যেতে পারে। যখন বাস্তবে সরাসরি ক্রয়-বিক্রয় সংবলিত যাবতীয় কার্যক্রম মার্কেটিং বলে আখ্যায়িত হয় ঠিক একই কার্যক্রম যখন বাস্তবে না হয়ে ভার্চুয়্যালি, অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে ডিজিটাল ডিভাইস (যেমনঃ ল্যাপটপ, মোবাইল, ট্যাবলেট, পিসি ইত্যাদি) ব্যবহার করে সম্পন্ন হয়ে থাকে তখন তা ডিজিটাল মার্কেটিং বলে বিবেচিত হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এ প্রচার-প্রচারণা, ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত সকল কিছুই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমনঃ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম (ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, লিংকডিন, স্ন্যাপচ্যাট, রেডিট, কোরা, টুইটার ইত্যাদি), সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস ই ও), কনটেন্ট মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, পিপিসি (পে পার ক্লিক), এফিলিয়েট মার্কেটিং,
মার্কেটিং এ্যানালাইটিক্স, মোবাইল মার্কেটিং ইত্যাদি।

পরিবর্তনশীলতা জগতের নিয়ম। প্রতিনিয়তই আমরা কম-বেশি সবকিছুতেই পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারি।আমরা যদি একটু খেয়াল করে দেখি, আজ থেকে কিছু বছর আগেও পৃথিবীতে ইন্টারনেটের ব্যবহার খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এর ক্রমাগত পরিবর্তন ও পরিবর্ধন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেখানে আগে অনেকে জানতো না ইন্টারনেট কি বা এর ব্যবহারবিধি। সেখানে সময়ের ক্রমানুসারে মানুষ তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী হয়ে উঠছে, যেখানে ইন্টারনেট ছাড়া মানুষ আজ অচলপ্রায়। ইন্টারনেটের উপর পুরোদমে নির্ভরশীল।
ইন্টারনেটের এই যুগে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে হলে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিদের সাথে পেরে উঠতে হলে ট্র‍্যাডিশনাল সিস্টেম পরিবর্তন করে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর জোর দিতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব-

বিশ্ব অর্থনীতি যখন প্রতিনিয়ত ডিজিটালাইজেশনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখন বোঝাই যায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বও ঠিক তেমন করেই দিন দিন বেড়ে চলছে আর আগামীতে আরো বিশাল ব্যাপ্তি ও পরিধি নিয়ে বিস্তৃত হবে। অভিজ্ঞ-অনভিজ্ঞ পেশার লোক, ছোট-বড় ব্যবসায়ী, ছাত্র-ছাত্রী, প্রতিষ্ঠিত-অপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বেশিরভাগ মানুষেরই এই ডিজিটাল মার্কেটিং সম্বন্ধে এবং এর গুরুত্ব, প্রভাব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সঠিক ও বিস্তর ভাবে জানতে ও বুঝতে হবে কেননা, সুদূর ভবিষ্যতে এই ডিজিটাল মার্কেটিং বিশ্বের মার্কেটিং ব্যবস্থায় এক আমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করবে।

মানুষ যত বেশি তথ্য ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হবে ঠিক সেভাবেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব ও ব্যবহারও তত বেশিই বেড়ে চলবে। মার্কেটিং এর দুনিয়ায় ডিজিটাল মার্কেটিং দিন দিন আরো প্রভাবশালী হয়ে উঠছে।
বর্তমানে বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের চেয়ে বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেখানে এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে আবার চার ভাগের তিন ভাগই সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়মিত ব্যবহারকারী। এতে বোঝা যাচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতা কতটুকু বিস্তৃত হতে পারে।
কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে যার জন্যে মানুষের ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। স্বভাবতই, মানুষের অনলাইনের প্রতি ঝোঁক আসলে ব্যবসায়ীদেরও ভারচুয়্যাল জগতের প্রতি আগ্রহ বাড়বে তখন তাদের অনলাইনে ব্যবসায়ের আওতা এবং পরিধিও বাড়াতে হবে। তদ্রূপ ব্যবসায়ীদের যদি অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসায়ের ঝোঁক বেড়ে যায় এবং তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে বেশিরভাগই সম্পন্ন করেন তখন এমনিতেই ক্রেতা ও ভোক্তাদের অনলাইন শপিং এর প্রবণতা বেড়ে যাবে। এভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব ও প্রভাব বিস্তার হতেই থাকবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে, এরা যেরকম আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং ঠিক সেভাবে আরো অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেশে বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করার সুযোগ রয়েছে তেমনি দেশে বিদেশে অনেক ব্যবসায়ী, ক্লায়েন্ট, ক্রেতা-বিক্রেতা, ভোক্তার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে, এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং এর এক সুবর্ণ সুযোগ মিলে। এই পরিচিতি বা নেটওয়ার্কিং আপনার জীবনেও বিভিন্নভাবে উপকারে আসবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেশে যেভাবে ব্যবসা করে আয় করা যায় সেভাবে ঘরে বসে বিদেশীদের সাথে ব্যবসা করে আয় করাও সম্ভব, যা একমাত্র ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমেই করা যায়। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের ডিজিটাল মার্কেটাররা প্রতি বছর আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স নিয়ে আসছে, এতে করে দেশের অর্থনীতিতেও একধরনের সুপ্রভাব পড়ছে, দেশের অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চোখে পড়ার মত অবদান রয়েছে। আগামীতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর পরিধি বাড়ার সাথে সাথে অবদানের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

তাই আজ ই ইনরোল করুন আমাদের "ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স সহ বান্ডেল কোর্সে"

বিস্তারিত জানতে ম্যাসেজ করুন অথবা কল করুনঃ 01794250706 এই নাম্বারে। অথবা ভিজিট করুন আমাদের অফিসঃ ৪২২/৩৫W, বোর্ডবাজার, গাজিপুর।

Address

422/35w
Gazipur
1700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Blue-Tech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share