15/08/2024
বন্ধুত্ব কী, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন, ‘ভালোবাসা হলো লাল গোলাপের মতো; কিন্তু বন্ধুত্ব হচ্ছে ছায়াময়ী বৃক্ষের মতোই জীবনের প্রতি দিনের প্রয়োজন এবং বাস্তবতার মধ্যেই তার সরল বিচরণ।’ অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘একজনও বন্ধুর মতো বন্ধু থাকা পরম ভাগ্যের ব্যাপার।’ কেউ কেউ বন্ধুত্বকে সোনালি সূতার সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘বন্ধুত্ব হচ্ছে সোনালি সুতো, যা হৃদয়কে একসূত্রে গেঁথে দেয়।’ আবার কেউ কেউ বলেছেন, ‘ভিন্ন দেহে অভিন্ন আত্মা তারই নাম বন্ধুতা।’ বন্ধুত্ব নিয়ে ইংরেজিতে একটি কথা আছে, ‘only Unsinkale ship is FRIENDSHIP’ পৃথিবীর সব সম্পর্কের জাহাজ সাগরের জলে তলিয়ে গেলেও বন্ধুত্বের জাহাজ কখনো সাগরের জলে তলিয়ে যায় না। তাই বলা হয়, বন্ধু মরে যায়, কিন্তু বন্ধুত্ব মরে না। আজকাল যুবক-যুবতীরা বন্ধুত্বের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, ‘একদিন ভরা নদী শুকিয়ে যাবে, ফুলও ঝরে যাবে, তবু আমার বন্ধুত্ব চিরদিন রয়ে যাবে।’ সত্যিই তো! বন্ধুত্ব কখনো শেষ হয়ে যায় না। বন্ধু হারিয়ে যায়, বন্ধুত্ব হারিয়ে যায় না। বন্ধু মরে যায়, বন্ধুত্ব মরে না।
খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট বলেন, ‘বন্ধুদের জন্যে প্রাণ দেওয়ার চেয়ে বড় ভালোবাসা মানুষের আর কিছুই নেই।’ তিনি মানুষকে বন্ধু বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমি তোমাদের আর দাস বলছি না, কারণ মনিব কি করছেন তা তো দাসের জানার কথা নয়। আমি পিতার কাছ থেকে যা জেনেছি তা তো তোমাদের জানিয়েছি। তিনি বন্ধুর জন্য ক্রুশে নিজ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। তার আদর্শে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে তার মতো বন্ধুর উপকার করেছেন। এমন উপকারী একজনের নাম হলো ম্যাক্সিমিলিয়ান কল্বে। অনেক যুদ্ধবন্দিদের সঙ্গে তাকেও বন্দি করা হয়েছিল। একদিন এক সেনা এমন একজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার জন্য বেছে নিল যার সংসার, স্ত্রী আছে। লোকটি স্ত্রী ও সন্তানদের কথা চিন্তা করে কাঁদতে লাগলেন। তখন সেই ম্যাক্সিমিলিয়ান এগিয়ে এসে বললেন, আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিন। কারণ আমার তো সংসার নেই। তার যে সংসার আছে। ম্যাক্সিমিলিয়ান ছিলেন খ্রিষ্টান পুরোহিত। তিনি হাসিমুখে বন্ধুর জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দিলেন। তার এ অসীম ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের জন্য আজ তাকে সাধু বলে সম্মান জানানো হয়। মনীষীগণ বলেন, ‘বসুন্ধৈব কুটম্বকম’ অর্থাৎ কেউ শত্রু নয়, সারা জগৎই আমার বন্ধু, আমার আত্মীয়। এ নীতি ও আদর্শ গৌতম বুদ্ধ আজীবন পালন করেছেন এবং প্রচার করেছেন। তিনি মানুষকে এবং সব প্রাণীকেই ভালোবেসেছেন। প্রাণনাশের বিপক্ষে ছিলেন। তার কাছে সবাই ছিল বন্ধু, ভাইবোন এবং আত্মীয়। জনৈক এক কবি বলেন, ‘দুয়ারে দাঁড়ায়ে আছে, বন্ধু বলেছ যারে, কণ্ঠে দোলাও তার মালা। আসেনি সে ঝড় হয়ে, এসেছে দখিনা লয়ে, জানে না দিতে জ্বালা।’ আমাদের জীবনে বন্ধুর আগমন এমনই এক শান্তির বাণী নিয়ে। বন্ধু আসে হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে। বন্ধু মনের জ্বালা নিভিয়ে দেয়, হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে, মনের ক্ষুধা তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়।
বন্ধু কখনো পুরোনো হয় না। বন্ধুত্ব সে তো চিরদিনের এবং সে তো চিরঞ্জীব। এ কথাটি সুন্দর করে ইংরেজিতে বলা হয়, ‘Make a new friend, keep the old/One is silver, the other is gold’
#সংগৃহীত
15/07/2024
৫০ টাকা রিচার্জে Skitto (স্কিটো) সিম একদম ফ্রি!
সাথে থাকছে-
৪০ মিনিট, ৩ জিবি ইন্টারনেট
শুধু মাত্র আজকের দিনের জন্য।
স্থানঃ ডাকুমারাহাট,
👍👍
01754-916448
04/07/2024
৫০ টাকা রিচার্জে Skitto (স্কিটো) সিম একদম ফ্রি!
সাথে থাকছে-
৮০ মিনিট, ৫ জিবি ইন্টারনেট
শুধু মাত্র আজকের দিনের জন্য।
17/05/2024
পুরোটা পড়ার জন্য অনুরোধ রইল
ূমি বিষয়ক তথ্য
খতিয়ান কী ?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
সি,এস রেকর্ড কী ?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
এস,এ খতিয়ান কী ?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।
নামজারী কী ?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
জমা খারিজ কী ?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
পর্চা কী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
তফসিল কী ?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
মৌজা কী ?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
খাজনা কী ?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
ওয়াকফ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
ওয়রিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।
দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
02/05/2024
১০ বছর আগে ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী
নজর কাড়া মেয়েটাও এখন দুই সন্তানের মা..
কিন্তু সেই রুপ আর নাই....
সব পরীক্ষায় নকল করে পাস করা
ছেলেটিও এখন বিসিএস ক্যাডার.....
ক্লাসের পড়াশুনোয় সবচেয়ে বেশি সময়
ব্যয় করা ছেলেটিও এখন বেকার ঘুরছে...
অন্যের গার্লফ্রেন্ড ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া
বাইকওয়ালা ছেলেটার হবু বউও এখন
আরেক প্রতিষ্ঠিত টাকাওয়ালার বিয়ে করা বউ...
৮ বছর আগে ক্লাসে সবচেয়ে অহংকার
নিয়ে চলাফেরা করা ছেলেটাও এখন
ঋণের বোঝা নিয়ে কোন মতে বেচে আছে....
১০ বছর আগে ক্লাসের লাস্টে বসা
প্রতিনিয়ত খারাপ রেজাল্ট করা ছেলেটাও এখন ডাক্তারি পড়া শেষ করে ফেলেছে...
৬-৭ বছর ধরে বারবার বয়ফ্রেন্ড চেঞ্জ করা ফর্সা সুন্দরী মেয়েটাও এখন পাত্র পক্ষের কাছে বার বার রিজেক্ট হচ্ছে....
৫ বছর আগের সবচেয়ে সেরা জুটিটা
এখন একজন আরেকজনের ব্লক লিস্টে....
৭-৮ বছর ধরে নিজের ইচ্ছামতো একেরপর এক প্রেম করা মেয়েটিও এখন নিজের অনিচ্ছায় অপছন্দের মানুষের সাথে সংসার করছে...
১০ বছর আগে আড্ডা জমানো ছেলেটাকে বন্ধু সার্কেল থেকে সরিয়ে দেওয়া মানুষটা এখনো বন্ধুত্ব হীনতায় ভুগছে....
কখন কার কপালে কি ঘটে তা আগে থেকে জানা সম্ভব নয়। অর্থ-বিত্ত,রুপ-গুনের কারনে সাময়িক কিছু দিনের জন্য আপনি-আমি হয়তো সময়কে নিজের মতো করে চালাতে পারবো.. কিন্তু সময় সবসময় আমার-আপনার ইচ্ছামত চলবে,এমন আশা করা টা ভূল।
সময় সময়ের মতো করে শোধ টা নিয়ে নেয়...
এত অহংকার কিসের আমাদের..?
জীবনের প্রথম গোসল করছি অন্যজনের হাতে,
শেষ গোসল টা ও হবে অন্যজনেরই হাতে....
08/04/2024
নষ্ট নারী নষ্ট তালা সব চাবিতে খুলবে.....
ভালো তালা আর ভালো নারী নির্ধারিত চাবি আর সঠিক পুরুষ ছাড়া চলেনা.......
ডাঃ জাকির নায়েক
12/03/2024
বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার----
১৯৪৭ সাল | দেশ স্বাধীন হল | প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নে তখন পুরুষদের একচ্ছত্র আধিপত্য | পশ্চিমবাংলার বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নের অন্যতম পীঠস্থান | ১৯৪৭ সালেই পশ্চিমবাংলার তৎকালীন নিকুঞ্জ বিহারী মাইতি বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দরজা খুলে দিলেন মহিলাদের জন্যে | প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন দুইজন ছাত্রী | ভর্তি হলেন দুজনেই | কিন্তু একজন দ্বিতীয় বর্ষেই কলেজ ছাড়লেন | রইলেন একজন ছাত্রী | ১৯৫১ সালে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলেন | তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | গোটা ব্যাচে তিনিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী | বাকি সকলেই ছিলেন ছাত্র |
তিনি ইলা মজুমদার | জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে | পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | মা ছিলেন গৃহবধূ | যতীন্দ্রবাবু ছোট থেকেই মেয়েকে মুক্ত পরিবেশে বড় করে তোলেন | ১২ বছর বয়সেই ইলা সাইকেল চালাতে পারত | মাত্র ১৬ বছর বয়সে শিখেছিলেন জিপ চালানো | খুলনায় তিনি নবম শ্রেণী অবধি পড়াশোনা করেন | এরপর ১৯৪৫ সালে ইলাদের পুরো পরিবার কলকাতায় চলে আসে | সেই বছর ইলা স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি | ভর্তি হন পরের বছর | দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন | এরপর তিনি ভর্তি হন আশুতোষ কলেজে | সেখান থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসি তে উত্তীর্ণ হন |
এরই মধ্যে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইলা ভর্তি হন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে | প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রম দরকার বলে অধ্যক্ষ তাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে নিষেধ করেন | শেষে ইলা ভর্তি হন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে | প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তিনি ডাক্তারি পড়ার সুযোগও পেয়েছিলেন কিন্তু যাননি | তিনিই ছিলেন ওই কলেজের প্রথম মহিলা ছাত্রী তথা বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার | তখন ছাত্রীদের জন্যে আলাদা হোস্টেল ছিল না তাই ইলা মজুমদার থাকতেন লাইব্রেরির বাম প্রান্তের একটি ঘরে | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পুলিন বিহারী ঘোষ এই সময় তার পাশে দাঁড়ান | কলেজে তিনিই ছিলেন ইলার অভিভাবক |
১৯৫১ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হলেন ইলা। তারপর ট্রেনিং করতে যান গ্লাসগো | ট্রেনিং শেষে ভারতে ফিরে এসে দেরাদুনের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেন | তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি ভারী যন্ত্রাংশ তৈরীর কারখানায় কাজ করেছেন। সেই সময় ইলা থাকতেন স্টাফ কোয়ার্টারে | ওখানে ছয় মাস চাকরি করার পর দিল্লি পলিটেকনিক কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন | এরপর কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ জুট টেকনোলজিতে লেকচারার ছিলেন তিনি। কলকাতার প্রথম মহিলা পলিটেকনিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। ইলা মজুমদার ছিলেন ওই কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল | তার কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়ে ১৯৮৫ তে জাতিসংঘের তরফ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা শহরে একটি মহিলা পলিটেকনিক কলেজ খোলার। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ছাড়তে রাজি ছিলেন না। পরে অবশ্য তিনি সাফল্যের সঙ্গেই কাজটি সম্পন্ন করেন।
ইলা মজুমদার ছিলেন ব্যতিক্রমী এক মহিলা। পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোয় এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম | গড়ে তুলেছেন ইতিহাস । শ্রদ্ধা জানাই 🙏
সংগৃহীত
29/01/2024
বাম পাশ থেকে
➪︎১ম জন-টাকা উপার্জন করতে করতে পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে পাচ্ছে না।।
➪︎২য় জন-শুধু শিক্ষা অর্জন করতে করতে পরিপূর্ণ সুন্দরটা দেখতেছে না।।
➪︎৩য় জন-শিক্ষা ও অর্থ উপার্জন দুটা একসাথে করতেছে তাই পৃথিবীর আসল সৌন্দর্য্য উপভোগ করতেছে।।
➪︎৪র্থ জন- শিক্ষা এবং অর্থ কিছু না থাকাতে পুরো পৃথিবী তার জন্য অন্ধের মতো।।
এটাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাস্তবতা -
#সংগৃহীত
13/01/2024
চলতি মাসেই উপজেলা নির্বাচনে তফসিল
28/12/2023
আলহামদুলিল্লাহ
সত্য সন্ধানে আপোষহীন
দৈনিক যুগ-যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে গাবতলি উপজেলার দায়িত্বের নির্বাচিত সদস্য হওয়াই “দৈনিক যুগ-যুগান্তর পত্রিকাকে আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এর সাথে আরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা আমাকে সহায়তা করেছেন । এত বড় দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার জন্য।
আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য ন্যায় নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি।
সবাই আামর জন্য দোয়া করবেন।
ধন্যবাদ
দৈনিক যুগ-যুগান্তর পত্রিকা