Ali Azam High School & College, Feni is one of Bangladesh's most important and earliest educational institutions. It offers SSC & HSC course in various majors. The college is affiliated with the Comilla Board. Several thousand students study here. Ali Azam High School & college started as a primary school at Munshirhat,feni in 1906. At present, it has its own commodious premises near Munshirhat Ba
zar. The college can boast of having had many eminent educationists as its Ex-principal Md. Shah Alam and many others eminent personalities. Written by:
Mizanur Rahman Chowdhury
SSC-2005 Batch (Ali Azam High School)
https://aahcalumni.org/about-history
আলী আজম স্কুল-এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
ঐতিহ্যবাহী আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ একটি প্রাচীন ও অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটি ফেনী জেলার, ফুলগাজী উপজেলার অন্তর্গত মুন্সীরহাট বাজার সংলগ্ন ৩নং দরবারপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে ২.৪১ একর জমিতে পহেলা জানুয়ারী ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি ১৮৯৮ ইং সালে উত্তর শ্রীপুর গ্রামের জনাব এমদাদ আলী পন্ডিত কর্তৃক একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়। তার কিছু দিন পর জনাব মুন্সী আবদুল গনি ও বাবু অভয় চরণ দত্ত কর্তৃক একই গ্রামে অপর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হয়। ১৯০৬ ইং সনে বর্তমান বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক খান সাহেব আহম্মদ আজম চৌধুরী এলাকাবাসীর সম্মতিতে ২ টি বিদ্যালয়কে একত্রিত করে বর্তমান স্থানে উত্তর শ্রীপুর গ্রামে তার পিতা মরহুম আলী আজম চৌধুরীর নামে প্রথমে আলী আজম মধ্য বাংলা স্কুল ও পরে আলী আজম মধ্য ইংরেজী স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৬ ইং সনে আলী আজম মাইনর স্কুল হিসাবে সরকারী স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৪৫ ইং সনে আলী আজম হাই স্কুল হিসাবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সরকারী স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়।সর্বশেষ পরবর্তীতে বিদ্যালয়টিকে মান উন্নীত করে উচ্চ মাধ্যমিক (মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) শ্রেণী চালু করে এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং কলেজ শাখা ২০০০ সালের মে মাসে ১ম এম পি ও ভূক্ত হয়।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১০ -২০১১ অর্থ বছরে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব এর কার্যক্রমের আওতায় অত্র প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপিত এবং কার্যক্রম শুরু হয়।
অত্র বিদ্যালয়ের ০৪ টি পাকা ভবন, ২টি দ্বিতল, ১ টি তিন তলা, ১টি আধা পাকা দ্বিতল ভবন, জমির পরিমান- ২.৪১ একর, স্কাউট গাইড- ৩২ জন, শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ২৫জন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলা-ধুলা ইত্যাদি অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও স্কুলের নিজস্ব সু বিশাল খেলার মাঠ, বাগান, শহিদ মিনার ও কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার কক্ষ এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম রয়েছে।
দক্ষ অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও গভঃবডী সদস্যবৃন্দদের সমন্বয়ে আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালিত হয়ে আসছে।বর্তমানে এর ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা প্রায় দুই হাজারের অধিক। দেশের অন্যতম প্রাচীন এ বিদ্যাপীঠ রাখছে জেলা উপজেলায় জাতীয় দিবসে প্যারেড ও ডিসপ্লেতে রেখে আসছে প্রথম স্থান অর্জনসহ উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং সরকারি বেসরকারি বৃত্তি সহ শিক্ষা সংস্কৃতি ও সাহিত্যে অনন্য স্বাক্ষর। পরিচ্ছন্ন ও শতভাগ নিরাপত্তা পরিবেশের কারণে বর্তমানে J.S.C ও S.S.C বোর্ড পরীক্ষা আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
জন্মলগ্ন থেকেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার গুণগত মানের ক্ষেত্রে গৌরবের শীর্ষে অবস্থান করে, যা অদ্যাবধি সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শত বছরের ব্যবধানে এই স্কুলে পাঠ নিয়েছেন দেশের অনেক জ্ঞানী ও গুনীজন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার প্রবাদপুরুষ সাংবাদিক আবদুস সালাম, বর্ষিয়ান সাংবাদিক এবিএম মুসা, উপ সেক্টর কমান্ডার জাফর ইমাম বীর বিক্রম সহ আরো অনেকে...এ বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র-ছাত্রী।