Shaikh Burhanuddin Post Graduate College

Shaikh Burhanuddin Post Graduate College

Share

Established in 1965. Its name was taken from the name of Imaamut Tareeqat Allama Shaykh Sayyid Muhammad Burhanuddin Uwaysi to commemorate his holly name.

Shaikh Burhanuddin Post Graduate College Established in 1965. The name of Shaikh Burhanuddin was taken from the name of Imaamut Tareeqat Allama Shaykh Sayyid Muhammad Burhanuddin Uwaysi (Rad.) to commemorate his holly name. Department of Management, SBPGC was established at 1995. Management department is full of rich faculties and also has different type of cultural activities.

23/06/2024

আমার এই বোনটির Shahanaz Akhter কাছে সবকিছুর উদাহরণ ছিলাম আমি....
অনেক দুষ্ট,
অনেক বান্দর,
অনেক কিপ্টা,
অনেক স্মার্ট,
অনেক স্টাইলিশ,
আরও কতো অনেকের মাঝে আমাকে বিশ্লেষণ করতো...
আমি কিভাবে নিজেকে ক্ষমা করবো মুন্নিপা...

একটা ব্রিজ কি একটা মাইক্রোবাসের ভার নিতে পারেনা... এ কোন দেশে বাস করছি আমরা?

এই মৃত্যুর দায় কে নেবে??

সরকার নাকি স্থানীয় অব্যবস্থাপনা....?

আমার বোনের এতো গুলো স্বপ্ন একবারেই শেষ...
আম্মা সবসময় আমাকে বলতো, আমার এই মেয়ে হলো সেরা... আসলেই তুই সেরা আপা।
তোর বেহেশত এর দুইটা ফুলের সাথে তোকে শুইয়ে দিয়ে আসলাম। তুইও বেহেশত বাসি হয়েই থাকবি আল্লাহর রহমতে।

05/09/2019

এক গ্রামে একটি কূপ ছিল। কূপটি ছিল ভূতুরে আর তার পানি ছিল একদম তলানিতে। গ্রামের লোকজন যখনই পানি তুলতে তাতে বালতি ফেলত প্রতিবারই বালতিশূন্য রশি উঠে আসত। এমন অদ্ভুতকাণ্ড বারবার ঘটায় গ্রামে ছড়িয়ে পড়ল যে, কূপটি জীনের বাসা। এখানে ভয়ংকর একটা জীন বাস করে।

কিন্তু এভাবে আর কদিন।চলে? তাদের পানি সংগ্রহ করতে হবে। এর একটা বিহিত করা দরকার। কিন্তু কূপে নামবে কে? কেউ সহজে রাজি হচ্ছে না।এমন সময় এক যুবক কূপে নামতে রাজি হলো। সে বলল, আমি কূপে নামব।।আমার কোমরে রশি বেঁধে নামিয়ে দিবেন। তবে শর্ত হল রশির অপর প্রান্তে অবশ্যই আপনাদের সাথে আমার পিতাকে থাকতে হবে।

গ্রামের লোকজন তার শর্ত শুনে বেশ আশ্চর্য হলো। গ্রামের শক্তিশালী সুঠাম এতগুলো মানুষ থাকতে তার পিতাকে লাগবে কেন?!

প্রথমে তারা যুবককে বিষয়টা বোঝাতে চেষ্টা করল। তবুও তার এক কথা অবশ্যই তার পিতাকে সাথে রাখতে হবে। তার পিতাকে খুঁজে আনা হলো। সবাই মিলে যুবককে কূপে নামিয়ে দিল। ভেতরে গিয়ে সে দেখল, কূপের তলার জলের ঠিক একটু উপরে একটি কোঠর রয়েছে একটি বানর। এই শয়তান বানরটিই বালতি রেখে দিত।

যুবক বানরটিকে ধরে কাঁধে বসিয়ে রশি টানার নির্দেশ দিল।বানরটি ছিল যুবকের কাঁধে। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই সর্বপ্রথম দৃষ্টিগোচর হল বানরের চেহারা। হঠাৎ করে ভূতদর্শন চেহারা দেখে সবাই মনে করল, জীনটা উঠে আসছে। তাই রশি ফেলে সবাই পালালো ।

কিন্তু একজন রশি ছাড়ল না। আর সে হলো ছেলেটির পিতা। বহুকষ্টে ছেলেকে টেনে তুলল উপরে। ফলে তার ছেলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেল।

তখন সবাই বুঝতে পারল কেন সে পিতাকে রশি ধরার শর্ত দিয়েছিল। কারণ, পৃথিবীতে সবাই বিপদের সময় দূরে সরে গেলেও পিতা/মাতা সরবে না। তাই আসুন পিতা/মাতাকে ভালোবাসি। তাদের সঠিক মূল্যায়ন করি।

সংগৃহীত

29/07/2019

২.৫ বছর বয়সী সন্তানের ডেঙ্গু জ্বর। ICU তে বমি ও প্রশ্রাবের সাথে যাচ্ছে অনবরত ব্লাড!
চার ব্যাগ AB+ প্রয়োজন 01748295180 বাচ্চার বাবা

11/05/2019

One bag O+ blood needed !! It's urgent for my Father for a operation by 2pm, Pls contact:
Aulad
+8801729271780

09/05/2019
21/11/2018

এক লোকের চারজন স্ত্রী ছিল।
লোকটা তার ৪র্থ স্ত্রীকেই বেশী ভালোবাসতো এবং যত্ন করতো।
সে তার ৩য় স্ত্রীকেও অনেক ভালোবাসতো এবং বন্ধু বান্ধবদের সামনে স্ত্রীর প্রশংসা করতো। তার ভয় ছিলো যে এই স্ত্রী হয়তো কোনদিন অন্য কারো সাথে পালিয়ে যেতে পারে.!
সে তার ২য় স্ত্রীকেও ভালোবাসতো। লোকটা যখনি কোন বিপদে পড়তো, তখনি সে তার এই স্ত্রীর কাছে সমাধান চাইতো এবং তার স্ত্রী তাকে সমাধান দিয়ে সাহায্য করতো। কিন্তু, লোকটা তার ১ম স্ত্রীকে একদম ভালোবাসতো না এবং যত্নও করতোনা। এই স্ত্রী লোকটাকে অত্যন্ত ভালোবাসতো, তার অনুগত থাকতো এবং তার যত্ন নিতে চাইতো। লোকটা তা পছন্দ করতোনা।

— একদিন লোকটা অসুস্থ হয়ে পড়লো এবং জানতে পারলো যে সে আর বেশী দিন বাঁচবেনা। লোকটা ইচ্ছা করলো যে সে যখন মারা যাবে, তার কোন একটা স্ত্রীকেও নিয়ে যাবে তার সাথে করে, যাতে করে সে পেতে পারে এই ভেবে যে মৃত্যুর পর সে একা নয়, তার একজন সঙ্গীও সাথে আছে।

লোকটা তিনজন স্ত্রীকে ডেকে এনে তার সাথে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছাটা বললো এবং কে যেতে চায় তা জিজ্ঞেস করলো।

“এটা হতেই পারেনা”, বলেই তার ৪র্থ স্ত্রী সাথে সাথে ঐ জায়গা থেকে চলে গেলো লোকটার ইচ্ছাকে প্রত্যাখ্যান করে।

৩য় স্ত্রী বললো, “জীবন এখানে খুবই সুন্দর। তোমার মৃত্যুর পর আমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নেবো.!” বলে সেও চলে গেল।

২য় স্ত্রী বললো, “তুমি আমার কাছে সমাধান চাইতে। কিন্তু এই ব্যাপারে আমার কোন সমাধান নেই। দুঃখিত তোমাকে সাহায্য করতে না পেরে। তবে তোমার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমি তোমার পাশে সর্বদা আছি.! স্ত্রদের কথা শুনে লোকটা অত্যন্ত কষ্ট পেলো এবং বিমর্ষ হয়ে পড়লো……:

“আমি তোমার সাথে যাব, তুমি যেখানেই যাওনা কেন, আমি তোমাকে অনুসরণ করবো.!” হঠাৎ একটা কন্ঠ বলে উঠলো.!
লোকটা তাকিয়ে দেখলো যে কন্ঠটা তার ১ম স্ত্রীর। ভালোবাসা এবং যত্নের অভাবে তার এই স্ত্রীর চেহারা মলিন, দেহ কঙ্কালসার, অপুষ্টির চিহ্ন সারা শরীরে। লোকটা অশ্রুসিক্ত নয়নে বললো, “হায় কি আফসোস.! তোমাকে কখনো ভালোবাসিনি, যত্ন করিনি। আজ তুমি আমার সাথে যেতে চাইছে। এতদিন কি ভুলটাই না করেছি তোমার কথা না ভেবে.! আজ শেষ সময়ে ভুলটা বুঝতে পারলাম.!”

আসলে, আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এই চারজন স্ত্রীর মত ব্যাপারটি আছে-

১) *৪র্থ স্ত্রী হচ্ছে আমাদের শরীর।*
> জীবনের বেশীর ভাগ সময় এবং অর্থ আমরা এটির পিছনে ব্যয় করি। কিন্তু মৃত্যু এলেই এটি আমাদেরকে ফেলে চলে যায়।

২) *৩য় স্ত্রী হচ্ছে আমাদের ধন সম্পত্তি।*
> টাকা পয়সা, সুনাম এবং মালিকানা, যা আমরা অন্যদের দেখিয়ে বেড়াই। মৃত্যুর পর এগুলো অন্যদের কাছে চলে যায়।

৩) *২য় স্ত্রী হচ্ছে আমাদের পরিবার এবং বন্ধুবান্ধব।*
> এরা আমাদেরকে নানা বিপদে আপদে সাহায্য করে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদের পাশে থাকে।

৪) *আর ১ম স্ত্রী হচ্ছে আমাদের আত্না।*
> পার্থিব সুখ শান্তি আনন্দ এবং সম্পদের পিছে ছুটতে ছুটতে আমরা আত্নার কথা ভুলে যাই। আত্নার খোরাক মেটাতে পারিনা। যত্ন নিতে পারিনা, ভালোবাসিনা। কিন্তু এটিই একমাত্র জিনিস যা আমাদের প্রত্যেকটা কাজে আমাদের অনুসরণ করে। যেখানেই যাই আমাদের পাশে থাকে এবং মৃত্যুর পরেও পারলৌকিক জীবনে আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে…!

13/05/2017

UBER =টাকার গাছ . but reality is
মানুষজন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে উবারে গাড়ি দেবার জন্য। সপ্তাহে 20000!!!খাইছে!!! সব মধ্যবিত্ত ধনী হয়ে যাবে এবার। মাসে ৮0000 টাকা আয়ের জন্য সবাই গাড়ি কেনার জন্য প্লান করছে। একটু হিসাবটা ভাল করে মিলিয়ে নিন। আর ড্রাইভার উল্টাপাল্টা করলে লস ও হইতে পারে।
আয় দেখলেন এবার ব্যয় দেখুন।
Normally UBER says, you can earn up to 20,000 Taka per week by
attaching your car with U BER. So monthly income will be =20,000 x 4 = 80,000 taka.
This 80,000 Taka is your income; not profit. Yes, according to UBER, this will be yohur monthly income.
Now here comes the cost calculation:
In a month, you can have maximum use 25days (weekly 1 day off for driver). So you have to earn per day = 80,000/25= 3,200 Taka.
1. Uber commission = 80,000 x 25% = 20,000 Taka.
2. Driver's salary = 15,000 Taka (minimum)
3. Driver's lunch = 100 per day;
So lunch bill = 100 x 30= 3,000 Taka
4. For earning 3,200 Taka per day, fuel cost will be minimum = 1,000 Taka.
So, monthly fuel cost = 1,000 x 25= 25,000 Taka.
So, this is your total running cost per month is = 20,000 + 15,000 + 3,000 + 25,00 = 63,000 Taka.
So, you are thinking now, you have a profit = 80,000 - 63,000 = 16700 Taka.
NO, this is WRONG.
*if you use your car for fully business purpose in UBER, you have to think that, at the end of the year, you have to pay almost 24,000 Taka for renew all papers. It means per month cost = 24,000/12 = 2,000 Taka.
*If you want to earn 3,200 Taka per day, you have to drive more or less 100km per day which means 100x 25 x 12 = 30,000 km per year or more. Definitely it will cost you --
Minimum 4 wheels (actually lifetime max 20,000km) = 4 x 5,000 = 20,000 Taka per year. Means tyre cost =20,000/12= 1,500 Taka per month.
*Engine Oil + Gear oil cost per month = 2,000 Taka (minimum for a fully functional car)
*If you want to keep your AC fully running all through the year (30,000km running), you must have to change Radiator, Condenser, AC gas refueling at least once in a year = 5,000 + 5,000 + 2,000 = 12,000 Taka per year = 12000/12= 1,000 Taka per month.
* definitely you have to calculate the engine+ gear box cost within 2 years (almost 60-70,000 km run). So, Engine + gear box replacement (minimum) = 40,000 Taka in 2 year= 20,000 Taka per year = 1,500 Taka per month.
* Dent-Paint in minimum 2 years = 30,000 Taka in 2 years= 15,000 Taka per year = 1250 Taka per month.
* car wash & servicing per month = 750 Taka minimum.
* at least a little bit repairing in a month = 1000 Taka (this is the not only minimum, actually nothing)
So, now you can calculate all the hidden cost = papers + tyres + engine oil + AC + engine-gear box + Dent-paint+ car wash + repair = 2000+1500+2000+
1000+1500+1250+750+ 1000= 11,000 Taka per month.
So calculate the profits = 80,000-63,000-11,000=6000 Taka per month!!!!!!
YESSSSS!!!! This 6,000 Taka per month is your Actual Profit!!!!!!!
(Definitely there is huge cash flow, but profit is not as like as cash flow; only if your car is in UBER business, calculation is like that).
(Collected)

goo.gl 05/05/2017

চিনির পরিবর্তে আমরা খাচ্ছি মেগনেসিয়াম সালফেট???
"এমন কোনো রোগ নাই যা আমাদের হবে না"

শুনুন তাহলে বিষ+বিষ এর ভয়াবহ কাহিনী যা আমদের খাওয়ানো হচ্ছে। নিষিদ্ধ ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) হাজার হাজার টন আমদানি হয়ে দেশে ঢুকছে কিভাবে? অনেক দিনের চেষ্টায় ক্লু পেয়ে গেলাম বণিক বার্তা পত্রিকার এক সংবাদে। সাইট্রিক এসিড নামে আমদানি হচ্ছে এই বিষ। দেয়া হচ্ছে, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কন্ডেন্সড মিল্ক প্রভৃতি মিষ্টি
জাতীয় খাদ্য দ্রব্যে।

চিনির চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ গুণ বেশি মিষ্টি এই ঘন চিনি পৃথিবীর অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে এই চিনি।
সাইট্রিক এসিড এর মত দেখতে হুবহু এক রকম বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি সহজেই সাইট্রিক এসিড নামে ও কোডে ঘন চিনি আমদানি করছে।
ঢাকার মিটফোর্ড থেকে বের করলাম আরও এক নামে ঘন চিনি আমদানি হচ্ছে। সোডিয়াম সাইট্রেট দেখতেও ঘন চিনির মত দেখতে। সাইট্রিক এসিড এবং সোডিয়াম সাইট্রেট নামে আসছে নিষিদ্ধ বিষ ঘন চিনি। বণিক বার্তার সাংবাদিক ভাই খবর দিলেন মিটফোর্ডে দুই রকম
ঘন চিনি বিক্রি হয়। একটা পিউর অন্যটা ভেজাল মিশ্রিত। পিউর ঘন চিনি কেজি ২২০ টাকা হলে ভেজাল ঘন চিনি ১৪০ টাকা কেজি। মাথাটা ঘুরে গেল!! বিষের সাথে বিষ! সেখানে সংবাদ নিলাম কম দাম বিধায় এই ভেজাল ঘন চিনির বিক্রি সর্বাধিক। সবাই গাড়ি ভর্তি করে এই ভেজাল ঘন চিনি নিয়ে যায় বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে দেয়ার জন্য।
ভেজাল মিশাতে হলে তো ঘন চিনির মতই অন্য কোন একটি দ্রব্য মেশাতে হবে, যার দাম হবে খুব কম এবং মিষ্টি অথবা টেস্টলেস হতে হবে। কি হতে পারে তা?? দুই দিন ঘুমাতে পারিনি। সমানে পারমুটেশন কম্বিনেশন করতে লাগলাম। কি সেই আইটেম? কেউ বলে না। গুগলে ঘন চিনির ছবি
বের করে তার সাথে মিল রেখে খুঁজতে লাগলাম আইটেম।
হটাত মাথার মধ্যে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না, কি করে সম্ভব!! আমার এক ভাই সার (ফার্টিলাইজার) বিক্রি করে। তাকে বললাম, “চিনির মত দানাদার সার কি আছে
রে?” ইউরিয়া? না ইউরিয়া গোলাকার এবং খুব খারাপ স্বাদ। আর কি আছে? আচ্ছা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার? ভাই আমার
লাফ দিয়ে উঠল!! হ্যাঁ ভাই, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে চিনির মত দানাদার, দাম কম ১৫/২০ টাকা কেজি এবং স্বাদহীন।
এবার আমি লাফ দিয়ে উঠে গুগলে ছবি দেখলাম। ঘন চিনি এবং ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে একই রকম। বিশ্বাস হচ্ছিল
না, যে আমাদের সার খাওয়াচ্ছে আর একটি বিষের সাথে। সেই সাংবাদিক ভাইয়ের দ্বারা মিটফোর্ড থেকে ভেজাল এক কেজি সার কিনে আমি সরকারীভাবে চিঠি দিয়ে ১০০ গ্রাম নমুনা
পরীক্ষার জন্য পাঠালাম সরকারী ল্যাব (সারের জন্য) খামার বাড়ির মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটে। ঘুম হারাম হয়ে গেল আমার টেনশনে। রিপোর্ট পেলাম সেই ঘন চিনির নমুনায়
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার পাওয়া গেছে।
যা সন্দেহ করেছি তাই। সেই সার মিশ্রিত ঘন চিনির প্যাকেট বা নমুনা না দেখেই এত হাজার লাখ আইটেমের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার কিভাবে নির্বাচিত করলাম, তা সত্যিই হবাক হবার বিষয়!!

কয়েকজন বিজ্ঞানী রসায়নবীদকে জিজ্ঞাস করলাম, সার খেলে কি হয়? তাঁরা হতবাক হয়ে গেলেন। কেন সার খাবেন কেন? আমি
বললাম, যদি খাই। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার সাথে ঘন চিনি!! হেসে তাঁরা উত্তর দিলেন, "ভাই আপনার শখ লাগলে আপনি খান। তবে দুনিয়ার কোন অসুখ থেকে বাদ যাবেন না এবং প্রথম
শেষ হবে বাচ্চারা"।
নানা ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাদ্যে দীর্ঘদিন ধরে এক বিষ ঘন চিনির সাথে আর এক বিষ রাসায়নিক সার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট খেয়ে আমাদের পরিণতি কি হচ্ছে?? পৃথিবীর কোথাও আছে মানুষকে সার খাওয়ানোর উদাহরণ??
কোথায় আছি আমরা? কোথায় আমাদের গন্তব্য? কে আমাদের বাঁচাবে, বাঁচাবে আমাদের সন্তানদের?

goo.gl

25/08/2016

একটা ছোট গল্প---
বাবা ৫০০ টাকা লাগবে?
-কেনো?
হাত খরচের জন্য।
পকেট থেকে বের করে
দিলো।
কিছু দিন পর।
বাবা, ৩৫০ টাকা লাগবে।
-কেনো?
নেট নিবো তাই ।
-তোর মার কাছ থেকে
নিস।
আবার, বাবা টাকা
লাগবে।
-কেনো?
বন্ধুরা সবাই পিকনিক
করবো।
-নিস পরে।
না - না, এখনই দাও,
-পকেট হাতড়ে কিছু
টাকা দিলো।
বাবা বই কিনতে হবে,
টাকা দাও।
-খুশি হয়ে, কতো
লাগবে?
৫০০ টাকা?
(বাড়িয়ে বললাম।
(বাকিটা আমার)
-
আমরা মধ্যবিত্ত
পরিবারের ছেলে।
আমাদের এতো চাহিদা
থাকতে নেই, তবুও
তৈরী হয়ে যায়।
আর এই সব চাহিদা
একা কষ্ট করে যে
মানুষ গুলো পূরন করে
চলেছে তাদের নাম
“বাবা - মা“
-
এমনও হয়েছে, বাসায়
ঢুকছি,
তখন বাবা - মা কথা
বলছে "ছেলেটির বই
কিনে দিতে হবে,
আবার তোমার
ডাক্তারও দেখানো
লাগবে।
মা কোন দ্বিধা ছাড়াই
আমার বই আগে
কিনতে বলে।
পরে বাবা টাকা
ম্যানেজ করে বই,
ডাক্তার দুইটারই
ব্যাবস্থা করে।
ঈদের মার্কেট করার
সময়, বাবাকে কিছু
নিতে বলি, নেয় না।
শুধু বলে.... আমার তো
জামা আছে,
এইটা দিয়েই চলে
যাবে।
কারন, আমাদের
জামা - কাপড় কিনতে
টাকার শর্ট পরে তাই।
[ নিজে ৩ বছর পুরাতন
জামা পড়ে
কিন্তু, আমাদের
কয়েকদিন পরপর জামা
প্যান্ট কিনে দেয় ]
এত কিছুর পরও আমরা
বাবার মার সাথে খারাপ
ব্যাবহার করে ফেলি।
বুঝতে পারি পরে,
আসলেই বড় ভুল করে
ফেলেছি।
"মাথার উপর একটা
বটগাছ আছে তো তাই
বুঝি না"

Photos from Shaikh Burhanuddin Post Graduate College's post 16/08/2016

নাপিত্তাছড়া এবং খৈয়াছড়া - এক ভ্রমণে আমাদের দেশের ভয়ংকর সুন্দর দুটি ঝর্ণা/ট্রেইল ঘুরে আসবেন যেভাবে, একদিন হাতে থাকলেই ছুটে যেতে পারেন এখানে ! যেকোন সমস্যায় ফোন দিলে আমরা ট্যুরিস্ট পুলিশ তো সাথে আছিই ....

প্রথমে প্ল্যান ছিলো শুধুমাত্র খৈয়াছড়াতে যাবো। কিন্তু বাংলাদেশের সব থেকে সুন্দর ঝিরিপথ নাপিত্তাছড়ার ট্রেইল। কথাটি শোনার পর প্ল্যান পরিবর্তন করে নিলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম দুটোতেই যাবো একদিনে। শরীরের উপর এক অমানুষিক অত্যাচারের সিধান্ত নিয়ে বের হয়ে গেলাম বৃহস্পতিবার রাতে।

যেভাবে যাবেনঃ আমি যেহেতু আগে যাই নি তাই সিধান্ত নিয়েছিলাম নাপিত্তাছড়া যাবো, তাই চট্টগ্রামের বাসেই উঠেছিলাম। ভাড়া জন প্রতি ৪৮০ টাকা। কারণ আপনি যদি দুইটি ঝর্না একদিন দেখতে চান তাহলে আপনাকে নাপিত্তাছড়ার ট্রেইল শুরু করতে হবে সকাল ৬ টা থেকে ৬ টা ৩০ মিনিটের এর মাঝেই। সেজন্য বলব দুইটি একসাথে দেখতে চাইলে চিটাগং এর বাসে উঠাই বেটার। সময় পাবেন তাহলে খৈয়াছড়ার জন্য পর্যাপ্ত। মিরেরসরাই ক্রস করার পর বরতাকিয়া বাজার, বরতাকিয়া ক্রস করার পর আপনি ডান দিকে খেয়াল করবেন। রাস্তার ডানে একটি সুন্দর মসজিদ দেখতে পাবেন , সেখানেই নেমে পড়বেন। আসলে এটিই ন দুয়ারি বাজার। লোকাল বাজার হবার জন্য পরিবহনের অনেকেই স্থানটির নাম জানে না। তাই এভাবে বললাম। আপনি যে সাইডে নামবেন সেখানেই দেখবেন কিছু দোকান রয়েছে। পাশের রাস্তার ভিতরে প্রবেশ করে হাটা শুরু করলেই আপনি পেয়ে যাবেন নাপিত্তাছড়ার ঝিরিপথ। শুরু হবে বাংলাদেশের সব থেকে সুন্দরতম ট্রেইল (বিস্তারিত নাপিত্তাছড়ার বর্ননাতে)। নাপিত্তাছড়া ঘুরে আসতে আপনার সময় লাগবেন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা। সে হিসাবে আপনি ১১ টায় আবার ন দুয়ারি বাজার চলে আসবেন। দোকান থেকে সিংগারা ও কেক খেয়ে নিবেন এনার্জির জন্য। এরপর রাস্তা পার হয়ে লেগুনা বা লোকাল বাসে করে খৈয়াছড়ার উদ্দেশ্যে যাবেন। আপনাকে নামিয়ে দিবে খৈয়াছড়ার সাইনবোর্ড যেখান স্থাপন করা রয়েছে সে স্থানে মেইনরোডে।

আপনি রাস্তা পার হয়ে সি এন জি পাবেন। রেললাইন পর্যন্ত সি এন জি ভাড়া ২০ টাকা আর একেবারে প্রথম সাকো পর্যন্ত ভাড়া ৩০ টাকা জনপ্রতি ( প্রথম সাকো পর্যন্ত যাবেন সি এন জি তে হাটার দরকার নেই)। এরপর শুরু হবে খৈয়াছড়া ট্রেইল। বাংলাদেশের সব থেক বড় জলপ্রপাত আমার মতে। পুরো দেখতে আপনার সময় লাগবে ৫ ঘন্টার মত। বিকাল ৫ টায় নেমে ভাত খেয়ে নিবেন এরপর মিরেরসরাই থেকে বাসে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে আসবেন। ভাড়া জন প্রতি ৩৫০ টাকা।
রুটঃ ঢাকা -> মিরেরসরাই->বড়তাকিয়া-> ন দুয়ারি বাজার -> নাপিত্তাছড়া -> ন দুয়ারি বাজার -> খৈয়াছড়া -> মিরেরসরাই -> ঢাকা
ভাড়াঃ ৪৮০ টাকা + ১০ টাকা + ৩০ টাকা + ৩০ টাকা + ৫ টাকা + ৩৫০ টাকা = ৯০৫ টাকা
খাওয়া দাওয়া সহ ১১০০-১২০০ টাকা লাগবে।
নাপিত্তাছড়াঃ আগেই বলেছি বাংলাদেশের সম্ভবত সব থেকে সুন্দর ট্রেইল হল নাপিত্তাছড়া। এই ঝিরিপথে মোট ঝরনা আছে ৩ টা। কুপিকাটাখুম, বাগবিয়ানি এবং বান্দারাখুম।

সবার আগে পড়ে কুপিকাটাখুম তবে তার আগে বিশাল জল্প্রপাতের এক পাহাড় পাড় হতে পবে। এর আগে একটা বিপদজ্জনক বাঁক রয়েছে। সেখানে পৌছাতে সময় লাগবে ৪০ মিনিট এর মত।

কুপিকাটাখুম এ আমরা কয়জন

এরপর কুপিকাটাখুম এর দিকে দাড়ালে ডান দিকে এক পাহাড়ি সিড়ির দেখা মিলে তা পার হয়ে পাহাড় দিয়ে মিনিট ৫ হাটলে আবার ঝিরিপথ পড়বে। সেখান থেকে কিছুদূর গেলে দুটি পথের দেখা মিলে। দু দিকে দুইটি বিশাল ঝর্নার দেখা মিলে। বামদিকের ট্রেইলে বাঘবিয়ানি ঝরনা পড়ে আর ডানদিকের ট্রেইলে পড়ে বান্দরখুম ঝরনা। দুইটি ঝর্নার পানি খুব উচু থেকে পড়ে এবং খুবই শীতল।

খৈয়াছড়াঃ বাংলাদেশ এর একমাত্র ৯ স্টেপ এর বিশাল ঝরনা খৈয়াছড়া। এই স্টেপ গুলার আরো উপরে গেলে পাওয়া যায় ডাবল ফলস। খৈয়াছড়ার ঝর্ণার সবগুলো স্টেপ ছাড়িয়ে আরো অনেকটুকু গেলে শেষ সীমা “আমতলী কুম” , সেখানে যাওয়ার পথে হাতের ডানপাশে (দক্ষিণ) একটি চিকন ধারার ঝিরি চোখে পড়ে। সেই পাথুরে সংকীর্ণ ঝিরিপথে কিছুটা গেলে চোখে পড়বে ৩ স্টেপ বিশিষ্ট “শিমুলতলী ঝর্ণা। খৈয়াছড়ার উপরের স্টেপ গুলো দেখার জন্য জীবনের ঝুকির মত নেওয়া লাগবে।

কারণ গাছের শিকড় ছাড়া আর তেমন কোন অবলম্বন নেই সেখানে। আর পাথরগুলো খুবই পিচ্ছিল, এছাড়া প্রথম সাঁকো থেকে খৈয়াছড়ার আসার ৪০ মিনিটের পথটিও খুব সোজা নয়। কাদামাটি ও পিচ্ছিল পথ পুরোটি। তাই খুব সাবধান থাকবেনে ই বিশাল জল্প্রপাত দেখার সময়। বর্ষার শেষদিকে যাওয়া ভালো তবে তখন এমন পানি নাও পেতে পারেন। যাবার আগে ৩ টা হোটেল পরবে খৈয়াছড়াতে, আপনি চাইলে সেখানে সব স্টেপ দেখে এসে খাবার খেতে পারেন। ১০০-১২০ টাকার মত লাগবে।
মেন্যুঃ ভাত (১০ টাকা), আলু ভর্তা (১০ টাকা), ডিম রান্না (২৫ টাকা), গরুর মাংশ (৮০ টাকা), মুরগী (৭০ টাকা), ডাল (ফ্রি) পানি ( ২ লিটার -৩৫ টাকা)
ফেরার সময় চাইলে একটু হেঁটে ফিরতে পারেন আশেপাশের প্রকৃতি দেখতে দেখতে। তবে তার জন্য পায়ে জোর থাকা আবশ্যক। লবন এবং ডেটল জাতীয় কিছু অবশ্যই নিবেন। সাথে নিবেন একসেট কাপড় :)

লেখাঃ আল মানি

Collected......

15/08/2016

বাবাঃ খুব সুন্দর মোবাইল ! কত দিয়ে কিনলে ?
মেয়েঃ এই তো ৫০,০০০ টাকা দিয়ে ফোন, ১২০০ টাকা দিয়ে কাভার আর ২০০ টাকা দিয়ে স্ক্রিন প্রটেকটর ।
বাবাঃ আচ্ছা তুমি কেন কাভার এবংস্ক্রিন প্রটেকটরটি কিনলে ? তুমি তো চাইলে আরো ১৪০০ টাকা সেইভ করতে পারতে ।
মেয়েঃ বাবা, আমি ৫০,০০০টাকা দিয়ে মোবাইল কিনতে পারলাম, আর এর সুরক্ষার জন্য ১৪০০ টাকা খরচ করতে পারব না ?
বাবাঃ এটা কি অ্যাপল কোম্পানির জন্য অপমান না ? তারা কি যথেষ্ট সুরক্ষার ব্যবস্থা করে ফোনটা তৈরি করেনি ?
মেয়েঃ না বাবা, তারা নিজেরাই পরামর্শ দিয়েছে যেন আমরা স্ক্রিনপ্রটেকটর এবং কাভার ব্যবহার করি এর সুরক্ষার জন্য । আর ফোনটার কোনো ক্ষতি হোক তা আমি চাই না ।
বাবাঃ এটার কারণে কি ফোনটার সৌন্দর্য কমে যাচ্ছে না ?
মেয়েঃ না বাবা, সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে ।
এরপর বাবা তার মেয়ের দিকে তাকালেন এবং ভালোবাসা মাখা একটা হাসি দিয়ে বললেনঃ আমার মেয়ে তুমি জানো আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি । তুমি ফোনটা কিনতে ৫০,০০০ টাকা খরচ করলে এবং আরো ১৪০০ টাকা খরচ করলে এর সুরক্ষার জন্য, খুব ভালো । কিন্তু যিনি তোমাকে খুব সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাকে নির্দেশও দিয়েছেন তোমার সুরক্ষার জন্য যেন কাভার তথা হিজাব পরিধান কর, তাহলে তোমার কি সেই সৃষ্টিকর্তার কথা শোনা উচিত না ? ফোনটার সুরক্ষার জন্য তুমি কী করলে তার জন্য তোমাকে আখিরাতে প্রশ্ন করা হবেনা, কিন্তু হিজাবের জন্য আমাকে এবং তোমাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করা হবে ।

N.B: Collected.......

15/08/2016

স্মার্টফোনের ব্যটারী ভালো রাখার ৬ টিপস্!

স্মার্টফোনের ব্যটারী ভালো রাখার ৬ টিপস্!
স্মার্টফোন এখন প্রত্যেকের হাতে হাতে। হাতের মুঠোতেই বন্দি বিশ্ব। কিন্তু সব স্মার্টফোনে একটাই সমস্যা। ব্যাটারি। ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। ব্যাটারি খারাপও হয় তাড়াতাড়ি। তবে এই ৬টা জিনিস মেনে চললে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।

১) ব্যাটারি কখনওই ১০০ শতাংশ পুরো চার্জ করা উচিত নয়। কারণ ৮০ শতাংশ চার্জ হওয়ার পরই ব্যাটারির 'সোয়েটিং পিরিয়ড' শুরু হয়। তাই একটু কম চার্জ করা ব্যাটারির জন্য ভালো।

২) ১০ শতাংশে চার্জ নেমে গেলেও আমরা অনেকসময় ফোন ব্যবহার করতে থাকি। কখনওই এটা করা উচিত নয়। যত কম চার্জে ফোন ইউসেজ, তত বেশি ব্যাটারির উপর চাপ পড়বে। তাই ব্যাটারি ক্ষমতা ১০ শতাংশে নেমে গেলেই তত্ক্ষণাত্ চার্জ দেওয়া উচিত।

৩) বাইরের উত্তাপ ফোনে যত কম লাগে, তত ভালো। কারণ ফোন যত গরম হয়ে ওঠে, ততই ব্যাটারির ক্ষমতা কমে। তাই ফোন হাতে না রেখে ব্যাগের ভিতর রাখা ভালো।

৪) রাস্তাঘাটে পাওয়ার ব্যাঙ্কের প্রয়োজন পড়ে ঠিকই, তবে পাওয়ার ব্যাঙ্ক দিয়ে বেশি চার্জ দিলেও ব্যাটারির ক্ষতি হয়।

৫) চার্জে থাকা অবস্থায় কাজ করলে ফোন গরম হয়ে ওঠে। এতে ব্যাটারির ক্ষতি হয়। কোনও কেসের মধ্যে রেখে চার্জ দিলেও ব্যাটারি গরম হয়ে ওঠে।

৬) ওভার চার্জিং কখনও উচিত নয়। এর ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয় ফোনের ব্যাটারির।

Collected.....

Want your school to be the top-listed School/college in Fulbaria?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Fulbaria