Azaan: আজান

Azaan: আজান Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Azaan: আজান, Education Website, Fulbaria.

🕋 Azaan:(আজান)
✨ ঈমান জাগাবে প্রতিটি পোস্ট!

📖 কুরআনের আলো |
🕌 হাদীসের শিক্ষা |
🤲 দোয়ার সৌন্দর্য
💭 ইসলামিক নসীহা |
📜 ইতিহাস |
❤️ হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কথা

🔊 ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ

💬 পেইজটি শেয়ার করে ইসলাম প্রচারে অংশ নিন।

17/06/2026

#শিরোনাম: নামাজের দোয়াগুলো কি অর্থ বুঝে পড়ছি? একটি চমৎকার দোয়া আমলের চেষ্টাঃ

আমরা প্রায় সবাই নামাজের তাশাহুদ ও দরুদ শরীফের পর দোয়া মাসুরা পড়ি। কিন্তু নামাজের ভেতরে এমন আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দোয়া রয়েছে, যা আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) নিয়মিত আমল করতেন।
আমরা সাধারণত নামাজের দোয়া বা সূরাগুলো মুখস্থ পড়ি, কিন্তু আল্লাহর কাছে ঠিক কী ফরিয়াদ করছি, তা অনেক সময় জানি না। যদি প্রতিটি শব্দের অর্থ বুঝে ইবাদত করতে পারতেন, তবে নামাজের প্রশান্তি যে কতটা গভীর হতো, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। মনে হতো—আমি সরাসরি আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইছি, তাঁর কাছেই সবিনয়ে নালিশ করছি।
আজ একটি সুন্দর দোয়ার অর্থ ও শব্দ বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরলাম। সময় নিয়ে এটি পড়ুন, অর্থগুলো বোঝার চেষ্টা করুন এবং সম্ভব হলে মুখস্থ করে নিন।

দোয়াটি হলো:اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির-লী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখখারতু, ওয়া মা আসরারতু, ওয়া মা আ'লানতু, ওয়া মা আসরাফতু, ওয়া মা আনতা আ'লামু বিহি মিন্নী, আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুয়াখখিরু, লা ইলাহা ইল্লা আনতা।

সহীস মুসলীম-৭৭১, সুনানে আবু দাউদ-৭৬০ (রাসুল সঃ) শেষ বৈঠকে তাশাহুদ ও দুরুদ পড়ার পর (সালাম ফেরানোর আগে) নিয়মিত পাঠ করতেন।

সহজ অর্থ: "হে আল্লাহ! আপনি আমার সেইসব গুনাহ ক্ষমা করে দিন—
১. যা আমি আগে করেছি (অতীতের ভুল) এবং যা পরে করেছি (ভবিষ্যতের ভুল),
২. যা আমি গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি, ৩. যেসব বিষয়ে আমি সীমালঙ্ঘন করেছি,
৪. এবং আমার যে অপরাধ সম্পর্কে আমার চেয়েও আপনি ভালো জানেন।
৫. আপনিই (যাকে ইচ্ছা) এগিয়ে দেন এবং আপনিই (যাকে ইচ্ছা) পিছিয়ে দেন।
৬. আপনি ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ (ইলাহ) নেই।"

কেন এই আমলটি করবেন?

এই দোয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের সব ভুল, প্রকাশ্যে-গোপনে করা পাপ এবং সীমা লঙ্ঘনের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছি। আল্লাহ যদি এই দোয়াটি একবার কবুল করে নেন, তবে সেই দিন থেকেই আমরা আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারব—ইনশাআল্লাহ।

আমার অনুরোধ: খুব বেশি সময় লাগবে না, প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় নিয়ে দোয়াটি মুখস্থ করার চেষ্টা করুন। মুখস্থ করতে কষ্ট হলে একটি ছোট নোট খাতায় লিখে রাখুন এবং নামাজের পর বা অন্য সময়ে অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন।

আল্লাহ আমাদের সকলকে অর্থ বুঝে ইবাদত করার তৌফিক দান করুন এবং আমাদের আমলগুলো কবুল করুন। আমিন।

Eyasin Al Mamun

*মূল গঠন (শব্দে শব্দে বিশ্লেষণ)
اللَّهُمَّ
আল্লাহুম্মা
হে আল্লাহ!
اغْفِرْ لِي
গফির-লী
আপনি আমাকে ক্ষমা করুন
مَا قَدَّمْتُ
মা ক্বাদ্দামতু
যা আমি আগে করেছি
وَمَا أَخَّرْتُ
ওয়া মা আখখারতু
এবং যা আমি পরে করেছি
وَمَا أَسْرَرْتُ
ওয়া মা আসরারতু
এবং যা আমি গোপনে করেছি
وَمَا أَعْلَنْتُ
ওয়া মা আ'লানতু
এবং যা আমি প্রকাশ্যে করেছি
وَمَا أَسْرَفْتُ
ওয়া মা আসরাফতু
এবং যাতে আমি সীমা লঙ্ঘন করেছি
وَمَا أَنْتَ
ওয়া মা আনতা
এবং যা আপনি
أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي
আ'লামু বিহি মিন্নী
আমার চেয়ে বেশি ভালো জানেন
أَنْتَ الْمُقَدِّمُ
আনতাল মুকাদ্দিমু
আপনিই (কাউকে) অগ্রগামী করেন
وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ
ওয়া আনতাল মুয়াখখিরু
এবং আপনিই (কাউকে) পশ্চাতগামী করেন
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ
লা ইলাহা ইল্লা আনতা
আপনি ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই।

#ইসলামিকজ্ঞান #নামাজ #ইবাদত #আত্মশুদ্ধি #দোয়া
Azaan: আজান

26/04/2026

📖 সূরা আল-বাকারা — আয়াত ১ তাফসীর
১. আয়াত এবং উচ্চারণ
الٓمّٓ
বাংলা উচ্চারণ: আলিফ-লাম-মীম।

২. অনুবাদ ও শব্দার্থ
বাংলা অনুবাদ: আলিফ-লাম-মীম।
এগুলো 'হরুফে মুকাত্তাআত' বা বিচ্ছিন্ন অক্ষর। এর শাব্দিক কোনো একক অর্থ আমাদের ভাষায় হয় না, কারণ এগুলো আরবী বর্ণমালার অক্ষর মাত্র।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বিশ্লেষণ:
ا (আলিফ): আরবী বর্ণমালার প্রথম অক্ষর।
ل (লাম): আরবী বর্ণমালার একটি অক্ষর।
م (মীম): আরবী বর্ণমালার একটি অক্ষর।

৩. তাফসির (বাক্যভিত্তিক আলোচনা)
এই আয়াতটি কুরআনের ২৯টি সূরার শুরুতে ব্যবহৃত 'হরুফে মুকাত্তাআত' বা বিচ্ছিন্ন অক্ষরগুলোর একটি। এর ব্যাখ্যা নিয়ে মুফাসসিরগণের (তাফসিরবিদ) প্রধান দুটি অভিমত রয়েছে:
১. রহস্যময়তা: অধিকাংশ সাহাবী এবং বড় বড় আলেমদের মতে, এর প্রকৃত অর্থ একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক গভীর রহস্য, যা বান্দার কাছে অপ্রকাশিত রাখা হয়েছে। এটি মানুষের সীমাবদ্ধতা প্রমাণের একটি মাধ্যম।
২. চ্যালেঞ্জ: অন্য একদল মুফাসসিরের মতে, এর মাধ্যমে আরবের কাফেরদের চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই কুরআন তো তোমাদেরই ব্যবহৃত বর্ণমালার (আলিফ, লাম, মীম ইত্যাদি) সংমিশ্রণে তৈরি। যদি তোমরা মনে করো এটি কোনো মানুষের তৈরি, তবে তোমরাও এই অক্ষরগুলো দিয়ে এমন একটি সূরা তৈরি করে দেখাও। কিন্তু তারা তা করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা প্রমাণ করে কুরআন মহান আল্লাহর বাণী।

৪. আয়াতের মূল শিক্ষা
অজ্ঞতা স্বীকার করা: মহাবিশ্বের সব বিষয়ের জ্ঞান মানুষের নেই। আল্লাহর কিতাবের শুরুতেই এমন কিছু অক্ষর রাখা হয়েছে যার অর্থ আমরা জানি না। এটি আমাদের বিনয় শেখায় যে, আমরা আল্লাহর অসীম জ্ঞানের সামনে কতটুকু নগণ্য।

কুরআনের অলৌকিকত্ব: আরবী ভাষার সাধারণ অক্ষর দিয়ে তৈরি হওয়ার পরও কুরআনের মতো কিতাব বা বাক্য রচনা করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
শ্রবণ ও আনুগত্য: অর্থ না বুঝলেও এই অক্ষরগুলো তিলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যায়। এটি আল্লাহর ইবাদতের একটি অংশ।

সূরা বাকারার
#আয়াত- ২ নম্বর আয়াতটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এখানে এই মহাগ্রন্থের সত্যতা এবং এর মূল উদ্দেশ্যের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

১. আয়াত এবং উচ্চারণ
ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ
বাংলা উচ্চারণ: যালিকাল কিতাবু লা রাইবা ফীহি, হুদাল লিল মুত্তাকীন।

২. অনুবাদ ও শব্দার্থ
বাংলা অনুবাদ: এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই, (এটি) মুত্তাকীদের (পরহেযগারদের) জন্য পথনির্দেশ।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বিশ্লেষণ:
ذَٰلِكَ (যালিকা): ওই বা এটি। (এখানে সম্মান বোঝাতে 'যালিকা' ব্যবহৃত হয়েছে)।
الْكِتَابُ (আল-কিতাব): মহাগ্রন্থ বা এই কিতাব।
لَا رَيْبَ (লা রাইবা): কোনো সন্দেহ নেই।
فِيهِ (ফীহি): এর মধ্যে।
هُدًى (হুদান): পথনির্দেশ বা পথপ্রদর্শক।
لِّلْمُتَّقِينَ (লিল মুত্তাকীন): মুত্তাকীদের জন্য (যারা আল্লাহকে ভয় করে এবং সাবধানে চলে)।

৩. তাফসির (বাক্যভিত্তিক আলোচনা)
আয়াতটিকে তিনটি প্রধান অংশে ভাগ করে আলোচনা করা যায়:
ক. এটি সেই কিতাব: আল্লাহ তাআলা এখানে দৃঢ়তার সাথে বলছেন যে, এটিই সেই প্রতিশ্রুত কিতাব যা পূর্ববর্তী নবীগণের মাধ্যমে আসার সংবাদ দেওয়া হয়েছিল। এটি কোনো সাধারণ বই নয়, বরং এটিই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।
খ. যাতে কোনো সন্দেহ নেই: কুরআন যে মহান আল্লাহর বাণী, এর সত্যতা এবং নির্ভুলতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। এর ঐতিহাসিক বিশুদ্ধতা, ভাষাশৈলী এবং তথ্যের সত্যতা চ্যালেঞ্জের ঊর্ধ্বে।
গ. মুত্তাকীদের জন্য পথনির্দেশ: যদিও কুরআন পুরো মানবজাতির কল্যাণের জন্য এসেছে, কিন্তু এর সঠিক শিক্ষা এবং হিদায়াত কেবল তারাই লাভ করতে পারে যাদের অন্তরে 'তাকওয়া' বা আল্লাহর ভয় আছে। যারা সত্যকে গ্রহণ করার মানসিকতা রাখে না, তাদের জন্য এই কিতাব কার্যকর হয় না।

৪. আয়াতের মূল শিক্ষা
দৃঢ় বিশ্বাস: একজন মুমিনকে সবার আগে এই বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে যে, কুরআন শতভাগ নির্ভুল এবং এতে কোনো অসঙ্গতি নেই।
হিদায়াতের শর্ত: কুরআন থেকে উপকার পেতে হলে অন্তরে বিনয় এবং আল্লাহর ভয় থাকতে হবে। গোঁড়ামি বা অহংকার নিয়ে কুরআন পড়লে সঠিক পথ পাওয়া কঠিন।
জীবনের মানদণ্ড: এই আয়াতটি স্পষ্ট করে দেয় যে, মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে সঠিক পথ পাওয়ার প্রধান উৎস হলো এই কিতাব।

চলবে.....
#তাফসির
#সুরা-আল বাকারা

03/03/2026

সূরা-আল কারিয়া’হ (শব্দে শব্দে সুরা এর বিশ্লেষণ শিখি)

★ ১ নম্বর আয়াত:
الْقَارِعَةُ (আল-ক্ব-রি‘আহ)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
الْقَارِعَةُ (আল-ক্ব-রি‘আহ): করাঘাতকারী / মহাপ্রলয় / খটখটকারী শব্দ।
এটি আরবি শব্দ 'ক্বারা-আ' (قَرَعَ) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো—এমন জোরে কোনো কিছুতে আঘাত করা যা থেকে বিকট শব্দ উৎপন্ন হয় (যেমন দরজায় জোরে ধাক্কা দেওয়া)।

কিয়ামতের দিনকে 'আল-ক্বারিআহ' বলা হয় কারণ সেই দিনটির ভয়াবহতা এবং বিকট আওয়াজ মানুষের কানে ও হৃদয়ে সজোরে আঘাত করবে এবং পুরো বিশ্বকে থরথর করে কাঁপিয়ে দেবে।

সহজ কথায়: "(এটি সেই) করাঘাতকারী মহা বিপদ (কিয়ামত)!"

★ ২ নম্বর আয়াত:
مَا الْقَارِعَةُ
(মা-ল ক্ব-রি‘আহ)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· مَا (মা): কী? (এটি প্রশ্নবোধক অব্যয়)।
· الْقَارِعَةُ (আল-ক্ব-রি‘আহ): সেই করাঘাতকারী / সেই মহাপ্রলয়।


সহজ কথায়: "(সেই) করাঘাতকারী বা মহাপ্রলয়টি কী?"

★ ৩ নম্বর আয়াত:
وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلۡقَارِعَةُ
(ওয়া মা- আদরা-কা মাল ক্ব-রি‘আহ)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· وَمَا (ওয়া মা): আর কিসে / আর কী।
· أَدْرَىٰكَ (আদরা-কা): আপনাকে জানাবে / আপনাকে ধারণা দেবে। ('আদরা' মানে জানানো, 'কা' মানে আপনাকে)।
· مَا (মা): কী।
· الْقَارِعَةُ (আল-ক্ব-রি‘আহ): সেই করাঘাতকারী / মহাপ্রলয়।

সহজ কথায়: "আর কিসে আপনাকে জানাবে যে, সেই করাঘাতকারী মহাপ্রলয়টি কী?"

★ ৪ নম্বর আয়াত:
يَوۡمَ يَكُونُ ٱلنَّاسُ كَٱلۡفَرَاشِ ٱلۡمَبۡثُوثِ
(ইয়াওমা ইয়াকূনুন-না-সু কাল ফারা-শিল মাবছূছ)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· يَوْمَ (ইয়াওমা): সেই দিন।
· يَكُونُ (ইয়াকুনু): হবে / হয়ে যাবে।
· النَّاسُ (আন-নাসু): মানুষ / সকল মানুষ।
· كَ (কা): মতো (তুলনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়)।
· الْفَرَاشِ (আল-ফারাশ): পতঙ্গসমূহ বা ফড়িং (বিশেষ করে যেগুলো আগুনের চারপাশে ওড়ে)।
· الْمَبْثُوثِ (আল-মাবছূছ): ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা / বিক্ষিপ্ত।
সহজ কথায়: "সেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো।"

★ আয়াত ৫
وَتَكُونُ ٱلۡجِبَالُ كَٱلۡعِهۡنِ ٱلۡمَنفُوشِ
(ওয়া তাকূনুল জিবা-লু কাল ‘ইহ্নিল মানফূশ)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· وَتَكُونُ (ওয়া তাকূনূ): এবং হবে / হয়ে যাবে।
· الْجِبَالُ (আল-জিবা-লু): পাহাড়সমূহ। ('জাবাল' মানে পাহাড়)।
· كَ (কা): মতো।
· الْعِهْنِ (আল-‘ইহ্নি): রঙীন পশম।
· الْمَنْفُوشِ (আল-মানফূশ): ধুনিত / যা ধুনকর দিয়ে ধুনানো হয়েছে (যাতে তা হালকা হয়ে উড়ে যায়)।
সহজ কথায়: "এবং পাহাড়সমূহ হবে ধুনিত পশমের মতো।"

★ আয়াত ৬
আরবি:
فَأَمَّا مَن ثَقُلَتۡ مَوَٰزِينُهُ
(ফা-আম্মা- মান ছাক্বুলাত মাওয়া-যীনুহু)

শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· فَأَمَّا (ফা-আম্মা-): অতঃপর যার / তবে যার বিষয়ে।
· مَن (মান): যে / সেই ব্যক্তি।
· ثَقُلَتۡ (ছাক্বুলাত): ভারী হবে। (এটি 'ছাক্বীল' বা ভারী হওয়া থেকে এসেছে)।
· مَوَٰزِينُهُ (মাওয়া-যীনুহু): তার পাল্লাসমূহ।
o ('মিযান' মানে পাল্লা, তার বহুবচন হলো 'মাওয়াযীন'। আর 'হু' মানে তার)। অর্থাৎ তার নেক আমলের পাল্লা।

সহজ কথায়: "অতঃপর যার (নেক আমলের) পাল্লাসমূহ ভারী হবে—"

★ আয়াত-৭
فَهُوَ فِى عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ

(ফাহুওয়া ফী ‘ঈশাতির রা-দিয়াহ)

* শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
فَهُوَ (ফাহুওয়া): তবে সে / সে তখন।
فِى (ফী): মধ্যে।
عِيشَةٍ (‘ঈশাহ): জীবন / জীবনযাপন।
رَّاضِيَةٍ (রা-দিয়াহ): সন্তোষজনক / পছন্দনীয় / আরামদায়ক। (এটি 'রিযা' বা সন্তুষ্টি থেকে এসেছে)।

সহজ কথায়: "সে (তখন) কাটাবে এক পছন্দনীয় জীবন।"

★ আয়াত-৮
وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَازِيْنُهٗ
(ওয়া আম্মা- মান খাফফাত মাওয়া-যীনুহু)

* শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· وَأَمَّا (ওয়া আম্মা-): এবং পক্ষান্তরে যার / আর যার বিষয়ে।
· مَنْ (মান): যে / সেই ব্যক্তি।
· خَفَّتْ (খাফফাত): হালকা হবে। (এটি 'খাফীফ' শব্দ থেকে এসেছে)।
· مَوَازِيْنُهٗ (মাওয়া-যীনুহু): তার পাল্লাসমূহ (নেক আমলের পাল্লা)।

সহজ কথায়: "আর যার (নেক আমলের) পাল্লাসমূহ হালকা হবে—"

★ আয়াত-৯
فَاُمُّهٗ هَاوِيَةٌ
(ফাউম্মুহূ হা-বিয়াহ)

* শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· فَاُمُّهٗ (ফাউম্মুহূ): অতঃপর তার মা / তার আশ্রয়স্থল।
o ফা: অতঃপর।
o উম্মু: মা।
o হূ: তার।
· هَاوِيَةٌ (হা-বিয়াহ): হাবিয়া (জাহান্নামের একটি নাম)। এর শাব্দিক অর্থ হলো—গভীর গর্ত, অতল গহ্বর বা যেখানে ওপর থেকে নিচে পতিত হয়।

সহজ কথায়: "তার ঠিকানা (মা) হবে হাবিয়া (এক গভীর গর্ত)।"

★ আয়াত-১০।
وَمَاۤ اَدْرٰىكَ مَا هِيَهْؕ
(ওয়া মা- আদরা-কা মা- হিয়াহ)
সহজ কথায়: "আর কিসে আপনাকে জানাবে যে, সেটি (হাবিয়া) কী?"

* শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· وَمَا (ওয়া মা-): আর কিসে / আর কী।
· اَدْرٰىكَ (আদরা-কা): আপনাকে জানাবে / আপনাকে ধারণা দেবে।
· مَا (মা-): কী / কোনটি।
· هِيَهْ (হিয়াহ): সেটি / তা। (এখানে 'হাবিয়া' বা সেই গভীর গর্তকে বোঝানো হয়েছে)।
সহজ কথায়: "আর কিসে আপনাকে জানাবে যে, সেটি (হাবিয়া) কী?"

★ আয়াত-১১
نَارٌ حَامِيَةٌ
(না-রুন হা-মিয়াহ)
সহজ কথায়: "(এটি) এক অতি উত্তপ্ত আগুন!"

* শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
· نَارٌ (না-রুন): আগুন।
· حَامِيَةٌ (হা-মিয়াহ): অতিশয় উত্তপ্ত / প্রচণ্ড তেজসম্পন্ন / লেলিহান। (এটি 'হামি' শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ তীব্রভাবে উত্তপ্ত হওয়া)।

সহজ কথায়: "(এটি) এক অতি উত্তপ্ত আগুন!"

19/01/2026

দেশের আকাশে আজ পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে ক্ষেত্রে আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) শাবান মাস শুরু হবে।
সে হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

*** জানাজা নামাজের দোয়া (মৃতের জন্য দোয়া) আমি এমনভাবে সাজাচ্ছি যেন অর্থ বুঝে বুঝে সহজে মুখস্থ করা যায়। অনেকেই জানাজা না...
06/01/2026

*** জানাজা নামাজের দোয়া (মৃতের জন্য দোয়া)

আমি এমনভাবে সাজাচ্ছি যেন অর্থ বুঝে বুঝে সহজে মুখস্থ করা যায়। অনেকেই জানাজা নামাজ পড়েন কিন্তু দোয়া পারেন না। তাদের জন্য দোয়াটিকে অর্থ অনুযায়ী ছোট ছোট বাক্যে ভেঙ্গে সাজিয়ে দিলাম। প্লিজ মুখস্থ করুন।

🔹 অংশ–১ : আল্লাহর প্রশংসা ও আমাদের পরিচয়
আরবি: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি হাইয়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত সবাইকে ক্ষমা করুন।

🔹 অংশ–২ : উপস্থিত ও অনুপস্থিতদের জন্য দোয়া
আরবি: وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا
উচ্চারণ: ওয়া শাহিদিনা ওয়া গায়িবিনা
অর্থ: আমাদের মধ্যে যারা উপস্থিত আছে ও যারা অনুপস্থিত— সবাইকে।

🔹 অংশ–৩ : ছোট ও বড়দের জন্য দোয়া
আরবি: وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا
উচ্চারণ: ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা
অর্থ: আমাদের ছোট ও বড় সকলকে।

🔹 অংশ–৪ : পুরুষ ও নারীদের জন্য দোয়া
আরবি: وَذَكَرِنَا وَأُنثَانَا
উচ্চারণ: ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা
অর্থ: আমাদের পুরুষ ও নারী সবাইকে।

🔹 অংশ–৫ : ঈমানের ওপর মৃত্যু ও জীবন
আরবি: اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الإِسْلَامِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা মান আহইয়াইতাহু মিন্না ফা আহইহি আলাল ইসলাম
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখবেন, তাকে ইসলামের ওপর জীবন দান করুন।

🔹 অংশ–৬ : ঈমানের ওপর মৃত্যু
আরবি: وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ
উচ্চারণ: ওয়া মান তাওয়াফফাইতাহু মিন্না ফা তাওয়াফফাহু আলাল ঈমান
অর্থ: আর আমাদের মধ্যে যাকে মৃত্যু দেবেন, তাকে ঈমানের ওপর মৃত্যু দিন।

নোটঃ এরকম ইসলামিক জ্ঞান অর্জনের জন্য সাথে থাকতে পারেন।

ধন্যবাদঃ Eyasin Al Mamun

09/12/2025

সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫–২৮৬)

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের (আমেনার রাসূল...) ফজিলতঃ
রাতের কিফায়াত বা সুরক্ষা: হাদীসে এসেছে, যে ব্যক্তি রাতের বেলা এই দুটি আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হতে পারে - এটি তাকে শয়তানের অনিষ্ট থেকে, কিংবা রাতের যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে, অথবা এটি তাকে রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ) এর ফজিলত কিছুটা হলেও এনে দেবে।

নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি রাতের বেলা সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য তা যথেষ্ট।" (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

নিচে অর্থ অনুযায়ী ছোট ছোট অংশে বিভাজন করে আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও বাংলা অর্থসহ সুস্পষ্টভাবে সাজানো হলো। এভাবে মুখস্থ করা অর্থ বোঝা এবং আরবি শিখতে সহজ হয়।

সুরা আল-বাকারা – আয়াত ২৮৫

বাংলা উচ্চারণ:
আমানার্-রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির্-রাব্বিহি ওয়াল-মু’মিনূন।
কুল্লুন্ আামানা বিল্লাহি ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়াকুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি। লা নুফার্‌রিকু বাইনা আহাদিম্-মির্ রুসুলিহি।
ওয়াকালূ সামিআনা ওয়া আতা’না গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল-মাছীর।

সুরা আল-বাকারা – আয়াত ২৮৬

বাংলা উচ্চারণ:
লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান্ ইল্লা উসআহা।
লাহা মা কাসাবাত্ ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত্।
রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন্ নাসিনা আউ আখতাআনা।
রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল্ আলাইনা ইসরান্ কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন্ ক্ববলিনা।
রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাক্বতা লানা বিহি।
ওআ’ফু আন্না, ওয়াগ্‌ফির্ লানা, ওয়ারহাম্না।
আন্তা মাওলানা ফান্ছুর্‌না আলাল্-কাওমিল্-কাফিরীন।

আয়াত ২৮৫ – ধাপে ধাপে অর্থভাগ:
1) آمَنَ الرَّسُولُ

আরবি: آمَنَ الرَّسُولُ
উচ্চারণ: আমানার্-রাসূলু
অর্থ: রাসূল ঈমান এনেছেন

2) بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ
আরবি: بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ
উচ্চারণ: বিমা উনযিলা ইলাইহি মির্-রাব্বিহি
অর্থ: যা তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর উপর অবতীর্ণ হয়েছে

3) وَالْمُؤْمِنُونَ
আরবি: وَالْمُؤْمِنُونَ
উচ্চারণ: ওয়াল-মু’মিনূন
অর্থ: এবং মুমিনরাও

4) كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ
আরবি: كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ
উচ্চারণ: কুল্লুন্ আামানা বিল্লাহি
অর্থ: সবাই আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান এনেছে

5) وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ
আরবি: وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ
উচ্চারণ: ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়াকুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি
অর্থ: তাঁর ফেরেশতাগণ, কিতাবসমূহ ও রাসূলগণের প্রতি

6) لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ
আরবি: لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ
উচ্চারণ: লা নুফার্‌রিকু বাইনা আহাদিম্-মির্ রুসুলিহি
অর্থ: আমরা তাঁর রাসূলদের একজনের সঙ্গেও পার্থক্য করি না

7) وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا
আরবি: وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا
উচ্চারণ: ওয়াকালূ সামিআনা ওয়া আতা’না
অর্থ: তারা বলল— আমরা শুনলাম এবং মান্য করলাম

8) غُفْرَانَكَ رَبَّنَا
আরবি: غُفْرَانَكَ رَبَّنَا
উচ্চারণ: গুফরানাকা রাব্বানা
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, তোমার নিকট ক্ষমা চাই

9) وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
আরবি: وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
উচ্চারণ: ওয়া ইলাইকাল-মাছীর
অর্থ: এবং তোমারই নিকট প্রত্যাবর্তন

আয়াত ২৮৬ – ধাপে ধাপে অর্থভাগ

1) لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
আরবি: لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
উচ্চারণ: লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান্ ইল্লা উসআহা
অর্থ: আল্লাহ কোনো প্রাণকে তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব দেন না

2) لَهَا مَا كَسَبَتْ
আরবি: لَهَا مَا كَسَبَتْ
উচ্চারণ: লাহা মা কাসাবাত্
অর্থ: সে যা অর্জন করে, তা তারই জন্য

3) وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ
আরবি: وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ
উচ্চারণ: ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত্
অর্থ: আর সে যা কামায় (অপরাধ করে), তার দায় তারই উপর

4) رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا
আরবি: رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا
উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন্ নাসিনা আউ আখতাআনা
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা ভুলে গেলে বা ভুল করলে আমাদের পাকড়াও করো না

5) رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا
আরবি: رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا
উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল্ আলাইনা ইসরান্
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের উপর বোঝা আরোপ করো না

6) كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا
আরবি: كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا
উচ্চারণ: কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন্ ক্ববলিনা
অর্থ: যেমন তুমি আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর আরোপ করেছিলে

7) رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ
আরবি: رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ
উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাক্বতা লানা বিহি
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের এমন কিছু বোঝা দিও না যার শক্তি আমাদের নেই

8) وَاعْفُ عَنَّا
আরবি: وَاعْفُ عَنَّا
উচ্চারণ: ওআ’ফু আন্না
অর্থ: আর আমাদের ক্ষমা করে দাও

9) وَاغْفِرْ لَنَا
আরবি: وَاغْفِرْ لَنَا
উচ্চারণ: ওয়াগ্‌ফির্ লানা
অর্থ: আর আমাদের প্রতি ক্ষমার দৃষ্টি দাও

10) وَارْحَمْنَا
আরবি: وَارْحَمْنَا
উচ্চারণ: ওয়ারহাম্না
অর্থ: আর আমাদের উপর দয়া করো

11) أَنتَ مَوْلَانَا
আরবি: أَنتَ مَوْلَانَا
উচ্চারণ: আন্তা মাওলানা
অর্থ: তুমি আমাদের অভিভাবক

12) فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
আরবি: فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
উচ্চারণ: ফান্ছুর্‌না আলাল্-কাওমিল্-কাফিরীন
অর্থ: অতএব তুমি আমাদেরকে কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য কর

Eyasin Al Mamun

10/08/2025

Azaan: আজান পেইজে দুইটি সিরিজ চলমান।

১। আরবি শিখি (বেসিক থেকে)
২। প্রতিদিন একটি আয়াত শিখি

Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azaan: আজান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Azaan: আজান:

Shortcuts

Share