Umme Habiba Kakon

Umme Habiba Kakon শিখতে ও শেখাতে আমরার ভালো লাগে।

14/12/2024
যে করেছেন তার শৈশব সুন্দর ছিলো,জীবনে ১ বার হলেও যারা ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান বের করেছেন তাদের দেখতে চাই
13/12/2024

যে করেছেন তার শৈশব সুন্দর ছিলো,
জীবনে ১ বার হলেও যারা ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান বের করেছেন তাদের দেখতে চাই

সফলতা অবধি, অপমানই সঙ্গী!🙂
11/12/2024

সফলতা অবধি, অপমানই সঙ্গী!🙂

কথা গুলো তিতা হলেও সত্যি 👇👉 মধ্যবয়সী লোকটাও বিয়ের জন্য অল্প বয়সী সুন্দরী মেয়ে খোঁজে।বাহ্! কি সুন্দর চাওয়া! 🙂👉প্রতিদিন যৌ...
21/05/2023

কথা গুলো তিতা হলেও সত্যি 👇

👉 মধ্যবয়সী লোকটাও বিয়ের জন্য অল্প বয়সী সুন্দরী মেয়ে খোঁজে।

বাহ্! কি সুন্দর চাওয়া! 🙂

👉প্রতিদিন যৌন পল্লিতে যাওয়া ছেলেটাও একটা ভার্জিন মেয়ে খোঁজে বিয়ের জন্য।

কতটা হাস্যকর!☺

👉প্রাইমারি হাইস্কুলের গন্ডি না পেরোনো ছেলেটাও স্বপ্ন দেখে কোনো শিক্ষিত মেয়ে আসবে তার ঘরে বৌ হয়ে।

আশ্চর্য আশা!🤣

👉একটার পর একটা মেয়েকে বিয়ে করবে বলে কথা দেওয়া ছেলেটা বিয়ের জন্য বাবা মায়ের পছন্দের মেয়েকেই নির্ধারণ করে।

কি সুন্দর বাবা মায়ের বাধ্য ছেলে!👏

👉শহরের স্মার্ট ছেলেটা শহরের স্টাইলিশ সুন্দরী মেয়েদের উপরে ক্রাশ খেলেও বিয়ের সময় ঠিক গ্রামের খ্যাত মেয়েটি বেছে নেয়।

অপুর্ব চিন্তা চেতনা!👏

👉রাত জেগে পর্ন দেখা ছেলেটাও তার বউকে বোরকা কিনে দেয়।

অবাক!

👉রাস্তায় দাড়িয়ে মেয়েদের টিজ করা ছেলেটা ভদ্র মেয়ের আশায় থাকে।

কি অদ্ভুত!

👉 ধর্ষকও বিয়ের পর তার বউয়ের অতীত নিয়ে কথা তোলে।

ভাবা যায় এগুলো? প্রতিদিন রাত জেগে চ্যাটিং করা ছেলেটাও চায় তার হুবু বউয়ের যেন ফেসবুক আইডি না থাকে , কি আজব চিন্তাধারা ভাবা যায়??

মেয়ে তুমি মুখে লেডিস ফার্স্ট হলেও বাস্তবতায় পড়ে আছো পুরুষ শাসিত সমাজের যাতাকলে। একটা যৌন পল্লির মেয়ে কখনও কারো বউ হওয়ার যোগ্যতা রাখেনা অথচ পল্লিতে যাওয়া নিয়মিত ছেলেটা বউ বাচ্চা নিয়ে দিব্যি সংসার করে। ধর্ষিতা মেয়েরা সবার আঁড়চোখেই পড়ে থাকে। ধর্ষকরা হাসিমুখে ঘুরে বেড়ায়। তোমার চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয়তায় সবার মোহ কিন্তু ক্ষনিকের, চিরস্থায়ী নয়। তুমি যতই সুন্দরী, রূপবতী, গুনবতী, শিক্ষিত, মার্জিত ইত্যাদি হও না কোনো তার কোনো দাম নেই এই সমাজের চোখে পুরুষের কাছে।👇

একটা ছেলের অনেকগুলো বান্ধবী থাকতে পারে কিন্তু একটা মেয়ের কোনো ছেলে বন্ধু থাকাটা সহজ হতে পারে না।

একটা ছেলে চাইলে বছরের পর বছর বিয়ে না করে শেষ বয়স অব্দি একা কাটিয়ে দিতে পারে অথচ একটা মেয়ে একটু বড় হলেই পাড়া প্রতিবেশীসহ সমাজের ঘুম হারাম হয় এই চিন্তায় যে মেয়েটা আইবুড়ো হয়ে গেছে এখনও কেনো বিয়ে দিচ্ছে না।

খেলার মাঠের মেয়েটিকে ধরে রান্নাঘরে আটকে দেওয়ায় কোনো সমস্যা নেই! সমস্যা হলো মেয়েটি পড়ালেখা করে নিজের পায়ে দাড়ানোটা।

এই সমাজে মেয়েদের কোনো স্বাধীনতা নেই, নেই নিজেকে আত্মপ্রকাশের সুযোগ। শুধু মুখেই বলি আছে নারী পুরুষ সমান অধিকার কিছু লিজেন্ডরা বলবে এখানেও কোনো মতলব আছে, এই সমস্ত অসুস্থ চিন্তাভাবনা না করে, মন-মানসিকতা পরিবর্তন করুন।

ছবিটা দেখার পর কি ভাবছেন আপনি ❓সেটা আমি জানি।আপনি ভাবছেন,এরা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় নেই। এরাযেখানে আছে, সেটা তাদের জায়গা...
29/04/2023

ছবিটা দেখার পর কি ভাবছেন আপনি ❓
সেটা আমি জানি।
আপনি ভাবছেন,
এরা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় নেই। এরা
যেখানে আছে, সেটা তাদের জায়গা নয়।
মানে তারা ভুল জায়গায় আছে।
যদি পেন্সিলের সাথে শার্পনারটা থাকতো,
আর নাটের সাথে স্ক্রু'টা থাকতো তাহলে মানাতো।
যদি তেমনটা থাকতো তাহলে কি হতো?
শার্পনারটা পেন্সিলকে একটু একটু করে নিঃশেষ করে ফেলতো। আর নাট'টা স্ক্রুটাকে এমনভাবে পেঁচিয়ে রাখতো, নাট'টার জীবন ওখানেই আটকে যেতো। না পারতো সে সামনে যেতে, না পারতো সে পেছনে যেতে।
পেন্সিলের জীবনটা শেষ হয়ে যেতো,
স্ক্রু'র জীবনটাও থেমে যেতো।
আসলে মাঝে মধ্যে জীবনে চলার পথে আমরা যেটাকে নিজেদের সাথে মানাবে বা খাপখাবে বলে ভাবি বা গ্রহণ করি, সেটাই কদাচিৎ আমাদেরকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়।
মাঝেমধ্যে মানানসই জিনিসটাই সবচাইতে বেমানান ও ক্ষতির কারণ। তাই মাঝেমধ্যে বেমানানের সাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে শিখুন।

28/04/2023

বাঙ্গালী হয়ে বাংলা বলতে না পারা অপমানজনক। তাই বাংলা ভাষা শিখুন। ৫টি করে সমার্থক শব্দ লিখুন।
অপবাদ-কালিমা, কলঙ্ক, বদনাম, মালিন্য, দুর্নাম।
অখন্ড – সম্পূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবিভক্ত।
অনর্থ – অনাবশ্যক, নিষ্প্রয়োজন, শুধুশুধি, অর্থহীন।
অবশ্য – নিশ্চিত, একান্তভাবে, নিশ্চয়।
অমূলক –মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য।

বিদ্যুৎ আবিষ্কার হওয়ার পূর্বে সময়ের হিসাব রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোমবাতি ব্যবহার করা হত৷ এর থেকেও মজার বিষয় হচ্...
19/04/2023

বিদ্যুৎ আবিষ্কার হওয়ার পূর্বে সময়ের হিসাব রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোমবাতি ব্যবহার করা হত৷ এর থেকেও মজার বিষয় হচ্ছে অনেকে মোমবাতি এলার্ম ক্লক হিসেবেও ব্যবহার করতো।
পদ্ধতিটি ছিল বেশ মজার৷ প্রথমে নিদিষ্ট সময় পর এলার্ম কাজ করার উদ্দেশ্যে মোমবাতির মাঝে পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হত। এরপর মোমবাতিটিকে একটি লোহার পাত অথবা প্লেটের ওপর রাখা হত। যখন মোমবাতি গলতে গলতে নিদিষ্ট লেভেলে আসতো তখন পেরেক নিচের রাখা লোহার পাতে পড়ে যেত। এতে করে জোরে ঝনঝন করে আওয়াজ হত এবং ব্যবহারকারীর ঘুম ভেঙে যেত! অবশ্য অন্য কিছু তথ্যসূত্র মতে ঘুম ভাঙানোর জন্য নয় বরং টাইমার হিসেবে ব্যবহার করা হত এই পদ্ধতি।

এর পাশাপাশি চায়নার কিছু ইতিহাস ঘেটে জানা যায় মোমবাতি দিয়ে তারা এর থেকেও উন্নত মানের এলার্ম ক্লক তৈরি করেছিলেন। তাদের এলার্ক ক্লকের বেলায় একটি সুতা মোমবাতির সাথে জোড়া লাগানো থাকতো। যখন মোমবাতি সম্পূর্ণ গলে যেত তখন সুতা ছিড়ে এর সাথে জোড়া লাগা বেলও বেজে উঠতো!

আইসল্যান্ড অবস্থিত এই জায়গা, যেখানে সবুজ মাঠ, হলুদ নদী, কালো সমুদ্র সৈকত এবং নীল সাগর মিলিত হয়।সৃষ্টিকর্তার কী সুন্দর ...
16/04/2023

আইসল্যান্ড অবস্থিত এই জায়গা, যেখানে সবুজ মাঠ, হলুদ নদী, কালো সমুদ্র সৈকত এবং নীল সাগর মিলিত হয়।

সৃষ্টিকর্তার কী সুন্দর সৃষ্টি...!!

বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতিতে কিভাবে এলো তা জানতে হলে আমাদের অবশ্যই বাংলা নববর্ষের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। পহেলা বৈশ...
14/04/2023

বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতিতে কিভাবে এলো তা জানতে হলে আমাদের অবশ্যই বাংলা নববর্ষের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। পহেলা বৈশাখ বা পয়লা বৈশাখ পালন করা হয় বাংলা বছরের প্রথম মাসের প্রথম দিনে। এই বাংলা বছর বা বাংলা পঞ্জিকা কিভাবে এলো? প্রথমে সৌর পঞ্জি অনুসারে বাংলা মাস পালিত হতো অনেক প্রাচীনকাল থেকেই। তখনও আসাম, তামিল নাড়ু, ত্রিপুরা, বঙ্গ, পাঞ্জাব প্রভৃতি সংস্কৃতিতে বছরের প্রথম দিন উদযাপনের রীতি ছিলো। তাহলে বাংলা নববর্ষের ইতিহাসে বাংলা বারো মাস কিভাবে এলো? আর এর দিন, ক্ষণ কিভাবে ঠিক করা হলো? বাংলা সনের প্রবর্তক নিয়ে সম্রাট আকবর বেশি আলোচিত হলেও, বাংলা পঞ্জির উদ্ভাবক ধরা হয় আসলে ৭ম শতকের রাজা শশাঙ্ককে। পরবর্তীতে সম্রাট আকবর সেটিকে পরিবর্তিত করেন খাজনা ও রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে। প্রথমে আকবরের পঞ্জিকার নাম ছিল “তারিখ-এ-এলাহী” আর ঐ পঞ্জিকায় মাসগুলো আর্বাদিন, কার্দিন, বিসুয়া, তীর এমন নামে। তবে ঠিক কখন যে এই নাম পরিবর্তন হয়ে বৈশাখ, জৈষ্ঠ্য, আষাঢ়, শ্রাবণ হলো তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারে না। ধারণা করা হয় যে, বাংলা বারো মাসের নামকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন নক্ষত্র থেকে। যেমন- বিশাখা নক্ষত্র থেকে বৈশাখ, জায়ীস্থা থেকে জৈষ্ঠ্য, শার থেকে আষাঢ়, শ্রাবণী থেকে শ্রাবণ এমন করেই বাংলায় নক্ষত্রের নামে মাসের নামকরণ হয়।
ভারতবর্ষে মোগল সম্রাজ্য পরিচালিত হতো, হিজরি পঞ্জিকা অনুসারে। আর হিজরি পঞ্জিকা চাঁদের উপর নির্ভরশীল। যেহেতু কৃষকদের কৃষি কাজ চাঁদের হিসাবের সাথে মিলতো না, তাই তাদের অসময়ে খাজনা দেয়ার সমস্যায় পরতে হতো। সেই কারণে খাজনা আদায়ে কৃষকদের যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সম্রাট আকবর বর্ষ পঞ্জিতে সংস্কার আনেন। তখনকার বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি সম্রাট আকবরের আদেশে সৌর সন ও হিজরি সন এর উপর ভিত্তি করে বাংলা সনের নিয়ম তৈরি করেন। ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ থেকে প্রথম বাংলা সন গণনা করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবেই খাজনা আদায়ে এই গণনা কার্যকর শুরু হয়েছিল ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর থেকে। পূর্বে ফসল কাঁটা ও খাজনা আদায়ের জন্য এই বছরের নাম দেয়া হয়ে ছিলো ফসলি সন। পরে তা বঙ্গাব্দ আর বাংলা সন করা হয়। তখন চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে খাজনা, শুল্ক দিতে হতো কৃষকদের। তাই তখন থেকেই সম্রাট আকবর কৃষকদের জন্য মিষ্টি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। হালখাতার প্রচলনও তখন থেকেই শুরু হয়।

নিজেকে খুব বড় মনে হলে -বুঝে নিতে হবে, সূর্যাস্তের সময় ঘনিয়ে এসেছে-
31/03/2023

নিজেকে খুব বড় মনে হলে -বুঝে নিতে হবে, সূর্যাস্তের সময় ঘনিয়ে এসেছে-

প্যারোগ্রীন_ফ্যালকন সর্বোচ্চ প্রায় 350 কিমি প্রতি ঘন্টা গতিতে বাতাসে উড়ে যেতে পারে।।প্রচন্ড উচ্চতায় সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে য...
30/03/2023

প্যারোগ্রীন_ফ্যালকন সর্বোচ্চ প্রায় 350 কিমি প্রতি ঘন্টা গতিতে বাতাসে উড়ে যেতে পারে।।

প্রচন্ড উচ্চতায় সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে যাওয়ার সময়ে তাদের নাকের মধ্য দিয়ে যে গতিতে বাতাস প্রবেশ করে,, সেটা তাদের ফুসফুস ব্লাষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।।

কিন্তু,, তাদের নাকের ঠিক ভিতরিভাগে হাড়ের একটা ট্যাপ দেওয়া রয়েছে।। যে ট্যাপের সাহায্যে তারা বাতাসের তীব্র গতিকে রুখে দিয়ে,, নিজেদের ফুসফুস তথা জীবন রক্ষা করে যেতে পারে।।

ঠিক একই টেকনোলজি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে বিমানের ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে।। বাতাসের তীব্র প্রেশার হতে বিমানের ইঞ্জিনকে সুরক্ষিত রাখতে প্যারোগ্রীন_ফ্যালকন টেকনলজি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।।

বিজ্ঞানের সমস্ত সাফল্য রহস্য,, সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে।।

কেবলমাত্র খুঁজে নিতে হবে !!

সৃষ্টিকর্তার প্রত্যেকটি সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নির্ভূল আর নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং।। আর,, তিনিই হলেন সমগ্র বিশ্ব-ব্রম্ভ্রান্ডের সর্বশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার।।

এই নৌকা দুটিকে দেখুন। এখান থেকে বের হতে হলে হয় কারো সাহায্য নিতে হবে কিংবা বর্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাহায্য অনিশ্চি...
27/03/2023

এই নৌকা দুটিকে দেখুন। এখান থেকে বের হতে হলে হয় কারো সাহায্য নিতে হবে কিংবা বর্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাহায্য অনিশ্চিত, বর্ষা নিশ্চিত। কারন ব-র্ষ-ণের কাজ আল্লাহর এবং সাহায্যের কাজ মানুষের। অতএব, আপনার দুর্দিনে কেও সাহায্য না করলেও আল্লাহর সাহায্য ঠিকই পাবেন, সময়টা শুধু অপেক্ষার।

ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন।

আল্লাহ অবশ্যই পাশে থাকবেন।

আল্লাহ,বলেন তোমরা আমাকে ডাকো,আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।

(সূরাঃমুমিন-৬০)

"জেনে রেখো, আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে!"

(সূরা বাকারা, আয়াত: ২১৪)

Address

Mymensingh
Fulbaria
2216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umme Habiba Kakon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share