রাজাপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ, এবং রাজাপুর সিনিয়র মাদ্রাসাকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হোক।
রাজাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাক্তন ছাএছাএী পরিষদ
This is a Reunion page of our school and college student. we are work together as a volunteer for our School and College educational improvement.
22/04/2024
লেখাটা ভয়ঙ্কর সুন্দর!💜
"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির একটা ছেলের মারা যাওয়ার খবর দেখে হুট করেই মনে হলো, মৃত্যু ছাড়া আমাদের আসলে নিজের বলতে আছেটা কী?
এই ছেলেটা গ্র্যাজুয়েশন করেছে। বিয়ে করেছে। দুইটা বাচ্চা আছে। বৌ আছে। ৪১ তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েছে। ৪৩ তমর ভাইবাও দিয়ে ফেলেছে।
এই এতো এতো স্ট্রাগল, এতো এতো পরিশ্রম এক মুহূর্তে শূণ্য হয়ে গেল, ছেলেটার তাহলে নিজের বলে থাকলো কী?
ভালো ক্যারিয়ার, অসম্ভব পরিশ্রম করে তিলে তিলে গড়ে তোলা ক্যারিয়ার, এই ক্যারিয়ারটাও কি আসলে আমার নিজের? না তো। এই ক্যারিয়ারে মায়ের ভাগ আছে, বাপের ভাগ আছে, ভাইয়ের লেখাপড়া আছে, বোনের বিয়ে আছে, বৌ এর শখ আছে, বাচ্চার দুধ আর খেলনাও আছে।
এবং এই একটা ক্যারিয়ার বানানোর জন্য মানুষরে সবকিছুই ছাড়তে হয়। লিটারালি সবকিছুই। টাকার ব্যাপারটা তো আছেই, সময়ের ব্যাপারটাও খুব ভাইটাল। চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে বহু ছেলেমেয়ে ট্যুর দেওয়া ছেড়ে দেয়, বই পড়া ছেড়ে দেয়, প্রেম করা ছেড়ে দেয়, রেস্টুরেন্টে খাওয়া ছেড়ে দেয়, এমনকি অনেকে তো ইবাদত পর্যন্ত করতে পারে না।
একবার এক ভাইরে রাতের বেলা অনেক নামাজ পড়ার কারণ জিজ্ঞেস করে জানছিলাম, সারাদিন ল্যাবে কাজের ঠেলায় নামাজটা পর্যন্ত পড়তে পারেন নাই। খাওয়া তো দূরের কথা। মলিন হাসি মুখে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ধনী হইতে চাই না ভাই, শুধু এতোটুকু অবসর চাই, যতটুকু অবসর পাইলে আমি একটু শান্তিমতো নামাজটা পড়তে পারি।
কেউ সরারাত ফোন নিয়ে রাতে দাঁড়াইয়া থাকে, বাপ অসুস্থ, বাপের কাছে যাইতে পারে না। শুধুমাত্র একটা ক্যারিয়ারের জন্য। একটা ব্রাইট ফিউচারের জন্য।
সমস্যা হলো, ফিউচার প্ল্যানে আমরা সবকিছুই ইনক্লুড করি, শুধু মৃত্যুটা ছাড়া। আমাদের প্ল্যানে পরিবার থাকে, প্রেমিকা থাকে, গাড়ি থাকে, বাড়ি থাকে, বাট মৃত্যুটা থাকে না।
অথচ মৃত্যুটাকে প্ল্যানে রাখতে পারলেই কিন্তু আমার আপনার অনেক প্রায়োরিটি লিস্ট চেঞ্জ হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিন ট্যুরটা দিয়ে ফেলা যাবে, ওয়্যার এন্ড পিসটা পড়ে ফেলার সময় হবে, তাহাজ্জুদ পড়ার সময়টাও বের করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন, মৃত্যু ওয়েট করতেসে। আপনার হাতে খুব বেশি সময় নাই।
না, আমি নিজে বোহেমিয়ান টাইপ মানুষ না, আপনাকেও বাউন্ডুলে হতে বলতেসি না। বরং পরিবারকে আমরা ওউন করবো, ভালোবাসবো, দায়িত্ব পালন করবো, সবটাই করবো।
সাথে সাথে ওউন করে নিবো আমাদের দুর্বলতাকেও, আমাদের মৃত্যুকেও।
তখন দেখবেন, কিছু কাজ যেইটা আপনি একান্তই আপনার বলে অবহেলায় ফেলে রেখেছেন, কাজটা আপনার করা হয়ে যাবে। মৃত্যু আপনার পরিবারের পাশাপাশি আপনাকেও আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।
জীবন নিয়ে প্ল্যান করার সময় একটা জিনিস মাথায় রাইখেন, জীবনটা আপনার না। এইখানে আপনার ভাগ কম। আপনার জীবন আপনার চোখের সামনেই ভাগ করে নেবে আপনার পরিবার, আপনার বন্ধু বা আপনার আত্মীয়রা।
বাট মৃত্যুটা আপনার একান্তই নিজের। আপনার মৃত্যুর ভাগটা কেউ নেবে না, ঐটা আপনাকেই নিতে হবে। তাই, যে কোন প্ল্যানে জীবনের আগে মৃত্যুর কথাটা থাকা চাই। কষ্ট করতে করতে নিজেরে যন্ত্র করে ফেলার আগে মনে থাকা চাই কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের লেখা দুইটা লাইন,
"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
©
20/02/2022
24/11/2021
আমরা যারা 1985-1995 সালের মধ্যে জন্মেছি আমরা বিশেষ কিছু ছিলাম না😉,তবে আমরা ভাগ্যবান ছিলাম😜যখন আমরা ছোট ছিলাম হাতগুলো জামার ভিতর ঢুকিয়ে রেখে বলতাম আমার হাত নাই🙋।একটা কলম ছিলো যার চার রকমের কালি ছিলো🚦,আর তার চারটা বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম🤗আমাদের সময়ে এক হাত সমান কলম পাওয়া গেলেও আমরা আবার কলম কেটে অনেক ছোট কলম আবিষ্কার করতাম🤑দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দিব বলে,😇সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম 😓।রাতে হাটার সময় ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি চাঁদ টাও আমার সাথে যাচ্ছে💥কারেন্টের💡 সুইচের দুইদিকে আঙ্গুল চেপে সুইচটাকে অন অফ এর মাঝামাঝি অবস্থানে আনার চেষ্টা করতাম😜।স্কুলে যাওয়ার সময় সবাই এক সাথে দৌড়াদৌড়ী করে যেতাম🏃🏃।ক্লাসে কলম কলম খেলা🖋,খাতায় ক্রিকেট খেলা🏏,চোর👽-ডাকাত👻-বাবু😘-পুলিশ 🤗খেলতাম। অনেক সময় স্কুল ফাকি দিয়ে কয়েক জন বন্ধু মিলে ঘুরতে যেতাম আড্ডা দিতাম আর ও কত কি😎। এক টাকার রঙ্গিন বা নারকেলি আইসক্রিম🍿,হাওয়াই মিঠাই🍣 খেতে না পারলে মনটাই খারাপ হয়ে যেত😑।হঠাৎ আকাশ দিয়ে হেলিকপ্টার🚁 গেলে সবাই রুম থেকে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকাই থাকতাম👫। স্কুল ছুটি হলে দৌড়ে বাসায় আসতাম মিনা কার্টুন👰দেখবো বলে। শুক্রবার দুপুর ৩ টা থেকে আপেক্ষা করতাম কখন BTV তে সিনেমা শুরু হবে😬। এবং সন্ধার পর আলিফ লায়লা👽,সিন্দবাদ,👺রবিনহুড,👹ম্যাকাইভার👦 দেখার জন্য পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করতাম😬। ফলের গুটি খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম পেটের ভিতর গাছ হবে কিনা😭 মাথায় মাথায় ধাক্কা লাগলে শিং গজানোর ভয়ে আবার নিজের ইচ্ছায় ধাক্কা দিতম😈 কেউ বসে থাকলে তার মাথার উপর দিয়ে ঝাপ দিতাম যাতে সে আর লম্বা হতে না পারে😜 বিকেলে কুতকুত,কানামাছি,🤓গোল্লাছুট 🏃না খেললে বিকাল টাই যেন মাটি হয়ে যেত😓 ফাইনাল পরিক্ষা শেষ হলে তো সকালে পড়া নেই এতো মজা লাগতো যা বলার বাইরে😎। মামার বাড়ি যাওয়ার এটাই তো ছিলো সময়🤗ব্যাডমিন্টন,কেরাম,লুডু না খেললে কি হয়🤔ডিসেম্বর মাস ও শিতকাল টা আমাদের ছেলেবেলায় এমনি কালারফুল ছিল😍তবে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ যতই আগাই আসতো মনের মধ্যে ভয় ততই বাড়তো🙄,ওই দিন যে ফাইনালের রেজাল্ট দিবে তাই আর কি
আমি জানি আমাদের জেনারেশনের যারা এগুলো পড়ছো ,নিশ্চই তোমাদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে??
এসব কথা মনে পড়লে ইচ্ছা করে আবার যদি সেই ছেলে বেলা টা ফিরে পেতেম !! আসলেই ঐ দিন গুলোকে খুব মিস করি😥
30/05/2021
এতো চাপ নিয়ে লাভ কি....??
বয়স যখন ৪০ পার হয় তখন উচ্চ শিক্ষিত আর
নিম্ন শিক্ষিত সবাই সমান।
বয়স যখন ৫০ পার হয় তখন কালো ফর্সা সবই সমান।কার চেহারা সুন্দর,দেখতে কে স্মার্ট এটা নিয়ে আর কেউ ভাবেনা...
বয়স যখন ৬০ পার হয় তখন উচ্চ পজিশনে চাকুরী আর নিম্ন পজিশনে চাকুরী এটা আর কোন ব্যাপার নয়। এমনকি একজন পিয়নও অবসরে যাওয়া বসের দিকে তাকায়না...
বয়স যখন ৭০ , তখন আপনার বড় ফ্ল্যাট,
বড় বাসা কোন গর্বের বিষয় নয় বরং বাসা বড় হলে সেটা মেইনটেইন করাই কঠিন।ছোট একটি রুম হলেই আপনার চলে...
বয়স যখন ৮০ , তখন আপনার টাকা থাকলে যা না থাকলেও তা। আপনার টাকা খরচ করার ইচ্ছা হলে সেটা খরচ করার জায়গাও খুঁজে পাবেননা...
বয়স যখন ৯০ , আপনার ঘুমানো আর জেগে থাকা একই, আপনি জেগে ওঠার পর কি করবেন আপনি নিজেও জানেননা...
বয়স যখন ১০০, তখন আপনার বেঁচে থাকা আর বেঁচে না থাকা এতে কিছুই যায় আসে না।
পৃথিবীবাসী আপনাকে নিয়ে আর ভাবেনা...
জীবনের মানে টা এতটুকুই... এর বেশি কিছুই না... এতো চাপ নিয়ে,লোভ করে,মানুষের ক্ষতি করে লাভ কি???
নিজ নিজ জায়গা থেকে জীবনটা উপভোগ করতে শিখুন,অন্যের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকুন।
সময়টা ভালো কাজে লাগান,পৃথিবীটা আপনার জন্য সুন্দর হবে।মগজটারে পরিস্কার করে ফেলেন।আগামী দিনটা আপনার জন্য আনন্দময় হবে।
সংগ্রহকৃত
15/05/2019
আমাদের মাঠের বর্তমান অবস্হা
অনুপ্রেরণার গল্প
১৯৭৪ সালের কথা ।ব্রুকলিন, নিউ ইয়র্ক । কুখ্যাত বস্তিতে বাস করে ১৩ বছরের কিশোর মাইকেল । বর্ণবৈষম্য থেকে আমেরিকা পুরোপুরি বের হতে পারেনি তখনো , চাকুরী পাওয়া দুষ্কর কালোদের জন্য । তার উপরে চার ভাইবোন, সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হয় মাইকেলের বাবাকে ।
মাইকেল নিজেও তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত, পড়াশোনা ভালো লাগে না একদম। সময় পেলেই তাই মাইকেল টিলার উপরে গিয়ে আনমনে সূর্যাস্ত দেখে, সূর্য ডোবার সময় কেমন যেন নীরব হয়ে যায় শহরটা, ভালো লাগে তার ।
একদিন মাইকেলের বাবা তাকে একটা পুরনো টিশার্ট দিলেন । বললেন, ‘ সর্বোচ্চ কতো দাম হতে পারে এটার ?’
মাইকেল অনেক ভেবেচিন্তে উত্তর দিলো – ‘ সর্বোচ্চ এক ডলার’
মাইকেলের বাবা তার কনিষ্ঠ পুত্রকে তখন একটা কাজ দিলেন – ‘ চেষ্টা করো, কিভাবে এই টিশার্টটি দুই ডলারে বিক্রি করা যায়। আমার আর তোমার মা’র পক্ষে সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যাচ্ছে খুব। অনেক সাহায্য হবে এই দুই ডলার পেলে।‘
মাইকেল বসে বসে ভাবতে লাগলো । তারপর মাইকেল পুরনো টিশার্টটিকে ধুয়ে পরিষ্কার করলো, রোদে শুকালো । বাসায় ইস্ত্রি নেই, পুরনো কাপড়ের স্তুপে চাপা দিয়ে সমান করলো টিশার্টটা । তারপর, ছয় ঘন্টা ধরে চেষ্টার পর, মাইকেল টিশার্টটা বিক্রি করতে পারলো পাতাল রেলের এক যাত্রীর কাছে , দুই ডলারে।
‘রেখে দাও‘ – সহাস্যে বললেন মাইকেলের বাবা । ‘ওটা তোমার উপার্জন ।‘
পরদিন সকালে মাইকেলের বাবা তাকে আর একটি পুরনো টিশার্ট এনে দিলেন । বললেন, ‘ এটা বিশ ডলারে বিক্রি করতে পারবে ? ‘
মাইকেল হেসে ফেললো এবার – ‘ অসম্ভব, কে কিনবে বিশ ডলারে এই শার্ট ?’
বাবা বললেন , ‘ সম্ভব, চেষ্টা করে দেখো তুমি ।‘
মাইকেল চিন্তায় বসলো কিভাবে এই ময়লা শার্টকে বিশ ডলারে বিক্রি করা যায় । আগেরবারের মতই সে শার্ট পরিষ্কার করলো, ইস্ত্রি করলো । তারপর তার মাথায় চমৎকার একটা বুদ্ধি আসলো ।
মাইকেলের এক বন্ধু চমৎকার ছবি আঁকতো । মাইকেল আগের দুই ডলার দিয়ে রং আর তুলি কিনে, সেটা দিয়ে টিশার্টে বন্ধুকে দিয়ে মিকি মাউস একেঁ ফেললো । তারপর টিশার্ট নিয়ে ব্রুকলিনের ধনী শিশুদের এক কিন্ডারগার্টেনে বিক্রির চেষ্টা ।
প্রায় সারাদিন চেষ্টার পর, এক অবস্থাসম্পন্ন শিশুর খুব পছন্দ হয়ে গেল টিশার্টটা । সে তার বাবার কাছে জিদ ধরলো সেটা কেনার জন্য । ভদ্রলোক বিশ ডলার দিয়ে শুধু কিনলেনই না, মাইকেলকে পাঁচ ডলার বখশিশও দিলেন।
‘২৫ ডলার !!’ – মাইকেলের পরিবারের পুরো সপ্তাহের উপার্জন !!
তারপরদিন সকালে মাইকেলের বাবা মাইকেলকে আর একটা পুরনো টিশার্ট এনে দিলেন । বললেন, ‘ এবার চেষ্টা করো, ২০০ ডলারে এই টিশার্ট বিক্রি করার ।‘
মাইকেল কিন্তু এবার হাসলোনা । বরং টিশার্ট নিয়ে চিন্তা করতে বসলো কিভাবে এটাকে ২০০ ডলারে বিক্রি করা যায় ।
আমেরিকায় তখন ‘চার্লিস এন্জেলস্’ মুভি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে । মুভির বিখ্যাত অভিনেত্রি ফারাহ্ ফওলার সিনেমার প্রোমোশনের কাজে আসলেন নিউইয়র্কে । প্রেস কনফারেন্স শেষে জনস্রোত সামলে অভিনেত্রি যখন গ্রীণরুমে পৌছালেন, দেখলেন, সেখানে ১৩ বছর বয়সের একটি ফুটফুটে কালো কিশোর একটি টিশার্ট নিয়ে দাড়িয়ে ।
‘ম্যা’ম, আমি আপনার একজন অন্ধভক্ত । আপনি কি আমাকে দয়াকরে একটি অটোগ্রাফ দেবেন, আমার এই টিশার্টে ?’
হেসে ফেললেন অভিনেত্রী, এমন সুন্দর শিশুকে না করার প্রশ্নই ওঠে না ।
এর একসপ্তাহ পরে, ব্রুকলিনের নিলামঘরে দেখা গেল এক কালো কিশোরকে । সে মিস ফারাহ্ ফাওলারের নিজের হাতে অটোগ্রাফ দেয়া একটা টিশার্ট নিলাম করতে এসেছে ।
নিলামশেষে টিশার্টটি ১২৫০ ডলার দিয়ে কিনে নিলেন এক ব্যবসায়ী ।
সেদিন রাতে বাবার পাশে ঘুমাবার সময় মাইকেলের বাবা বললেন, ‘ মাইকেল, এই টিশার্ট বিক্রি থেকে তুমি কি শিখলে ?’
মাইকেল গম্ভীর হয়ে উত্তর দেয়, "Where there's a will, there's a way."
মাথা নাড়লেন মাইকেলের বাবা । ‘দেখ, ছেলে, তুমি যা বলেছ, তা সত্যি । কিন্তু আমি তোমাকে শুধু এটাই শেখাতে চেয়েছিলাম যে, সামান্য পুরনো টিশার্টও অনেক টাকায় বিক্রি হতে পারে, যদি তুমি চাও । ঈশ্বর আমাদের জন্ম দিয়েছেন এই বস্তিতে, এই অভাবের সংসারে, তার মানে এই নয়, এখানে আমাদের সারা জীবন কাটাতে হবে । নিজের চেষ্টায়, পরিশ্রমে একদিন আমরাও পারি সফল হতে । হতাশ হলে চলবেনা তোমার, মাইকেল ; বরং জীবনকে ভিন্নভাবে দেখতে শেখো।‘
এই ঘটনার বিশবছর পরে ফোর্বস ম্যাগাজিন, বিশ্বের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী খেলোয়াড়টির একটি সাক্ষাৎকার নেয় । ভদ্রলোক বাস্কেটবলের জীবন্ত কিংবদন্তী, যার বাৎসরিক আয় ৪০ মিলিয়নের বেশি, নাইকিসহ হাজার হাজার ব্রান্ডে যার নাম। তিনি বিশ্বের প্রথম বিলিওনিয়ার খেলোয়াড় , বিশ্বের তৃতীয় সবোর্চ্চ আফ্রিকান–আমেরিকান ধনকুবের । সাক্ষাৎকারে তাকে তার সাফল্যের রহস্য জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি আবারও বলেন, "Where there's a will, there's a way."
ভদ্রলোকের নাম মাইকেল জর্ডান ।
ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত
26/04/2017
success..
11/03/2017
নির্বাচন ঃ
অাগামী ১১/০৩/ ২০১৭ ইং ঐতিয্যবাহী রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন।
নির্বাচনে অাপনি অাপনার মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এমন ব্যক্তিকে যিনি নূন্যতম স্কুলে গিয়ে শুধু নামকাওয়াস্তে বসে থাকবেন না অাপনার কোন সমস্যা থাকলে সে সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের জন্য সচেষ্ট থাকবেন, শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পকে যার প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অাছে, শিক্ষার মান্নোয়নে যিনি সদা তৎপর থাকবেন অামলা তান্ত্রিক জটিলতা সম্পর্কে যার সম্যক জ্ঞান অাছে, অাপনাকে হাইকোর্ট দেখিয়ে যেন কোন শিক্ষক পার না পায়,সর্বোপরি যারা স্কুল শাখায় অভিভাবক হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের মধ্যে সর্বোত্তম যোগা ব্যক্তিকে বাছাই করে অাপনার মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করুণ তাহলে প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে সাথে অাপনি এবং টোটাল শিক্ষা ব্যবস্থা উপকৃত হবে।
জনসচেতনতায়ঃ
মাস্টার অাবু নাসের
প্রাক্তন ছাএ
রাজাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Rajapur
Feni
3900