05/03/2018
নিজের শিক্ষা ও প্রযুক্তির বলে চিকিৎসা, অবকাঠাম, ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিক প্রভৃতি শতাধিক খাতে প্রথম স্থান দখল করে USA কে টপকে চীন আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ
বিস্তারিত জানতে অথবা খরচ সম্পর্কে জানতে কল করুন: 01641203893
01815501094
চীনে কেন পড়বেন?
>চীন বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
>সকল বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি এবং শত বছরের পুরনো । বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ফলে পড়াশোনার মান বেশ মানসম্পন্ন।
>পড়াশোনার উচ্চ মানের কারনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছাত্র/ছাত্রীদের প্রথম পছন্দ চীন।
>World Rank এ প্রথম ১০০০টি বিশ্ববিদ্যালয়র মধ্যে চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
>পড়াশোনার পাশাপাশি Teaching Assistant, দোভাষী, টিউশন এর মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে।
>চীনের MBBS Degreeবাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক অনুমোদিত ।
বিস্তারিত জানতে অথবা খরচ সম্পর্কে জানতে কল করুন: 01641203893
01815501094
03/03/2018
100% Tuition Fee Scholarship in China!!
To confirm admission & scholarship call— 01641203893
01815501094
28/01/2016
হযরত মুসা (আ:) একবার আল্লাহ তা'আলার
কাছে আরজ করলেন,
হে-দয়াময় প্রভু! আমার উম্মতের মধ্যে কে
সবচেয়ে'খারাপ ব্যক্তি আমাকে দেখিয়ে
দাও।
অদৃশ্য থেকে আওয়াজ এলো,ঠিকাছে
আগামীকাল সকালে তুমি পথের ধারে বসে
থেকো। যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ
অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার
উম্মতের সবচেয়ে' খারাপ।
হযরত মুসা (আ:) ঠিক সময়মত
নির্দিষ্টস্থানে বসলেন। কিছুক্ষণ পর
দেখলেন এক ব্যাক্তি একটি ছোট ছেলে কুলে
করে তাঁকে অতিক্রম করলো।
হযরত মুসা (আ:)তাকেদেখে মনে মনে
বললেন, ওহ্ এইব্যাক্তি-ইআমার উম্মতের
মধ্যে সবচেয়ে 'খারাপ।.
কিছুক্ষণ পর হযরত মুসা (আ:)-র ইচ্ছা হলো
তাঁর উম্মতের সবচেয়ে' ভালো ব্যাক্তিকে
দেখতে।
আল্লাহ'র নিকট এবার আরজ করলেন, হে-
দয়াময় প্রভু ! এবার আমার উম্মতের মধ্যে কে
সবচেয়ে' ভালোব্যাক্তি আমাকে দেখাও।.
আওয়াজ এলো, হে- মুসা! পথের ধারে বসো,
সন্ধ্যা বেলায় যে ব্যাক্তি সর্বপ্রথম আসবে,
সে-ই হলো তোমার উম্মতের মধ্যে
সবচে'ভালো। সন্ধ্যা বেলায় হযরত মুসা
(আ:)নির্দিষ্টস্থানে বসলেন।
কিছুক্ষণ পর দেখলেন সকালের সে ব্যাক্তি-
ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরতিপথে
আসছে।
তাকে দেখে হযরত মুসা (আ:)অত্যন্ত অবাক
হলেন এবং গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।.
হযরত মুসা (আ:) আল্লাহ'র নিকট আরজ
করলেন, হে-দয়াময় প্রভু! আমি একী
দেখতেছি!
সকালে যে সবচেয়ে 'খারাপ ছিলো,
সন্ধ্যায় সে কিভাবে সবচেয়ে 'ভালো হয়ে
গেলো?
অদৃশ্য থেকে মহান স্রষ্টা আল্লাহ উত্তর
দিলেন, হে- মুসা!সকালে যখন এই ব্যাক্তি
ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে
অতিক্রমকরে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন
ছেলে তাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা! এই
জঙ্গল কতবড়?
সে ব্যক্তি উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।
ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল
থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা!
ঐপাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়।
ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে
কি বড়কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।
ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে
কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো,হ্যাঁ, আমার পাপ এই
আকাশ থেকেও বড়।
ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো,বাবা!
তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু
নেই?
তখন সেই ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে কান্না
করে লজ্জিত হয়ে গম্ভীর সুরে বললো, আছে
বাবা!
আমার পাপ থেকেও আল্লাহ'র রহমত অনেক
বড়।
হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও
অনুশোচনা আমার এতো পছন্দ হয়েছে
যে,আমি তাঁকে তোমার উম্মতের সবচেয়ে
'খারাপ ব্যক্তিকে সবচেয়ে' ভালোব্যক্তি
বানিয়ে দিয়েছি।আল্লাহু আকবর।।
হে আল্লাহ তুমি আমাদের সকলকে পিছনের
গুনাহের কথা সব সময় স্বরণ করে সামনের
দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান
করো।-----আমিন।
24/01/2016
ঠোঁট সুন্দর করতে চাইলে দরুদ শরীফ
পাঠ করুন।'
→ কন্ঠস্বর সুন্দর করতে চাইলে কোরআন
শরীফ পাঠ করুন।'
→ চোখের সৌন্দর্যের জন্য আল্লাহর
ভয়ে অশ্রু ঝড়ান।'
→ চেহারা সুন্দর করতে চাইলে নিয়মিত
অযু করুন।'
→ মন কে সুন্দর করতে চাইলে অন্তরে
আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করুন।'
→ ঈমান কে সুন্দর করতে চাইলে রাসুল
(সাঃ) এর উপর ভালবাসা সৃষ্টি করুন।'
আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদের সবাই
কে উত্ত কথা গুলোর উপর আমল করার
তাওফীক দান. করুক, আমীন।
19/01/2016
রাসূলুল্লাহ (সা) এর
অনন্য কিছু গুণঃ
● রাসূল (সা) পথ চলার
সময়
সামনের
দিকে এমনভাবে ঝুঁকে
চলতেন
যাতে মনে হতো যে,
তিনি যেন কোন
ঢালু স্থান হতে
অবতরণ করছেন ।
● রাসূল (সা) এর
গাত্রবর্ণ
ছিলো গৌর,
মুখমন্ডল ছিলো
অত্যন্ত সুশ্রী ও
মাধূর্যমন্ডিত এবং
দেহ মুবারক
ছিলো মাঝারি গড়নের
।
● রাসূল (সা) কে
দেখতে উদিত
সূর্যের
ন্যায় মনে হতো ।
● রাসূলুল্লাহ (সা)
যখন প্রফুল্ল
থাকতেন
তখন তাঁর মুখমন্ডল
এরূপ চমকিত
হতো যে,
মনে হতো যেন তা
চন্দ্রের
একটি অংশ ।
● রাসূল (সা) এর
ঘর্মরাজি হতে সুগন্ধি
প্রকাশ
পেতো ।
● রাসূল (সা) যখন
হাসতেন তখন
মুচকি হাসতেন ।
● রাসূলুল্লাহ (সা) এর
দাতগুলো ছিলো সব
মানুষের
চাইতে সুন্দর ।
● লজ্জাশীলতার
কারণে নাবী কারীম
(সা) দৃষ্টি নীচু
রাখতেন এবং তাঁর
ভয়ে অন্যান্যরা দৃষ্টি
নীচু রাখতেন ।
তিনি পর্দানশীনা
কুমারী মেয়ের
চেয়ে অধিক
লজ্জাশীল ছিলেন ।
●
পথে চলতে গিয়ে তিনি
কাউকে পিছনে ফেলে
যেতেন
না ।
● পানাহারের ব্যাপারে
আপন দাস-
দাসীদের সাথে কখনো
অহংকার
করতেন না ।
● রাসূলুল্লাহ (সা)
ছিলেন সব
চেয়ে বিনয়ী । তার
আচরণে কখনো
আত্মম্ভরিতার ঠাই
ছিলো না ।
সূত্রঃ আর-রাহীকুল
মাখতুম, পৃষ্ঠা:
৫৪৮-৫৫৩