ICT CFM

ICT CFM

Share

Information and Communication Technology(ICT)

03/10/2021

সংখ্যা পদ্ধতি ( ৫ম ক্লাস-2021 )
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ সমুহ
** বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
** অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
** দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
** হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি চিহ্নিত করার উপায়।
** সংখ্যার নিজস্ব মান থাকতে হবে।
** সংখ্যার বেস বা ভিত্তি থাকতে হবে।
** সংখ্যার স্থানীয় মান থাকতে হবে।

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি সর্ম্পকে ধারণা।
** 1838 সালে গটফ্রিজ লিবনিজ সর্বপ্রথম বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ধারনা দেয়।
** পরবর্তীতে 1854 সালে জর্জ বুলি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করে থাকে।
** 1400 খৃষ্টাব্দে চাইনিজরা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে ।

** বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি-
যে সংখ্যা গণনা করা হয় (0,1) এর মাধ্যমে তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। বাইনারি সংখ্যার বেস বা ভিত্তি হলো 2।

** অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি-
যে সংখ্যা গণনা করা হয় ( 0,1,2,3,4,5,6,7 ) এর মাধ্যমে তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। অক্টাল সংখ্যার বেস বা ভিত্তি হলো 8।

** দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি-
যে সংখ্যা গণনা করা হয় (0,1,2,3,4,5,6,7,8,9 ) এর মাধ্যমে তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। দশমিক সংখ্যার বেস বা ভিত্তি হলো 10।

** হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি-
যে সংখ্যা গণনা করা হয় (0,1,2,3,4,5,6,7,8,9 ও A,B,C,D,E,F ) এর মাধ্যমে তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস বা ভিত্তি হলো 16 ।
****

02/10/2021

সংখ্যা পদ্ধতি ( ৩য় ও ৪র্থ ক্লাস-2021 )
সংখ্যার মৌলিক উপাদান কি কি?
উত্তরঃ সংখ্যার মৌলিক উপাদান তিনটি।যথাঃ
ক) কিছু সংখ্যা বা নাম্বার ( 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9)।
খ) কিছু চিহ্ন বা অপারেটর (+,-,*,/,%)।
গ) কিছু নিয়ম বা সূত্র( যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, মডুলাস)

2. প্রাচীনতম সংখ্যা পদ্ধতি কি?

উত্তরঃ যে সংখ্যা গণনা করা হয় বিভিন্ন ধরনের প্রতীক, চিহ্ন, সংকেত দ্বারা তাদেরকে প্রাচীনতম সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। যেমনঃ হাতের আঙ্গুল, রশিতে গিট্টু, দেওয়ালে দাগ, পশুপাখির পালক, নুড়ি পাথর ইত্যাদি।

3. সংখ্যা পদ্ধতির বিভিন্ন প্রকারভেদ সমুহ কি কি?

উত্তরঃ সংখ্যা পদ্ধতি প্রথম দুই প্রকার। যথাঃ
ক) পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি /স্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি
খ) নন পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি/অস্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি
**পজিশনাল সংখ্যাঃ যে সংখ্যা গণনা করার পর এর মৌলিক চিহ্ন বেস ও বাস্তব মান পাওয়া যায় তাকে স্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
যেমনঃ 125 এর স্থানীয় মান বাহির করলে দেখা যায় যে 1 হলো শতক 2 হলো দশক এবং 5 হলো একক।
***********************************************************************
অস্থানীয় মান সংখ্যাঃ যে সংখ্যা গণনা করার পর এর মৌলিক চিহ্ন বেস ও বাস্তব মান পাওয়া যায় না তাকে অস্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। যেমনঃ নুড়ি পাথর, ঝিনুক, হাতের আঙ্গুল ইত্যাদি।
*** অস্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি তিন প্রকার। যথাঃ
ক) ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
খ) হায়ারোগ্লিফিক্স সংখ্যা পদ্ধতি
গ) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি
***********************************************************************
**ট্যালি সংখ্যাঃ যে সংখ্যা গণনা করা হয় নচ বা কাঠি ব্যবহার করে তাকে ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। যেমনঃ দেওয়ালে দাগ টানা ///// /////
*** হায়ারোগ্লিফিক্স সংখ্যাঃ যে সংখ্যা গণনা করা হয় বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট প্রতীক বা চিত্রের মাধ্যমে তাকে হায়ারোগ্লিফিক্স বলা হয়। যেমনঃ পশুপাখির পালক, রশিতে গিট্টু, নুড়ি পাথর ইত্যাদি।
*** রোমান সংখ্যাঃ যে সংখ্যা গণনা করা হয় দশ সংখ্যা (1-10) ব্যবহার করে তাকে রোমান সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।যেমনঃ i,ii,iii,iv,v,vi,vii,viii,ix,x
************************************************************
পজিশনাল সংখ্যা / স্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতি চার প্রকার। যথাঃ
ক) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি।
খ) অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি।
গ) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।

02/10/2021

সংখ্যা পদ্ধতি ( ১ম ও ২য় ক্লাস-2021 )
সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ এক বা একাধিক অঙ্ক মিলে সংখ্যা। যে পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতীক, চিহ্ন, শব্দ, বর্ণ ইত্যাদি ব্যবহার করে গনণা করা হয় তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
2. অংক কি?
উত্তরঃ কোন কিছু পরিমান বা পরিমাপ করার জন্য যে সকল চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাকে অঙ্ক বলা হয়।
উদাহরনঃ পরিমাপ হলো কেজি আর পরিমান হলো সংখ্যা।
3. ডিজিট কি?
উত্তরঃ সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক বা চিহ্নকে বলা হয় ডিজিট। সংখ্যার প্রত্যকটি 0 আর 1 কে আলাদা আলাদা ডিজিট বলা হয়।
4. সংখ্যা পদ্ধতির ইতিহাস সমুহ কি কি?
উত্তরঃ সংখ্যা পদ্ধতির ইতিহাস সমুহ আলোচনা করা হলো-
ক) ব্যাবলিনীয় সভ্যতা- 2000 খৃষ্টপূর্বে দুই চিহ্ন বিশিষ্ট্ 60 সংখ্যা আবিষ্কার করে।
খ) মিশরীয় সভ্যতাঃ 3000 থেকে 3400 খৃষ্টপূর্বে হায়ারোগ্লিফিক্স নামে চিত্রভিত্তিক ও ভগ্নাংশ আবিষ্কার করে।
গ) চাইনিজ সভ্যতাঃ 1400 খৃষ্টপূর্বে দশসংখ্যা (1-10) বিশিষ্ট সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
ঘ) গ্রীক সভ্যতাঃ প্রাচীন গ্রীকরা এনক্রোফনিক নাম সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
ঙ) ইন্দুস ও আরবীয় সভ্যতাঃ 3000 খৃষ্টপূর্বে দশমিক সংখ্যা (০-৯) পর্যন্ত সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
চ) ইউরোপীয় সভ্যতাঃ 300 থেকে 1100 এবং 1400 থেকে 1800 খৃষ্টাব্দে বিভিন্ন সংখ্যার দশমিক, ক্যালকুলাস, এলজেবরা, ত্রিকোনমিতি, জ্যামিতি ইত্যাদি সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কার করে।

08/02/2021

2. উদ্দীপকটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
আকাশ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের কম আগ্রহী। সে কম্পিউটারেই ইন্টারনেট ব্যবহার আনন্দ পায়। অথচ তার দাদা রাহাদ যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় ১ম প্রজম্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই অবাক হয়েছিলেন।
ক) মোবাইল ফোন কী?
খ) মোবাইল ফোনের প্রজম্ম সমুহ কী কী?
গ) উদ্দীপকে আকাশ কোন মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারে কম আ্গ্রহী এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকে রাহাদ সাহেব যে প্রজম্ম এর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে তার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

08/02/2021

২০২১সালের HSC & Alim পরীক্ষার সিলেবাসের আলোকে মোবাইল ফোনের উপর কিছু উদ্দীপক।
1.উদ্দীপকটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
রানা GSM প্রযুক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। সে দেখতে পায়, বিভিন্ন উচু ভবনে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের BTS আছে। তার ভাই রনি তাকে বলল যে, এসব BTS এ যোগাযোগ জন্য সেল সিগনাল এনকোডিং করা হয়।
ক) GSM কী?
খ) বাংলাদেশে GSM প্রযুক্তির মোবাইল অপারেটর কতটি ও কি কি?
গ) উদ্দীপকে রনি সম্পর্কে যা বলেছিল তার ধরনসমুহ লেখ।
ঘ) উদ্দীপকে রানার ব্যবহার করা মোবাইলটি কোন প্রজম্মের? সেই প্রজম্মের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।

16/07/2017

অধ্যায়- ৪র্থ
পাঠ- HTML

html সর্ম্পকে সর্বপ্রথম ধারণা দেয় ১৯৪৫ সালে ভ্যানেভার বুশ তার প্রকাশিত the atlantic monthly তে as we may think নামক প্রবন্ধে মাধ্যমে।

পর্বতীতে ১৯৮০ সালে পদার্থবিদ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী Tim Berners Lee Html আবিস্কার করেন।

১৯৯০ সালে বাস্তরুপে ব্যবহার উপযোগী করে তুলে Html

26/01/2017

১. ফেসবুকের জনক - মার্ক জুকারবার্গ
২. ইউটিউবের জনক - জাবেদ করিম,চ্যাড হারলি, স্টিভ চ্যান
৩. টুইটার জনক- জ্যাক জোরেস, নোয়া গ্লাস, ইভান উইলিয়ামস
৪. ইন্টারনেটের জনক- ভিন্টন গ্রে কার্ফ
৫. ই-মেলের জনক- রে টমলিনসন
৬. মাইক্রোসফট এর জনক- বিল গেইস
৭. www এর জনক- টিম বার্নাস লী
৮. মোবাইল ফোনের জনক- ড. মার্টিন কুপার
৯. গুগুলের জনক- সার্গেই ব্রিন ল্যারি পেইজ
১০. সার্চ ইঞ্জিনের জনক- এলান এমটাস
১১. উইকিপিডিয়ার জনক- জিকি ওয়েলস
১২.টেলিকনফান্সের জনক - ড. মরি টারফ
১৩. ATM এর জনক -জন শেফার্ড ব্যারন
১৪. ব্লগ এর জনক- রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান
১৫. মুক্ত ব্লগার এর জনক - ইভান উইলিয়ামস
১৬. Wi-Fi এর জনক - ভিক্টর ভিক হেরেস
১৭. ইহাহুর জনক- ডেভিড ফিলো এবংজেরি ইয়াং
১৮.

19/01/2017

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে ২য় পর্ব
১. সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কি?
সি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা (cobol,frotran,basic,c,ada,pascal etc) ব্যবহার করে প্রোগ্রাম রচনা করা হয় বা প্রোগ্রাম তৈরি করা হয় তাকে সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
২. সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের অপর নাম কি?
সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের অপর নাম Procedure oriended Programming language.
3. Computer ভাষার জনক কে?
সি প্রোগ্রাামিং ল্যাংগুযেজ হলো কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়।
৪. সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটি কে কত সালে আবিস্কার করে?
১৯৭০/১৯৭২ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে ডেনিস রিচি সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটি আবিস্কার করেন।
৫. সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটি কত সালে নামকরণ করা হয়?
সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটি ১৯৮৯ সালে নামকরণ করা হয়।
6. ANSI কি?
১৯৮৩ সালে American National Standard Institute কতৃর্ক কম্পাইলার ও সফটও্য়্যার এর মাধ্যমে সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নীতি নির্ধারন করেন।
৭. সি ++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কি?
সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের সমস্যা সমাধানের জন্য যে প্রো্গ্রাম তৈরি করা হয় তাকে সি ++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
৮.সি++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের অপর নাম কি?
সি++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের অপর নাম হলো object oriented Programming language
৯. প্রোগ্রামিং ভাষার জনক কে?
object oriented programming language কে progrmming language এর জনক বলা হয়।
১০. সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে কি ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করা হয। যথা
operating system, Compilers, Assembler, interpreters, Editors, Games, Database program, virus and antivirus etc.
11. সি ++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কে কত সালে আবিস্কার করে?
১৯৭৯/১৯৮০ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে Bjarne Stroustroup C++ programming language টি আবিস্কার করেন।
১২. সি++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কত সালে নামকরণ করা হয়?
১৯৮৩ সালে সি++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর নামকরন করা হয়।
১৩. সি++ প্রোগ্রামিং ল্যংগুয়েজ দিয়ে কি কি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়?
সি++ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। যথাঃ
System Software, Application Software, Device Driver, Ambded Software, power Server, Clien Server, Vedio games etc.
১৪. প্রোগ্রামের Constant গুলো বাহির কর?
include, stdio.h, conio.h, void main, getch, (),{},
15.প্রো্গ্রামের variable গুলো বাহির কর?
clrscr, int a,b,c,s Scanf etc.

18/01/2017

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ - পঞ্ঝম অধ্যায়
কিছু শর্ট প্রশ্ন সামাধান
১. প্রোগ্রাম কি?
পদ্ধতিগতভাবে সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াকে প্রোগ্রামিং বা প্রোগ্রাম বলা হয়। অথাবা - কোন সমস্যা সহজে সমাধানের উদ্দেশ্যে সম্পাদনের অনুক্রমে নির্দেশাবলী সাজানো কৌশল কে বলা হয় প্রোগ্রামিং বা প্রোগ্রাম।
২. প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কি?
- কম্পিউটার দ্বারা কোন সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম বা সফটওয্যার ব্যবহার করি। আর যে ধরনের ভাষা বা ভাষার মাধ্যমে রচনা করা হয় সে সকল ভাষাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়্।
৩.সর্বপ্রথম প্রোগ্রাম রচনা করেন কে?
- বিখ্যাত ইংরেজি কবি লর্ড বাইরনের কন্যা এবং চার্লস ব্যাবেজের সহধর্মীনি গনিতবিদ গনিতবিদ অ্যাডা লাভল্যাস বারনোমি নম্বর ব্যবহার করে প্রোগ্রাম রচনা করেন।
৪. ক্যালকুলেট কত খ্রিষ্টাব্দে ব্যবহার শুরু হয়?
- প্রাচীন গ্রীসে ১০০ খ্রিষ্টাব্দে পূর্বে গানিতিক হিসাব নিকাশের জন্য ক্যালকুলেট আবিস্কার করেন।
৫. অ্যাবাকাস যন্ত্রটি কত খ্রিষ্টাব্দে ব্যবহার শুরু হয়?
- ২৫০০ খ্রিষ্টাব্দে পূর্বে অ্যাবাকাস যন্ত্রটি ব্যবহার শুরু হয়।
৬. ডিফারেন্স ইঞ্জিন কত সালে এবং কে আবিস্কার করে?
- ১৮২২ সালে চার্লজ ব্যাবেস গানিতিক হিসাব নিকাশকে সহজে সমাধান করার জন্য আবিস্কার করেণ।
৭. অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন কত সালে কে আবিস্কার করেন?
১৮৩৩ সালে চার্লজ ব্যাবেস গানিতিক হিসাব নিকাশ এবং কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট সমাধান করার জন্য আবিস্কার করেণ।
৮. প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কত প্রকার ও কি কি?
- প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ছয় প্রকার । যথাঃ
ক) machine language
খ) assembly language
গ) high level language
ঘ) very high level language
ঙ) natural language
চ) artificial intelligent
9. অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ কয়টি অংশ ও কি কি?
ক) লেভেল
খ) অপকোড
গ) অপারেন্ড
ঘ) কমেন্ট
১০. লো - লেভেল ল্যাংগুয়েজ কোন গুলো?
- লো - লেভেল ল্যাংগুয়েজ হলো । যথা
ক) অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ
খ) মেশিন ল্যাংগুয়েজ
১১. সর্বপ্রথম কত সালে প্রোগ্রাম আবিস্কার হয় ?
- সর্বপ্রথম ১৯৪৫ সালে প্রোগ্রাম আবিস্কার হয়।

10/01/2017

আজজের বিষয় হলো Wi Fi
ওয়াই ফাই হলো এমন এক ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ক্ষুদ্রায়ন এলাকায় ওয়্যারলেস তথা তারবিহীন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা যায়। এর পূর্ণরূপ হলো - Wireless Fidelity । আর এটি বেতার তরঙ্গ হিসাবে কাজ করে। আর লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর মত কাজ করতে পারে।

ওয়াই ফাই এর জনক হলো ভিক হেরেস - কারন ভিক হেরেস প্রাথমিক ভাবে IEEE-802.11 এর আর্দশ নকসাধারীর মধ্যে একজন এই জন্য ভিক হেরেস কে ওয়াই ফাইয়ের জনক বলা হয়।
IEEE - Institute of Electrical and Electronic Engineers

ওয়াই ফাইয়েল ইতিহাস সমুহ ঃ
১. ১৯৮৫ সালে ইউ এস ফেডারেল কমিউনিকেশন রেডিও সিগনালের মাধ্যমে ওয়াই ফাই আবিস্কার করেন।
২. ১৯৯১ সালে এন সি আর কর্পোরেশন / এ টি এন্ড নি্উওয়েজিন নরওয়েতে ওয়াই ফাই আবিস্কার হয়।
৩. ১৯৯২ সালে কমনওয়েলথ এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অরগানাইজেশন এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াতে আবিস্কার হয়।
৪. ১৯৯৬ সালে একই বিষয়ে গাণিতিক সুত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আবিস্কার হয়।
৫. ২০০৯ সালে মাইক্রোসফট কোম্পানি ১৪টি ডিভাইসের উপর ব্যবহার করে অনুমোদন পায়।

ওয়াই ফাইয়ের ব্যবহার সমুহঃ
১. ব্যক্তিগত অফিসের কাজে ব্যবহার করা হয়।
২. আইফোনে ব্যবহার করা হয়।
৩. অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চালিত যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।
৪.পোর্টেবল রাউটার ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা হয়।

15/11/2016

আজকের বিষয় হলো
মোবাইল ফোন
ইহা একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যাহা সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বলা হয় মোবাইল ফোন।

মোবাইল ফোন অাবিস্কার করেন ড. মার্টিন কুপার ১৯৭৩ সালে । যৌথভাবে মটোরালা কোম্পানীর উদ্যেগে । তিনি সর্বপ্রথম তার বন্ধু বেল ল্যাবস গবেষক ড.এনজেল সাথে 1973 সালে 3ই এপ্রিল সর্বপ্রথম কথা বলে আবিস্কৃত মোবাইল ফোনটি দিয়ে। আর মোবাইল ফোনে ওজন হলো ২ কেজি।

মোবাইল ফোন অামাদেরকে কি কি ধরনের সার্ভিস দিয়ে থাকে।
১. SMS- Short Message Service
2.MMS - Multimedia Message Service
3.E-mail- Electronic mail
4.internet Access
5.Gaming
6.Bluetooth
7. Infrared
8.Mp3 Plyear
9.Camera etc.

সারাবিশ্বে মোবাইল ফোন দু’টি নেটওর্য়াকের আওতায় কাজ করে।
1.GSM- Global system for mobile communication
2. CDMA- Code Division Multiple Access

GSM কয়টি ফ্রিকুয়েন্সি নিয়ে কাজ করে।

১.TDMA- Time Division Multiple Access
2. FDMA - Frequency Division Multiple Access
3.GPRS - General Packet Radio Service
4.3pp- Third Generation Partnership Project
5.UMTS- Universal Mobile Telecommunication System

Photos 21/12/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Feni?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Feni
FENI