দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য শরহে বেকায়া ও মেশকাত জামাতের মাঝে কমপক্ষে ১ বছর (হেদায়া ও জালালাইন জামাতের) পাঠগ্রহণ আবশ্যক
সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১৪৪৮ হিজরী/২০২৭ ঈসাব্দের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য—
১| ৬ বোর্ডের যে কোন বোর্ড হতে সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়া (শরহে বেকায়া) জামাতে এবং ফযীলত সানিয়া (মেশকাত) জামাতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামলূক|
ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সানাবিয়্যা সানিয়া জামাতে এবং ফযীলত সানিয়া জামাতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামলূক|
২| সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়া এবং ফযীলত সানিয়ার মাঝে মধ্যবর্তী জামাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে হবে অর্থাৎ শরহে বেকায়া ও মেশকাত জামাতের মাঝে কমপক্ষে ১ বছর (হেদায়া ও জালালাইন জামাতের) পাঠগ্রহণ থাকতে হবে|
চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশক্রমে,
মু: অছিউর রহমান,
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
Jamia islamia sultania lalpol, Feni
আল্লাহ ওয়ালা, সুন্নাতের অনুসারী গড়াই আমাদের লক্ষ। মুত্তাকী. আল্লাহ ওয়ালা.সুন্নাতের অনুসারী. বিজ্ঞ. দেশ প্রেমিক. ও আদর্শ মনীষী তৈরি করাই আমাদের লক্ষ।
রুটিনমাফিক সুশৃঙ্খল জীবন গড়লে পড়াশোনায় উন্নতি সম্ভব
মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন
কওমি মাদরাসাগুলোতে ১৪৪৭ হিজরি শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শেষে দরস শুরু হতে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ছাত্রদের করণীয় কী, তারা কোন কিতাব কীভাবে পড়বে এবং তাদের সময়গুলো কীভাবে কাজে লাগাবে সে বিষয়ে মূল্যবান নির্দেশনা দিয়েছেন বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও লেখক মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন।
নতুন বছরে ছাত্রদের কোন কোন বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন বলেন, যারা যে জামাতে ভর্তি হবে, ওই জামাতের যেসব ফন্নি কিতাব রয়েছে, সেই কিতাবগুলোর ‘মাবাদিয়াত’ মুতালাআ করবে। যেমন, দাওরায়ে হাদিসে ভর্তি হলে হাদিসের মাবাদিয়াত ও উলুমুল হাদিস পড়বে। মেশকাত বা জালালাইনে ভর্তি হলে তাফসির ও উলুমুত তাফসিরের অন্তত একটি মাবাদি কিতাব পড়ে নিলে সারা বছর তাদের জন্য সুবিধা হবে। উস্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে কিতাবগুলো সংগ্রহ করে সবক শুরু হওয়ার আগে প্রস্তুতি নিয়ে নিলে ফনটি বুঝতে সুবিধা হবে এবং এর গুরুত্বও বুঝে আসবে।
যারা নতুন মাদরাসায় ভর্তি হয়েছেন তাদের পরামর্শ দিয়ে বিশিষ্ট এই আলেম লেখক বলেন, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে, এটা একটা সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার। তবে ছাত্রদের সাথে মিল-মহব্বত হয়ে গেলে এই প্রতিকূলতা কেটে যায়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, উস্তাদদের কাছে বারবার যেতে হবে, নসিহত ও উপদেশ চাইতে হবে। উস্তাদদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠলে সবকিছু সহজ হয়ে যাবে।
নিজ নিজ জামাত থেকে পরিপূর্ণ ইস্তিফাদা অর্জনের উপায় তুলে ধরে তিনি বলেন, ছাত্রদের আগ্রহ দেখেই উস্তাদদের ‘তাকরির’ (ব্যাখ্যা) বা উপদেশ আসে। ছাত্ররা যখন উস্তাদের কাছে গিয়ে জানার আগ্রহ প্রকাশ করবে, উস্তাদও তখন আগ্রহ নিয়ে পড়াবেন।
ছাত্ররা তাদের সময়টা কীভাবে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারে-এমন প্রশ্নে মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন বলেন, প্রত্যেক মাদরাসার একটি নির্দিষ্ট রুটিন থাকে। এই রুটিন অনুসরণ করলেই সময় অপচয় হওয়ার সুযোগ থাকে না। রুটিনমাফিক সুশৃঙ্খল জীবন গড়লে পড়াশোনায় উন্নতি সম্ভব। আমি যেসব মাদরাসায় পড়াই, সেখানে ছাত্রদের ২৪ ঘণ্টার একটি রুটিন দিয়ে দিই।
কিতাব পড়ার সময় কোন বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখবে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন-
একেক কিতাবের ধরন একেক রকম। তবে মোটা দাগে কয়েকটা বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি—
১/ তরজমা ও আলফাজের তাহকিক: কিতাবের অনুবাদ ও শব্দের বিশ্লেষণ বুঝতে হবে।
২/সুরতে মাসয়ালা: ফিককি কিতাবের মাসআলার সুরত ও তার প্রয়োগ বুঝতে হবে।
৩/ আদবের ক্ষেত্রে: কিতাবের কাদিম শব্দের পাশাপাশি জাদিদ শব্দ জানতে হবে। এতে ছাত্ররা বর্তমান সময়ের উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারবে।
নতুন বর্ষ শুরু করা ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যোগ্য আলেম হতে গেলে কোনো সবক পুরোপুরি না বুঝে সামনে অগ্রসর হওয়া যাবে না। ‘লামছাম’ (অস্পষ্টভাবে) বোঝা যাবে না, ১০০% বুঝতে হবে। বিশেষ করে ফন্নি কিতাব যেমন: মিজান, মুনশাইব, নাহবেমীর, উসুলুশ শাশী, দুরুসুল বালাগাত—এসব কিতাব বোঝার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। মূল কিতাবের সাথে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, শুধু ‘শরাহ’ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ) নির্ভর হওয়া যাবে না।
প্রিয় ছাত্র ভাইয়েরা, কিতাবী দুর্বলতা ও অযোগ্যতা নিয়ে বছর বছর ক্লাস ডিঙিয়ে নিজের মূল্যবান জীবন নষ্ট করবেন না।
মাত্র একটি বছর ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে নাহু, সরফ ও আদবের মেহনত করে নিজের ইলমি ভীত মজবুত করুন।
এক্ষেত্রে দেওবন্দের সাবেক শাইখুল হাদীস মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রাহিমাহুল্লাহর জীবনীকে সামনে রাখতে পারেন।
এই দুর্বলতা দূর করার জন্য আমাদের জামিয়া ইসলামিয়া সোলতানিয়া লালপুল, ফেনীতে আসতে পারেন। আমাদের কিসমুল লুগাহ বিভাগ আপনাকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
01819707192
01811313251
01/04/2026
অনুমতি ছাড়া মাদরাসা পরিবর্তন প্রসঙ্গে
-মাওলানা আব্দুল মালেক হাফি.
যাঁদের কাছে ও যে প্রতিষ্ঠানে আমি তালীম হাসিল করছি সেখানে যদি পরবর্তী পড়াশোনার ব্যবস্থা থাকে তা হলে শরাফতের দাবি, পরবর্তী পড়াশোনাও সেখানে সমাপ্ত করা। এরপর ঐ উস্তাদগণের সাথে মশোয়ারা করে তাঁদের অনুমতি ও সন্তুষ্টি অনুযায়ী অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে যাওয়া। কোনো অসুবিধা বা অপারগতার কারণে আগেই যদি মাদরাসা পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে সন্তুষ্টি না হোক, অনুমতি তো অবশ্যই নেওয়া উচিত। উস্তাদগণেরও কর্তব্য, তালিবে ইলমের কল্যাণ ও সুবিধাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া এবং মাদরাসা পরিবর্তন যদি তার জন্য কল্যাণকর হয় তা হলে খুশির সাথে অনুমতি দেওয়া।
হযরত পাহাড়পুরী দামাত বারাকাতুহুম তাঁর নিজের ঘটনা শুনিয়েছেন যে, পাহাড়পুর মাদরাসায় (মুরাদনগর, কুমিল্লা) ঐ সময়ের সর্বশেষ জামাতের পড়াশোনা যখন সমাপ্ত হল, তখন আমরা সবাই মাদরাসাতেই বসেছিলাম যে, উস্তাদগণই ফয়সালা করবেন, আমরা কখন যাব এবং কোথায় যাব। শেষে উস্তাদগণ ফয়সালা করেছেন এবং আমাদেরকে স্টেশন পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেছেন।
মাদরাসা আরাবিয়া খেড়িহরে এখনও শেষ জামাত মিশকাত। শা’বান ১৪০৭ হিজরীর শুরুতে (১৯৮৭ঈ.) আমাদের অত্যন্ত পেরেশানীর বিষয় এই ছিল যে, ঐ উস্তাদগণের কাছেই দাওরা পড়ার কোনো ব্যবস্থা হল না! আমরা অনেক মিনতি করেছি যে, একবছরের জন্য হলেও দাওরা খুলুন, যেন আমরা দাওরা এখানেই পড়তে পারি। কিন্তু তাঁরা মঞ্জুর করেননি। এটা তাঁদের নীতি যে, ব্যক্তি ও উপকরণের যথেষ্ট ব্যবস্থা হওয়া ছাড়া নতুন কোনো জামাত খোলা হবে না, বিশেষত যখন অন্যান্য বড় মাদরাসার দ্বারা প্রয়োজন পূরণ হচ্ছে। এই ঘটনায় মাদরাসার জিম্মাদারগণের জন্যও এই অনুসরণীয় আদর্শ আছে যে, যথাযথ ব্যবস্থা ছাড়া নতুন জামাত খুলে ছাত্রদেরকে পরীক্ষায় ফেলা ঠিক নয়।
হযরত হারদুয়ী রাহ. থেকে সরাসরি শুনেছি, লোকেরা বারবার বলে যেন এখানে, মাদরাসা দাওয়াতুল হক হারদুয়ীতে দাওরা খুলি। আমরা বলি, ‘ভাই প্রতিষ্ঠান কি কম? দেওবন্দ আছে, সাহারানপুর আছে, ওখানে চলে যাও।’
এখন তো গোটা দুনিয়া থেকে ছাত্ররা দেওবন্দমুখী হয়ে থাকে। কিছু হাসিল করার পরিবর্তে সম্ভবত বরকত গ্রহণের নিয়তই প্রধান হয়ে থাকে। কিন্তু প্রকৃত বরকত তো হাসিল করার মাঝেই রয়েছে। দেওবন্দি চিন্তা-চেতনাই যদি হাসিল না হয় তাহলে এই কষ্টের ফল কী?
যাক, একসময় তো এটিও ছিল নতুন মাদরাসা। মিশকাতের পর দাওরা পড়ার জন্য কেউ গাঙ্গুহ, কেউ দিল্লী ... কিন্তু (হাকীমুল উম্মত) আশরাফ আলী (রাহ.) বললেন, আমাদের কাছে এটা গায়রতের খেলাফ মনে হল যে, এ পর্যন্ত যাঁদের কাছে পড়লাম তাদের কাছে দাওরা পড়ব না! তো দাওরা এখানেই পড়লাম।
গতকালের ঘটনা। এক তালিবে ইলম এসেছেন, তিনি ইফতা বিভাগে দাখেলা নিতে চান। মশোয়ারা চাইলেন, কোথায় দাখেলা নিবেন। তা’লীমী মুরব্বীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে বললেন, তিনি এ বিষয়ে পরামর্শ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। এরপর কথাপ্রসঙ্গে জানা গেল, তিনি হিফয থেকে দাওরায়ে হাদীস, এরপর উলূমুল হাদীস একই মাদরাসায় পড়েছেন। আমি তাকে মোবারকবাদ দিলাম এবং আরজ করলাম, অবশিষ্ট তালীমও ওখানেই হাসিল করুন। সামান্যই বাকী আছে। এটার জন্য অন্য কোথাও যেয়ে এই কীর্তির অঙ্গহানী করা থেকে বিরত থাকুন। ওখানে হযরত মাওলানা সাদেকুল ইসলাম ছাহেব আছেন, যিনি হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ. এর যমানায় দারুল উলূম করাচীতে ইফতা বিভাগে তালীম হাসিল করেছেন। তাঁর সোহবতকে গনীমত মনে করুন।
জানিনা, আজকাল ছাত্রদের বারবার মাদরাসা পরিবর্তনের এত আগ্রহ কেন। এর একটি বড় দায় তো এই যে, এতে উস্তাদ অনেক বেশি হয়ে যান, যার ফলে হক্ব আদায়ের পরিধিও অনেক বেড়ে যায়। হক্ব আদায়ের বিষয়ে আমাদের অলসতা ও উদাসীনতা তো এখন অবর্ণনীয়। এরপরও এত হক নিজের উপর কেন আরোপ করছি? উপযুক্ত কারণ ছাড়া আমরা যেন মাদরাসা পরিবর্তন না করি। উপযুক্ত কারণ থাকলেও ইস্তিখারা ও মশোয়ারার পরই যেন পরিবর্তন করি।
- মাসিক আল কাউসার
জামিয়া ইসলামিয়া সোলতানিয়া লালপুল ফেনী'র জন্য বেফাক ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা ইংরেজি অংক পড়াতে পারবেন এমন একজন শিক্ষক আব্যশক।
যোগাযোগ-01819707192
যারা এবার দাওরা শেষ করেছে, তাদের উচিত অন্তত একটি বছর হলেও আরবি ভাষা পড়া। তাহলে নিজের ব্যক্তিত্ব আর জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে। পরবর্তি সময়ে যেকোনো তাখাসসুসে স্বাদ পাবে। অন্যথায় জীবনটা লুকোচুরির মধ্য দিয়ে যাবে।
আলহামদুলিল্লাহ।
আলহাইতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়ার ১৪৪৭ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় জামিয়া ইসলামিয়া সোলতানিয়া লালপুল,ফেনীর দাওরায়ে হাদীসের শিক্ষার্থীরা প্রথম বিভাগে ৩০% সহ শতভাগ কৃতকার্য হয়েছে।
আমরা মহান আল্লাহ তায়ালার শোকর আদায় করছি।
18/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ। জামিয়া সোলতানিয়া লালপোল, ফেনী বেফাকের ৪৯ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় প্রথমবার অংশগ্রহন করে মুতাওয়াসসিতা বিভাগে ১৬,৩৪ ও ৪৪ তম মেধাস্থান অর্জন করেছে।
04/03/2026
১৪৪৭-১৪৪৮ হিজরি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।
সবাই শেয়ার করি।
আসসালামু আলাইকুম। জামিয়া সোলতানিয়া লালপুল ফেনী'র জন্য একজন বাবুর্চি প্রয়োজন।
01830163371
পোস্টটি শেয়ার করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Feni
447