23/05/2026
চায়না থেকে বয়:ফ্রেন্ড আসতাছে বিয়ে করার জন্য।
অধিকাংশ মেয়েদের দেখা যায় হিজাব ও আছে৷ আর তাদের গার্ডিয়ান গুলোও বলদ কিসিমের।
নির্লজ্জ এলাকাবাসীও ভীড় জমায়।
এতটুকু জ্ঞান নেই কোনো বিধর্মীর সাথে বিয়ে জায়েজ নেই ইসলামে৷
আর বিয়ে করে চায়না তে নিয়ে বিক্রি করে দিবে সেটাও কেউ বুঝে না।
কি পরিমাণে ঘিলুহীন মস্তিষ্ক মানুষ কে অতিক্রম করছে দিনদিন৷
সমাজে আমরা এমন ধাচের অনেক কেইস দেখি। অনেক টাউট শ্রেণীর লোক নিজেকে কোটিপতি পরিচয় দেয়। তাতেই মেয়ে পটে যায়। শুধু পটে যায়না। মাকেও কনভিন্স করে ফেলে মেয়ে। আর মা কনভিন্স করে বাবাকে।
মানে পুরো গোল আলু বানানোর মগজ যাকে বলে আরকি। যখন ফাঁদে পড়ে তখন চিৎকার করে।
এই পর্যন্ত এমন কেইস স্বচক্ষে কত দেখেছি চিন্তার বাইরে।
সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েরা যখন বখাটের প্রেমে জড়ায়। তখন তাকে বুঝিয়েও কেউ ফিরাতে পারে না৷ এমন কি গার্ডিয়ান মারধর করেও ফিরাতে পারে না।। কারণ তার চোখ ও বিবেক তখন আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
এলাকায় একবার দেখেছিলাম ধনী ঘরের এক মেয়ে টোকাইয়ের সাথে প্রেম। বাবা রশি দিয়ে বেধে মেরেও কন্যাকে প্রটেক্ট করতে পারে নাই৷
আরেকটা ঘটনা ছিলো এমন। এক মেয়ে ফুচকা ওয়ালার সাথে ভেগে যায়। আসলে এগুলো বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না৷ প্রতিটি এলাকায় এগুলো অহরহ ঘটে৷ সামাজিক সম্মান ও বিয়ে দেওয়ার ভয়ে অনেকে এগুলো প্রকাশ্যে আনে না।
বখাটের প্রেমে পড়ে দেহ বিলানো। পরে লম্পট প্রেমিক উধাও৷ প্রেমিকার তখন বিয়ের দাবীতে অনশন। এমনো হাজারো কেইস তো দেখেছেন আপনারা। সব তো আর অনশনে যায় না। অনেকে দেহ বিলানোর পর ধুয়েমুছে নতুন বিয়ের পিড়িতে বসে ইনোসেন্ট সেজে।
ভার্সিটিতে থাকতে একটা ঘটনা জাতীয় দৈনিকে আসে৷ এক প্রতারক চবির না হয়েও চবির পরিচয় দিতো৷ এবং নিজেকে বিসিএস কর্মকর্তা পরিচয় দিতো। সে এই পরিচয়েই ১৩ জন ভার্সিটির মেয়ে কে ধ্বংস করে দেয়৷
তাছাড়া বিভিন্ন নিউজে হয়তো সিমিলার নিউজ দেখেন৷ কোটিপতি, সিটিজেনশিপ, বিসিএস,আর্মি পরিচয়ে কিভাবে অসংখ্য নারী ভোগ করে৷
যাস্ট চিন্তা করেন ভার্সিটিতে পড়ে, দেখতে কত চালাক ও চঞ্চল মনে হয়৷ বাট আবেগে কিভাবে মুরগীর মত শিকারে পরিণত হচ্ছে৷
ঢাবির এক হেদু টিচার ২ টা মেয়ের সাথে পরকীয়া করতো। একজন দেখে ফেলায় সুসাইড করে ফেলে। এই হেদু টিচার কি শুধু দুইজন কে ভোগ করেছে? কত অসংখ্য করেছে হিসাবের বাইরে। শুধু কি সে একা?
না এমনো হাজারো লম্পট আছে।
কোচিং সেন্টারেও আছে। প্রাইভেট জব সেক্টরে আছে৷ হাসপাতালেও আছে। গার্মেন্টস সেক্টরেও আছে৷
বয়ফ্রেন্ড নামক খদ্দরের তালিকায় ও লাখো তরুণী আছে৷
ঢাকার অভিজাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টে দেখেন মাঝেমধ্যে, অভিযান চালালে একসাথে ৩০/৪০ জোড়া এরেস্ট হচ্ছে।
এই দেখেন তারা বাহিরে বের হয়ে কত নিরাপদে আছে৷ আর ফেসবুকে এসে দাঁত কেলিয়ে বলে আমরা তো এমনি এমনি বের হইয়া৷ ঘরে সম্মান পাই না।
তাই আমরা বাহিরে মুরগীর মত শিকার হয়ে খুব সম্মান কামাই করতাছি।
কি আর বলবেন এদের। কিছুই বলার নাই। আর নির্বোধ দাইয়্যুস পিতা কেও আর কি বলবেন। এরাও মানুষিক রোগী হয়ে গেছে৷
©কপি
17/05/2026
নারীরা কেনই-বা মাসনাতে রাজি হবে আর কেনই-বা আহলিয়া মেনে নিবে ⁉️
আমি একজন বিবাহিত নারী। আমার স্বামী একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। প্রায় ৫ বছর আগে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শুরুতে আমি এতে একদমই রাজি ছিলাম না। কিন্তু তিনি এবং তার আশপাশের মানুষ আমাকে নানাভাবে চাপ দেন, মানসিকভাবে বাধ্য করেন, এমনকি আমার ঈমান ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আমাকে বলা হতো, আমি নাকি অধার্মিক এবং স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গুনাহ করছি।
তিন সন্তানের কথা ভেবে, অসহায় হয়ে শেষ পর্যন্ত আমি বিষয়টি মেনে নিতে বাধ্য হই। এতটাই নির্মম ছিল পরিস্থিতি যে, দ্বিতীয় বিয়ের সময় আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সবার কাছে বলা হয়েছে, আমিই নাকি আমার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করিয়েছি।
নিজের চোখের সামনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে দেখা—এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি সবসময় স্বামীর কথা মেনে চলেছি, তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছি, সংসার সামলেছি, তার সকল চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তার মনজুড়ে ছিল শুধু অন্য একজন নারী।
তিনি চাইলে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আলাদা বাসায় রাখতে পারতেন। কিন্তু তা না করে ২১ বছরের আমার সাজানো-গোছানো সংসারেই তাকে নিয়ে আসেন।
আমার ১৬ বছরের মেয়ের সামনে তার ২২ বছরের তরুণী স্ত্রীকে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন—একজন মা এবং স্ত্রী হিসেবে এই অপমান, এই মানসিক যন্ত্রণা আমি প্রতিদিন বয়ে বেড়াচ্ছি।
দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই তিনি আমাদের সন্তানদের প্রতিও উদাসীন হয়ে পড়েন। সন্তানদের খোঁজখবর, প্রয়োজন, অনুভূতি—কিছুই যেন আর তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি সম্পূর্ণভাবে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়েই ব্যস্ত।
এই বিয়েটি হয়েছে পরকীয়া সম্পর্কের মাধ্যমে, নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা পূরণের জন্য। অথচ এর নাম দেওয়া হয়েছে “মাসনা”। সমাজের মানুষ তাকে একজন মহৎ, ধার্মিক ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি হিসেবেই দেখে। বাইরে থেকে সবাই মনে করে তিনি দুই স্ত্রী নিয়ে খুব সুখে আছেন।
হ্যাঁ, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সুখেই আছেন। তাদের একটি ছেলেসন্তানও হয়েছে।
আমার চোখের সামনেই দেখি, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে কতটা যত্ন করেন। তার সামান্য অসুস্থতা বা কষ্টেও তিনি অস্থির হয়ে যান। অথচ আমি যখন অসুস্থ হয়ে বিছানায় কাতরাই, তখনও তিনি নির্বিকার; নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
ভালো খাবার, উপহার, যত্ন—সবকিছুই যেন শুধু দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য। আমার সন্তানদের ভালো-মন্দের খবর রাখার প্রয়োজনও তিনি অনুভব করেন না।
বাইরের মানুষ দেখে বলেন, তিনি ইনসাফ করছেন। কারণ তিনি একজন হুজুর, তাই নাকি দুই-তিনটি বিয়ে করতেই পারেন।
কিন্তু আমার প্রশ্ন—ইনসাফ কি শুধু বাহ্যিক খরচ বা থাকার জায়গা দিয়ে হয়? মানসিক অবহেলা, অপমান, অসম আচরণ, ভীতি প্রদর্শন—এসবের বিচার কে করবে?
আজ আমি শুধু আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই। নামমাত্র সম্পর্ক টিকিয়ে রেখে তিনি আমাকে আটকে রেখেছেন—টাকা, ক্ষমতা এবং ভয় দেখিয়ে আমার মুখ বন্ধ করে রেখেছেন।
আমি এই দমবন্ধ জীবন থেকে মুক্তি চাই।
~এক অভাগী বোনের আর্তনাদ [সংগৃহীত ]।
15/05/2026
নির্জনে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পর্দা কতটুকু?
▬▬▬◄❖►▬▬▬
প্রশ্ন: যখন স্বামী-স্ত্রী নির্জনে সময় কাটায় তখন তাদের মাঝে কতটা পর্দা রক্ষা করা জরুরি? (একান্ত ঘনিষ্ঠ সময় ছাড়া বাকি সময়গুলোতে)। কেননা আমাদের আশে পাশে সর্বদা জিন ও ফেরেশতাগণ ঘুরা ফেরা করে।
উত্তর:
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোনও পর্দা নেই। আল্লাহ তাআলা স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পরের জন্য 'পোশাক' বলে অভিহিত করেছেন এবং একে অপরের জন্য সম্পূর্ণ হালাল করেছেন। সুতরাং তারা নির্জনে যেভাবে খুশি একে অপরের সামনে থাকতে পারে এবং আনন্দ-বিনোদন করতে পারে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ
"তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।" (সূরা বাকারা: ১৮৬)
❖ তাফসিরে কুরতুবিতে এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে:
"পোশাক মূলত: কাপড়। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য পোশাক বলা হয়েছে এ জন্য যে, দেহের সাথে দেহের সংযোগ ঘটে, একে অপরের সাথে মিলিত হয় এবং পোশাকের মত একে অপরের সঙ্গে থাকে।" (সূরা বাকারার ১৮৬ নং আয়াতের ব্যাখ্যা, তাফসিরে কুরতুবী)
❖ এ ছাড়াও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
ﻋَﻦْ ﺑَﻬْﺰِ ﺑْﻦِ ﺣَﻜِﻴﻢٍ ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻋَﻦْ ﺟَﺪِّﻩِ ﻗَﺎﻝَ ﻗُﻠْﺖُ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻋَﻮْﺭَﺍﺗُﻨَﺎ ﻣَﺎ ﻧَﺄْﺗِﻰ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻭَﻣَﺎ ﻧَﺬَﺭُ ﻗَﺎﻝَ ﺍﺣْﻔَﻆْ ﻋَﻮْﺭَﺗَﻚَ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺯَﻭْﺟَﺘِﻚَ ﺃَﻭْ ﻣَﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖْ ﻳَﻤِﻴﻨُﻚَ ﻗَﺎﻝَ ﻗُﻠْﺖُ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﺍﻟْﻘَﻮْﻡُ ﺑَﻌْﻀُﻬُﻢْ ﻓِﻰ ﺑَﻌْﺾٍ ﻗَﺎﻝَ ﺇِﻥِ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖَ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻳَﺮَﻳَﻨَّﻬَﺎ ﺃَﺣَﺪٌ ﻓَﻼَ ﻳَﺮَﻳَﻨَّﻬَﺎ ﻗَﺎﻝَ ﻗُﻠْﺖُ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺣَﺪُﻧَﺎ ﺧَﺎﻟِﻴًﺎ ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺃَﺣَﻖُّ ﺃَﻥْ ﻳُﺴْﺘَﺤْﻴَﺎ ﻣِﻨْﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ .
বাহয বিন হাকিম তার পিতা হ’তে তিনি তার দাদা হ’তে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের আবরণীয় অঙ্গসমূহ কার সামনে আবৃত রাখব এবং কার সামনে অনাবৃত করতে পারি?
তিনি বললেন: "তোমার স্ত্রী ও দাসী (*) ব্যতীত সকলের সামনে তা আবৃত রাখ।"
কেউ যদি বাড়িতে প্রবেশের সময় সালাম দেয়, প্রবেশের দুআ পাঠ করে, সকাল-সন্ধ্যার তাসবীহ ও জিকিরগুলো পড়ে, ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে এবং নফল সালাত আদায় করে তাহলে জিন-শয়তান বাড়িতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং কোনো ক্ষতিও করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহু আলাম।
--------------------------
ফুটনোট:
(*) উল্লেখিত হাদিসে 'দাসী' বলতে কাকে বুঝানো হয়েছে?
উত্তর:
ইসলামে 'দাসী' বলতে বুঝানো হয়, মুসলিম ও
কা ফেরদের মাঝে সংঘটিত যু দ্ধে বিজয়ী মুসলিমদের হাতে যু দ্ধবন্দী কা ফের নারীগণ।
মুসলিম সেনাপতি সে সকল যু দ্ধবন্দি নারীদেরকে যোদ্ধাদের মধ্যে বণ্টন করবেন। অত:পর তারা তাদের বাসস্থান ও ভরন-পোষণের ব্যবস্থা করবে এবং তাদের এক হায়েয অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের সাথে সহবাস করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বিয়ের প্রয়োজন নাই।
ক্রয় করার মাধ্যমেও মালিক দাসীর মালিক হওয়া জায়েয আছে।
আল্লাহ তাআলা সফলকাম মুমিনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন:
وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
"যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।" (সূরা মুমিনূন: ৫ ও ৬)
উল্লেখ্য যে, এ সকল দাসীরা স্ত্রী মর্যাদা না পেলেও তাদের প্রতি করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে ইসলামে চমৎকার নির্দেশনা রয়েছে।।
কুরআন ও হাদিসে দাস-দাসী মুক্তির ব্যাপারে যথেষ্ট উৎসাহিত করা হয়েছে। এমনকি ইসলামের বিভিন্ন বিধি-বিধানের কাফফারা হিসেবে (যেমন: মানত ও কসম ভঙ্গ, স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে রমজান মাসে রোজা ভঙ্গ ইত্যাদি ক্ষেত্রে) দাস-দাসী মুক্তির বিষয়টিকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে যেন তাদের মুক্তির পথ সুগম হয়।
বর্তমান যুগে দাস-দাসীর অস্তিত্ব নেই।
▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার,সৌদি আরব
14/05/2026
গান- বাজনা হারাম।
⁉ প্রশ্ন (৬/৪০৬) : গান শোনা কি জায়েয? গান শুনলে কী ধরনের গুনাহ হয়?
🔰 উত্তরঃ গান শোনা হারাম। গান শুনলে কাবীরা গুনাহ হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা গান-বাজনা খেল-তামাশা ক্রয় করে... তদের জন্য অপমানজনক শাস্তি রয়েছে’ (লুক্বমান ৬)। নবী করীম (ছাঃ) গান-বাজনা নিষিদ্ধ করেছেন (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৬৫২)।
নবী করীম (ছাঃ) গান-বাজনার শব্দ শুনে দু’কানে দু’আংগুল ঢুকিয়ে দেন এবং রাস্তা থেকে সরে যান। তারপর আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ)-কে বললেন, ‘তুমি এখন কোন শব্দ শুনতে পাচ্ছ? আমি বললাম, না। তখন তিনি তাঁর দু’কান হ’তে দু’আংগুল সরালেন (আহমাদ, আবুদাঊদ; মিশকাত হা/৪৮১১)।
তবে বাদ্য-বাজনাবিহীন ইসলামী গান শোনা জায়েয।
📝 প্রশ্নোত্তর
📝 আগস্ট ২০১০
📚 মাসিক আত তাহরীক
©
14/05/2026
ওরা প্রেম করে বিয়ে করেছে।❎
ওরা যিনা করে বিয়ে করেছে।✅
©
12/05/2026
মেয়েরা কুরআন ও আরবী ভাষা শিখতে আগ্রহী হলে পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
💖আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ,
📍আরবী ভাষা শিক্ষা, ব্যাচ-৪, ( লেভেল-১) "এ ভর্তি চলতেছে....
🌺এ কোর্সে যা যা থাকবে__
👉"এসো আরবী শিখি (১ম খন্ড-বই ১টি) "+"মদিনা এরাবিক" বুক (১মখন্ড-বাংলা)-(ইংলিশ বই ২টি)
বইগুলোর পিডিএফ ও তারকিবসহ নোট দেয়া হবে।নিয়মিত হোমওয়ার্ক থাকবে। পার্টনারের সাথে চর্চার সুযোগ থাকবে।
👉এরাবিক গ্রামার ব্যসিক টু এডভান্স থাকবে ইনশাআল্লাহ।এরাবিক ভাষার সাথে কুরআনিক গ্রামারও পড়ানো হবে ইনশাআল্লাহ।অন্যান্য কোর্স থেকে এ কোর্সের পড়া একটু ব্যতিক্রম হবে ইনশাআল্লাহ।যাতে আপনারা সহজে ভাষা আয়ত্ত করতে পারেন এবং কুরআন অর্থসহ বুঝে পড়তে পারেন।
👉ক্লাস হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপে নেয়া হবে।ক্লাস জুমে নেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।সপ্তাহে ৩দিন ক্লাস হবে ইনশাআল্লাহ।
👉সবশেষে বলতে চাই, আমরা সবাই ব্যস্ত কোন না কোন কাজে।কিন্তু ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশুনার জন্য একটু সময় বের করবেন।যাতে নিয়মিত পড়াশুনা করতে পারেন।পড়াশুনার জন্য অধিক আগ্রহ থাকা জরুরি।আগ্রহ,পরিশ্রম,অধ্যবসায় ও ধৈর্য লাগবে প্রচুর যে কোন কাজে লেগে থাকতে হলে।অলসতা করা যাবে না।
🌟 ক্লাস শুরু হবে শীঘ্রই ইনশাআল্লাহ। এর আগে ভর্তি চলবে।
📍আরবী ভাষা শিক্ষা কোর্সঃ
(লেভেল-১)
✨ ক্লাস রুটিন__
রবিবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার__ বিকেল ৫.২৫--৬.২৫টা পর্যন্ত(বাংলাদেশ সময়)
📍রেজিস্ট্রসন ফিঃ ২০০ টাকা
🌼প্রতি মাসিক হাদিয়াঃ ১০০০(বিকাশ খরচসহ দিবেন)
🌻ভর্তির সময় রেজিস্ট্রেসন ফি এবং ১ মাসের ফি অগ্রিম দিবেন বিকাশখরচসহ।
👉ভর্তি হতে চাইলে ইনবক্সে বিস্তারিত জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।
💠 Noor Al-Hidayah Women's Quran Academy এর টেলিগ্রাম গ্রুপঃ
🌟★পেইজ লিংকঃ
📍পেইজ-১:
https://www.facebook.com/share/1XVkEYyGVE/
📍পেইজ-২:
https://www.facebook.com/share/18QvbRTEWE/
🌟📍গ্রুপ-১: 👉 https://t.me/+XBILhh262NwyNWI1
📍গ্রুপ-২: https://t.me/+gT0u8N2qUVIzZDVl
🌟📍টেলিগ্রাম চ্যানেল-১:https://t.me/+-aE-pPGqSIszZTU1
📍টেলিগ্রাম চ্যানেল-২:https://t.me/+H2vxJh9T-Ak0NGZl
12/05/2026
দিন শেষে অর্থবিত্ত হেরে যাবে, আর দ্বীনদারিতা সফল হবে ইনশাআল্লাহ।
01/05/2026
বিয়ের জন্য পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে শরিয়তের সীমা কতটুকু?
-আল্লামা শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল উসাইমিন (রাহ.)
প্রশ্ন: বিবাহের প্রস্তাবের পর পাত্রী দেখার শরিয়তসম্মত সীমা কী? তার চুল, মুখ ও হাত দেখা কি জায়েজ?
উত্তর:
পাত্রী দেখা জায়েজ। তবে কিছু শর্ত আছে। যেমন:
◈ প্রথম শর্ত: বিয়ের দৃঢ় ইচ্ছা নিয়ে প্রস্তাব করতে হবে।
◈ দ্বিতীয় শর্ত: মনে প্রবল ধারণা থাকতে হবে যে প্রস্তাব গৃহীত হবে।
◈ তৃতীয় শর্ত: কোনো যৌন আকাঙ্ক্ষার বশে দেখা যাবে না।
◈ চতুর্থ শর্ত: নির্জনে একা দেখা যাবে না।
এই শর্তগুলোর যেকোনো একটি না মানলে দেখা হারাম বলে গণ্য হবে। (আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন)।
পাত্রের জন্য পাত্রীর যতটুকু দেখা বিয়ের আগ্রহ জাগায় ততটুকু দেখা জায়েজ — যেমন: মুখ, চুল, গলা, দুই হাত ও পা। কারণ এগুলো দেখে পাত্র সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
❑ প্রশ্ন: ফোনে কথা বলা কি জায়েজ?
উত্তর:
না। অনেক পাত্র বিয়ের প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর প্রতি রাতে বিয়ের আগেই ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলে
— এটা হারাম। কারণ এই ধরনের কথোপকথনে যৌন অনুভূতি জেগে ওঠা অনিবার্য। কেউ কেউ বলে, "আমি তার মেধা ও কথা বলার ধরন বোঝার জন্য কথা বলি" — কিন্তু এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বিয়ের আগে বাগদত্তা মেয়েটি শরিয়তের দৃষ্টিতে পুরোপুরি একজন পরনারী।
❑ প্রশ্ন: পাত্রের সামনে পাত্রী কি মেকআপ করে আসতে পারবে?
উত্তর:
না, জায়েজ নেই। কারণ এখনো সে তার স্ত্রী হয়নি। তা ছাড়া মেকআপ করে আসলে পাত্র যদি পরবর্তীতে আসল চেহারা দেখে হতাশ হয় তাহলে সে বলবে "এই মেয়ে ধোঁকা দিয়েছে।" তাই স্বাভাবিক চেহারায় আসাই উচিত।
❑ প্রশ্ন: সুন্দর পোশাক পরে আসা কি জায়েজ?
উত্তর:
না। সে এখনো তার স্ত্রী নয়। তাই সাধারণ পোশাকে আসবে ━ কোনো সাজসজ্জা ছাড়া।
❑ প্রশ্ন: সুগন্ধি ব্যবহার করে আসা কি জায়েজ?
উত্তর:
না। কারণ শরিয়তের দৃষ্টিতে সে এখনো পরনারী।
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব
©