আমরা যদি একে অন্যকে ফলো করি তাহলে 20k হওয়া কোন ব্যাপার না।
এতে সকলের উপকার।
✅Follow For Follow ✅
Abir Hasan
"English Basic Class"and"Quran,Hadith,Dua"
ক্লাসের মাধ্যমে শিখানো হয়।ফলো দিয়ে পাশে থাকুন৷ধন্যবাদ🥀
যারা ব্যাংকের চাকরি ছাড়তে পারছেন না তাদের জন্য সুন্দর নছিহত 🌼
এমন কাউকে বিয়ে করুন যে আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসবে......
বর্তমান সমাজে অহরহ পরকিয়া, ডিভোর্স, দাম্পত্য জীবন অশান্তির মূল কারণ পরিবার মধ্যে ইসলাম না থাকা। আর যে পরিবারে ইসলাম থাকবে না সে পরিবার থাকবে না আল্লাহভীতি এবং নিজ কর্মের জবাবদিহিতা। আল্লাহভীতি তো সেটাই, যা স্বামী - স্ত্রী পরস্পর আল্লাহর জন্য একে অপরেকে গভীরভাবে ভালোবাসবে বিয়ের দিন যেমন থাকে, বিয়ের ৩০ বছর পরেও একই রকম থাকে। আর এটা হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য রহমত। তারা আল্লাহর জন্য নিজেদের চরিত্র হেফাজত করেছেন বলে আল্লাহ তাদের দু'জনের মধ্যে এমন গভীর ভালোবাসা স্থাপন করে দিয়েছেন।
ইসলামের বিপরীতে স্রোতের মানুষগুলোর জন্য যা শুধু কল্পনা..!!
আমাদের সমাজে তথাকথিত অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিয়ে দেখার সময় তাকওয়া দেখে বিয়ে দিতে চাই না। তারা দেখে ___ ছেলে কত টাকার মালিক কত উচ্চ তার বংশ, কতগুলো ডিগ্রি আছে, ছেলের বাস্কেটে। অতচ, একবারের জন্য ভাবতে চাই না __ যে ছেলের কাছে সারা জীবনের জন্য তার মেয়েকে দিচ্ছে, সে ছেলের চরিত্র ঠিক কিনা বা ছেলেটির জীবন আল্লাহভীরুতা আছে কি না..!
একইভাবে দেখা যায় ছেলেদের ক্ষেত্রে.!! সুন্দরী স্ত্রী খুঁজতে গিয়ে তারা তাকওয়াবান স্ত্রী কথা ভুলে যায়। একসময় দেখা যায়.,, সেই সুন্দরী স্ত্রী তাকে ফেলে চলে যায় বা পরকিয়া পতিত হয় বা তার নিজের রূপের অহংকারে সংসারে সবসময় অশান্তি লেগেই থাকে। অতচ,, রাসুল সাঃ বলেছিলেন ___" দুনিয়ার যত সম্পদ আছে,,,তার মধ্যে উত্তম সম্পদ হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী ""।
আমাদের মা- বাবাদের উচিত তাদের কন্যাদের সু- পাত্রস্থ করতে চাইলে দ্বীনদার, পরহেজগার, তাকওয়াবান, যুবকদের সাথে বিয়ে দেয়া। এতে করে কন্যা সুখী হল এবং সমাজে পরকীয়া, ডিভোর্স মত ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে। এই ব্যাপারে রাসুল সাঃ নির্দেশ হল ___" যার দ্বীনদারী ও আখলাক - চরিত্র তোমরা সন্তুষ্ট, এমন কেউ প্রস্তাব দিলে তার সাথে তোমরা বিবাহ সম্পন্ন কর, তা না হলে পৃথিবীতে ফিতনা দেখা দিবে ও ব্যাপক ফ্যাসাদ ছড়িয়ে পড়বে।
★...আমরা সবাই চাই,, আমাদের জীবনসঙ্গী যেন খুব ভালো হয় চরিত্রবান হয়, স্যাক্রিফাইস মাইন্ডের হয়। আপনি যদি আসলেই আপনার দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর ও সুখি দেখতে চান তাহলে আপনার থেকে অবশ্যই ইসলামের হুকুম - আহকামের দিকে নিজেকে সৎ, চরিত্রবান করে গড়ে তোলা। কারণ আল্লাহভারুতার কারণে সে সৎ হয়, চোখ ও অন্তরের হেফাজতকারী হয়, সর্বোপরি দাম্পত্য জীবনের জন্য একজন উত্তম জীবনসঙ্গী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সমর্থ হয়।সে জানে, সে জদি তার জীবনসঙ্গীর হক ঠিকমতো আদায় না করে তাহলে কাল হাশরের ময়দানে তাকে আল্লাহর দরবারে কঠিনভাবে জবাবদিহি দিতে হবে হবে।ইসলামের সাথে কোনো সম্পর্ক নাই মন কাউকে যদি আপনি বিয়ে করেন, তাহলে আপনি অবশ্যই ঐ জীবনসঙ্গী নিয়ে চিন্তিত থাকবেন। কারণ সে যে কোন সময় শয়তানের ধোঁকায় পড়তে পারে। আর এমন পরকিয়া দাম্পত্য জীবনে কলহের নজির আমাদের অনেক আছে।
তাই বিয়ে করলে এমন একজনকে বিয়ে করুন যে_____
★ আপনাকে চিন্তা মুক্ত রাখবে
★আপনার সাথে সদাচরণ করবে
★আপনার হক ঠিকমতো আদায় করবে
★আপনাকে অন্তর থেকে ভালোবাসবে
★আপনার বিপদ-আপদে সাহায্য করবে, ধৈর্য ধারণ করার শক্তি যোগাবে এবং সঠিক পরামর্শ দিবে।
★যার সঙ্গতায় ঈমান বৃদ্ধি পাবে।
★ যে আপনাকে তাহাজ্জুদ ও ফজরের সময় জাগ্রত করবে.।
তখন স্বামী স্ত্রী আখিরাতে ও একসাথে থাকার জন্য দুনিয়াতে একে অপরের আমল করতে সাহায্য করবে এবং উৎসাহ যোগাবে ইন শা আল্লাহ... 🤲🖤🖤
🥀 তাই বিয়ে করার ক্ষেত্রে এমন কাউকে বিয়ে করুন যে আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসবেন।
কারণ হাদিসে আছে,,, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন বলবেন, আমার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের পরস্পরকে যারা ভালোবেসে ছিলে তারা কোথায়...??? আজকের দিনে আমি তাদের কে আমার ছায়ায় আশ্রয় দিব., যেদিন আমার ( আরশের) ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া নেই।
★__,, একজন দ্বীন হীন মানুষকে বিয়ে করার আগে আপনি যদি ভাবেন,,,, বিয়ের পর বুঝিয়ে মানিয়ে ঠিক করে নিবো.এটা ভুল...। আপনি যদি ভাবেন,, স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক মাটির মত, ইচ্ছে হলেই দাওয়াত দিয়ে সঠিক পথে নিয়ে আসতে পারব। এটা ভাবাও ভুল.। আপনি যাকে চাইবেন সঠিক পথে আনতে পারবেন না,,যদি আল্লাহ তাকে হেদায়েতের পথ না দেখান। অনেকে বলে,, কৌশল খাটিয়ে তো স্বামী স্ত্রীকে অথবা স্ত্রী স্বামীকে পথে নিয়ে আসতে পারে । ঐ মানুষটি কিভাবে এত সহজে ঐ লেভেল থেকে সরিয়ে নিয়ে আসা যায়,,যাকে তার বাবা ইসলামের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়নি...???? যারা নামকা ওয়াস্তে মুসলিম,, আল্লাহর হুকুম পালনে ধারে কাছে যায় না,, তাদেরকে কিভাবে এত সহজে ঠিক করা যায়..???
কিন্তু পরিমাণ ইসলাম মেনে চলতে চান তাহলে তাদের প্রতি অনুরোধ নেককার পুরুষ অথবা নারীকে বিয়ে করুন। যাকে বিয়ে করে আপনার আমল অনেক ভালো হবে,, কাউকে হেদায়েতের সঠিক পথ দেখাতে বিয়ে করে নিজেই অন্ধকারে হারিয়ে যান।
সুবহান আল্লাহ! আল্লাহ্ কত নিখুঁতভাবে মানুষ জাতিকে সৃষ্টি করেছেন।সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর।🥀✔️
মন জুড়ানো তিলাওয়াত ✔️🥰
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাত গুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো,(২১/২৩/২৫/২৭/২৯)
গুনাহ করি, তারপর অনুশোচনা করে তাওবা করি। ফের গুনাহ করি, অনুতপ্ত হয়ে তাওবা করি। আবার শয়তানের পাল্লায় পড়ে গুনাহ করি, তাওবা করি। এভাবে চলছেই।
আমি কি মুনাফিক?
উঁহু! আমি আউয়াব (أوَّاب)।
বারবার আল্লাহর কাছে ফিরে আসা আল্লাহর প্রিয় বান্দা।
~শায়খ আতিকউল্লাহ
"একটি মৃত সুন্নাহ, "সাহরিতে খেজুর খাওয়া। "🤍
📚(মিশকাতঃ১৯৯৮)📚
Active✅ আছি ✅✅
দ্রুতো ফলো দিন রকেটের গতিতে ফলো ব্যাক দিচ্ছি ৷
💯 Follow Back to Back🔥✅🔥✅🔥✅🔥✅
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Feni