The Rickety-উনপাঁজুরে

The Rickety-উনপাঁজুরে ঊন মানুষের গল্প

বাইক কোনো বিলাসিতা নয়, মধ্যবিত্তের জরুরি বাহন।সরকারকে "ট্যাক্স দিবো আনন্দের সাথে কিন্তু বিনিময়ে নাগরিক অধিকার চাই!" 🇧🇩🏍️...
17/05/2026

বাইক কোনো বিলাসিতা নয়, মধ্যবিত্তের জরুরি বাহন।সরকারকে "ট্যাক্স দিবো আনন্দের সাথে কিন্তু বিনিময়ে নাগরিক অধিকার চাই!" 🇧🇩🏍️ আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিব কিন্তু বিনিময়ে সরকারের কাছে আমাদের দাবি:

১) রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের অযথা হয়রানি বন্ধ এবং ডিজিটাল ট্রাফিক ব্যবস্থা করতে হবে।
২) ডিজিটাল লাইসেন্স থাকলে ফিজিক্যাল কাগজপত্রের জন্য জরিমানা করা যাবে না।
৩) বডি ক্যামেরা ছাড়া কোনো পুলিশ গাড়ি থামালেই আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া জরিমানা/ডাম্পিং নিষিদ্ধ করা।
৪) লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ শতভাগ অনলাইন করা।
৫) বাইক চুরি গেলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে উদ্ধার করতে হবে।
৬) রাস্তা গর্তমুক্ত, হাইওয়েতে অটো-রিকশা বন্ধ ও হাইওয়েতে লাইট থাকতে হবে।
৭)ব্রিজে বাড়তি টোল নেওয়া বন্ধ করতে হবে।
৮) এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দিতে হবে।
৯)বাইক কেনার ওপর থাকা ১৫০% গায়েবি কর বাতিল করতে হবে।

#বাইকাররা #এই #দেশের #নাগরিক #কোনো #অপরাধী #নয়। #সরকারকে #করের #টাকার #সঠিক #ব্যবহার #দেখাতে #হবে।

"অধিকার বুঝে নিতেই আমাদের এই দাবি!" 🇧🇩

শেয়ার করে বাইকারদের দাবি গুলো জানিয়ে দিন

বুঝতে পারছি আপনারা রাজনীতিতে আসবেন। খেলোয়াড়, শিল্পী আর অভিনেতাদের রাজনীতিতে আসা বিশ্বের একটা স্বাভাবিক ঘটনা।  বাংলাদেশও ...
11/04/2026

বুঝতে পারছি আপনারা রাজনীতিতে আসবেন।

খেলোয়াড়, শিল্পী আর অভিনেতাদের রাজনীতিতে আসা বিশ্বের একটা স্বাভাবিক ঘটনা। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু রাজনীতির অতিরঞ্জিত চাটুকারিতার নীতি আমাদের দেশের কত বড় বড় তারকাদের অসম্মানিত করেছে তার ইয়ত্তা নেই। অনেকে পলাতক আছেন অথবা আত্মগোপনে। এই সম্মানিত মানুষগুলো খেলার মাঠ অথবা স্ক্রিনে আমাদের অনেকের হিরো, আইডল। সেই আপনারা যখন চাটুকার হন , বিতর্কিত মন্তব্য করেন, সুবিধা নেয়ার জন্য বা পদ পাবার আশায় সত্য মিথ্যার পার্থক্য , সাদাকালো বুঝতে পারলেও বলতে পারেন না সেই আপনারা রাজনীতিতে এসে উন্মাদ হয়ে যান। আপনাদের এই উন্মাদনা আপনাদের দর্শক, ভক্তদের খুব কষ্ট দেই ।

এবার এবার জাতীয় নির্বাচনে হঠাৎ করে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে যাননি। এটা খুব ভাল লেগেছে। যে কজন এসেছেন তাঁরা আগে থেকেই সরাসরি রাজনীতি করেন।
জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে হঠাৎ করে রাজনীতিতে এসে সাংসদ হয়ে গেলে কী বুঝবে রাজনীতির? এলোমেলো মন্তব্য আর চাটুকারিতাই তখন প্রধান কাজ হয়ে যায়।

পূর্বের মতো আগন্তুক রাজনৈতিক না হয়ে রেগুলার রাজনৈতিক হন।
অডিয়েন্সদের মন ভাঙবেনা।

09/03/2026

What a match ! !

W W W W W W

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাদের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড...
15/05/2025

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাদের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড কিংবা অশান্তিতে থাকলে তার সাথে কথা বললে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আমি পাই।
তো একবার এইরকম একটা ডাউট নিয়ে আমি মেন্টরের সাথে দেখা করলাম।

আমাকে দুধ এবং চিনি ছাড়া স্রেফ গরম পানিতে ডুবানো একটা টি প‍্যাক এগিয়ে দিয়ে বললেন-তানভীর, আছো কেমন?
আমি কিছুটা আড়ষ্টতা নিয়ে তাকে বললাম, কনফিউজড উস্তায!
তিনি আমার চেহারার দিকে গভীর ভাবে তাকালেন, মিনিট খানেক। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন-কি নিয়া পেরেশানিতে আছো?

আমি তার আরো একটু সামনে এসে নিচু কন্ঠে বললাম-উস্তায, আমার ইনকাম নিয়া আমি দ্বিধায় আছি। আমি সৎ পথে উপার্জন করি। পেশাগত কাজে পারলে ২০০ ভাগ নিবেদন দিয়ে কাজ করি। তারপরও কেন জানি এতো বছর কাজ করার পরও আমার মনে হয়ে যে আমার উপার্জনে কোনো বরকত পাচ্ছিনা।
উস্তায মন দিয়ে আমার কথা শুনলেন, তারপর জিজ্ঞেস করলেন
-কেন তোমার এমন মনে হচ্ছে?
আমি এবার বললাম, যে আমার সেভিংস হচ্ছেনা। প্রতিবছর যেমন আয় বাড়ছে, তেমনি খরচও বাড়ছে।

উস্তায আবার কী মনে করে যেন আমার ডান হাতটা তার হাতে নিলেন। তারপর আবার গভীর ভাবে আমার কপাল আর চোখের দিকে তাকালেন। প্রশ্ন করলেন
-কিসের খরচ বাড়ছে তোমার?
-এই ‍যেমন বাচ্চাদের এডুকেশন-ওদের স্কুলের বেতন, ওদের টিচারদের বেতন, কিছু অস্বচ্ছল আত্নীয় স্বজনদের খরচ।
-কোন স্কুলে পড়ে তোমার বাচ্চারা?
-আমি স্কুলের নাম বললাম।
-তানভীর, তুমি কি মনে করো, শুধু ব‍্যাংকে জমা বাড়া মানেই আয়ের বরকত?

আমি আমতা আমতা করি।
-এই যে তুমি সেরা একটা স্কুলে তোমার বাচ্চাদের পড়াতে পারছ, এটা কি বরকত নয়? কয়জন বাবা-মা এরকম ভালো স্কুলে তার বাচ্চাদের পড়াতে পারছে?
হ‍্যাঁ, তা তো ঠিক। আমি মাথা নাড়ি।
-তোমার বাচ্চারা কেমন? ওরা কি উচ্ছৃংখল? তোমাদের কথা বার্তা শোনেনা?
-না, না উস্তায। খুব লক্ষি বাচ্চা ওরা।
-এটা কি বরকত নয়, তানভীর?
-জি, অবশ‍্যই।

-বিগত ৫/৭ বছরে তোমার পরিবারে কেউ বড় রকম অসুস্থ হইছে? বা তুমি নিজে?
-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে কেউ ওরকম সিরিয়াস অসুস্থ হয়নাই। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিল, আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থ হয়ে গেছে।
-হাসপাতালে ভর্তি করাতে হইছিল?
-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে।
-এই যে তোমরা সুস্থ আছো, এটা কি বরকত না, তানভীর? আমার মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করেন তিনি।
-জি অবশ‍্যই।
-তানভীর, তোমার স্ত্রী কেমন মানুষ? সে কি তোমার সাথে সদাচারণ করে? তোমার খেয়াল রাখে? সে কী উন্নত চরিত্রের নয়?
-না না, উস্তায। সে অসাধারণ উন্নত চরিত্রের মানুষ। সে শুধু আমাকেই নয়। আমার সন্তাদের, আমার বাবার, আত্নীয় স্বজনেরও যত্ন নেয।

-আর কী বরকত চাও, তুমি? পরিবারে শান্তির চেয়ে বড় বরকত কী হতে পারে?
-জি উস্তায, আমি আসলে এভাবে গভীরে গিয়া চিন্তা করিনাই।
-তোমার বাবা-মা আছেন?
-মা নেই, বাবা আছেন?
-বাবা কি তোমার সাথে থাকেন, নাকি আলাদা থাকেন?
-আমার সাথে থাকেন, উস্তায। আমার সাথে।
-তোমার বাবা তোমার সাথে থাকেন, এ যুগে বাবা-মা সাথে থাকা, কত বড় বরকত তানভীর, তুমি টের পাওনা?
-টের পাই উস্তায। টেরপাই। আব্বা সাথে আছেন, এইটা
অনেক বড় বারাকা, উস্তায।

তিনি আর কথা বাড়ান না। আমাকে বুকে জড়াই ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তারপর বলেন, জীবনে টাকা পয়সা-ধনসম্পদ বৃদ্ধিই শুধু বরকত না। জীবনে তুমি সুস্থ আছো, তোমার একটা সুন্দর পরিবার আছে, তুমি তাদের এবং তারা তোমার দেখভাল করতে পারছে-এটাও বরকত। জীবনে তুমি সঠিক জ্ঞানের আলো পাচ্ছ-এটাও বরকত। আত্নীয় স্বজনের খবর নিতে পারছ-এটাও বরকত। প্রতিদিন বাবার চেহারা দেখতে পাচ্ছ-এটাও বরকত।
-তুমি টাকা পয়সা ব‍্যাংকে জমাইয়া কী এরচেয়ে বেশি বরকত পাবে, তানভীর?
-উস্তায, আপনি ঠিক বলছেন।

তিনি আমাকে নিচ তলা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। আমি তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গাড়ি সার্ট দিয়ে আমি প‍্যানারমিক সানরুফটা খুলে দিই। তারপর গভীর কৃতজ্ঞতায় আকাশের দিকে তাকাই। সেদিন ছিল জোৎস্না। রুপালী আলোয় ভেসে যাচ্ছে আকাশ। সানরুফের খোলা ছাদ দিয়ে আমি দুইহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে যাই। তারপর দুচোখ বন্ধ করি। আমি অনুভব করি, পৃথিবীর সব বরকত জড়িয়ে আছে আমায়!
Collected

08/05/2025

ধোঁকা!
ধোকা চলছে সব দিকে।

20/04/2025

অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে বরাবরই তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলে বাবা দেখো আজ সে কতো ব্রাণ্ডেড ঘড়িটা পড়ে এসেছে। বাবা দেখো তার স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেট। সুন্দর না বাবা! আমি মাথা নাড়িয়ে শুধু সম্মতি জানাই।

আমার ছেলের সাহস কিন্তু হয়নি কখনো সেম জিনিসটা চাওয়ার। একদিন তার পায়ে সামান্য ব্যথা। স্কুল যাওয়ার সময় বললো বাবা আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে নিয়ে স্কুলে নামিয়ে দেবে?
আমি তার সমস্যার কথা বিবেচনা করে বললাম ঠিক আছে। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ সে আমার সাথেই গেলো। আমি চুপচাপ তাকে নামিয়ে দিতাম। আমার ছেলের এখন দেখছি হেঁটে যেতে ইচ্ছে করছেনা। পরেরদিন সকালে আমাকে বলার আগে আমিই বলে দিলাম অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ নির্দিষ্ট সময়ের আরোও কিছুক্ষণ আগে বের হবে হেঁটে যেতে পারবে। ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইলো।
এদিকে আমার স্ত্রীও মন খারাপ করেছে। কেনো করি এমন! এর উত্তর জানা নেই।

আজ সন্ধ্যায় ছেলে আমার বাড়িতে এসেই বলেছে জানো আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও………
বলার আগেই আমি তাকে থামিয়ে জানতে চাইলাম বাবা প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমায় সে স্কুলে দিলাম কিন্তু তুমি ফেল করলে কোনো সাবজেক্টে তাহলে আমি কি বলবো তুমি ফেল নাকি স্কুল?
ছেলে বললো বুঝেছি বাবা।

আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। তুমিই ফার্স্ট বয়। সুতরাং তুমি যেখানে সেরাটা দেবে সেই স্থানই সেরা তোমার মতো। এরপর সে আর এরকম কোনো কথা বলেনি। আজ বিকেলে ছেলে বলছে বাবা একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। আমার ম্যাথ ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে। আমি ছেলেকে বললাম বাবা একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত করে বাড়িতে ফিরবো নয়'টা কিংবা দশটায় আমার কাছেই তোমাকে ম্যাথ আর ইংলিশ করতে হবে।

বাবা তুমি পরিশ্রম করে বাড়ি আসো তাই না?
আমি হেসে বললাম, না বাবা। আমার কাছে এতো সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি। কি বলো?
ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো ঠিক আছে বাবা। স্ত্রী রাতেরবেলা জিজ্ঞেস করলেন তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো কিন্তু!
কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সে বুঝুক ও সে শিখুক। কোনো কিছুই মন্দ নয় সে বুঝুক। আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেলেন। মাঝেমাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের সম্পর্কে জানাই। সে জানুক পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর। বাস্তবে খুব কঠিন।

আমি চাওয়া মাত্রই তাকে কিছু দেইনি। একদিন সে বলেছিলো বাবা তুমি এরকম কেনো? তাকে বলেছিলাম সময় হলে বুঝবে। দুই তিন আগে সে ইলিশ ও মাংস পোলাও খাবে। তাকে বললাম টাকাতো কম। তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে। ছেলে আমার পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম তুমি খরচ করোনি? সে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, না বাবা। জমিয়েছি। আমার পরিচিত এক বন্ধু স্কুলে না খেয়েই আসে। কোনো টাকাও নেই তার কাছে। আসলে সে খুব অসহায় বাবা। আমি মাঝে তাকে ক্ষুধার্ত দেখে বুঝতে পারি সেদিনই তার সাথে খাই কারণ তখন সে না করে না। অন্যান্য দিনগুলো টাকা খরচ করিনা। জমিয়ে রাখি, কারণ বাড়ি থেকে মা যা দেয় তাতো যথেষ্ট, কারণ কিছু মানুষ সামান্যটুকুও পায় না। আমি ছেলের দিকে তাকিয়ে আছি। সেই গুছানো টাকা নিয়ে আরোও টাকা মিলিয়ে ইলিশ এনে ছেলেকে ইলিশ মাংস পোলাও খাওয়ালাম। ইচ্ছে করেই অভাব অনুভব করাই যাতে সে বুঝুক জীবনটা কঠিন। অনেক কঠিন।

ঈদে মার্কেটে গিয়ে তাকে বলেছি সাধ্যের মধ্যে নিতে। সে একটা প্যান্ট নিয়েছে শুধু। জানতে চাইলে বলে তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি। আমি হাসলাম। সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়।

একদিন বসে বসে বলছে বাবা সায়নটা আর মানুষ হলো না অথচ আংকেল তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যা চেয়েছে সে, তার সবটাই তাকে দিয়েছেন। আমি ছেলেকে বললাম আমি কি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি?
ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বললো প্রতিটা চাহিদা পূরন করে শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব ন*ষ্ট না হয়। তুমি জীবনের যে শিক্ষা দিয়েছ বাবা তা সব কিছুর ঊর্ধ্বে। তুমি শিখিয়েছ অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখনো জানি আমার বাবার আমি ছাড়া কিছু নাই। বাকীটা আমাকে করে নিতে হবে। সবকিছু ইউটিলাইজ করতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না বাবা। কারণ আমি জানি আমি কে!

তোমার দেয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখবো বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিন মানি জমালে পাঁচশো টাকা জমা হয়। তুমি আছো বলেই সম্ভব। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কতো কঠিন। আমার স্ত্রী নিজের থেকেই আজ খুব খুশি। বুঝতে পেরেছেন আমার উদ্দেশ্যটা।
প্রায় দশ বছর পর ছেলে প্রাইভেট কার কিনেছে নিজের রোজগারে। হাসতে হাসতে বলে বিগত পাঁচ বছরে টিফিনের টাকা আর বোনাসের টাকা জমিয়ে এটা কিনেছি। বুঝতে পেরেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। সাথে হয়েছে মানুষও।

সপ্তাহখানিক পর যাবতীয় সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়ে বললাম সামলে রেখো। ছেলে দলিল আমার হাতে দিয়ে বললো তোমরা সাথে থেকো। আর কিছু লাগবে না। আজ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রী নীলিমাকে বললাম- দেখেছো আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি, যেমনটা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি অভাবে সন্তানকে লজ্জিত হওয়া নয় বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি।
লেখা- সংগৃ-হীত

পোস্ট টি শেয়ার করে মালিককে ব্যাগটি পেতে সহায়তা করুন । CNG ড্রাইভারের সততা দেখে ভালো লাগলো
11/04/2025

পোস্ট টি শেয়ার করে মালিককে ব্যাগটি পেতে সহায়তা করুন ।
CNG ড্রাইভারের সততা দেখে ভালো লাগলো

11/04/2025

বিক্ষোভ মিছিল

   #আশিক_চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে সকল অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে, এই ভেঙে পড়া দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে।...
11/04/2025

#আশিক_চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে সকল অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে, এই ভেঙে পড়া দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে।
এতগুলো অপুর্চিনিটি আপনি আর আমি পেলে হয়তো দেশের গুস্টি উদ্ধার করে বিদেশের' আইয়াসি জিবনে গা ভাসাতাম।
ে_আশিক_চৌধুরীর_ক্যারিয়ার :
1. ২০০৭ সালে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর টেরিটরি অফিসার
2. ২০০৭ এর শেষের দিকে 'স্টান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংকের ফিনানশিয়াল প্ল্যানিং ডিভিশন' ম্যানেজার
3. ২০১২ সালে 'আমেরিকান এয়ারলাইন্সের' ফিনানশিয়াল এনালিস্ট
4. ২০১৯ এ একই প্রতিষ্ঠানের ইউরোপ এন্ড এশিয়ার 'হ্যাড অফ ফিন্যান্স'
5. গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের এডভাইজার
6. ২০২৪ সালে 'হংকং ব্যাংকের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের' অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর
মজার ব্যাপার হচ্ছে এই লোকের আবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও আছে। ২০২৪ এ এসে United state এর মেমপিস শহরের প্রায় ৪২,০০০ ফিট উপর থেকে বাংলাদেশের পতাকা 🇧🇩 হাতে নিয়ে ফ্রি-ফল করে গিনেসে নাম লিখেছেন এই আশিক চৌধুরী।
অথচ এত কিছুর পরেও গর্দভের মত মুখ উঠিয়ে একটা ভঙ্গুর দেশের হাল ধরতে চলে এসেছেন। মাথায় দেশপ্রেম নামক গোবর ঠাসা আশিকের মত এই লোকগুলোর না জানি কবে খানিক চুরি-বাটপারির শিক্ষা ধিক্কা হবে কে জানে।

Address

Feni

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Rickety-উনপাঁজুরে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share