আল্লাহ আমার রব

আল্লাহ আমার রব এসো আলোর দিকে
http://m.facebook.com/halim.ask.92

28/03/2020

ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ، ﻭَﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ، ﻭَﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺤْﻴَﺎ ﻭَﺍﻟْﻤَﻤَﺎﺕِ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴِﻴْﺢِ ﺍﻟﺪَّﺟَّﺎﻝِ -
অর্থঃ- হে আল্লাহ ! তুমি আমাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করো, আমাকে জাহান্নামের আযাব, এবং দুনিয়ার ফিৎনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফিৎনা থেকে রক্ষা করো ॥
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﺴِﻞْ ﺧَﻄَﺎﻳَﺎﻯَ ﺑِﻤَﺎﺀِ ﺍﻟﺜَّﻠْﺞِ ﻭَﺍﻟْﺒَﺮَﺩِ ﻭَﻧَﻖِّ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺨَﻄَﺎﻳَﺎ ﻛَﻤَﺎ ﻧَﻘَّﻴْﺖَ ﺍﻟﺜَّﻮْﺏَ ﺍﻷَﺑْﻴَﺾَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺪَّﻧَﺲِ ﻭَﺑَﺎﻋِﺪْ ﺑَﻴْﻨِﻲ ﻭَﺑَﻴْﻦَ ﺧَﻄَﺎﻳَﺎﻯَ ﻛَﻤَﺎ ﺑَﺎﻋَﺪْﺕَ ﺑَﻴْﻦَ ﺍﻟْﻤَﺸْﺮِﻕِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻐْﺮِﺏِ -
উচ্চারণ:- আল্ল-হুম্মাগ্সিল খতা- ইয়া-ইয়া বিমা-য়িস্ সাল্জি ওয়াল বারাদ, ওয়ানাক্কি কল্বী মিনাল খতা-ইয়া- কামা- নাক্কাইতাস্ সাওবাল্ আব্ইয়াযা মিনাদ্ দানাস ওয়া বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খতা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্তা বাইনাল মাশ্রিকি ওয়াল মাগ্রিব।
অর্থ:- হে আল্লাহ ! আমার গুনাহ্সমূহ বরফ ও কুয়াশার স্নিগ্ধ-শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিন। আমার অন্তর পবিত্র করে দিন যেভাবে আপনি সাদা কাপড় ময়লা হতে পরিষ্কার করে দেন। আমি ও আমার গুনাহসমূহের মাঝে দুরত্ব করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দুরত্ব সৃষ্টি করেছেন।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং:- ৬৭৬৪
'' ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻓَﺈِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ ﻭَﺍﻟْﻬَﺮَﻡِ ﻭَﺍﻟْﻤَﺄْﺛَﻢِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻐْﺮَﻡِ "
উচ্চারণ:- আল্ল-হুম্মা ফা-ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগ্রাম।
অর্থঃ- হে আল্লাহ ! আমি আপনার নিকট অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ধার-কর্জ হতে আশ্রয় চাই।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং:- ৬৭৬৪

13/08/2017

পাঁচটি খারাপ সময় আসার
আগে পাঁচটি ভালো সময়কে কাজে লাগাও :
১. বুড়ো হবার আগে যৌবনের
শক্তিকে,
২. অসুখ হবার আগে সুস্থ থাকার সময়কে,
৩. অভাব অনটন আসার
আগে সচ্ছলতাকে,
৪. ব্যস্ত হয়ে পড়ার আগে অবসর
সময়কে এবং
৫. মরণ আসার আগে জীবিত থাকার
সময়কে।
(তিরমিযী : আমর ইবনে মাইমুন রাঃ)

16/06/2016

273307,MAD,2016,(PIN for Admission 3445287) Selected for:130248,13025--Board Authority

03/09/2015

দরূদ পাঠের ফযীলত :-
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওসাল্লাম) এরশাদ করেন,
‘যে ব্যক্তি আমার উপর একবার
দরূদ পাঠ করে,
আল্লাহ তার উপরে দশটি রহমত
নাযিল করেন। তার
আমলনামা হ’তে দশটি গুনাহ
ঝরে পড়ে ও তার সম্মানের স্তর
আল্লাহর
নিকটে দশগুণ বৃদ্ধি পায়’।
[নাসাঈ, মিশকাত হা/৯২২]

08/01/2015

সকল মুসলিম বন্ধুদেরপ্রতি অনুরোদ রইলো নিচেরইসলামী পেইজটিতে লাইক দেওয়ার জন্য@+[648472575198463:]

26/11/2014

হযরত সামুরা বিন জুনদুব(রা) বলেন,
রাসুল(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রায়ই তার
সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করতেন যে,
তোমাদের মাঝে কেউ কি কোনো স্বপ্ন
দেখেছ ?একদিন সকালে তিনি নিজেই বলতে লাগলেন যে, আজ রাতে আমার
নিকট দুজন লোক এল এবং বায়তুল
মুকাদ্দাসের দিকে নিয়ে গেল।
যাওয়ার পথে আমরা শায়িত
একটি লোকের নিকট দিয়ে অতিক্রম
করলাম। এই শায়িত লোকটির মাথা অপর একটি লোক পাথর
দিয়ে কেচতেছিল। পাথর মারার পর
মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ
হয়ে পাথরটি দূরে ছিটকে পড়ছে।
পুনরায় মারার জন্যে লোকটি পাথর
সংগ্রহ করতে গেলে এই ফাকে মাথা পুনর্জন্ম নিয়ে নেয়
এবং ঐ লোকটি ফিরে এসে আবার পাথর
মারে। এভাবে অনবরত চলছে।
আমি আমার সাথীকে বললাম,
সুবহানাল্লাহ ! এই দুজন ব্যক্তি কে ?
আমার সাথী বলল, আরো সামনে অগ্রসর হও।
আমরা সামনে অগ্রসর হলাম। দেখলাম
একটি লোক চিত হয়ে শুয়ে আছে আর অপর
একটি লোক লোহার একটি করাত
দিয়ে তার মুখের এক পাশের চোয়াল
চিরছে। এক পাশ চিরে যখন অন্য পাশে চিরতে যাচ্ছে তখন পূর্বের
চিরা অংশ জোড়া লেগে যাচ্ছে।
এভাবে অনবরত উলট-পালট
করে তাকে চিরছে।
আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ ! এই
ব্যক্তি কে ? আমাকে বলা হলো আরো সামনে চলো। আমরা সামনে অগ্রসর
হয়ে একটি চুল্লি দেখতে পেলাম।
চুল্লির মাঝে খুব হৈ চৈ এর শব্দ
শোনা যাচ্ছিল।
চুল্লিতে ঊঁকি মেরে দেখতে পেলাম
তাতে উলংগ কিছু নারীপুরুষ রয়েছে। আগুনের লাভা যখন তাদের তলদেশ
থেকে উদগীরণ করে তখন
তারা চিৎকার করে উঠে, আর দেখলাম
সেখানে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে অসহনীয়।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা ?
আমাকে বলা হল আরও সম্মুখে অগ্রসর হও।
সামনে অগ্রসর হয়ে একটি নহর
পেলাম। যার পানি রক্তের ন্যায়
লালবর্ণের। এ পানিতে একটি লোক
সাঁতার কাটছিল। অপর একটি লোক
অনেকগুলো পাথর নিয়ে নদীর কিনারে দাঁড়ানো। সাঁতারু
লোকটি সাঁতরিয়ে যখন নদীর
কিনারে আসে তখন তার মুখ খুলে দেয়
এবং কিনারায় লোকটি তার
মুখে একটি পাথর ঢুকিয়ে দেয়।
এমনটা হচ্ছিল বারবার। আমি জানতে চাইলাম, এই লোকটি কে ?
আমাকে বলা হল , আরোও সামনে অগ্রসর
হও। সামনে গিয়ে অত্যন্ত কদাকার
একটি লোকের সাক্ষাৎ পেলাম। তার
নিকট আগুন ছিল এবং সে আগুন
প্রজ্জ্বলিত করছিল
এবং চতুর্পাশে চক্কর কাটছিল।
আমি জানতে চাইলাম এই লোকটি কে ? জবাব এলো আরো সামনে অগ্রসর হও।
আমরা সামনে অগ্রসর
হয়ে একটি শ্যামল উদ্যানে উপস্থিত
হলাম।উদ্যানের মধ্যবর্তী স্থানে এত
দীর্ঘকায় একজন ব্যক্তির সাক্ষাৎ
পেলাম যে উচ্চতার কারণে তার শির আমাদের নজরে আসছিল না।আর এই
দীর্ঘ লোকটির পাশে অনেকগুলো শিশুর
সমাগম। আমি ইতোপূর্বে এই
শিশুদেরকে কখনো দেখিনি।
আমি জিজ্ঞেস করলাম এই সকল লোক
কারা ? উত্তর এল আরো সামনে অগ্রসর হও।
অতঃপর আমরা দৃষ্টিনন্দন মনোরম
একটি উদ্যানে প্রবেশ করলাম। এত
নন্দিত উদ্যান আমি এর
আগে কখনো দেখিনি।আমি আমার
সঙ্গীটির নির্দেশে ভিতরে প্রবেশ করলাম। ভেতরে দেখি স্বর্ণ রূপার
নির্মিত একটি শহর।আমরা শহরের
প্রধান ফটকের নিকট এলাম। আমাদের
জন্য ফটক খোলা হল। অতঃপর
ভিতরে প্রবেশ করলাম। প্রবেশ করার
পর আমাদের সামনে কিছু লোক এল যাদের দেহের অর্ধাংশ অত্যন্ত সুন্দর
কিন্তু অপরাংশ অত্যন্ত কদাকার।
আমার সঙ্গীটি তাদেরকে বলল,
তোমরা সামনের নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়।
তারা যেয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
নদীটি ছিল খুবই প্রশস্ত, দুধের ন্যায় শুভ্র ছিল এর জলরাশি।
তারা নদী থেকে উঠে আসার পর
তাদের দেহের বিকৃতি দুরীভূত
হয়ে গেল। সর্বাংগ রূপ ধারণ করল
সৌন্দর্য্যের দ্যুতিতে। আমার
সঙ্গীটি আমাকে বলল – এটি হল ‘আদন জান্নাত’। এটিই তোমার মূল নিকুঞ্জ।
আমি দৃষ্টি উঠালাম। দেখি একটি শুভ্র
বর্ণের মহল। সঙ্গীটি বলল, এটিও
তোমার নীড়। আমি বললাম, আল্লাহ
তোমার কল্যাণ করুক। আমাকে আমার
নিলয়ে একটু প্রবেশ করতে দাও। সে বলল- এখন নহে। তবে তুমি অবশ্যই
এই মহলে প্রবেশ করবে। এরপর আমি প্রথম থেকে এ পর্যন্ত
যা কিছু দেখলাম এর রহস্য
জানতে চাইলাম। সে বলল-
প্রথম যে ব্যক্তি যার মাথা চূর্ণ
হতে দেখেছ সে হলো কোরআনের জ্ঞান
অর্জনকারী ওই ব্যক্তি যে কোরআনের জ্ঞান অর্জন করে ভুলেও
গিয়েছে এবং ফরয নামায
ছেড়ে ঘুমিয়ে পড়ে। তার সাথে এমন
আচরণ কিয়ামত পর্যন্ত করা হবে।
দ্বিতীয় ব্যক্তি যার মুখমন্ডল
চিরতে দেখেছ সে হল ঐ ব্যক্তি যে সকালে ঘর থেকে বের হয়
এবং দিনভর মিথ্যা কথা বলে বেড়ায়।
তার সাথেও কিয়ামত পর্যন্ত এমন
আচরণ করা হবে।
তৃতীয়, চুল্লির ভিতর উলংগ নারী পুরুষ
জ্বলতে দেখেছ, এরা হল ব্যভীচারী নারী পুরুষ।
চতুর্থ দৃশ্যটি হল সুদ ভক্ষণকারীর
যাকে তুমি রক্তের নদীতে সাঁতার
কাটতে দেখেছ।
পঞ্চম, যাকে আগুন প্রজ্জ্বলিত
করতে দেখেছ সে হল জাহান্নামের ভারপ্রাপ্ত ফেরেশতা।
ষষ্ঠ উদ্যানের দীর্ঘ লোকটি হল,
হযরত ইব্রাহীম(আ) । আর আশেপাশের
শিশুরা হল ইসলামের মৃত্যু
বরণকারী শিশু।
সপ্তম, শ্রেণীর লোক হল পুণ্য অর্জনকারী ওই সকল লোক যারা পুণ্যের
পাশাপাশি কিছু পাপের ও মিশ্রণ
ঘটিয়ে ফেলেছে। কিন্তু
অবশেষে আল্লাহর রহমত
তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে এবং মন্দের
অভিশাপ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিয়েছে। রাসুল(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এরপর
এই সাথীরা নিজেদের পরিচয়
দিয়ে বলল, আমি হলাম জিবরাঈল(আ)
এবং সে মিকাঈল(আ)। (বুখারি, বায়হাকি) আলোচনাঃ
উলামাগণ বলেন- এই হাদীসটি কবরের
আযাবের সত্যতার
ব্যাপারে একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।
কেননা নবীদের স্বপ্ন সত্য
হয়ে থাকে। হাদীসে বলা হয়েছে যে তার
সাথে কিয়ামত পর্যন্ত এ ধরনের আচরণ
করা হবে। এ থেকে বোঝা যায় যে,
এটি বরযখ জগতের ঘটনা। হযরত আলী(রা) বলেন – বর্ণিত ঘটনায়
আরো আতিরিক্ত
আছে যে,অগ্নি প্রজ্বলনকারী ব্যক্তিটি জাহান্নামের
কর্তা। যখন কোনো বস্তু আগুনের
সীমানা থেকে বেরিয়ে পড়ে তৎক্ষনাৎ
সে ওটিকে আগুনে ফিরিয়ে দেয়। আর উলংগ নারী-পুরুষেরা হল ব্যভিচারী।
আর দুর্গন্ধ যা ছড়াচ্ছে তা তাদের
লজ্জাস্থান থেকে নির্গত। অপর
আরেকটি দল এমন দেখা গেছে যে,
তাদের মল দ্বার দিয়ে আগুন প্রবেশ
করে মুখ দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। এরা হল – সমকামী পুরুষ। আর দুধের
ন্যায় সাদা নদীটি হল
হাউসে কাউসার। হযরত আবু সাঈদ খুদরী(রা) বলেন –
রাসুল(সা) ঐ স্বপ্নের মাঝে এক
পর্যায়ে একটি দস্তরখানা দেখতে পেলেন
যাতে ভূনা গোশত রাখা ছিল। কিন্তু
কোন আহারকারী ছিলনা।
অপরদিকে এর পাশেই আরেকটি গোশতের সমাহার। এটি ছিল
দুর্গন্ধময় মাংসের সমাহার। কিন্তু
এখানে বেশ কিছু আহারকারীর
উপস্থিতি ছিল। রাসূল(সা) এ
সম্পর্কে জানতে চাইলে বলা হল,
এরা ওই সকল লোক যারা হালাল খাদ্য পরিত্যাগ করে হারাম খাদ্যকে অধিক
পছন্দ করে।
রাসুল (সা) আরো একদল লোক দেখলেন,
যাদের পেট ঘরের ন্যায় বড় ও প্রসশ্ত।
তারা যখন উঠে দৌড়াতে চায় তখন
পেটের ওজনের কারনে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
তারা আক্ষেপ করে বলে – হে আল্লাহ !
তুমি কিয়ামত সৃষ্টি করো না। এই
বলে তারা কান্নাকাটি করে। এ
সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর জানা গেল
যে এরা উম্মতে মোহাম্মদীর সুদখোর লোক। রাসুল (সা) আরেকটি দল
দেখলেন, যাদের ওষ্ঠদ্বয় উটের
ওষ্ঠদ্বয়ের মত। তাদের মুখে পাথরের
নলা পুরে দেওয়া হচ্ছে। পাথর
পেটে যেয়ে মলদ্বার দিয়ে আবার বের
হয়ে যাচ্ছে। জিজ্ঞেস করে জানা গেল যে, এরা ইয়াতীমের সম্পদ
ভক্ষণকারী লোক।
তিনি আরো এমন একটি দলকেও দেখলেন
যাদের পাঁজর থেকে মাংস
কেটে খেতে দেয়া হচ্ছে। আর
বলা হচ্ছে, খেয়ে নাও যেভাবে তোমার ভাইয়ের মাংস
খেতে। জিজ্ঞাসা করার পর জানা গেল
যে, এরা হল
গীবতকারী এবং পরনিন্দা অন্বেষণকারী।
এ ধরণের আচরণ এদের সাথে কিয়ামত
পর্যন্ত হবে। (বায়হাকি)

10/09/2014

উম্মতের নাজাতের জন্য
মহানবী সা: এর ফিকির !!!!!!!!!!!
উম্মতের জন্য মহানবী সা: এর কত বড়
ফিকির ছিল তা ভাষায় ব্যক্ত
করা যাবে না।
একদা মহানবী সা:
সামনে দিয়ে এক কাফেরের লাশ
নিয়ে যাচ্ছিল । মহানবী সা:
দেখে চোখের
পানি ফেলে দিলেন।
সাহাবাগন বললেন
ইয়া রাসুলুল্লাহ সা: এটি তো এক
কাফেরের লাশ। মহানবী সা:
জবাবে বললেন,
তোমরা তো কাফের বলছো।
সে তো আমার উম্মত। আজ আমার
সামনে আমারই এক উম্মত ঈমান
হারা অবস্থায়
দুনিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছে এর
চেয়ে আর দু:খের বিষয় আমার জন্য
আর কি হতে পারে ? আমি যদি তার
মৃত্যুর পূর্বে তার নিকট কালেমার
দাওয়াত নিয়ে যেতে পারতাম ।
তাহলে সে কালেমা কবুল
করে ঈমান নিয়ে জান্নাতের
অধিবাসী হতে পারতো।
আমি মহান আল্লাহ পাকের
দরবারে কি জবাব দিব। আজ
আমিওে সেই নবীর শ্রেষ্ঠ উম্মত এই
কালেমার দাওয়াত দেয়ার
অধিকারে । আমার সামনে কত
মানুষ ঈমান
হারা হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায়
নিতেছে। আমার
অন্তরে কি বিন্দুমাত্র
ব্যাথা লাগছে ? একটি কুকুর
যা নাপাক যদি আগুনে পড়ে যায় ।
তবে এলাকার সমস্ত মানুষ
দৌড়ে যাবে তাকে আগুনের
থেকে বাঁচানোর জন্য। অথচ
আমার স্ত্রী, ছেলে মেয়ে আত্নীয়
স্বজন আমার সামনে নামাজ
না পড়ে জাহান্নামের
আগুনে ঝাপিয়ে পড়ছে । কিন্ত
আমার অন্তরে কি একটুও
ব্যাথা লাগছে ? নিজেকে প্র্শ্ন
করে দেখি। উ্ত্তর মিলে যাবে।

Address

Fenchuganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লাহ আমার রব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category