হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (রা মাদ্রাসা।

হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (রা মাদ্রাসা। ইহা একটি দ্বীনি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ? প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা শেখ হুসাইন মুহাম্মদ শাহজাহান ইসলামাবাদী।

বরবরে মাননীয় মুফতী সাহেব দাঃবাঃজামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়া ভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম।বিষয়:সূর্য গ্রহণের...
29/06/2020

বরবরে
মাননীয় মুফতী সাহেব দাঃবাঃ
জামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়া ভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম।

বিষয়:সূর্য গ্রহণের সময় করণীয় ও বর্জনীয় প্রসঙ্গে।
প্রশ্নকারী: জনাব শাহাদাত বিন সোলাইমান
প্রশ্ন:সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে আমাদের সমাজে বিভিন্ন কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। ওই সময় তৈরি করা খাবার খেতে নেই; তৈরি করলে ফেলে দিতে হবে। গর্ভবতী মায়েরা এ সময় যা করেন, তার প্রভাব সন্তানের ওপর পড়ে। চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় যদি গর্ভবতী নারী কিছু কাটাকাটি করেন, তাহলে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হয়।
এ ধরনের আরও বহু কুসংস্কার ও ভুল বিশ্বাস রয়েছে।
এখন আমার জানার বিষয় হলো: ইসলামী শরীয়াহ্ মোতাবেক সূর্যগ্রহণের সময় আমাদের করণীয় ও বর্জনীয় কী?
দলীল সহ জানালে উপকৃত হব।

الجواب بإسم ملهم الصدق و الصواب
حامدا و مصليا و مسلما:
শরয়ী সমাধান:
প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়গুলো ছাড়াও এ ধরনের আরও বহু কুসংস্কার ও ভুল বিশ্বাস আমাদের সমাজে রয়েছে।
অথচ এগুলো বিশ্বাস করে এ সময় কোনো নারীকে কষ্ট দেয়া অন্যায় ও গুনাহের কাজ।
ইসলামী শরিয়াহ্ ও বাস্তবতার সঙ্গে এগুলোর কোনো মিল নেই।
জাহেলি যুগেও সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন রকম ধারণা ছিল। চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ হলে মানুষ মনে করত, অচিরেই দুর্যোগ-দুর্ভিক্ষ ধেয়ে আসবে। চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ পৃথিবীতে কোনো মহাপুরুষের জন্ম বা মৃত্যুর সঙ্গে সম্পৃক্ত মনে করত।
প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা.) সেগুলোকে ভ্রান্ত ধারণা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

মহানবী (সা.) সাহাবিদের চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো লোকের মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না।তবে তা আল্লাহতায়ালার নিদর্শনগুলোর দুটি। তোমরা সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হতে দেখলে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবে।(বুখারি)
হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়, চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের কারণে সৃষ্টির ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। সমাজে প্রচলিত বিশ্বাসগুলো নিছকই কুসংস্কার।
মহানবী (সা.) এ সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন। আমাদের উচিত কুসংস্কারগুলো পরিহার করে সুন্নাত অনুযায়ী চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাওয়া।

চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সময় জাগতিক কোনো কাজে শরিয়তের বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যাপারে যা প্রচলিত রয়েছে, তা কেবলই কুসংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ্বাস। এ ধরনের কোনো নিয়ম মানলে বা বিশ্বাস করলে মারাত্মক গুনাহ হবে। চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণকে আল্লাহর কুদরতি নিদর্শন বলে বিশ্বাস করতে হাদিসে বলা হয়েছে। তখন পুরুষদের মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে সালাতুল কুসুফ (সূর্যগ্রহণের নামাজ) ও সালাতুল খুসুফ (চন্দ্রগ্রহণের নামাজ) পড়তে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে এর বাইরে ইসলামে আর কোনো নিয়মনীতি নেই।

বিঃদ্রঃ(আরবিতে সূর্যগ্রহণকে ‘কুসুফ’ বলা হয়, আর সূর্যগ্রহণের নামাজকে ‘নামাজে কুসুফ’ বলা হয়। এ নামাজ দুই রাকাত এবং তা সুন্নাত। এটি জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হয়। এ নামাজে আজান-ইকামত নেই। সালাতুল কুসুফের জামাতে শরিক হওয়ার জন্য লোকদের আহ্বান করা যাবে।

সূর্যগ্রহণের নামাজে সূরা ফাতেহার পর বড় বড় সূরা পড়বে এবং কেরাত আস্তে পড়বে। রুকু, সেজদা অনেক লম্বা করে আদায় করা সুন্নাত। নামাজের পর ইমাম দোয়ায় মশগুল হয়ে যাবেন আর সব মুক্তাদি আমিন আমিন বলবেন। এভাবে সূর্য প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত দোয়া করতে থাকবে।)

الدلائل الشرعية:

★(في تفسير مظهري تحت تفسير الآية: قالو إنا تطيرنا بكم ٧٧/٨ زكريا قديم، ٣٥/٨ جديد دو بند.)
يعنون أن ما نزل بنا إنما هو بشؤمكم و ذلك لاستغرابهم ما ادعوه و استقباحهم له و تنفرهم عنه فإن عادة الجهال أن يتمنوا كل شئى مالت إليه طباعهم و تشاموا ما كرهوه.

★(وفي صحيح البخارى،كتاب الكسوف،باب الصلاة في كسوف الشمس ١٤١/١،رقم:١٠٣١)
عن قيس قال:سمعت أبا مسعود يقول: قال النبي صلى الله عليه وسلم: إن الشمس والقمر لا يخسفان لموت أحد من الناس،ولكنهما آيتان من آيات الله فإذا رأيتموها فقوموا،فصلوا.

★(وفيه أيضاً،كتاب الكسوف،باب الصلاة في كسوف الشمس ١٤١/١،رقم:١٠٣٠)
عن أبي بكرة قال: كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم،فانكسفت الشمس،فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يجر رداءه حتى دخل المسجد،فدخلنا فصلى بنا ركعتين حتى انجلت الشمس،فقال: إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد، و إذا رأيتموها فصلوا و ادعوا حتى يكشف مابكم.

★(و في صحيح مسلم كتاب الاقضية،باب نقض الأحكام الباطلة و رد محدثات الأمور،٧٧/٢.)
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من عمل عملاً ليس عليه أمرنا فهو رد.

★(و في الفتاوىٰ الهندية،كتاب الصلاة،الباب الثامن عشر في صلاة الكسوف،١٥٣/١ زكريا قديم. في الفتاوىٰ التاتارخانية،٦٥٧/٢ رقم:٣٥٢٢ زكريا)
و هي سنة تؤدي بجماعة واختلفوا في صفة أدائها،قال علماءنا: يصلي ركعتين كل ركعة بركوع و سجدتين كسائر الصلوات يقرأ فيهما ما أحب،و يدعو بعد الصلاة حتي تنجلي الشمس كمال الانجلاء.

রচনায়:
মুফতী সাখাওয়াত বিন সোলাইমান
মুফতী ও সিনিয়র শিক্ষক:
জামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়া
ভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।

বরাবরেমাননীয় মুফতীয়ানে কেরাম দাঃবাঃজামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়াভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।বিষয়:...
28/06/2020

বরাবরে
মাননীয় মুফতীয়ানে কেরাম দাঃবাঃ
জামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়া
ভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।

বিষয়: #মুসলিম_কর্তৃক_মৃত_অমুসলিমদের_সৎকার_(আগুনে পোড়ানো)প্রসঙ্গে।

প্রশ্ন:
দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী সকলের কাঁফন দাফন সহ সব বিষয়ে এগিয়ে আসছে সম্মানিত আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ। তারা হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের লোকদেরকে অনেক সেবা করে যাচ্ছে।
এখন আমার জানার বিষয় হলো:
বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে যেহেতু তাদের ধর্মীয় লোকজন তাদের সেবাতে এগিয়ে আসছে না এমতাবস্থায় মুসলিমগণ তাদেরকে আগুনে পোড়ানো বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া(সৎকার) করা মুসলমানদের জন্য কতটুকু বৈধ হবে?
দলীল সহ জানালে উপকৃত হব।

الجواب بإسم ملهم الصدق و الصواب
حامدا و مصليا و مسلما:
শরয়ী সমাধান:
শরীয়তের সীমারেখায় থেকে সুন্দর আচরণের মাধ্যমে যেমন অমুসলিমদেরকে ইসলামের দিকে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়, তেমনি এধরণের আচরণ অনেক সময় দাওয়াতের ভূমিকা পালন করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন মহানুভব আচরণে মুগ্ধ হয়েও তো অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতেও সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে শুরু করে যারাই ইসলামের সুন্দর আচারগুলো নিজেদের মাঝে লালন করে গেছেন, তাদের আচরণই নীরবে অমুসলিমদেরকে ইসলামের দিকে আহবান জানিয়েছে। অনেক অমুসলিম এতে যথেষ্ট প্রভাবিত হয়েছে এবং আশ্রয় নিয়েছে ইসলামের শীতল ছায়ায়।

*তবে জানাযা, কাফন ও দাফন হচ্ছে মানুষের মৃত্যু পরবর্তী কার্যক্রম। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হয় জীবিত লোকদের, মৃত ব্যক্তির তখন করণীয় কিছুই থাকে না। এ জন্যই শরীয়ত এ সংক্রান্ত নির্দেশগুলো প্রদান করেছে মৃতের আত্মীয়স্বজন ও নিকটবর্তী স্বধর্মীয় লোকদের।

*মানুষের মৃত্যু পরবর্তী তার লাশ কেন্দ্রিক কার্যক্রমগুলো পরিচালিত হয় ঐ ব্যক্তির মৃত্যুপূর্ব ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী। প্রত্যেক ধর্মের রয়েছে এ সংক্রান্ত নিজস্ব বিধিবিধান। কোনো ধর্মই তার অনুসারীর লাশের উপর অন্য ধর্মের বিধিবিধান প্রয়োগের অনুমতি দেয় না। যেমনিভাবে অনুমতি দেয় না তাদের নিজস্ব গোরস্থান ছাড়া অন্য ধর্মের গোরস্থানে দাফন করার।

*মৃত ব্যক্তির লাশ তার স্বধর্মীয় লোকদের কবরস্থানে দাফন করতে হবে। ইহুদীকে ইহুদীদের গোরস্থানে, খৃষ্টানকে তাদের গোরস্থানে এবং অন্য ধর্মের লোকদেরকে তাদের নিজ নিজ গোরস্থানে সমাহিত করতে হবে। এক ধর্মের লোককে অন্য ধর্মের গোরস্থানে সমাহিত করা যাবে না। আর মুসলমানদের কবরস্থানে একমাত্র মুসলমানদেরকেই দাফন করতে হবে। কোনো অমুসলিমকে সেখানে দাফন করা যাবে না।

*বর্তমানে করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশে মৃত অমুসলিমদের স্বধর্মীয় লোকজন তাদের সৎকার করছেনা বিধায় মুসলিম আলেম ও ধর্মপ্রাণ জনসাধারণ তাদেরকে স্বধর্মীয় শ্মশান পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারবে।তবে সৎকার করা মুসলিমদের জন্য বৈধ হবে না।

*আর যদি শ্মশানে পৌঁছানোর পরেও তার স্বধর্মীয় লোকজন তাকে গ্রহণ না করে তাহলে সরকারি নির্ধারিত কোনো জায়গায় তাকে গর্ত করে মাটিচাপা দিবে।

الدلائل الشرعية:
★(في القرآن الكريم،سورة التوبة،الآية:٨٤)
وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰ أَحَدٍ مِّنْهُم مَّاتَ أَبَدًا وَلَا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِهِ ۖ إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَاسِقُونَ.

★(وفي التفسير الطبري،ص٢٠٠،سورة التوبة،الآية:٨٤)
القول في تأويل قوله : وَلا تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلا تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَاسِقُونَ.
قال أبو جعفر: يقول جل ثناؤه لنبيه محمد صلى الله عليه وسلم: ولا تصلِّ، يا محمد، على أحد مات من هؤلاء المنافقين الذين تخلفوا عن الخروج معك أبدًا =(ولا تقم على قبره)، يقول: ولا تتولَّ دفنه وتقبيره.
من قول القائل: " قام فلان بأمر فلان "، إذا كفاه أمرَه.
=(إنهم كفروا بالله)، يقول: إنهم جحدوا توحيد الله ورسالة رسوله = وماتوا وهم خارجون من الإسلام، مفارقون أمرَ الله ونهيه.

★(وفي المراسيل لأبي داؤد،ما جاء في الدفن،رقم:١٨)
عن أبي اليمان قال:لما توفي أبو طالب خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يعارض جنازته،قال:إبن عون فجعل يمشي مجنبا لها،يقول:برتك رحم و جزيت خيرا و لم يقم علي قبره.

★(وفي الفتاوىٰ التاتارخانية،كتاب الصلاة،الفصل الثاني و الثلاثون،الجنائز،الكافر يموت وله ولي،٧٧/٣،رقم:٣٧٥٣زكريا،معارف القرآن٣٧/٤)
إذا كان خلف جنازة الكافر من قومه من يتبع الجنازة لاينبغي لقريبه المسلم أن يتبع الجنازة.

★(اور فتاویٰ قاسمیہ میں ہیں ۷۳۵/۹)
مسلمان ان کے جنازہ میں شرکت کریں،اس کی شرعاً اجازت نہیں،ہاں البتہ پڑوسی ہونے کی وجہ سے صرف گھر جا کر تعزیت کرکے آ جائے،جب جلانے کے لئے لے جائیں تو ان کے ساتھ نہ جائے اور نہ ہی ارتھی کا کندھا لگائے۔

﴿و الله تعالىٰ أعلم﴾

রচনায়:
মুফতী সাখাওয়াত বিন সোলাইমান
মুফতী ও সিনিয়র শিক্ষক:
জামিয়া আবূ বকর সিদ্দীক রাদিঃ আল-ইসলামিয়া
ভূজপুর,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।

29/05/2020

একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
------------------------------
আগামী ৭ ই শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী মোতাবেক ৩১ শে মে ২০২০ ইংরেজি রোজ রবিবার থেকে ভূজপুর জামিয়া আবু বকর সিদ্দিক (রা) আল-ইসলামিয়া (মাদরাসার) নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে ইনশা-আল্লাহ। ভর্তিচ্ছুদেরকে জামিয়ার শিক্ষা বিভাগীয় কার্যালয়ে যোগাযোগ করে ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে,__ভর্তিঃ প্রতিদিন (জুমাবার ব্যতিত) সকাল ৯-০০ টা-১-০০-টা এবং বিকাল ২-০০ টা- ৪-৩০ টা পর্যন্ত চলবে ইনশা-আল্লাহ।

বিঃদ্রঃ-দুরের ছাত্রদেরকে নিম্নোল্লেখিত যে কোন নাম্বারে যোগাযোগ করে ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মোবাইল নং (01824-215489)(01815-133693)
(01826-533353)(01813-684758)
(01814-785052)(01712-812713)

11/02/2020

হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট হিদায়াত, পরহেযগারী, অশ্লীলতা হতে পবিত্রতা এবং সচ্ছলতা
প্রার্থনা করছি।

___________(মুসলিম-৪/২০৮৭)_______

[সূরা আল-ইমরান  আয়াত ১৩৯]وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَنْتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَআর তোমরা নির...
09/02/2020

[সূরা আল-ইমরান আয়াত ১৩৯]

وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَنْتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ

আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে।

07/02/2020

بوجفور جامعة أبو بكر الصديق رضي الله عنه الإسلامية ومركز عثمان بن عفان رضي الله عنه لتحفيظ القرآن الكريم ودار الأيتام
ভূজপুর জামিয়া আবু বকর সিদ্দিক (রা:) আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানা।

আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুক,আমিন
07/02/2020

আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুক,আমিন

সূরা ৬৪. আত-তাগাবুনআয়াত নং ১১مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَمَنْ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ يَهْدِ قَلْبَه...
06/02/2020

সূরা ৬৪. আত-তাগাবুন
আয়াত নং ১১

مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَمَنْ يُؤْمِنْ بِاللَّهِ يَهْدِ قَلْبَهُ وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ﴿١١﴾

অনুবাদঃ
আল্লাহর অনুমতি ব্যতিরেকে কোন বিপদই আপতিত হয়না এবং যে আল্লাহকে বিশ্বাস করে তিনি তার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক অবগত।

অর্থাৎ, প্রত্যেক বিপদই আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং তাঁরই ইচ্ছাতেই সংঘটিত হয়। কেউ কেউ বলেছেন, এই আয়াত অবতীর্ণের কারণ হল কাফেরদের এই উক্তি, যদি মুসলমানরা সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকত, তাহলে দুনিয়াতে কোন বালা-মুসীবত তাদের উপর আসত না। (ফাতহুল ক্বাদীর)
অর্থাৎ, সে জেনে নেয় যে, তার উপর যে বিপদই এসেছে, তা আল্লাহর ইচ্ছায় এবং তাঁর নির্দেশে এসেছে। ফলে সে ধৈর্য ধরে এবং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ভাগ্যের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, তার অন্তরে দৃঢ় প্রত্যয় সৃষ্টি করে দেন। ফলে সে জেনে যায় যে, তার উপর যে বিপদ আসার আছে, তা টলতে পারে না এবং যা তার উপর আসার নয়, তা আসতে পারে না।(ইবনে কাসীর) সুরা তাগাবুনঃ 11 নং আয়াত।

আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া দাখিল পরীক্ষায় জামিয়া  থেকে প্রথম বারের মত অংশ গ্রহণ কারী স্নেহের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী, তোমাদের ...
02/02/2020

আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া দাখিল পরীক্ষায় জামিয়া থেকে প্রথম বারের মত অংশ গ্রহণ কারী স্নেহের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী, তোমাদের প্রতি রইল শুভ কামনা❤, তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি 🤲,সাথে সাথে সকল এস,এস,সি/দাখিল পরীক্ষার্থীদের প্রতি ও রইল শুভ কামনা🤲❤🌹👈।

অত্র জামিয়ার দাখিল পরীক্ষার্থী 2020👇🏿
01/02/2020

অত্র জামিয়ার দাখিল পরীক্ষার্থী 2020👇🏿

Address

West Bhujpur Kalabipara Bhujpur Chittagong
Fatikchhari
4350

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (রা মাদ্রাসা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category