Educative Learning School

Educative Learning School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Educative Learning School, School, Fatepur.

11/09/2021

Lecturer :Md Rabiul Rahaman Sagor

30/07/2021

HTML & CSS
Introduction Class No-01
Md Rabiul Rahaman
Bsc in CSE DEPARTMENT

এস.এস.সি-২০২১ পরীক্ষার্থীদের এ্যাসাইনসেন্ট লেখার কিছু দিকনির্দেশনাকিভাবে একটা এ্যাসাইনমেন্ট শুরু করবে?প্রয়োজনীয় সামগ্র...
26/07/2021

এস.এস.সি-২০২১ পরীক্ষার্থীদের এ্যাসাইনসেন্ট লেখার কিছু দিকনির্দেশনা
কিভাবে একটা এ্যাসাইনমেন্ট শুরু করবে?

প্রয়োজনীয় সামগ্রী
১।একটি স্কেল
২। একটি পেন্সিল
৩। একটি কালো বলপয়েন্ট কলম
৪। A4 সাইজের কিছু কাগজ নাও

লেখার নিয়মঃ
১। A4 সাইজের কাগজের একপাশে লিখবে (কোনো ক্রমেই উভয় পাশে লিখবে না)
২। স্পষ্ট করে লেখার চেষ্টা করবে
৩। লেখার ভিতরে কাটা-কাটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে
৪। প্রশ্নের সিরিয়াল (১,২,৩...../ক,খ,গ.....) ঠিকরেখে লিখবে

** কাভার পেইজ কিভাবে পুরণ করবেঃ
* * কাভার পেইজে তিনটা অংশ আছে
১। প্রথম অংশ শিক্ষার্থী পূরণ করবে
২। দ্বিতীয় অংশ মূল্যায়নকারী শিক্ষক পূরণ করবে
৩। তৃতীয় অংশ প্রতিষ্ঠান পূরণ করবে
** মনে রাখতে হবে কাভার পেইজ এর তিনটা অংশই ইংরেজীতে পূরণ করতে হবে।

এ্যাসাইনমেন্টের যে অংশ শিক্ষার্থীগন পূরণ করবে তার প্রথমেই আছে এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বর
** এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বরঃ তুমি যে এ্যাসাইনমেন্টেটি তৈরি করবে, সেই বিষয়ের প্রথম ঘরেই ক্রমিক নম্বর দেওয়া আছে। "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" প্রশ্নে দেখো এর প্রথম ঘরেই এ্যাসাইনমেন্ট নম্বর ১ লেখা আছে । তাহলে তুমি ক্রমিক নম্বরে লিখবে, ১। কারণ তুমি ১ নম্বর শুরু করছো‌। যদি ২ হয়,তাহলে লিখবে ২। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)

** শিরোনামঃ তুমি যদি "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" শুরু করো, তাহলে শিরোনাম পয়েন্টে লেখা আছে, ' ইতিহাস পরিচিতি '। কাজেই তোমার শিরোনামে এই লেখাটি লিখতে হবে।

** বিষয় কোড ও বিষয়ের নামঃ এটা তোমার এ্যাসাএনমেন্টে এবং তোমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে লেখা আছে।" বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" হলে লিখবে বিষয় কোড "153"। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
বিষয়ের নামঃ "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা"

** শিক্ষাবোর্ডের নাম ঃ এখানে শুধু জেলার নাম লিখবে না । যেমন (ঢাকা / যশোর / রাজশাহী)। বরং তুমি লিখবে (Cumilla Board/ Jashore Board / Rajsahi Board)। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)

** রেজিষ্ট্রেশন নম্বরঃ এটা তোমার এস.এস.সি এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড থেকে দেখে খুব সতর্কতার সহিত লিখবে যেনো কোনো প্রকার ভুল না হয়। তোমার জে.এস.সি রেজিষ্ট্রেশন দেখে লিখলেও হবে কারণ জে.এস.সি এবং এস.এস.সি একই রেজিষ্ট্রেশন নম্বর। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)

আসসালামু আলাইকুম  #আমাদের অন-লাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে আগামী ১ লা আগস্ট ২০২১ ইং হতে।প্রথম ১০ এডমিশন সম্পূর্ণ ফ্রি।বাকীদের থে...
26/07/2021

আসসালামু আলাইকুম
#আমাদের অন-লাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে আগামী ১ লা আগস্ট ২০২১ ইং হতে।

প্রথম ১০ এডমিশন সম্পূর্ণ ফ্রি।
বাকীদের থেকে কোর্স প্রতি ৫০০ টাকা করে ফ্রি প্রদান করতে হবে।

26/07/2021

এবারের এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট এখনও হাতে পায়নি শিক্ষা অধিদপ্তর

২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত করা হলেও চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে স্কুলগুলোকে। আর শিক্ষার্থীরা সুবিধাজনক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে পারবেন। রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক মো. বেলাল হোসাইন দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। [inside-ad-1]২০২১ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট চলবে কিনা জানতে চাইলে তিনি দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, আমরা ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করেছি। কিন্তু ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদে অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও জমা নেয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করতে সব স্কুলগুলোকে পরামর্শ দিয়েছেন পরিচালক। শিক্ষার্থীরা সুবিধাজনক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে পারবে কিনা জানতে চাইলে পরিচালক আরও বলেন, লকডাউন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সুবিধাজনক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। সে নির্দেশনা বহাল থাকবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সুবিধাজনক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমা নেবে স্কুলগুলো। জানা গেছে, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১২টি সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। তিনটি নৈর্বাচনিক বা নৈর্ব্যক্তিক বিষয়ে প্রতি সপ্তাহে দুটি করে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে মোট আটটি করে অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করো হবে।

এদিকে আজ ২৬ জুলাই (সোমবার) থেকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে, রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে কোন নির্দেশনা পাননি বলে দৈনিক শিক্ষাডটকমকে নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ শাখার একাধিক কর্মকর্তা। অপর এক সূত্র জানিয়েছে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের কথা থাকলেও আজ তা হচ্ছে না। তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তত রয়েছে।

Admission Going On_2021
26/07/2021

Admission Going On_2021

ঝড়বৃষ্টির দিনে বাইরে বের হলে হঠাত হঠাত চমকে ওঠে না এমন মানুষ খুব কম-ই আছে। তবে ঝড়-বাদলের মধ্যে বিদ্যুৎ না চমকালে প্রকৃতি...
25/07/2021

ঝড়বৃষ্টির দিনে বাইরে বের হলে হঠাত হঠাত চমকে ওঠে না এমন মানুষ খুব কম-ই আছে। তবে ঝড়-বাদলের মধ্যে বিদ্যুৎ না চমকালে প্রকৃতি যেন পুরোপুরি ভাবে তার হিংস্র রূপ ধারণ করতে পারে না। আকাশে আলোর এই ঝলকানি আর গগনবিদারী আওয়াজের পেছনের বিজ্ঞানটা কী চলুন জেনে আসি।

বিদ্যুৎ চমকালে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর আমরা সাধারণ দিনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার থেকে আলাদা কিছুই নয়। যখন আকাশে অনেক মেঘ করে তখন জলীয়বাষ্পগুলো এত ঠান্ডা হয়ে যায় যে বরফের আকার ধারণ করে এবং এগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এই সব সংঘর্ষের ফলে ইলেক্ট্রিক চার্জ এর উৎপত্তি হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় মেঘের ঐ পুরো এলাকাটুকুই ইলেক্ট্রিক চার্জ এ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মেঘের উপরে পজিটিভ চার্জ আর নিচে সৃষ্টি হয় নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাই মেঘের নিচের দিকে থাকা নেগেটিভ চার্জগুলো ভূমিতে বিদ্যমান অসংখ্য পজিটিভ চার্জ এর দিকে আসতে চায় আর যখনই তা কোন পর্বত, মানুষ বা একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন গাছের কাছাকাছি আসে তার দিকে ছুটে যায়। উঁচু পর্বত বা গাছের মাথায় সহজেই পজিটিভ চার্জ গুলো পৌঁছতে পারে তাই এসব স্থানে বিদ্যুৎ পড়ার হার ও অনেক বেশি।

নেগেটিভ চার্জ এভাবে ঘুরতে থাকে আর পজিটিভ চার্জ ও তার আকর্ষনে উচ্চ স্থানে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। দুজনের দেখা হয়ে গেলেই বিকট শব্দে আপনার কানের দফারফা হয়ে যায়।

কিন্তু দুই ধরনের চার্জ এর মিলনে এমন শব্দ হবার কারণটা কী? এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে এই বিদ্যুৎ তার আশপাশের বায়ুকে প্রায় ৩০০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উষ্ণ করে ফেলে, যা কিনা সূর্যের পৃষ্ঠ থেকেও পাঁচ গুণ বেশি উষ্ণ! উচ্চ তাপমাত্রার এই বায়ু খুব দ্রুত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আর ছড়িয়ে পড়ার সময় আশপাশের বায়ুর উপর তীব্র চাপ পড়ে। পরমূহুর্তেই আবার যখন বায়ু ঠান্ডা হয়ে যায় আশপাশের বায়ু তীব্র সংকুচিত হয়ে নিজেদের স্থানে ফিরে আসতে থাকে। এতেই একটা বাজে শব্দের সৃষ্টি হয় যা কিনা ভাইব্রেশন আকারে পাশের বায়ু থেকে ক্রমান্বয়ে চলতে থাকে।

আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে বাজ পড়ার আগেই কিন্তু আপনি আলোর ঝলকানি দেখতে পাবেন কারণ আলোর বেগ শব্দের বেগের থেকে অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ চমকানো সম্পর্কিত কিছু মজাদার তথ্য জেনে আসি চলুন-

১। একবার বিদ্যুৎ চমকালে তা এক সেকেন্ডের দশ হাজার ভাগের এক ভাগ সময়কাল স্থায়ী হয় কিন্তু এই শক্তি দিয়ে একটি ১০০ ওয়াটের বাল্ব তিন মাস টানা চালানো যাবে!

২। বিদ্যুৎ চমকানোর সময় প্রতি সেকেণ্ডে প্রায় ৭৫ মাইল এলাকা এরা পরিভ্রমণ করে!

৩। বিদ্যুৎ চমকানোর সময় মানুষের শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি হতে পারে!

প্রথমে জেনে নিই, রংধনু কাকে বলে?মেঘ করে বৃষ্টির পর আকাশ হয়ে যায় ঝকঝকে। আকাশে তখন আবার সূর্য ওঠে। মাঝে মাঝে বৃষ্টির পর ...
25/07/2021

প্রথমে জেনে নিই, রংধনু কাকে বলে?

মেঘ করে বৃষ্টির পর আকাশ হয়ে যায় ঝকঝকে। আকাশে তখন আবার সূর্য ওঠে। মাঝে মাঝে বৃষ্টির পর আকাশে নানা রঙের ঝিলিক দেখা যায়। মনে হয়, নানা রঙের ধনুক আকাশ জুড়ে আছে। নানা রঙের এই ধনুককে বলে রংধনু। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুরাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রংধনু দেখা যায়। রংধনুতে সাতটি রঙের সমাহার দেখা যায়। দেখতে ধনুকের মতো বাঁকা হওয়ায় এটির নাম রংধনু। আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আকাশে কেন রংধনু দেখা যায়? উত্তর হচ্ছে… বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার মনে হয়। কিন্তূ কিছু কিছু পানির কণা তখনও বাতাসে ভাসতে থাকে। সূর্যের আলো এ পানির কণা ভেদ করে পৃথিবীতে আসে। পানির কণা ভেদ করার সময় সূর্যের আলো বেঁকে যায়। আর সূর্যের সাদা রং সাতটি রঙে ভাগ হয়ে যায়। এ রঙগুলো হলো-বেগুনি নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। এ সাতটি রঙকে আমরা রংধনুর আকারে আকাশে দেখি। আকাশে রংধনু সব সময় সূর্যের উল্টো পাশে দেখা যায়। রংধনু উঠলেই বোঝা যায় বৃষ্টি আর হবে না। রংধনু ওঠে দু’টি করে!! আসল যে রংধনু, তার একটু উপরে আরেকটি রংধনু ওঠে। সেটা অবশ্য আসল রংধনুর চেয়ে কম উজ্জ্বল, আর রংগুলোও থাকে বিপরীতক্রমে। আর এই দুই রংধনুর মাঝখানের অংশে আকাশের অন্যান্য অংশের চেয়ে আলো একটু কম থাকে। এগুলো অবশ্য খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায় না, দ্বিতীয় রংধনু আর মাঝের কম আলোকিত। অংশ দেখতে হলে একটু মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। রংধনুর আলো বেঁকে গেলে সাতটি রং আলাদা করে কেন দেখা যায়? সাতটি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও আলাদা আলাদা; তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা বলেই আলোগুলোর আলাদা আলাদা রং হয়। এখন, এই আলাদা তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে জন্য প্রতিটি আলোর বেঁকে যাওয়ার পরিমাণও আলাদা হয়। এই যেমন লাল রঙের আলো ৪২ ডিগ্রি কোণে বাঁকে। আবার বেগুনি রঙের আলো বাঁকে ৪০ ডিগ্রি কোণে। অন্য রঙের আলোগুলো ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে বাঁকে। এই কারণে রংধনুতে রঙগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সারিতে সবসময় দেখা যায়।

Address

Fatepur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Educative Learning School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Educative Learning School:

Shortcuts

Share

Category