28/11/2025
ADHD is deeply misunderstood.
Most people think it’s just “being easily distracted.”
But ADHD is a complex neurological condition—and it comes with strengths most people never talk about.
Here are 8 truths about ADHD everyone should know:
1. It’s not a lack of attention—it’s a dysregulation of it.
People with ADHD can hyperfocus for hours on what they love—and totally ignore everything else. It’s not about laziness, it’s about control.
2. It’s not just a childhood thing.
ADHD often continues into adulthood. The symptoms just shift:
→ Less bouncing off the walls
→ More mental chaos, disorganization, and overwhelm
Many adults live undiagnosed for years.
3. ADHD brains are wired for novelty and stimulation.
Routine can feel unbearable—but these brains thrive in:
→ High-pressure environments
→ Creative problem solving
→ Fast feedback loops
In the right setting, ADHD becomes a superpower.
4. Rejection Sensitivity is real.
ADHD often includes RSD—Rejection Sensitive Dysphoria.
Criticism or perceived failure can feel crushing.
It’s emotional pain that gets misdiagnosed as mood disorders.
5. Many ADHDers are natural entrepreneurs.
They’re:
→ Big-picture thinkers
→ Risk-takers
→ Unafraid of uncertainty
They struggle with rigid systems—but thrive when creating their own.
6. Executive function is the real challenge.
ADHD affects the brain’s ability to:
→ Plan
→ Prioritize
→ Start/finish tasks
It’s not about intelligence—it’s about activation.
7. Movement helps focus.
→ Pacing
→ Fidgeting
→ Walking while thinking
These aren’t distractions—they’re coping tools.
Even cardio can boost focus and mood.
8. Structure = freedom.
Yes, really.
→ Lists
→ Calendars
→ Visual reminders
These tools reduce overwhelm and build momentum.
Structure doesn’t box ADHDers in—it frees them.
ADHD isn’t a flaw.
It’s a different operating system.
Understand it. Support it. Harness it.
28/04/2025
ননস্টিক প্যানে একটি সামান্য স্ক্র্যাচ থেকে ৯ হাজার বিষাক্ত মাইক্রো-প্লাস্টিক উন্মুক্ত হয়। আর প্রলেপ উঠে গেলে সে সংখ্যা পৌঁছাতে পারে ২০ লাখে! যা প্রতিবার রান্নায় মেশে খাবারের সাথে।
ননস্টিক প্যান, খুন্তি— এসবে টেফলনের প্রলেপ দেওয়া হয়। টেফলন প্লাস্টিক জাতীয় পলিমার। সাধারণ প্লাস্টিক নয়, বরং এটি একটি 'ফরেভার কেমিক্যাল', যা কখনও নষ্ট করা যায় না। একে 'চিরস্থায়ী বিষ' বললেও ভুল হবে না।
এসব সরঞ্জাম একটু পুরনো হলেই খাবারের সাথে মিশতে থাকে এসব কেমিক্যাল, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে! এমনকি শিশুর বিকাশ ও ক্যানসারের কারণও এসব কণা। হরমোনের ভারসাম্যহীনতারও সূত্রপাত এখান থেকেই। ৯৯% আমেরিকানের রক্তে বিভিন্ন মাত্রায় এই রাসায়নিক পাওয়া গেছে।
সূত্র: Science of the Total Environment
15/04/2025
🍹ডিটক্স ওয়াটার বানানোর নিয়ম🍹
৪ থেকে ৫ গ্লাস পানি নিবেন কাচের জগে,২ চামচ চিয়াসিড ১ চামচ ইসবগুল, আদা কুচি ১ চা চামচ,লেবু পাতলা গোল করে কাটা ৭/৮ পিস,শশা গোল করে কাটা ৭/৮ পিস সব দিয়ে রাত ১১ টায় ফ্রিজে রাখেবেন সকালে খাওয়ার একটু আগে বের করবেন। কাচের জগ না থাকলে যা আছে তাতেই বানান, সমস্যা নেই।
খালি পেটে ১ গ্লাস বা আধা গ্লাস পান করবেন এবং এর কিছু সময় পর স্লিমিং টি খাবেন। সারাদিন একটু একটু করে পান করবেন, ফ্রিজেও রাখতে পারবেন রাত পর্যন্ত। পানি শেষ হয়ে গেলে আবার পানি মিশিয়ে রেখে পান করতে পারবেন।
এটা পান করলে খুদা কমবে,ওজন কমবে,শক্তি বাড়বে, পেট কমবে,ভালো লাগবে ডায়েটে আর মজা লাগবে আরাম পাবেন ডিটক্স ওয়াটার পান করলে আলাদা করে চিয়াসিড ও ইসবগুল খেতে হবে না।
30/03/2025
শিশুকে মা'রধর করে যেসব ক্ষ'তি করছেন:
👉 শিশুদের গায়ে কোনোভাবেই হাত তোলা উচিত নয়, সেটা পরিবারের সদস্যরাই তুলুক বা স্কুলের শিক্ষকরাই তুলুক। আইন করে স্কুলে শিশুদের শারীরিক নি'র্যাতন বা নি'ষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
বাবা-মায়েদের জন্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, সন্তানের কোনো আচরণকে পরিবর্তন করতে হলে তার গায়ে হাত তোলা যাবে না। বরং তার ইতিবাচক আচরণকে উৎসাহিত করতে হবে এবং নেতিবাচক আচরণের দিকে মনোযোগ কমাতে হবে। শিশুকে মা'রধর বা গায়ে হাত তোলা হলে ২ ধরনের স'মস্যা হয়। যেমন- তাৎক্ষণিক স'মস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদী স'মস্যা।
শিশুর মনোযোগের ঘাটতির সঙ্গে তার বিষণ্নতা, নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, পড়ালেখায় খারাপ হওয়া এই বিষয়গুলো তাৎক্ষণিক একটি প্রব'লেম।মা'রধর বা গায়ে হাত তোলার কারণে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, শিশুর চিন্তার, আবেগ এবং তার আচরণের পরিবর্তন ঘটে।
📌 দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা:
শিশুর গায়ে হাত তোলার কারণে দীর্ঘমেয়াদী স'মস্যার মধ্যে রয়েছে শিশুর ভেতর ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন হওয়া। ব্যক্তিত্বের পরিবর্তনের অর্থ হচ্ছে শিশুর চিন্তা, আচরণ, ভাবনা, আবেগ সবকিছু একটু এলোমেলো হয়ে যেতে পারে ভবিষ্যতে পরিণত বয়সে। এছাড়া পরিণত বয়সে সে নিজেও একজন নি'র্যাতক হতে পারে অর্থাৎ অপরকে নির্যা'তন করা আর সেটি শিশুদের ক্ষেত্রে হতে পারে, পরিবারের সদস্যদের অথবা রাস্তাঘাটে হতে পারে। অর্থাৎ অন্যের গায়ে হাত তোলা, অন্যকে আ'ঘাত করার প্রবণতা শিশুর মধ্যে বেড়ে যেতে পারে।
শিশুর আচরণের শৃঙ্খলতা দেখা দিতে পারে এবং তার দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্ণতাসহ ব্যক্তিত্বের পরির্বতন বা পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার হতে পারে। শৈশবে যে সমস্ত শিশুরা শারীরিক, পাশাপাশি মানসিক নি'র্যাতনের মুখোমুখি হয় ভবিষ্যতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাদের মধ্যে পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যের ক্ষ'তি করার প্রবণতা, আরেক জনকে আক্র'মন করা যেটি তার উপর এক সময় হয়েছিল শারীরিকভাবে নানাভাবে সেটি প্রকাশিত হতে থাকে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায়।
ফলে শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য এবং ভবিষ্যতে তার সুস্থ ব্যক্তিত্বের গড়নের জন্য অবশ্যই শারীরিক নির্যাতন পরিহার করা উচিত।
👉শিশুর দুষ্টুমি, বিরক্ত বা কান্নাকাটি থামাতে মারধর না করা❌
শিশুরা বিরক্ত করলে, দুষ্টুমি করলে, রাগ কিংবা অত্যাধিক কান্নাকাটি থামানোর জন্য বাবা-মায়েরা অনেক সময় শিশুকে মারধর করেন।
এটা কোনোভাবেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। শিশুকে শাস্তি না দিয়ে তাকে ভালো কাজের জন্য ও কাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য পুরস্কার প্রদানে উৎসাহিত করা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য শিশুর থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া অথবা তার প্রাপ্ত পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করার শাস্তি গ্রহণযোগ্য।'
শিশু কোনো অপ'রাধ বা খারাপ আচরণ করলে তার দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে হবে এবং তার প্রাপ্ত পুরস্কার প্রত্যা'হার করতে হবে। কিন্তু তা না করে শিশুকে শারীরিক ও মানসিক নি'র্যাতন করা হলে ভবিষ্যতে সুদূরপ্রসারী ফল হিসেবে অত্যন্ত খারাপ হয়ে দাঁড়ায়, বিজ্ঞান কোনোভাবেই তা সমর্থন করে না। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে শিশুর গায়ে হাত তোলা শিশুর বিকাশ ও ভবিষ্যতে ব্যক্তিত্ব বাধাগ্রস্ত হয়।
👉 শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে কী করবেন⁉️
একটি শিশু বারবার থু থু দিচ্ছে, শরীরে পা দিয়ে লাথি মার'ছে তাহলে সেক্ষেত্রে কি করব? শিশুকে মারধর করে থামাব নাকি সেই কাজটি করতে উৎসাহিত করব? উদাহরণস্বরুপ কখনোই শিশুকে এই ধরনের কাজে উৎসাহিত করা যাবে না, আবার তাকে মার'ধর করাও যাবে না।
শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ থেকে সিভিয়ারিটি দেখতে হবে যে এর গভীরতা কতটুকু। গভীরতা যদি খুব বেশি না হয়, তার জন্য বড় কোনো ক্ষ'তির কারণ না হয় তবে সেই আচরণকে উপেক্ষা করতে হবে। শিশু অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করে নেতিবাচক মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করবে। যখন শিশু দেখবে থু থু দিয়ে, লাথি মেরে কারো মনোযোগ সে পাচ্ছে না তখন সে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করা থেকে বিরত থাকবে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো আচরণের দিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না, সেটিকে অগ্রাহ্য করতে হবে, দেখেও না দেখার ভান করতে হবে।
আর যদি দেখা যায় শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের তীব্রতা বেশি, খানিকটা ক্ষতি করছে নিজের জন্য, অপরের জন্য সেক্ষেত্রে শিশুর দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া তার প্রাপ্ত পুরস্কার থাকলে, যেমন-টেলিভিশন দেখা, কার্টুন দেখা, সাইকেল নিয়ে বাইরে যাওয়া এগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। পুরস্কার প্রত্যাহার করা সেটিও শাস্তি আর অন্যায় বা অনাকাঙ্খিত আচরণের জন্য সেটি করা হয়েছে তা বুঝাতে হবে।
শিশুকে বুঝতে দিতে হবে যে, অন্যায় করলে কেউ তার পাশে থাকে না।
26/08/2023
"আমার মা-টা চলে গেছে।"
৮ই আগস্ট ২০২৩ তারিখে,রাত ১২:১৯ মিনিটে।
হঠাৎ দেখি ওর গলাটা অনেক জোরে কাঁপতেছে ও অনেক জোরে শ্বাস নিতেছে। বুকের কাছে গিয়ে দেখি একটা শব্দ হচ্ছে।
আমি দ্রুত কোলে নিই।তারপর দেখি শ্বাস আর তেমনভাবে চলে না। হঠাৎ হার্ট বিট বন্ধ হয়ে গেল।ডাক্তার বললো আর কিছু করার নেই।
আমি তখন আর এই পৃথিবীতে নাই। আমার ও শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল।৯ মাস যে মা পেটে রাখলাম।প্রায়
৩ বছর বুকে আগলে রেখে যত্ন করলাম সে নেই কোথাও।আমি কখনও তাকে ছাড়া থাকি না এক মূহুর্ত।তাকে ছাড়া কেমনে থাকব!
ওই দিন আমার জীবনের সব থেকে কষ্টদায়ক দিন।
এই কষ্ট আর সারাজীবনেও ভোলা যাবে না।
এই পৃথিবীতে যত মৃত্যু আছে সব থেকে কষ্টদায়ক হল পিতা-মাতার কাছে সন্তানের লাশ।
এক মূহুর্তে আমার সোনা মা ছোট একটা কবরে পরিণত হল। চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু করার
থাকলো না।
হেরে গেলো আমার মা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে।
হেরে গেলাম আমি।
সামনের মাসে যে তোমার জন্মদিন। আমি যে ড্রেসগুলো তোমাকে পড়িয়ে সাজাবো ভাবছিলাম তা তো আর করা হলো না মা।
আমি সারাজীবনের মতো ব্যর্থ সন্তান হারা মা।
এতো সুন্দর মা আমি কি আর কখনো পাবো!
11/07/2023
চার মগজ
চার মগজ ৪ টা ব্রেন উদ্দীপক বীজ দিয়ে তৈরী যার মধ্যে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ,মিনারেল ,অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। এই চার মগজ আমাদের ব্রেন এর জন্য অনেক হিলিং হতে পারে। আজকে আমরা এই চার মগজ নিয়ে জানব।
কি কি আছে এই চার মগজ এ ?
তরমুজ এর বিচি
শসার বিচি
কান্টিলোপ এর বিচি
বাঙ্গির বিচি
কি কি বেনিফিট পাওয়া যেতে পারে ?
মেমরি বুস্টার : এটা স্মরণ শক্তি বাড়ায় আর ধরে রাখতে সাহায্য করে
ন্যুট্রপিক : এটা লার্নিং , রিসনিং বাড়াতে পারে।
নার্ভিন টনিক :এটা শরীরের বিভিন্ন নার্ভ এর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে
নিউরোপ্রোটেক্টিভ : এর বিওএক্টিভে উপাদান গুলি ব্রেন আর নার্ভ কে ক্ষতির হাত থেকে রাখা করে।
কগনিটিভ ফাঙ্কশন : এটা কগনিটিভ ফাঙ্কশন বাড়াতে সাহায্য করে। এটার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান গুলি মেমরি ক্যাপাসিটি বাড়াতে , হাইপার একটিভিটি কমাতে ,মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
চার মগজ নিউট্রিশন
চার মগজ এ রয়েছে ভিটামিন ,মিনারেল , আনস্যাটুরেটেড ফ্যাট আর প্রোটিন। এটাই রয়েছে বি ভিটামিন যেমন রিবোফ্লাভিন , থিয়ামিন,নিয়াসিন ,বি ৬ প্লাস প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড। এটাই মিনারেল গুলি র মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম , ক্যালসিয়াম আর কপার রয়েছে। বিওএক্টিভে উপাদান গুলির মধ্যে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান, আরজিনিন , গ্লুটামিক অ্যাসিড আর লিসিন।
এই চার মগজ বীজ গুলি কগনিটিভ ফাঙ্কশন এর পাশাপাশি স্পিচ, ঘুম, বাবহার সব কিছুতে ইম্প্রোভ করতে পার। এই সীড গুলি স্পেশাল বাচ্চাদের হাইপার একটিভিটি , ক্লান্তি আর স্টেরিওটাইপ বাবহার কমাতে সাহায্য করে।
লেখক: সেলিনা আখতার
03/06/2023
সোডিয়াম সাইক্লামেট নামের যৌগ যা 'ঘন চিনি' নামে পরিচিত বাংলাদেশে। এই যৌগ চিনির চেয়ে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি। অর্থাৎ, ১ কেজি চিনি যতটা মিষ্টি স্বাদ আনতে পারে, মাত্র ২০ গ্রাম সোডিয়াম সাইক্লামেটের পক্ষেই খাবারকে ততটা মিষ্টি করে তোলা সম্ভব। কিন্তু এই সোডিয়াম সাইক্লামেট ভয়ঙ্কর বিষাক্ত।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে বাজারের বেশিরভাগ মিষ্টি জাতীয় খাবার এখন এই ঘনচিনি ব্যাবহার করে তৈরী হচ্ছে এবং আমরা মহা সুখে তা খেয়ে যাচ্ছি,সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো এই যে অধিকাংশ মানুষ এই ব্যাপারে প্রায় কিছুই জানেনা!
13/09/2022
সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করার আগে অথবা প্রেগন্যান্সির সময়টিতে সামান্য কিছু সচেতনতাই হয়ত অনেক মা ও নবজাতকের জীবন বাচতে পারে।
গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি।
রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না । এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।
তাদের অনেক প্রশ্নঃ
কেন এমনটা হলো?
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে?
এটা কি ভালো হবে?
ট্রীটমেন্ট কি?
আসুন বিষয়টা একটু জানিঃ
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।
ডায়াগনোসিস বা কিভাবে এই সমস্যা বুঝা যাবে?
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।
এর চিকিৎসা কি?
এর কোনো চিকিৎসা নাই।
কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা??
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা
এই শিশু কি জন্মের পর বেঁচে থাকবে?
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।
কেন এই পোস্ট?
সচেতনতা বৃদ্ধি।
অনেকেই অনেক কথা বলেনঃ আগেকার যুগের মানুষতো ডাক্তার দেখাতোনা, আমারতো এখন কোনো সমস্যা নাই তাহলে কেন ডাক্তার দেখাতে হবে!!!
যত্নটা শুরু হোক জন্মের আগে থেকেই।