03/12/2021
এয়াকুব আলী উচ্চ বিদ্যালয়, কমলেশ্বরদী (কমলেশ্বরদী, বোয়ালমারী, ফরিদপুর) এর
সহকারী প্রধান শিক্ষক, আমাদের সকলের পরম শ্রদ্ধেয়
তপন কুমার দত্ত স্যার আর নেই।
স্যারের এ মৃত্যুতে আমরা (এস.এস.সি ২০০৯-১০ ব্যাচ) গভীরভাবে শোকাহত।
আমরা স্যারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও স্যারের পরিবারের প্রতি শোক জ্ঞাপন করছি।
07/12/2018
বাংলাদেশে ধনী ১০ জেলার মধ্যে ফরিদপুর পঞ্চম স্থানে ।।
সময় সংবাদ ডেস্কঃ বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী ১০ জেলার মধ্যে ফরিদপুর ৫ম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবি....
27/05/2018
সবাই সবার ১ টি করে পাসপোর্ট সাইজে ছবি, মোবাইল নং, কে কোন কলেজ /ভার্সিটি তে আছোস তার নাম দে
14/10/2017
আমাদের প্রিয় দুইজন স্যার একই ফ্রেমে Imrul Kabir zihad Sir & Nitai Sir
14/10/2017
Post টি আমাদের সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব, সকলের প্রিয় শিক্ষক Imrul Kabir Zihad Sir এর Wall/Timeline থেকে কপি করা স্যার এর পোস্ট......
Title:কিংকর্তব্যবিমূঢ,Content:প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী(সাবেক ও বর্তমান), /বন্ধুগন-- আমার পরিচয় এই বলে ধন্য হোক "আমি তোদেরই/আপনাদেরই লোক"। শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা এই ব্রত নিয়েই এযাবৎ জাতি গড়ার কারিগড় হিসাবে জীবনকে উৎসর্গ করেছি। এখন দেখি জীবনটা মোর ষোলআনাই মিছে! আমার ভুলের পরিমান এতটাই বেশী যে শুধরাবো কি করে???
সমালোচক দের চোখে আমার ভুল(অপরাধ)গুলোহলো-
১.ছাত্র-ছাত্রী দের তুমি না বলে তুই বলি।
২.সদস্যদের দাঁড়িয়ে সালাম দেইনা।
৩.১০-৪টা স্কুল চালু রাখি।
৪.স্যারদের রেস্ট নিতে দেইনা।
৫.সামান্য প্রধান শিক্ষক হয়ে অন্য স্কুলের সভাপতি হই।
৬.সহকারির নির্দেশ মত চলি না।
৭.ছাত্রদের পক্ষে ল্যাপটপ, বিল্ডিং,কম্পিউটার, ক্যান্টিন, --- চাই।
৮.স্কুল প্রতিষ্ঠাতাদের অবদানকেই বড় করে দেখি।
৯.মহিদ মিয়ার মামাতো ভাই।
১০.বন্ধুভেবে কমিটির সদস্য ও সভাপতি হবার সুযোগ করে দিয়েছি।
১১.বাজারের চায়ের দোকানে বসিনা।
১২. সর্বদা মুখ কালো করে থাকি।
১৩.শিক্ষকদের চাপে রাখি।
১৪.বেশি বেশি আইন দেখাই।
১৫.অফিস সহকারীর পরামর্শ মত চলিনা।
ইত্যাদি ইত্যাদি...।
এবার তোরাই বলে দে /আপনারাই বলুন, আমার কি করা উচিত?
25/08/2017
আমাদের উচিত সব ধরনের পেশা কে এবং সকল পেশার মানুষদের কে সম্মান করা। কোন পেশা ছোট করে দেখা মোটেও উচিত নয়। আমাদের একটু ভালোবাসাই পারে তাদের মুখে সুখের হাসি ফোটাতে ........ দেখুন এই Short flim/ Video টি আর অবশ্যই নিজে সচেতন হোন এবং ভিডিও টি শেয়ার এর মধ্যমে অন্যকেও সচেতন হতে সাহায্য করুন
সকল পেশার মানুষ কেই সম্মান করা আমাদের উচিত, Give Respect to all prefession
সকল পেশার মানুষ কেই সম্মান করা আমাদের উচিত, কারণে কোন পেশাই ছোট করে দেখার মতো কিছুই নাই ....Give Respect to all prefession
20/08/2017
Hello Dosto ra.....
মতামত চাই তোদের ঃ
ভাবতাছি গতবারের ন্যায় এই কোরবানির ঈদে ও আমরা ারের_মত_পুণঃমিলনী করতে চাচ্ছি....... আর হ্যাঁ এবারে আর কোন খরচের মধ্যে যেতে চাচ্ছি না, (এটা আমার অভিমত) বাকিটা তোদের উপর তোরা যেটা বলিশ আমার দিক থেকে কোন সমস্যা নাই : এখন বল :
#কবে
#কখন
#কোথায়
হলে ভালো হয়?
সবাই সবার মতামত দিবি আশা করছি....... বাট ঈদের পর দুই তিন দিনের মধ্যে হলেই ভালো হবে........
আর সবাইকে আমার পক্ষ থেকে #অগ্রীম_ঈদ_মোবারাক
......
I want to unity
02/07/2017
Dosto ra ki Khobor Sober ?
07/05/2017
★ একাদশ শ্রেণিতে এবারো পুরো ভর্তি কার্যক্রম হবে অনলাইনে।
কোনো শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
অনলাইনে মোট আবেদন ফি ১৫০ টাকা।
এ ছাড়া এসএমএসের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে।
সে ক্ষেত্রে প্রতি কলেজে আবেদনের জন্য ১২০ টাকা ব্যয় করতে হবে।
তবে অনলাইন এবং এসএমএস মিলিয়ে কোনোভাবেই ১০টির বেশি কলেজে ভর্তির আবেদন করা যাবে না।
৯ মে শুরু হবে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ৫ জুন প্রকাশ করা হবে।
৬ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন নিশ্চয়ন করা হবে।
আর প্রথম পর্যায়ে মাইগ্রেশনের আবেদন ও নতুন আবেদন করা যাবে ৯ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত।
ভর্তির আবেদনের শেষ সময় ৩১ মে।
ভর্তি শুরু ২০ জুন।
তবে একজন শিক্ষার্থী মাত্র একবার ভর্তি হতে পারবে এবং মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করতে পারবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলতালিকা প্রকাশ করা হবে ১৩ জুন।
২য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর কলেজ নিশ্চয়ন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত।
এ পর্যায়ের জন্য মাইগ্রেশনের আবেদন ও নতুন আবেদন করা যাবে ১৬ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত।
তৃতীয় পর্যায়ে তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৮ জুন।
আর শিক্ষার্থীর কলেজ নিশ্চয়ন চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত।
কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে ২০ থেকে ২২ জুন এবং ২৮ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত।
কলেজ চূড়ান্ত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ফি জমা দেবে।
এ ক্ষেত্রে একাধিক কলেজে ভর্তি হয়ে আর্থিক ক্ষতি হবার সুযোগ নেই[সংগ্রহীত]
04/05/2017
আজ এস. এস. সি পরীক্ষার্থীদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হতে চলেছে। শুভকামনা রইল সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য
রেজাল্ট দেখার জন্য এই লিংক এ যেতে পারো
মোবাইলের জন্য কমেন্টেএ
কম্পিউটার এর জন্য www.onstudy.tk or www.studyforstudentlife.blogspot.com (দুপুর ২টার পর)
ItTips20.tk
ItTips20.tk
23/04/2017
পররাষ্ট্র ক্যাডার ওয়ালিদ ইসলাম ভাইয়ের
ওয়াল থেকে সংগৃহীত। ভাল লাগল, তাই
শেয়ার দিলাম:
নিম্নমধ্যবিত্ত বেকার ছেলেদের জীবনটা
কিছুটা হাফহাতা শার্টের মত যা
টেনেটুনে সব পরিবেশে চালানো গেলেও
আসলে কোন পরিবেশের জন্য পার্ফেক্ট না।
এরকমই একজন বেকার ছেলে রাজু। তিনটা
টিউশনি করে সে। অন্যান্য বন্ধুদের মত
তারও এন্ড্রয়েট সেট ব্যবহার করতে ইচ্ছে
করে। ৫ এর ভেতর একটা সেট কিনতে হলে কম
হলেও ৫ মাস সকালের নাস্তা করা বন্ধ
রাখতে হবে। সন্ধ্যার টিউশনিটাতে ইচ্ছে
করেই একটু দেরিতে যায় রাজু। রাতের
খাবারটা যদি দেয় সেখানে তাহলে কম
হলেও ৩০ টাকা বাঁচে। আবার বিকেলের
টিউশনিতে নাস্তা দেবে কিনা তা নিয়েও
তার টেনশন। কারন, নিজ টাকায় সন্ধ্যায়
নাস্তা করার সামর্থ্য নেই তার।মাসের এক
তারিখ এলে রাজুর পড়ানোর গতি যেন
বেড়ে যায়। এসময় যত যাই হোক টিউশনি
মিস দেয়া হয় না। আবার, দেড় ঘন্টার ভেতর
পড়ানো শেষ হলেও এ অযুহাত, সে অযুহাতে
বসে সময়টা বাড়াতে থাকে, যদি আজ
টিউশনির বেতনটা পায়। এভাবেই মাসের
৭-১২ দিন কাটে, তারপর হয়তো মাসের
স্যালারিটা পায় সে। স্যালারিটা পকেটে
নিয়ে ফিরবার সময় একটা মেগাশপের
সামনে দাঁড়ায়, একবার ঢুকেও দেখে কিছু
কেনা যায় কিনা মায়ের জন্য। আবার,
পরক্ষণে চিন্তা করে "মাকে কিছু কিনে
দেবার সময়তো আর ফুরিয়ে যাচ্ছে না।
সামনের চাকরিটা হোক, দোকানে গিয়ে
মায়ের জন্য যা যা পছন্দ করে রেখে এসেছি
তা একবারে কিনে দেব।" এদিকে মা ফোন
দিয়ে, "রাজু, আজকে সাগরের মা আয়ছিল
মিষ্টি নিয়ে। সাগর কলেজে পইড়েই ১০
হাজার টাকা বেতনের চাকরি পালো, আর,
তুই কি করলি বাপ? পাড়া-প্রতিবেশীরা কয়
তুই নাকি মদ গাজা খায়ে পইড়ে থাকিস।
নালি ভার্সিটিতি পইড়ে চাকরি হয়না
এরকমতো দেহা যায়না, সবাই কয়।" মায়ের
উপর প্রচন্ড রাগ হলেও ঠান্ডা মাথায়
ফোনটা কাটে রাজু। সামনে ঈদ, কোন মুখ
নিয়ে বাড়িতে যাবে রাজু? এলাকার বন্ধুরা
সব এম্বিশন ছোট ছিল, ছোট চাকরিতে ঢুকে
বড়ভাব এখন তাদের। কিন্তু, রাজু যে একজন
বিসিএস ক্যাডার হতে চায়। শালার
পিএসসিও যা, ঈদের আগে রেজাল্টটা দিয়ে
দিলে ভাল কোন সংবাদ নিয়ে হয়তো বাড়ি
যেতে পারত। মায়ের পিড়াপিড়িতে ঈদে
বাড়িতে গেলেও সারাদিন বের হয়না ঘর
থেকে, নিন্দুকের হাসির পাত্র হবার ভয়ে।
কিন্তু, নিন্দুক কি আর পিছু ছাড়ে? বাড়িতে
এসেই রাজুর খোজ খবর নেয় আগ বাড়িয়ে।
আবার পরিবারের সবার সাথে খেতে বসলে
বোনেদের অভিযোগ তাকে মাথা নিচু করে
শুনতে হয়, "আজ যদি আব্বা তোর পিছনে এত
টাকা ঢাইলে তোরে পড়ালেখা না করাত,
তালি আমার স্বামীরে কিছু টাকা দিয়ে
তার ব্যবসাডা দাড় করানু যাত। আমি
আগেই কইছিলাম অমানুষটার পিছনে এত
টাকা নষ্ট কইরে লাভ নাই। জানোয়ারতো
জানোয়ারই, অমকের ছাওয়াল চাকরি পায়,
তমকের ছাওয়াল চাকরি পায়, আর ও পায়
না। পাবে ক্যান, তালিতো আর বইসে বইসে
পায়ের উপর পা তুইলে খাতি পারে না।"
চোখের পানি গড়িয়ে ভাতের থালায় পড়ে
রাজুর। অসমাপ্ত রেখেই উঠে যায় সে।
কদিনপর আবার ঢাকা ফেরে রাজু। ফিরে
দেখে হলের সিটটা ছাড়তে জুনিয়ররা হুমকি
দিয়ে যাচ্ছে বার বার। এদিকে বিসিএস এর
রেজাল্ট দিল। রাজু নন ক্যাডার। হয়তো নন
ক্যাডারের কোন জব পেতেও পারে। কবে
পাবে, পাবে কিনা, পেলেও কি পাবে,
বাড়িতে কি বলবে, কিভাবে চলবে এসব
চিন্তা নিয়েই পরবর্তী বিসিএসএর জন্য
পড়তে বসে রাজু। অবশেষে ৩০ এ পা দেবার
আগেই ক্যাডার হয় সে।
আমার আশপাশে দেখা অধিকাংশ
নিম্নমধ্যবিত্ত সফল ছেলেদের কমন
কাহিনী এটা। রাজুরা সফল হয়। কিন্তু, এই
সফলতার পেছনের লাঞ্চনা, গঞ্জনার
কাহিনীও চাপা পড়ে যায়। কিন্তু, এসব
জ্বালাতন আর চাপে কোন রাজুর যেন ঝড়ে
পড়তে নাহয়। তারা যেন বিপুল উদ্যমে
এগিয়ে যায় এই প্রত্যাশা করি। আসলে
পুরুষের দূ:খ কেউই বোঝেনা। কেউ ইচ্ছে করে
বেকার থাকতে চায় না তা বাবা-মা-
পরিবারও বুঝতে পারেনা।