M N Academy Nagarkanda, Faridpur

M N Academy Nagarkanda, Faridpur

Share

Campaign for 100 years anniversary of M N Academy Nagarkanda M N Academy Nagarkanda, established in 1916 by Late Zaminder Mahendra Narayan Roy Chowdhury.

It is the oldest high school in Nagarkanda Upazila, after four years we will celebrate its 100 years of anniversary. I create this page for them who are / were students of this school. It is open for its present & ex students. Please share your opinion, comments & attach your or your family picture. From today I start campaign for 100 years of its establishment. On behalf of,
Batch SSC-1982, M

16/06/2024

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক॥
Wishing you and your family a lovely Eid.
Eid Mubarak!!!

14/06/2024

কানাডাতে কুরবানির ঈদ উদযাপন

ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মুসলমানদের খুশীর উৎসব। যারা প্রবাসে থাকেন ঈদ এ দিন তাদের মানসপটে ভেসে উঠে দেশের অতীত ঈদ উদযাপনের কথা, স্বজনদের কথা, প্রিয় বন্ধুদের কথা। যারা দেশে আছেন তাদেরও জানতে ইচ্ছে করে প্রবাসে কি ভাবে ঈদ উদযাপন করে নিজের প্রবাসী স্বজনেরা। আসছে ১৬ জুন ২০২৪ কানাডাতে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কুরবানির ঈদ। আসুন জেনে নেই কানাডাতে মুসলমানেরা কি ভাবে পবিত্র কুরবানির ঈদ পালন করেন। কানাডাতে সাধারণত মুসলিম মালিকানাধীন মুদি দোকানগুলর ( Grocery) মাধ্যমে গরু (ভাগে), ছাগল এবং ভেড়া কুরবানি করা যায়। এ সব দোকান কোরবানির কমপক্ষে একমাস আগে থেকেই পশু কোরবানির অর্ডার নেয় এবং গরুর ভাগ, আস্ত ছাগল ও ভেড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয়। এখানে উল্লেখ্য যে এসব দাম বিভিন্ন শহরে, বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন অর্থাৎ সবখানে এক দাম নয়। এ সব দোকান মালিকগন সাধারণত ভেড়া বা ছাগল হলে ঈদ এর দিনই মাংস সরবরাহ করে থাকেন কিন্ত গরুর মাংস সাধারণত ঈদ এর পরের দিন কোন ক্ষেত্রে তার পরের দিনও সরবরাহ করে থাকেন। দোকান মালিকগন এখানকার Provincially licensed meat plants (সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত খামার যেখানে কসাই খানাও আছে) গুল থেকে পশু ক্রয় করেন। এ সব খামারের পশুগুল সরকারী পশু ডাক্তারগন পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সুস্থ্যতা সাপেক্ষে কানে একটি নম্বর ঝুলিয়ে দেন। এরপর খামার মালিকগন একটি কাগজে এ সব পশুর ওজন, দাম (কোরবানির দিন পর্যন্ত পালন এবং জবেহ করে মাংস তৈরি সহ) লিখে রাখেন। ক্রেতাগন পশু দেখে তার সুবিধে মত পশু ক্রয় করেন। অনেকে ব্যক্তিগত ভাবেও এ সব খামার থেকে সরাসরি পশু কিনতে পারেন কিন্ত তাদেরও এখানেই কুরবানি করতে হয়। এখানে পশু কিনে খোলা মাঠে কুরবানি করার নিয়ম নেই। এসব খামারে Halal Monitoring Authority (HMA) থেকে প্রত্যায়নপত্র নেয়া মুসলমানগণ কুরবানি করেন। যে কেউ ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে তার কেনা পশু কুরবানি দেখতে পারেন কিন্ত পশুর মাংস তৈরির বাকি প্রক্রিয়া দেখা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত ভাবে কুরবানি করলেও এখান থেকেও সাথে সাথে মাংস সরবরাহ করা হয় না। কোন কোন ক্ষেত্রে কুরবানির দিন বিকেলে মাংস সরবরাহ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরবর্তী দিন থেকে মাংস সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এখান থেকে কুরবানি করা পশুর চামড়া, মাথা, বড় হাড় সহ বাকি বর্জ্য খামারগুল নিজ দায়িত্বে অপসারন করে থাকে। স্যানেটরি ইনস্পেক্টরগণ এ সব জবাইখানাগুল সরাসরি পরিদর্শন করে থাকেন। এখান থেকে সরবরাহ করা মাংস পরীক্ষা করে সিল মারা হয় যে এ সব মাংস খাবার জন্য নিরাপদ ( inspected and stamped as approved as safe to eat)। এখানে অনেকেই কুরবানির মাংস নিজের বন্ধু বান্দব ও প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করেন।
অনেকেই দেশ থেকে ঈদ এর পোশাক সংগ্রহ করেন আবার অনেকে এখান থেকেই ঈদ এর পোশাক ক্রয় করেন। যেসব শহরে বেশী প্রবাসীরা থাকেন সেখানে দোকানে সাধারণত দেশীয় পোশাক পাওয়া যায়। এখানে ঈদ উপলক্ষে ঈদ মেলা হয় যেখানে দেশীয় পোশাক কেনা, হাতে মেহেদী লাগান ও দেশী খাবার পাওয়া যায়।
এখানে ঈদ এর নামাজ সাধারণত মসজিদে পড়া হয় কিন্ত কিছু কিছু জায়গায় খোলা মাঠেও ঈদ এর নামাজ আদায় করা হয়। এখানে ঈদ এর জামাতে বিভিন্ন কমুউনিটির লোকজন নামাজ পড়তে আসেন এ জন্য নামাজের আগে বক্তব্য সাধারণত ইংরেজী ভাষায় দেয়া হয়। এ ছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিশেষ করে এমপি, কাউন্সিলরগণ নামাজের আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এখানে ঈদ এর দিন সরকারী ছুটির দিন নয় বলে অনেকে এদিন ছুটি নেন, অনেকে আবার নামাজে পড়ে কাজে চলে যান (অফিস থেকে এ সময়য়ের জন্য ছুটি নেন)। ছাত্র ছাত্রীগন আগে থেকেই তাদের শিক্ষকদের এ ধর্মীয় উৎসবের কথা জানিয়ে রাখেন এ জন্য এদিন শিক্ষকেরা কোন পরীক্ষা রাখেন না। ঈদ এর দিন বিকেল থেকে অনেকেই নিজের আত্মীয়, বন্ধু বান্দবদের বাড়ী যান এবং ঈদ এর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদ এর পরে বিভিন্ন সংগঠন ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন।

টরেন্ট, কানাডা
জুন ১৪, ২০২৪

09/03/2022

শোক সংবাদ
আমাদের প্রিয় বন্ধু, সহপাঠী, এস এস সি ১৯৮২ ব্যাচের গোলাম মওলা (বাড়ীঃ ইউসুফদিয়া) আজ সকালে মারা গেছেন। সবাই তার জন্য দুয়া করবেন। আল্লাহ তাকে জান্নাত বাসী করুন। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি।

01/06/2020

অভিনন্দন এ বিদ্যাপীঠ থেকে এবার এস এস সিতে উত্তীর্ণ সমস্ত শিক্ষার্থীদেরকে, সব শিক্ষকদের এবং অভিভাবকগনকে। ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সমন্বিত কষ্টের ফসল আজকের এ ফলাফল। সবার সুস্থ্যতা এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

14/02/2020

সবাইকে ফাল্গুনী শুভেচ্ছা।

02/02/2020

সকল এস এস সি পরিক্ষারদের শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা। সুন্দর হোক আগামীর পথচলা।

31/12/2019

Wishing you a Safe and Prosperous New Year. Happy New Year 2020.

Photos from M N Academy Nagarkanda, Faridpur's post 23/04/2019

চলে গেলেন মানুষ গড়ার কারিগর আমাদের নুরুদ্দিন স্যার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে থানা পর্যায়ের মাধ্যমিক স্কুল এম এন একাডেমী নগরকান্দা, ফরিদপুরে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি ছিলেন এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তার শিক্ষকতা জীবনে হাজার হাজার আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। স্যারের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

এস এস সি ব্যাচ ১৯৮২
এম এন একাডেমী নগরকান্দা

Photos 12/09/2016

এস এস সি ব্যাচ ১৯৮২ পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ এর শুভেচ্ছা, ঈদ মুবারক

Photos from M N Academy Nagarkanda, Faridpur's post 07/08/2016

বন্ধু, আমরা ভাল আছি তোরা ভাল থাকিস
(বন্ধু দিবস- যে বন্ধুদের হারিয়েছি তাঁদের স্মরণে )

বদরুদ্দজা পেয়ারা, জিল্লুর রহমান লিটা এবং অনুপম কুমার সাহা রায় অনু। আমাদের হাই স্কুল (এম এন একাডেমী নগরকান্দা, ফরিদপুর, এস এস সি ব্যাচ ১৯৮২) জীবনের তিন বন্ধু যাদের দুজন কে আমরা হারিয়েছি, আর এক জন অনেক মানুষের ভিরে নিজে নিজে হারিয়ে গেছে। আজ শুধু লিটা আর পেয়ারার কথা বলব। অনুর কথা অন্য সময়ে অন্য প্রসঙ্গে লিখব।
জিল্লুর রহমান লিটা আমাদের সাথে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ওর বাবা ছিলেন আমাদের থানার (এখন উপজেলা) সমাজকল্যাণ অফিসার। তিন ভাইয়ের মধ্যে ও ছিল সবার বড়। ওর ছোট ভাই আনিসুর রহমান টিটিস (আমি তাকে দুষ্টমি করে বলতাম ইটিস) খুব ভাল নজরুল গীতি গাইতে পারত। ওর মা বাবাও আমাদের খুব আদর করতেন। আমরা স্কুল শেষ করে রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হই (উল্লেখ্য উচ্চ মাধ্যমিকে লেখাপড়ার জন্য কলেজটির খুব নামডাক ছিল এবং তখন বৃহত্তর ফরিদপুরের সব জেলা থেকে মেধাবী ছাত্রগণ এখানে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়তে আসতেন)। লিটা এখানে ভর্তি হতে না পেরে সরকারী রাজবাড়ী কলেজে ভর্তি হয়। ইতিমধ্যে ওর বাবা অন্যত্র বদলি হয়ে যাওয়ার জন্য ওর সঙ্গে যোগাযোগ কমে যায়। আমি দেশের বাইরে পড়তে চলে যাই যার ফলে ওর সঙ্গে অনেক দিন আমার কোন যোগাযোগ ছিলনা। ১৯৯৫ সালের প্রথম দিকে আমি তখন মালিবাগে একটি ক্লিনিকে কাজ করি। একদিন বিকেলে কাজ করে ফেরার পথে ওর সাথে দেখা। ও নিজেই এসে আমার সাথে কথা বলে। প্রায় ১০-১১ বছর পর দেখা। ও মতিঝিলে একটা কোম্পানিতে কাজ করে প্রোগ্রামার হিসেবে, বিয়ে করেনি, ছোট দুভাই পড়াশুনা করে, বাবা অবসরে ফরিদপুরে থাকেন। এরপর আরও দু একবার কথা হয়েছে। ঐ বছরের শেষের দিকে একদিন আমাদের বন্ধু ডাঃ হাফিজ (ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কাজ করে) ফোন করে আমাকে জানাল যে কয়েক দিন আগে লিটা হটাত করে মারা গেছে এবং লিটার আম্মা ওর অফিসে এসে খুব কান্না কাঁটি করেছেন।
বদরুদ্দজা পেয়ারার সঙ্গে আমরা ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে এক সঙ্গে পড়াশুনা করেছি। পেয়ারা অত্যন্ত মেধাবী এবং সুদর্শন ছেলে ছিল। চার ভাইয়ের মধ্যে পেয়ারা মেঝ ছিল। ওর বাবা ও খুব মেধাবী ব্যক্তি ছিলেন। পাকিস্থানের প্রথম দিকে তিনি এম এ পাশ করেন এবং তাঁদের গ্রামের প্রথম এম এ পাশ ব্যক্তি ছিলেন। আমার মার কাছে শুনেছি ওর বাবা যখন এম এ পাশ করে গ্রামে আসেন তখন তাঁকে পাল্কিতে করে আনা হয়েছিল (সম্মান দেখিয়ে)। উনি পশিম পাকিস্থানে চাকুরী করতেন পরবর্তীতে দেশে এসে স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। পেয়ারার সঙ্গে স্কুল শেষ করে একসঙ্গে আমরা সরকারী রাজেন্দ্র কলেজে পড়েছি। এর পর ও ঢাকা কলেজে কেমিস্ট্রিতে অনার্সে ভর্তি হয়। ও লেখা পড়ার সাথে সাথে কারও প্ররোচনায় ব্যাবসা শুরু করে। ওর বড় ভাই তখন মধ্যপ্রাচ্যে থাকতেন তিনি ওকে মূলধন দেন। কথায় আছে বিদ্যার দেবী সরস্বতী আর অর্থের দেবী লক্ষ্মী এক পিঁড়িতে বসেন না। ওর বেলায়ও তাই হল। ব্যাবসায় লোকসান করে, মূলধন তুলতে না পেরে হতাশ হয়ে বাড়িতে চলে গেল। বাড়িতে গিয়ে ওর হতাশা আরও বেড়ে গেল। ১৯৯৫-৯৬ এর দিকে ঢাকায় এসে কিছু একটা কাজ করত। আমি তখন পাশ করে একটি ক্লিনিকে কাজ করতাম এবং বিকেলে মহাখালি ওয়ারলেসগেটে মাঝ মধ্যে একটি চেম্বারে বসতাম। খুব একটা রোগী হত না । দিনে তিন থেকে পাঁচটি রোগী দেখতাম। ও প্রায়ই আসত। মাঝে মধ্যে অন্য বন্ধুরাও আসত। সবাই মিলে আড্ডা দিতাম, চা সিঙ্গারা খেতাম। ও সবার শেষে যেত, যাবার সময় আস্তে করে বলত কিছু টাকা দিতে পারবি। আমার রিক্সা ভাড়া রেখে ওকে বাকি টাকাটা দিয়ে দিতাম। ওকে দেখে আমার মনে হত ও যেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর অমলকান্তি (আংশিক)।
অমলকান্তি আমার বন্ধু,
ইস্কুলে আমরা একসঙ্গে পড়তাম।
-----------------------------
-----------------------------
সে এখন অন্ধকার একটা ছাপাখানায় কাজ করে।
মাঝে মধ্যে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে;
চা খায়, এটা-ওটা গল্প করে, তারপর বলে, “উঠি তাহলে।”
আমি ওকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসি।
মাঝখানে ওর সাথে যোগাযোগ নেই, এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারলাম যে ও বাড়িতে চলে গেছে। এর কিছুদিন পর জানতে পারলেম যে ও বাড়ি থেকে রাগ করে চলে গেছে, কোথায় গেছে কেউ জানেনা। শত শত মানুষের মাঝ থেকে পেয়ারা চির দিনের জন্য হারিয়ে গেল।
ওদের দুজনের সাথে আমাদের অনেক স্মৃতি। আমরা একসঙ্গে খেলাঘর করেছি, বিজ্ঞান ক্লাব করেছি, আবৃতি করেছি, বিতর্ক করেছি, দিনের পর দিন নাটকের রেহারসেল করেছি, নাটক করছি। আমরা তখন প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে কবিতা আবৃতি, বিতর্ক, গান, রচনা প্রতিযোগিতা ও বিজ্ঞান মেলায় অংশ গ্রহন করতাম। একবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে আমি রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম আর লিটা অন্য একটি বিষয়ে ১ম হয়ে (ইভেন্টের নাম মনে নেই) বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ গ্রহন করার জন্য ঢাকা গিয়েছিলাম। আমরা যখন স্কুলে পরতাম তখন থেকেই আমরা এক সাথেই ছাত্র রাজনীতি শুরু করি।
আমরা কেউ চাকুরী, কেউ ব্যবসা, কেউ রাজনীতি করছি। আমাদের সবাই বাব মা হয়েছে, কেউ কেউ দাদা-দাদি, নানা-নানি। শত ব্যস্ততার মাঝেও তোরা আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাসনি। আমাদের পুনর্মিলনীতে, আমাদের আড্ডায়, আমাদের পরিবার পরিজনের মাঝে তোরাও বেঁচে আছিস। তোরা সব সময়ই আমাদের হৃদয় মাঝে আছিস, থাকবি। প্রিয় বন্ধু, আমরা ভাল আছি, তোরাও ভাল থাকিস।

ডাঃ কাজী ম মকিদুর রহমান
আগস্ট ৭, ২০১৬
টরেন্ট, কানাডা

Want your school to be the top-listed School/college in Faridpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Faridpur