24/01/2026
সাগর পাড়ে কিছু সময়....
� ইসলামের পথে জীবন সাজাই! সহজ বার্তা, কুরআনের শিক্ষা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ শেয়ার করুন। আল্লাহর পথে এগিয়ে চলুন আজ থেকেই! ��
🌙 ইসলামের আলোতে জীবন সাজাই 🌟
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,
ইসলাম আমাদের জীবনের পূর্ণাঙ্গ পথনির্দেশিকা। এই পথে রয়েছে শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং পরকালীন সফলতা। দুনিয়ার সমস্ত বিভ্রান্তি ও অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আল্লাহর দেওয়া পথে চলার বিকল্প নেই।
এই পেজের উদ্দেশ্য হলো আপনাকে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরা, আপনার জীবনের প্রতিটি ধাপে ইসলামের সহজ সমাধান পৌঁছে দেওয়া। আমরা এখানে শেয়ার
24/01/2026
সাগর পাড়ে কিছু সময়....
আসসালামু আলাইকুম
জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়ে দিলাম....
দেশের ৫ কোটি বাচ্চাকে নাকি টাইফয়েডের টিকা দিবে।
টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করছে আইসিডিডিআর,বি।
তারা একটা গবেষণা করে দেখেছে, বাংলাদেশে ১ লক্ষ লোকের মধ্যে ৯১৩ জন টাইফয়েড আক্রান্ত হয়। তাহলে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ প্রায় ১%।
তারমানে- প্রাকৃতিকভাবে বছরে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় না- ৯৯%।
আবার আইসিডিডিআর,বি টাইফয়েডের টিকা নিয়ে গবেষণা করে দেখেছে-
এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা ১৮ মাস ৮৫% শতাংশ সু-রক্ষা দেয়।
তাহলে টিকা নেয়ার পরও সু-রক্ষা দেয় না ১৫% শতাংশ।
তারমানে সমীকারণ দাড়াচ্ছে-
টিকা দিলেও টাইফয়েড হবে ১৫%।
আর না দিলে টাইফয়েড হবে- ১%
করোনার সময় প্রথমে অনেকের করোনা হয়নি,
কিন্তু টিকা দেয়ার সাথে সাথে অনেকের করোনা শুরু হয়।
এবং ক্ষেত্রে বিশেষে অনেকের কড়া লক্ষণ প্রকাশ পায়।
অনেকে হসপিটালাইজ হয়, অনেকে মারা যায়, অনেকে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় ভুগতে থাকে।
আসলে টিকা হচ্ছে ঐ রোগের জীবানুর একটি অংশ বিশেষ।
যা টিকার নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়।
এক্ষেত্রে রোগটি যদি খুব জটিল হয়, যা হলে মৃত্যু শতভাগ অবধারিত, কিংবা রোগটির একেবারেই চিকিৎসা নেই,
সেক্ষেত্রে টিকা নেয়ার কিছুটা গ্রহণযোগ্যতা আছে।
কিন্তু টাইফয়েড সেই মাত্রার কোন রোগ নয়,
কিংবা চিকিৎসা নেই- এমন রোগও নয়।
তাহলে কোন দুঃখে আগে থেকেই আমরা সেই রোগের জীবাণুখণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো ?
আমরা কিন্তু একটা কথা প্রায় বলি-
অযথা কোন ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।
কারণ ওষুধমাত্রই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।
কিন্তু একটা কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না-
যারা এই ওষুধগুলো তৈরী করছে কিংবা বিপনন করছে,
সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম।
তাই তারা চাইবে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক যেন তাদের ওষুধগুলো ব্যবহার করে।
এতে তারা ব্যবসায়ীকভাবে লাভবান হবে।
এজন্য বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজের চাহিদা মত গবেষণা ফলাফল তৈরী করে, তারপর মিডিয়াতে টাকা দিয়ে সেটা প্রচার করে, অতঃপর সরকারকে ঘুষ দিয়ে প্রভাবিত করে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি করে অতঃপর জনগণের মধ্যে প্রয়োগ করে।
এখানে জনগণের যতটুকু লাভ আছে, তার থেকে ঢের লাভ হচ্ছে ঔষধ কোম্পানিগুলোর।
টাইফয়ের ভ্যাকসিন কিন্তু্ ইউরোপ-আমেরিকায় দেয়া হয় না,
দেয়া হয় বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান-নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোতে।
এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন কোন পরিকল্পনা নেই,
সে বিষয়ে কোন পর্যাপ্ত গবেষণাও কিন্তু হয় না।
আপনি নিজেকেই প্রশ্ন করুন-
এই যে ৫ কোটি বাচ্চার শরীরে টিকা দেয়া হবে,
এর মধ্যে বড় অংশই আগে টাইফয়েড জীবাণু এক্সপোজ হয়ে শরীরে এন্টিবডি তৈরী হয়ে আছে।, তাহলে সেই শিশুগুলোকে কেন টিকা দিতে হবে ?
একটা বাচ্চার শরীরে যদি এন্টিবডি আগে থেকে থাকেই তবে টিকা দেয়ার তো দরকার নেই।
তাহলে টেস্ট না করিয়ে কেন তাদের শরীরে টিকা দেয়া হবে ?
এখানেই আসলে ব্যবসা।
গণহারে বাচ্চাদের টিকা দেয়াই বলে দেয়-
শিশু স্বার্থের তুলনায় তাদের ব্যবসা করা জরুরী।
আবার ব্যবসার পাশাপাশি, আমাদের বাচ্চাগুলোকে গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইদুরের মত ব্যবহার টিকার গ্রহণযোগ্যতা তৈরী করা। গোপণ জীবাণু অস্ত্র আমাদের বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়া, যা ভবিষ্যতে হয়ত অজ্ঞাত কোন জটিলতা তৈরী করবে।
এসব ঔষধ ব্যবসায়ী আমাদের আদরের শিশুদেরকে যে কুকুর-বিড়ালের মত ব্যবহার করছে, এটা নিয়ে কিন্তু কেউ মুখ খুলে না, কথা বলে না।
আসলে এটা আমাদেরই দোষ।
আমরা ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই তা ধর্মগ্রন্থের মত বিশ্বাস করি।
এটা অবশ্য তৈরী করেছে ব্রিটিশরা। তারা ২০০ বছর শাসন করে আমাদের মানসিক দাস বানিয়ে দিয়ে গেছে। এখন তাদেরকে আমরা অন্ধের মত বিশ্বাস করি। তারা কিছু বললে তার বিপরীতে কিছু বলার চিন্তাও করতে পারি না। এখন তারা আমাদের বাচ্চাদের কুকুর-বিড়াল আর ইদুর বানাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর এক কী সাইড ইফেক্ট, তা না জেনেই আমরা চোখ বন্ধ করে আমার আদরের বাচ্চার শরীরে অযথাই তাদের ইনজেকশন পুশ করছি, যা সত্যিই ভয়ঙ্কর।
আমি অভিভাবকদের অনুরোধ করবো,
এই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন আপনার আদরের বাচ্চার শরীরে মোটেও প্রবেশ করাবেন না।
এগুলো থেকে দূরে থাকুন।
25/09/2025
সকলেই আমন্ত্রিত....
24/09/2025
24/09/2025
ফরিদপুরে প্রথমবারের মতো জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে বিশাল কর্মী সম্মেলন!
৪ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১০টায় ফরিদপুর শিশু একাডেমিতে (রাজেন্দ্র কলেজের দক্ষিণ পাশে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সম্মেলন। এতে সভাপতিত্ব করবেন মুফতী কামরুজ্জামান সাহেব, প্রধান অতিথি আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা লোকমান মাজহারী ও মুফতী জাকির হুসাইন কাসেমী।
সম্মেলনে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও কর্মীদের জন্য দিকনির্দেশনা। ফরিদপুরের সকল উলামা, মাশায়েখ ও কর্মীদেরকে উপস্থিতিত হওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান করা যাচ্ছে...
29/06/2025
আলহামদুলিল্লাহ!ফরিদপুর জেলা যুব জমিয়তের উদ্যোগে,আগামী১২ই জুন বিভাগীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে,গতকাল ২৮/০৬/২৫ ইং রোজ শনিবার শামসুল উলুম মাদ্রাসায় বিকাল ৪ ঘটিকায় জরুরি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়,উক্ত মিটিংয়ে জেলা যুব জমিয়তের সভাপতি মুফতি কুতুবউদ্দিন, জেনারেল সেক্রেটারি ঈসা মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক,মাওলানা ইলিয়াস,বায়তুল মাল সম্পাদক মুফতি এনায়েত তালুকদার, সহকারী অর্থ সম্পাদক হাফেজ এমদাদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মুফতি আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আনিসুর রহমান এবং হাফেজ তরিকুল ইসলাম সহ উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।মুফতি কুতুবউদ্দিন সাহেবের সঞ্চালনায় হাফেজ তরিকুল ইসলাম সাহেবের কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়,এতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাদের সংক্ষিপ্ত মতামত ব্যক্ত করেন।মিটিংয়ের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিলো, আগামী ১২ জুলাই ২৫ ইং রোজ শনিবার বিভাগীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে করণীয়।
সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে আলোচনায় উঠে আসে জেলার প্রতিটি থানায় সফর করা,আহ্বায়ক কমিটি গুলো পূণার্ঙ্গ করা,যে থানা গুলিতে এখনও কমিটি করা হয়নি সেই থানা গুলিতে কমিটি সম্পুর্ন করা,সম্ভব হলে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা।সম্মেলনে বেশী থেকে বেশী জনবল নিয়োগের চেষ্টা করা।থানায় থানায় সফর শেষে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সকল অংঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে আরেকটি মিটিং আহ্বান করা। এছাড়াও আলোচনায় আরও উঠে আসে একনিষ্ঠ কর্মী নির্ধারণে কমিটি নবায়ন সহ যথাযথ উদ্যেগ গ্রহণ,কাজের গতিও পরিধি বাড়ানো,কর্মী তৈরী করা সহ নানাবিধ আলোচনা। বায়তুল মালকে শক্তিশালী করতে সংগঠনের প্রতিটি কর্মীকে যথাসম্ভব সংগঠনের মাসিক এয়ানত প্রদান করা। এছাড়াও আলোচনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়,আগামী স্হানীয় নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন করা, জন-সম্পৃক্ততা বাড়ানো।সকলকে মিষ্টিমুখ করানোর মধ্যে দিয়ে বৈঠকের সমাপ্তি হয়।।।
ইসলামিস্টরা রেডি হয়ে যান,
ফ্রি কামলায় ডাক পড়তে পারে।
ইউনুস সরকার টিকিয়ে রাখতে আবার
আপনাদের ফ্রি কামলা খাটতে হবে।
তবে কাজ শেষে লাত্থিও পাবেন ফ্রি।
ভেঙে যাওয়া মানুষ গুলো অতিরিক্ত পরিমানে হাসে! আপনি কিছু বললেও মন খারাপ না করে হেসে উড়িয়ে দেবে! এদের 'কেমন আছেন' জিজ্ঞেস করে লাভ নেই! জিজ্ঞেস করুন 'কি অবস্থা? ভাল থাকার অভিনয় কেমন চলতেছে?' 🤍
হে দিপ্তময় হৃদয় চাঁদ,
ফুসিতময় উষ্ণ অঙ্গ শিখা।
ঝিঁঝি পোকার ঝিক ঝিক আলো
মাধুরীর লতার তরল শাখা।
হে মুগ্ধ মরিয়া মানব মহি,
হৃদয় করিয়া উত্তাল আছো কহি?
বল বল আছো কহি?
খুঁজিয়ে খোঁজান্তর পুড়িয়ে পান্থর।
বিষাদে ফিরে কাঁদে অন্তর।
একা একা একান্তরে
আপনার ভাবনায় মরিহা মন্বন্তরে।
খুঁজি আপনার গন্তব্য
হয়ে দিস হারা দিসান্তরে।
হে মুগ্ধ মরিয়া মানব মহি,
হৃদয় জ্বালিয়া আছো কহি?
বৃক্ষের ফুরায় ফুল
সমুদ্রের ফুরায় জল।
শুধু ফুরায় না আমার অপেক্ষা
ফুরায় না আপনার পথ।
বই - খুনসুটি সংসার
মোহাম্মদ সোহাগ হোসেন ✒️