বুদ্ধিগত প্রতিবন্ধি শিশুদের চিকিৎসা পদ্ধতি
Psychologist Palash Biswas
Hi, this is Psychologist Palash Biswas.
Here I want to create awareness about Child Development and provide therapeutic services for the child of Neurodevelopmental Disorder and also give Counselling and Psychological Intervention for Adult.
শিশুর জন্মের সময় অথবা জন্মের পরবর্তী সময়ে জটিলতা দেখা দিলে, শিশুর সামগ্রিক বিকাশ বিলম্বিত হতে পারে।
বুদ্ধিগত প্রতিবন্ধকতা বলতে কি বোঝায়?
কি কি বৈশিষ্ট্য দেখলে বুঝতে পারবো শিশু বুদ্ধিগত প্রতিবন্ধকতার ভিতর দিয়ে যাচ্ছে?
এ সকল ক্ষেত্রে কি করণীয় সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
শিশুর উপর মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মনোভাবের প্রভাব:
একটা শিশুর সঠিক বিকাশের ক্ষেত্রে মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মনোভাবের একটা গুরুত্ব রয়েছে। যার শুরুটা হয় মূলত শিশুর মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময় থেকে।
শিশুর গর্ভে থাকাকালীন সময়ে মা যদি তার প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করে তাহলে মায়ের মাঝে এক ধরনের নেতিবাচক মানসিক চাপের সৃষ্টি হয় তা মায়ের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করে, যা গর্ভস্থ শিশুর মাঝে সঞ্চারিত হয়।
যেমন:- মা যখন গর্ভের শিশুকে প্রবলভাবে ছেলে হিসেবে পেতে চান, আর যদি জানতে পারেন গর্ভস্থ শিশুটি মেয়ে তাহলে তিনি স্বাভাবিকভাবে সন্তানের প্রতি বিরূপ হবেন। আর এই মনোভাব যদি মায়ের মাঝে থেকে যায় তাহলে জন্ম পরবর্তী সময়ে সন্তান লালনপালনের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পরতে পারে। যা শিশুর সঠিক বিকাশকে ব্যাহত করতে পারে।
বিপরীতভাবে গর্ভে সন্তানে আবির্ভাবের পর থেকেই মা খুশিতে থাকেন এবং সন্তান ছেলে কিংবা মেয়ে তাতে মায়ের কিছুই আশে যায় না তাহলে মায়ের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে চলতে থাকে। একই সাথে মায়ের দৈহিক কর্মকান্ডের ভারসাম্যও সুন্দরভাবে বজায় থাকে ফলশ্রুতিতে গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বিকাশধারা অব্যাহত থাকে।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ( বাবা, কাকা, খালা, ফুফু, দাদা- দাদী) আচার-আচরনে মা যদি বুঝতে পারেন যে নূতন শিশুর আগমনে বা প্রত্যাশিত শিশু না হওয়ায় কেউ খুশি নন তাহলে মায়ের মাঝে মানসিক চাপ বা বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। যার প্রভাবে গর্ভের শিশুর বিকাশধারা ব্যাহত হতে পারে।
অন্যদিকে গর্ভস্থ শিশুর প্রতি পরিবারের সকলের মনোভাব যদি অনুকূলে থাকে তাহলে মায়ের মনোভাবও ইতিবাচকভাবে সুদৃঢ় থাকবে। ফলশ্রুতিতে গর্ভকালীন এবং জন্ম পরবর্তী সময়ে শিশুর বিকাশ সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে।
মা হিসেবে এবং পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের উচিৎ পরিবারের নূতন সদস্যকে ইতিবাচকভাবে গ্রহন করা। গর্ভকালীন সময়ে মাকে মানসিকভাবে সমর্থন দেয়া। এর ফলে মা এই সময়ের প্রতিটা পরিবর্তনকে ভালোভাবে গ্রহন করতে পারবে। যার মাধ্যমে নূতন শিশুর বিকাশ হবে সঠিক ও সুন্দর।
পলাশ বিশ্বাস
শিশু মনোবিজ্ঞানী ও
কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞানী
চেম্বারঃ ডাঃ জায়েদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতাল, ফরিদপুর।
রোগী দেখার সময়ঃ শুক্রবার ও শনিবার
(সকাল ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত)
যোগাযোগঃ 01924 664394
শিশুর শারীরিক ও মানসিক সামগ্রিক বিকাশের ক্ষেত্রে শিশুর প্রথম ৩ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুর প্রতিটা আচরন ও কাজকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন।
26/06/2024
সুখবর.....সুখবর.....সুখবর.....
আগামি ২৮/০৬/২০২৪ ইং (শুক্রবার) থেকে
ডাঃ জায়েদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতাল, ফরিদপুর এ নিয়মিত রোগী দেখবো।
রোগী দেখার সময়:
শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৮.০০টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত
শিশুর বিকাশজনিত নিম্নলিখিত সেবাসমূহ প্রদান করা হবে....
ধন্যবাদ।
আপনার আদরের সন্তান ও স্মার্ট ফোন
বর্তমান সময়ে এমন কোন পরিবার পাওয়া যাবে না যেখানে স্মার্ট ফোন নেই। পরিবারের সকলের প্রিয় বস্তুটাই যেন এই যাদুর বাক্সটা, যার সাথে আপনি ঘন্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছেন। স্মার্ট ফোনের সাহচর্যে আপনি হাসছেন, খুশি হচ্ছেন অথবা কষ্ট পাচ্ছেন।
অথচ এই সাহচর্য টা পাওয়ার কথা আপনার আদরের সন্তানের। যখন একটা শিশু উপলদ্ধি করতে শুরু করে আমার সাথে তো কেউ খেলছে না, আমার সাথে তো কেউ মজা করছে না। তাহলে মজার বিষয়টাই আছে ঐ ফোনের ভিতর।
মনে রাখবেন শিশুরা অনেক বেশি অনুকরণ প্রিয়। শিশু আপনাকে যা করতে দেখবে শিশুরা সে দিকেই আকৃষ্ট হবে। শিশু কিন্তু মায়ের গর্ভ থেকে স্মার্ট ফোন চালানো শিখে আসে না। আমরাই তাকে শিখতে উৎসাহী করে তুলি।
শিশুকে মোবাইল দেখতে বাড়ন করার আগে, নিজেকেই মোবাইল দেখা কমাতে হবে। আসুন পরিবারের প্রত্যেক সদস্য শিশুর অনুকরণীয় হয়ে উঠি। আমাদের প্রিয় বস্তু হয়ে উঠুক আমাদের প্রিয় সন্তান। ধন্যবাদ।
পলাশ বিশ্বাস
শিশু মনোবিজ্ঞানী
শিশুর বিকাশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথাঃ
পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনি শিশুর কোন শারীরিক রোগ ( যেমন:- জ্বর, কাশি, ঠাণ্ডা ইত্যাদি) হলে যতটা চিন্তিত হন, ঠিক ততটাই চিন্তিত হওয়া উচিৎ শিশুর বিকাশগত কোন সমস্যা (যেমন:- ঘাড় শক্ত না হওয়া, বসতে এবং হাটতে না পাড়া, কথা বলতে না পাড়া, কম বুঝতে পাড়া ইত্যাদি) হলে।
শিশু বিকাশগত ভাবে পিছিয়ে পড়লে তার প্রভাব কিন্তু দীর্ঘ্য সময় শিশুকে বহন করতে হয়। অনেক সময় বাবা মা হিসেবে মনে হলো আপনার শিশুর এই বিষয়টা মনে হয় ধীরে হচ্ছে বা পিছিয়ে পড়ছে। তখন আপনার কখনো উচিৎ হবে না এমন কারো মতামত নেওয়া যে এই বিষয়ে অজ্ঞ। কারন যে মানুষ শিশুর বিকাশগত সমস্যা হলে পরবর্তীতে কি কি প্রভাব পড়তে পারে না জানে সে আপনাকে সঠিকভাবে সাহায্য করতে পারবে না।
আগেও দেখেছি এখনো দেখছি অনেক বাবা মা এসে বলছেন, স্যার অনেকের কাছে জিজ্ঞাসা করেছি তারা বলছে এটা কোন সমস্যা না ঠিক হয়ে যাবে। এই কথার মাধ্যমে সেই মানুষটি আপনার উপকার তো করতেই পারলো না বরং আপনার এবং আপনার শিশুর ক্ষতি করলো।
(এটা কোন সমস্যা না ঠিক হয়ে যাবে) এই কথার উপড় ভিত্তি করে বিকাশগত সমস্যার ক্ষেত্রে আপনি যে সময়টা নিলেন ততদিনে আপনার শিশুর বয়সটা বেড়ে যাচ্ছে এবং বিকাশগত সমস্যাটাও গুরুতর হচ্ছে।
এই কথাগুলো বলার উদ্দেশ্য হলো, Early Development Period এ শিশুকে কোন প্রফেশনালের কাছে নিয়ে গেলে যে উপকার টা পাবেন পরবর্তীতে সেটা পাবেন না। কারন শিশুর Early Development Period এর মাঝেই ৯০% Brain Development হয়ে যায়।
শিশু বিকাশগতভাবে পিছিয়ে পড়লে বাবা- মায়ের যেমন কষ্ট এবং একই সাথে শিশুর কষ্ট। তাই বাবা মা হিসেবে যখনি মনে হবে আপনার শিশু মনে হয় পিছিয়ে পড়ছে সাথে সাথেই একজন প্রফেশনালের সাহায্য নিবেন। সরকার বিকাশগতভাবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসার জন্য সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে ৩৫ টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছেন। যেখানে আপনি বহির্বিভাগ থেকে সরকারি টিকিট দিয়ে সেবা গ্রহন করতে পারবেন।
আপনার একটু সচেতক পদক্ষেপই পারে একটা শিশুকে সুন্দর ভবিষ্যৎ দিতে। সবাই পরিবারের সকলকে নিয়ে ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
পলাশ বিশ্বাস
চাইল্ড সাইকোলজিস্ট
শিশু বিকাশ কেন্দ্র
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফরিদপুর।
শিশুর স্পিচ ডিলের জন্য কি কি এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাক্টর কাজ করে তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।
শিশুদের স্পিচ ডিলে বা ভাষাগত ভাবে পিছিয়ে পড়ার সমস্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তাই আমাদের সচেতনতাই পারে শিশুকে সুন্দর ভবিষ্যৎ দিতে।
১০ মাস থেকে ১২ মাস প্রতিটা শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। আজকে আলোচনা করেছি এ বয়সী শিশুর শারীরিক ও ভাষাগত বিকাশ নিয়ে। এই বিকাশগত বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে জানুন, এসব তথ্য জানলে আপনি সচেতন হবেন এবং অন্যকে সচেতন করতে পারবেন।
৮ মাস থেকে ৯ মাস বয়সী শিশুর সঠিক বিকাশ কেমন হবে তা সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হল। আশাকরি আপনার বা আপনার পরিচিত কারো এ বয়সী শিশু থাকলে বিকাশগত বৈশিষ্ট্যগুলো খেয়াল করবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
West Khabashpur, Faridpur Sadar, Katoali, Faridpur
Faridpur